post
বাংলাদেশ

টিআইবি বিএনপির শাখা হয়ে গেছে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন সামনে রেখে একদিকে সন্ত্রাস সহিংসতা হচ্ছে, অন্যদিকে ভয়ঙ্কর গুজবের ডালপালা বিস্তার করা হচ্ছে। মানবাধিকারের প্রবক্তা টিআইবি বিএনপির ভাবাদর্শের প্রবক্তা হয়ে চোখ থাকতে অন্ধ হয়ে আছে। টিআইবি বিএনপির শাখা সংগঠন হয়ে গেছে। শুক্রবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন গণতন্ত্রের প্রাণ। সরকারি দল হিসেবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে গণতান্ত্রিক করাই আওয়ামী লীগের দায়িত্ব। যে কোনো মূল্যে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করে রেকর্ড করতে চায় আওয়ামী লীগ। তিনি আরও বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া ব্যবস্থাকে স্বাগত জানাচ্ছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করার ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ সমর্থন করেছে। নির্বাচন কমিশনকে কোনোভাবে প্রভাবিত করছে না আওয়ামী লীগ। বিজয় দিবসের কর্মসূচি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের কর্মসূচি শুরু হবে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে। ১৭ ডিসেম্বর আমাদের আলোচনা সভা। ১৮ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় শোভাযাত্রা করা হবে। সেদিন একযোগে সারা দেশে বিজয় শোভাযাত্রা করা হবে। নির্বাচন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, বিএনপি ও তার দোসরদের একদিকে সন্ত্রাস-সহিংসতা, অন্যদিকে গুজব ভয়ংকরভাবে বিস্তৃত হচ্ছে। এসময়ে টিআইবির সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দেশে এখন যারা মুক্তবুদ্ধির চর্চা করেন বলে দাবি করেন, যারা মানবাধিকারের প্রবক্তা, যেমন টিআইবি... ২৮টি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, তারপরও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন কেন হবে না, এ প্রশ্নের উত্তর টিআইবির কাছে পাওয়া যাবে না। তারা জেনেশুনেই এটা করছে। আমরা টিআইবির কাছে জানতে চাই, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে কী বুঝায়? ২৮টি নিবন্ধিত দল অংশ নিচ্ছে, বিএনপিসহ কয়েকটি দল নির্বাচন থেকে দূরে রয়েছে, বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না, এর অর্থটা কী? টিআইবি বিএনপির শাখা-সংগঠন। তারা একই সুরে কথা বলে।বিএনপি নেতা মঈন খানের ভাগাভাগি নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, কিসের ভাগাভাগি? আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যেকোনো মূল্যে এই  নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন হিসেবে,  একটা রেকর্ড আমরা দেখাতে চাই। নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের প্রাণ, কাজে নির্বাচন ব্যবস্থাকে গণতান্ত্রিক করায় আমাদেরও দায়িত্ব আছে।নির্বাচনের আচরণবিধি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচন কমিশন নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করার জন্য কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে যেগুলোকে আমরা সমর্থন দিয়েছি। আমাদের যেসব প্রার্থী প্রার্থিতা হারিয়েছে, আমরা কারও ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করার কোনো চেষ্টা করিনি এবং করব না।

post
সংবাদ

দ্বৈত নাগরিকত্বে তিন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুই জনসহ মোট তিন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন-ইসি। আপিল শুনানিতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বরিশাল-৪ আসনের শাম্মী আহমেদ ও ফরিদপুর-৩ আসনের শামীম হক এবং বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদিক আবদুল্লাহর প্রার্থিতা বাতিল করেছে সংস্থাটি। তবে ফরিদপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল কাদের আজাদের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ এনে করা আপিল খারিজ করে দিয়েছে কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন।শুক্রবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানিতে এসব রায় দেয় ইসি। আপিল শুনানিতে সভাপতিত্ব করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার-সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। উপস্থিত আছেন অন্য চার কমিশনারসহ ইসি সচিব। এর আগে বরিশাল-৪ আসনে নৌকার প্রার্থী শাম্মী আহমেদ মনোনয়নপত্রে তার দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য গোপন করেছেন মর্মে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করে তার প্রার্থিতা বাতিল চেয়েছিলেন ওই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী পংকজ দেবনাথ। অভিযোগ পেয়ে শাম্মী আহমেদের যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

post
বাংলাদেশ

আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলো ২৭৫ ব্যক্তি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল শুনানিতে মোট ২৭৫ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এর মধ্যে শেষ দিনের আপিল শুনানিতে ২২ জন প্রার্থিতা ফিরে পাওয়াসহ বৈধতা পেয়েছেন। এ দিন নামঞ্জুর হয়েছে ৬২ জন প্রার্থীর আবেদন। আজ  আপিল শুনানিতে মোট প্রার্থী ছিলেন ৮৪ জন।শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখা থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইসি জানায়, এর আগে প্রথম দিনে ৫৬ জন প্রার্থিতা ফিরে পান, দ্বিতীয় দিনে ৫১ জন প্রার্থী, তৃতীয় দিনে প্রার্থিতা ফিরে পান ৬১ জন, চতুর্থ দিনে ৪৪ জন, পঞ্চম দিনে প্রার্থিতা ফিরে পান ৪৩ জন এবং আজ শেষ দিনে ২০ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তবে এ দিন ফরিদপুর-৩ ও বরিশাল-৫ আসনের বৈধ প্রার্থীর প্রার্থিতার বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করেছে ইসি। অর্থাৎ এই দুই বৈধ প্রার্থী ইসির আপিল শুনানিতে প্রার্থিতা হারিয়েছেন। অন্যদিকে গত ছয় দিনে মোট ২৭৫ জন নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এর আগে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫৫৮টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুনানি শেষে আপিল আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করে ২৭৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নের বৈধতা দিল নির্বাচন কমিশন। তবে মোট আপিলের মধ্যে ২৮৩ জন প্রার্থীর আবেদন নামঞ্জুর করেছে আউয়াল কমিশন। এই ২৮৩ জন প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন। ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি।

post
বাংলাদেশ

১৮ ডিসেম্বরের পর সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ১৮ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজনৈতিক দলের কোনো সভা, সমাবেশ বা অন্য কোনো প্রকার রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে সাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হাবিবুল হাসান।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৮ ডিসেম্বর থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ছাড়া নির্বাচনী কাজে বাধা হতে পারে বা ভোটাররা ভোটপ্রদানে নিরুৎসাহিত হতে পারে এরূপ কোনো প্রকার সভা, সমাবেশ বা অন্য কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা থেকে সবাইকে বিরত রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা পাঠায় নির্বাচন কমিশন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় জলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ৭ জানুয়ারি ধার্য করা রয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা শুরু হবে। ১৮ ডিসেম্বর থেকে ভোটগ্রহণ সমাপ্ত হওয়ার পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ব্যতীত নির্বাচনী কাজে বাধা হতে পারে বা ভোটাররা ভোটপ্রদানে নিরুৎসাহিত হতে পারে এরূপ কোনো প্রকার সভা, সমাবেশ বা অন্য কোনো প্রকার রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা থেকে সবাইকে বিরত রাখা বাঞ্ছনীয়।

post
বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা আছে: জাপা মহাসচিব

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি জাতীয় পার্টির (জাপা) শতভাগ আস্থা আছে বলে জানিয়েছেন পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। বৃহস্পতিবার দুপুরে বনানীতে জাপা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে এ মন্তব্য করেন চুন্নু। সম্প্রতি জাতীয় পার্টিকে বিশ্বাস করা যায় না বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেছেন। এমন খবর প্রকাশ হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এ প্রসঙ্গে চুন্নু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমাদের শতভাগ আস্থা রয়েছে। আমাদের উপর আস্থার ঘাটতি আছে সেটা সামান্য টের পাইনি। বৈঠকে ক্ষমতাসীনদের ব্যবহারে মনে হয়েছে আমাদের উপরও যথেষ্ট আস্থা রয়েছে।আওয়ামী লীগের কাছে জাপা আসন চায়নি জানিয়ে এসময়ে তিনি বলেন, আমরা জনগণের কাছে আসন চায়। কোনো দলের কাছে চাই না। আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভোটের পরিবেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা যেটা ইঙ্গিত দিচ্ছেন, সেটা নিয়ে যে আলোচনা হয়নি তা নয়, অনেক কিছু নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আজ রাতেও আলোচনা হবে। আগামীকাল হয়তো নির্বাচনের বিষয়ে আরও কিছু তথ্য দিতে পারবো। বৈঠক যেহেতু নির্বাচনকেন্দ্রিক, তাই ৭ জানুয়ারির আগে দফায় দফায় বৈঠক চলবে। তিনি আরও বলেন, সরকারের অধীনে ভোট হচ্ছে না। এটা আপনাদের ভুল ধারণা। নির্বাচন হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীনে। নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ যারাই নির্বাচনী কাজে জড়িত, সবাই ইসির অধীনে। জাপার এ নেতা বলেন, দেশে কখনোই শতভাগ সুষ্ঠু ভোট করা সম্ভব হয় নাই। নির্বাচন পদ্ধতি পরিবর্তন করে আনুপাতিক হারে ভোট করা হলেই কেবল শতভাগ ভোট সুষ্ঠু করা সম্ভব।

post
শিক্ষা

১০ ব্যাংকের নিয়োগ পরিক্ষা স্থগিত

দেশের ১০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা পদে নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির পরিচালক মো. রফিকুল ইসলামের সাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া প্রার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমেও পরীক্ষা স্থগিতের তথ্য জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।বিজ্ঞপ্তি বলা হয়েছে, ‘আগামী ২৩ ডিসেম্বর তারিখের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি সচিবালয়ের সদস্যভুক্ত ১০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ২০২১ সালভিত্তিক অফিসার এর ২ হাজার ৭৭৫টি শূন্যপদে নিয়োগের উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিতব্য প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হলো।’ পরীক্ষার পরিবর্তিত তারিখ ও সময় যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। ১০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- সোনালী ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্যভুক্ত ১০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অফিসার পদে ২ হাজার ৭৭৫ জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংকে এক হাজার ৫৪টি, জনতা ব্যাংকে ৩০২টি, অগ্রণী ব্যাংকে এক হাজার, রূপালী ব্যাংকে ১৫টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে ৩৫টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ২৭৫টি, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে ২৪টি, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ১৯টি, কর্মসংস্থান ব্যাংকে ৪৫টি এবং ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশে ৯টি শূন্যপদ রয়েছে।

post
সংবাদ

রাজধানীতে দুই প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ

নির্বাচন ভবনের সামনে কটূক্তির জেরে কুমিল্লা-১ আসনের দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুইজনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে এই ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, কথা কাটাকাটির জেরে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা-১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত এমপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার নাঈম হাসানের সমর্থকরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এসময় উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাৎক্ষণিক প্লাবন ও সানজিদ নামে দুইজনকে নিজেদের হেফাজতে নেন। তারা দুইজনই কুমিল্লা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী নাঈম হাসানের সমর্থক। এই ঘটনায় একে অন্যের ওপর দায় চাপিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিচ্ছে উভয়পক্ষই। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল শুনানিতে অংশ নেন কুমিল্লা ১ আসনের সংসদ স্বতন্ত্র প্রার্থি নাঈম হাসান। দুপুর সোয়া বারোটার দিকে তার আপিল নামঞ্জুর করা হয়। পরে তিনি বাইরে বেরিয়ে এলে তার সমর্থকদের সঙ্গে আবদুস সবুরের সমর্থকদের কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আব্দুস সবুরের কর্মী-সমর্থকদের দায়ী করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী নাঈম হাসান। তিনি জানান, তার কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশে ‘নির্বাচনের আগেই হেরে গেছিস’ এমন কটুবাক্য বলার পরই এমন বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ বিষয়ে শের-ই-বাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক নিয়ামুল ইসলাম বলেন, একটু উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। পরে পুলিশ এসে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এনেছে। বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি সুন্দর ও স্বাভাবিক রয়েছে।

post
সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ডোবা থেকে অজ্ঞাত (৪০) এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পৌরশহরের মাঝিকাড়া গ্রামের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে নিহতের নাম পরিচয় জানাতে পারে নি পুলিশ।নবীনগর থানার পরিদর্শক তদন্ত সজল কান্তি দাস জানান, মাঝিকাড়া গ্রামের একটি ডোবায় এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। তিনি আরো জানান, নিহতের মরদেহটি কয়েকদিন পানিতে থাকার কারণে সারা শরীরে পচন ধরে গেছে। মরদেহ সনাক্তের জন্য চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

post
সংবাদ

১৮ ডিসেম্বরের পর সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ১৮ ডিসেম্বর থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাজনৈতিক দলের কোনো সভা, সমাবেশ বা অন্য কোনো প্রকার রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে সাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হাবিবুল হাসান।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৮ ডিসেম্বর থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ছাড়া নির্বাচনী কাজে বাধা হতে পারে বা ভোটাররা ভোটপ্রদানে নিরুৎসাহিত হতে পারে এরূপ কোনো প্রকার সভা, সমাবেশ বা অন্য কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা থেকে সবাইকে বিরত রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা পাঠায় নির্বাচন কমিশন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উপসচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় জলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ৭ জানুয়ারি ধার্য করা রয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা শুরু হবে। ১৮ ডিসেম্বর থেকে ভোটগ্রহণ সমাপ্ত হওয়ার পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ব্যতীত নির্বাচনী কাজে বাধা হতে পারে বা ভোটাররা ভোটপ্রদানে নিরুৎসাহিত হতে পারে এরূপ কোনো প্রকার সভা, সমাবেশ বা অন্য কোনো প্রকার রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা থেকে সবাইকে বিরত রাখা বাঞ্ছনীয়।

post
বাংলাদেশ

বিজয় দিবসের পরে বিএনপি ও সমমনা জোটগুলোর নতুন কর্মসূচির পরিকল্পনা

ঘোষিত তফসিলের আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ডামি নির্বাচন আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিযেছে বিএনপি ও তাদের সমমনা শরিক জোটগুলো। তাদের একদফা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষনা অব্যাহত রেখেছেন বলে জানিয়েছেন তারা।  নির্বাচনী প্রচার ছাড়া সভা-সমাবেশসহ সব রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি না দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দেওয়া নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চিঠি আমলে নিচ্ছে না নির্বাচন বয়কট করে আন্দোলনে থাকা বিএনপি ও যুগপতের মিত্ররা। তারা বলছেন, এ চিঠি আমলে নেওয়ার কিছু নেই। তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক দমনপীড়নের মধ্য দিয়ে সরকার একটা একতরফা নির্বাচন করতে যাচ্ছে। এই ডামি নির্বাচনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার অধিকার জনগণের রয়েছে। জানা গেছে, বর্তমান বাস্তবতায় দেড় মাস ধরে চলা হরতাল-অবরোধের কর্মসূচিই অব্যাহত রাখবে বিএনপি। এর ফাঁকে ফাঁকে পেশাজীবী ও দলীয় ব্যানারেও নেতাকর্মীদের জমায়েতের কর্মসূচি দিতে পারে। এর মধ্য দিয়ে আন্দোলনকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে চায় তারা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন, নির্বাচন নির্বিঘ্নে করতে ইসির এ চিঠির পর সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আরও কঠোর হবে। এর ফলে বিএনপি আগামীতে কর্মসূচি পালন করতে পারবে কি না, এটা নিয়ে তারা সন্দিহান।  এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বুধবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বলেছেন, নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি ছাড়া অন্য কোনো কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা নেই। যে কোনো প্রোগ্রাম করতে গেলে, সভা-সমাবেশ করতে হলে সরকারের অনুমতি নিতে হয়। সে ক্ষেত্রে সরকার যেখানে তাদের অনুমতি দেবে, তারা সেখানে করবে। তবে, বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এধরনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্নভাবে অনগনতান্ত্রিক। আর বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, এর মাধ্যমে প্রমান হচ্ছে দলীয় সরকারের অধীনে কখনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না। তা না হলে মানুষের অধিকার হরন করতে পারে না নির্বাচন কমিশন। আর গনসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী বলেছেন, নিজেদের অবস্থানের নড়বড়তা টের পেয়ে সরকার জনবিরোধী নানা নিয়ম কানুন বিধি চালুর অপচেষ্টা করছে।  আগামী ১৮ ডিসেম্বর থেকে ভোট গ্রহণ পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার ব্যতীত সভা-সমাবেশসহ সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি না দিতে গত মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। ইসি বলছে, নির্বাচনী কাজ বাধাগ্রস্ত ও ভোটাররা ভোট প্রদানে নিরুৎসাহিত হতে পারে—এমন আশঙ্কায় এ সিদ্ধান্ত।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.