post
লাইফ স্টাইল

হার্ট ভালো রাখতে যে মসলা খাবেন

সুস্থ থাকার জন্য হার্ট ভালো রাখার বিকল্প নেই। সেজন্য নিজের প্রতি হতে হবে বাড়তি যত্নশীল। নয়তো হার্টের অসুখ একবার দেখা দিলে তা মারাত্মক আকার ধারন করতে পারে। ঠিক কোন নিয়মগুলো মেনে চললে হার্ট ভালো রাখা সহজ হবে সেকথা অনেকেই বুঝতে পারেন না। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ থাকে প্রথমেই তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার। এর বদলে খেতে হবে পর্যাপ্ত সবুজ শাক ও সবজি। সেইসঙ্গে প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে একটি বিশেষ মসলা। নাম তার মৌরি। এতে উপকার পাওয়া যাবে দ্রুতই। ছোট্ট একটি মসলা মৌরি। এটি সুগন্ধযুক্ত মসলা। তবে এর গন্ধ কেউ পছন্দ করেন, কেউ করেন না। তাতে অবশ্য এই মসলার গুণ একটুও কমে না। বরং আপনার হার্ট ভালো রাখার ক্ষেত্রে এটি কাজ করে দুর্দান্তভাবে। তাই হার্ট ভালো রাখতে এর উপকারিতা ও কার্যকারিতা আগে জেনে নিয়ে এরপর প্রতিদিনের খাবারে যোগ করতে হবে উপকারী মসলা মৌরি। তাই হার্টের অসুখ তো দূরে থাকবেই সেইসঙ্গে আরও অনেক অসুখ কাছে ঘেঁষতে পারবে না। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের রক্তে জমা থাকে কোলেস্টেরল নামক মোম জাতীয় একটি উপাদান। কিন্তু কোনো কারণে যদি রক্তে এই মোম জাতীয় উপাদান স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তাহলে তা হার্টের রক্তনালীর ভেতরে জমে যেতে পারে। যেখান থেকে ঘটতে পারে হার্ট অ্যাটাকের মতো প্রাণঘাতী সমস্যা। তাই যেভাবেই হোক সবার আগে কোলেস্টেলরকে নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। বাড়তি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আনতে আপনাকে সাহায্য করবে ফাইবার সমৃদ্ধ মৌরি। বিশেষজ্ঞরা হাইপারলিপিডিমিয়ায় আক্রান্তদের নিয়মিত মৌরি খাওয়ার পরামর্শ দেন। হার্ট ভালো রাখে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌরিতে থাকে পর্যাপ্ত ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়াম। আমাদের হার্টকে ভালো রাখতে বেশ কার্যকরী এসব উপাদান। যে কারণে নিয়মিত মৌরি খেলে তা হার্টের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কাজ করবে। যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারাও নিয়মিত মৌরি খেতে পারেন। কারণ এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও মূখ্য ভূমিকা রাখে। নিয়মিত এই মসলা খাবারের পাতে রাখলে দূরে থাকতে পারবেন অনেক রোগ থেকেই। হার্ট ভালো রাখা ছাড়াও এটি পেটের সমস্যা দূর করা, ক্যান্সার দূরে রাখাসহ আরও অনেক কাজ করে। বুঝতেই পারছেন, কেন প্রতিদিন মৌরি খাওয়া জরুরি? যেভাবে খাবেন এখন নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন এসেছে যে, হার্ট ভালো রাখা এবং সুস্থ থাকার জন্য মৌরি কীভাবে খাবেন? এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্রতিবেলার মূল খাবার খাওয়ার পর এক চা চামচ মুখে পুরে খেয়ে নেওয়া। এর পাশাপাশি আরেকটি উপায় হলো মৌরি ভেজানো পানি পান করা। সেজন্য প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মনে করে এক গ্লাস পরিষ্কার পানিতে এক চা চামচ মৌরি মিশিয়ে ভিজতে দিন। গ্লাসটি ঢেকে রাখুন। সকালে উঠে পানিটুকু ছেঁকে খেয়ে নিন। এভাবে নিয়মিত খেলেই উপকার পাবেন।

post
লাইফ স্টাইল

শিশুর রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে

শিশুদের রাগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করা তাদের মানসিক বিকাশ এবং সামগ্রিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য। শিশুরা বেড়ে ওঠার উত্থান-পতন মোকাবিলা করার সময় তাদের হতাশা এবং ক্রোধ সামলে রাখাও শেখাতে হবে। এটি তাদের জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম করবে। এখানে ৫টি সহজ কিন্তু শক্তিশালী দক্ষতা রয়েছে যা শিশুদের রাগ পরিচালনা করতে এবং জটিল আবেগ মোকাবিলায় সহায়তা করবে।আবেগ শনাক্ত করতে দিন আপনার সন্তানকে তার আবেগ শনাক্ত করতে ও নাম দিতে সাহায্য করুন। এতে সে নিজের অনেক বিষয় কেউ বলে না দিলেও বুঝতে পারবে। রহস্য সমাধান করার মতো সে কী অনুভব করছে তা বুঝতে পারাটা হবে প্রথম পদক্ষেপ। সহজ ভাষা এবং উদাহরণ ব্যবহার করুন যা সে সহজে বুঝতে পারে। নিজের রাগ সম্পর্কে বুঝতে পারলে তা নিয়ন্ত্রণ করা তার জন্য সহজ হবে। সরাসরি কথা বলুন খোলামেলা কথা বলার মাধ্যমে আপনার সন্তানকে রাগ নিয়ন্ত্রণে শব্দের শক্তি শেখান। অন্যদের দোষারোপ করার পরিবর্তে নিজের অনুভূতি শান্ত এবং দৃঢ়ভাবে প্রকাশ করতে তাকে উৎসাহিত করুন। অন্যদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে ওঠার জন্য তাকে ভালো ভালো কাজ করতে দিন। নিজের ছাড়াও অন্যকে নিয়ে ভাবতে শেখান। এতে তার রাগ অনেকটাই কমে আসবে। রাগকে সমস্যা সমাধানের সুযোগে পরিণত করুন আপনার সন্তানের রাগের মূল কারণগুলো মোকাবিলা করার জন্য সমস্যা সমাধানের দক্ষতা তৈরি করুন। সমস্যাটিকে ছোট অংশে বিভক্ত করে সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে এবং তার কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে তাকে উৎসাহিত করুন। সমস্যার উপর মনোযোগ না দিয়ে সমাধান খোঁজার দিকে মনোযোগ দিন। শিশুরা তাদের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তাই তাকে এটি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করুন। আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করুন আপনার সন্তানকে আত্মবিশ্বাস এবং দৃঢ়তা তৈরি করতে সহায়তা করুন। এতে তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে এবং তাতে অটল থাকতে পারবে। যে কারণে অযথা রাগের পরিস্থিতি তৈরি হবে না। শিশুকে শেখাতে হবে যে আক্রমণাত্মক বা প্যাসিভ না হয়ে তাদের অধিকার এবং পছন্দ-অপছন্দের বিষয়গুলো তুলে ধরতে হবে। এতে শিশু আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামাজিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করার দক্ষতা অর্জন করে। সেইসঙ্গে শিশুর অসহায়ত্ব বা হতাশার অনুভূতি থেকে রাগের সম্ভাবনা কমে যাবে।

post
লাইফ স্টাইল

গরমে সুস্থ রাখবে এই ৫ খাবার

গরমের সময় শুরু হয়েছে। এখন সময় এসেছে আমাদের খাবারের তালিকা ও জীবনযাপনের ধরনে পরিবর্তন আনার। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের এমন খাবার খাওয়া উচিত যেগুলো শরীরকে ঠান্ডা এবং হাইড্রেটেড রাখে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এসময় আমাদের ঘাম এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে অনেকটা পানি বের হয়ে যায়। যে কারণে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হতে পারে। গরমের সময়ে আমরা অন্যান্য সময়ের চেয়ে বেশি তৃষ্ণার্ত থাকি। তাই এসময় এমন খাবার খেতে হবে যাতে পানির পরিমাণ থাকে বেশি। এই গরমে আপনাকে নিজের প্রতি আরেকটু বেশি যত্নশীল হতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে খাবারের তালিকার প্রতি। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন খাবার সম্পর্কে যেগুলো আমাদের এই গরমেও সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। ১. শশা গরমের সময়ে একটি উপকারী খাবার হলো শশা। এতে ক্যালোরি থাকে কম এবং এটি হাইড্রেটিং একটি খাবার। আপনার প্রতিদিনের সালাদ, স্মুদি কিংবা অন্যান্য ডিশ তৈরিতে রাখতে পারেন শশা। এতে পানির পরিমাণ বেশি থাকার কারণে তা আপনাকে গরমেও হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করবে। তাই গরমের সময়ে শশা থাকুক আপনার খাবারের তালিকায়। ২. তরমুজ গ্রীষ্মকালীন একটি সুস্বাদু ফল হলো তরমুজ। মিষ্টি স্বাদের এই ফল সবার কাছেই একটি পছন্দের খাবার। এটি গরমের সময়ের জন্য বেশ উপযুক্ত। কারণ এই ফলের প্রায় নব্বই শতাংশই পানি। এতে থাকে ইলেক্ট্রোলাইট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ। যে কারণে তরমুজ খেলে তা শরীরের অনেক ঘাটতি পূরণে কাজ করে। তাই খাবারের তালিকায় প্রতিদিন তরমুজ রাখুন। ৩. ফুটি গরমের আরেকটি সুস্বাদু ফল হলো ফুটি। এটে যেমন মিষ্টি তেমনই হাইড্রেটিং। ফুটি খেলে তা আপনাকে দিনভর সতেজ রাখতে কাজ করবে। সেইসঙ্গে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। হার্ট ভালো রাখতে, দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে, ওজন কমাতে এবং পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ফুটির জুড়ি মেলা ভার। তাই গরমের সময়ে খাবারের তালিকায় যোগ করে নিন সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর ফুটি। ৪. টমেটো গরমের সময়ে একটি উপকারী সবজি হলো টমেটো। লাল টুকটুকে টমটো দিয়ে তৈরি করা যায় নানা পদের খাবার। এটি লাইকোপেন সমৃদ্ধ। লাইকোপেন হলো একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ক্ষতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। টমেটোতে প্রচুর পানি থাকে। সেইসঙ্গে থাকে ভিটামিন এ এবং সি। তাই গরমের সময়ে নিয়মিত টমেটো খেতে হবে। ৫. দই গরমে সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত পাতে রাখুন দই। এটি এক ধরনের প্রয়োবায়োটিক যা এই গরমে আপনাকে সতেজ রাখতে কাজ করবে। সেইসঙ্গে পেটের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতেও কাজ করবে এটি। দই খেলে তা শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। তাই গরমের সময়ে প্রতিদিন এক বাটি দই খাওয়ার অভ্যাস করুন।

post
লাইফ স্টাইল

ত্বকের দাগ দূর করবেন যেভাবে

ত্বকের দাগ দূর করবেন যেভাবেআমাদের ত্বকের নানা দাগছোপ দূর করার এবং উজ্জ্বলতা বাড়ানোর রয়েছে প্রাকৃতিক উপায়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপদান ব্যবহার করে ত্বকের দাগ দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়ানো সম্ভব। সেজন্য বাইরে থেকে একগাদা পয়সা খরচ করে বিভিন্ন উপকরণ কিনে আনার প্রয়োজন নেই। বরং ঘরে থাকা বিভিন্ন উপাদান দিয়ে খুব সহজেই ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক ত্বকের দাগছোপ দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়নোর ঘরোয়া উপায়- বেসন বেসন দিয়ে কেবল মজার মজার খাবারই তৈরি করা যায় না, সেইসঙ্গে এটি আমাদের ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর হিসেবেও কাজ করে। আমাদের মুখে জমে থাকা মৃত কোষের স্তর পরিষ্কার করতে এবং ত্বকের আসল উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করে বেসন। ত্বকে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতেও কাজ করে এটি। তাই ত্বকের যত্নে বেসনের ব্যবহার করতে পারেন। সেজন্য একটি পাত্রে পরিমাণমতো বেসন ও দুধ নিয়ে ঘন পেস্ট বানিয়ে ফেলতে হবে। এরপর সেই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে রেখে দিতে হবে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। টক দই টক দই আমাদের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে এটি আমাদের ত্বকের যত্নেও বেশ কার্যকরী। এটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। টক দইয়ে থাকে ল্যাকটিক অ্যাসিড যা ত্বকে স্ক্রাবিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি আমাদের ত্বকের আর্দ্রতার মাত্রা ধরে রাখতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এক্ষেত্রে মুখে সরাসরি টক দই ব্যবহার করতে পারেন অথবা আপনার ফেসপ্যাকের সঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকের যত্নে নিয়মিত টক দই ব্যবহার করলে পরিবর্তনটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। অ্যালোভেরা জেল ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা জেলের উপকারিতার কথা শুনেছেন নিশ্চয়ই? এটি ত্বকের আর্দ্রতা বাড়াতেও কাজ করে। অ্যালোভেরা জেল আমাদের ত্বকের ভেতরে জমে থাকা দূষিত পদার্থ বের করে দিতে কাজ করে। তাই আপনার রূপচর্চার উপাদানের তালিকায় এটি যোগ করে নিন। সেজন্য আপনাকে তেমন কিছুই করতে হবে না। কেবল প্রতিদিন দুইবেলা অ্যালোভেরা জেল ত্বকে ব্যবহার করলেই উপকার পাবেন।

post
লাইফ স্টাইল

কেমন হবে বৈশাখের সাজ

পহেলা বৈশাখের সাজে নারী আরও বেশি অনন্যা হয়ে ওঠেন। বিশেষ করে শাড়িতে এদিন তাকে দেখতে আরও বেশি সুন্দর লাগে। তবে গরমের সময় বলে সাজের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হয়। নয়তো সাজ নষ্ট হয়ে আপনাকে দেখতে উদ্ভট লাগতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কেমন হবে বৈশাখের সাজ- পহেলা বৈশাখের সাজে নারীর পোশাক হিসেবে শাড়িই সবচেয়ে বেশি মানানসই। এক্ষেত্রে আপনি একটি সুতির শাড়ি বেছে নিতে পারেন। গরমের সময়ে সুতির শাড়িতেই সবচেয়ে বেশি আরাম পাবেন। তাই স্বস্তির জন্য সুতির শাড়িই উত্তম। সুন্দরভাবে পরলে সুতির শাড়িতেও আপনি হয়ে উঠবেন অনন্যা। এক্ষেত্রে নতুন শাড়ি কিনতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। শুধু শাড়ি নয়, শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ মানানসই না হলে দেখতে ভালোলাগবে না। আবার সুন্দর একটি ব্লাউজ আপনার সাজ আরও বেশি ফুটিয়ে তুলতে পারে। তাই এদিকে খেয়াল রাখুন। এই সময়ে যেসব ব্লাউজ বেশি ট্রেন্ডিং সেসব থেকে একটি বেছে নিতে পারেন। পহেলা বৈশাখে গয়না না পরলে দেখতে ভালোলাগবে না। সুন্দর একটি শাড়ির সঙ্গে মানানসই গয়না পরলে দেখতে আরও বেশি পরিপাটি লাগবে। গয়নার ক্ষেত্রে আপনার পছন্দ আর স্বস্তির বিষয়টি সবার আগে মাথায় রাখবেন। তবে বৈশাখের সাজে বেশি মানানসই কাঠ, মাটি, পুতি, কাপড় ইত্যাদির গয়না। গলায় বড় কোনো গয়না পরলে কানে হালকা গয়না পরুন।

post
লাইফ স্টাইল

সকালে ঘুম থেকে ওঠা জরুরি?

স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠলে আপনি আরও সতেজ বোধ করবেন এবং দিনের কাজগুলো সামলাতে প্রস্তুত থাকবেন। দ্রুত ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিরা সকালের শান্ত এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কাজে মনোযোগ দিতে পারেন। এটি আপনার সৃজনশীলতার বিকাশ এবং লক্ষ্য নির্ধারণ সহজ করে দেয়। তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠলে আপনি গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সহজে করতে পারবেন। আপনার দিনের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারবেন এবং কাজেও গতি আসবে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, সকালে ঘুম থেকে ওঠা বেশি ব্যক্তিরা সক্রিয় থাকে এবং তাদের সময় ব্যবস্থাপনার দক্ষতাও বেশি ভালো থাকে, যার ফলে ব্যক্তিগত এবং পেশাদার উভয় ক্ষেত্রেই সাফল্য বৃদ্ধি পায়। তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠলে তা আপনাকে পরিষ্কার এবং সতর্ক মন নিয়ে দিন শুরু করতে দেয়। আপনার মস্তিষ্ক যখন ঘুম থেকে জাগ্রত হয়, তখন স্মৃতি, একাগ্রতা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা অপ্টিমাইজ করা হয়। সকালে এই মানসিক স্বচ্ছতার সদ্ব্যবহার করে আপনি আরও বেশি মনোযোগ এবং দক্ষতার সঙ্গে কাজগুলো সম্পন্ন করতে পারবেন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ রুটিন সেট করতে হবে। হতে পারে তা মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন অনুশীলন করা বা ব্যায়াম করা। চাইলে আপনি আয়েশ করে সকালের নাস্তাও খেতে পারেন। এ ধরনের কাজ আপনার স্ট্রেস এবং উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করবে, মেজাজ উন্নত করবে এবং সামগ্রিক সুস্থতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

post
লাইফ স্টাইল

এই ঈদে সাজবেন যেভাবে

ঈদের সাজ নিয়ে নানা ভাবনা থাকে আমাদের। কোন পোশাকটি সবচেয়ে সুন্দর লাগবে, কেমন সাজাবে বেশি মানাবে এমনটাই চিন্তা করি আমরা। ঈদের সাজ নিয়ে তাই দ্বিধান্বিত থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আপনার ঈদের সাজ কেবল আকর্ষণীয় হলেই চলবে না, সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে আরও কিছু বিষয়ের দিকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত- ঈদ মানেই আপনজনের সান্নিধ্যে সময় কাটানো। আরেকটু হৃদ্যতা বাড়াতেই ঈদের আগমন। তাই এই সুযোগ কাজে লাগেয়ে ঈদে প্রিয়জনদের সঙ্গে ম্যাচিং পোশাক পরতে পারেন। মানানসই এবং সুন্দর পোশাক বেছে নিন। গরমের সময়ে ঈদ। তাই ঈদের পোশাকের ক্ষেত্রে আরামের বিষয়ের প্রতি নজর রাখতে হবে সবাইকে। কারণ যত সুন্দর পোশাকই কিনুন না কেন, তা আরামদায়ক না হলে আপনি বেশিক্ষণ পরে থাকতে পারবেন না। তাই আরামের কথা মাথায় রাখতে হবে। ঈদের সাজ ও পোশাকে নিজস্বতা আনুন। এমন কিছু থাকুক যা আপনার রুচি ও নিজস্বতার জানান দেয়। একটি সুন্দর পোশাক ও সাজ আপনার আত্মবিশ্বাস অনেক গুণ বাড়িয়ে তুলতে পারে। পোশাকের সঙ্গে সুন্দর কোনো গয়না পরুন, হাতভর্তি চুড়ি পরতে পারেন। ঈদের পোশাকটি একটু সুন্দর ও আকর্ষণীয় হলেই ভালো। কারণ উৎসব মানেই রঙিন। তাই এমন পোশাক বেছে নিন যা আপনাকে অনেকের ভিড়েও অনন্য করে তোলে। সেজন্য উজ্জ্বল কোনো রং বেছে নিন।

post
লাইফ স্টাইল

গরমে ঠান্ডা পানি খেলে কী হয়?

গরমের সময়ে ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি বের করে পান করা আমাদের অনেকেরই সাধারণ অভ্যাস। এতে সাময়িকভাবে প্রশান্তি লাগে ঠিকই কিন্তু তারপর কী হয়? কখনো কি ভেবে দেখেছেন গরমে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি খেলে উপকার হয় নাকি ক্ষতি হয়? গরমে পর্যাপ্ত পানি পানের বিকল্প নেই। কিন্তু আপনি কি সরাসরি ফ্রিজের পানি খেতে পারবেন? গরমে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি খেলে কী হয়? চলুন জেনে নেওয়া যাক-খাবার খাওয়ার মধ্যে মধ্যে আপনার কি ঠান্ডা পানি খাওয়ার অভ্যাস আছে? এই ভুলেই বাড়তে পারে হজমের সমস্যা। এখানেই শেষ নয়, নিয়মিত ঠান্ডা পানি পান করতে থাকলে খাবারে থাকা নানা পুষ্টিগুণ শোষণ করতে পারে না আমাদের শরীর। তাই এ ধরনের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে চাইলে আজ থেকে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পানের অভ্যাস বাদ দিন। তাতে হজম ভালো থাকবে এবং দূরে থাকবেন আরও অনেক সমস্যা থেকে। গরম থেকে ফিরেই ঠান্ডা পানি পান করেন? এই অভ্যাস থাকলে তা আজই বাদ দিতে হবে। কারণ এভাবে ঠান্ডা পানি পান করলে তা গলা ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। সেইসঙ্গে বুকে জমে যেতে পারে কফও। আর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত হতে পারে একঘেয়ে আর বিরক্তিকর কাশি। তাই বিশেষজ্ঞরা বাইরে থেকে ফিরেই ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে চুমুক দিতে নিষেধ করছেন। এটি মেনে চলতে পারলে উপকৃত হবেন আপনিই।

post
লাইফ স্টাইল

প্রেমিকা স্বার্থপর কি না জানুন

কিছু প্রেমের সম্পর্কে মিশে থাকে স্বার্থপরতা। শুরুতে হয়তো বুঝতে পারা যায় না। কিন্তু দিন যত যায়, সেই স্বার্থপরতার রূপ প্রকাশ হতে থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রেমিকা স্বার্থপর আচরণ করতে পারে। কীভাবে বুঝবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক- প্রেম করলে একসঙ্গে খেতে যাওয়া হবেই। রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাবার অর্ডার করে দু’জনেই খেলেন। কিন্তু বিল দেওয়ার সময় কেবল আপনাকেই মানিব্যাগ খুলতে হয়? আপনার প্রেমিকা কি কখনো বিল দেওয়ার কথা বলেন কিংবা দেন? যদি একদমই বিল না দেয় তাহলে বুঝে নিন তার আচরণ অনেকটাই স্বার্থপরের মতো। প্রেমের সম্পর্কে থাকে উপহারের আদান-প্রদানও। আপনি তাকে বিভিন্ন উপলক্ষ্যে কিংবা মাঝে মাঝেই বিভিন্ন উপহার দেন কিন্তু সে কেবলই নেওয়ার বেলায় উপস্থিত! আপনারও বিভিন্ন উপলক্ষ্য আসে কিন্তু সে কোনো ধরনের উপহার দেয় না? তাহলে বুঝে নিন আপনার প্রেমিকা একজন স্বার্থপর নারী। প্রেমিকা মানে সুখ এবং দুঃখের সঙ্গী। কিন্তু আপনার সুখের সময়ে আশেপাশে থাকলেও দুঃসময়ে তার খোঁজ পাওয়া যায় না? আপনার কোনো কষ্টের কথা বলতে গেলে ব্যস্ততা দেখায়? আপনার দুর্দিনে যে পাশে থাকে না সে তো আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী নয়। নিজের জন্য ভালোবাসা সবারই থাকা জরুরি। কিন্তু আপনার প্রেমিকা যদি সারাক্ষণ কেবল নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকে এবং আপনার দিকে একদমই খেয়াল না করে তবে সতর্ক হোন।

post
লাইফ স্টাইল

তরমুজ ফ্রিজে রাখলে কী হয়?

তরমুজ খেলে তা আমাদের ডিটক্স করতে এবং শরীরের প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। এছাড়াও, এই ফলে ক্যালোরি থাকে অনেক কম, তাই মিষ্টি এই ফল খেলেও ওজন বৃদ্ধির ভয় থাকে না। আমাদের মধ্যে অনেকেই ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা তরমুজ খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু কি জানেন, ফ্রিজে রাখলে তা তরমুজের পুষ্টিগুণ নষ্ট করতে পারে? USDA দ্বারা পরিচালিত একটি গবেষণা বলছে ফ্রিজে তরমুজ সংরক্ষণ করলে তা পুষ্টিগুণ কমিয়ে দিতে পারে। জার্নাল অফ এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রিতে প্রকাশিত, ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা তরমুজ রেফ্রিজারেটেড তরমুজের চেয়ে বেশি পুষ্টি সরবরাহ করে। ওকলাহোমার লেনে ইউএসডিএর দক্ষিণ কেন্দ্রীয় কৃষি গবেষণা ল্যাবরেটরির গবেষকরা ১৪ দিন ধরে বিভিন্ন জনপ্রিয় জাতের তরমুজ পরীক্ষা করেছেন। তারা এই তরমুজগুলো ৭০-, ৫৫- এবং ৪১- ডিগ্রি ফারেনহাইটে সংরক্ষণ করে। তারা দেখেছে যে ৭০- ডিগ্রি ফারেনহাইটে সঞ্চয় করা তরমুজে রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করাগুলোর তুলনায় যথেষ্ট পরিমাণে বেশি পুষ্টি রয়েছে। এছাড়াও, তারা ব্যাখ্যা করে যে তরমুজ তোলার পরেও কিছু পুষ্টি তৈরি করে। এটি রেফ্রিজারেটরে রাখলে ধীর হয়ে যায় বা পুরো প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.