post
আন্তর্জাতিক

নোবেল জিতেও সন্তানের টিফিনে ব্যস্ত বিজ্ঞানী

নোবেল জয়ের আনন্দের মধ্যেই সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ক্যালিফোর্নিয়ার বিজ্ঞানী কার্ল ডেইসেরথ। মস্তিষ্ক নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণার স্বীকৃতি পাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্তানদের টিফিন তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি।সোমবার ভোর। তখন স্ট্যানফোর্ডের বাড়িতে একের পর এক ফোন আসছে। অভিনন্দন জানাচ্ছেন সহকর্মীরা। সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইছেন। বিশ্বের অন্যতম বড় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও ডেইসেরথের কাছে আর পাঁচটা দিনের মতোই গুরুত্বপূর্ণ ছিল তাঁর পরিবারের সকালটা।সকালে সন্তানদের ঘুম থেকে তুলে নোবেল পাওয়ার খবরটি জানান কার্ল। খবর শুনে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে তাঁর সন্তানরা।স্ট্যানফোর্ডের প্রকাশ করা ভিডিয়োতে ধরা পড়েছে পরিবারের সেই আবেগঘন মুহূর্ত।৫৪ বছরের এই বিজ্ঞানী ২০২৬ সালে মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁর সঙ্গে পুরস্কার ভাগ করে নিয়েছেন জার্মানির বিজ্ঞানী পিটার হেগেমান ও জর্জ নাগেল। তাঁদের গবেষণার বিষয় অপ্টোজেনেটিক্স। সহজ করে বললে, আলো ও জিনের সাহায্যে জীবন্ত মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট স্নায়ুকোষকে ‘অন’ বা ‘অফ’ করার একটি পদ্ধতি।এই গবেষণা মস্তিষ্ককে বোঝার ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন এনেছে। কোন স্নায়ুকোষ কী ভাবে কাজ করে, মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ কী ভাবে একে অন্যের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা হয় — সে সব বোঝার নতুন দরজা খুলেছে এই প্রযুক্তি। ভবিষ্যতে নানা স্নায়ুজড়িত ও মানসিক রোগের চিকিৎসা নিয়েও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।ডেইসেরথ নিজে চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী। তিনি মনোরোগ বিশেষজ্ঞও। তাই তাঁর গবেষণার সঙ্গে রোগীদের জীবনও ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে। তাঁর রোগীদের কেউ অটিজ়মে ভুগছেন, কেউ অবসাদে। তাঁদের জন্য এই গবেষণা নতুন আশার আলো হয়ে উঠুক, সেটাই তাঁর অন্যতম আশা। আবার বিজ্ঞানী হিসেবে মানুষের মস্তিষ্ক কী ভাবে কাজ করে, সেটাও তাঁকে সমান ভাবে টানে।তবে নোবেল পাওয়ার সেই রাতটা খুব একটা ঘুমিয়ে কাটেনি তাঁর। নিজেকে ‘নাইট আউল’ বলেই মনে করেন কার্ল। সে দিনও গভীর রাত পর্যন্ত গবেষণাপত্র দেখছিলেন। ছাত্রদের সঙ্গে ইমেল করছিলেন। তার পর একটু শুতে গিয়েছিলেন। ঠিক তখনই সুইডেনের স্টকহোম থেকে এল সেই ফোন।

post
লাইফ স্টাইল

বেশিরভাগ পুরুষ দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন, এর ফলে যা হয়

অনেক পুরুষ দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশে ছেলেদেরকে শিশুবেলা থেকেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা শেখানো হয়। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা একটি ব্রিটিশ পদ্ধতি। আমাদের দেশের আধুনিক অফিসগুলোতে পুরুষদের দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ব্যবস্থা রাখা হয়। এই পদ্ধতি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয় বলে মত দিয়েছেন গবেষকেরা। একটি গবেষণায় দেখা গেছে— দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে দিনে দিনে প্রস্রাবের বেগ বা গতি কমে আসে। এতে পেলভিক পেশির ক্ষতি হয়। নিয়মিত দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে প্রস্টেট গ্রন্থি বাড়তে থাকে। এর ফলে নানারকম রোগ হতে পারে। তা ছাড়া দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে মূত্রথলির মধ্যে জমা দূষিত পদার্থগুলো নীচের দিকে চলে যাওয়ায় শরীর থেকে বের হতে পারে না। দিনে দিনে সেগুলো জমে। ফলে প্রস্রাব করার সময় মূত্রথলিতে চাপ অনুভব হতে পারে। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে পুরুষের অস্থিরতা বাড়তে পারে। হতে পারে রক্তচাপ। এ ছাড়া হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিক গতি বৃদ্ধি পেতে পারে। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার আরও অনেক ক্ষতি আছে। সেগুলো হলো কিডনিতে পাথর হতে পারে। এমনকি এই অভ্যাসের ফলে ডায়াবেটিস এবং জন্ডিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়। চিকিৎসকেরা বলেন, অফিসে আধুনিক ব্যবস্থা থাকলেও বসে প্রস্রাব করার ব্যবস্থাও থাকে। বসে প্রস্রাব করার অভ্যাস একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। পুরুষদের উচিত এই অভ্যাস রপ্ত করা।

post
আন্তর্জাতিক

আরো চাপ বেড়েছে এনএইচএস এর জরুরী চিকিৎসা বিভাগে

আরো চাপ বেড়েছে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সেবা খাত-এনএইচএস এর জরুরী চিকিৎসা বিভাগে। গেলো জুন এবং জুলাই মাস ছিলো জরুরী বিভাগের সবচেয়ে ব্যস্ত সময়। বেড়েছে অপেক্ষমান রোগীর পরিমান। গত জুন মাসে অপেক্ষায় থাকা রোগী ছিলো ৭ দশমিক ছয় দুই মিলিয়ন। যার মধ্যে অপারেশনের রোগী ছিলো বেশি। প্রায় ৫৮ হাজার রোগী আছেন যারা চিকিৎসার জন্য অপেক্ষা করছেন ৬৫ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে। এনএইচএস প্রধান বলেছেন, তারা খারাপ সময় পার করছেন। জুন এবং জুলাই মাসে এএন্ডইতে গেছেন ৪ দশমিক ৬ মিলিয়ন রোগী। যা অতীতের চেয়ে অনেক বেশি। হেলথ সেক্রেটারী ওয়েস্ট স্ট্রীটিং বলেছেন, সংকট সমাধানে আরো সময় লাগবে।

post
লাইফ স্টাইল

ঝটপট তৈরি করতে পারেন মোগলাই পরোটা

সকালে কিংবা সন্ধ্যায় চায়ের সঙ্গে মোগলাই পরোটা আমাদের সবারই পছন্দের একটি খাবার। কিন্তু বাড়িতে খুব কমই করা হয়। কারণ অনেকেই বলেন রেস্টুরেন্টের মতো মজার হয় না খেতে, কিন্তু এবার থেকে হবে।সহজে তৈরি করা যায়, এমন পারফেক্ট রেসিপি জেনে নিন: ময়দা- দুই কাপ, তেল- তিন চা চামচ, কাঁচামরিচ কুচি- এক চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি- দুই চা চামচ, ডিম- তিনটি, লবণ ও পানি পরিমাণমতো, ভাজার জন্য তেল। যেভাবে তৈরি করবেন , প্রথমে ময়দা, লবণ ও তেল একসাথে মিশিয়ে হালকা গরম পানি দিয়ে মেখে আধাঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন। পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, ডিম ও লবণ একসঙ্গে ফেটে নিন। এবার পিঁড়িতে তেল মেখে বানানো খামির পরিমাণ ময়দা নিয়ে রুটি বেলে নিন। রুটির মাঝে ফেটানো ডিম ছড়িয়ে দিয়ে চার পাশ ভাঁজ করে নিন। ভাঁজটা এমন হতে হবে যেন ভেতরের ডিম বাইরে বেরিয়ে না আসে। এবার মাঝারি আঁচে একটা ছড়ানো ফ্রাই প্যানে ডুবোতেলে সাবধানে পরোটা বাদামি করে ভেজে নিতে নিন। ছুরি দিয়ে কেটে পছন্দের সালাদ বা সসের সঙ্গে পরিবেশন করুন গরম গরম মোগলাই পরোটা।

post
লাইফ স্টাইল

মাছির উপদ্রব থেকে বাঁচার উপায়

১. মাছি তাড়াতে ঘর পরিষ্কার রাখতে হবে। ফল, শাকসবজি ভালোভাবে ধুয়ে রাখুন। আবার খাওয়ার বা রান্নার আগে দু-তিনবার ধুয়ে নিতে হবে। বাড়িতে বেশি পাকা ফল থাকলে তা সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে ফেলুন, সামান্য পচন ধরলেও বাড়িতে না-রেখে তা ফেলে দিন। অধিক পাকা ফল মাছিদের সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে।২. অনেকেই বাড়ির বাইরে আবর্জনার ফেলেন। এ ক্ষেত্রে ঢাকনাযুক্ত পাত্রে ঘরের ময়লাআবর্জনা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ আবর্জনা থাকলে মাছির উপদ্রব বেড়ে যায়। একই সঙ্গে কোনোভাবেই আবর্জনা জমতে দেওয়া যাবে না। মাছি এই আবর্জনার স্তূপেই ডিম পাড়ে। তাই আবর্জনা জমতে না দেওয়াই ভালো। বাড়িতে আবর্জনা ফেলার ডাস্টবিন থাকলেও, সেটিও ঢাকা দিয়ে রাখবেন। ৩. প্রতিদিন ভালোভাবে রান্নাঘর পরিষ্কার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফ্রিজের নিচে বা আশপাশে পরিষ্কার রাখুন, যাতে এখানে কোনোভাবে খাবার পড়ে না থাকে বা পাকা ফলের রস লেগে মাছিদের আকৃষ্ট করতে না পারে। রান্নাঘরে গ্যাস ওভেনের ওপরেও রান্নার সময় খাবারদাবার লেগে যায়। এই সমস্ত স্থানই মাছিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে থাকে। অতএব প্রতিবারের ব্যবহারের পর গ্যাস ওভেন পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। ৪. মশার মতো হাত দিয়ে মাছি মারা যায় না। তবে চাইলে মাছিও মারা সম্ভব। এর জন্য একটি গ্লাসে সামান্য অ্যাপেল সিডার ভিনিগার নিন। এর পর গ্লাসের মুখটি সেলোফেন পেপার দিয়ে মুড়িয়ে দিন। এবার একটি টুথপিক দিয়ে সেলোফেন পেপারের মাঝে একটি ফুটো করুন। এই ফুটোর মধ্যে দিয়ে একটি মাছি গলে যেতে পারে, তেমন বড় ছিদ্র করুন। লক্ষ্য রাখবেন, ফুটো এমন হবে, যার মধ্য দিয়ে মাছি ঢুকতে পারে, কিন্তু বেরোতে পারে না। ভিনিগারের মিষ্টি গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে ভেতরে ঢুকে আটকে যাবে মাছি। যে স্থানে সবচেয়ে বেশি মাছির আনাগোনা লেগে থাকে, সেখানে এটি রাখুন।

post
লাইফ স্টাইল

দুপুরে খাওয়ার পরেই ঘুম পেলে কী করবেন?

অনেকেরই দুপুরে খাওয়ার পর পর ঘুম আসে। বিছানায় কিছুক্ষণ শুয়ে থাকলে স্বস্তি লাগে। কিন্তু অফিসে থাকলে দেখা দেয় বিপত্তি। সাধারণত ভারী খাবার খেলে এমন অনুভূতি বেশি হয়। খাবার যত ভারী হবে, তত বেশি ইনসুলিন তৈরি হবে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির করতে পারে।খাওয়ার পরে অল্প হাঁটাহাঁটি করলে এই সমস্যা দূর করার সবচেয়ে সহজ উপায়। শক্তির মাত্রা ধরে রাখতে প্রতি খাবারের পর ১০-১৫ মিনিট হাঁটুন। খাবারের পদ্ধতিতে একটু পরিবর্তন আনুন। খাবারের প্রথম অংশটি স্যালাড দিয়ে শুরু করতে পারেন। শারীরিক পরিশ্রম খুব কম করলেও দুপুরে খাবার খেয়ে ঘুম আসবে। সেই জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করুন, যা ক্লান্তি কমাতে সাহায্য করবে। প্রতিদিনই দুপরের খাওয়ার পর ঘুম আসলে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ গ্রহণ করুন। খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দিন। যথেষ্ট ঘুম ও নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

post
লাইফ স্টাইল

কোষ্টকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে রাখুন ফলগুলো

কোষ্ঠকাঠিন্য হলে আমাদের দৈনন্দিন খাওয়া-দাওয়ার ওপর বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন। কারণ এই সমস্যা থাকলে সব খাবার খাওয়া যায় না। নির্দিষ্ট কোনোও নিয়ম মেনে না চললে সমস্যা আরও দ্বিগুণ হয়ে উঠতে পারে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীদের ঘরোয়া খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদ এবং চিকিৎসকরা। কয়েকটি ফল বেশ কাজে দিতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে থাকতে। যেমন-পেঁপে পুষ্টিবিদদের মতে, পেটের ময়লা পরিষ্কার করতে পেঁপে বেশ উপকারী। এটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কারণ, এতে প্যাপেইন নামক একটি এনজাইম রয়েছে। যা হজমের উন্নতি করতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। আপেল খোসা ছাড়ানো আপেল খাওয়া পেটের জন্য ভীষণ উপকারী। কারণ, আপেলে থাকা ফাইবার অন্ত্রের গতি বাড়াতে সহায়ক। এছাড়াও এতে রয়েছে পেকটিন, যা মলত্যাগের উন্নতি ঘটিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। নাশপাতি পুষ্টিগুণে ভরপুর নাশপাতি। এটি পেট সংক্রান্ত সমস্যা দূর করতে কার্যকর। ফাইবার, ফ্রুক্টোজ এবং সরবিটলের মতো উপাদানগুলি নাশপাতিতে পাওয়া যায়। যা অন্ত্রের গতি বাড়ায়। আপনার যদি কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেট সম্পর্কিত সমস্যা থাকে, তবে আপনি এটি আপনার খাদ্যতালিকায় যোগ করতে পারেন। কিউই এই ফলে ভালো পরিমাণে জল ও ফাইবার রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে অ্যাক্টিনিডিন নামক এনজাইম রয়েছে, যা প্রোটিন ভাঙতে সাহায্য করে। সঙ্গে হজম এবং মলত্যাগে সাহায্য করে।

post
লাইফ স্টাইল

ডেঙ্গু নাকি সাধারণ জ্বর- বুঝবেন যেভাবে!

বর্ষা আসতেই বেড়ে যায় ডেঙ্গুর প্রকোপ। এডিস মশাবাহিত ভাইরাসজনিত জ্বর হলো ডেঙ্গু। ডেঙ্গুর উপসর্গ হলো- জ্বর, পেশি ব্যথা, শরীর ব্যথা, দুর্বলতা ইত্যাদি। তবে এখন জ্বর হলেই সেটি সাধারণ জ্বর নাকি ডেঙ্গু বা করোনা কি না তা বুঝার উপায় নেই শুরুতেই। তাই চিকিৎসায় অনেকটাই দেরি হয়ে যায়।তবে জ্বর হলেই ধরে নেওয়া যাবে না সেটা ডেঙ্গু জ্বর।এর আলাদা কিছু লক্ষণ আছে। যেগুলো শরীরে দেখা দিলে বুঝতে হবে সাধারণ জ্বর নয় বরং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময় জ্বর হলেই উদ্বিগ্ন না হয়ে বরং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গুর তিনটি ধরন আছে। ক্লাসিক্যাল, হেমোরেজিক, শক সিনড্রোম। জেনে নিন ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো- ডেঙ্গুর ক্লাসিক্যাল জ্বরের লক্ষণ কী কী? ১. ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরে সাধারণত তীব্র জ্বর ও সেই সঙ্গে সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়ে থাকে। ২. জ্বর ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। ৩. তীব্র পেটে ব্যথাও হতে পারে। ৪. শরীরে বিশেষ করে হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি এবং মাংসপেশীতে তীব্র ব্যথা হয়। ৫. এছাড়া মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা হয়। ৬. এই জ্বরের আরেক নাম ‘ব্রেক বোন ফিভার’। ৭. জ্বর হওয়ার ৪ বা ৫ দিনের সময় সারা শরীরজুড়ে লালচে দানা দেখা যায়, যাকে বলা হয় স্কিন র্যাশ। যা অনেকটা এলার্জি বা ঘামাচির মতো। ৮. পাশাপাশি বমি বমি ভাব, এমনকি বমিও হতে পারে। ৯. রোগী অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করে ও রুচি কমে যায়। ১০. সাধারণত ৪ বা ৫ দিন জ্বর থাকার পর তা এমনিতেই চলে যায়। কারও ক্ষেত্রে ২ বা ৩ দিন পর আবারো জ্বর আসে। যাকে বাই ফেজিক ফিভার বলে।

post
লাইফ স্টাইল

সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি বাড়ে যে ৩ কারণে

সম্পর্কে ভালোবাসা থাকলে থাকবে মান-অভিমান কিংবা ভুল বোঝাবুঝিও। ভালোবাসার এই অংশকে মেনে নিয়েই আমরা এগিয়ে যাই। কিন্তু মাঝে মাঝে হওয়া এক কথা আর ভুল বোঝাবুঝি লেগেই থাকা আরেক কথা। একে অন্যকে বুঝতে না পারলে সেই সম্পর্ক থেকে আর কী-ই বা পাওয়ার থাকে?আমরা বেশিরভাগই মনে করি যে, মুখে না বললেও অপরপক্ষ ঠিকই বুঝে নেবে। কিন্তু আমরা নিজের মনের কথাই কি সব বুঝতে পারি? সেখানে আরেকজনকে না বলতেই সে বুঝে নেবে, এমনটাই আশা করাই বোকামি। কেউ কেউ আবার বলতে চেয়েও নিজের কথা গুছিয়ে বলতে পারেন না। যে কারণে বাড়তে থাকে ভুল বোঝাবুঝি। এছাড়াও ভুল বোঝাবুঝি বৃদ্ধি পাওয়ার আছে আরও কিছু কারণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক- সঙ্গী মানে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। সঙ্গী মানে যিনি আপনার সঙ্গে আছেন, আপনার সুখ ও দুঃখের অংশীদার। তাই তার ভুলগুলোর সমালোচনা করা বন্ধ করুন। এর বদলে কোথায় তার ভুল হচ্ছে তা তাকে বুঝিয়ে বলুন। আপনি যদি অনবরত তাকে আক্রমণ করে কথা বলতে থাকেন তাহলে খুব স্বাভাবিকভাবেই তার কাছ থেকে সম্মান আশা করতে পারবেন না। তাই অপরপক্ষ থেকে ভালোবাসা পেতে চাইলে তাকেও ভালোবাসা ও সম্মান জানানো জরুরি। যদি চান সে আপনাকে বুঝুক, তাহলে তাকেও বোঝার চেষ্টা করতে হবে। নিজে দোষ থেকে বাঁচতে সঙ্গীকে দোষারোপ করেন? যেকোনো ভুলের দায় তার কাঁধে ঠেলে দেন? এমনটা করতে থাকলে নিজেকে হয়তো সাময়িক কিছু ঝামেলা থেকে রক্ষা করতে পারবেন কিন্তু আপনাদের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকবে। তাই দোষারোপ বন্ধ করুন। এমনকী যদি সে সত্যিই দোষ করেও থাকে তবে তাকে শোধরানোর জন্য বুঝিয়ে বলুন। এক্ষেত্রে আপনার দোষারোপ করার অভ্যাস থাকলে তা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করবেই।

post
লাইফ স্টাইল

গর্ভাবস্থায় যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখবেন

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, গর্ভাবস্থার লক্ষণগুলো প্রথম ত্রৈমাসিকের সময়য়ে দেখা যায়, বেশিরভাগ মহিলারা ৫-৬ সপ্তাহের মধ্যে লক্ষণগুলো অনুভব করেন। এই সময়ে হবু মায়ের নিজের সর্বোচ্চ যত্ন নেওয়া এবং উপসর্গগুলো বুঝতে পেরে সে অনুযায়ী চলা গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থার প্রথম ত্রৈমাসিকে হবু মায়ের শরীরে অনেক পরিবর্তন হয়। এর মধ্যে রয়েছে- স্তনের পরিবর্তন,ক্লান্তি,ঘন ঘন মূত্রত্যাগ, মেজাজ পরিবর্তন, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া ও বমি বমি ভাব।গর্ভাবস্থার লক্ষণগুলো প্রতিরোধ করার কোনো উপায় নেই, কারণ এগুলো গর্ভাবস্থায় শরীরে ঘটে যাওয়া রূপান্তরের একটি অংশ। তবে উপসর্গগুলো নিয়ন্ত্রণ করার এবং যাত্রা সহজ করার উপায় রয়েছে। মায়ো ক্লিনিকের মতে, মর্নিং সিকনেস প্রথম ত্রৈমাসিক জুড়ে এবং কখনও কখনও তার পরেও স্থায়ী হতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসের বিভিন্ন সমস্যা সহজ করার কিছু উপায় চলুন জেনে নেওয়া যাক- ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং চর্বিহীন প্রোটিন সমৃদ্ধ সুষম খাদ্যের দিকে মনোযোগ দিন। ক্লান্তি এবং কোষ্ঠকাঠিন্য মোকাবিলায় হাইড্রেটেড থাকুন। অল্প পরিমাণে বার বার খান। এটি আপনার বমি বমি ভাব নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। আদা চা বা মিছরিযুক্ত আদা বেছে নিন, কারণ আদা বমি বমি ভাব বিরোধী বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। শিশুর জন্মপূর্ব ভিটামিন ফলিক অ্যাসিড এবং আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে যা ভ্রূণের বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এসময় চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করুন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে কোনো ওষুধ খাবেন না।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.