post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের চিঠি

বাংলাদেশে পোশাক শ্রমিকদের মজুরি ও অধিকার নিয়ে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্যরা। দেশটির কংগ্রেসের আট সদস্যের একটি দল আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশন (এএএফএ)-কে ন্যায্য মজুরি এবং বাংলাদেশি শ্রমিকদের শ্রম অধিকার রক্ষায় সমর্থনের আহ্বান জানিয়ে চিঠি লিখেছেন।সেখানে তারা সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণের জন্য এএএফএ-এর জোরালো সমর্থনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।চিঠিতে এই আইনপ্রণেতারা লিখেছেন, ‘আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনকে (এএএফএ) বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির দাবিকে জোরালোভাবে সমর্থন করার জন্য অনুরোধ জানাতে এই চিঠি লিখছি আমরা।’চিঠিটিতে বাংলাদেশের মজুরি বোর্ডের সাম্প্রতিক মজুরি বৃদ্ধির ঘোষণার পরের কিছু ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি যে পরিমাণে মজুরি বৃদ্ধি করা হয়েছে তা জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটাতে অপর্যাপ্ত বলেও সমালোচনা করা হয়েছে এই চিঠিতে।চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘আপনি জানেন, বাংলাদেশের মজুরি বোর্ডের ঘোষিত সাম্প্রতিক মজুরির বৃদ্ধি, যা এমনকি জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ও মেটাতে পারে না, তা বর্ধিত গণ-বিক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের এবং ট্রেড ইউনিয়ন নেতাদের বিরুদ্ধে সহিংসতার মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। এর ফলে কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছেন, অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন। একইসঙ্গে অন্যায্যভাবে গ্রেপ্তার, আটক এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধের মতো ঘটনাও ঘটেছে।প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের অবস্থানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আটজন কংগ্রেসম্যানের দেওয়া এই চিঠিতে বাংলাদেশ সরকারকে ভয়ভীতি বা সহিংসতা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং সম্মিলিত দর কষাকষির সুযোগের মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকারকে সম্মান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘প্রতিশোধ, সহিংসতা বা ভয়ভীতি ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে সংগঠিত প্রতিবাদ এবং সম্মিলিতভাবে দর কষাকষির সুযোগ দিয়ে শ্রমিকদের অধিকারকে সম্মান ও রক্ষা করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি বাইডেনে প্রশাসনের যে আহ্বান রয়েছে তার সাথে আমরা একমত।’মজুরি আলোচনার কারণে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতায় জীবিকা নির্বাহের ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অসুবিধার কথা তুলে ধরে ওই চিঠিতে মার্কিন ব্র্যান্ডগুলোকে তাদের প্রভাব প্রয়োগ করতে এবং বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্য আরও ভালো মজুরি ও অধিকার নিশ্চিতের দাবিতে শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

post
সংবাদ

মির্জা ফখরুলকে রিমান্ড নামঞ্জুর

রাজধানীর পল্টন থানায় নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর রিমান্ড নামঞ্জুর করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের দুজনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। একইসঙ্গে তাদের জামিন আবেদনও নামঞ্জুর করা হয়।সোমবার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত এ আদেশ দেন। এদিন কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাদের উপস্থিতিতে শুনানি হয়। আদালতে পল্টন থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর মামলাটিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোসহ ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক সুমিত কুমার। এসআই  শাহ আলম বলেন, শুনানি শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন আদালত। একইসঙ্গে রিমান্ড নামঞ্জুর করে দুইদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমোদন দেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু। অপরদিকে আসামিপক্ষে তাদের রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান, মহসিন মিয়া, ওমর ফারুক ফারুকীসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী।গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ শুরুর আগেই কাকরাইলে দুপুর থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষ পরে বিজয়নগর পানির ট্যাংক ও শান্তিনগর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিকেল তিনটার দিকে বিএনপির মহাসমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়। এই সংঘর্ষে পুলিশের এক সদস্য ও যুবদলের ওয়ার্ড পর্যায়ের এক নেতা নিহত হন। আহত হন পুলিশের ৪১ ও আনসারের ২৫ সদস্য। এছাড়া কমপক্ষে ২০ জন সাংবাদিক আহত হন।এই ঘটনার পরদিন মির্জা ফখরুলকে গুলশানের নিজ বাসা থেকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। এরপর তাকে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর গত ২ নভেম্বর দিবাগত রাত ১টার দিকে গুলশানের একটি বাসা থেকে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে আটক করে ডিবি। পরদিন ৩ নভেম্বর সমাবেশ চলাকালীন সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাকে। মামলায় তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ৯ নভেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

post
সংবাদ

কেন্দ্রে সকালে ব্যালট পেপার যাবে: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার-সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, কেন্দ্রে কেন্দ্রে সকালে ব্যালট পেপার পাঠানো হলে নির্বাচনের ফেয়ারনেস নিয়ে সংশয় কিছুটা কমবে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বেশিরভাগ কেন্দ্রে সকালেই ব্যালট পেপার পাঠানো হবে। এতে স্বচ্ছতা বাড়বে। সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।সিইসি বলেন, আমরা অনেক আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যতদূর সম্ভব ভোটগ্রহণ শুরুর আগে সকালে ব্যালট পেপার পাঠানো হবে। এটা নিয়ে আমরা অনেক চিন্তা-ভাবনা করেছি। তবে কিছু কিছু এলাকায় সকালে পাঠানো সম্ভব হবে না। যেমন দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকা, হাওর-বাওর এলাকা অথবা যেখানে জলপথে যেতে হয়। এছাড়া দ্বীপাঞ্চলেও সম্ভব হবে না। এজন্য পরিপত্র জারি করেছি। ব্যালট পেপার ভোটগ্রহণের পূর্বে সকালে যাবে। তবে রিমোট এলাকা বা যেখানে সকালে পাঠানো যাবে না, সেসব এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তারা আমাদের কাছে অনুমোদন গ্রহণ করবেন।তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রস্তাব আমরা বিচার-বিবেচনা করে অনুমোদন দেব। যতদূর সম্ভব ব্যালট পেপারগুলো ভোটের দিন সকালে যাবে। তবে ব্যালট বাক্সগুলো দুই থেকে চারদিন আগেই যাবে। ব্যালট বাক্স স্বচ্ছ কি না তা দেখে নিতে হবে। এজন্য কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট থাকতেই হবে। পোলিং এজেন্টদের দেখে নিয়ে স্বাক্ষর করতে হবে। ব্যালট পেপার ফ্রেশ ছিল এবং সকালে ব্যালট গেছে এটা সবাইকে দেখে নিতে হবে। এতে করে ফেয়ারনেস নিয়ে সংশয় থাকলেও কিছুটা দূর হবে বলে আশা করি। যদি রিমোট এলাকা হয় দরকার হলে হেলিকপ্টপারে করে ব্যালট পেপার পাঠানো হবে।

post
সংবাদ

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার কাশিমপুরের প্রধান কারারক্ষী

গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রধান কারারক্ষী সাইফুল ইসলামকে ৩০০ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে কারাগারে প্রবেশের সময় তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সাইফুল ইসলাম চাঁদপুর মতলব থানার আদলবিটি গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। তিনি কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রধান কারারক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার বেলা ১২টার দিকে কারাগারের প্রধান কারারক্ষী সাইফুল ইসলাম হাইসিকিউরিটি কারাগারের ভেতরে যাচ্ছিলেন। এ সময়  নিয়ম অনুযায়ী অন্য রক্ষীরা তাকে তল্লাশি করে। পরে তার প্যান্টের ডান পকেটে ৩০০ পিচ ইয়াবা পাওয়া যায়। এরপর তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।কারাগার সুপার সুব্রত কুমার বালা জানান, তল্লাশি ছাড়া কাউকে কারাগারের ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না। সাইফুল ইসলাম কারারক্ষীদের এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও কোনো লাভ হয়নি। তাকে তল্লাশি করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনাবাড়ি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়াউল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

post
সংবাদ

কুমিল্লায় আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যা

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় মোস্তফা কামাল মুন্সি নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নয়াচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোস্তফা কামাল মুন্সি তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাঁর বাড়ি রঘুনাথপুর এলাকায়। তিতাস থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-ওসি কাঞ্চন কান্তি দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহত আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা কামাল মুন্সির সঙ্গে পূর্ব-শত্রুতা ছিল ওই এলাকার সাঈদুর নামে একজনের। সেই শত্রুতার জেরে সোমবার বিকেলে নয়াপুর এলাকায় কথা কাটাকাটি হয় দুজনের মধ্যে। এ সময় ছুরি দিয়ে মোস্তফা কামাল মুন্সির পেটে আঘাত করে পালিয়ে যান সাঈদুর ও তার সঙ্গীরা। পরে স্থানীয়রা মোস্তফা কামাল মুন্সিকে উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ওসি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি, এখনো সেখানেই অবস্থান করছি। ঘাতকদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে মাঠে। সাঈদুরের সঙ্গে আর কারা কারা ছিল তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে অভ্যুত্থানের ঝুঁকি নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশে আরব বসন্তের মতো বিপ্লব বা অভ্যুত্থান হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভার বক্তব্য নাকচ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, এ ধরনের কিছু হওয়ার সুযোগ বাংলাদেশে নেই। রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘৫২ বছরে বাংলাদেশের অর্জন’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মোমেন।এসময় বাংলাদেশ ইস্যুতে মস্কোর মুখপাত্রের বক্তব্যের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকরা। জবাবে তিনি বলেন, রাশিয়া কী বলেছে, এটা আমাদের ইস্যু নয়। এটা ওদের জিজ্ঞেস করুন। অনেকে অনেক ধরনের কথা বলবে, আমরা এটা নিয়ে কিছু বলতে চাই না। আমরা সার্বভৌম, আমাদের ভারসাম্য পররাষ্ট্রনীতি আছে।‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’-এটার প্রেক্ষিতে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি। কে কী বলল না বলল, এটা তাদের মাথাব্যথা নয়। আমরা পরাশক্তিগুলোর টানাটানিতে পা দিতে চাই না। আমাদের ভারসাম্য কূটনীতি নিয়ে আমরা চলতে চাই’- বক্তব্যে যোগ করেন মোমেন।আরব বসন্তের সম্ভাবনা নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমার তো মনে হয় না এ ধরনের কোনো সুযোগ আছে। আমরা একটা গণতান্ত্রিক দেশ। শেখ হাসিনার কারণে আমাদের দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত আছে। আর আমরা ৭ জানুয়ারি নির্বাচন করব। আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সেটা করব। আমরা খুব ভালোভাবে চলছি।মোমেন বলেন, আমাদের যে উন্নয়ন হয়েছে, এটা সম্ভব হয়েছে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার কারণে। আমরা আমাদের লক্ষ্য নিয়ে সামনে যেতে চাই। অন্য কিছু আমাদের দরকার নেই। আমরা একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাই।প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের পর বাংলাদেশে আরব বসন্তের মতো পরিস্থিতি তেরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তার আগে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাসহ আরও কয়েকটি চাপ প্রয়োগ করতে পারে ওয়াশিংটন। বাইডেন প্রশাসনের টার্গেট হতে পারে বাংলাদেশের প্রধান শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার দায়ে অনেক কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। অকাট্য প্রমাণ ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র এসব অভিযোগ আনতে পারে।বাংলাদেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, সড়কে যান চলাচল বন্ধ, বাস পোড়ানো ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা উল্লেখ করে মারিয়া জাখারোভা বলেন, আমরা এসব ঘটনার সঙ্গে ঢাকায় পশ্চিমা একটি কূটনৈতিক মিশনের সন্দেহজনক কার্যকলাপের সংযোগ দেখতে পাচ্ছি। বিশেষ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের বিরোধীদের সঙ্গে বৈঠক, যা নিয়ে গত ২২ নভেম্বরের ব্রিফিংয়ে আমরা কথা বলেছি।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সম্মতি রাষ্ট্রপতির

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সেনা মোতায়েনে সম্মতি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল রোববার সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সেনা মোতায়েনে ইসির আগ্রহের কথা জানান। রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দেন।পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো.জয়নাল আবেদীন ব্রিফিংয়ে জানান, সাক্ষাৎকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে সেনা মোতায়নের অনুরোধ জানান। নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে সম্মতি জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তীতে সেনা মোতায়নের তারিখ ও সময় জানানো হবে।এছাড়া সাক্ষাৎকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন। রাষ্ট্রপতি আশা করেন সবার সহযোগিতায় দেশে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।এর আগে সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য তারা ভোটের মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। তফসিল অনুযায়ী ১৭ ডিসেম্বর নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে আগামীকাল ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। প্রতীক নিয়ে প্রার্থীরা ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত ভোটের প্রচারণা চালাতে পারবেন। ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচনে অংশ নেবে জাতীয় পার্টি: চুন্নু

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে জাতীয় পার্টি। রোববার বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলটির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি। নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও অর্থবহ হয় সেই লক্ষ্যে আমরা সকল রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করব। তবে এই মুহূর্তে বলতে চাই, আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি।চুন্নু জানান, এবার আওয়ামী লীগকে ছাড়াই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাবে জাতীয় পার্টি। ২৮৩ আসনে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করবেন তারা। জাপা মহাসচিব বলেন, জাতীয় পার্টি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং সেই লক্ষ্যে কাজ করে আসছিল। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আমাদের একটি দাবি ছিল যে, যেন নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু হয়, যাতে করে মানুষ ভোট দিতে আসতে পারে। তাহলে জাতীয় পার্টি নির্বাচনে থাকবে। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের আশ্বাসে আমাদের আস্থা এসেছে যে, তারা নির্বাচনটা ভালোভাবে করতে চান। আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব এবং নির্বাচন যেন প্রতিযোগিতামূলক হয় সেই আলোকে আমরা কাজ করে যাব।আমরা আশা করি এদেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে ভোট দেবে। এদেশের মানুষ অনেক সচেতন। আমরা আশা করি নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম হবে। আমরা নির্বাচনটা করার জন্য আমাদের সব প্রার্থীকে আজকে চিঠি দিচ্ছি।এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ২৮৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। কিছু কিছু আসনে সমঝোতা হচ্ছে বা হবে। নির্বাচনে আমরা যাচ্ছি। সব বাধা উপেক্ষা করে আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি। নির্বাচনে আসার জন্য আপনাদের ওপর কোনো চাপ ছিল কি না, জানতে চাইলে জাপা মহাসচিব বলেন, আমাদের ওপর কোনো চাপ ছিল না। জাতীয় পার্টি স্বতন্ত্র একটা দল, আমাদের নিজস্ব একটা রাজনীতি আছে।

post
বাংলাদেশ

২৬৩ আসনে নির্বাচন করছে আওয়ামী লীগ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা ২৬৩টি আসনে নির্বাচন করছে বলে জানিয়েছেন দলটির দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। রোববার বিকেল ৪টার দিকে আগারগাঁওয়ে ইসি সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।বিপ্লব বড়ুয়া জানান, জাতীয় পার্টিকে ২৬টিসহ শরিকদের মোট ৩২টি আসনে আওয়ামী লীগ ছাড় দিয়েছে। আওয়ামী লীগের মিত্রদের সঙ্গে জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করছি আমরা। যাচাই-বাছাই শেষে আমাদের নিজেদের ৫টি আসনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। সেসব আসন আমাদের দিক থেকে উন্মুক্ত থাকবে।জাপার সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে– ঠাকুরগাঁও-৩, নীলফামারী-৩ ও ৪, রংপুর-১ ও ৩, কুড়িগ্রাম-১ ও ২, গাইবান্ধা-১ ও ২, বগুড়া-২ ও ৩, সাতক্ষীরা-২, পটুয়াখালী-১, বরিশাল-৩, পিরোজপুর-৩, ময়মনসিংহ-৫ ও ৮, কিশোরগঞ্জ-৩, মানিকগঞ্জ-১, ঢাকা-১৮, হবিগঞ্জ-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, ফেনী-৩, চট্টগ্রাম-৫ ও ৮, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে। এ আসনগুলোতে নৌকার প্রার্থী থাকবে না বলে জানিয়েছেন বিপ্লব বড়ুয়া। ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে– বগুড়া-৪, রাজশাহী-২, কুষ্টিয়া-২, বরিশাল-২, পিরোজপুর-২, লক্ষীপুর-৪ আসনে। এসব আসনেও নৌকার প্রার্থী থাকবে না।

post
এনআরবি সাফল্য

১৫ দিনে ১০৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে প্রবাসীরা

দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে শুরু করেছে। চলতি মাসের (ডিসেম্বর) প্রথম ১৫ দিনে প্রবাসীরা বৈধ পথে ও ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১০৭ কোটি মার্কিন ডলার। দৈনিক রেমিট্যান্স আসছে ৭ কোটি ১৩ লাখ ডলার করে।রোববার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, চলতি মাসের প্রথম ১৫ দিনে ব্যাংকগুলোতে ১০৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১০ কোটি ৮০ লাখ ৬০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৯২ কোটি ১৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২২ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, আগস্টে এসেছে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার, সেপ্টেম্বরে ১৩৩ কোটি ৪৩ লাখ মার্কিন ডলার, অক্টোবরে ১৯৭ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং নভেম্বর মাসে এসেছে ১৯৩ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। আগের ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছিল। যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার।রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে থাকলে কিছুদিনের মধ্যে দেশে ডলারের বাজার স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশে ডলার-সংকট দেখা দেয়। এ সংকট মোকাবিলায় শুরুতে ডলারের দাম বেঁধে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু তাতে সংকট আরও প্রকট হয়। পরে গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ায়। এ দায়িত্ব দেওয়া হয় ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন-অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) এর উপর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় তারা সভা করে ডলারের রেট নির্ধারণ করে আসছে। গত ১৩ ডিসেম্বর দেশের মুদ্রা বাজারে ডলারের স্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ায় মুদ্রাটির দাম তৃতীয় দফায় কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠনগুলো। ভবিষ্যতে ডলারের দাম আরও কমবে বলে জানানো হয়। সবশেষ ব্যাংকগুলোর ঘোষণা অনুযায়ী, প্রবাসী ও রপ্তানি আয় কেনার ক্ষেত্রে ডলারের ঘোষিত দাম ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা। আর বিক্রি দর ১১০ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজকে আন্তঃব্যাংকে ডলার লেনদেন হচ্ছে ১১০ টাকা ২৫ পয়সা। কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে নগদ এক ডলার কিনতে গ্রাহকদের গুনতে হচ্ছে ১২২ টাকা। চিকিৎসা, শিক্ষা বা ভ্রমণের জন্য যারা বিদেশে যাচ্ছেন তাদের নগদ প্রতি ডলার কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ১২২ টাকা পর্যন্ত।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.