post
যুক্তরাষ্ট্র

ওয়াশিংটনে ফোবানার ৩৫তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত

‘অদম্য বাংলাদেশ-অবাক পৃথিবী’ স্লোগানে ‘সবুজ জমিতে লাল বৃত্ত’ পরিবেশনার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং মুজিববর্ষকে প্রবাসেও মহিমান্বিত করার সংকল্পে ফোবানা’র সর্বস্তরে ইস্পাতদৃঢ় ঐক্যের ঘোষণা দেয়া হলো ৩১ আগস্ট শনিবার ‘মীট দ্য প্রেস’ থেকে।৩৫তম ফোবানা সম্মেলনের হোস্ট ‘আমেরিকান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি’ (এবিএফএস)র এ অনুষ্ঠানে জড়ো হয়েছিল ফোবানার বর্তমান কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ছাড়াও সাবেক বেশ কয়েকজন চেয়ারম্যান। ছিলেন হোস্ট কমিটির সর্বস্তরের কর্মকর্তারাও। তিন দিনব্যাপী সম্মেলনের বিভিন্ন পর্বে থাকবে মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা ও সমাবেশ, বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে সেমিনার, বাঙালির জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জন্মশত বার্ষিকী-সমাবেশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শততম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি উৎসব, বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে তথ্য-প্রযুক্তির অবদান, প্রবাস প্রজন্মের সমন্বয়ে সেমিনার, নৃত্য-নাট্য এবং সঙ্গীতানুষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার বিভিন্ন সিটি থেকে শতাধিক সংগঠন এতে অংশ নেবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন। তবে সবটাই নির্ভর করবে করোনার গতি-প্রকৃতির উপর। কারণ, করোনা মহামারির পরিপ্রেক্ষিতে গতবছরের ৩৪তম ফোবানা সম্মেলন হয়েছে ভার্চুয়ালে।উল্লেখ্য, করোনা মহামারির পরিপ্রেক্ষিতে ফোবানার আসন্ন বাংলাদেশ সম্মেলন লেবার ডে উইকেন্ড (সেপ্টেম্বরের ৩-৫) থেকে পিছিয়ে থ্যাঙ্কস গীভিং উইকেন্ডে (২৬-২৮ নভেম্বর) নেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ফোবানার নির্বাহী কমিটির মধ্যে কিছুটা অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল। সেই মনোভাবের শান্তিপূর্ণ পরিসমাপ্তির ব্যাপারটি দৃশ্যমান হয়েছে এই ‘মীট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে। অভূতপূর্ব এক সম্প্রীতির মধ্যে এই অনুষ্ঠানে কাঁধে কাঁধ হাতে হাত মিলিয়ে বহুজাতিক এ সমাজে বাঙালিদের ঐক্য জাগ্রত সুসংহত করার কথা বললেন সকলে। একইসাথে হোস্ট কমিটির পক্ষ থেকেও এ যাবতকালের সবচেয়ে উত্তম একটি সম্মেলন উপহার দেয়ার অভিপ্রায়ে গৃহিত কর্মসূচিরও আলোকপাত করা হয়। জানানো হয়, দেশ ও প্রবাসের গুণীজনেরা আসবেন। বিশুদ্ধ বাঙালি সংস্কৃতি পরিবেশনের মধ্যদিয়ে নতুন প্রজন্মকে মা-বাবার সংস্কৃতির প্রতি আন্তরিক আগ্রহ তৈরীর বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলেও বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়।হোস্ট কমিটির সদস্য-সচিব লেখক-সাংবাদিক শিব্বির আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে ফোবানার নির্বাহী চেয়ারপার্সন জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, ৩৪ বছর আগে যেখান থেকে শুরু, সেই সিটিতেই বাংলাদেশের ঐতিহাসিক একটি মুহূর্তে ৩৫তম সম্মেলন হচ্ছে। সম্মেলনের প্রতিটি পরতে ধ্বনিত হবে বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী, মুজিববর্ষ। তাই এটিকে সর্বাত্মকভাবে সফল করতে হাতে হাত রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সকলেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে হোস্ট কমিটিকে সহায়তা করবেন এই কামনা করছি। যারা সম্মেলনের স্পন্সর হতে চেয়েছেন, আইকন হয়েছেন এবং নানাভাবে সহযোগিতার অঙ্গিকার করেছেন-তারাও যেন তা অবিলম্বে পূরণ করে হোস্ট কমিটির কাজের গতি ত্বরান্বিত করেন। জাকারিয়া আরো বলেন, ফোবানা সম্মেলনকে প্রবাসীদের মহামিলনমেলা হিসেবে অভিহিত করা হয়। সে কারণে আমরা কাউকে মাইনাসে বিশ্বাসী নই। সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পর্যায়ে সংলাপ অব্যাহত রয়েছে। অনানুষ্ঠানিক বৈঠকও করেছি। সুতরাং থ্যাঙ্কসগীভিং উইকেন্ডের ফোবানার সাথে সকলেই সপরিবারে একিভূত হবেন এবং ফোবানার মূলচেতনা এগিয়ে নিতে আন্তরিক অর্থে সকলে সোচ্চার হবেন এ আশা করছি। ফোবানার নির্বাহী সচিব মাসুদ রব চৌধুরী বলেন, করোনা ভীতির মধ্যে অনেকেই স্বাচ্ছন্দে চলাফেরায় মনোনিবেশ করিনি। এতদসত্বেও ক্যালিফোর্নিয়া থেকে বিভিন্ন পথ ঘুরে উড়ে এসেছি এই অনুষ্ঠানে। কারণ হচ্ছে আমরা ফোবানাকে ভালবাসী, সবাই এক পরিবারের সদস্য ভাবি। আসন্ন সম্মেলনকেও এযাবতকালের সেরা সম্মেলন করতে আসুন সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি। সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক নূরন্নবী বলেন, করোনার ভীতি সত্বেও স্বল্প সময়ের নোটিশে এই অনুষ্ঠানে এসেছি শুধুমাত্র সকলকে দেখানোর জন্যে যে, আমরা ঐক্যবদ্ধ এবং আসন্ন ফোবানা সম্মেলনকে সার্থক করতে বদ্ধ পরিকর। দেড় দশকেরও অধিক সময় যাবত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব চালিয়ে আসা ফোবানার সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুব রেজা রহিম বলেন, যে প্রত্যাশায় ফোবানার যাত্রা শুরু হয়েছে, তারই পরিপূরক বিভিন্ন কর্মসূচি দেখছি এই সম্মেলনে। ‘অদম্য বাংলাদেশ-অবাক পৃথিবী’ এবং ‘সবুজ জমিতে লাল নৃত্য’ দেখে নতুন প্রজন্ম আমাদের সংস্কৃতি ধারণ ও লালনে উৎসাহিত হবে-এটা বলা যায় নির্দ্বিধায়। সাবেক চেয়ারম্যান বেদারুল ইসলাম বাবলা বলেন, আমাদের সংস্কৃতি কিন্তু অনেক সমৃদ্ধ। তাই দীর্ঘ ৩৪ বছর থেকেই চেষ্টা করছি আমাদের বাঙালি সাহিত্য, সংস্কৃতি, কৃষ্টি নতুন প্রজন্মেরর চিন্তা-চেতনা-ভাবনা-মননে প্রবাহিত এবং প্রতিস্থাপিত করতে। সে আলোকেই আসন্ন সম্মেলনে নানা কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এগুলোকে সাফল্যমন্ডিত করতে আমাদের মধ্যেকার টিমওয়ার্ক আরো জোরদার করতে হবে। সে অঙ্গিকারই করে গেলাম। ফোবানার সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, ঐক্যবদ্ধ সম্মেলনের স্বার্থে সকলকেই কিছু না কিছু ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। সে মনোভাব থাকলেই ৩৫তম সম্মেলন সুন্দরভাবে অনুষ্ঠান করা সম্ভব। এক্ষেত্রে মিডিয়াসমূহকেও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন মোহাম্মদ আলমগীর। ফোবানার নির্বাহী সদস্য গোলাম ফারুক ভূইয়া বলেন, এ আয়োজনে হোস্ট কমিটির আতিথেয়তায় আমরা গর্বিত, অভিভূত এবং অত্যন্ত আনন্দিত। এ থেকেই আমরা অনুমান করতে পারছি যে, ৩৫ তম সম্মেলনকে প্রবাসীদের মহামিলনমেলায় পরিণত করতে কতটা আন্তরিক ওয়াশিংটন মেট্রো এলাকার প্রবাসীরা। সাবেক চেয়ারম্যান নাহিদ চৌধুরী মামুন, ডা. মোহাম্মদ আলী, ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. আহসান চৌধুরী হীরু, কোষাধ্যক্ষ নাহিদুল এইচ খান, আউস্ট্যান্ডিং মেম্বার সাদেক খানও দৃঢ় অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন সর্বাত্মকভাবে সহায়তার। হোস্ট কমিটির প্রেসিডেন্ট ইনারা ইসলাম বলেন, ২০১৯ সালে নিউইয়র্ক সম্মেলনে ভোটের মাধ্যমে আমরা হোস্ট নির্বাচিত হয়েছি। এরপর বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের সময়েই করোনা মহামারির কবলে পড়েছি। পুরো একটি বছর ভীতির মধ্যে নিপতিত থাকায় কোন কাজই করা সম্ভব হয়নি। আর্থিকভাবে গোটা কমিউনিটি ক্ষত-বিক্ষত হওয়ায় সম্মেলনের বিশাল বাজেটের ধারে কাছেও যেতে পারিনি। করোনা থেকে জেগে উঠার প্রত্যয়েই আমরা সকলে এখন মাঠে নেমেছি। ইনারা ইসলাম বলেন, মহামারি থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করছি সকলের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, ওয়াশিংটন মেট্রো এলাকার প্রতিষ্ঠিত এবং পরিচিত সকল সংগঠনই তাদের এই সম্মেলনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। তাই অনৈক্যের কোন প্রশ্নই উঠে না। হোস্ট কমিটির কনভেনর জি আই রাসেল বলেন, এর আগে আরো দুটি সম্মেলন করেছি। সে অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করেই এবারের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি। কারণ, ‘গ্যালর্ড রিসোর্ট এ্যান্ড ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারের ভাড়া বাবদ অনেক অর্থ লাগবে। কমিউনিটির সকলের আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে আগের মত এই সম্মেলনকেও সাফল্যমন্ডিত করতে সক্ষম হবো। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের খ্যাতনামা দুই শতাধিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনেকেই ভিসা পেয়েছেন। পরিবর্তিত তারিখের মধ্যে অন্যেরাও ভিসা পেয়ে যাবেন বলে আশা করছি। অনুষ্ঠানের মধ্যেই বেশ কটি চেক গ্রহণ করে হোস্ট কমিটির কোষাধ্যক্ষ ড. ফাইজুল ইসলাম বলেন, সকলের চিত্ত উদার থাকলে কোন ভালো উদ্যোগই থমকে যায় না। এই ফোবানাও থামবে না। তিনি সকলের আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকার কামনায় বিশেষ মোনাজাতে মিলিত হন। সম্মেলনের আইকন কবীর পাটোয়ারি এবং পারভিন পাটোয়ারি দম্পতি ছিলেন বেশ তৎপর। তারা নানাভাবে সকলকে উজ্জীবিত রাখেন গৃহিত কর্মসূচিকে চমৎকারভাবে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে। সমবেত সকলের জন্যে তারা বাসা থেকে নানা ধরনের খাবারও এনেছিলেন। মীট দ্য প্রেসে জড়ো হওয়া ফোবানার নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান হোস্ট সংগঠনের কর্মকর্তারা। আর এভাবেই ভার্জিনিয়ার ম্যানাসাসে উইনধ্যাম গার্ডেনের বলরুম বাঙালিদের উচ্ছ্বল পদচারনায় মুখরিত হয়েছিল। আয়োজকরা জানান, সম্মেলনে আগতদেরকেও প্রাণের সাথে প্রাণ মিলিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হবে। এ সময় সম্মেলনের প্রস্তুতি আলোকে আরো বক্তব্য রাখেন জসীমউদ্দিন, আকতার হোসেন, রেদওয়ান চৌধুরী, রোকেয়া হাসী, নাজিয়া জাহান, তুহিন ইসলাম, আবু সরকার, হাসান আলী, দেওয়ান জমীর পলাশ, শিরিন আকতার, সেলিম ইব্রাহিম, আইকন জেবা রাসেল, মাইনুদ্দিন দুলাল প্রমুখ। সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর পর্বের আগে আসন্ন ফোবানার থিম সং-‘দ্য ব্রীজ’র অবমুক্ত করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরন্নবীসহ কর্মকর্তারা। এটি লিখেছেন সদস্য-সচিব শিব্বির আহমেদ এবং সুর দেন ইমতিয়াজ মজুমদার বিবেক। উল্লেখ্য, আসন্ন ফোবানার মিডিয়া পার্টনার হচ্ছে চ্যানেল আই, বাংলাদেশ প্রতিদিন, নিউজ টোয়েন্টিফোর, এনআরবি কানেক্ট, বিশ্ববাংলা টোয়েন্টিফোর, খবর ডটকম, সময় ইত্যাদি। 

post
টেক মেন্টর

শিক্ষার্থীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন পিপলএনটেক’র প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ

বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকে’র প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ প্রতিষ্ঠানটির সকল শিক্ষার্থীদের ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।আজ ১৯ জুলাই ফারহানা হানিপ প্রতিষ্ঠানটির সকল শিক্ষার্থীদের ঈদ শুভেচ্ছা জানান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফারহানা হানিপ বলেন, পিপলএনটেক’র চেষ্টা থাকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে যেন আমাদের শিক্ষার্থীরা এখানে সর্বোচ্চ সুবিধা পায়। বিশ্বের মোট ১১টি দেশে আমাদের ইন্সটিটিউট রয়েছেন। পিপলএনটেক এ পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার শিক্ষার্থীকে আইটি প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের উন্নত বেতনে চাকরির ব্যবস্থা করেছে। যারা বেশিরভাগই আগে আমেরিকায় অড জব করতেন। এখন তারা ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ ডলার বেতনে চাকরি করছেন। তিনি বলেন, পিপলএনটেক বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান। আমাদের সহকর্মীদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আমরা এত দূর আসতে পেরেছি। আমাদের পিপলএনটেকে’র প্রতিটি টিম খুব চৌকস। বিশেষ করে ধন্যবাদ দিতে হয় আমাদের সফটওয়্যার টিমকে। ফারহানা হানিপ বলেন, এই করোনা মহামারির মধ্যে আমরা আমাদের পিপলএনটেকের ডিএমডি মোঃ ইউসুফ খানকে হারিয়েছি, যার স্বপ্ন ছিল প্রতিষ্ঠানটিকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে। এই করোনা পরিস্থিতির শুরুতে তার নেতৃত্বে প্রায় ২ কোটি টাকার শিক্ষা বৃত্তি দিয়েছি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের। করোনা পরিস্থিতিতে অনেক আইটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু পিপলএনটেক তার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে এবং করোনার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই মহামারিতে আমরা চেষ্টা করেছি সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন সাপোর্ট দেওয়ার জন্য। আমরা টেকনিক্যাল সাপোর্ট পর্যন্ত অনলাইনে সর্বাধিক গুরুত্ব সহকারে দিচ্ছি শিক্ষার্থীদের। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে পিপলএনটেক’র ক্যাম্পাস বাংলাদেশসহ ভার্জিনিয়া থেকে নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়ায় বিস্তৃত হয়েছে। অনলাইনেও ক্লাস নিচ্ছে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ভারতসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের ছাত্র-ছাত্রীরা। এরমধ্যে নারীদের সংখ্যাও অনেক এবং ইতিমধ্যেই অনেকে বিভিন্ন কোম্পানীর নেতৃত্ব লাভ করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে মোমেন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কে ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রবাসী অভিবাসীদের প্রযুক্তি প্রশিক্ষণদানে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য পিপলএনটেকের প্রচেষ্টাকে ‘বৈপ্লবিক উদ্যোগ’ বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা আবুবকর হানিপকে একজন ‘ম্যাজিকম্যান’ উপাধি দিয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেন।

post
বাংলাদেশ

পাসপোর্ট র‌্যাংকিংয়ে পেছাল বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশ ৮ ধাপ পিছিয়েছে।বাংলাদেশের পাসপোর্ট বিশ্বে এখন ১০৬ নম্বর অবস্থানে নেমে এসেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা দ্য হেনলি অ্যান্ড পার্টনারসের মঙ্গলবার প্রকাশিত সূচকে এ তথ্য জানা গেছে।এক যুগের বেশি সময় ধরে পাসপোর্ট সূচক প্রকাশ করে আসছে সংস্থাটি। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা বিশ্বের ২২৭ দেশের মধ্যে আগাম ভিসা ছাড়া (অন-অ্যারাইভাল) ৪১টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। দ্য হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের সবশেষ এই সূচক অনুযায়ী সবচেয়ে দুর্বল পাসপোর্টগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১তম। বাংলাদেশের সঙ্গে তালিকায় রয়েছে লেবানন ও সুদান। গেল বছর ২০২০ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯৮তম। চলতি বছর সেই অবস্থান থেকে আট ধাপ নেমে বাংলাদেশ ১০৬ নম্বরে চলে এসেছে।তালিকায় পিছিয়ে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশ নেপাল ১০৯, পাকিস্তান ১১৩ ও আফগানিস্তান ১১৬তম।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে দেখা মিললো বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু

গরুটির নাম ‘রাণী’। মাত্র ২০ ইঞ্চি উচ্চতার এই গরুটির ওজন মাত্র ২৬ কেজি। যার দাম উঠেছে সাড়ে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত। গরুটিকে বিশ্ব রেকর্ডে জায়গা করে দিতে ইতোমধ্যে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছে এটির মালিক সাভারের ‘শিকড় এগ্রো লিমিটেড’। পরীক্ষা নিরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে বিশ্বে ছোট গরুর রেকর্ডে ভারতকে পেছনে ফেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী- এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরুটি রয়েছে ভারতের কেরেলা রাজ্যে। ৪ বছর বয়সী ওই গরুটি লাল রঙের। যেটির উচ্চতা ২৪ ইঞ্চি (২ ফুট)। আর ওজন ৪০ কেজি। গরুটির নাম নাম ‘মানিকিয়াম’। ভারতের গরুটি ল্যাব্রাডার কুকুরের চেয়েও ছোট। দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কেরালার আথোলিতে বাস মানিকিয়ামের। এর মালিক অক্ষয় এনভি নামের এক ব্যক্তি। এদিকে সাভারের আশুলিয়ার চারিগ্রাম গ্রামে পাওয়া গরু ‘রাণী’ ভারতের ‘মানিকিয়াম’ এর চেয়েও কম ওজন ও উচ্চতার। ‘বক্সার ভূট্টি’ জাতের এই খর্বাকৃতির গরুটির বয়স এখন ২ বছর। শিকড় এগ্রো জানায়, প্রায় ১ বছর আগে কোন এক মাধ্যমে খবর পেয়ে নওগাঁ থেকে গরুটিকে সংগ্রহ করে সাভারে নিয়ে আসা হয়। এখন সাভারেই এটিকে পালন করা হচ্ছে। গরুটিকে দিনে দুই বেলা খাবার দিতে হয়। সাধারণ গরুর তুলনায় এটির খাবারও অনেকটা কম লাগে। গরুটির মালিক শিকড় এগ্রো জানায়, ইন্টারনেট ঘেটে স্টাডি করে দেখে তারা জানতে পেরেছে- এটিই পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে ছোট গরু। এটি এখন কোরবানির উপযুক্ত। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে ‘রাণী’ কে রেকর্ডভূক্ত করতে গত ২ জুলাই রাত ১২ টার পর আবেদন জানানো হয়েছে। ওই আবেদনের পর গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ একটি রিপ্লাইও দিয়েছে। গিনেস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে- তাদের নিজস্ব কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে। ওই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই তারা আগামী ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী কার্যক্রমগুলো শেষ করে সিদ্ধান্ত জানাবে।এদিকে স্থানীয় এক পশু চিকিৎসক বলেছেন, ছোট্ট এই গরুটি পুরোপুরি সুস্থ রয়েছে। এর উচ্চতা এবং ওজন আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই। তাই এটিই হতে পারে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু।

post
এনআরবি সাফল্য

টাইম স্কয়ারের বিলবোর্ডে বঙ্গবন্ধু ও তার অর্জন

আগামী ১৫ আগস্ট নিউইয়র্কের প্রাণকেন্দ্র টাইম স্কয়ারের বিলবোর্ডে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও অর্জন তুলে ধরা হবে। বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে এন ওয়াই ড্রিম ফাউন্ডেশন নামে একটি প্রোডাকশনের কর্ণধার ফাহিম ফিরোজ এই প্রদর্শনীর উদ্যোগ নিয়েছেন। নিউইয়র্কের খাবার বাড়ি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে ফাহিম ফিরোজ এই উদ্যোগের কথা জানান। তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট রাত ১২টা ১ মিনিট হতে পরের দিন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ২ মিনিটে ১৫ সেকেন্ড এই প্রদর্শনী তুলে ধরা হবে। এর মোট ব্যাপ্তিকাল হবে ৩ ঘণ্টা এবং ৭২০ বার। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় এর জন্য মোট খরচ হবে প্রায় ১লাখ ডলার। ফাহিম ফিরোজ জানান, তিনি কাজ শুরু করেছেন। কেউ সহযোগিতার হাত বাড়ালে তিনি সাদরে গ্রহণ করবেন। আর তা না হলেও তিনি তা সম্পন্ন করার সামর্থ্য রাখেন। কারণ এটি তাঁর স্বপ্ন। বিষয়টি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যেই অবগত হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। নিজেকে অরাজনৈতিক ব্যক্তি দাবি করে ফাহিম ফিরোজ বলেন, জাতির জনকের প্রতি গভীর ভালবাসা আর শ্রদ্ধা থেকে সম্পূর্ণ ব্যক্তি উদ্যোগে তিনি প্রদর্শনীর উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিশ্বের রাজধানী খ্যাত এই নিউইয়র্ক নগরীতে দর্শনার্থীরা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে সম্যক ধারণা অর্জন করকে পারবে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তোফা হোসেইন, সেলিনা সুলতানা সুইটিসহ প্রমুখ।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ৫০ মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

দেশের ৫০ উপজেলায় দৃষ্টিনন্দন ৫০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবন থেকে একযোগে আধুনিক ও সুসজ্জিত এই মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের ৫৬০ মসজিদ নির্মাণ করার প্রজেক্ট হাতে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথম দফার ৬০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রংপুর, সিলেট ও খুলনায় ভার্চুয়ালী সংযুক্ত ছিলেন এই প্রকল্পের অন্যতম পরিকল্পক সরকার প্রধান শেখ হাসিনা। এই মসজিদগুলোতে ১৩টি বিশেষ সুবিধার মধ্যে মসজিদে হজ্জ যাত্রীদের প্রশিক্ষণসহ পবিত্র হজ্ব পালনের জন্য ডিজিটাল নিবন্ধনের ব্যবস্থা বিশেষ উল্লেখযোগ্য। প্রকল্প পরিচালক নজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সারাদেশের ৩০টি জেলার ৫০টি উপজেলা সদরে আমরা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করেছি। চলতি অর্থবছরে আরও ১০০টি মসজিদ নির্মাণ শেষ হবে। তিনি বলেন, এ ক্যাটাগরিতে জেলা ও মহানগর পর্যায়ে ৬৯টি, বি ক্যাটাগরিতে উপজেলা সদরে ৪৭৫টি ও সি ক্যাটাগরিতে উপকূলীয় এলাকায় ১৬টিসহ মোট ৫৬০ মডেল মসজিদ প্রকল্প চলমান। নজিবুর রহমান জানান, এর মাধ্যমে বিশ্বের ইতিহাসে নজির স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একযোগে বিশ্বমানের এতগুলো অবকাঠামো স্থাপনের নজির আছে বলে আমার জানা নেই। এসব মডেল মসজিদে নারী ও পুরুষদের পৃথক ওজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, প্রতিবন্ধি মুসল্লীদের টয়লেটসহ নামাজের পৃথক ব্যবস্থা, ইসলামিক বই বিক্রয় কেন্দ্র, ইসলামিক লাইব্রেরি, অটিজম কর্নার, ইমাম ট্রেনিং সেন্টার, ইসলামিক গবেষণা ও দ্বীনি দাওয়া কার্যক্রম, পবিত্র কুরআন হেফজখানা, শিশু ও গণশিক্ষায় ব্যবস্থা, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আবাসন ও অতিথিশালা, মরদেহ গোসল ও কফিন বহনের ব্যবস্থা, ইমামের প্রশিক্ষণ, ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা কর্মচারীদের অফিসের ব্যবস্থা রয়েছে। এসব মসজিদ থেকে আরও যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে- ইসলামি নানা বিষয়সহ প্রতি বছর ১ লাখ ৬৮ হাজার শিশুর প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা। ২ হাজার ২৪০ জন দেশি-বিদেশি অতিথির আবাসন ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হবে প্রকল্পের আওতায়। উপকূলীয় এলাকায় মসজিদগুলোতে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে নীচতলা ফাঁকা থাকবে। অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত দৃষ্টিনন্দন এ সকল মসজিদগুলো নির্মাণে জেলা সদর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় নির্মানাধীন প্রতিটি মসজিদে একসাথে ১২০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবে। উপজেলা ও উপকূলীয় এলাকার মডেল মসজিদে একত্রে ৯০০ মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা থাকবে। এসব মসজিদে সারাদেশে মসজিদে প্রতিদিন ৪ লাখ ৯৪ হাজার ২০০ জন পুরুষ ও ৩১ হাজার ৪০০ জন নারী একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবে। লাইব্রেরি সুবিধার আওতায় প্রতিদিন ৩৪ হাজার পাঠক একসঙ্গে কোরআন ও ইসলামিক বই পড়তে পারবেন। ইসলামিক বিষয়ে গবেষণার সুযোগ থাকবে ৬ হাজার ৮শ জনের। ৫৬ হাজার মুসল্লি সবসময় দোয়া মোনাজাতসহ তাসবিহ পড়তে পারবেন। যে ৫০টি উপজেলায় মডেল মসজিদ উদ্বোধন করা হবে সেগুলো হলো— ঢাকার সাভার, ফরিদপুরে মধুখালী, সালথায়, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া ও কুলিয়ারচর, মানিকগঞ্জের শিবালয়, রাজবাড়ী সদর, শরীয়তপুর সদর ও গোসাইরহাট, বগুড়ার সারিয়াকান্দি, শেরপুর ও কাহালু, নওগাঁর সাপাহার ও পোরশা, সিরাজগঞ্জ জেলা সদর ও উপজেলা সদর, পাবনার চাটমোহর, রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও পবা, দিনাজপুরের খানসামা ও বিরল, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ও উপজেলা সদর, রংপুর জেলা সদর, মিঠাপুকুর, উপজেলা সদর, পীরগঞ্জ, বদরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর, নোয়াখালীর সুবর্ণচর, ময়মনসিংহের গফরগাঁও ও তারাকান্দা, চট্টগ্রাম জেলা সদর, লোহাগড়া, মিরসরাই ও সন্দ্বীপ, জামালপুরের ইসলামপুর ও উপজেলা সদর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও বিজয়নগরে, ভোলা সদর, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা, কুমিল্লার দাউদকান্দি, খাগড়াছড়ির পানছড়ি, কুষ্টিয়া সদর, খুলনার জেলা সদর, চাঁদপুরের কচুয়া, ঝালকাঠির রাজাপুর এবং চুয়াডাঙ্গা সদর।

post
বিনোদন

ক্ষমা চাইলেন নোবেল

‘সারেগামাপা-২০১৯’ এর দ্বিতীয় রানার্সআপ মাঈনুল আহসান নোবেল। গত কয়েকদিন থেকে ফেসবুকে একের পর এক বিতর্কিত পোস্ট করে তর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। যেখানে অশালীন শব্দেরও প্রয়োগ ঘটে। এসব চোখ এড়ায়নি পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের। এরপর নোবেলের টনক নড়ে। নোবেল ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়ে একটি পোস্ট করেন।নোবেলের দেয়া স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো- ‘আমি মাঈনুল আহসান নোবেল! আমি আপনাদের নোবেল! আজ আমি নোবেল হতে পেরেছি আপনাদের ভালবাসা, সমর্থন ও দোয়ায়। দুই বাংলার অসংখ্য বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য গান গাইতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি। আমি আমার দেশ বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের বাংলা গানের ভক্তদের জন্য মৌলিক গান নিয়ে ফিরে আসতে চাই আপনাদের মাঝে।' 'আমি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে আমার পেজে সমসাময়িক রাজনীতি, সংস্কৃতি ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্ট্যাটাস দেই বা কথা বলি। মানসিক ও শারীরিক বিচ্যুতি অনেক সময় ফেসবুকসহ আমাদের মিথষ্ক্রিয়ার বিভিন্ন জায়গায় প্রভাব ফেলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আমার অনেক পোস্ট এই বিচ্যুতির ফল। আমি বিশ্বাস করি আমার পোস্ট অনেককেই ব্যক্তিগত ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং সমষ্টিগত ভাবে সম্মানিত নেটিজেনদের ওপর বিরুপ প্রভাব ফেলেছে।' 'আমি ব্যক্তিগত ভাবে বিখ্যাত লেজেন্ড শ্রদ্ধেয় জেমস ভাই, শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় তাপস ভাই, প্রিয় গীতিকার-সুরকার ইথুন বাবু ভাই, সুপ্রিয় সংগীত পরিচালক আহমেদ হুমায়ন ভাই, সময় টিভির সাংবাদিক আল কাছির ভাইসহ সকল সাংবাদিক ভাইবোনদের কাছে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে ক্ষমা চাই ও আমার পোস্টের মাধ্যম যারা কষ্ট পেয়েছেন তাদের কাছে দুঃক্ষ প্রকাশ করি।' 'আমি এই মুহূর্তে আমার মানসিক ও শারীরিক বিচ্যুতি নিয়ে কন্সার্নড। আমার পরিবারের সমর্থনে আমি চিকিৎসা গ্রহন করছি ও আল্লাহর রহমতে শীঘ্রই সুস্থ হয়ে নতুন গান নিয়ে ফিরে আসবো।' 'আমি যেহেতু বাংলাদেশের সাইবার আইন ও পুলিশের সাইবার ইউনিটের কার্যক্রম বিষয়ে সচেতন, আমি সচেতনভাবে দেশের আইন বা নৈতিকতার বাইরে কিছু করতে চাই না বা আর করবো না, তারপরও আমার অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মের জন্য যে কোন আইনি ব্যবস্হা নেয়া হলে তা মাথা পেতে নেব। আমিও আশা করবো আপনারা সবাই আমাকে ক্ষমা করে দিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ করে দিবেন।' 'ভাল থাকুক নোবেল, ভাল থাকুক বাংলাদেশের সাইবার স্পেস, ভাল থাকুক বাংলাদেশের সংস্কৃতি। ভাল থাকুন আপনারা সবাই। আল্লাহ সহায়!!’

post
বিনোদন

‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’-এ অপু বিশ্বাসের নায়ক জয় চৌধুরী

ক্যারিয়ারে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সক্রিয় হয়েছেন নায়িকা অপু বিশ্বাস। তরুণ প্রজন্মের আলোচিত নায়ক জয় চৌধুরীর সঙ্গে ঢালিউড কুইন খ্যাত অপু বিশ্বাস নতুন ছবিতে জুটি বাঁধলেন। নাম ‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’। উপমা কথাচিত্রের ব্যানারে নির্মিত ছবির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় জুটি বাঁধছেন তারা।‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’ নামের সিনেমাটি পরিচালনা করছেন নবাগত পরিচালক সোলায়মান আলী লেবু। ১৭ মে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ৯ নম্বর ফ্লোরে সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন থেকেই এফডিসিতে ১২ দিনের টানা শুটিং শুরু হচ্ছে। শেষ লট হবে কুষ্টিয়াতে।সিনেমাটি নিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, নতুনদের মধ্যে জয় ভালো কাজ করছে। কাজের প্রতি খুব আন্তরিক। এই চেষ্টাটা ধরে রাখলে আগামী দিনে সে আরও ভালো করবে। আমাদের নতুন ছবিটির গল্প সুন্দর। দর্শকরা এটি পছন্দ করলে কাজের সার্থকতা আসবে।জয় চৌধুরী বলেন, “অপু দিদির সঙ্গে প্রথমবার জুটি বেঁধেছি। আমি খুব আনন্দিত। সিনেমাটি রোমান্টিক গল্পের। নির্মাণেও বেশ চমক থাকছে। সিনেমাটির সবার ভালোবাসা কামনা করছি। আশাকরি দর্শকদের ভালো একটা সিনেমা উপহার দিতে পারব।’এর আগে ‘হিটম্যান’ সিনেমায় অপু বিশ্বাসের সহশিল্পী হিসেবে কাজ করেছিলেন জয় চৌধুরী। তবে মূল নায়ক ছিলেন শাকিব খান।অপু-জয় ছাড়াও অভিনয় করছেন মিশা সওদাগর, আমান রেজা, তাহমিনা মৌ, এল আর খান সীমান্ত, হারুন কিনিঞ্জার, হায়দার আলী, জাদু আজাদ প্রমুখ।অপু বিশ্বাস অভিনীত নির্মাণধীন রয়েছে ‘ছায়াবৃক্ষ’ সিনেমা। মুক্তির অপেক্ষায় আছে দেবাশীষ বিশ্বাস পরিচালিত ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ-টু’ ও কলকাতার জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তীর লেখা সুবীর মণ্ডল পরিচালিত ‘শর্টকাট’ সিনেমা। অন্যদিকে জয় চৌধুরী অভিনীত মুক্তির অপেক্ষায় ‘আয়না’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘অমানুষ হলো মানুষ’, ‘ভালবাসি কত বোঝাবো কেমনে’, ‘এক পশলা বৃষ্টি’, ‘অবাস্তব ভালবাসা’ ও ‘কাকতাড়ুয়া’।

post
খেলা

১৬১ কোটি টাকায় বিসিবির সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি

মহামারি করোনার মধ্যে সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির জন্য বেশ দুশ্চিন্তায় ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)। অবশেষ ক্রিকেটের সম্প্রচার স্বত্ব কিনে নিল বাংলাদেশি এজেন্সি ব্যানটেক। আগামী দুই বছরের জন্য বিসিবির সম্প্রচার স্বত্ব কিনল প্রতিষ্ঠানটি।এ সময়কালে অফিসিয়াল ব্রডকাস্টার হিসেবে বিসিবিকে ১৬১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা পরিশোধ করবে প্রতিষ্ঠানটি। ক্রিকেটারদের ভালো পারফরম্যান্সের কারণেই, এই চড়া মূল্য পাওয়া গেছে বলে মনে করে ক্রিকেট বোর্ড।সোমবার (১৭ মে) উন্মুক্ত নিলামে অংশ নিয়ে সম্প্রচার স্বত্ব কিনে নেয় প্রতিষ্ঠানটি। এ চুক্তির আওতায় আগামী আড়াই বছরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য ১০টি হোম সিরিজ সম্প্রচারের একমাত্র রাইট এখন ব্যানটেকের। নিলামে ১৯ মিলিয়ন ইউএস ডলার বেস প্রাইস ঠিক করে দিয়েছিলো বিসিবি। নিলামে বেস প্রাইস থেকে কিছুটা বেশি ১৯.০৭ মিলিয়ন প্রস্তাব করে ব্যানটেক। অন্য কেউ বিডে অংশ না নেয়ায়, পরে এই মূল্যেই টাইগারদের টেলিভিশন রাইটসটি পেয়ে যায় তারা। এর আগে বাংলাদেশ-উইন্ডিজ হোম সিরিজের স্বত্বও পেয়েছিলো ব্যানটেক। বিসিবির আগের চুক্তিটি ছিলো গাজী টিভির সঙ্গে ছয় বছরের। সে সময় ২০ দশমিক শূন্য ২ মিলিয়ন ইউএস ডলার পেয়েছিলো ক্রিকেট বোর্ড।বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জালাল ইউনুস সংবাদ মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিডিংয়ে একমাত্র ব্যানটেকই অংশ নিয়েছে। আর কোনো প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে আমরা প্রস্তাব পাইনি। আগামী দুই বছর বাংলাদেশ দলের হোম সিরিজের ম্যাচ তারা (ব্যানটেক) সম্প্রচার করবে।এই সময়ে বাংলাদশের ৯টি হোম সিরিজের সূচি রয়েছে। যেখানে ৭টি টেস্ট, ১৮টি ওয়ানডে ও ১৯টি টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলার কথা আছে টাইগারদের।

post
বিনোদন

সঙ্গীত পরিচালকে মামলার হুমকি দিলেন নোবেল

ফেসবুকে প্রায়ই বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা যায় সারেগামাপা খ্যাত বাংলাদেশের গায়ক মঈনুল আহসান নোবেল। কখনো রকস্টার জেমসকে, কখনো বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও বিষয় নিয়ে কটূক্তি করে পোস্ট আসে তার ‘নোবেলম্যান’ নামের পেজ থেকে। সমালোচনা শুরু হলে পরে জানা যায় আইডি হ্যাক হয়েছে নোবেলের। দিন কয়েক আগেও একই ঘটনা দেখা গেল নোবেলের ফেসবুক পেজে। পেজ হ্যাক হয়েছে দাবি করে সেটি উদ্ধার করেছেন তিনি৷এবার, সংগীত পরিচালক আহমেদ হুমায়ূনের সঙ্গে গানের মালিকানা নিয়ে বিবাদে জড়িয়েছেন নোবেল। নোবেল তার পেজে নতুন গান 'মেহেরবান' এর প্রচারণা চালাচ্ছেন। সেখানে গানটির পরিচয় দিতে গিয়ে তিনি সুর ও সংগীতে নিজের নাম উল্লেখ করেছেন। তবে আগে থেকেই এটা প্রকাশিত যে 'মেহেরবান' গানটি গাইছেন নোবেল, আর সুর ও সংগীতে ছিলেন আহমেদ হুমায়ূন। তাই তার নাম বাদ পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আহমেদ হুমায়ূন। আহমেদ হুমায়ূন নিজের ফেসবুকে এ ব্যাপারে লিখেছেন, ‘এই শাস্তি আমার জন্য খুব দরকার ছিল। কারণ পাপ আমি করেছি শাস্তি তো আমাকেই পেতে হবে। এক অমানুষ মানুষ করার দায়িত্ব নিয়েছিলাম। কিন্তু ভুলেই গেছিলাম অমানুষ তো আর মানুষ হবার নয়। এই অপরাধে আপনারা আমাকে শাস্তি দিন। যার যা মন চায় তাই শাস্তি দিন। আমি মাথা পেতে নেব।’এদিকে এ সংগীত পরিচালকের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দিয়ে পাল্টা দীর্ঘ এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন নোবেল৷ সেখানে তিনি লেখেন, ‘হায়রে হুমায়ূন! তুমি জানি কে? কোনোদিন তো তোমার নামও শুনি নাই আগে! তিনবার রিজেক্ট করার পর হাতে পায়ে ধরে ‘অভিনয়’ গাওয়াইছো! তাও আবার ৯ লাখ টাকা খরচ করে। জীবনে ৬০০ গান করছো! পরে শুনে দেখলাম, অর্ধেকের বেশি গানের সুর নকল! হাহাহা!! ‘কিং খান’ থেকে শুরু করে ডিরেক্টর ‘ইফতেখার চৌধুরী’ সবার সাথেই কাজ করছো। ভালো কথা। তবুও একটা হিট গানের নাম জিজ্ঞাস করলে এক বাক্যে বলতে বাধ্য তুমি! বলো তো কি গান? ‘অভিনয়!!’ তাইনা ছোটো ভাই? ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে করছো টা কি তুমি?! সেই নোবেলকে তুমি বাপ তুলে গালি দাও?! কত বড় অকৃতজ্ঞ মানুষ তুমি!! তোমার কত মাসের বাড়ি ভাড়া দিছি আমি, ভুলে গেছো? ব্যাপার না। গরীবদের দান করতে আমি ভালোবাসি। নিজে তো অভাবে পড়ে রাজশাহী ভাগছো ঘটিবাটি নিয়ে। বউও ভাগছে অন্য পোলার সাথে। গাড়িটাও নিয়ে গেছে। তোমার পুরুষত্য নিয়ে প্রশ্ন আছে আমার! ‘মেহেরবান’ গানের ৫০% সুর-সংগীত আমার করা লাগছে। তুমি নিজে স্বীকার করেছো হুমায়ূন! মামলা খাওয়ার জন্য রেডি থাকো! স্ক্রিনশট দিয়ে দিলাম! সবাই দেখো, কি নোংরা কথা বলছে আমাকে!'এদিকে আহমেদ হুমায়ূনের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি দিয়ে পাল্টা আরেকটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন নোবেল।নোবেল ২০১৯ সালে ভারতের জি-বাংলা টিভির রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’তে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতেও পরিচিতি পান। এতে তিনি তৃতীয় হয়েছিলেন।উল্লেখ্য, এই আহমেদ হুমায়ূনের হাত ধরেই সে দেশের ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সাউন্ডেটেকের সঙ্গে একাধিক গানের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন নোবেল।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.