শিক্ষার্থীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন পিপলএনটেক’র প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ
বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকে’র প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ প্রতিষ্ঠানটির সকল শিক্ষার্থীদের ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।আজ ১৯ জুলাই ফারহানা হানিপ প্রতিষ্ঠানটির সকল শিক্ষার্থীদের ঈদ শুভেচ্ছা জানান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফারহানা হানিপ বলেন, পিপলএনটেক’র চেষ্টা থাকে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে যেন আমাদের শিক্ষার্থীরা এখানে সর্বোচ্চ সুবিধা পায়। বিশ্বের মোট ১১টি দেশে আমাদের ইন্সটিটিউট রয়েছেন। পিপলএনটেক এ পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার শিক্ষার্থীকে আইটি প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের উন্নত বেতনে চাকরির ব্যবস্থা করেছে। যারা বেশিরভাগই আগে আমেরিকায় অড জব করতেন। এখন তারা ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ ডলার বেতনে চাকরি করছেন। তিনি বলেন, পিপলএনটেক বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান। আমাদের সহকর্মীদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আমরা এত দূর আসতে পেরেছি। আমাদের পিপলএনটেকে’র প্রতিটি টিম খুব চৌকস। বিশেষ করে ধন্যবাদ দিতে হয় আমাদের সফটওয়্যার টিমকে। ফারহানা হানিপ বলেন, এই করোনা মহামারির মধ্যে আমরা আমাদের পিপলএনটেকের ডিএমডি মোঃ ইউসুফ খানকে হারিয়েছি, যার স্বপ্ন ছিল প্রতিষ্ঠানটিকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে। এই করোনা পরিস্থিতির শুরুতে তার নেতৃত্বে প্রায় ২ কোটি টাকার শিক্ষা বৃত্তি দিয়েছি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের। করোনা পরিস্থিতিতে অনেক আইটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু পিপলএনটেক তার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে এবং করোনার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। এই মহামারিতে আমরা চেষ্টা করেছি সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন সাপোর্ট দেওয়ার জন্য। আমরা টেকনিক্যাল সাপোর্ট পর্যন্ত অনলাইনে সর্বাধিক গুরুত্ব সহকারে দিচ্ছি শিক্ষার্থীদের। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করে পিপলএনটেক’র ক্যাম্পাস বাংলাদেশসহ ভার্জিনিয়া থেকে নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়ায় বিস্তৃত হয়েছে। অনলাইনেও ক্লাস নিচ্ছে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ভারতসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের ছাত্র-ছাত্রীরা। এরমধ্যে নারীদের সংখ্যাও অনেক এবং ইতিমধ্যেই অনেকে বিভিন্ন কোম্পানীর নেতৃত্ব লাভ করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে মোমেন ২০১৯ সালে নিউইয়র্কে ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে প্রবাসী অভিবাসীদের প্রযুক্তি প্রশিক্ষণদানে বিশেষ ভূমিকা রাখার জন্য পিপলএনটেকের প্রচেষ্টাকে ‘বৈপ্লবিক উদ্যোগ’ বলে উল্লেখ করেন। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা আবুবকর হানিপকে একজন ‘ম্যাজিকম্যান’ উপাধি দিয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেন।
