post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালন

এনআরবি কানেক্ট নিউজ: নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা কনস্যুলেটের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে জাতীয় পতাকার প্রতি সম্মান জানিয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন কনসাল জেনারেলসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।এ উপলক্ষ্যে ঢাকা থেকে পাঠানো রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। পরে দিবসটির তাৎপর্য ও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্বের উপর আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের ভিডিও প্রদর্শিত হয়। এছাড়াও জাতির পিতা, তাঁর পরিবারের অন্যান্য শহীদ সদস্য ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।অনুষ্ঠানে কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণই বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর মাহেন্দ্রক্ষণে আজকের দিবসটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। দিবসটি উদযাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশি-আমেরিকান নাগরিকরা, বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানতে পারবেন এবং তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণে অনুপ্রাণিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রথম ভার্সিটির উদ্বোধনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনওয়াশিংটন ডিসি সংলগ্ন ভার্জিনিয়ায় বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপের মালিকানাধীন ‘ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীর ইতিহাসে আরেকটি অধ্যায়ের সংযোজন ঘটলো যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’ চালুর মধ্যদিয়ে। বহুজাতিক এ সমাজে প্রবাসীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথেই শুধু নয়, বাংলাদেশের উদ্যমী এবং মেধাবিদের দক্ষ হিসেবে গড়ে উঠার ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের যে পাঠক্রম-তা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে উচ্চ বেতনে চাকরির পথ সুগম করবে। যতবেশী বাংলাদেশি বিদেশে উচ্চ বেতনে চাকরি পাবে ততবেশি অর্থ যাবে বাংলাদেশে এবং ইতিমধ্যেই তার প্রমাণ মিলতে শুরু করেছে।’ মার্কিন মুল্লুকে বাঙালির স্বপ্ন-সারথি হয়ে আবির্ভূত হলো এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি-উল্লেখ করেন এমিরিটাস প্রফেসর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেন।শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভার্সিটির মিলনায়তনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ অনুষ্ঠানে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, পরিচালকমণ্ডলী, শিক্ষার্থী ছাড়াও অতিথি হিসেবে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম, সামিট গ্রেুপের ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদ খান, ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দার। ভিডিওতে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ড. সাজ্জাদ হোসেন, জর্জিয়া স্টেট সিনেটর শেখ রহমান এবং প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা ড. নীনা আহমেদ।অনুষ্ঠানস্থলে প্রধান অতিথি ড. মোমেনকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানানোর পর স্বাগত বক্তব্যে এই ভার্সিটির চ্যান্সেলর এবং সিইও ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাও দেয়া হবে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে, যাতে গ্র্যাজুয়েশনের সাথে সাথেই চাকরি পান সকলে। যুক্তরাষ্ট্রে অসংখ্য শিক্ষার্থী ব্যাচেলর এবং মাস্টার্স সম্পন্ন করেও মাসের পর মাস চাকরি পান না। কারণ, অনেক দফতরেই পূর্ব অভিজ্ঞতা লাগে। আইটি সেক্টরে চাকরি কখনোই মেলে না অভিজ্ঞতা না থাকলে। এই ইউনিভার্সিটিতে সে ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই অনুমতি সংগ্রহ করা হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার হানিপ উল্লেখ করেন, ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ইউনিভার্সিটি তথ্য-প্রযুক্তি, ব্যবসা-প্রশাসন, প্রজেক্ট এবং হেল্্থ কেয়ার ম্যানেজমেন্টে যথেষ্ঠ সুনাম কুড়িয়েছে। চলতি বছর এর মালিকানাসহ সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় আমরা এসেছি। তাই বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা যাতে অবাধে ভর্তির সুযোগ পান সে চেষ্টা থাকবে। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের নামে দুটি স্কলারশিপ ঘোষণা দেয়া হয়। বাংলাদেশ থেকে আসা ছাত্র-ছাত্রীর এর একটি ব্যাচেলর এবং আরেকটি মাস্টার্স কোর্সের জন্য পাবেন। অর্থাৎ পুরো কোর্সের ৭৫% বৃত্তি দেয়া হবে। এর বাইরেও রয়েছে আরো দু’লাখ ডলারের স্কলারশিপ বাংলাদেশ থেকে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে।অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে ইউনিভার্সিটি পরিচালনা পর্ষদের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার ফারহানা হানিপ বলেন, গত দেড় দশকেরও অধিক সময়ে ‘পিপল এন টেক’র মাধ্যমে আমরা সংক্ষিপ্ত কোর্স দিয়ে মার্কিন আইটি সেক্টরে সাত হাজারের অধিক প্রবাসীকে উচ্চ বেতনে চাকরির পথ সুগম করেছি। সে অভিজ্ঞতায় আইটি, হেল্্থ, হিসাব বিজ্ঞাণ এবং ব্যবসা-প্রশাসনে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স কোর্সের সাথেই কারিগারি শিক্ষা দেয়া হবে। সেটিই হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানের বিশেষত।রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও যাতে এই প্রতিষ্ঠানে উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহে ভালো বেতনে চাকরি পান, সে জন্যে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া হবে সংশ্লিষ্ট সকলকে।বাংলাদেশের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদ খান বলেছেন, পিপলেএনটেক’র মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ার হানিপ বহু বাংলাদেশিকে স্কলারশিপের মাধ্যমে মার্কিন আইটি সেক্টরে চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এই ইউনিভার্সিটি থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সাথে কারিগরি শিক্ষালাভে সক্ষম ছাত্র-ছাত্রীরা গ্র্যাজুয়েশনের পরই চাকরি পাবে বলে আশা করছি। সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক ঘটনা হচ্ছে এই ইউনিভার্সিটির টিউশন ফি তুলনামূলকভাবে কম, তারওপর রয়েছে স্কলারশিপ। বাংলাদেশ টেকনোলজিতে অনেক এগিয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। সেই ধারায় যুক্ত হয়ে এই ভার্সিটিও বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াবে বলে আশা করছি।ভয়েস অব আমেরিকার রোকেয়া হায়দার বলেছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের এগিয়ে চলার খবরাখবরের পাশাপাশি মূলধারায় সম্পৃক্ততার সংবাদ আমেরিকার বাংলা ভাষার প্রতিটি গণমাধ্যম প্রকাশ ও প্রচার করছি। ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিপের মাধ্যমে প্রবাসীদের সমৃদ্ধির পথে ধাবিত হবার ক্ষেত্রে আরেকটি অধ্যায়ের সংযোজন ঘটলো। আমি এই প্রয়াসের প্রশংসা করছি।পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন তার দীর্ঘ বক্তব্যে বলেছেন, অভিবাসী সমাজের স্বপ্ন পূরণে অন্যতম প্রধান অবলম্বন হচ্ছে দক্ষ হিসেবে শিক্ষালাভ করা। বাংলাদেশের এক কোটি ২৩ লাখেরও অধিক মানুষ এখন বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন। তারা যদি আন্তর্জাতিক মানের চাকরির উপযোগী শিক্ষালাভে সক্ষম হন তাহলে বাংলাদেশই প্রকারান্তরে উপকৃত হবে। ড. মোমেন বলেন, বাঙালিরা খুবই সৌভাগ্যবান এজন্যে যে, শেখ হাসিনার মত একজন নেতা পেয়েছি আমরা। তার দূরদর্শীতাপূর্ণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সারাবিশ্বে উন্নয়নের মডেল। আমি আরেকটি সুখবর দিতে চাই যে, গতকালই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত রাষ্ট্রের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করেছে। এটিও শেখ হাসিনার নেতৃত্বগুণেই সম্ভব হয়েছে।উল্লেখ্য, ৫ দিনের সরকারি সফরের শেষ দিন ড. মোমেন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বক্তব্য দিলেন।ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি অধ্যাপক এপাসটলোস ইলিয়পলাসের উপস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে ড. মোমেনকে ‘প্রক্লেমেশন’ প্রদান করা হয় বাংলাদেশের সুনাম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে দিতে নিরলসভাবে কাজের জন্য। এরপর করতালির মধ্যে কেক ও ফিতা কেটে যুক্তরাষ্ট্রের বাঙালিদের জন্যে নয়া ইতিহাসের শুভ সূচনা। 

post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় : বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দু’লাখ ডলার স্কলারশিপ

ভাষার মাসে বহুজাতিক মার্কিন সমাজে বাঙালির এগিয়ে চলার অভিযাত্রায় যুক্ত হলো আরেকটি অধ্যায়। এজন্য কঠোর পরিশ্রমী এবং মেধাবী একজন অভিবাসী ইতিহাসের অংশ হলেন। যেমনটি হয়েছেন একুশে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’-এ পরিণত করার ক্ষেত্রে অস্মিরণীয় ভূমিকা পালনকারী কানাডার ভ্যাঙ্কুবারের রফিকুল ইসলাম এবং আব্দুস সালাম। তিনি হলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি সংলগ্ন ভার্জিনিয়ায় বসবাসরত ‘ম্যাজিকম্যান’ খ্যাত ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে একটি ইউনিভার্সিটির মালিকানা অর্জনের মধ্য দিয়ে এ অধ্যায়ের যাত্রা। আর তা ঘটলো ১১ ফেব্রুয়ারি ভার্জিনিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত ‘আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’ (ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি তথা আইজিইউ)’র পুরো দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বিজ্ঞান, ব্যবসা ও প্রযুক্তি শিক্ষার জন্য দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপীয় শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে কাঙ্খিত একটি শিক্ষাঙ্গণ হিসেবে বিবেচিত।উল্লেখ্য, ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ যুক্তরাষ্ট্রে ‘পিপল এন টেক’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী। এই ইন্সটিটিউটের মাধ্যমে মার্কিন আইটি সেক্টরে গত দেড় দশকে ৭ হাজারের অধিক প্রবাসীকে উচ্চ বেতনে চাকরির ব্যবস্থা করেছেন ইঞ্জিনিয়ার হানিপ।গত ১১ ফেব্রুয়ারি কাগজপত্রের স্বাক্ষর-অনুস্বাক্ষর এবং রাষ্ট্রীয় প্রটোকল মেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানা হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে যা যুক্তরাষ্ট্রেই শুধু নয় সমগ্র প্রবাসে সুধীমহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কারণ, এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মেধাবী ছাত্রছাত্রীরাও বৃত্তি নিয়ে উচ্চ শিক্ষার্থে যুক্তরাষ্ট্রে অধিক হারে আসতে সক্ষম হবেন। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিমধ্যেই বিশেষ কৃতিত্বের সাথে ডিগ্রি গ্রহণকারীদের বড় একটি অংশ এসেছিলেন এশিয়া, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে। জানা গেছে, গত ১২ বছরে ৪ হাজারের বেশি ছাত্রছাত্রী উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন। চলতি শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ শতাধিক। এরমধ্যে বিদেশি শিক্ষার্থীর (ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট) সংখ্যাই বেশি। প্রকৌশলী আবুবকর হানিপ এই ভার্সিটির পরিচালনা-পর্ষদের প্রধান এবং মালিকানায় আসার পর শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন এনে সকল ডিগ্রিধারীকে উপযুক্ত চাকুরি পাবার আগ পর্যন্ত সহায়তা আর প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন।এ প্রসঙ্গে ইঞ্জিনিয়ার হানিপ বলেন, ‘দেখুন উচ্চ বেতনে চাকুরি পাওয়ার জন্য আপনার বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু কেবল ডিগ্রিই আপনাকে চাকুরির নিশ্চয়তা দেয় না। যেমনটা আমাকে দেয়নি ২০ বছর আগে। বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি থাকার পরও আমি এখানে স্বল্প পারিশ্রমিকের কাজ, অর্থাৎ ‘অড জব’ করতাম। সে সময় আমি অনুভব করেছি আমার এখানকার বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি থাকলে হয়তো আমি উঁচুমানের এবং অনেক বেশি বেতনের চাকুরি পাব।’ আইজিইউ এর চেয়ারম্যান এবং সিইও আবুবকর হানিপ জানালেন, “প্রায় ৫০ হাজার ডলার ঋণ নিয়ে আমি কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স করলাম। সর্বোচ্চ গ্রেড নিয়ে আমি পাশ করার পরও সাাথে সাথে চাকুরি পাইনি। ফের ফিরে গেলাম অড জবে, জীবন চালিয়ে নেবার সংগ্রামে। কিন্তু আমি থেমে যাইনি, হতাশও হইনি। বেশ কিছুদিন পরে আমি ঠিকই আইটি জবে ঢুকতে পেরেছি স্কীল ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং সম্পন্ন করে। তখন আমি বুঝলাম, ডিগ্রি দরকার, কিন্তু শুধু ডিগ্রি দিয়েও একজন তার ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবে না এই দেশে, যতক্ষণ না তার স্কীল ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে। সেই মানসেই আমি ১৫ বছর আগে ‘পিপল এন টেক’ নামক প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু করি, যার মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার অভিবাসী এখন উচ্চ বেতনে চাকুরি করছেন। সেই ‘পিপল এন টেক’র অভিজ্ঞতাই আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য এতদিন স্বপ্ন দেখিয়েছিল। আজ সে স্বপ্ন পূরণ হলো।” তিনি বলেন, ‘এখন আমি এবং ভার্সিটি-টিম বেশ গর্ব করেই বলতে পারছি যে, এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চাকুরিতে প্রবেশ না করা পর্যন্ত আমরা ক্যারিয়ার সহায়তা দেব। কেননা সেই ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ বা সুবিধাদি আমরা এরই মধ্যে অর্জন করেছি পিপল এন টেকের মাধ্যমে। আর এজন্যেই আমাদের শিক্ষকরা শুধু স্কলার নন, তারা ইন্ডাস্ট্রি প্র্যাকটিশনারও, যাদের রয়েছে চার থেকে ৩০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা।’ এই ভার্সিটিতে মাস্টার অব সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি (এমএসআইটি), মাস্টার অব সায়েন্স ইন সাইবার সিকিউরিটি ও মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) এ উচ্চতর ডিগ্রি নেয়া যায়।আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রিগুলোর মধ্যে অন্যতম ব্যাচেলর অব সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি (বিএসআইটি) ও ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ)। এছাড়া কম্পিউটার ও আইটি বিষয়ে বেশ কিছু সার্টিফিকেট কোর্সও রয়েছে। ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, শিগগিরই হেলথ কেয়ার, নার্সিং, ড্যাটা সায়েন্স ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিষয়েও বেশ কয়েকটি কোর্স চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।আরও জানা গেছে, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যে রয়েছে বার্ষিক দু’লাখ ডলারের স্কলারশিপ। এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছে ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। এই স্কলারশিপের জন্যে আবেদন করা যাবে www.igu.edu ওয়েবসাইটে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পিপল এন টেক যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় বাংলাদেশি মালিকানাধীন আইটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট। এই প্রতিষ্ঠান থেকে দীর্ঘ এ সময়ে যারা চাকরি পেয়েছেন তারা বছরে ৮০ হাজার থেকে দুই লাখ ডলার বেতন পাচ্ছেন। এদের অধিকাংশই বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে উচ্চতর ডিগ্রিধারী হলেও পথ-নির্দেশনার অভাবে অড জব (ট্যাক্সি ড্রাইভিং, রেস্টুরেন্ট-কর্মী, সুপার মার্কেট কর্মী, সেলসম্যান, রিসিপশনিস্ট ইত্যাদি) করে দিনাতিপাতে বাধ্য ছিলেন। ইঞ্জিনিয়ার হানিপ জানালেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটিগুলো থেকে গ্র্যাজুয়েশন করার পরও একজন এন্ট্রি লেবেলে (শুরুর দিকে) ৪০/৫০ হাজার ডলারের বেশি বেতনে চাকরি পায় না। অনেকেই ঋণ (স্টুডেন্ট লোন) নিয়ে পড়াশোনা করে ভাল চাকরি না পাওয়ার কারণে তা দ্রুত পরিশোধ করতে পারেন না। এজন্য হতাশ হয়ে পড়েন। ফলে ঋণ নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের চেয়ে দ্রুত অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার চিন্তায় অনেকে উবার-লিফট, ট্যাক্সি ড্রাইভিংসহ অন্য অড জবকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন। পিপল এন টেকের প্রতিষ্ঠাতা সিইও এবং আইজিইউ’র চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ আরো বলেন, আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি শিক্ষাদান ও কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য ক্যারিয়ার সহায়তার যে মডেল তৈরি করেছে, সেটি বাংলাদেশের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে। এজন্য দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে তিনি যৌথভাবে পাঠদানে আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। বাংলাদেশের সরকারের সাথেও তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করতে আগ্রহী বলে জানান।আবুবকর হানিপ বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের তিনটি প্রধান ক্ষেত্র হচ্ছে রেমিটেন্স, গার্মেন্টস ও এগ্রিকালচার। কিন্তু ইনফরমেশন টেকনোলজিও (আইটি) দেশের অর্থনৈতিক চেহারা আরও দ্রুত পাল্টে দিতে সক্ষম। এজন্য বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে সঠিক আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিদেশে প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে যেখানে বাংলাদেশিরা এসে চাকরি করতে পারেন। এমনকি বাংলাদেশে থেকেও একজন ব্যক্তির প্রতি মাসে ২/৩ লাখ টাকা উপার্জন করা সম্ভব। কঠোর অধ্যাবসায় আর উদ্ভাবনী-মেধার সমন্বয় ঘটিয়ে প্রবাসে উদ্যমী বাংলাদেশিদের আমেরিকার স্বপ্ন পূরণের ক্ষেত্রে অন্যতম অবলম্বনে পরিণত হওয়া আবু হানিপ বলেন, আইটি ক্ষেত্রে ভারত যে জায়গাটি দখল করেছে, বাংলাদেশও তা করতে পারে। এজন্য গ্র্যাজুয়েশনের আগেই দরকার হাতে-কলমে শিক্ষাদান। এতে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্পও আরও বেগবান করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।প্রসঙ্গত, আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি (আইজিইউ) যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশন, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট, ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, স্টেট কাউন্সিল অব হায়ার এডুকেশন ফর ভার্জিনিয়া, ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর স্টেট অথরাইজেশন রিসিপ্রোসিটি এগ্রিমেন্টস, অ্যাক্রিডেটিং কমিশন অব ক্যারিয়ার স্কুলস অ্যান্ড কলেজ-এসিসিএসসি সার্টিফিকেট প্রাপ্ত। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিজিটর প্রোগ্রাম (এসইভিপি) এর আলোকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আই-২০’ ইস্যুর জন্য ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস), মার্কিন সরকারের জে-১ প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং ফেডারেল স্টুডেন্ট এইড এর জন্য এডুকেশন ডিপার্টমেন্টের অনুমোদন রয়েছে আইজিইউ’র।

post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক হলেন আবুবকর হানিপ

যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিক হলেন বাংলাদেশি আবুবকর  হানিপপিপলএনটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারহানা হানিপ ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুবকর হানিপ তাদের বক্তব্যে পিপলএনটেকের নানা কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন। পিপলএনটেক এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৬ হাজারের বেশি বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে, যাদের বেশির ভাগই মেয়ে। এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অন্যতম একটি লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা সিঙ্গেল কিংবা বেকার মাদের প্রযুক্তিভিত্তিক কাজ শিখিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে তাদের পাশে দাঁড়ানো।আবুবকর হানিপ তার বক্তব্যে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে কেউ যখন ব্যাচেলর কিংবা মাস্টার্স ডিগ্রী শেষ করে এন্ট্রি লেভেলের কোন চাকরি নেয়, তখন সে বছরে সর্বোচ্চ ৪৫-৫০ হাজার ডলার আয় করতে পারে। ১০০-১২০ হাজার ডলার আয় করতে হলে তাকে ৬/৭ বছর চাকরি করতে হয়। কিন্তু পিপলএনটেক সেখানে মাত্র ৪ মাসের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের শিক্ষার্থীদের ১২০-১৪০ হাজার ডলারের চাকরি দিতে পেরেছে।শুধু ব্যাচেলর কিংবা মাস্টার্স ডিগ্রীধারী নয়, গৃহিণী, রেস্তোরা কর্মীদেরকে কম্পিউটার সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান আছে এমন শিক্ষার্থীদের পিপলএনটেক, রিয়েল লাইফ প্রজেক্ট নির্ভর এমন প্রশিক্ষণ দেয়, যেন তারা চাকরি পেয়েই সেই কাজটি দক্ষতার সাথে করতে পারে। মূলত কেউ এন্ট্রি লেভেলের চাকরি করলে অভিজ্ঞতার অভাবে তাকে তার সহকর্মীদের থেকে কাজ শিখে নিতে হয়। কিন্তু পিপলএনটেকের প্রশিক্ষণের যেই মডেল, তাতে শিক্ষার্থীরা রিয়েল লাইফ প্রজেক্টের অভিজ্ঞতা নিয়েই চাকরি শুরু করতে পারে।

post
এনআরবি সাফল্য

পিপলএনটেকে ২ হাজার শিক্ষার্থী স্কলারশিপের জন্য চূড়ান্ত

কোভিড-১৯ বিশ্ব অর্থনীতির ভীত যেমন নাড়িয়ে দিয়েছে, তেমনি অনেক মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত পরিবারকে ফেলে দিয়েছে দুঃসহ কষ্টের মধ্যে। এমন অস্থির সময়ে বাংলাদেশে অবস্থান করা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক গত ২৪ জুলাই ২ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ২ কোটি টাকার “কোভিড রিকোভারি স্কলারশিপ” এর ঘোষণা দেয়।প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষার্থী এই স্কলারশিপ পেতে আবেদন করেন। তাদের মধ্য থেকে লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষার মাধ্যমে ২ হাজার শিক্ষার্থীকে স্কলারশিপের জন্য চূড়ান্ত করা হয়।গত ১২ সেপ্টেম্বর এক ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে “কোভিড রিকোভারি স্কলারশিপ ২০২০” এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হোসেনে আরা বেগম (এনডিসি), ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব), বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।ভার্চুয়াল এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (পিপলএনটেক), ফারহানা হানিপ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (পিপলএনটেক), লিয়াকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক (আমরাই ডিজিটাল বাংলাদেশ ফোরাম), লায়ন মোঃ ইউসূফ খান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (পিপলএনটেক)।অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন পিপলএনটেক উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন মোঃ ইউসূফ। শিক্ষার্থীদের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের মাধ্যমেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ এবং প্রযুক্তি বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে বাংলাদেশ।অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি লিয়াকত হোসেন তার বক্তব্যে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব তথা প্রযুক্তির বিপ্লবের জন্য বাংলাদেশকে প্রস্তুত করার কথা উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে গার্মেন্টস সেক্টরের ওপর। কিন্তু প্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুললে সেটি আমাদের অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।পিপলএনটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারহানা হানিপ ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুবকর হানিপ তাদের বক্তব্যে পিপলএনটেকের নানা কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন। পিপলএনটেক এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৬ হাজারের বেশি বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে, যাদের বেশির ভাগই মেয়ে। এই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অন্যতম একটি লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা সিঙ্গেল কিংবা বেকার মাদের প্রযুক্তিভিত্তিক কাজ শিখিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে তাদের পাশে দাঁড়ানো।আবুবকর হানিপ তার বক্তব্যে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে কেউ যখন ব্যাচেলর কিংবা মাস্টার্স ডিগ্রী শেষ করে এন্ট্রি লেভেলের কোন চাকরি নেয়, তখন সে বছরে সর্বোচ্চ ৪৫-৫০ হাজার ডলার আয় করতে পারে। ১০০-১২০ হাজার ডলার আয় করতে হলে তাকে ৬/৭ বছর চাকরি করতে হয়। কিন্তু পিপলএনটেক সেখানে মাত্র ৪ মাসের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের শিক্ষার্থীদের ১২০-১৪০ হাজার ডলারের চাকরি দিতে পেরেছে।শুধু ব্যাচেলর কিংবা মাস্টার্স ডিগ্রীধারী নয়, গৃহিণী, রেস্তোরা কর্মীদেরকে কম্পিউটার সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান আছে এমন শিক্ষার্থীদের পিপলএনটেক, রিয়েল লাইফ প্রজেক্ট নির্ভর এমন প্রশিক্ষণ দেয়, যেন তারা চাকরি পেয়েই সেই কাজটি দক্ষতার সাথে করতে পারে। মূলত কেউ এন্ট্রি লেভেলের চাকরি করলে অভিজ্ঞতার অভাবে তাকে তার সহকর্মীদের থেকে কাজ শিখে নিতে হয়। কিন্তু পিপলএনটেকের প্রশিক্ষণের যেই মডেল, তাতে শিক্ষার্থীরা রিয়েল লাইফ প্রজেক্টের অভিজ্ঞতা নিয়েই চাকরি শুরু করতে পারে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.