post
যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে শেখ হাসিনার হোটেলের সামনে বিএনপির বিক্ষোভ, আ.লীগের শান্তি সমাবেশ

‘যেখানে বিএনপি-জামাত সেখানেই প্রতিরোধ’ এবং ‘যেখানে হাসিনা-সেখানেই প্রতিবাদ’ অর্থাৎ পরস্পর-বিরোধী কর্মসূচিতে উত্তপ্ত ছিল গোটা এলাকা। বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের পরস্পর বিরোধী কর্মসূচির মাঝে অবস্থান নেয় পুলিশ। ফলে কোন ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি।২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার অপরাহ্নে ওয়াশিংটন ডিসি সংলগ্ন ভার্জিনিয়ায় শেখ হাসিনার হোটেলের (রিটজ কার্লটন) সামনের এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন স্টেট থেকে শতশত নেতা-কর্মী জড়ো হন। উল্লেখ্য, জাতিসংঘে যোগদানের জন্যে যুক্তরাষ্ট্রে আগত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে এই হোটেলে অবস্থান করছেন। ১ অক্টোবর তিনি বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে লন্ডন হয়ে ডিসি ত্যাগের কথা।হোটেলের সামনে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জানার পরই যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও সেখানে জড়ো হন। তারা সেখানে ‘শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘শান্তি সমাবেশ’ করেন। পেনসিলভেনিয়া, নিউজার্সি, কানেকটিকাট, ম্যাসেচুসেটস, ম্যারিল্যান্ড, মিশিগান, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া এবং নিউইয়র্ক থেকে সাংগঠনিক ব্যানারসহ নেতৃবৃন্দ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন-অগ্রগতির সমর্থনে গগনবিদারি স্লোগান দেয়। নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন ড. সিদ্দিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ফজলুর রহমান, নিজাম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের, আবুল কাশেম, লুৎফুল করিম, ড. প্রদীপ কর, মাসুদুল হাসান, আব্দুস সামাদ আজাদ, সোলায়মান আলী, দুলাল মিয়া এনাম, আইরিন পারভিন, আবুল হাসিব মামুন, মহিউদ্দিন দেওয়ান, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, মোর্শেদা জামান, আশরাফুজ্জামান, শাহানারা রহমান, মিসবাহ আহমেদ, ফরিদ আলম, হিন্দাল কাদির বাপ্পা, জহিরুল ইসলাম, শিব্বির আহমেদ, শেখ আতিকুল ইসলাম, নুরুল আফসার সেন্টু, জেয়াদুল হক জেয়াদ, , হুমায়ূন আহমেদ চৌধুরী, এমদাদ চৌধুরী, মাহমুদুন্নবী বাকি, মো. আজম, যুবলীগ নেতা তারেকুল হায়দার চৌধুরী, সেবুল মিয়া, মিজান চৌধুরী, ওলিউর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।ভার্জিনিয়া : শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং কেয়ারটেকার সরকার দাবিতে বিএনপির র‌্যালি।অপরদিকে, বিএনপির সমাবেশে ছিলেন ভার্জিনিয়া বিএনপি, ম্যারিল্যান্ড বিএনপি, ওয়াশিংটন ডিসি বিএনপি, নিউইয়র্ক স্টেট, নিউইয়র্ক মহানগরের উত্তর-দক্ষিন, মিশিগান, নিউজার্সি, কানেকটিকাট, পেনসিলভেনিয়া স্টেট বিএনপির নেতা-কর্মীরা শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং অবিলম্বে কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে স্লোগান দেয়। তারা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতেও স্লোগান ধরেন। কাছাকাছি দূরত্বে পরস্পর বিরোধী স্লোগানে পথচারিরা বিব্রতবোধ করেন। নিরাপত্তা রক্ষীরা ছিলেন সতর্ক। বিএনপির কর্মসূচিতে নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন গোলাম ফারুক শাহীন, হাফিজ খান সোহায়েল, মাওলানা অলিউল্লাহ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, ভিপি জসীম, রুহুল আমিন নাসির, আনিসুর রহমান, শহিদুল ইসলাম শিকদার, হুমায়ূন কবির, নাসিম আহমেদ, দেওয়ান কাওসার, গোলাম হোসেন, আমানত হোসেন, মনিরুল ইসলাম, রতন মিয়া প্রমুখ।ওয়াশিংটন মেট্র এলাকার বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন হাফিজ খান সোহায়েল, কাজী এম রহমান, মজনু মিয়া, জাহিদ খান, মোশাররফ হোসেন, মোখলেসুর রহমান, জাকির হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম তুহিন, সৈয়দ সালেহ মনসুর পরশ, সাঈদ হায়দার, দেওয়ান মঈনউদ্দিন বিপ্লব-সাংগঠনিক সম্পাদক, আবদুল মুক্তাদির, জহিরুল ইসলাম, আরিফ উল ইসলাম, রেজওয়ান আনসারী পল্লব, নূর হোসেন বাহাদুর, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মহসিন মিয়া, মোহাম্মদ শাহজাহান সিরাজ, মীর নির্ঝর রহমান নিক্সন, বেলাল হোসেন সুমন, আহাম্মেদ তারিকুর রহমান জনি, ফারহানা মইনুদ্দিন, নাফিস খান, সাঈদ খান, মোহাম্মদ শফিক মোল্লা, রেজাউল করিম, আলী হায়দার, এমডি কবিরুল ইসলাম খান, মোঃ আক্তার হোসেন, জহির খান, নেসার আহমেদ, তোফায়েল আহাম্মদ, মোহিউদদীন জাহাঙ্গির, মোহাম্মদ কাইয়ুম, নিজাম আহমেদ, জাকির আলম জসিম, ফাতেমা জহুরা, রাশেদ খান, মোহাম্মদ রবিন, ইমতিয়াজ উদ্দিন, জাহিদ চৌধুরি, মোহাম্মদ সাইদ, মোহাম্মদ ইউনুছ, মোহাম্মদ জামান, মাফুজ মোল্লা, বাসেত মোল্লা, মাহাবুব আলম, মোহাম্মদ মোস্তফা, এ টি এম আলম, মোহাম্মদ নাইয়ুম, সরিপুল ইসলাম পাটোয়ারি মানিক, রাসেল বিশ্বাস, শাহেদ খান চৌধুরী, সেলিম হোসেন, আলবাব হোসেন সোহাগ, মোঃ কাজল, মোঃ মিজানুর রহমান, ইমাম এইচ খান, কবিরুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ মোহন, মোহাম্মদ মাহমুদ রাইয়ান, মোহাম্মদ উল্লাহ, তানভির হাসান, জাহাঙ্গীর কবির বাবলু, মাইনুল ইসলাম, ওমর ফারুক প্রমুখ।সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু

মালয়েশিয়াতে নির্মাণাধীন একটি ভবনে কংক্রিটের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। মালয়েশিয়ার জালান আমপাংয়ের নির্মাণধীন অক্সলে টাওয়ারের ৫১তম তলায় গতকাল মঙ্গলবার ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কুয়ালালামপুর ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র অপারেশন কমান্ডার নুরুল আধা আব্দুল মজিদ বলেন, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন যে ভবনটির ৫১তম তলায় কংক্রিটের ধ্বংসস্তূপের নিচে একজন চাপা পড়ে আছেন।একটি বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন,ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ব্যক্তিকে উদ্ধারে কংক্রিট কাটতে হয়। সকাল ৭টা ২১ মিনিটে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ওই ব্যক্তির নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত মেডিকেল টিম তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতের বয়স ৩৫ বছর। সূত্র : দ্য মালয়েশিয়ান রিজার্ভ।  

post
বাংলাদেশ

শুভ জন্মদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের উন্নয়নের কারিগর ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অধিকারী এবং অসহায়, গরিব-দুঃখী মানুষের আশ্রয়স্থল সফল রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন আজ বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর)। বাংলাদেশের সফল এ রাষ্ট্রনায়ক ৭৫ পেরিয়ে আজ ৭৬তম বছরে যাত্রা শুরু করছেন। দেশরত্নের অনুপস্থিতিতেই ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে দেশব্যাপী ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ উৎসবমুখর পরিবেশে নান কর্মসূচি পালন করবে।১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী বিধৌত টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি তিনি। বঙ্গবন্ধুর মতোই দূরদর্শী ও নেতৃত্বগুণ দিয়ে নিজেকে সমাদৃত করেছেন বিশ্বব্যাপী। যার তকমাতেই মার্কিনিদের বলা ‘বটমলেস বাস্কেট’ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। প্রধানমন্ত্রী তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে গত ২৪ সেপ্টেম্বর অন্যান্য বিশ্বনেতাদের অংশগ্রহণে ইউএনজিএ’র সাধারণ আলোচনায় অন্যান্য বছরের মতো বাংলায় ভাষণ দেন।প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতেই দিনটি উৎসবমুখর পরিবেশে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপন করবে তার নেতৃত্বাধীন দল আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগ আজ বুধবার বিকেল ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এছাড়াও বুধবার কেন্দ্রীয়ভাবে বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। একইসঙ্গে সকাল ১০টায় ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে (বাসাবো, সবুজবাগ) বৌদ্ধ সম্প্রদায়, সকাল ৯টায় খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (সিএবি) মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চে (৩/৭/এ সেনপাড়া, পর্বতা, মিরপুর-১০) এবং বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করেছে। এসব কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।একই দিনে ঢাকাসহ সারা দেশে সব সহযোগী সংগঠন আলোচনা সভা, আনন্দ র‌্যালি, শোভাযাত্রা, দোয়া মাহফিল, বিশেষ প্রার্থনা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ দিবসটির তাৎপর্য অনুযায়ী যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে বিভিন্ন উপযোগী কর্মসূচি উদযাপন করবে।আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী। চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছেন। সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও তিনি বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের আশ্রয় দিয়ে সারা বিশ্বে হয়েছেন প্রশংসিত। বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণেই করোনা মহামারির মধ্যেও দেশের অর্থনীতির চাকা সচল থাকায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এশিয়ার প্রায় সব দেশের ওপরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্ব, সময়োচিত পদক্ষেপ, মানুষের জন্য আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা, অর্থনীতিকে বাঁচাতে প্রণোদনা ঘোষণা এবং বাস্তবায়নের কারণে দেশে অনাহারে একজন মানুষেরও মৃত্যু হয়নি, খাদ্যের জন্য কখনো কোথাও হাহাকার হয়নি।প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার যত অর্জনবঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য সম্পন্ন করা, সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সমুদ্রে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ব্লু ইকোনমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন ও ছিটমহল বিনিময়, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মহাকাশ জয়, সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশের প্রবেশ, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন উড়াল সেতু, মহাসড়কগুলো ফোর লেনে উন্নীত করা, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত, দারিদ্র্যের হার হ্রাস, মানুষের গড় আয়ু প্রায় ৭৪ বছর ৪ মাসে উন্নীত, যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন, সাক্ষরতার হার ৭৫.৬০ শতাংশে উন্নীত করা, বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া, মাদ্রাসা শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা ও স্বীকৃতি দান, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, প্রতি জেলায় একটি করে সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ, নারী নীতি প্রণয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, ফাইভ-জি মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার চালুসহ অসংখ্য ক্ষেত্রে কালোত্তীর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ।সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সামনে দুর্যোগের সংকটপূর্ণ সময়ে সমাধানের সূত্র তুলে ধরেছেন। যুদ্ধ, অস্ত্রের প্রতিযোগিতা, ক্ষমতার প্রভাব এবং স্বার্থগত সংঘাতকে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবমুক্তির প্রধান অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি জবরদস্তিমূলক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, পাল্টা-নিষেধাজ্ঞার মতো বৈরীপন্থা পরিহার করে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সঙ্কট ও বিরোধ নিষ্পত্তির মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা তার ভাষণে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, খাদ্য ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের আহ্বান জানিয়েছেন। শুধু বর্তমান সংকট সমাধানের বার্তাই নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পৃথিবী প্রতিষ্ঠার দিকনির্দেশনা থাকায় বঙ্গবন্ধু কন্যার এই ভাষণে বিশ্বসভায় বাংলাদেশের জনগণের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে।ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রবক্তা স্বপ্নদর্শী এই নেতা ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণের পর থেকে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেন এবং ১৯৯৬ সালে প্রথম, ২০০৮ সালে দ্বিতীয় এবং ২০১৪ সালে তৃতীয় এবং ২০১৮ সালে চতুর্থ বারের মতো নির্বাচনে জয়লাভ করে দলকে দেশের নেতৃত্বের আসনে বসাতে সক্ষম হন।দাদা শেখ লুৎফর রহমান ও দাদি সাহেরা খাতুনের অতি আদরের নাতনি শেখ হাসিনার শৈশব-কৈশোর কেটেছে টুঙ্গিপাড়ায়। শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা এবং শেখ রাসেলসহ তারা পাঁচ ভাই-বোন। বর্তমানে শেখ হাসিনা ও রেহানা ছাড়া কেউই জীবিত নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে পিতা বঙ্গবন্ধু এবং মাতা ফজিলাতুন নেছাসহ সবাই ঘাতকদের নির্মম বুলেটে নিহত হন।শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয়েছিল টুঙ্গিপাড়ার এক পাঠশালায়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। তখন পুরোনো ঢাকার রজনী বোস লেনে ভাড়া বাসায় ওঠেন তারা। বঙ্গবন্ধু যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হলে সপরিবারে ৩ নম্বর মিন্টু রোডের বাসায় তারা বসবাস শুরু করেন। শেখ হাসিনাকে ঢাকা শহরে টিকাটুলির নারী শিক্ষা মন্দিরে ভর্তি করা হয়। এখন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি শেরেবাংলা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে খ্যাত। শুরু হয় তার শহর বাসের পালা।তিনি ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ১৯৬৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেন। ওই বছরেই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সে ভর্তি হন এবং ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে ১৯৬৮ সালে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে যাওয়ার পর গোটা পরিবারকে ঢাকায় ভিন্ন এক বাড়িতে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। অবরুদ্ধ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই শেখ হাসিনা গৃহবন্দি অবস্থায় তার প্রথম সন্তান ‘জয়’-এর মা হন। ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর কন্যা সন্তান পুতুলের জন্ম হয়।শেখ হাসিনার পরবর্তী ইতিহাস একবিংশ শতকের অভিযাত্রায় তিনি কীভাবে বাঙালি জাতির কাণ্ডারি হয়েছেন তারই ইতিহাস। বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখতেন সেই স্বপ্ন রূপায়নের দায়িত্ব নিয়ে বাঙালি জাতির আলোর দিশারী হওয়ার ইতিহাস। ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। আর ওই বছরেরই ১৭ মে দীর্ঘ ৬ বছর প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তিনি ১৯৯০ সালের ঐতিহাসিক গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর সরকার গঠন করেন এবং সে বছরের ২৩ জুন প্রথমবারের মতো তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড নিক্ষেপ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেও ওই হামলায় ২৪ জন নিহত এবং ৫শ নেতাকর্মী আহত হন।২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিয়ে বিশাল বিজয় অর্জন করে। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তৃতীয়বার এবং ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

post
বাংলাদেশ

১০ দিনে হিমালয়ের ৪টি পর্বতশৃঙ্গে আরোহণ বাংলাদেশি দুই পর্বতারোহীর

বাংলাদেশি দুই পর্বতারোহী সালেহীন আরশাদী ও ইমরান খান ১০ দিনে হিমালয়ের ৪টি পর্বতশৃঙ্গে আরোহণ করেছেন। এর মধ্যে তিনটির উচ্চতা ছয় হাজার মিটার। ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা তাঁদের অভিযানটি ভারতের লাদাখে অবস্থিত হ্যামিস জাতীয় উদ্যানে চালানো হয়েছে।  ‘গোজায়ান এক্সপেডিশন লাদাখ’ নামের অভিযানে পর্বতারোহীরা কাং ইয়াতসে–২ (৬ হাজার ২৫৪ মিটার), জো জঙ্গো ইস্ট (৬ হাজার ২১৪ মিটার), রিগিওনি মাল্লাই রি–১ (৬ হাজার ১২০ মিটার) ও কঙ্গা রি (৫ হাজার ৭৫৫ মিটার) পর্বতশৃঙ্গে আরোহণ করেন। পর্বতারোহী সালেহীন আরশাদী সুত্রকে বলেন, ‘আমাদের অভিযান দেশের পর্বতারোহণের ক্ষেত্রে নতুন এক রেকর্ড। আগে এক অভিযানে একসঙ্গে তিনটি ছয় হাজার মিটার উচ্চতার পর্বতশৃঙ্গে দেশের আর কেউ ওঠেননি।’পর্বতারোহীদের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দুই পর্বতারোহী ৫ সেপ্টেম্বর লাদাখের প্রধান শহর লেহতে পৌঁছান। প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র সংগ্রহ ও প্রস্তুতির পর ৮ সেপ্টেম্বর অভিযান শুরু করেন। দুই দিন পর কাং ইয়াতসে–২ বেজক্যাম্পে পৌঁছান। মূলত বেজক্যাম্প থেকেই অভিযানের সময় হিসাব করা হয়। তাঁরা ১২ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় কাং ইয়াতসে–২-এর শীর্ষে পৌঁছান। এরপর ১৫ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে তাঁরা রিগিওনি মাল্লাই রি সামিটের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। টানা ১২ ঘণ্টা আরোহণের পর চূড়ায় আরোহণ করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর কঙ্গা রিতে আরোহণ করে ধরেন জো জঙ্গো ইস্ট চূড়ায় আরোহণের পথ। ২০ সেপ্টেম্বর বিকেলে জো জঙ্গো ইস্ট জয়ের মাধ্যমে অভিযান শেষ করেন। পর্বতারোহী জুটির শুরুতে হিমালয়ের পশ্চিম অংশের ছয় হাজার মিটারের পাঁচটি চূড়ায় আরোহণ করার কথা ছিল। সালেহীন আরশাদী জানান, প্রয়োজনীয় অনুমতি ও রিগিওনি মালাইরি–১ পর্বত থেকে ২-এ যাওয়ার রিজলাইন ভঙ্গুর হওয়ায় অভিযানে পরিবর্তন আনতে হয়। ‘গোজায়ান এক্সপেডিশন লাদাখ’ অভিযানটি আয়োজন করেছিল পর্বতভিত্তিক অ্যাডভেঞ্চার প্ল্যাটফর্ম অদ্রি। পৃষ্ঠপোষকতা করে ভ্রমণবিষয়ক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গোজায়ান। অভিযানের সহযোগী হিসেবে ছিল ট্রাভেলার্স অব বাংলাদেশ (টিওবি) ও অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব দ্য কোয়েস্ট।

post
এনআরবি সাফল্য

কাতারে স্টেডিয়াম নির্মাণে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের রাষ্ট্রদূতের প্রশংসা

অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণসহ আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য কাতার নেতৃত্বের প্রশংসা করলেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘কাতারে স্টেডিয়াম নির্মাণে বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের ভূমিকা অপরিসীম। বাংলাদেশ ও কাতার উভয় দেশের উন্নয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকা রয়েছে।’ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) কাতার চ্যাপ্টার আয়োজিত ৭৪তম ইঞ্জিনিয়ার্স ডে উদযাপন উপলক্ষে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘বিশ্বকাপ উপলক্ষে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়ামগুলো কাতারে আগত ফুটবলপ্রেমীদের ভালো লাগার পাশাপাশি কাতার-বাংলাদেশের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক বৃদ্ধি পাবে।’ রাজধানী দোহার ক্রাউন প্লাজা হোটেলে প্রকৌশলী মোস্তাক আহমেদ ও প্রকৌশলী সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি প্রকৌশলী গাজী মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রকৌশলী শফিকুল আলম, প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন আকন ও প্রকৌশলী জালাল আহমেদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বি.এম. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিন ঢালী।বাংলাদেশ দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ নেপাল, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও পৃষ্ঠপোষকের প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে পঞ্চগড়ে করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় লাশের সংখ্যা বেড়ে ৪৭

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় লাশের সারি দীর্ঘ হচ্ছে। এ দুর্ঘটনায় দুই দিনে নারী ও শিশুসহ ৪৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। নিখোঁজদের মরদেহের অপেক্ষায় ঘটনার পর থেকেই করতোয়ার পাড়ে অবস্থান করছেন স্বজনরা। মরদেহ উদ্ধারের খবর জানতে পারলেই নদীর পাড় থেকে স্বজনরা ছুটে যাচ্ছেন স্থানীয় মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়ন পরিষদে। সেখানেই রাখা হচ্ছে উদ্ধারকৃত মরদেহ। গতকাল রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের আউলিয়া ঘাট এলাকায় নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর থেকে সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত মোট ৪৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ও স্থানীয়রা। ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে কতজন যাত্রী ছিল, তার সঠিক তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনরা প্রশাসনের কাছে রোববার ৬৬ জনের তালিকা দিয়েছেন। সকাল থেকে আউলিয়া ঘাট এলাকায় দেখা যায়, স্থানীয় লোকজন এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের তিনটি ইউনিট উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে। সেখানে ভিড় করেছেন নিখোঁজদের স্বজনরা। কেউ কেউ নৌকা নিয়ে নদীতে খুঁজে বেড়াচ্ছেন প্রিয়জনকে। কারও হাতে নিখোঁজ স্বজনের ছবি, তা নিয়ে নদী তীরের বাসিন্দাদের দেখাচ্ছেন আর বিলাপ করছেন। এছাড়া হাজার হাজার উৎসুক মানুষের ঢল নেমেছে নদীর পাড়ে।

post
এনআরবি বিশ্ব

ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্রান্স (বিসিএফ)। স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ফ্রান্সের (প্যারিস) একটি অভিজাত মিলনায়তনে বাক পর্বে ১৪ জন, অনার্স পর্বে চার জন এবং মাস্টার্স পর্বে আট জন উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পঞ্চমবারের মত বিসিএফ'র এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন ইনালকো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. ফিলিপ বেনোয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাসনাত জাহান, ডা. উত্তম বড়ুয়া, অ্যাডভোকেট সাবিনা মিয়া, অ্যাডভোকেট ইমরান চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব আলম ও ড. শামীম আহমেদ। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন সাংবাদিক ইমরান মাহমুদ এবং ফাতেমা-তুজ-জোহরা। অনুষ্ঠানে বিসিএফ'র পক্ষ থেকে ফ্রান্সে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশিকে কাজের ব্যবস্থা করার জন্য বিসিএফ এক্সিকিউটিভ মেম্বার ইমরান হোসেন এবং তার নেটওয়ার্ককে পুরস্কৃত করা হয়। এই নেটওয়ার্কে প্রায় ১০০ ব্যক্তি রয়েছে যারা বিপুলসংখ্যক চাকরির ব্যবস্থা করেছে।অনুষ্ঠানে ফ্রান্সে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি পরিবার ও কমিউনিটির নানাস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে, এই বর্ণাঢ্য আয়োজনটি ২০১৭ থেকে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্রান্স (বিসিএফ) করে আসছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর চান কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিরা

পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর করার দাবি দীর্ঘদিন ধরে করে আসছেন কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এ নিয়ে ভোগান্তির অবসান চান তারা। দেশটিতে বিভিন্ন পেশায় প্রায় আড়াই লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাস করেন। কুয়েতের কানুন অনুসারে দেশটিতে শ্রমিকদের আকামা নবায়নে পাসপোর্টের মেয়াদ এক বছর পূর্ণ থাকতে হয়। বর্তমানে ৫ বছর মেয়াদি পাসপোর্টে চার বছর আকামা লাগাতে পারেন।এদিকে প্রবাসীদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে দ্রুত পাসপোর্ট সেবা দিতে আঞ্চলিক শাখা অফিস হ্যাপি সেন্টার চালু করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। করোনাকালে পাসপোর্ট নবায়নে তিন মাস সময় লাগলেও এখন সবকিছু স্বাভাবিক হওয়ার পরও প্রবাসীদের পাসপোর্ট নবায়ন করতে আড়াই থেকে তিন মাস অপেক্ষা করতে হয় বলে অভিযোগ করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। প্রবাসীদের কুয়েতে আসার পর প্রথমে মালিকের কাছে পাসপোর্ট জমা দিতে হয়। নির্দিষ্ট সময়ে দেশে ছুটিতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে অথবা নবায়ন করতে শ্রমিকদের হাতে পাসপোর্ট দেওয়া হয়। যার কারণে অনেক প্রবাসী পাসপোর্টের মেয়াদ ভুলে যায়। সময়মতো আকামা নবায়ন করতে না পারলে কিংবা আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে প্রতিদিন দুই দিনার করে জরিমানা গুনতে হয়। যার ফলে সর্বোচ্চ ৬০০ কুয়েতি দিনার জরিমানা আসে। প্রবাসীদের ভোগান্তি কমাতে জরুরি ভিত্তিতে অনেক সময় হাতে লিখে বাড়িয়ে দেওয়া হয় পাসপোর্টের মেয়াদ। অন্যদিকে স্থানীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করতে খরচ হয় অতিরিক্ত অর্থ, শ্রম ও সময়। আকামা নবায়নে পাসপোর্টের দীর্ঘ সূত্রতার ফলে সৃষ্ট ভোগান্তি ও জরিমানা থেকে পরিত্রাণ পেতে আগের মতো এক মাস থেকে দেড় মাসের পাসপোর্ট পেতে চান এবং পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর করা দাবি জানান কুয়েতে বাংলাদেশি প্রবাসীরা।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রবাসী বলেন, পাসপোর্ট মালিকের কাছে থাকায় পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ কবে জানা ছিল না। মালিক আকাম লাগাতে পারেনি, আমাকে বলল তাড়াতাড়ি পাসপোর্ট নবায়ন করে নিয়ে আসতে। পাসপোর্ট নবায়ন করতে দিলে নতুন পাসপোর্ট পাওয়ার সময় দিয়েছে আড়াই মাস। জরুরি প্রয়োজন বলায় পুরাতন পাসপোর্টে হাতে লিখে মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে দূতাবাস। সেটা সত্যায়িত করতে লেগেছে বাড়তি টাকা। কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মাদ আশিকুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুসারে এম আরপি পাসপোর্ট মেয়াদ পাঁচ বছর থাকবে। ই-পাসপোর্টের মেয়াদ ৫ বছর ও ১০ বছর দুইটাই থাকবে। যার যেটা প্রয়োজন করতে পারবে। শিগগিরই ই-পাসপোর্ট চালু হলে প্রবাসীদের ১০ বছরের আশা পূরণ হবে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে পঞ্চগড়ে করতোয়া নদীতে নৌকা ডুবে ২৪ জনের প্রাণহানি

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় করতোয়া নদীতে নৌকা ডুবে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নের আউলিয়া ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বোদা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন কুমার রায় ২৪ জনের মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মৃতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেছেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম।বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোলেমান আলী জানান, শারদীয় দুর্গোৎসবের মহালয়া উপলক্ষে মাড়েয়া বাজার এলাকার আউলিয়া ঘাট থেকে ৭০-৮০ জনের মতো মানুষ নিয়ে একটি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকা বড়শশী ইউনিয়নের বদেশ্বরী মন্দিরের দিকে যাচ্ছিল। ঘাট থেকে নৌকাটি কিছু দুর যাওয়ার পর দুলতে শুরু করে। একপর্যায়ে নৌকাটি ডুবে যায়। মৃতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। তিনি বলেন, মরদেহ শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। শনাক্ত হলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রে ‘প্রবাসী বাঙালি বীরদের’ সংবর্ধনা দিল বাংলাদেশ প্রতিদিন

যুক্তরাষ্ট্রের মূল ধারায় রাজনীতি করে আলো ছড়াচ্ছেন এক ঝাঁক বাঙালি। দেশটির বিভিন্ন স্টেট, সিটি কাউন্সিল, কাউন্টি, স্টেট অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিকে নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করা সেসব ‘বাঙালি বীরদের’ সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশের শীর্ষ প্রচারিত দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন ও এনওয়াই প্রতিদিন ডটকম।শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সে লাগোয়ার্ডিয়া প্লাজা হোটেলে আয়োজিত প্রাণবন্ত এক অনুষ্ঠানে ‘যুক্তরাষ্ট্রে বাঙালি বীর’ হিসেবে পরিচিত জনপ্রতিনিধিদের ক্রেস্ট তুলে দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা ড. নীনা আহমেদ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাগণ।যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, পেনসিলভেনিয়া, নিউ হ্যাম্পশায়ার, ম্যাসাচুসেটস, জর্জিয়া, ফ্লোরিডা, টেক্সাস, মিশিগান প্রভৃতি স্টেট পার্লামেন্ট, সিটি কাউন্সিল, কাউন্টি পর্যায়ে নির্বাচিত ২৭ জনেরও বেশি বাংলাদেশি এতে সংবর্ধিত হন।আয়োজকরা জানান, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে অংশ নিয়ে ৩৭ জন বাংলাদেশি বিভিন্ন স্থানে বিজয় অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি বিশিষ্টজনরা। তাদের মধ্যে ছিলেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি 'র চ্যান্সেলর ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ।নিউইয়র্ক সিটির কাউন্সিল উম্যান শাহানা হানিফকে এওয়ার্ড তুলে দেন তিনি।সন্ধ্যার পর থেকে কুইন্সে লাগোয়ার্ডিয়া প্লাজা হোটেলে জড়ো হতে থাকেন যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার গুরুত্বপূর্ণ বাঙালি রাজনৈতিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায় পরিণত হয় হোটেলে বলরুম। ডেমোক্র্যাটিক এবং রিপাবলিকান দুই দলের বাংলাদেশি রাজনৈতিকরা আসেন এ অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিবেশন করা হয় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত। তার একে একে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনৈতিকদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারা থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বলেন, ‘আপনারা প্রত্যেকে আমাদের মাথার মুকুট। আপনারা আমাদের বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর। বিদেশে আপনারাই আমাদের অ্যাম্বাসেডর। ’তিনি বলেন, ‘আজকে আমার খুব ভালো লাগছে এই জন্য যে আমরা এখানে আমাদের যারা গর্ব, আমাদের যারা অহঙ্কার; এই (যুক্তরাষ্ট্রের) মূলধারায় রাজনীতি লোক ঢুকার জন্য আমরা বহুদিন থেকে আহ্বান করছি। তারা প্রমাণ করেছে, তারা জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। আমি তাদের প্রত্যেককে আমার অন্তরের অন্তস্থল থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ’যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে বাংলাদেশিদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘১৯৮৪ সালে ডেমোক্রেটিক পার্টির কাজ কর্ম শুরু করি। তখন কোন বাঙালি পেতাম না। খুব কঠিন ছিল। আমাদের বাঙালি খুব একটা দেখতাম না। এখন আমি খুব খুশি। এখন আমাদের অনেক প্রবাসী, নতুন প্রজন্ম এবং পুরোনো আমাদের অনেকে নির্বাচিত হয়েছেন। ’যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারা বাংলাদেশি রাজনৈতিকদের নিয়ে বাংলাদেশ প্রতিদিনের এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রশংসা করে জর্জিয়া স্টেট থেকে নির্বাচিত সিনেটর শেখ রহমান বলেন, এখানে আমি খুবই আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছি। শুধু আমি নই, আমরা সবাই।নতুন প্রজন্ম আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে আরও এগিয়ে যাবে প্রত্যাশা করে তিনি বলেন, আমরা সবাই বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করি। আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে।মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশের বন্ধু কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং ভিডিও বার্তায় এবং লিখিত বার্তায় সিনেটর চার্লস চার্লস শুমার (Charles Schumer) বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রশংসা ও সফলতা কামনা করেন।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জর্জিয়া স্টেটের সিনেটর শেখ রহমান, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা ড. নীনা আহমেদ, নিউ হ্যামশায়ার স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ আবুল খান, নিউজার্সির কাউন্সিলম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন্নবী, নিউইয়র্ক সিটির কাউন্সিলওম্যান শাহানা হানিফ, হাডসন সিটির বোর্ড অব সুপারভাইজার আবদুস মিয়া, নিউজার্সির হেল্ডন সিটির কাউন্সিলওম্যান তাহসিনা আহমেদ, নিউইয়র্ক স্টেট কমিটিওম্যান জামিলা উদ্দিন, জুডিশিয়াল ডেলিগেট নূসরাত আলম, নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক মার্জিয়া স্মৃতি।বক্তারা বাংলাদেশ প্রতিদিনের এই সংবর্ধনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার বাংলাদেশি রাজনৈতিকদের একত্রিত করার এই আয়োজনের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, আমরা এখানে এসে আনন্দিত এবং গর্বিত। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের শুধু সম্মানিতই করা হয়নি, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটের বাংলাদেশি রাজনৈতিক, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার বাংলাদেশিদের একত্রিত হওয়ার, সেতুবন্ধন তৈরির সুযোগ করে দিয়েছে।নিউইয়র্ক সিটিতে প্রথম বাংলাদেশি এবং মুসলিম নারী কাউন্সিলর শাহানা হানিফ বলেন, এমন একটা অনুষ্ঠান এবং যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে বাংলাদেশি জনপ্রতিনিধিদের এক সাথে করার উদ্যোগের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ।স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম সংবর্ধনাপ্রাপ্ত বাংলাদেশি রাজনীতিকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আমরা গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমেরিকার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের। পথ চলে সবাই। কেউ কেউ পথ দেখায়। আপনারা আমেরিকায় বাংলাদেশকে পথ দেখিয়েছেন। আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বাংলাদেশ প্রতিদিন পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা।সংবর্ধনাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন- জর্জিয়া স্টেটের সিনেটর শেখ রহমান, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা ড. নীনা আহমেদ, নিউ হ্যামশায়ার স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ আবুল খান, মেলবোর্ন সিটির মেয়র মাহবুবুল আলম তৈয়ব, নিউজার্সির কাউন্সিলম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন্নবী, নিউইয়র্ক সিটির কাউন্সিলওম্যান শাহানা হানিফ, মেলবোর্ন সিটির কাউন্সিলম্যান নুরুল হাসান, আলাউদ্দিন পাটোয়ারী, মনসুর আলী মিঠু এবং রফিকুল ইসলাম জীবন, নিউজার্সির প্যাটারসন সিটির কাউন্সিলম্যান অ্যাট লার্জ মো. ফরিদউদ্দিন, মিশিগানের হ্যামট্রমিক সিটির প্রো-টেম মেয়র মোহাম্মদ কামরুল হাসান, কাউন্সিলম্যান নাঈম চৌধুরী, ফিলাডেলফিয়া সংলগ্ন আপার ডারবির কাউন্সিলম্যান শেখ সিদ্দিক, বস্টন সংলগ্ন হপকিন্টন সিটির সিলেক্টম্যান শহিদুল মান্নান, নিউজার্সির কাউন্সিলওম্যান সেপা উদ্দিন, হাডসন সিটির বোর্ড অব সুপারভাইজার আবদুস মিয়া, এল্ডারম্যান দেওয়ান সরোয়ার এবং শেরশাহ মিজান, নিউজার্সির হেল্ডন সিটির কাউন্সিলওম্যান তাহসিনা আহমেদ, টেক্সাসের রিফুজিয়ো কাউন্টির ডেমোক্র্যাটিক পার্টির চেয়ার নিহাল রহিম, নিউইয়র্ক স্টেট কমিটিওম্যান জামিলা এ উদ্দিন, জুডিশিয়াল ডেলিগেট মোহাম্মদ সাবুল উদ্দিন, জুডিশিয়াল ডেলিগেট নূসরাত আলম, জুডিশিয়াল ডেলিগেট জামী এম কাজী, ফ্লোরিডার পামবিচ কাউন্টি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির বোর্ড মেম্বার জুনায়েদ আকতার, কুইন্স ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার  মোফাজ্জল হোসেন, মূলধারায় বাংলাদেশিদের পথিকৃত মোর্শেদ আলম প্রমুখ।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ প্রতিদিন উত্তর আমেরিকা সংস্করণের নির্বাহী সম্পাদক লাবলু আনসার। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিজনেস এডিটর রুহুল আমিন রাসেল।উল্লেখ্য, বছর চারেক আগে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সে সময়ের কয়েকজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে সংবর্ধনা দেয় বাংলাদেশ প্রতিদিন। অনুষ্ঠানটি হয়েছিল জ্যাকসন হাইটসে বিলাসবহুল পার্টি হল বেলাজিনোতে। সেই আয়োজনেও প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.