post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় পুলিশকে ঘুষ দেওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশির জরিমানা

মালয়েশিয়ান পুলিশকে ঘুষের প্রস্তাব দেয়ার অপরাধে ওবায়দুল খান (৩০) নামে এক বাংলাদেশিকে তিন হাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত জরিমানা করেছেন দেশটির আদালত। স্থানীয় সময় শুক্রবার (০৭ অক্টোবর) মালয়েশিয়ার পেরাক রাজ্যের দায়রা আদালতের বিচারক আহমাদ কামার জামালুদ্দীন এ রায় দেন।চার্জশিট সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেল চালানোর সময় হেলমেট না পরার অপরাধে সমন জারি না করার জন্য এক ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্টকে নগদ মালয়েশিয়ান পঞ্চাশ রিঙ্গিত ঘুষ প্রস্তাব করেন অভিযুক্ত ওবায়দুল খান।মালয়েশিয়ার আইনে দণ্ডবিধির ২১৪ ধারা অনুযায়ী এ অপরাধের অভিযোগটিতে দোষী সাব্যস্ত হলে দুই বছরের বেশি কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।জানা যায়, ২০২১ সালের ১১ মে বিকেল দুপুর ২টার দিকে পেরাক রাজ্যের মানজুং জেলার আয়ের তাওয়ারের জালান কেজি মুহিব্বায় এ অপরাধ সংঘটিত হয়।এছাড়া আদালত মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন আইন (এমএসিসি) ২০০৯-এর ৪০(১)(এ) ধারা অনুযায়ী ঘুষের টাকা সরকারের কাছে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দিয়েছেন।

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় ‘দাতু শ্রী’ খেতাব পেলেন কুমিল্লার সেলিম

মালয়েশিয়ার সম্মানসূচক ‘দাতু শ্রী’ খেতাব পেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি জালাল উদ্দিন সেলিম। তিনি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ভেলানগর গ্রামের মোহাম্মাদ আব্দুল আওয়ালের ছেলে।শনিবার (১ অক্টোবর) মালাক্কার প্রভাবশালী রাজপরিবারের পক্ষ থেকে সেলিমকে এ খেতাব দেওয়া হয়। ব্যবসায়, এনজিও ও সামাজিক কাজে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে খেতাব দেয় মালাক্কার রাজপরিবার।এমন স্বীকৃতি লাভ করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও মোবাইল ফোনে সেলিমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কাছের মানুষ ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।‘দাতু শ্রী’ বা ‘দাতো সেরি’ হলো দেশের জন্য অবদান রেখেছেন এমন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রের দেওয়া সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব। এটি ফেডারেল খেতাব ‘তান শ্রী’র সমতুল্য একটি সম্মান। এ খেতাব পাওয়া ব্যক্তির স্ত্রীকে ‘দাতিন শ্রী’ বলা হয়।জানা গেছে, সেলিম ১৯৯৫ সালে মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি স্যায়েন্স মালয়েশিয়ায় (ইউএসএম) পড়ালেখা করতে যান। পড়ালেখা শেষে তিনি সেখানেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। মনোনিবেশ করেন ব্যবসায়। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।২০১৯ সালে মালয় তরুণী দাতিন সেরি নুরুল আনিসকে বিয়ে করেন সেলিম। তাদের ঘরে জন্ম নেয় এক ছেলে ও এক মেয়ে। মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ কমিউনিটির কাছে অতি পরিচিত মুখ সেলিম।জালাল উদ্দিন সেলিম বলেন, আমি বাংলাদেশি, এটাই আমার বড় পরিচয়। প্রবাসে এ সম্মান পাওয়া দেশের জন্যও সম্মানের। এ সম্মান যেন ধরে রাখতে পারি।মালয়েশিয়ায় কর্মরত সব প্রবাসীর যেকোনো সমস্যা সমাধানে পাশে থেকে আত্মনিয়োগ করবেন বলেও জানান সেলিম।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক খাদ্য ও পানীয় মেলায় বাংলাদেশ

মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক খাদ্য ও পানীয় মেলায় প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। 'সেলাঙ্গর ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো' নামের এ মেলায় খাদ্যপণ্য ও পানীয় ছাড়াও ঐতিহ্যবাহী খাবারও পরিবেশন করবে বাংলাদেশসহ অংশ নেওয়া বিশ্বের ১১টি দেশ। দেশটির সেলাঙ্গর রাজ্য সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত বিশ্বের ব্র্যান্ড এবং শিল্প উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলনের অংশ হিসেবে এ মেলার আয়োজন করা হয়।বিশ্বব্যাপী বাজার অন্বেষণে শিল্প উদ্যোক্তা ও অর্থনৈতিক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ, জ্ঞান বিনিময়, ব্যবসায়িক সমঝোতা, উদ্ভাবনী সমাধানে ব্যবসাকে শক্তিশালী করতে প্রতি বছর এ বাণিজ্য সম্মেলন ও মেলার আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের কনভেনশন সেন্টারে শুরু হচ্ছে ৪ দিনের ৮ম সেলাঙ্গর ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো। মেলার উদ্বোধন করবেন সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্রাউন প্রিন্স টুংকু আমির শাহ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সেলাঙ্গর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইবি দাতো শ্রী আমিরুদিন বিন শারি। বাংলাদেশ হাইকমিশনের তত্ত্বাবধান ও সহযোগিতায় মেলায় অংশ নিচ্ছে বেশ কয়েকটি বাংলাদেশি খাদ্য ও পানীয় প্রতিষ্ঠান। 'বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে' ব্যাচেলর পয়েন্ট, পিঠা ঘর এবং আলো ছায়া নামের রেস্তোরাঁয় ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবার প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি প্রাণ ও মুন্নু সিরামিকস তাদের বিশ্বমানের পণ্য প্রদর্শন করবে। এ ছাড়াও মেলায় ডেমোনেস্ট্রেশন ও মাস্টার ক্লাসে অংশ নেবেন মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কুলিনারি (রন্ধনশিল্প) বিষয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে। দর্শনার্থীরা বিনামূল্যে মেলা দেখতে পারবেন। মেলায় 'বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন' ঘুরে দেখার জন্য মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসীদের বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ আন্তর্জাতিক মেলার শুরু থেকে সংশ্লিষ্ট আছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টি খাতুন। তিনি বলেন, 'বিভিন্ন দেশের বন্ধুরা বাংলাদেশি খাবার খেয়ে আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন এমন একটি আন্তর্জাতিক আয়োজনে নিজ দেশের খাবার উপস্থাপন করতে। এবার বাংলাদেশের হয়ে সে সুযোগ পাচ্ছি।' 'এ মেলার মাধ্যমে বাংলাদেশি খাবার সম্পর্কে শুধু মালয়েশিয়ান নয় বিভিন্ন দেশের নাগরিকরাও জানতে ও স্বাদ নিতে পারবেন,' যোগ করেন তিনি। 

post
এনআরবি বিশ্ব

মধ্য আফ্রিকায় বোমা বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত

সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের অপারেশন কার্যক্রম পরিচালনাকালে তিন শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আইএসপিআর জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ৪ অক্টোবর রাত ১টা ৩৫ মিনিট) বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের একটি গাড়ি ইমপ্রোভাইজভ এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণের শিকার হয়। এতে তিনজন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হন এবং একজন আহত হন। নিহত শান্তিরক্ষীরা হলেন সৈনিক জসিম উদ্দিন (বয়স ৩১, গ্রাম : কাটিজা, থানা : বিজয়নগর, জেলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়া), সৈনিক জাহাংগীর আলম (বয়স : ২৬, গ্রাম : দক্ষিণ টিট পাড়া, থানা : ডিমলা, জেলা : নিলফামারী) ও সৈনিক শরিফ হোসেন (বয়স : ২৬, গ্রাম : বাড়াক রুয়া, থানা : বেলকুচি, জেলা : সিরাজগঞ্জ)।এ ঘটনায় টহল কমান্ডার মেজর আশরাফুল হক আহত হন।সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের পশ্চিম সেক্টরে বোয়ার এলাকায় মোতায়েন করা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন (ব্যানব্যাট-৮) ২০২১ সালের ৯ নভেম্বর থেকে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে।দুর্গম এলাকায় অবস্থিত অন্যতম অস্থায়ী ক্যাম্প ‘কুই’ থেকে পরিচালিত যান্ত্রিক টহলের একটি দল মেজর আশরাফের নেতৃত্বে গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় কাইতা এলাকায় টহলে যায়। বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ৩৫ মিনিটে ফেরার পথে টহল কমান্ডার মেজর আশরাফকে বহনকারী প্রথম গাড়িটি মাটিতে পুঁতে রাখা আইইডি বিস্ফোরণে পড়ে। এতে গাড়িটি প্রায় ১৫ ফুট দূরে ছিটকে পড়ে। ঘটনাস্থলেই সৈনিক শরিফ, সৈনিক জাহাংগীর ও সৈনিক জসিম মারাত্মকভাবে আহত হন। ঘটনার পরপর আহত শান্তিরক্ষীদের জরুরি ভিত্তিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। দুর্গম এলাকা, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং ঘন অন্ধকারের মধ্যেও তাদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নেওয়া হয়। মিশন সদর, জাতিসংঘ সদর এবং সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দ্রুততার সঙ্গে ১৪৪ কিলোমিটার দূরে বোয়ারে অবস্থিত মিনুসকা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সময় ৬টা ৩০ থেকে ৭টা ৫ মিনিটের মধ্যে (বাংলাদেশ সময় ১১টা ৩০-১২টা ০৫) কর্তব্যরত চিকিৎসক সৈনিক মো. জসিম উদ্দিন, সৈনিক মো. জাহাংগীর আলম এবং সৈনিক শরিফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।অপর আহত শান্তিরক্ষী মেজর মো. আশরাফুল হক চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল। সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে নিয়োজিত অন্যান্য শান্তিরক্ষীরা নিরাপদে আছেন। শাহাদাৎ বরণকারী সেনাসদস্যদের মৃতদেহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় অপহৃত প্রবাসী বাংলাদেশি সোহেল, মুক্তিপণেও মিলেনি মুক্তি

৫ লাখ টাকা পণ দেওয়ার পরেও মুক্তি পাননি মালয়েশিয়ায় অপহৃত প্রবাসী বাংলাদেশি সোহেল মিয়া (৩৯)। অপহরণের ৯ দিন পার হলেও তার কোনো খোঁজ না পাওয়ায় তাকে উদ্ধারে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবারের সদস্যরা। সোহেল টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দক্ষিণ ধলাপাড়া গ্রামের মরহুম আহমেদ মিয়ার ছেলে। ১৫ বছর ধরে তিনি মালয়েশিয়ায় একটি কারখানায় কাজ করছেন।সোহেলের স্বজনরা জানান,  ২৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় রাত ৯টার দিকে কুয়ালালামপুরের তামিলযায়া এলাকায় নিজ বাসার কাছ থেকে তাকে অপহরণকারীরা তুলে নিয়ে যায়। সোহেলের পাশের ভবনে বাস করা আরেক প্রবাসী বাংলাদেশি মিজান বলেন, 'ঘটনার দিন কাজ থেকে এসে মোবাইলে মায়ের সঙ্গে কথা বলার পর রাত ৯টার দিকে বাসার নিচে যান সোহেল। বাসার নিচ থেকেই অপহরণকারীরা তাকে তুলে নিয়ে যায়।' ২৮ সেপ্টেম্বর সোহেলের বোন জামাই মো. বিল্লাল হোসেন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অন্যদিকে সোহেলের আত্মীয় মালয়েশিয়া প্রবাসী হাশেম আহমেদ গত ২ অক্টোবর জহুর বারু সেলাতান থানায় (বালাই) অভিযোগ দায়ের করেন। থানায় দায়ের করা অভিযোগে পরিবার জানায়, ঘটনার রাত ২টার দিকে সোহেলের বোনজামাই বিল্লালকে মালয়েশিয়ার একটি নম্বর থেকে ফোন করে সোহেল জানায়, অপহরণকারীরা তাকে তুলে নিয়ে গেছে। ৫ লাখ টাকা না দিলে তাকে মেরে ফেলবে। কে বা কারা অপহরণ করেছে, তা বলার আগেই ফোনটি কেটে দেওয়া হয়। পরের দিন সকাল ১০টায় একই নম্বর থেকে আবারও ফোন করে 'দ্রুত টাকা না পাঠালে তারা আমাকে মেরে ফেলবে' বলে জানায় সোহেল। কোথায়, কার কাছে টাকা পাঠাতে হবে? জানতে চাইলে সোহেলের কাছ থেকে ফোন নিয়ে আরেক বাংলাদেশি জনতা ব্যাংক বরিশাল শাখার কুলপাটোয়া পোল্ট্রি ফিডের নামের একটি প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট নম্বর দেয় এবং সেখানে মুক্তিপণ পাঠাতে বলে। সোহেলের বোনজামাই বিল্লাল পরিবারকে ঘটনাটি জানালে তারা ঋণ করে মুক্তিপণের টাকা দ্রুত জোগাড় করে। ২৭ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের ঘাটাইল সামী টেলিকমের মাধ্যমে অপহরণকারীদের দেওয়া জনতা ব্যাংকের ওই অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়া হয়। ওইদিনই অপহরণকারীদের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ৫ লাখ টাকার মানি রিসিট পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অপর প্রান্ত থেকে 'ওকে' লিখে জবাবও দেওয়া হয়। কিন্তু, এরপরও সোহেলের কোনো খোঁজ পায়নি পরিবার ও প্রবাসের স্বজনরা। সেই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরটিও বন্ধ রয়েছে। বিল্লাল বলেন, 'দাবি করা মুক্তিপণ পুরোটা দিয়েও সোহেলের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি।' 'আমাদের ধারণা, ফোনে মুক্তিপণ দাবি করা ওই প্রবাসী বাংলাদেশিই অপহরণের সঙ্গে জড়িত। তবে তার কোনো পরিচয় আমরা নিশ্চিত করতে পারিনি', বলেন তিনি। এ ছাড়াও, মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনে সোহেলকে উদ্ধারে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হচ্ছে বলেও জানান বিল্লাল। জহুর বারুর প্রবাসী বাংলাদেশি মোস্তাফা হোসেইন জানান, জহুরবারু সেলাতান বালাইয়ে (থানায়) অভিযোগ দায়েরের পর মালয়েশিয়া পুলিশ সোহেলকে উদ্ধার করতে চেষ্টা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার (শ্রম) নাজমুস সাদাত সেলিম জানান, অপহরণ বিষয়ে হাইকমিশন অবগত নয়। এখনো পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে হাইকমিশন দ্রুত ব্যবস্থা নিবে।সুত্রঃ দ্য ডেইলি স্টার

post
এনআরবি সাফল্য

তুরস্কে প্রবাসী বাংলাদেশি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

তুরস্কে অধ্যয়নরত স্নাতক, স্নাতকোত্তর, পিএইচডি কোর্সে উত্তীর্ণ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে দেশটির বাংলাদেশ দূতাবাস। স্থানীয় সময় শনিবার রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসের 'বিজয় একাত্তর' মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি কোর্সে উত্তীর্ণদের মধ্যে ৩৯ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মস্যূদ মান্নান কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।শিক্ষার্থী ছাড়াও তুরস্কের বিভিন্ন শহরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে কয়েকজন শিক্ষার্থী ও প্রবাসী বাংলাদেশি বক্তব্য রাখেন। শিক্ষার্থীরা জানান, দূতাবাসের আয়োজনে এভাবে সংবর্ধনা পেয়ে তারা অনেক আনন্দিত। এ ধরনের সম্মাননা মেধা বিকাশের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেবে বলেও শিক্ষার্থীরা মনে করেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মস্যূদ মান্নান অর্জিত শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধের বাংলাদেশ গড়তে অবদান রাখতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি এ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের ভাগ্যবান উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের সুযোগ আছে যা জাতির প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক হবে।' অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মানে কেক কাটা হয়। পরে র‍্যাফেল ড্রয়ে ৭ জন বিজয়ীর মধ্যে ল্যাপটপ, মোবাইল ইত্যাদি পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয়

post
বাংলাদেশ

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশি চিকিৎসক

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) সাবেক শিক্ষার্থী ডা. রায়ান সাদী। তিনি ঢামেকের কে-৪০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। শনিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ডা. দীপু মনি তার ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে ডা. দীপু মনি লিখেছেন, আমাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৪০ ব্যাচের বন্ধু রায়ান সাদী এমডি, এমপিএইচ, চেয়ারম্যান ও সিইও Tevogen Bio, এ বছরের নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। আমরা গর্বিত। সাদীর প্রতি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। সাদী ও তার পরিবারের প্রতি নিরন্তর শুভকামনা। ড. রায়ান সাদী সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের নেতৃত্বে পরিচালিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি- ডব্লিউইউএসটি'র বার্ষিক কনভোকেশনের কি-নোট স্পিকার হিসাবে অংশ নেন। এসময় তিনি তার জীবনের গল্প শোনান। এবং বলেন, একটি লক্ষ্য স্থির করে এগিয়ে গেলে জীবনের যে কোনো অর্জন সম্ভব। ড. রায়ান সাদী হতে পারে সকলের অনুপ্রেরণা, সে সময় বলেছিলেন ডব্লিউইউএসটি'র চেয়ারম্যান ও সিইও ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। ১৯৬৪ সালে ৬ ডিসেম্বর পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তৈয়ব হোসেন ও আসমা বেগম দম্পতির বড় সন্তান তিনি। বাংলাদেশি এ চিকিৎসক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। বর্তমানে টেভোজেন বায়ো কোম্পানির চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন ডা. রায়ান সাদী। তার সহধর্মীনী ডা. জুডি আক্তার এবং একমাত্র কন্যা এমিলি। ডা. রায়ান সাদী কুষ্টিয়া জেলা স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা-বিজ্ঞানে লিডারশিপ, ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে হেলথ পলিসি এবং অর্থনীতিতে উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণ করেন তিনি।

post
বাংলাদেশ

দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য প্রবাসীদের কাজ করতে বললেন হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধাপরাধী এবং বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি, যারা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তাদের দেশে ফিরিয়ে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে।তিনি বলেন, এদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে আমরা বারবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছি।  শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখা, সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ হত্যাকারীদের আশ্রয় দেওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকারের কথা বলছে। তিনি আরও বলেন, খুনিরা এমনকি চার বছরের শিশু ও নারীদেরও রেহাই দেয়নি। তিনি বলেন, সামরিক স্বৈরশাসক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দেশে হত্যা, গুম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও দায়মুক্তির সংস্কৃতির রাজনীতি সূচনা করেছিলেন। বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য কাজ করার পাশাপাশি রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার এবং অপকর্মে লিপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কারণ এর বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চলেছে। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি এই ষড়যন্ত্রের পেছনে ছিলেন। কিন্তু, আমরা সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অবশেষে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছি। তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ায় আঞ্চলিক ও স্থানীয় যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশ ইতোমধ্যে মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। তিনি আবারও জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও সব ধরনের শোষণমুক্ত সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার করেন। সূত্র : বাসস।

post
বাংলাদেশ

বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান আর নেই

একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান আর নেই। তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। বরেণ্য এই সাংবাদিক আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এরআগে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় অসুস্থ হলে তাঁকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।তোয়াব খান সর্বশেষ দৈনিক বাংলার সম্পাদক ছিলেন। তার আগে তিনি দৈনিক জনকণ্ঠের শুরু থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালে একুশে পদক পাওয়া তোয়াব খানের সাংবাদিকতা জীবনের শুরু ১৯৫৩ সালে সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে। ১৯৫৫ সালে যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। ১৯৬১ সালে তিনি দৈনিক সংবাদের বার্তা সম্পাদক হন। এরপর ১৯৬৪ সালে যোগ দেন দৈনিক পাকিস্তানে। দেশ স্বাধীনের পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে বদলে যাওয়া দৈনিক বাংলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তোয়াব খান। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন। তিনি প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন। সাতক্ষীরায় জন্ম তোয়াব খান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন। সে সময় তার উপস্থাপনায় নিয়মিত প্রচারিত হতো ‘পিণ্ডির প্রলাপ’ নামের অনুষ্ঠান।

post
এনআরবি বিশ্ব

'প্রবাসীরা হচ্ছেন বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি'

নিউইয়র্কে প্রবাসীদের সাথে এক মতবিনিময় সমাবেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেন বলেছেন, প্রবাসীরা হচ্ছেন বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় প্রবাসীদের খোঁজ-খবর নেন এবং যে কোন সমস্যার কথা জানামাত্র তা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। আর এভাবেই শেখ হাসিনার সরকারকে ‘প্রবাস-বান্ধব’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সম্প্রতি ৭ বৃটিশ-বাংলাদেশি বিনিয়োগকারিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে জানার পরই আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের সাথে কথা বলেছি। তারা যদি অন্যায়ভাবে হেনস্তা হয়ে থাকেন তাহলে দায়ী ব্যক্তিরা অবশ্যই বিচারের আওতায় আসবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজ খুবই সুখ আর আনন্দের দিন। এমন দিনে আমি আপনাদের সাথে সেই আনন্দ ভাগাভাগি করতে এসেছি। আমরা বাঙালিরা খুব ভাগ্যবান। বঙ্গবন্ধুকে পেয়েছিলাম। তাঁর নেতৃত্বে স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা ভাগ্যবান এজন্য, আজ (২৮ সেপ্টেম্বর) আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। শেখ হাসিনা হচ্ছেন কল্যাণের প্রতীক। এবং উনি (শেখ হাসিনা) আছেন বলেই আমাদের দেশের মানুষের মান-ইজ্জত অনেক উঁচুতে উঠেছে। আমরা প্রার্থনা করবো তিনি যাতে দীর্ঘজীবি হোন, এবং দেশকে যেভাবে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে যাচ্ছেন, তার অব্যাহত থাকলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা রচনার স্বপ্ন, ইনশাআল্লাহ পূরণ হবে। ড. মোমেন বলেন, শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে। উন্নয়নের এই নিরবিচ্ছিন্ন ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৪১ সালের আগেই উন্নত দেশের কাতারে উঠবে বাংলাদেশ। এজন্যে প্রবাসীদেরকে আন্তরিক সহায়তার দিগন্ত অবারিত রাখতে হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের এই অভিযাত্রা থামিয়ে দিতে একটি মহল ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। সে ব্যাপারে দেশপ্রেমিব প্রতিটি প্রবাসীকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসে একটি পার্টি হলে ‘জালালাবাদ এসোসিয়েশন’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রেসিডেন্ট বদরুল খান। সঞ্চালনা করেন সেক্রেটারি মইনুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে মঞ্চে উপবেশন করেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল ড. মনিরুল ইসলাম। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিলেট অঞ্চলের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের আলোকপাতের পাশাপাশি রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেছেন। মতবিনিময়ে অংশগ্রহণকারী বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন এসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলিম, এসোসিয়েশনের সাবেক সেক্রেটারি জুনেদ এ খান, কাজী কয়েস, শেখ জামাল, দেওয়ান বজলু, হাসান আলী, আব্দুর রহিম বাদশা, জামিল আনসারি, রেজাউল আলম অপু, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, আজিমুর রহমান বুরহান, বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, বিয়ানীবাজার সমিতির সাবেক সহ সভাপতি গৌছ খান। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা সাইফুল আলম সিদ্দিকী এবং সমাপনীতে দোয়া অনুষ্ঠিত হয় ইমাম কাজী কায়্যুমের নেতৃত্বে। 

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.