post
শিক্ষা

কম্পিউটারের সাধারণ সমস্যা ও সমাধান ( পর্ব-২ )

কম্পিউটারের সাধারণ সমস্যা ও সমাধান:সমস্যা ০৬: Monitor Screen ঝাপসা। কারণ: ১. Driver Install করা না থাকলে। ২. Setting এ সমস্যা হলে। ৩. Monitor এর ক্যাবলের সমস্যা থাকলে। ১. Driver Install করতে হবে। ২. রেজুলেশন ও এ্যাডভান্স ডিসপ্লে থেকে রিফ্রেস রেট (৬০ হার্টস) ও কালার মোড (৩২ বিট) চেক করুন। ৩. Monitor এর ক্যাবল পরিবর্তন করতে হবে। সমস্যা ০৭: Monitor লেখা / ছবি উল্টে গেছে। কারণ: ১. Setting এ সমস্যা আছে। ২. Ctrl + Alt + arrow key ২. সেটিংস এ গিয়ে রোটেশন অফ করে।  সমস্যা ০৮: Windows 10/11 Hard disk পাচ্ছে না। কারণ: ১. নতুন মডেলের হার্ডডিস্ক। ২. কানেকশনের সমস্যা ৩. হার্ডডিস্ক কন্ট্রোলারের সমস্যা। ১. নতুন মডেল বা ব্রান্ড এর হার্ডডিস্ক এর ড্রাইভার ব্যাবহার করতে হবে। ২. হার্ডডিস্কের সাথে মাদারবোর্ড কানেকশন ঠিক করুন। ৩. বায়োসের সেটিংস এ হার্ডডিস্ক কন্ট্রোল করুন। সমস্যা ০৯: User Account এর Password ভুলে যাওয়া।১. সেফ মুডে কম্পিউটার অন করে পাসওয়ার্ড মুছে দেওয়া। ২. Ctrl + Alt চেপে ধরে দুইবার Delete চেপে Administrator দিয়ে Open করা। সমস্যা ১০: Hard disk Bad sector / দ্রুত নষ্ট হওয়া। কারণ: ১. ঘন ঘন বিদ্যুত চলে যাওয়া। ২. সঠিকভাবে Computer বন্ধ না করা। ১. UPS / IPS ব্যাবহার করতে হবে। ২. যথাযথভাবে Computer বন্ধ করতে হবে। ৩. Logical Bad sector দূর করতে Utility Software use করা। যেমন- Norton utility disk doctor. মো: আলিউল ইসলাম ফ্যাকাল্টি, পিপলএনটেক। কম্পিউটারের সাধারণ সমস্যা ও সমাধান ( পর্ব-১ )

post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপে বাংলা‌দেশ দূতাবাসের সহ‌যো‌গিতায় দে‌শে ফি‌রে‌ছেন প্রবাসী আবুল

মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলা‌দেশ দূতাবাসের সহ‌যো‌গিতায় দে‌শে ফি‌রে‌ছেন গুরুতর অসুস্থ প্রবাসী আবুল কায়েস। শুক্রবার তি‌নি দে‌শে ফি‌রে‌ছেন ব‌লে দূতাবাস এক বার্তায় জানিয়েছে।বার্তায় বলা হয়, গুরুতর অসুস্থ প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী আবুল কায়েসকে দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল থেকে একটি বিমান টিকেট হস্তান্তর করেন হাইকমিশনার এস এম আবুল কালাম আজাদ। জানা গেছে, আবুল কায়েস দীর্ঘদিন ধরে লিভারজনিত রোগে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত শুক্রবার তি‌নি মালদ্বীভিয়ান এয়ারলাইন্সের কিউ২ ৫০২ ফ্লাইট যোগে বাংলাদেশে ফিরেছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে 'বাংলাদেশের সুর' চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে 'বাংলাদেশের সুর' (টিউন অব বাংলাদেশ) শিরোনামে তিন দিন ব্যাপী চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এথেন্সের সাইচিকোর মিউনিসিপ্যাল আর্ট গ্যালারি লেফায় ২১ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি ১৩ জন শিল্পীর চিত্রকর্ম নিয়ে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আসা চিত্রশিল্পীরাও। শিল্পীরা হলেন-কেয়া সুলতানা, সুলতানুল ইসলাম, দিলরুবা লতিফ, সঞ্জীব দাস অপু, মর্জিয়া বেগম, রিফাত জাহান কান্তা, মুক্তি ভৌমিক, শাহীন সোবহানা সুরভী, মুহাম্মদ মেহেদী হাসান, নাজমুন আকতার কাকলী, জিনাত জুরফিকার ছবি, জান্নাত কেয়া ও হাসুরা আকতার রুমকী।বাংলাদেশ ও গ্রিসের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে প্রদর্শনীর আয়োজন করে এথেন্স দূতাবাস। প্রদর্শনী উদ্বোধনী করেন সাইচিকোর ডেপুটি মেয়র এলেনি জেপাউ এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ।এ সময় রাষ্ট্রদূত বলেন, 'বাংলাদেশের শিল্প ও চিত্রকলার একটি সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে এবং এ ধরনের প্রদর্শনী গ্রিক শিল্পপ্রেমীদের তা জানার সুযোগ দেবে।' গ্রিসে ভারতের রাষ্ট্রদূত অমৃত লুগুন, প্রদর্শনীর কিউরেটর ও ইতিহাসবিদ এলিসাভেট গেরোলিমাটোস, ইলাইনেপা-এর সভাপতি অধ্যাপক দিমিত্রিস ভ্যাসিলিয়াদিস এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকসহ আরও অনেকই প্রদর্শনীতে এসেছিলেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- এথেন্স স্কুল অফ ফাইন আর্টসের রেক্টর প্রফেসর নিকোস ট্রানোস, ইউনেস্কো পাইরাস অ্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের গ্রুপের সভাপতি আইওনিস ম্যারোনাইটিস এর ইলাইনেপার সভাপতি অধ্যাপক ড. দিমিত্রিওস ভ্যাসিলিয়াদিসসহ বাংলাদেশের বন্ধুরা। এ ছাড়া বাংলাদেশি শিল্পীদের গ্রিস সফর উপলক্ষে এথেন্স স্কুল অফ ফাইন আর্টসে একটি চিত্রকর্ম কর্মশালায় আয়োজন করা হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

মিশরে দূতাবাস পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি দল

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি প্রতিনিধি দল মিশরে দূতাবাস পরিদর্শন করেছেন। সেনাবাহিনীর এনডিসির ফ্যাকাল্টি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদের নেতৃত্বে ২৫ সদস্যের দলটি সম্প্রতি বাংলাদেশ দূতাবাস পরিদর্শন করেন। এ সময় রাষ্ট্রদূত মনিরুল ইসলাম বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বক্তব্য দেন। একই সঙ্গে তাদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেন তিনি।এর আগে প্রতিনিধি দলটি মিশরের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করেন। শুরুতেই তারা দেশটির বিখ্যাত নাসের হায়ার মিলিটারি একাডেমি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে কায়রোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে এক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। এ সময় অ্যাকাডেমির কমান্ডেন্ট/পরিচালক মেজর জেনারেল আশরাফ মোহাম্মদ ফারেস বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।এমন একটি ফলপ্রসূ সফর আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জেনারেল আশরাফকে ধন্যবাদ জানান। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সফর বিনিময়ের কথা তুলে ধরে মিশর-বাংলাদেশ ঐতিহাসিক সুসম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। অচিরেই দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সব দিক প্রসারিত ও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল মিশরের কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, মিউজিয়াম, ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রিজ কমপ্লেক্সসহ কয়েকটি সামরিক কমান্ড ফোর্স পরিদর্শন করেন।

post
বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে শক্ত পদক্ষেপ নিন: প্রধানমন্ত্রী

জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অব্যাহত দমন-পীড়ন বন্ধে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টির পাশাপাশি সংকটের টেকসই সমাধানে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শক্তিশালী ও বাস্তব ভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে ৫টি পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে নিউইয়র্কের হোটেল লোটে প্যালেসে ‘রোহিঙ্গা সংকট’ বিষয়ে একটি হাই-লেভেল সাইড ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।এতদিনেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন না হওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, একজন রোহিঙ্গাকেও তাদের মাতৃভূমিতে ফিরতে না দেখেই গত মাসে আমরা দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সংকটের ষষ্ঠ বছরে পা দিয়েছি।তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবর্তনের পরিবেশ সৃষ্টিতে জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের বাস্তব পদক্ষেপ এবং প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন।শেখ হাসিনা বলেন, কিছু নির্বাচিত ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা মিয়ানমারের উপর প্রভাব ফেলতে পারে না। সংকট সমাধানে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের রাজনৈতিক সদিচ্ছা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য ও সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি মিয়ানমারের স্বার্থকে বাড়িয়ে তুলছে। বাংলাদেশ মনে করে- রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন এবং একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পেতে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো শক্তিশালী ভূমিকা নেবে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ন্যায়বিচার থেকে দায়মুক্তির বিরুদ্ধে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে যে কোনো উদ্যোগকে সমর্থন করবে। যদিও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ এবং আসিয়ানের বর্তমান ফোকাস মিয়ানমারে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনা- মিয়ানমারের জনগণের জন্য শান্তি ও ন্যায়বিচার আনতে এবং নিজেদের জন্মভূমিতে রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ এই সংস্থাগুলোর শক্তিশালী ভূমিকার জন্য অপেক্ষা করছে।রোহিঙ্গা ইস্যুতে আসিয়ানের শক্ত ভূমিকা প্রত্যাশা করে শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আঞ্চলিক সংস্থা হিসেবে আসিয়ান প্রধান ভূমিকা নিতে পারে। রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিতে রাখাইন রাজ্যের ওপর কফি আনান উপদেষ্টা কমিশনের সুপারিশগুলো সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়নের ব্যাপক প্রচেষ্টা গ্রহণ করা উচিত। বেসামরিক পর‌্যবেক্ষক হিসেবে তাদের অর্থবহ উপস্থিতি স্বেচ্ছায় নিজের মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তনের জন্য রোহিঙ্গাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।  রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ৫টি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এগুলো হলো-১.  রোহিঙ্গাদের রাজনৈতিক ও আর্থিকভাবে সমর্থন করা;২. আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ এবং মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়াকে সমর্থন করা; আন্তর্জাতিক বিচার আদালত, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং জাতীয় আদালতের সামনে কার্যক্রমে সহায়তা করা।৩. জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অব্যাহত দমন-পীড়ন বন্ধে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা;৪.  আসিয়ানের পাঁচ-দফা ঐক্যমতের অধীনে মিয়ানমারকে তাদের প্রতিশ্রুতি মেনে চলতে বলা, দৃঢ়ভাবে বলা।৫. বাধাহীন মানবিক প্রবেশাধিকারের জন্য মিয়ানমার যাতে সম্মত হয় সেই প্রচেষ্টা চালানো।ঐতিহাসিক ভাবে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক সে কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, অষ্টম শতাব্দী থেকে রোহিঙ্গারা আরাকানে বসবাস করছে, যা এখন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য। ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার যখন স্বাধীন হয়, নতুন সরকার কোন কোন জাতিসত্তা নাগরিকত্ব পেতে পারে তা সংজ্ঞায়িত করে নাগরিকত্ব আইন পাস করে। এতে রোহিঙ্গাদের ভিন্ন জাতির বহিরাগত হিসেবে টার্গেট করা হয়েছে। তারপরে ১৯৮২ সালে নতুন একটি নাগরিকত্ব আইন পাস করা হয়েছিল যেটি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে থাকা ১৩৫ জাতিগোষ্ঠীর একটি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।তিনি বলেন, যাইহোক, ১৯৫২ সালে, যখন ইউ নু রাষ্ট্রপতি হন, তিনি তার মন্ত্রিসভায় দুই জন মুসলিম রোহিঙ্গাকে অন্তর্ভুক্ত করেন- বাণিজ্য ও উন্নয়ন মন্ত্রী হিসাবে ইউ রশিদ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রী হিসেবে সুলতান মাহমুদকে। তার পার্লামেন্টে আব্দুল বাশার,  জোহোরা বেগম, আবুল খায়ের, আবদুস সোবহান, রশিদ আহমেদ, নাসিরুদ্দিন এবং দুইজন সংসদীয় সচিব, সুলতান আহমেদ এবং আব্দুল গাফফার নামে ছয়জন মুসলিম রোহিঙ্গা ছিলেন। এটি প্রমাণ করে মুসলিম রোহিঙ্গরা এখনো মিয়ানমারের নাগরিক এবং একজন নাগরিক হিসেবে মুসলিম রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের মন্ত্রিসভা এবং সংসদে থাকতে পারে।রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনই এই সংকটের একমাত্র সমাধান সে কথা পুর্নব্যক্ত করে শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং সেখানেই এর সমাধান রয়েছে। রোহিঙ্গাদের পদ্ধতিগতভাবে বাদ দেওয়া এবং নির্বিচার নিপীড়নের মাধ্যমে মিয়ানমার সরকার ১৯৬০ সাল থেকে রোহিঙ্গাদের অব্যহত ভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে। আজকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বিতাড়িত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকের সংখ্যা ১ দশমিক ২ মিলিয়ন (১২ লাখ) এবং ক্যাম্পে প্রতিদিন নতুন নতুন শিশু জন্ম নিচ্ছে।শান্তিপূর্ণ ভাবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুরু থেকেই বাংলাদেশ আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি টেকসই ও শান্তিপূর্ণ সমাধান চেয়েছে। ২০১৭ সালে গণহারে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনে দুই দেশ তিনটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। প্রত্যাবাসন শুরু করার জন্য  ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে দুটি প্রচেষ্টাও চালানো হয়েছিল। কিন্তু রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় বাছাই করা সেসব রোহিঙ্গারা ফিরতে রাজি ছিল না। তাদের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা, সহিংসতার পুনরাবৃত্তি না হওয়া, জীবিকার সুযোগ এবং নাগরিকত্বের পথ সহ মৌলিক অধিকারের ইস্যুগুলো  তাদের উদ্বেগের কারণ ছিল।তিনি বলেন, অব্যহত ভাবে মিয়ানমার তার অঙ্গীকার অমান্য করায়, ত্রিপক্ষীয় একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চীনের সহায়তায় প্রত্যাবর্তন আলোচনা শুরু করার জন্য বাংলাদেশ বিকল্পের আশ্রয় নেয়। তবে আজ পর‌্যন্ত তেমন কোন অগ্রগতি হয়নি।

post
এনআরবি বিশ্ব

দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বাসরোধ করে প্রবাসী বাংলাদেশিকে হত্যা

দক্ষিণ আফ্রিকায় এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে ডাকাত দল। এরপর তার দোকানও লুট করা হয়। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টার দিকে ইস্টার্নকেপ প্রভিন্সের মাটাটিয়াল শহরের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, নিহত বাংলাদেশির গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানায়। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা করতেন।স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে টিন কেটে কয়েকজন ডাকাত বাংলাদেশি প্রবাসীর দোকানে প্রবেশ করে। ডাকাতদল এসময় মাসুদুর রহমানের গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে। পরে দোকানে থাকা নগদ টাকা ও বিভিন্ন জিনিসপত্র লুট করে চলে যায়। খরব পেয়ে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ এসে মাসুদুর রহমানের মরদেহ নিয়ে যায়। মাসুদুর রহমানের মরদেহটি দেশে পরিবারের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা চলছে বলে জানিয়েছেন সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশিরা।

post
টেক মেন্টর

২৮ সেপ্টেম্বর পিপলএনটেকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিসিএনএ কোর্সের সেমিনার

বাংলাদেশের আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে চাহিদা রয়েছে ব্যাপক । বর্তমানে সময়োপযোগী একটি ক্যারিয়ার বান্ধব প্রফেসনাল কোর্স হলো সিসিএনএ । নেটওয়ার্কিং এর ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী হলে এ কোর্সের বিকল্প নাই। যারা অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্র্রহী না , অফিস চাকুরী যাদের জন্য খুব বেশি প্রয়োজন তাদের জন্য নেটওয়ার্কিং শিখা জরুরী। শুধু নেটওয়ার্কিং শিখলেই হবেনা, সেই সাথে সিসিএনএ সার্টিফিকেটটিও অর্জন করতে হবে। আর এ সার্টিফিকেটটি থাকলে বাংলাদেশে সবচাইতে টপ চাকুরী সেক্টরগুলোতেই(ব্যাংক, টেলিকমিউনিকেশন, টিভি চ্যানেল, কর্পোরেট কোম্পানী) চাকুরীর ব্যাপারে আপনার চাহিদা তৈরি হবে।এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭.০০ টায় আয়োজন করতে যাচ্ছে সিসিএনএ’এর উপর বিশেষ একটি সেমিনার । বাংলাদেশে একমাত্র পিপলএনটেক ই দিচ্ছে রিয়েল ডাটা সেন্টারে প্রফেশনাল CCNA ট্রেনিং বিস্তারিত জানতে অংশ নিন “Cisco Certified Network Associate (CCNA)” বিষয়ক সেমিনারে। সেমিনারে যা থাকছেঃ ১। CCNA কেনো শিখবেন? ২। ক্যারিয়ার হিসাবে CCNA? ৩। CCNA এর কর্পোরেট ডিমান্ড কেমন? ৪। ফিউচারে CCNA ক্যারিয়ার ডিমান্ড? ৫। আন্তর্জাতিক মার্কেটে এই ক্যারিয়ারের গ্রহণযোগ্যতা কেমন? ৬। স্যালারি রেঞ্জ কেমন হয়? অংশ নিতে রেজিস্ট্রেশন করুনঃ https://forms.gle/QhDtuBFUYf5Zv5tZAযোগাযোগ করুনঃ 01799446655, 01885981250 পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটি ১৫১/৭, গুডলাক সেন্টার(৭ম ও ৮ম তলা), পান্থপথ সিগন্যাল, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২০৫ ভিজিট করুনঃ https://www.peoplentech.com.bd

post
এনআরবি সাফল্য

সৌদিতে কোরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ দেশের মধ্যে তৃতীয় বাংলাদেশের তাকরীম

সৌদি সরকারের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত ৪২তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম (১৩)। এর আগে, গত ৫ মার্চ তেহরানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন বাংলাদেশের এই হাফেজ। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে মক্কার পবিত্র হারাম শরিফে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এসময় তৃতীয় স্থান অর্জন করা তাকরীমকে এক লাখ রিয়াল (প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা) পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সৌদি বাদশাহ সালমানের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তার উপদেষ্টা ও মক্কা নগরীর গভর্নর খালেদ আল ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ এবং দেশটির ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. আবদুল লতিফ বিন আবদুল আজিজ আলে শেখসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ। গত ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হয় বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা। চূড়ান্ত পর্ব শেষ হয় বুধবার। এ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১১১টি দেশ থেকে ১৫৩ জন অংশ নেন। চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ ১৫ প্রতিযোগীকে ২৭ লাখ রিয়াল পুরস্কার দেওয়া হয়। হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম ঢাকার মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী মাদরাসার শিক্ষার্থী। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার ভাদ্রা গ্রামে। তার বাবা হাফেজ আব্দুর রহমান মাদরাসার শিক্ষক এবং মা গৃহিণী।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ফিরে ছাদখোলা বাসে সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবল দলের শোভাযাত্রা

নেপাল থেকে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নিয়ে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। বর্ণাঢ্য আয়োজনের অংশ হিসেবে ফুটবলারদের সাদরে বরণ করার জন্য নানা আয়োজন ছিল বিমানবন্দরে। সেখানে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অধিনায়ক সাবিনা খাতুন শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট উৎসর্গ করেছেন দেশের সকল মানুষকে। বুধবার দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বাংলাদেশের মেয়েদের বহনকারী বিমান। তাদেরকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের ক্রীড়া ও যুব প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কর্মকর্তারা। সাফল্য নিয়ে দেশে ফেরার উদযাপনের শুরুতেই মহাসমারোহে কেক কাটেন সাবিনা। এরপর ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয় মেয়েদের। এরপর শিরোপা নিয়ে ছাদখোলা বাসে শোভাযাত্রায় বের হয় নারী ফুটবল দল। রাস্তার চারপাশে সমর্থক জড়ো হয়ে শুভেচ্ছা জানান খেলোয়াড়দের।বিমানবন্দর থেকে মেয়েদের বহনকারী বাস কাকলী, জাহাঙ্গীর গেট, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিজয় সরণি, তেজগাঁও, মৌচাক, কাকরাইল, আরামবাগ, মতিঝিল শাপলা চত্বর হয়ে যায়  বাফুফে ভবনে।প্রথমবারের মতো জেতা সাফের শিরোপাকে দেশের সকল মানুষের অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন সাবিনা, 'আমাদেরকে এত সুন্দরভাবে বরণ করে নেওয়ার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। এখানে আমাদের মন্ত্রী মহোদয় আছেন, ফেডারেশনের কর্মকর্তারা আছেন তাদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশের মেয়েদের, বাংলাদেশের ফুটবলকে আপনারা যে এত ভালোবাসেন, সেজন্য আমরা অনেক অনেক অনেক গর্বিত। সকলকে ধন্যবাদ। সকলে আমাদের জন্য দোয়া করবেন। এই ট্রফি বাংলাদেশের ১৬ কোটি বলুন, ১৮ কোটি বলুন বা ২০ কোটি বলুন, এই সকল মানুষের।' আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা সাবিনা দিয়েছেন আরও এগিয়ে যাওয়ার বার্তা, 'আমরা একটা ভালো ফল করে এসেছি। আমাদের এখন চিন্তা হচ্ছে সামনের দিকে কীভাবে আরও এগিয়ে যাওয়া যায়।' মেয়েদের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখা সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন ২৮ বছর বয়সী অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড, 'অবশ্যই, সবচেয়ে বড় যে প্রাপ্য সেটা আমাদের বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) চেয়ারম্যান কাজী সালাহউদ্দিন স্যারের। উইমেন্স উইংয়ের চেয়ারম্যান কিরণ আপাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মন্ত্রী মহোদয়গণ সহযোগিতা করেছেন। ২০১২ সাল থেকে মেয়েদের ফুটবল ভালোভাবে চলছে এবং গত চার-পাঁচ বছরের যদি সাফল্য দেখেন, মেয়েদের পরিশ্রম দেখেন, সেটারই ফল আমরা পেয়েছি। আমরা আসলে কৃতজ্ঞ সবার প্রতি।'

post
এনআরবি বিশ্ব

পর্তুগালে আবাসন ভোগান্তিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা

আবাসন সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন অভিবাসনের আশায় সম্প্রতি পর্তুগালে পাড়ি জমানো প্রবাসী বাংলাদেশিরা। শুধু একটি বাসা বা কক্ষই নয়, একটি স্থায়ী সিট পেতেও অপেক্ষার যেন শেষ নেই। আর তাই, পর্তুগাল আসার আগেই আবাসন সুবিধা নিশ্চিতে একে অপরের সহযোগিতায় এগিয়ে আসতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন কমিউনিটি নেতারা।করোনা মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব কিছুটা কমে আসায় এ বছর গ্রীষ্মে পর্যটকের ঢল নামে পর্তুগালে। অন্যদিকে, সহজ অভিবাসন, বিনিয়োগের সম্ভাবনা বিবেচনায় বহু বিনিয়োগকারীও বেছে নেন এই দেশটিকে। এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি পর্তুগালে দেখা দিয়েছে চরম আবাসন সংকট। শুধু রাজধানী লিসবনেই নয়, দেশটির অধিকাংশ বড় শহরেও স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খাচ্ছেন অভিবাসীরা। শুধু অভিবাসীরাই নন, তীব্র আবাসন সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরাও। অ্যাপার্টমেন্ট বা রুম তো দূরে থাক, থাকার মতো একটি সিটও মিলছে না কারো। বাধ্য হয়েই থাকতে হচ্ছে হোটেলে বা দৈনিক ভিত্তিতে ভাড়া দিয়ে, যা অনেকের জন্যই বেশ ব্যয়বহুল। আর তাই পর্তুগালে আসার আগে আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের।এদিকে, চলমান এ সংকটে দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের একে অপরের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান কমিউনিটি নেতাদের। লিসবনের কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব জহিরুল আলম জসিম বলেন, আবাসন সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে স্থানীয় বাসাবাড়িগুলোকে হোটেল হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি বাতিল এবং আগামী শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার মতো নানা উদ্যোগ।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.