post
আন্তর্জাতিক

ফাগুনের আমেজে নিউইয়র্কে হয়ে গেলো ফাগুন পিঠা উৎসব

৬১ রকমের পিঠার সমাহার নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ‘ফাগুন ও পিঠা উৎসব’। কুইন্স প্যালেসে ‘শো-টাইম মিউজিক’র বর্ণাঢ্য এ উৎসবে জড়ো হয়েছিলেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রবাসীরা । বিপুল করতালির মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে এ পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন যৌথভাবে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর আবু বকর হানিফ এবং ডেমক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এ্যাট লার্জ এটর্নী মঈন চৌধুরী। হোস্ট সংগঠনের কর্ণধার আলমগীর খান আলমসহ সহযোগিতাকারিরাও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।  এই উৎসবের উপস্থিত ছিলেন খ্যাতনামা এটর্নী ও ডেমক্র্যাটিক পার্টির নেতা মঈন চৌধুরী। দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, কুইন্স কাউন্টিতে ১৯০টি দেশের ৩৬৫টিরও অধিক ভাষার মানুষ বাস করছে। অর্থাৎ বর্ণাঢ্য সংস্কৃতির তীর্থ ভূমি হচ্ছে আমাদের এই কুইন্স। এমন একটি বহুজাতিক সমাজে বাঙালিদের ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরতে শো-টাইম মিউজিকের সকল কর্মকাণ্ডে আমার সহায়তা অব্যাহত থাকবে। পিঠা উৎসবের অন্যতম অতিথির বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রথম ইউনিভার্সিটি ‘ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি’র চ্যান্সেলর আবু বকর হানিফ বলেন, এ উৎসব বাঙালি সংস্কৃতির ধারা ভিন্ন ভাষার মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে সক্ষম বলে মনে করছি। তিনি উল্লেখ করেন, শো-টাইম মিউজিকের কর্ণধার আলমগীর খান আলম নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতি, মূল্যবোধকে আমেরিকার মূলধারায় বিকাশ ঘটাতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। এজন্যে সকলে যেনে তার জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন সেই অনুরোধ জানান।  সোনিয়ার সঞ্চালনায় এ আয়োজনে স্বাগত বক্তব্যে সর্বস্তরের প্রবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান আলমগীর খান আলম। উৎসবে বিকেল থেকে মধ্যরাত অবধি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা এতে পারফর্ম করেন। গেয়ে শুনান জনপ্রিয় বেশ কিছু গান। এই উৎসব আয়োজিনে ছিল শাড়ি-কাপড়ের স্টলও। অর্থাৎ পিঠার আমেজে গৃহিনীরা কেনাকাটাও করেছেন ভিন্ন এক আমেজে। আয়োজকরা জানিয়েছেন সামনে আরও বড় পরিসরে উৎসব আয়োজন করা হবে।

post
আন্তর্জাতিক

উডব্রিজে বিসিসিডিআই বাংলা স্কুলের স্বপ্নের নতুন ভবনের উদ্বোধন

অবশেষে নিজেদের স্বপ্নের ভবন পেলো 'বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভোলপমেন্ট' বিসিসিডিআই বাংলা স্কুল। যেটি যুক্তরাষ্ট্রের ডিএমভি এলাকায় বাংলা স্কুল নামেই সবার কাছে বেশি পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার উডব্রিজে স্থায়ী এই কার্য্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে ২৬ ফেব্রুয়ারি রোববার। উদ্বোধন করেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসে নিযুক্ত রাষ্ট্রদুত মো: ইমরান। সেই সাথে তিনি উদ্বোধন করেন 'হল অব অনার' বোর্ড অর্থাৎ যাদের সহায়তায় দাড়িয়েছে বিসিসিডিআইয়ের নিজস্ব কার্য্যালয় তাদের খোদাই করা নামের তালিকা। আর সবশেষে উদ্বোধনের তালিকায় ছিলো আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ তা হলো একটি লাইব্রেরি।উদ্বোধন করা আগে দুপুর ১২টায় কার্য্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে সকল ভাষা শহীদের প্রতি অর্পণ সম্মান জানান রাষ্ট্রদূত মো: ইমরান। এরপর শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। শুরুতে ভাষা শহীদদের স্মৃতির সম্মানে সবাই দাড়িয়ে এক মিনিট নীরবলতা পালন করা হয়। এরপর সূচনা বক্তব্য রাখেন বাংলা স্কুলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট পঙ্কজ চৌধুরী। সেক্রেটারি রিদওয়ান চৌধুরী ধন্যবাদ জানান, সকল পৃষ্ঠপোষক, শিক্ষক, ছাত্র, অভিভাক, সমর্থকদের যারা শুরু থেকে বাংলা স্কুলকে নানাভাবে সমর্থন দিয়ে এসেছেন। এরপর প্রধান অতিথীর বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত মো: ইমরান বলেন, অত্র এলাকায় সবার কাছে বাংলা স্কুল কতোটা জনপ্রিয় তা তিনি পুরোপুরি অবগত। বাংলা ভাষার চর্চা ও সংস্কৃতিকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে এই প্রতিষ্ঠান যেভাবে উপস্থাপন করছে তার কোন তুলনা হয়না। এই প্রতিষ্ঠানের পাশে সবসময় থাকবেন বলে তিনি বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে তিনজনের প্রতি জানানো হয় বিশেষ কৃতজ্ঞতা। যারা বিসিসিডিআইয়কে সহায়তা করে আসছেন নানাভাবে। আর তাদেরই একজন ভয়েস অব আমেরিকার দীর্ঘ সময় কাজ করা সাংবাদিক মাসুমা খাতুন। যিনি এই কার্য্যালয়ের লাইব্রেরি গড়ে তোলার পেছনে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি ২৫০ বই দিয়ে সহায়তা করেছেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই তাদের মতামত উপস্থাপন করেন। সবশেষে ছিলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গ্রেটার ওয়াশিংটন এলাকায় সাংস্কৃতিক পারফরম্যান্সের জন্য খুবই জনপ্রিয় বাংলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা। রাষ্ট্রদূতের সামনে তারা নানা ধরনের পারফর্ম করেন। ১৯৮৭ সাল থেকে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ সেন্টার ফর ডেভোলপমেন্ট। ফেয়ারফ্যাক্স, আর্লিংটন, প্রিন্স উইলিয়াম কাউন্টির কমিউনিটির নাগরিকদের উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছে। গ্রেটার ওয়াশিংটন মেট্রো এলাকায় বাংলা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বাজায় রাখতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের তরুণদের বিভিন্ন ভাষা শেখানোর জন্য শুরু থেকে কাজ করে আসছে বাংলা স্কুল। এই লম্বা সময়ের পথচলায় সংস্থাটি এতোদিন অস্থায়ীভাবে অন্য জাগয়ায় থেকে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো। কমিউনিটির সবার সহায়তায় ২০১২১ সালে জায়গা কিনে নতুন কার্য্যালয়ের কাজ শুরু করে দেয়। এবং সবশেষে এই কার্য্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করলো বিসিসিডিআউ বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠানটি।

post
আন্তর্জাতিক

দীর্ঘ চার দশক পর ফের বাংলাদেশে মিশন চালু করছে আর্জেন্টিনা

তিন দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো। সোমবার সকাল ৮টায় বিশ্বকাপজয়ী মেসিদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা সফরের শুরুর দিন বিকালে রাজধানীর বনানীতে দেশটির মিশন উদ্বোধন করবেন, যা ৪৫ বছর আগে বন্ধ হয়েছিল। দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় পর ফের বাংলাদেশে মিশন চালু করছে আর্জেন্টিনা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য বলছে, বনানীতে আর্জেন্টিনার মিশন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া ডিপ্লোমেটিক কোরের প্রধানসহ ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি বিভিন্ন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। মিশন উদ্বোধন করার পর সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ওই বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে ফুটবল এবং কৃষিতে সহযোগিতাসহ চারটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি, দুই দেশের কূটনৈতিক প্রশিক্ষণ একাডেমির মধ্যে সহযোগিতাসংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক, ফুটবল সংক্রান্ত বিষয়েও সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। এর বাইরে কৃষি খাতে সহযোগিতার সমঝোতা স্মারক এবং ট্রেড কোঅপারেশন নিয়ে একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ১ মার্চ ঢাকা ছেড়ে নয়াদিল্লি যাবেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো।

post
আন্তর্জাতিক

কানাডায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি নিহত

কানাডায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও একজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কানাডার স্থানীয় সময় সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে টরন্টোর ৪২৭ সাউথবাউনড হাইওয়ে ডানডাস এক্সিটে এ ঘটনা ঘটে।ঢাকা পোস্টের কানাডা প্রতিনিধি আহসান রাজীব বুলবুল জানিয়েছেন, নিহতেরা হলেন শাহরিয়ার খান, এঞ্জেলা বারৈ ও আরিয়ান দীপ্ত। গুরুতর আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন আরেক শিক্ষার্থী কুমার দে। চারজন যাত্রী নিয়ে একটি গাড়ি খুব দ্রুত গতিতে ৪২৭ সাউথ বাউন্ড হাইওয়ে ডানডাস এক্সিটের দক্ষিণ দিকে যাওয়ার সময় এটি র‌্যাম্প ছেড়ে একটি কংক্রিটের প্রাচীরের উপর দিয়ে খাদে গিয়ে পড়ে অন্য কংক্রিটের দেওয়ালে বিধ্বস্ত হয় এবং আগুন ধরে যায়। টরেন্টো ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে গাড়িতে লাগা আগুন নেভান তারা। এরপর ভেতরে আটকে পড়াদের উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ও আহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ি থেকে চারজনকে উদ্ধার করেন। পেছনের সিটে বসা দুজনকে তখনই মৃত ঘোষণা করা হয়। সামনের সিটে বসা শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে ট্রমা সেন্টারে নিয়ে গেলে সেখানে তিনি মারা যান। গাড়ির চালক অপর এক শিক্ষার্থী গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। এ ঘটনায় কানাডার টরন্টোর বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে। এজে/

post
আন্তর্জাতিক

তৈরি পোশাক খাতে নতুন বাজার খুঁজে বের করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

দেশে তৈরি পোশাক খাতে যারা কাজ করেন, তাদের নতুন নতুন বাজার খুঁজে বের করা, পাশাপাশি নতুন নতুন পণ্য উৎপাদনের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের পোশাক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সেই ধরনের নতুন বাজার আমরা খুঁজে বের করতে পারি। ইতোমধ্যে কিছু পাওয়া গেছে।’ মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস-২০২২’ উদযাপন এবং ছয়টি টেক্সাটাইল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। গণভবন থেকে শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তিনি। এসময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের বস্ত্র উৎপাদন ও বিদেশে পাঠানো নিয়ে ঐতিহ্য রয়েছে। মেয়েদের কর্মসংস্থানে নতুন দ্বার উন্মোচন করে এই পোশাক শিল্প। গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নারী এসে যখন কাজ করে, এই কাজের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও তারা বিশেষ অবদান রাখছে। একেকটি পরিবারও আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে পাচ্ছে।’ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রউফ। এজে/

post
আন্তর্জাতিক

সমালোচনা ও বিতর্কের মুখে ‘গরুকে আলিঙ্গনের’ আহ্বান প্রত্যাহার

ভারতে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে ‘গরুকে আলিঙ্গনের‘ আহ্বান জানিয়েছিল দেশটির পশুকল্যাণ বোর্ড। তবে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের মুখে সেই আহ্বান প্রত্যাহার করা হয়েছে।সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, গত বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) গরুকে ভালোবেসে ‘জড়িয়ে ধরার’ অনুরোধ জানিয়ে ভারতের পশুকল্যাণ বোর্ড একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ও বিদ্রূপ-উপহাস চলতে থাকে। এমন অবস্থায় নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পশুকল্যাণ বোর্ড আগের বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। বোর্ডের সেক্রেটারি এস কে দত্ত স্বাক্ষরিত নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যথাযথ কর্তৃপক্ষ এবং মৎস্যসম্পদ ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পশুকল্যাণ বোর্ড ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘গরুকে আলিঙ্গন দিবস’ হিসেবে পালনের যে আহ্বান জানিয়েছিল, তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এর আগে ভালোবাসা দিবসে গরুকে আলিঙ্গন দিবস হিসেবে পালনের জন্য পশুকল্যাণ বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গরুকে জড়িয়ে ধরলে মানসিক সমৃদ্ধি হবে এবং মন খুশি থাকবে। এতে আরও বলা হয়, পাশ্চত্য সংস্কৃতির প্রভাবে দেশীয় রীতিনীতি প্রায় বিলুপ্তির পথে। ভারতীয় সংস্কৃতির মেরুদণ্ড হচ্ছে গরু। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে, জীবনধারণে ও গ্ৰামীণ অর্থনীতির বিকাশে গরুর ভূমিকা অপরিসীম। পাশ্চাত্যনীতি থেকে ভারতবাসীকে সরিয়ে আনতেই এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু এসবের মধ্যেই অনেকে প্রশ্ন তুলছিলেন, গরুকে জড়িয়ে ধরতে গেলে যদি গুঁতিয়ে দেয়? তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটি পরিবর্তন করল ভারত।

post
আন্তর্জাতিক

তীব্র শীতে আফগানিস্তানে মৃতের সংখ্যা ১৬৬ ছাড়িয়েছে

আফগানিস্তানে ভয়াবহ ঠান্ডার কারণে এ পর্যন্ত ১৬৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করে। ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশটিতে এমনিতেই চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। ত্রাণসংকটে পড়ে বিপর্যস্ত আফগানদের জনজীবন। আফগানিস্তানে গত ১০ জানুয়ারি থেকে তাপমাত্রা মাইনাস ৩৩ ডিগ্রিতে নেমে গেছে। ভয়াবহ তুষারপাত আর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছে দেশটির সাধারণ মানুষ।সহায়তাকারী সংস্থাগুলো ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে আগেই বিপদের শঙ্কা করেছিল। তারা জানায়, দেশটিতে ৩ কোটি ৮০ লাখ মানুষের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ক্ষুধার্ত এবং ৪০ লাখ শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে।দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় শনিবার জানায়, গত সপ্তাহে মৃতের সংখ্যা ৮৮ জন ছিল। সেই সংখ্যা এখন ১৬৬। দেশের ৩৪ টি প্রদেশের ২৪ টিতে মানুষের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আব্দুল রহমান জাহিদ এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, বন্যা, বাড়ি গরম করার জন্য গ্যাস হিটার ব্যবহার, আগুন লাগা ও গ্যাস লিকেজের কারণে এসব মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দেশটিতে মারা গেছে প্রায় ৭০ হাজার গবাদিপশু।আরও পড়ুন - তীব্র শীতে আফগানিস্তানে ৭৮ জনের মৃত্যুবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, এ সপ্তাহে উত্তর-পূর্ব বাদাখশান প্রদেশের একটি গ্রামেই শ্বাসকষ্টে ১৭ জন মারা গেছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রাণ সহায়তার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।মার্কিন সেনাদের আফগানিস্তান ত্যাগ ও সশস্ত্র গোষ্ঠী তালেবানের ক্ষমতা গ্রহণের পর দ্বিতীয় শীতকাল পার করছে আফগানরা। আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ ঠান্ডার কারণে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। এক টুইটে তিনি লেখেন, প্রকৃতির ওপর কারও হাত নেই। তবে ঠান্ডায় এমন প্রাণহানি কষ্টের বিষয়। তিনি আরও বলেন, এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তাদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সর্বোচ্চ সাহায্য করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাণহানি রোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। দেশটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটাই নির্ভর করছে তালেবানের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়ার ওপর। যদিও অর্থনীতির চাকা পুনরায় সচল করতে বারবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তালেবান নেতারা।

post
আন্তর্জাতিক

চীনে হুহু করে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ

চীনে হুহু করে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। কাউকে দেশটিতে না ঢোকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ‘যদি এই মুহূর্তে চীনের বাইরে থাকেন, তাহলে ফিরে আসবেন না’—এমনই আহ্বান জানিয়েছেন চীনের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক ব্যবহারকারী।সম্প্রতি চীনে ফিরে কয়েক দিনের মধ্যেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন এই ব্যক্তি। এবং জানিয়েছেন চেনা-পরিচিত সবার করোনা হচ্ছে এবং শরীরে জ্বর। বিধি নিষেধ না মানার কারণেই পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে বলে মত অনেকের। খবরে বলা হয়েছে, করোনা রুখতে চীন সরকারের জারি করা কঠোর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামেন দেশটির বাসিন্দারা। এরপর চলতি বছরের শুরুতে অনেক বিধিনিষেধ তুলেও নেওয়া হয়। এতে ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। পরিস্থিতি এখন এতটাই খারাপ যে দেশটির হাসপাতালগুলো রোগীর চাপ সামলাতে পারছে না। শুধু করোনার ধাক্কাই নয়। বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর নতুন একটি ঘোষণা দেয় ঝেজিয়াং ও আনহুই প্রদেশ এবং চংকিং শহর কর্তৃপক্ষ। ঘোষণা অনুযায়ী, কারও শরীরে যদি করোনার অল্প উপসর্গ থাকে কিংবা কোনো উপসর্গ না থাকে, তাকে কাজে যেতে হবে। গত সোমবার থেকে এই ঘোষণা সংশ্লিষ্ট হ্যাশট্যাগ চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইবোতে ৩ কোটি ৩০ লাখ বারের বেশি ব্যবহার করা হয়েছে। ওই হ্যাশট্যাগ ব্যবহারকারীদের বেশির ভাগই আতঙ্ক ও ভয়ের কথা প্রকাশ করেছেন। যেমন উইবোতে একজন লিখেছেন, ‘গত তিন বছরে আমাদের অফিসে যাওয়ার কোনো প্রস্তুতি ছিল না। হঠাৎ করে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হলো, আর বলা হলো, আপনি অসুস্থ হয়েও কাজে যেতে পারবেন। পিঁপড়ার মতোই আমাদের জীবনেরও যেন কোনো মূল্য নেই।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘মাত্র কয়েক মাস আগেও লোকজন করোনা পজিটিভ হয়ে কাজে গেলে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হতো।’ শরীরে করোনা নিয়ে চীনারা কীভাবে দিন পার করছেন, গত দুই সপ্তাহে এমন সব ভিডিওতে ছেয়ে গেছে দেশটির ইন্টারনেটে। চীনের গণমাধ্যমের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, তরুণ-তরুণীরা তাঁদের অসুস্থ বাবা-মায়ের জন্য খাবার ও পানি নিয়ে যাচ্ছেন। একই বাড়ির মধ্যে থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে অনেককে দেখা গেছে ভিন্ন সব কৌশল বেছে নিতে। অনেকেই আবার ব্যথানাশক ওষুধ কিনে তা পৌঁছে দিচ্ছেন অসুস্থ মানুষের কাছে।

post
আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়ায় গভীর রাতে ভূমিধসে ১৬ জন নিহত

মালয়েশিয়ায় গভীর রাতে ভূমিধসের ঘটনায় ১৬ জন নিহত ও অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। মৃতদের মধ্যে ৫ বছর বয়সী এক শিশু রয়েছে। এদিকে, ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫০ জনেরও বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হলেও, নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৩টার দিকে কুয়ালালামপুরের কাছাকাছি সেলাঙ্গর রাজ্যে ক্যাম্পিং সুবিধাসহ একটি জৈব খামার এলাকায় রাস্তার পাশে ভূমিধসের এ ঘটনা ঘটে।রাজ্যটির দমকল ও উদ্ধার বিভাগ এক বিবৃতিতে জানায়, গভীর রাতে ঘটা ভয়াবহ এ ভূমিধসের কবলে পড়েন অন্তত ৯২ জন মানুষ। তাদের মধ্যে ৫৩ জনকে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়।সেলাঙ্গর রাজ্য দমকল ও উদ্ধার বিভাগের পরিচালক নোরাজাম খামিস বলেছেন, আনুমানিক ৩০ মিটার (১০০ ফুট) উচ্চতা থেকে ভূমিধসের এ ঘটনা ঘটে। ভূমিধসটির ব্যাপ্তি ছিল প্রায় এক একর জায়গাজুড়ে।কুয়ালালামপুরের বাটাং কালি শহরের প্রায় ৫০ কিলোমিটার (৩০ মাইল) উত্তরে গেনটিং হাইল্যান্ডসের জনপ্রিয় পাহাড়ি এলাকার বাইরে বিপর্যয়কর এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির সরকার ও জনগণ। এ এলাকাটি মূলত রিসোর্ট ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। শুক্রবার সকালে মালয়েশিয়ার প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী নিক নাজমি নিক আহমেদ টুইটারে বলেন, আমি প্রার্থনা করছি, যাতে নিখোঁজদের শিগগির অক্ষত অবস্থায় খুঁজে পাওয়া যায়। উদ্ধারকর্মীদের দল শুরু থেকেই কাজ করছে। আমি আজ সেখানে যাচ্ছি।সেলাঙ্গর হলো মালয়েশিয়ার সবচেয়ে ধনী রাজ্য। এর আগেও রাজ্যটির বাসিন্দারা ভূমিধসের শিকার হয়েছেন। এ অঞ্চলে এখন বর্ষা মৌসুম চলছে। তবে সেখানে গত রাতে কোনো ভারি বৃষ্টি বা ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়নি।

post
আন্তর্জাতিক

স্থায়ী শহীদ মিনার পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের পেরিস সিটির প্রবাসী বাংলাদেশিরা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের পেরিস সিটির প্রবাসী বাংলাদেশিরা পেল স্থায়ী শহীদ মিনার। শহরের একটি পাবলিক হলের সামনের পার্কে ১ লাখ ৮৭ হাজার মার্কিন ডলার ব্যয়ে স্মৃতিস্তম্ভটি নির্মাণ করেছেন সিটি কাউন্সিল।আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' উপলক্ষে প্রবাসীরা ছাড়াও শহরের ভিনদেশিরা প্রভাতফেরিসহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন স্থায়ী এ বেদিতে।বাংলাদেশিদের আবেদনে সাড়া দিয়ে সিটি মেয়রের আন্তরিক উদ্যোগে গড়ে উঠেছে বাঙালির সংগ্রাম, আত্মত্যাগ আর অহংকারের প্রতীক এ শহীদ মিনার।বাংলাদেশ কমিউনিটি সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালে ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ ডে ইনক. সংগঠনের ব্যানারে প্রবাসী বাংলাদেশিরা স্থায়ীভাবে শহীদ মিনারের আর্জি জানিয়ে সিটি মেয়র মাইকেল এম ভার্গাসের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করে। পরে এ নিয়ে মেয়রের সঙ্গে বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় বৈঠকে শহীদ মিনারের একটি নকশা (কাঠের তৈরি শহীদ মিনার) উপস্থাপন করা হয়। বাংলাদেশি কমিউনিটি আবেদন ও উপস্থাপনায় মেয়র আগ্রহী হন এবং প্রচলিত রীতিতে সিটি কাউন্সিলের অর্থায়নে স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণের ঘোষণা দেন। বৈঠকে 'ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ ইনক. এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কমিউনিটি নেতা মোহাম্মদ খলিলুর রহমান রাজু, বর্তমান সভাপতি শহীদ আহমেদ মিঠু, সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল শাহীন, সহসভাপতি টিটো ইসলাম, অ্যাম্বাসেডর শওকত আলম, কনভেনর সাঈদ হিমু, জনসংযোগ সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল, উপদেষ্টা সাইফুর ওসমানী জিতু, ইসমাইল হোসেন এবং মোহাম্মদ আলী উপস্থিত ছিলেন। মো. খলিলুর রহমান রাজু বলেন, 'মেয়রের আন্তরিকতার কারণে খুব দ্রুত উদ্যোগ নেয় সিটি কাউন্সিল। গত সেপ্টেম্বরে শুরু হয় নির্মাণ কাজ এবং ৩ মাসের মধ্যে কাজ শেষ হয়।' গত ২ ডিসেম্বর মেয়র মাইকেল এম ভার্গাস ও লস এঞ্জেলেসে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল সামিয়া আঞ্জুমসহ বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রতিনিধি দল শহীদ মিনারটি সরেজমিন পরিদর্শন করে। এ সময় মেয়র মাইকেল এম ভার্গাস বলেন, 'মাতৃভাষার জন্য সংগ্রামের পথ বেয়ে বাঙালিরা স্বাধীন একটি ভূখণ্ড লাভ করেছেন-এটি ইতিহাসে বিরল ঘটনা। বাঙালির এই ত্যাগের কথা সকল ভাষাভাষী মানুষকে জানানোর প্রয়োজন রয়েছে ভীষণভাবে। এই শহীদ মিনার হয়ে উঠবে সে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।' 'এ ছাড়া এটি পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে নির্মিত হওয়ায় ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের কৌতুহলের অবসানও ঘটাতে সক্ষম হবে', তিনি বলেন। বাংলাদেশ কমিউনিটি নির্মাণ কাজে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এমন উদ্যোগের জন্য মেয়র ও সিটি কাউন্সিলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.