post
আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে ১১ লাখ কোটা অনুমোদন

মালয়েশিয়ায় ছয়টি খাতে বিদেশী কর্মী নিয়োগে ১১ লাখ ৩৬ হাজার ২২টি কর্মসংস্থান কোটা অনুমোদন করেছে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে উৎপাদন খাতে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ১০৬টি, নির্মাণ খাতে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৮৯৯টি, সেবা খাতে ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৯০টি, আবাদে ৮৫ হাজার ৬৭৮টি, কৃষিতে ৪৯ হাজার ৪৭৩টি এবং খনি ও খনন খাতে ৩৭৬টি কোটা অনুমোদন করা হয়েছে।মোট কোটার মধ্যে ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৫৯০টি বা ৪১ শতাংশ চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রণালয়। গত শুক্রবার (১৬ জুন) দেওয়ান রাকায়াতে (জাতীয় সংসদ) প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য লিম লিপ ইঞ্জির (পিএইচ-কেপং) এক প্রশ্নের জবাবে মালয়েশীয় মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি শিবকুমার এসব তথ্য জানান।শিবকুমার বলেন, নিয়োগকর্তাদের মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের প্রবেশ প্রক্রিয়ার দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, দেশের স্বার্থ ও খ্যাতি যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতে নিয়োগকর্তাদের মাধ্যমে শ্রমের মানদণ্ড মেনে চলার দিকেও নজর রাখছে মালয়েশিয়া সরকার।এদিকে, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র বলছে, দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ২৭ হাজার ৭৫৯ জন নতুন কর্মী নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২ জুন পর্যন্ত ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৩২৮ কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন করেছে হাইকমিশন। আর মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন (২ জুন পর্যন্ত) ১ লাখ ৬৩ হাজার ৪০৩ কর্মী। এছাড়া সত্যায়ন করা ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯২৫ কর্মী বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর অপেক্ষায় রয়েছেন।২০২২ সালের ৮ আগস্ট বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ার পর শুরুতে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়ার গতি কিছুটা কম থাকলেও চলতি বছরের প্রথম থেকেই পুরোদমে কর্মী যাচ্ছে দেশটিতে। এর মধ্যে, জানুয়ারিতে গেছেন ২৪ হাজার ৯৯৪ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২৯ হাজার ৩২০ জন, মার্চে ২৮ হাজার ৫৮৯ জন এবং এপ্রিলে গেছেন ১৮ হাজার ৫৬৫ জন কর্মী।সব মিলিয়ে গত পাঁচ মাসে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৫৮ জন বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় পাড়ি দিয়েছেন বলে বিএমইটির বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্পর্কিত পরিসংখ্যান সূত্রে জানা গেছে।

post
আন্তর্জাতিক

গত বছর রেকর্ডসংখ্যক বিদেশি নাগরিকত্ব পেয়েছে জার্মানিতে

জার্মানিতে গত বছর রেকর্ডসংখ্যক বিদেশি নাগরিকত্ব নিয়েছেন। গত ২০ বছরের মধ্যে এ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সরকারের হিসাব বলছে, ২০২২ সালে বিশ্বের ১৭১টি দেশের ১ লাখ ৬৮ হাজার ৫৪৫ জন জার্মানির নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। এ সংখ্যা আগের বছর, অর্থাৎ ২০২১ সালের তুলনায় ২৮ ভাগ বেশি। নাগিরকত্ব পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন সিরীয়রা। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি থেকে আসা যেসব ব্যক্তি জার্মানির নাগরিকত্ব নিয়েছেন, তাঁদের গড় বয়স ২৫ বছর (২৪ দশমিক ৮)। তাঁদের দুই-তৃতীয়াংশই পুরুষ। নাগরিকত্ব পাওয়ার আগে তাঁরা গড়ে সাড়ে ছয় বছরের মতো (৬ দশমিক ৪) দেশটিতে অবস্থান করেছেন। জার্মানির নাগরিকত্ব গ্রহণের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ইউক্রেনীয়রা। রাশিয়ার হামলা শুরুর পর হাজার হাজার ইউক্রেনীয় দেশ ছাড়েন। তাঁদের একটি অংশ জার্মানিতে আশ্রয় নেয়। ২০২২ সালে জার্মান নাগরিকত্ব পাওয়া অভিবাসীদের মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যের আরেক যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইরাক থেকে আসা অভিবাসীরা। আর চতুর্থ অবস্থানে আছেন তুর্কিরা। ইন্টিগ্রেশন ও মাইগ্রেশন বিভাগের বিশেষজ্ঞ ইয়ান শ্নাইডার জানান, নাগরিকত্ব পাওয়া সিরীয়দের অর্ধেক ছয় বছরেই জার্মানির নাগরিকত্ব পেয়েছেন। এর কারণ হলো, তাঁরা জার্মান সমাজে একীভূত হতে পারার প্রমাণ দেখাতে পেরেছেন। শ্লাইডারের মতে, সিরীয়দের জার্মান নাগরিকত্ব চলতি বছর আরও বাড়বে। কারণ, ক্ষমতায় থাকা বর্তমান জোট সরকার নাগরিকত্ব আইন সহজ করার কাজ করছে। বর্তমানে জার্মান নাগরিত্ব পেতে প্রার্থীকে আট বছর জার্মানিতে অবস্থান করার এবং জার্মান ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ (বি১ লেভেল) দেখাতে হয়। পাশাপাশি নাগরিকত্বের জন্য একটি বিশেষ লিখিত পরীক্ষায় পাস করতে হয়। এ ছাড়া রাষ্ট্রের সাহায্য ছাড়া চলার মতো অর্থনৈতিক সামর্থ্য থাকা এবং কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকার বিধান রয়েছে। তবে বর্তমানে দেশটিতে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি থাকায় নাগরিত্ব আইন সংশোধনের চেষ্টা করছে ওলাফ শলৎজের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোট সরকার। নাগরিকত্ব আইন সহজ করা হলে তা দক্ষ বিদেশি কর্মীদের দেশটিতে অভিবাসী হতে উৎসাহিত করবে বলে সরকার মনে করছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ন্যান্সি ফেসারের প্রস্তাবিত নতুন নাগরিকত্ব আইনে তিনটি বড় পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে। প্রস্তাবিত নতুন আইনে, আট বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর জার্মানিতে বৈধভাবে বসবাসের পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যাবে। এ ছাড়া সমাজে বিশেষভাবে একীভূত হওয়ার প্রমাণ দেখাতে পারলে তিন বছর বসবাসের পরই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। জার্মানিতে জন্ম নেওয়া শিশুর মা অথবা বাবার মধ্যে একজন যদি দেশটিতে পাঁচ বছর বৈধভাবে বসবাস করে থাকেন, তাহলে সেই শিশু জার্মানির নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হবে। এ ছাড়া দ্বৈত নাগরিকত্ব রাখার সুবিধাও নতুন আইনে রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

post
আন্তর্জাতিক

গত বছর বাংলাদেশিরা ১৫ লাখ ভারতীয় ভিসা পেয়েছে,যা বিশ্ব রেকর্ড

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের কথা এলে ভিসার বিষয়টি সামনে চলে আসে। ব্যবসায়ীরাও ভিসা নিয়ে অনেক সময় কথা বলে থাকেন। তবে তাঁরা ভিসা পাচ্ছেন না, এমন কিন্তু হচ্ছে না। তবে আরও দ্রুত ও সহজে ভিসা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভিসাকেন্দ্রের সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলছে, এ কথা জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, গত বছর বাংলাদেশিদের জন্য ১৫ লাখের বেশি ভারতীয় ভিসা দেওয়া হয়েছে, যা ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে একটি রেকর্ড। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) দ্বিতীয় প্রান্তিকের মধ্যাহ্নভোজ সভায় অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে দ্রুত ও সহজে ভিসাপ্রাপ্তির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। সে জন্য শুধু ভিসার আবেদন গ্রহণের জন্য ভিসাকেন্দ্রের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে, তা-ই নয়, বরং চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত ভিসাপ্রাপ্তি যাতে নিশ্চিত হয়, তা নিয়েও কাজ করা হচ্ছে। এটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’ বহুমাত্রিক যোগাযোগব্যবস্থার মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি বলেন, স্থলবন্দরগুলোকে আরও কার্যকর করা ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কলকাতা ও দিল্লির বিমানবন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির পদক্ষেপ ও বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের পারস্পরিক বিনিয়োগ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে বলে মনে করেন তিনি। সভায় স্বাগত বক্তব্যে এমসিসিআই সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিতে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে বিশেষ ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের প্রচলন করা যেতে পারে। এ বিষয় নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি রুপি ও টাকায় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য করার বিষয়েও দ্রুত সিদ্ধান্তে আসা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন এমসিসিআই সভাপতি। অনুষ্ঠানে অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, ভারতীয় মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটের (বিএসটিআই) যোগসূত্র স্থাপন করা যেতে পারে, যার মাধ্যমে ভারতে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে এ দেশ থেকেই মান যাচাই করা যাবে। এটা করা গেলে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি বাড়বে বলে মনে করেন তিনি। অনুষ্ঠানে এমসিসিআইয়ের সহসভাপতি হাবিবুল্লাহ এন করিমসহ ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

post
আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গ্রেপ্তার

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ইসলামাবাদ হাইকোর্ট চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী পাক রেঞ্জার্স। ইসলামাবাদ পুলিশের মহাপরিদর্শক আকবর নাসির খান সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। পুলিশের শীর্ষ ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ইমরান খানকে কাদির ট্রাস্ট মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।তিনি বলেছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সহিংসতা চালানোর চেষ্টা হলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। এদিকে, ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের এই ঘটনার পরপরই ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আমির ফারুক ইসলামাবাদ পুলিশের মহাপরিদর্শক, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলকে তলব করেছেন। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেপ্তারের পেছনে কারা আছেন এবং কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা অবিলম্বে হাইকোর্টকে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। আমির ফারুক বলেছেন, এই ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমনকি সেটা যদি মন্ত্রীদের বিরুদ্ধেও হয়।দেশটির আরেক সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ বলছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে গ্রেফতার করেছে পাক রেঞ্জার্স। দেশটির বহুল আলোচিত আল-কাদির ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানিতে অংশ নিতে যাওয়ার সময় ইসলামাবাদ হাইকোর্ট চত্বর থেকে পিটিআই চেয়ারম্যানকে হেফাজতে নিয়েছে পাক রেঞ্জার্স। তার বিরুদ্ধে নথিভুক্ত একাধিক এফআইআরে জামিন চাওয়ার জন্য আদালতে গিয়েছিলেন তিনি। জিও নিউজ বলেছে, সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে কালো ভিগো গাড়িতে করে নিয়ে গেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী।

post
আন্তর্জাতিক

‘আকাশপথে পরিবহনে অংশীদারত্ব’ প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের যৌথ ঘোষণা সই

এয়ারবাস থেকে যাত্রী ও পণ্যবাহী উড়োজাহাজ কেনাসহ বাংলাদেশের আকাশপথে পরিবহন খাতের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য ‘আকাশপথে পরিবহনে অংশীদারত্ব’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে একটি যৌথ ঘোষণা গতকাল শুক্রবার লন্ডনে সই হয়েছে।এটি সইয়ের ফলে বাংলাদেশ এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার জন্য সহজ শর্তে যুক্তরাজ্যের সরকারি ঋণদান সংস্থা ইউকে এক্সপোর্ট ফাইন্যান্স স্কিম থেকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণসুবিধা পেতে পারে। লন্ডনে যুক্তরাজ্য হাইকমিশন আজ শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং যুক্তরাজ্যের পক্ষে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগবিষয়ক মন্ত্রী লর্ড ডমিনিক জনসন যৌথ ঘোষণায় সই করেন। এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্যদূত সংসদ সদস্য রুশনারা আলী উপস্থিত ছিলেন। যৌথ ঘোষণা সইয়ের পর যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগবিষয়ক মন্ত্রী লর্ড ডমিনিক জনসন বাংলাদেশের আকাশপথে পরিবহন খাতকে শক্তিশালী করার জন্য যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। আকাশপথে পরিবহনের একটি কার্যকর অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের এই খাতের শিল্পকে শক্তিশালী করা হবে এবং উভয় দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের আকাশপথে পরিবহনশিল্পের বিকাশের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য ও এয়ারবাসের অন্য ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার হওয়ার কথা। বাংলাদেশ এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার জন্য সহজ শর্তে ইউকে এক্সপোর্ট ফাইন্যান্স স্কিম থেকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণসুবিধা পেতে পারে। যৌথ ঘোষণা স্বাক্ষরের পর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এ উদ্যোগের ফলে এয়ারবাস ও বাংলাদেশ বিমানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। যার মাধ্যমে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানির এবং ইইউ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হতে পারে।

post
আন্তর্জাতিক

বাইকে বসে প্রকাশ্যেই চলছিল ‘রোমান্স’ শাস্তি দিল পুলিশ

ব্যস্ত রাস্তায় বাইক চালাচ্ছে এক তরুণ। আর মুখোমুখি কোলের ওপর বসে তাকে জড়িয়ে ধরে রয়েছেন এক তরুণী। ওই অবস্থায় প্রকাশ্যেই চলছিল ‘রোমান্স’, সঙ্গে বাইক নিয়ে কেরামতিও। এমন দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন পথচারীরা। তাদের মধ্যেই কেউ একজন সেই ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করেন। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হতেই ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিওটি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর অনুসারে, গত বুধবার (২৭ এপ্রিল) রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তীসগঢ়ের বিলাসপুরে। ভাইরাল ভিডিওটি দেখে শেষপর্যন্ত অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ। এসময় জরিমানার পাশাপাশি কানে ধরিয়ে সতর্ক করা হয় তাকে।বৃহস্পতিবার বিলাসপুর ট্রাফিকের ডেপুটি পুলিশ সুপার সঞ্জয় কুমার সাহু বলেন, আমাদের কাছে একটি ভিডিও এসে পৌঁছায়। সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক তরুণ ও এক তরুণী চলন্ত বাইকে ‘রোমান্স’ করছে। ট্রাফিক আইনের তোয়াক্কা না করে এমন কাণ্ড ঘটানোয় এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি সিভিল লাইন এরিয়ার ইমলিপাড়া রোডের। ডিএসপি বলেন, বাইকের নম্বর দেখে এর মালিকের খোঁজ পায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় ডেকে পাঠানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সেই যুবক জানান, গাড়িটি তার হলেও ঘটনার সময় হর্ষ তিওয়ারি নামে এক বন্ধু চালাচ্ছিলেন। তার কাছ থেকে হর্ষের বাড়ির ঠিকানাও পায় পুলিশ। পরে তাকে ডেকে পাঠানো হয়।১৯ বছর বয়সী হর্ষ কাওয়ার্ধার বাসিন্দা। কলেজে পড়াশোনা করছেন তিনি। পাশাপাশি, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে ভারতের মোটর ভেহিকল আইনে আটক করা হয় হর্ষকে। বিলাসপুর পুলিশের টুইটার হ্যান্ডেলে শেয়ার করা ভিডিওতে বাইকচালক যুবককে কান ধরে ক্ষমা চাইতে দেখা গেছে। বাইকের মালিককে ৮ হাজার ৮০০ রুপি জরিমানা করা হয়েছে। তবে রোমান্সে অংশ নেওয়া হর্ষের বান্ধবীর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি পুলিশ।চলন্ত বাইকে বিপজ্জনকভাবে রোমান্স করার জন্য আটকের ঘটনা ভারতে এর আগেও ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু ভিডিও ভাইরালও হয়েছিল অতীতে।গত বছরের ডিসেম্বরে চলন্ত বাইকে বিপজ্জনকভাবে বসে আলিঙ্গন করায় গ্রেফতার হন দুই তরুণ-তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছিল বিশাখাপত্তনমে। ব্যস্ত রাস্তায় ওই কাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর যুগলকে গ্রেফতার করে স্থানীয় পুলিশ।চলতি বছরের জানুয়ারিতে লখনৌতেও একই ধরনের ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। এতে জড়িত ২৩ বছরের এক যুবককে গ্রেফতার করে ‍পুলিশ। তবে সঙ্গে থাকা মেয়েটি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

post
আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়িয়েছে

বহুল আলোচিত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়িয়েছে। এছাড়া প্রতিদিন প্রচুর সংখ্যক শ্রমিক নিয়োগের চাহিদা বাংলাদেশ হাইকমিশনের অনলাইন পোর্টালে জমা হচ্ছে।শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) মাই মিডিয়া হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার।তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় তিন লাখ ৮০ হাজার নতুন শ্রমিক নিয়োগের চাহিদা হাইকমিশনের পোর্টালে জমা হয়েছে এবং প্রতিদিন নতুন চাহিদা জমার ধারা অব্যাহত আছে। এমনকি শুক্রবার প্রায় তিন হাজার নতুন শ্রমিকের চাহিদা হাইকমিশনের পোর্টালে জমা পড়েছে।হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, এরই মধ্যে প্রায় দুই লাখ ৬০ হাজার শ্রমিক নিয়োগের চাহিদা সত্যায়িত করেছে হাইকমিশন এবং প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার নতুন কর্মী মালেয়েশিয়া এসে পৌঁছেছেন।তিনি আরও বলেন, হাইকমিশনে চাহিদা সত্যায়ন প্রক্রিয়া যথাসম্ভব দ্রুততার সঙ্গে চলমান আছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ মালয়েশিয়ায় প্রায় পাঁচ লাখ নতুন বাংলাদেশী কর্মী কর্মসংস্থানের অনুমোদন পাবেন।২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার পর গেলো বছরের ৮ আগস্ট থেকে কর্মী যাওয়া শুরু হয় মালয়েশিয়ায়। সেই থেকে নিয়মিত কর্মী যাচ্ছে দেশটিতে। শুরুতে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠানোর অনুমোদন পায়। এরপর আরও দুই দফায় ৭৫ এজেন্সিকে অনুমোদন দেয় মালয়েশিয়া সরকার। সব মিলিয়ে এখন ১০০ রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠাচ্ছে দেশটিতে।

post
আন্তর্জাতিক

সাংবাদিক সেজে সাবেক সংসদ সদস্যকে গুলি করে হত্যা

ভারতের সাবেক পার্লামেন্ট সদস্য আতিক আহমেদ এবং তাঁর ভাই আশরাফকে গত শনিবার সাংবাদিক সেজে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। উত্তর প্রদেশের প্রায়াগরাজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ক্যামেরার সামনে এ দুই ভাইকে গুলি করা হয়। এ ঘটনায় তিন হামলাকারীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। এই তিনজনের নাম আগে থেকেই পুলিশের করা অপরাধীর তালিকায় ছিল। ‘গ্যাংস্টার’ থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া আতিক আহমেদ এবং তাঁর ভাই আশরাফ ২০০৬ সালের এক অপহরণের মামলায় কারাগারে ছিলেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত শনিবার তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। হাসপাতালে যাওয়ার পথে হাতকড়া পরা অবস্থায় তাঁরা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ভিড়ের মধ্যে সাংবাদিক সেজে ছিলেন বন্দুকধারীরা। তাঁরা ওই দুই ভাইয়ের মাথায় গুলি করেন। পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আতিকের ছেলে নিহত হওয়ার কয়েক দিনের মাথায় এমন ঘটনা ঘটল। এ ঘটনায় তিন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন লাভলেশ তিওয়ারি, সানি সিং ও অরুণ মৌর্য। লাভলেশ তিওয়ারির আগেও কারাদণ্ড হয়েছিল। তাঁর বাবা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ছেলেকে নিয়ে তাঁদের কোনো মাথাব্যথা নেই। লাভলেশের বাবা ইয়াগিয়া তিওয়ারি বলেন, ‘ও আমার ছেলে। টিভিতে আমরা ঘটনাটি দেখেছি। লাভলেশের কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে আমাদের জানা নেই বা এ নিয়ে আমাদের কিছু করার নেই। ও কখনোই এখানে থাকেনি। আমাদের পারিবারিক কোনো কাজের সঙ্গে ওর সম্পৃক্ততা নেই। ও আমাদের কখনোই কিছু বলেনি। পাঁচ-ছয় দিন আগে এখানে এসেছিল। কয়েক বছর ধরে তার সঙ্গে আমাদের কথা হয়নি। তার বিরুদ্ধে আগেই একটি মামলা ছিল। সে মামলায় ও কারাগারে ছিল।’ ইয়াগিয়া তিওয়ারি আরও বলেন, ‘ও কাজকর্ম করে না। মাদকাসক্ত সে। আমাদের চার সন্তান। এ ব্যাপারে আমাদের কিছুই করার নেই। সানির বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা আছে। অপরাধীর তালিকায় নাম ওঠার পর থেকে তিনি পলাতক আছেন। তাঁর বাবা মারা গেছেন। উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তির ভাগটুকু বিক্রি করে বাড়ি ছেড়েছিলেন তিনি। পাঁচ বছর ধরে সানি বাড়ি আসেনি। মা ও ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করেনি। তাঁর ভাই চায়ের একটি দোকান চালায়। সানি সিংয়ের ভাই পিন্টু সিং বলেন, ‘ও এখানে–সেখানে ঘুরে বেড়াত, কাজ করত না। আমরা আলাদা থাকতাম। ও কীভাবে অপরাধী হয়ে উঠল, তা আমাদের জানা নেই। ঘটনাটির ব্যাপারেও আমাদের জানা নেই। অপর বন্দুকধারী অরুণ বাড়ি ছেড়েছেন শৈশবে। ২০১০ সালে ট্রেনে এক পুলিশ সদস্যকে হত্যার ঘটনায় আসামির তালিকায় তাঁর নাম আছে। দিল্লির একটি কারখানায় তিনি কাজ করতেন। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে বলেছে, তাঁরা কুখ্যাত অপরাধী হতে চেয়েছিলেন। এ কারণে আতিককে খুন করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, পুলিশ এখনো তাঁদের জবানবন্দিকে বিশ্বাস করেনি। তাঁদের জবানবন্দিতে ফাঁক আছে। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। সূত্র বলছে, গতকালের ঘটনার পর যোগী আদিত্যনাথ সরকার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব এবং মুখ্যমন্ত্রী সঞ্জয় প্রসাদের সঙ্গে উত্তর প্রদেশ পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর এই প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

post
আন্তর্জাতিক

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন, এমপি, উদীয়মান বাংলাদেশ এবং এর আর্থসামাজিক অর্জনের বিষয়ে ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘আটলান্টিক কাউন্সিল’-এর সাউথ এশিয়া সেন্টার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও সম্ভাবনা, অর্থনৈতিক কূটনীতি, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং প্রধান শক্তিগুলির সাথে সম্পর্ক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি চমৎকার আর্থসামাজিক অগ্রগতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের অসাধারণ সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন। পরে তিনি কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া কেন্দ্রের সিনিয়র ডিরেক্টর প্রফেসর ডঃ ইরফান নুরুদ্দিনের সঞ্চালনায় একটি প্রাণবন্ত প্রশ্ন-উত্তর পর্বে অংশ নেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ওয়াশিংটন ডিসিতে ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।সভায় অংশ নিয়ে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট, এর নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন। আইআরআই কর্মকর্তারা বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে তাদের আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন যা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। ইনস্টিটিউটের সভাপতি ড্যানিয়েল টুইনিং সভা সঞ্চালনা করেন। এ দুটি অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ ইমরান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (উত্তর আমেরিকা) জনাব খন্দকার মাসুদুল আলম এবং ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন ভার্জিনিয়ায় বাংলাদেশি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডব্লিউইউএসটি) পরিদর্শন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে এমন একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট হাসান কারাবুর্ক এবং চ্যান্সেলর ও প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বক্তব্য রাখেন। এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

post
আন্তর্জাতিক

ভারতে সামরিক ঘাঁটিতে গোলাগুলি, ৪ সেনা নিহত

ভারতের উত্তরাঞ্চলের পাঞ্জাব রাজ্যের ১টি সামরিক ঘাঁটির ভেতর 'গোলাগুলির ঘটনায়' ৪ জন নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স ভারতীয় সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।সেনাবাহিনীর বিবৃতি মতে, ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের স্থানীয় সময় ভোর ৪টা বেজে ৩৫ মিনিটে। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, দায়ী ব্যক্তিদের খোঁজে 'সার্চ অপারেশন' চলছে। পুরো এলাকাটি বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। এ বিষয়ে পরবর্তীতে আরও তথ্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.