post
বাংলাদেশ

‘হাসিনার আমলে দুর্নীতিবাজদের উন্নয়ন হয়েছে’

শেখ হাসিনার আমলে দুর্নীতিবাজদের উন্নয়ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টনে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় মহিলা দলের আয়োজনে মিলাদ মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন। দেশে যেই অপরাধ করুক তার বিচার হওয়া উচিত—এ কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, সরকার পাচারকারী, ভূমিদস্যু, দুর্নীতিবাজদের পক্ষে কথা বলছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে বিএনপি এ নেতা বলেন, সরকার ভারতের কাছে সার্বভৌমত্ব বিক্রি করে দেয়ার চুক্তি করেছে। এছাড়া খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে খাবারের মধ্যে ওষুধ দিয়ে অসুস্থ করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।

post
বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করে

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা দলের চেয়ে নিজেকে বড় মনে করেছেন এবং দল ছেড়ে গেছেন তারা ভুল করেছেন। আওয়ামী লীগে থাকা অবস্থায় তারকা থাকলেও পরবর্তীতে সে তারা আর জ্বলেনি, নিভে গেছে। রোববার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হককে স্মরণ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বাঙালির সব অর্জনেই আওয়ামী লীগ আছে। জন্ম থেকে আওয়ামী লীগের প্রতিটি পদক্ষেপের কারণেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সবসময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিল সংগঠনটি। কিন্তু বারবার এই দলকে আঘাত করা হয়েছে, নিশ্চিহ্নের চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু যতবার এই আঘাত এসেছে ততবারই ফিনিক্স পাখির মতো জেগে উঠেছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা সন্ত্রাসবাদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্ত্রের ঝনঝনানি, দুর্নীতি করেছে। তারা জনগণের শক্তি ভুলে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করে। তিনি বলেন, আজ বাঙালির যতটুকু অর্জন, এই অর্জনগুলো আওয়ামী লীগের দ্বারাই। কিন্তু বারবার এ দলের উপর আঘাত এসেছে। বারবার এ দলকে খণ্ড-বিখণ্ড করা হয়েছে। বারবার এ দলকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। ৫৮ সালে সেই আইয়ুব খানের মার্শাল ল থেকে শুরু করে বারবার আঘাত এসেছে। আওয়ামী লীগ জনগণের অধিকার আদায়ের সংগঠন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর বার বার ক্ষমতা বদল হয়েছে। হয় অস্ত্রের মাধ্যমে না হয় ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে শাসকরা ক্ষমতায় এসেছে। সেই সময় জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ছিল না। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারেনি তারা।

post
বাংলাদেশ

সাম্প্রদায়িকতা এখনো বিজয়ের প্রধান অন্তরায় : ওবায়দুল কাদের

বিজয়কে এখনো সুসংহত করা সম্ভব হয়নি,সাম্প্রদায়িকতা এখনো বিজয়ের প্রধান অন্তরায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ৭৫ বছরে আওয়ামী লীগের চ্যালেঞ্জ সাম্প্রদায়িক শক্তি। রোববার সকালে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশের প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন,বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন আওয়ামী লীগের হাত ধরেই এসেছে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন এ দেশের স্বাধীনতা। আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্জন এ দেশের উন্নয়ন। আগামীতে এ ধারা অব্যাহত থাকলে জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলেও জানান তিনি। এ সময় কোন রাজনীতিবিদ অন্যায় দুর্নীতি করলেও ছাড় দেয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

post
বাংলাদেশ

বিএনপি ভুয়া, বিএনপির আন্দোলন ভুয়া: কাদের

বিএনপির আন্দোলনের হুমকির জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ কচুপাতার ওপর শিশির বিন্দু নয় যে একটু টোকা লাগলেই পড়ে যাবে।শুক্রবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রার উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে নানান কর্মসূচি দিয়েছে দলটি। এরমধ্যে যানজট এড়াতে ছুটির দিন শুক্রবার শোভাযাত্রাটি করছে তারা। শোভাযাত্রা উপলক্ষে সকাল থেকে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শাখা থেকে নেতাকর্মীরা নানান সাজে মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করে। দুপুর নাগাদ রমনা ও আশপাশের এলাকা চলে যায় আওয়ামী লীগের দখলে। বিকেল ৩টায় শুরু হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। শোভাযাত্রার উদ্বোধনী বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছেন, পরিষ্কার ভাবে বলতে চাই, আমাদের ক্ষমতার উৎস বাংলাদেশের জনগণ। একটু ধাক্কা লাগলে সরে যাবে আওয়ামী লীগ, এমন নয়। আওয়ামী লীগ কচুপাতার উপর শিশির বিন্দু নয় যে, একটু টোকা লাগলেই পড়ে যাবে। বরং বিএনপির আন্দোলন ভুয়া। বিএনপিই ভুয়া। ভুয়া দলটির সঙ্গে জনগণ নেই। আগেও ছিল না, ভবিষ্যতেও থাকবে না। যে আন্দোলনে জনগণ নেই, সেই আন্দোলন, আন্দোলন নয়।

post
বাংলাদেশ

বিএনপি উসকানি দিলেও সরকার যুদ্ধে জড়াবে না: ওবায়দুল কাদের

দেশের সার্বভৌমত্ব ঠিক আছে। বিএনপি উসকানি দিলেও সরকার যুদ্ধে জড়াবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।বুধবার সচিবালয়ে মিয়ানমার ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করলে, তার জবাব দেয়া হবে। আলাপ-আলোচনা মাধ্যমে সমাধান বের করা হবে বলেও জানান তিনি। ঈদযাত্রা প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়কে ঈদযাত্রা ভালো ছিল, তবে মনোযোগ কম থাকার কারণে ফিরতি যাত্রায় বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে। আর সারাদেশে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের জন্য সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটছে বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

post
বাংলাদেশ

ভারতীয় রেল স্থাপন হলে স্বাধীনতা হুমকিতে পড়বে

বাংলাদেশের ভেতরে ভারতীয় রেল নেটওয়ার্ক স্থাপন হলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকিতে পড়বে,এমন আশঙ্কা করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন,ভারতের সামরিক ও বেসামরিক পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের বুকের ওপর দিয়ে রেললাইন নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ড। যারা বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে গণহিংসার মনোভাব পোষণ করে তাদের কাছে দেশের সার্বভৌমত্বের চাবি তুলে দেওয়া হবে এই রেল নেটওয়ার্ক স্থাপনার মাধ্যমে। এতে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌমত্ব, দেশের ‘ইন্টিলিজেন্স’ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে বলে শংকা প্রকাশ করেছেন রুহুল কবির রিজভী ।

post
বাংলাদেশ

মূল্যস্ফীতি নিয়ে বিএনপির দাবি সঠিক নয়

মূল্যস্ফীতির কারণে ঈদ উদযাপন ব্যাহত হয়েছে,বিএনপির এমন দাবি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।মঙ্গলবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদুল আজহায় এক কোটি ৪০ লাখের বেশি কোরবানি হয়েছে, যা গতবারের তুলনায় বেশি। দেশে মূল্যস্ফীতি আছে,তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটা কমানোর চেষ্টা করছেন বলে জানান আওয়ামী লীগের এ শীর্ষ নেতা। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে তিস্তা চুক্তি হবে কি না সে বিষয়ে জানা নেই। তবে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন ইস্যুতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কথা জানান ওবায়দুল কাদের। আর বিএনপি সার্বভৌমত্বে আঘাত হানার যেসব অভিযোগ করছে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক।

post
বাংলাদেশ

আগ্রাসী জান্তার সামনে আ.লীগ সরকার নির্বিকার

সেন্টমার্টিন ঘিরে গত কয়েকদিন মিয়ানমার যা করছে এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য চূড়ান্ত হুমকি। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে দীর্ঘদিন থেকেই চরম অস্থিরতা চলছে। অথচ মিয়ানমারের আগ্রাসী জান্তার সামনে আওয়ামী লীগ সরকার নির্বিকার বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রোববার (১৬ জুন) নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিএনপির শীর্ষ এই নেতা বলেন, ‘মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধ অস্ত্র ঢুকছে। যুদ্ধ কবলিত মিয়ানমারের জান্তা সেনারাও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায়ই ঢুকে পড়ছে। অথচ আওয়ামী লীগ সরকার জান্তা সেনাদের আগ্রাসী ভূমিকায় নির্বিকার রয়েছে।’ সেন্টমার্টিন প্রায় অবরুদ্ধ দাবি করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশের নাগরিকরা সেখানে যেতে নিরাপদ বোধ করছেন না। সেন্টমার্টিন ঘিরে গত কয়েকদিন মিয়ানমার যা করছে এটি দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি।’ সরকারকে টিকিয়ে রাখতে আজিজ-বেনজীরের মতো দুর্নীতিবাজদের ব্যবহার করে বাহিনীগুলোর সম্মান-গৌরব আওয়ামী লীগ ধূলিসাৎ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রিজভী।

post
বাংলাদেশ

বিএনপি মহাসচিব দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য রেখেছেন

সেন্টমার্টিন ইস্যুতে বিএনপি মহাসচিব দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য রেখেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার কখনো নতজানু আচরণ করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। রোববার (১৬ জুন) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, একটা ইস্যু নিয়ে অহেতুক বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য রেখেছেন। তিনি কূটনৈতিক প্রজ্ঞা ও কৌশলের বাইরে গিয়ে এমন কথা বলেছেন যা শুনে মনে হয় পরিস্থিতি নিয়ে তাদের ন্যূনতম ধারণা নেই। মির্জা ফখরুল ইসলামের বলার আগেই আমি বলেছি সরকার এখানে নিষ্ক্রিয় নয়। আক্রান্ত হলে পাল্টা আক্রমণে প্রস্তুত আছে সরকার। সেখান থেকে যুদ্ধজাহাজ এরইমধ্যে প্রত্যাহার হয়েছে। যান চলাচল নিয়মিত হয়ে গেছে, লোকজন যাওয়া আসা করছে। আমরা গায়ে পড়ে ঝগড়া করব না। মির্জা ফখরুলকে বলতে চাই এখানে উসকানি দিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধ বাঁধাব? সারা বিশ্ব রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। যেকোনো সমস্যা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চায় সরকার। রোহিঙ্গারা যখন দলে দলে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছিল ওইদিক থেকে তখনও কিছু উসকানি ছিল, আমরা উসকানিতে পা দেইনি। গায়ে পড়ে যুদ্ধ বাঁধানোর ইচ্ছে নেই। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, কয়েকদিন আগে মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা নিয়ে বিএনপি বেহুদা মন্তব্য করেছিল। এখনো তারা সেটাই করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সেনাবাহিনীসহ দায়িত্বপ্রাপ্তরা সতর্ক আছে। সেন্টমার্টিন সীমান্তে গোলাগুলি নিয়ে উদ্বিগ্ন, তবে আমরা সতর্ক আছি। সেন্টমার্টিনে গুলিটা আরাকানরা করেছে, মিয়ানমার সরকার করেনি।

post
বাংলাদেশ

অশুভশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে হবে

অশুভশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রস্তুত থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১৫ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের সংবাদপত্রের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন এক বিষাদঘন কালিমালিপ্ত দিন। এ দিনে তৎকালীন সরকার নাৎসি কায়দায় তাদের অনুগত চারটি সংবাদপত্র অনুমতি দিয়ে অন্যসব পত্রিকা বন্ধ করে বিভিন্ন সংবাদপত্রে কর্মরত অসংখ্য সংবাদকর্মীকে বেকার করে হতাশার অতল গহ্বরে ঠেলে দিয়েছিল। তিনি বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন। বাতিল করেন সব কালাকানুন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি বহুমত, পথ ও দলের বহুদলীয় গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে বারবার অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। বহুমাত্রিকতা বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ। বিএনপি মহাসচিব বলেন, বারংবার অবৈধ স্বৈরাচারী গোষ্ঠীর শক্ত শৃঙ্খল ভেঙে গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছে বিএনপি। আবারও বর্তমান ডামি আওয়ামী সরকার পুরনো বাকশালের পুনরুত্থান ঘটিয়ে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের ওপর দমন-পীড়ন নামিয়ে এনেছে। নানা কালাকানুনের মাধ্যমে সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার টুঁটি চেপে ধরা হয়েছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.