post
বাংলাদেশ

অগ্নিসংযোগ আর ভাংচুর করতেই বিএনপির অবরোধ,বলেছেন কাদের

জ্বালাও পোড়াও আর ভাংচুর করতেই ফের অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। এমন মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপি হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির মূলহোতা। জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার ধানমন্ডি ৩২ নস্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।এসময় বিএনপিকে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির মূলহোতা দাবি করে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ভাড়া করা লোক দিয়ে অপকর্ম করতেই আবারও অবরোধ কর্মসূচি দিয়েছে তারা। বিএনপি সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিশ্বস্ত ঠিকানা মন্তব্য করে কাদের বলেন, জাতির প্রধান দুশমন বিএনপি যতো খুশি অবরোধ করুক তাতে সরকারের কিছুই আসে যায় না। পরে বনানী কবরস্থানে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে, পরে দলের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

post
বাংলাদেশ

সহিংসতার দায় এড়াতে পারেনা বিএনপি; মন্তব্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

গত ২৮ অক্টোবরের অরাজক পরিস্থিতির জন্য, বিএনপির শীর্ষ নেতারা দায় এড়াতে পারেন না বলে মন্তব্য করেছেন,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।তিনি বলেছেন,পুলিশের তদন্তে নির্দোষ হলে তারা খালাস পাবেন।না হলে তাদের নামে চার্জশিট হবে। শুক্রবার রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডে পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে,জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।এদিকে,জাতীয় চার নেতা হত্যার ৪৮ বছর পরও,ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছেন শহিদদের স্বজন ও বাঙালি জাতি। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য করিগরদের কমিশন কোরে বিচারের দাবি জানিয়েছেন, জাতীয় চার নেতার পরিবারের সদস্যরা।

post
বাংলাদেশ

কোনোভাবেই নির্বাচন বানচাল করতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচন নয়, দেশে আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করতে চায় বিএনপি। কোনোভাবেই নির্বাচন বানচাল করতে দেয়া হবে না বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় চারনেতার স্মরণসভা অনুষ্ঠানে,দেশের প্রতিটি এলাকায় অগ্নিসন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করে ধরিয়ে দেয়ার জন্য দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।৩ নভেম্বর চার জাতীয় নেতার স্মরণে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্মরণসভার আয়োজন করে আওয়ামী লীগ। এ আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী দেশ গঠনে চার জাতীয় নেতার ভূমিকার কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।আগুনে মানুষ পুড়িয়ে মারার তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। প্রশ্ন রাখেন,কোনো মানুষ কী মানুষকে পুড়িয়ে মারতে পারে? দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরীর জন্য বিএনপি-জামাতকে দায়ী করেন তিনি। কোনোভাবেই নির্বাচন বানচাল করতে দেয়া হবে না বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দেন।মানুষের ভোট দেয়ার পরিবেশ নিশ্চিতের আহবান জানান।খাদ্যদ্রব্য অবৈধভাবে মজুদকারীদের ধরিয়ে দেয়ার নির্দেশও দেন তিনি।এছাড়া,দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে একজোট হয়ে কাজ করার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।

post
আন্তর্জাতিক

অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: আফরিন আক্তার

বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের গুরুত্ব প্রতিস্থাপন করেছেন যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আফরিন আক্তার। ১৭ অক্টোবর মঙ্গলবার সাংবাদিকদের তিনি জানান, শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি-কে সমর্থন করতে হলে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে ও সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে তার বৈঠকে তিনি জানিয়েছেন যে, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম এবং অন্যান্য সকল পক্ষের জন্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহজভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকতে হবে। বাংলাদেশ সফরে এসে মঙ্গলবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করতে যান আফরিন আক্তার। সেখানে রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলা ছাড়াও বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম দেখেন তিনি।রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন যে, এই প্রত্যাবাসন অবশ্যই 'স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদ' ভাবে হতে হবে। মিয়ানমারের পরিস্থিতি এই মুহূর্তে প্রত্যাবাসনের জন্য উপযুক্ত না হওয়ায়, জোরপূর্বক প্রত্যাবাসনের প্রচেষ্টা নেয়া উচিত নয় বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।যুক্তরাষ্ট্রের এই ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি বাংলাদেশের প্রচেষ্টা এবং 'অবিশ্বাস্য উদারতার' উল্লেখ করে প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন যে, তারা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের দমন পীড়ন থেকে বাঁচতে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় পেয়েছে।

post
বাংলাদেশ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের জায়গায় আসছে সাইবার নিরাপত্তা আইন!

অবশেষে বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইনটির বেশকিছু ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইন করা হবে।৭ আগস্ট সোমবার সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল হচ্ছে না, পরিবর্তন করা হচ্ছে। এর অনেকগুলো ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইন করা হবে- মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও দমনে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মোট ৫টি ধারা বিলুপ্ত করে ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ পাস হয়। এর পর থেকেই এই আইন বাতিল ও সংশোধন চেয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে বিভিন্ন মহল। একই বছরের ৮ অক্টোবর থেকে আইনটি কার্যকর হয়। শুরু থেকেই আইনটির অপব্যবহারের জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচনা হয়। গত ২৫ জুলাই সচিবালয়ে ইইউর বিশেষ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, জিডিটাল নিরাপত্তা আইনে সংশোধনী আসছে। বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেকগুলো ধারায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।লেখক, কবি, সাংবদিক, রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন মহল দীর্ঘদিন ধরেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের মতে আইনটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তা প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করে। সরকারের পক্ষ থেকে এর আগে বহুবার আইনটি সংশোধনের আশ্বাস দিলেও তা করা হয়নি। তবে গত ২৫ জুলাই আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছিলেন, সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে এ সংশোধনী জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচনে ভোট চুরি করে আওয়ামী লীগের জিততে হয় না : শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ যতবার নির্বাচনে হেরেছে, ততবারই চক্রান্ত করে হারানো হয়েছে। জনগণের ভোট ডাকাতি করে আওয়ামী লীগকে হারানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২২ জুন) সকালে গণভবনে দলের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে ভোট চুরি করে আওয়ামী লীগের জিততে হয় না। ভালো কাজের মধ্য দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে বলেই আওয়ামী লীগ ভোট পায়। যখনই এ দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, তখনই আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে। তার প্রমাণ ২০১৮ সালের নির্বাচন। তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আওয়ামী লীগকে জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল। এটি আমার কথা নয়, কানাডার আদালত এই রায় দিয়েছেন। বিএনপির সন্ত্রাসীরা যারা মানুষ হত্যা, অগ্নিসন্ত্রাস, লুটপাট করেছে; তারা কানাডায় গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিল। তখন তারা বিএনপিকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী দল হিসেবে ঘোষণা দেয়। তিনি আরও বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছে। জাতির পিতাকে হত্যার পর আমাদের মানবাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আমরা বিচার চাইতে পারিনি। তাই আমরা মানবাধিকার সুরক্ষায় কাজ করছি।

post
বাংলাদেশ

বিদেশিরা ক্ষমতায় বসাবে এমন চিন্তা শেখ হাসিনা করেন না: কাদের

বিদেশিরা এসে আমাদের ক্ষমতায় বসিয়ে দিবে এমন অসম্ভব চিন্তা শেখ হাসিনা কখনো করনে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।তিনি বলেন, ক্ষমতায় বসাবার মালিক বাংলাদেশের জনগণ। আমরা জনগণের শক্তিতে বিশ্বাসী। শেখ হাসিনা নিজেই বলেছেন, আমরা ক্ষমতায় আসতে চাই জনগণের ভোটে। জনগণ চাইলে আছি, না চাইলে নেই। এ মানসিকতা যার তিনি বিদেশি বা দেশী ষড়যন্ত্রকারীদের ভয় পাবেন মনে করার কোনো কারণ নেই। মঙ্গলবার (১৬ মে) সকাল ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ঢাকা -১৭ আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর পাঠান ফারুকের মরদেহে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন। সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে পশ্চিমাদের ওপর ক্ষুদ্ধ- মির্জা ফখরুলের এমন মন্তব্যের জবাবে কাদের বলেন, তিনি মনে করছেন পশ্চিমারা তাকে ও তার দলকে ক্ষমতায় বসাতে পারবে। ঘন ঘন তাদের দুয়ারে ধর্ণা দিচ্ছেন। নালিশের পর নালিশ লবিস্ট করছেন। আওয়ামী লীগের বা শেখ হাসিনার কোনো লবিস্ট নেই। প্রয়াত চিত্রনায়ক ফারুকের কর্মজীবন স্মরণ করে তিনি বলেন, চিত্রনায়ক ফারুক বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। আজীবন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে গেছেন। আদর্শের প্রশ্নে ছিলেন অবিচল, অনড় ও আপোসহীন। কাদের বলেন, তার (ফারুক) থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। বিশেষ করে আদর্শের প্রশ্নে তিনি সংকটেও দিশেহারা হননি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ২১ বছর আমরা ক্ষমতায় ছিলাম না। নায়ক ফারুক তখনও ছিলেন জনপ্রিয় নায়ক। কিন্তু সেসময়ও তার পেশাজীবনে ক্ষতি হবে সেটা হতেও পারতো তারপরও তিনি বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আওয়ামী লীগের আদর্শ ধারণ করে গেছেন। তিনি বলেন, তার লাইফ ছিল কালারফুল। একদিকে নায়ক আরেকদিকে রাজনীতি। মাঠের সক্রিয় রাজনীতি করেছেন। চিত্রনায়ক ফারুকের মতো সরাসরি রাজনীতির মাঠে ছিলেন এভাবে কোনো নায়ককে দেখিনি।

post
বাংলাদেশ

ফের উত্তপ্ত উত্তপ্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের রাজনীতি, মাঠে নামছে বিএনপি

বাংলাদেশের রাজনীতি আবারও উত্তপ্ত হতে যাচ্ছে এই মাসের শেষের দিকে কারণ প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি ও সমমনা দলগুলো সরকার পতনের চূড়ান্ত আন্দোলনে নতুন কর্মসূচি নিয়ে ২০ মে থেকে ফের রাজপথে নামছে। জেলা সমাবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে প্রথম ধাপের কর্মসূচি। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপিকে রাজপথে মোকাবেলা করার জন্য ঘোষণা দিয়েছে। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশে যারা আন্দোলনে জিতবে তারাই পরবর্তীতে নির্বাচনেও জিতবে। ৬৪ জেলাতেই সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। মঙ্গলবার স্থায়ী কমিটি ও বুধবার সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এ কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। চার পর্বে প্রতি শনিবার এ কর্মসূচি পালন করা হবে। পরশু ঢাকায় এক সমাবেশ থেকে এর ঘোষণা আসবে। দলটির নীতিনির্ধারণী সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। সূত্র জানায়, স্থায়ী কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত আন্দোলনের কর্মসূচির খসড়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ঈদুল আজহার পর চূড়ান্ত ধাপে ঢাকা অভিমুখে কর্মসূচির পক্ষে মত দেন নেতারা। সেক্ষেত্রে ঢাকা ঘেরাও, ঢাকামুখী রোডমার্চ, ঢাকায় অবস্থান কর্মসূচি দেওয়া যেতে পারে বলে জানান তারা। সমমনা দলসহ বিভিন্ন পর্যায় থেকে নতুন কর্মসূচি হিসাবে ঢাকা থেকে বিভাগ অভিমুখে রোডমার্চের প্রস্তাব দিলেও তাতে আগ্রহ দেখায়নি দলটির নীতিনির্ধারকরা। এ কর্মসূচি নির্বিঘ্নে করা যাবে কিনা-তা নিয়ে সংশয় থাকায় আপাতত না করার পক্ষে মত দেন তারা। এর পরিবর্তে বড় জেলায় সমাবেশ করার পক্ষে সবাই পরামর্শ দেন। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মধ্য দিয়েই সরকারের ওপর প্রবল চাপ তৈরির পক্ষে নীতিনির্ধারকরা। তাই আপাতত হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচিতেও যেতে চায় না দলটি। এদিকে সরকারের পতন ও রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চের ঘোষিত দফা নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছতে না পারায় বিলম্ব হবে যৌথ রূপরেখার ঘোষণা। এ নিয়ে সমঝোতায় গণতন্ত্র মঞ্চসহ সমমনা দলগুলোর সঙ্গে ফের আলোচনায় বসতে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারবিরোধী চূড়ান্ত আন্দোলনে ‘অলআউট’ মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। আন্দোলনের রোডম্যাপ চূড়ান্ত করতে সমমনা দলগুলোর সঙ্গে সিরিজ বৈঠক করে দলটি। কর্মসূচিসহ সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে তাদের মতামত নেওয়া হয়। একই লক্ষ্যে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদেরও মতামত নেয় হাইকমান্ড। কর্মসূচির পাশাপাশি যৌথ রূপরেখা চূড়ান্তেও গণতন্ত্র মঞ্চের শরিকদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়। এসব বৈঠকের একটি সারসংক্ষেপ তৈরি করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। 

post
বাংলাদেশ

বিএনপি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ষড়যন্ত্র করছে: কাদের

বিএনপির দ্বিমুখী আচরণের কারণে জনগণ তাদের ওপর আস্থা হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একদিকে বলছেন যে, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। অন্যদিকে আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিএনপি নেতাকর্মীরা আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন। এই দ্বিমুখী আচরণের কারণে জনগণ দ্বারা বার বার প্রত্যাখ্যাত হয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তাই তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণে ভয় পায়। একই সঙ্গে তারা নির্বাচন ও নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারায় লিপ্ত থাকে। রোববার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে আওয়ামী লীগের উপদপ্তর অ্যাডভোকেট সায়েম খানের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। তিনি বিএনপি মহাসচিবের মিথ্যাচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি আজ নির্বাচন নিয়ে কথা বলে কোন মুখে? বিএনপির হাত ধরেই এদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। সামরিক শাসন জারি রেখে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে হ্যাঁ/না ভোট, সেনা প্রধানের দায়িত্বে থেকে ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করেছিল। তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে খালেদা জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য ১৯৯৬ সালে ১৫ই ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচন করেছিল। তাদের সময়ে অনুষ্ঠিত মিরপুর ও মাগুরা উপ-নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক ঘটনা হিসেবে স্থান পেয়েছে। বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ নাকি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারসহ ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সুদীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম করেছে। এই দলের হাত ধরেই এদেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ নিশ্চিতভাবে বিএনপির কাছ থেকে গণতন্ত্রের পাঠ নেবে না। আওয়ামী লীগ বিএনপির চর্চিত গণতন্ত্রে বিশ্বাস বা আস্থা রাখে না। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এদেশের মানুষকে কারফিউ মার্কা গণতন্ত্র উপহার দিয়েছিল। গণতন্ত্রের লেবাসে সামরিক স্বৈরতন্ত্রের ভূত এদেশের জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। বিএনপি এদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করেছে; মানুষের ভোটাধিকারকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে এবং যে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির মধ্য দিয়ে জনগণের হৃদয়ের অনুরণন প্রতিফলিত হয় তা প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পথকে মসৃণ করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। সফলরাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকার কারণে বর্তমানে শেখ হাসিনাকে সমীহের দৃষ্টিতে দেখে বিশ্বের সব নেতৃবৃন্দ। শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণেই অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে দেশের সব স্তরের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন জোরদার হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটেছে। যা দেখে বিএনপি ও তার দোসরদের গাত্রদাহ হচ্ছে। তাই তারা এই অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার লক্ষ্যে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এসব ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে এবং কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না।

post
আন্তর্জাতিক

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন, এমপি, উদীয়মান বাংলাদেশ এবং এর আর্থসামাজিক অর্জনের বিষয়ে ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘আটলান্টিক কাউন্সিল’-এর সাউথ এশিয়া সেন্টার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও সম্ভাবনা, অর্থনৈতিক কূটনীতি, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং প্রধান শক্তিগুলির সাথে সম্পর্ক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি চমৎকার আর্থসামাজিক অগ্রগতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের অসাধারণ সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন। পরে তিনি কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া কেন্দ্রের সিনিয়র ডিরেক্টর প্রফেসর ডঃ ইরফান নুরুদ্দিনের সঞ্চালনায় একটি প্রাণবন্ত প্রশ্ন-উত্তর পর্বে অংশ নেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ওয়াশিংটন ডিসিতে ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।সভায় অংশ নিয়ে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট, এর নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন। আইআরআই কর্মকর্তারা বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে তাদের আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন যা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। ইনস্টিটিউটের সভাপতি ড্যানিয়েল টুইনিং সভা সঞ্চালনা করেন। এ দুটি অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ ইমরান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (উত্তর আমেরিকা) জনাব খন্দকার মাসুদুল আলম এবং ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন ভার্জিনিয়ায় বাংলাদেশি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডব্লিউইউএসটি) পরিদর্শন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে এমন একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট হাসান কারাবুর্ক এবং চ্যান্সেলর ও প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বক্তব্য রাখেন। এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.