post
বাংলাদেশ

এবার ২৭০ আসন নিয়ে সংসদে যাবে বিএনপি: রুমিন ফারহানা

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসব আমরা এবং সেই দিন আর বেশি দূরে নয়। আর কয়েকটা মাস অপেক্ষা করেন মাত্র। এবারের ভোটে ২৭০টা আসন নিয়ে বিএনপি সংসদে যাবে ইনশাআল্লাহ। বিএনপি সংসদে যদি যায়, সরকার যদি গঠন করে গুম, খুনসহ প্রত্যেকটা বিচারবহির্ভূত হত্যার বিচার করব আমরা। আপনাদের সব অনিয়ম, দুঃশাসন অত্যাচারের জবাব দেশের ১৭ কোটি মানুষ আপনাদের কাছ থেকে বুইঝা নিবে ইনশাআল্লাহ’। শনিবার বিএনপির পূর্বঘোষিত ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে জেলায় জেলায় অবস্থান কর্মসূচির অংশ হিসেবে চান্দিনায় কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, তিন বছরের দুঃশাসনের জন্য যদি ২১ বছর আপনাদের ক্ষমতার বাহিরে থাকতে হয়, তা হলে এই ১৫ বছরের ক্ষমতায় যে অত্যাচার চালাইছেন—আগামী ১০০ বছরেও আর ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। রুমিন ফারহানা বলেন, ১৯৭২ থেকে ‘৭৫ আপনাদের অন্যায়, ‘দুঃশাসন, অনিয়ম, দুর্নীতির কারণে ২১ বছর ক্ষমতায় আসতে পারেননি। মানুষের দরজায় ভিক্ষা করছেন, মানুষের কাছে হাত-পা ধইরা মাফ চাইছেন। বলছেন— এবার একটু সুযোগ দেন। ’৯৬ সালে ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে মানুষের ভোটের অধিকার হরণ করেছেন। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা করে ক্ষমতা ধরে রাখছেন। যদি মনে করেন আজীবন ক্ষমতায় থাকবেন, এতবড় চিন্তা কইরা ঘুম নষ্ট কইরেন না। আমরা পরিষ্কার বলে দিতে চাই— বাংলাদেশ যতদিন থাকবে বিএনপির নাম ততদিন থাকবে ইনশাআল্লাহ। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আরেকটা নির্বাচন আসতেছে। ২০১৪ সালে কোনো নির্বাচন হয়নি। ২০১৪ সালে তারা সংসদ বানাইয়া বইসা রইছে একটা ভোটও পড়ে নাই। ২০১৮ সালে সাহস হয় নাই। লুকাইয়া লুকাইয়া রাতের আঁধারে ব্যালট বাক্স ভরছে। ২০২৪ সালে যে নির্বাচন হবে, ওই নির্বাচন দেশের মানুষের নির্বাচন হবে। মানুষ ওই নির্বাচনে ভোট দেবে। আর যদি নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি না হয়, তা হলে আমরা ওই নির্বাচনে জান, প্রাণ ও রক্ত দিয়ে নির্বাচনি পরিবেশ তৈরি করব ইনশাআল্লাহ। একবার যখন ঘর থেকে বের হইছি, একবার যখন মামলা খাইছি, একবার যখন জেল খাটছি, তখন আর পেছনে ফিরে তাকানোর কিছু নাই।’ কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি আহ্বয়ক আক্তারুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএফএম তারেক মুন্সি, চান্দিনা উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো. আতিকুল আলম শাওন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক তৌফিক মীর, রমিজ লন্ডনি, হোমনা উপজেলা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর মিয়া, চান্দিনা উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কাজী আরশাদ প্রমুখ। 

post
বাংলাদেশ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আগামী জাতীয় নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। রোববার রাজধানীর ডিআরইউতে আয়োজিত পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে শহিদ হওয়া সেনাদের স্মরণে বিএনপির আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের অস্তিত্ব সংকটে, বহুদলীয় গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে এ সরকার। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা নেই বলেই সরকারের মন্ত্রীরা দায়িত্বহীন বক্তব্য দিচ্ছেন। জনগণের চোখের ভাষা পড়ুন, তারা এ সরকারের পরিবর্তন চায়। তিনি বলেন, এ সরকারের সঙ্গে রাজপথেই ফায়সালা হবে, আমরা ঐক্যবদ্ধ, ইতোমধ্যে রাজপথে নেমেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার না আসবে, ততক্ষণ কোনো নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না। মির্জা ফখরুল বলেন, যখনই তারা সরকারে এসেছে বেআইনিভাবে আসুক আর যেভাবে আসুক আবার জবরদখলভাবে আসুক, তখনই এ দেশের বড় ক্ষতি হয়েছে। ১৯৭২ সালে এবং ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল; ঠিক তখন একই কায়দায় আওয়ামী লীগ এ দেশের সর্বনাশ করেছে।

post
বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপির তুলনা চলে না: শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিএনপি নিজেরা নিজেদের দলের গঠনতন্ত্র মানে না, নিয়ম মানে না, আইন মানে না। সেই দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা চলে না। যারা দুই বড় দল বলেন, তারা ভুল করেন। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মানুষের সংগঠন।’আজ শনিবার দুপুরে গোপালঞ্জের কোটালীপাড়ায় আয়োজিত জনসভায় এ কথা বলেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, ‘এখানে একটা কথা বলতে চাই, ২০০৮ এর নির্বাচনে বিএনপি ৩০০ সিটের মধ্যে পেয়েছিল ৩০ সিট। আওয়ামী লীগ মহাজোট করেছিল। বিএনপির ছিল ২০ দলীয় জোট। বিএনপির নেতৃত্বে পেল ৩০ সিট, আর বাকিগুলো আওয়ামী লীগ। তাহলে দুই দল এক পর্যায়ের হয় কীভাবে? বিএনপির আমলে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, গ্রেনেড হামলা, বোমা হামলা, দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন...ওরা মানুষকে কিছু দেয়নি, লুটপাট করে বিদেশে নিয়ে গেছে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘এমন একটা রাজনৈতিক দল, তারা নিজেদের গঠনতন্ত্র মানে না। বিএনপির গঠনতন্ত্রে আছে, সাজাপ্রাপ্ত আসামি দলের নেতা হতে পারে না। খালেদা জিয়া ও তার ছেলে দুজনই সাজাপ্রাপ্ত আসামি। আর ছেলেকে বানিয়েছে...যে আবার ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ বিভিন্ন দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত, তারা সে দলের নেতা। নিজেরা নিজেদের দলের গঠনতন্ত্র মানে না, নিয়ম মানে না, আইন মানে না। সেই দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা চলে না। যারা দুই বড় দল বলেন, তারা ভুল করেন। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মানুষের সংগঠন।’ গোপালগঞ্জবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ওয়াদা করেছিলাম, সব ঘর আলোকিত করব। আজ বাংলাদেশের সব জায়গায়, সব ঘরে আমরা বিদ্যুৎ দিতে পেরেছি। এখন বিশ্ববাজারে তেলের দাম, গ্যাসের দাম, সবকিছুর মূল্য বেড়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাই আপনারা সাশ্রয়ী হবেন। বিদেশে এমনকি লন্ডনেও প্রায় দেড়শ ভাগ বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। আমরা কিন্তু যে টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করি, তার অর্ধেক মূল্যে দিচ্ছি মানুষের কাছে। আর সেচ কাজের জন্য আমরা ২০ শতাংশ ভর্তুকি দিয়ে দিচ্ছি। পাশাপাশি সোলার প্যানেলের মাধ্যমে যেন সেচ কাজ হয়, সে পদক্ষেপ নিচ্ছি।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘তবে যে কথা দিয়েছিলাম—ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেব, সব ঘর আলোকিত করব, সেটা আল্লাহর রহমতে করতে পেরেছি। আপনারাই সে শক্তি দিয়েছেন।’ এর আগে আজ শনিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে কোটালীপাড়ার তালিমপুর তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জনসভার মঞ্চে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগেই জনসভাস্থল মানুষের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে দলের প্রতীক নৌকার আদলে তৈরি করা হয়েছে জনসভার মঞ্চ। এ জনসভায় প্রায় ২০ লাখ মানুষের সমাগম হওয়ার আশাপ্রকাশ করেন নেতাকর্মীরা। জনসভাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখা হয় পুরো জেলা। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে ঘিরে কোটালীপাড়া উপজেলায় সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে জনসভাস্থল। স্থানীয় নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে কোটালীপাড়া-ভাঙ্গারহাট রোডের বিভিন্ন স্থানে তৈরি করা হয়েছে তোরণ। নেতাকর্মীদের মধ্যে দারুণ উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। এজে/

post
বাংলাদেশ

খালেদা জিয়া রাজনীতি করতে পারবেন কিনা, যা বললেন মন্ত্রী

খালেদা জিয়ার রাজনীতি করা নিয়ে শর্তের ব্যাপারে ভিন্ন বক্তব্য দিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। এর আগে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাময়িক মুক্তির ক্ষেত্রে রাজনীতি করা নিয়ে কোনো শর্ত দেওয়া হয়নি। তিনি রাজনীতি করতে পারবেন তবে নির্বাচন করতে পারবেন না। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়ার বয়স ও স্বাস্থ্য বিবেচনায় শর্ত সাপেক্ষে কারাগারের বাইরে ঘরে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেই শর্ত অনুযায়ী, তিনি রাজনীতি করতে পারেন না। খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে রাজনীতি নিয়ে শর্ত ছিল কি না জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যে শর্তে তাকে ঘরে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে সেই শর্তে তিনি রাজনীতি করতে পারবেন এমন কথা নেই। শর্তে বলা আছে, তিনি ঘরে থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে অংশ নেবেন না। সুতরাং তার রাজনীতি করতে পারার কথা নয়। কেউ যদি বলে থাকে সেটা বলতে পারেন। আমি ইতোমধ্যে খোঁজখবর নিয়েছি, শর্ত অনুযায়ী তিনি বাসায় থাকতে পারবেন, চিকিৎসা নিতে পারবেন কিন্তু তিনি রাজনীতি করতে পারার কথা নয়।

post
বাংলাদেশ

গুলশান কার্যালয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি জানান, দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বসা অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন মহাসচিব। সঙ্গে সঙ্গে তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শায়রুল জানান, ইউনাইটেড হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক অধ্যাপক মুমিনুজ্জামানের অধীনে মির্জা ফখরুলকে ভর্তি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, কিছুদিন ধরে মির্জা ফখরুলের শারীরিক অবস্থা ভালো যাচ্ছে না। কিছুদিন আগে তিনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিয়েছেন। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশে ফিরেন। বিএনপি মহাসচিব তখন চিকিৎসা নিয়েছেন সিঙ্গাপুর সুপ্রিম ভার্সুলার অ্যান্ড আন্তর্জাতিক ক্লিনিকে। 

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.