post
আন্তর্জাতিক

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন, এমপি, উদীয়মান বাংলাদেশ এবং এর আর্থসামাজিক অর্জনের বিষয়ে ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ‘আটলান্টিক কাউন্সিল’-এর সাউথ এশিয়া সেন্টার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও সম্ভাবনা, অর্থনৈতিক কূটনীতি, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং প্রধান শক্তিগুলির সাথে সম্পর্ক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি চমৎকার আর্থসামাজিক অগ্রগতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের অসাধারণ সাফল্যের গল্প তুলে ধরেন। পরে তিনি কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া কেন্দ্রের সিনিয়র ডিরেক্টর প্রফেসর ডঃ ইরফান নুরুদ্দিনের সঞ্চালনায় একটি প্রাণবন্ত প্রশ্ন-উত্তর পর্বে অংশ নেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ওয়াশিংটন ডিসিতে ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।সভায় অংশ নিয়ে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট, এর নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন। আইআরআই কর্মকর্তারা বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে তাদের আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন যা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। ইনস্টিটিউটের সভাপতি ড্যানিয়েল টুইনিং সভা সঞ্চালনা করেন। এ দুটি অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ ইমরান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (উত্তর আমেরিকা) জনাব খন্দকার মাসুদুল আলম এবং ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন ভার্জিনিয়ায় বাংলাদেশি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডব্লিউইউএসটি) পরিদর্শন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে এমন একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট হাসান কারাবুর্ক এবং চ্যান্সেলর ও প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বক্তব্য রাখেন। এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপকে 'ম্যাজিক ম্যান' আখ্যা দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ওয়াশিংটন ইউনিভাসির্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর বাংলাদেশি-আমেরিকান সফল উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানপিকে 'ম্যাজিক ম্যান' বলে আখ্যায়িত করলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের আমন্ত্রিত সফরে থাকা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঙ্গলবার ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ক্যাম্পাস পরিদর্শন করে তিনি এ মন্তব্য করেন। উদ্বোধনের দু'বছর পর এসে বিশ্ববিদ্যালয়র শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নতি ও ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা পাঁচগুন বৃদ্ধি দেখে তিনি বলেন আবুবকর হানিপ একটি সফলতার গল্পের নাম। আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে যে ল্যান্ড অব অপরচিউনিটি বলা হয় ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ তা প্রমাণ করিয়ে দেখিয়েছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি পূর্ণ সহযোগীতা থাকবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাস দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে পরিদর্শনে সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান। প্রথম বারের মত ক্যাম্পাস পরিদর্শনে এসে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন তিনিও। প্রথম কোন বাংলাদেশি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ২০২১ সালে একটি পূর্নাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার দায়িত্ব নেন ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। যার উদ্বোধন করেছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। দুই বছরে ব্যবধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আবারো পেয়ে আবেগ আপ্লুত ডব্লিউইউএসটির চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ। অল্প সময়ের পথচলায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জনে যে সব নতুন পালক যোগ হয়েছে তিনি তা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। জানান তিনশো থেকে ডব্লিউইউএসটির শিক্ষার্থীর সংখ্যা এখন প্রায় ১৫শ। তার মাঝে ৬শর মত বাংলাদেশি স্টুডেন্ট। জুলাই থেকে নিজেদের নতুন ক্যাম্পাসে শুরু হতে যাচ্ছে কার্যক্রম। যোগ হবে নার্সি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স, ডেটাসায়েন্সসহ নতুন কিছু প্রোগাম। নিজেদের বক্তৃতার শেষে ড. মোমেন নামে এক লাখ ডলারের স্কলারশিপের ঘোষণা দেন আবুবকর হানিপ। অল্প সময়ের ব্যবধানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দ্বিতীয়বারের মতো পেয়ে নিজেদের ইচ্ছাস প্রকাশ করেন ডব্লিউইউএসটির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক. প্রধান অর্থকর্মকর্তা ফারহানা হানিপ, ডিরেক্টর অব স্কুল অব বিজনেস ড. মার্ক এল রবিনসন। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ ও কর্মকর্তাগনকে আমন্ত্রিত অতিথীদের সাথে পরিচয় করিয়েদেন ডব্লিউইউএসটির প্রেসিডেন্ট। পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই সফরের জন্য তারা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসের কনসূল্যার মিনিস্টার ব্রিগেডিয়ার মো: হাবিবুর রহমান, প্রেস মিনিস্টার এজেডএম সাজ্জাদ হোসেন ও ফার্স্ট সেক্টেটারি আতাউর রহমান। আয়োজনের শেষ ভাগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, অ্যাম্বাসিডর মোহাম্মদ ইমরানসহ আগত অতিথীদের হাতে উপহার তুলে দেয়া হয়। ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পররাষ্টমন্ত্রীর এই পরিদর্শন। যাবার আগে আশ্বাস দিয়ে যান নতুন ‌ক্যাম্পাসে যাত্রা শুরু হলে তিনি আবারও আসবেন।

post
আন্তর্জাতিক

ঢাকা-কায়রো রুটে ইজিপ্টএয়ারের সরাসরি ফ্লাইট শুরু ১৪ মে

এলামী মোঃ কাউসার, কায়রো, মিশরমিশরের কায়রো থেকে ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে দেশটির সরকারি মালিকানাধীন এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠান ইজিপ্ট এয়ার। সম্প্রতি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাছে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমতি পায় তারা।বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইজিপ্ট এয়ার। তারা জানায়, আগামী ১৪ মে এ রুটে প্রথম ফ্লাইট পরিচালনা করবে প্রতিষ্ঠানটি। ইতোমধ্যে ফ্লাইটের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।মার্চের ২৯ তারিখে বেবিচকের সহকারী পরিচালক (এয়ার ট্রান্সপোর্ট) মো. ওয়াহিদুজ্জামান ওই অনুমতি পত্রে সই করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইজিপ্টএয়ারের একজন কর্মকর্তা বলেন, ইজিপ্টএয়ার ঢাকা-কায়রো রুটে প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দু’টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে। এয়ারলাইন্সটি এই রুটে যাত্রী বহনে বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের একটি এয়ারক্রাফট ব্যবহার করবে।এছাড়া ওই রুটে ফ্লাইট সংখ্যা আরও বাড়ানোর জন্য বেবিচকের কাছে অনুমতি চাইবে এয়ারলাইন্সটি।এভিয়েশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই রুটে ফ্লাইট চালু শুরু হলে সেটি এভিয়েশন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। সেই সঙ্গে দেশের আকাশ পথের সংযোগ সীমাও বৃদ্ধি পাবে। পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশ এবং মিশর এ দু’দেশের মধ্যে ২০১৯ সালে মোট ১৭৩২০ জন্য টু-ওয়ে যাত্রী যাতায়াত করে, যার মধ্যে কায়রো-ঢাকা শহরের যাত্রী ছিল ৭৫ শতাংশ। এই সময়ে সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় প্রায় ৩৫ শতাংশ যাত্রী দুবাই হয়ে কায়রোতে এক-স্টপেজ রুটে যাত্রা করেন।বর্তমানে ইজিপ্টএয়ার আফ্রিকা, ইউরোপ, এশিয়া এবং আমেরিকার ৮১টি গন্তব্যে যাত্রী ও মালবাহী পরিষেবা পরিচালনা

post
এনআরবি বিশ্ব

মিশরে, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের ইফতার মাহফিল।

এলামী মোঃ কাউসার। কায়রো,মিশর।নীলনদ ও পিরামিডের দেশ, মিশরের আল-আযহার সহ সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশী ছাত্রদের একমাত্র সংগঠন, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন এর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হল। আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০০ জন বাংলাদেশী ছাত্র ছাত্রী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেছিলেন এই ইফাতার আয়োজনে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মিশরস্থ রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম সহ দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীগণ। এবং অন্যান্য দেশের অর্গানাইজেশনের ছাত্র প্রতিনিধিরা। মিশরীয় সময় বিকেল চারটায় অনুষ্ঠান শুরু হয়ে চলে মাগরিবের আযানের আগ পর্যন্ত। ১৬ ই রমাজানুল মোবারকে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আলাদা দুইটি অডিটরিয়াম বুকিং করা হয়। যেন অর্গানাইজেশনের মহিলা সদস্যরা পর্দার সাথে ইফতারী আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পারেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের সভাপতি মো. নাজিব শাওকী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, অর্গানাইজেশনের সেক্রেটারি জেনারেল, সাইমুম আল-মাহদী। ইফতার প্রোগ্রামে, অর্গানাইজেশনের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্যগণ ও সিনিয়রদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, জনাব শোয়াইব হোসাইন আল-আযহারী, জনাব তাজদিদ বিন অদুদ এবং মো. শিহাবউদ্দীন আল-আযহারী। এবং সমাপনী বক্তব্য ও দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন, অর্গানাইজেশনের সহ সভাপতি, শাহেদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, অর্গানাইজেশনের সভাপতি এবং তিনি, ছাত্রদেরকে মতানৈক্য ভুলে ইসলামের সুমহান আদর্শের ছায়াতলে, একতার বন্ধনে অটুট থাকার জোড় তাগিদ দেন। অনুষ্ঠানে বক্তরা, গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে আপামর জনতার আত্ম শুদ্ধির লক্ষ্যে ইসলামের সঠিক দাওয়াত পৌছে দেওয়ার আহ্বান জানান। উক্ত অর্গানাইজেশনের নয় সদস্যের কার্যকরী কমিটির অক্লান্ত পরিশ্রমে আয়োজিত মনজ্ঞ অনুষ্ঠানে, কুরআন তেলওয়াত, রমাজান নাশিদ, অর্গানাইজেশনের থিম সং সহ ইসলামী সাংস্কৃতির নানান কার্যক্রম উপস্থাপিত হয়। অর্গানাইজেশনের সাংস্কৃতিক ফোরামের সদস্যগণ পারফরম্যান্স করেন। মনোমুগ্ধকর এই আয়োজনে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন, রেজাউর রহমান, সাজিদুল ইসলাম, কাওসার হাবিব, নেওয়াজ জুলকারনাইন। ইফতারের আয়োজনেও ছিলো, বাংলাদেশী খাবারের ছোঁয়া। ছাত্রদের নিজ হাতে রান্না করা, বিফ বিরিয়ানি। যা বাঙালির ঐতিহ্যকে প্রোস্ফুটিত করে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্টদূত জনাব মনিরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রদের কল্যাণের জন্য দূতাবাস সর্বদা বদ্ধপরিকর। অর্গানাইজেশনের সমস্ত প্রোগ্রাম, শিক্ষা ও বিনোদন কার্যক্রমে তিনি অংশগ্রহণ করেন। স্কলারশিপ বৃদ্ধি করণে আল-আযহারের গ্রান্ড ইমাম (প্রেসিডেন্ট ওব আযহার) এর সাথে তিনি সাক্ষাৎ করেছিলেন। এবং তেনার দাবির প্রেক্ষিতে, বাংলাদেশী ছাত্রদের জন্য প্রতি বছর ৫০টি স্কলারশিপের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন, শাইখুল আযহার। তাছাড়া,বাংলাদেশের স্টুডেন্টদের ভিসা জটিলতা ও মিশরে উচ্চ শিক্ষায় আগত ছাত্রদের কার্যক্রম সহজ করার জন্য, অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধি নিয়ে, তিনি মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে মান্যবর মন্ত্রী মহোদয়ের দেখা করেছিলেন। মিশরে ছাত্রদের জন্য নিবেদিত প্রাণ, মান্যবর রাষ্ট্রদূত স্যার। বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন, সবার আস্থার প্রতিক। মিশরের রাষ্ট্রীয় সাংস্কৃতিক প্রোগ্রাম থেকে শুরু করে, এম্বাসী আয়োজিত বাংলাদেশের প্রতিটি জাতীয় দিবসে, অর্গানাইজেশনটি সতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে থাকে। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশী ছাত্রদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ ও সুস্থ বিনোদনের লক্ষ্যে, নানাবিধ কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। যেমন, ক্রিকেট, ফুটবল টুর্নামেন্টে, বাৎসরিক শিক্ষা সফর, সাংস্কৃতিক নানা প্রতিযোগিতা, শিক্ষা মূলক কর্মসূচি, নানান দিবস কেন্দ্রীক প্রোগ্রাম সহ ইত্যাদি আয়োজন করে থাকে। মিশরের বুকে বাংলাদেশী ছাত্ররা উচ্চশিক্ষায় অসামান্য অবদান রেখে যাচ্ছে। আল-আযহারের কলেজ লেভেল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টে, সারা বিশ্বের ছাত্রদের মাঝে, প্রথম থেকে দশ জনের মেধা তালিকার সিংহভাগ বাংলাদেশী ছাত্ররা অর্জন করে থাকে। যা বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। ছাত্রদের রেজাল্ট ও পড়াশোনা কেন্দ্রীক উৎসাহ প্রদান ও কার্যকরী পদক্ষেপের জন্য অর্গানাইজেশন সত্যিই বিদেশের মাটিতে একটি রোল মডেল। দল মত নির্বিশেষে এই সংগঠন একটি ঐক্যমতের প্রতিক। যেখানে বাংলাদেশের সমস্ত মতাদর্শের ছাত্রগণ নিজেদের দূরত্ব ভুলে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেন। ইসলামের অনন্য সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে এ সংগঠনের মাধ্যমে। বর্তমান কার্যকরী কমিটির সেশনে, নয় সদস্যের মাঝে আরো রয়েছেন, অর্থ সম্পাদক, সাইফুর রহমান ও শরীফ মো. কাওসার হোসাইন। শিক্ষা সম্পাদক, আব্দুর রহমান। অফিস সম্পাদক, সাইফুল ইসলাম। সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ইয়াসিন আরাফাত। এবং মিডিয়া ও প্রেস সম্পাদক, আল আমিন সরকার।

post
আন্তর্জাতিক

আইএওটিপির-২০২৩'র সেরা অ্যাটর্নিদের একজন হলেন বাঙ্গালী মেয়ে মোহাইমিনা

ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব টপ প্রোফেশনালাস অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ এর শীর্ষ অ্যাটর্নিদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাঙ্গালী পরিবারের সন্তান অ্যাটর্নি মোহাইমিনা হক। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে তার প্রতিষ্ঠিত পিএলএলসি ল’ ফার্মের মাধ্যমে পেশাগত জগতে বিশেষ ভূমিকা রাখায় তিনি এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। চলতি বছরের ২ ডিসেম্বরে নিউইয়পিকের আইকনিক প্লাজা হোটেলের আইএওটিপির বার্ষিক গালা নাইটে তাকে অ্যাওয়ার্ড প্রদানের মাধ্যমে সম্মানিত করা হবে। প্রতি বছর বিভিন্ন পেশায় অসামান্য অবদান রাখার জন্য ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অ্যাটর্নি, এ্যাক্সিকিউটিভ শিল্পী ও অন্য পেশাদের মধ্য থেকে সেরাদের তালিকা প্রকাশ করে আইএওটিপি। পেশাগত দক্ষতা, একাডেমিক কৃতিত্ব, নেতৃত্বের দক্ষতা, কর্মক্ষেত্রে স্থায়ীত্বসহ অন্যান্য অনুষঙ্গ বিচার করে তৈরি করা হয় সেরাদের তালিকায়। সে সব যোগ্যতার ভিত্তিতে এই বছরের সেরা অ্যাটর্নিদের তালিকায় যারা জায়গা করে নিয়েছেন মোহাইমিনা হক। মোহাইমিনা হক তার ক্লায়েন্টদের কাছে পরিচিত ‘অ্যাটর্নি মিনা’ নামে। ব্যাক্তিগত ও যে কোন প্রতিষ্ঠানের জটিল সব কেস দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে সমাধান দিয়ে থাকেন তিনি। যার কারণে গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসিতে মিনা বেশ পরিচিত একটি নাম। আইনী পরামর্শক হিসেবে পেশাগত জগতে বেশ জনপ্রিয় তিনি। সেবা গ্রহনকারীদের পরার্মশ দেয়া থেকে আদালতে গিয়ে প্রতিনিধিত্ব করা পর্যন্ত ব্যাপক সহায়তা করার বিশেষ সুনাম রয়েছে তার। কর্পোরেট আইন, অভিবাসন আইন, টর্ট আইনসহ আর বেশ কিছু বিষয়ে মিনা আইনি সেবা দিয়ে এসেছেন সফলতার সাথে। এছাড়া ব্যক্তিগত সমস্যা, বাণিজ্যিক চুক্তি, ফ্র্যাঞ্চাইজি আইন, মানহানি, ভোক্তা অর্থ এবং ট্রেডমার্ক, শক্তিশালী ট্র্যাক রেকর্ড, মিথ্যা বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ওয়াশিংটন ডিসি-তে আইনী সেবা প্রদান করে থাকেন। এই সফলতার হার বিবেচনা করেই আইএওটিপির সেরা অ্যাটর্নিদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন মোহাইমিনা। সোশাল ও পাবলিক পলিসি বিষয়ের উপর জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোহাইমিনা হক তার স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর করেন। এরপর তিনি আমেরিকান ইউনিভার্সিটির ওয়াশিংটন কলেজ অফ ল থেকে মর্যাদাপূর্ণ কাম লাউড ডিস্ট্রিঙ্কশনের সঙ্গে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পেশাগত জীবন শুরুর পর তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের প্রয়াত সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির অফিসে নির্বাচকদের জন্য অভিবাসন মামলায় কাজ করেছিলেন। কাজ করেছেন ভার্জিনিয়া সিনেটর মার্ক ওয়ার্নারের হয়েও। এছাড়া তিনি ওবামা প্রশাসনের সময় হোয়াইট হাউসে ইন্টার্নশিপের জন্য যারা নির্বাচিত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন ছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি প্রেসিডেন্টের কার্যনির্বাহী অফিসে ডোমেস্টিক পলিসি কাউন্সিলে দায়িত্ব পালন করেন। বিশ্বব্যাপী কাজ করার জন্য তিনি বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। চলতি বছর তাকে আইএওটিপি-এর ক্ষমতাপ্রাপ্ত নারী পুরস্কারের জন্য এবং টাইমস স্কোয়ারের বিখ্যাত নাসডাক বিলবোর্ডে প্রদর্শনের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়া ২০২১ সালে ওয়াশিংটনিয়ান ম্যাগাজিন মোহাইমিনা হককে একজন অসাধারণ নারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মোহাইমিনার জন্ম বাংলাদেশে সম্ভ্রান্ত এক পরিবারে। তারা দাদা ফিরুজোর রহমান মাস্টার ছিলেন ফরিদপুরের বিখ্যাত একজন ব্যবসায়ী। আর নানা আদিলুদ্দিন আহমেদ ছিলেন যুক্ত ফ্রন্টের সাবেক মন্ত্রী। মোহাইমিনা এক বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসেন। তারা বাবা মিজানুর রহমান বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ড্রাসি বিসিআইয়ের একজন ডিরেক্টর। দুই ভাই বোনের মধ্যে মোহাইমিনা বড়। একই পেশায় আছেন মোহাইমিনার স্বামী মো: এহতেশামুল হকও। তিনি প্রযুক্তি ও লেনদেন বিষয়ক অ্যাটর্নি। দুই কন্যা ও স্বামীসহ পরিবার নিয়ে মোহাইমিনা বসবাস করেন ওয়াশিংটন ডিসি মেট্রো এলাকায়।

post
আন্তর্জাতিক

মুসলিম কমিউনিটির ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্য স্টার্লিংয়ে হলো প্রথম আমিন-অ্যাডাম অ্যাক্সপো

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার স্টার্লিংয়ে মুসলিম কমিউনিটিকে নিয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হলো আমিন-অ্যাডাম অ্যাক্সপো। ১৮ মার্চ শনিবার আমিন প্রজেক্ট ও অ্যাডাম সেন্টারের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় একদিনের এই অ্যক্সপো।ডিএমভি এরিয়ার অর্ধশতাধিক নানা রকম পণ্য ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের অংশ গ্রহনের বাণিজ্যিক এই প্রদর্শনীতে ভিড় করে মুসলিম কমিউনিটির হাজারো দর্শনার্থী। বেশ কিছু অন্যান্য কমিউনিটি বেজড কাজের পাশাটাশি মুসলিম ব্যবসায়ী ও উদোক্তাদের এক সাথে মিলিত করা এবং তাদের ব্যবসায়িক উন্নয়নের লক্ষ্যে দুই বছর আগে থেকে কাজ শুরু করে আমিন প্রজেক্ট। সেই প্রজেক্টের অধীনে বিজেনেস নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে অ্যাডাম সেন্টারের সাথে যৌথভাবে আয়োজন করে এই অ্যাক্সপোর। একদিনের এই অ্যাক্সপোতে দর্শনার্থীদের এমন সাড়া দেখে অভিভুত আয়োজকরা।অ্যাডাম সেন্টারের পুরোটা জায়গা জুড়ে বিস্তৃত ছিলো এই আয়োজন। নানা রকম পণ্যের সেম্পল, হালাল নিউট্রেশন পণ্য, বিশ্ববিদ্যালয়, আইটি ট্রেইনিং, চাকরির নিয়োগ, হেলথ সার্ভিস, রিয়েলেস্টেট, মটগেজ, ইন্সুইরেন্স, ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস, হ্যান্ডিক্রাপট, স্কিন ক্যারিয়ারের প্রতিষ্ঠানসহ নানা রকম ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিলো প্রদর্শনীতে। প্রতিটি স্টলের প্রতিনিধিরা দর্শকদের সাথে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন দিনভর। নিজেদের পণ্য ও সেবার তথ্য পৌছে দিতে পেরেছেন সরাসরি।নারী উদ্যেক্তাদের অংশগ্রহন ছিলো চোখে পড়ার মত। ডিএমভির বাইরের দূরের স্টেট থেকে অংশ নিয়েছে কেউ কেউ। ঈদের কেনাকাটার সুযোগ ছিলো এখানে। মুসলিম কমিউনিটির বিভিন্ন দেশের নারী উদ্যেক্তারা হরেক রকম কাপড়ের স্টল নিয়ে বসেছিলো অ্যক্সপোতে। দর্শকদের সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিলো কাপড়ের স্টলগুলোতে। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং সফট স্কিল ডেভেলপমেন্টের আইটি ইনস্টিটিউট পিপলএনটেকর মতো বড় প্রতিষ্ঠানও অংশ নিয়েছিলো প্রদর্শনীতে। ডব্লিউইউএসটির চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ। উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপও। সার্বিক আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা দেখে প্রশংসা করেন আগত দর্শনার্থীরাও। হালাল খাবারের বেশ কয়েকটি স্টল বসেছিলো অ্যাডাম সেন্টারের নীচ তলাতে। শুধু ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়নই নয়, মাহে রমজানরের আগে মুসলিম কমিউনিটির একে অপরের সাথে দেখা হবার সুযোগ তৈরি হয়েছিলো এই আমিন-অ্যাক্সপোর মাধ্যমে।

post
আন্তর্জাতিক

আইটিখাতে ভবিষ্যত প্রজন্ম গঠনে ডব্লিউইউএসটির দারুণ সম্ভাবনা দেখছেন সিনেটর পিটার্সেন

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পরিদর্শন করে গেলেন ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স স্টেট সিনেটর জন চ্যাপম্যান পিটারসেন। সোমবার ডব্লিউইউএসটি পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপের নেতৃত্বে ডব্লিউইউএসটি ভবিষ্যত প্রজন্ম গঠনে যেভাবে এগিয়ে চলছে তা প্রশংসার দাবিদার। যে কোন প্রয়োজনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে আসতে চান বলে জানান তিনি। এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি ভার্জিনিয়া সিনেট অ্যাসেম্বলিতে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স টেকনোলজিকে বিশেষ রিকগনিশন দেন ভার্জিনিয়ার চল্লিশজন সেনেটর। সেই বিশেষ মুহুর্তের পর সিনেটর পিটারসেন এবার নিজেই পরিদর্শন করলেন তার নির্বাচনী এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় ডব্লিউইউএসটি। এসেই ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন পিটারসেন। বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে সে সম্পর্কে ব্রিফিং নেন তিনি। পরে ডব্লিউইউএসটির হলরুমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে বসেন। প্রেসিডেন্ট হাসান কারাবার্কের পরিচালনায় উপস্থিত সবাই পরিচিত হন সিনেটর পিটারসনের সাথে। আধা ঘন্টার ওই মতবিনিময়ে সিনেটরের সামনে তুলে ধরা হয় ওয়াশিংটন ইউনিভাসির্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষাপদ্ধতি, নিজেদের বিশেষত্ব, বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশন ও ভিশন। মার্কেটিং ডিরেক্টর হোসে উর্তেগার উপস্থাপনার পর পিটারসেন তার মন্তব্যে ডব্লিউইউএসটির দারুন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যত যেদিকে হাটছে এই বিশ্ববিদ্যালয় সেই প্রজন্ম তৈরি করার লক্ষ্যেই কাজ করছে। প্রথম বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন সিনেটর চ্যাপম্যান পিটারসেন। এই মিশনে তিনি নিজেও সংযুক্ত হবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বলেন, তার এলাকায় পরিচালিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন প্রয়োজনে তিনি পাশে থাকতে চান। গত ২৫ বছর ধরে ডেমোক্রেটের একজন প্রতিনিধি হয়ে আমেরিকায় মুলধারায় রাজনীতি করে আসছেন পিটারসেন। সিনেট অ্যাসেম্বলির বিশেষ সম্মাননার পর তার এই পরিদর্শনে উচ্ছসিত চ্যান্সেরল ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যন্ড টেকনোলজির দায়িত্ব নেবার পর থেকে এমন কাউকে খুজছিলেন যার পরামর্শে আরও সঠিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়টি এগিয়ে যেতে পারবেন। এতোদিনে সেই মানুষটা মনে হয় তিনি পেয়ে গেছেন। যিনি নিজ আগ্রহে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। পরিদর্শনে আসার জন্য সিনেটর পিটারসনকে ধন্যবাদ জানান, ডব্লিউইউএসটির প্রধান অর্থকমর্কতা ফারহানা হানিপ।এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. জাফর পিরিম ও ড. শ্যান চো এবং স্কুল অব বিজনেস'র পরিচালক ড. মার্ক এল রবিনসন ছাড়াও ডব্লিউইউএসটির সব বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ। সিনেটর পিটারসেনের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তুলে দেয়া হয় বিশেষ উপহার। এরপর নিজ আগ্রহে সবার সাথে ছবি তোলায় অংশ নেন সিনেটর। তার বর্তমান সিনেটর মেয়াদের শেষ কার্য দিবস আসছে ৩১ মার্চ। সেদিন রাতে একটি নৌশভোজের আয়োজন করতে যাচ্ছেন তিনি। সেই নৌশভোজে সবাইকে আমন্ত্রন জানিয়ে বিদায় নেন সিনেটর পিটারসেন। বলে যান, সময় পেলেই আবারও ছুটে আসবেন ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাসে। 

post
প্রযুক্তি

জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার তর্জনী উদ্বোধন করলেন পলক

আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে উদ্বোধন হয়েছে জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার তর্জনী।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী আগারগাঁওস্থ বিসিসি অডিটরিয়ামে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে দেশের সাধারণ জনগণকে বাংলায় ইন্টারনেট ব্যবহারে সহায়তা প্রদানে “জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার তর্জনী” এর উদ্বোধন করেন।অনুষ্ঠানে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন ‘ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে সাড়ে ৭ কোটি মানুষকে বঙ্গবন্ধু যে তর্জনীর ইশারা দিয়েছিলেন, সেই তর্জনীর ইশারায় দেশের ব্যাংক, বীমা, অফিস আদালতসহ সবকিছুই পরিচালিত হয়েছিল। তর্জনী উঁচিয়ে জাতিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধের দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। কীভাবে একটি সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা ও ঝাপিয়ে পড়তে আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক রনজিৎ কুমার এর সভাপতিত্বে অন্যান্যোর মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন এবং ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টারের প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সাইফুল আলম খান।প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে প্রবেশ করছি। এই স্মার্ট বাংলাদেশের সুফল পেতে হলে আমাদের শুধু বিদেশ নির্ভর সেবার ওপর নির্ভর করে থাকলে চলবে না। আমাদের স্বাবলম্বী হতে হবে। আমরা এমন একটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চাই, যেটি হবে স্বাবলম্বী। সেই স্বাবলম্বী স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য আমরা এনেছি তর্জনী। পলক বলেন, আমরা আত্মনির্ভরশীল স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে আমাদের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম থাকবে, নিজস্ব ব্রাউজারে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট ব্যবহার করবে। আমরা শুধু ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং করবো না, আমাদের দেশ থেকেও গুগল, অ্যামাজন, ফেসবুক ও আলীবাবার মতো বিলিয়ন-ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানি তৈরি ও উদ্ভাবনে তরুণদের সহযোগিতা করাই আমাদের আইসিটি বিভাগের মূল উদ্দেশ্য। সেই ক্ষেত্রে তর্জনী প্রকাশের মাধ্যমে আজ একটা বিশাল অগ্রগতি হলো। এখানে সরকারের বিভিন্ন সেবা, নিউজপোর্টাল ও বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) এস্টাবলিসমেন্ট অব সিকিউরড ই-মেইল ফর গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার এর উদ্যোগে চালু করা ‘তর্জনী’ ব্রাউজার। গুগল ক্রোম একটি দ্রুত এবং নিরাপদ ব্রাউজার, যা সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে তর্জনী ব্রাউজারটি তৈরি করা হয়েছে বাংলা ভাষা ব্যবহারকারীদের ভাষাগত জটিলতা দূরীকরণের জন্য। ব্রাউজারটিতে শুধু বাংলা নয়, ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে ইংরেজি ভাষাও। অ্যাপল এবং গুগল প্লে স্টোরে মিলবে নিরাপদ ও দ্রুতগতির এই বাংলাদেশি ব্রাউজার। এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী আইসিটি টাওয়ার চত্বরে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় আইসিটি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিনসহ বিভাগ ও সংস্থা সমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

post
বাংলাদেশ

হাজারীবাগে গড়ে উঠেছে চামড়া পণ্যের ক্লাস্টার: বছরে লেনদেন প্রায় ৬০ কোটি টাকা।

পরিবেশ ছাড়পত্র সহজ করা এবং সাভারের ট্যানারি পল্লীর পাশে উদ্যোক্তাদের জায়গা বরাদ্দের চেষ্টা করছে উন্নয়নে সহায়তা করছে এসএমই ফাউন্ডেশন।রাজধানীর হাজারীবাগে গড়ে উঠেছে বাহারী ও মানসম্পন্ন চামড়া পণ্যের ক্লাস্টার। এই ক্লাস্টারে বছরে লেনদেন হচ্ছে প্রায় ৬০ কোটি টাকা। ক্লাস্টারটির পণ্যের মানোন্নয়ন, বহুমুখীকরণ এবং উদ্যোক্তা-কর্মীর দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করছে এসএমই ফাউন্ডেশন। ০৯ মার্চ ২০২৩ আগারগাঁও পর্যটন ভবনে এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে ‘হাজারীবাগ এলাকায় লেদার প্রোডাক্ট ক্লাস্টারের সম্ভাবনা ও করণীয়’ সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান, পরিচালক পর্ষদ সদস্য মির্জা নূরুল গণী শোভন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমান এবং হাজারীবাগ লেদার ক্র্যাফটস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তানিয়া ওয়াহাব।মূল প্রবন্ধে এসএমই ফাউন্ডেশনের উপমহাব্যবস্থাপক আবু মঞ্জুর সাইফ বলেন, এসএমই ফাউন্ডেশনের ক্লাস্টার ম্যাপিং স্টাডি অনুযায়ী রাজধানীর হাজারীবাগে পুরনো ট্যানারি পল্লীতে গড়ে ওঠা লেদার ক্লাস্টারটিতে চামড়া থেকে তৈরি জুতা, বেল্ট, মানিব্যাগ, জ্যাকেট, অফিসিয়াল ব্যাগসহ নানা ধরনের পণ্য উৎপাদন করা হয়। হাজারীবাগ ট্যানারি মোড় থেকে লেদার টেকনোলজি কলেজ পর্যন্ত হাজারীবাগ বাজার, ধানমণ্ডি ১৫ নম্বর বাসস্ট্যান্ড গলিসহ পুরো এলাকাজুড়ে প্রায় ৩৫০-৪০০ দোকান, শোরুম ও চামড়াজাত পণ্যের ছোট কারখানা রয়েছে।এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান বলেন, ক্লাস্টারটির বাৎসরিক লেনদেন প্রায় ৫০-৬০ কোটি টাকা। দেশীয় বাজারে উন্নত মানের চামড়াজাত পণ্য সরবরাহের পাশাপাশি ক্লাস্টারটির বেশ কিছু উদ্যোক্তা বিদেশেও পণ্য রপ্তানি করে থাকেন। হাজারীবাগ লেদার ক্লাস্টারের প্রায় সকল উদ্যোক্তাই নিজস্ব শো-রুম থেকে সরাসরি পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করে থাকেন। পাশাপাশি চুক্তি ভিত্তিতে উদ্যোক্তারা দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্র্যান্ডের জন্য চামড়াজাত বহুমুখী পণ্য সরবরাহ করে থাকেন। ক্লাস্টারের বেশ কিছু উদ্যোক্তা বিদেশে পণ্য রপ্তানি করেন। এসএমই ফাউন্ডেশন ক্লাস্টারটির উন্নয়নে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ফাউন্ডেশনের সহায়তায় অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পণ্যের মানোন্নয়নে প্রশিক্ষণসহ অনলাইনে ক্লাস্টার পণ্য বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে ফাউন্ডেশন হাজারীবাগ ক্লাস্টারে অনলাইন-মার্কেটিং প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় ও আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলায় ক্লাস্টারের উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করে থাকেন। ক্রেডিট হোলসেলিং কর্মসূচির আওতায় চামড়াজাত পণ্যের উদ্যোক্তাদের মাঝে ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে।এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পর ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা নাও থাকতে পারে। এক্ষেত্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অথবা বিকল্প হিসাবে সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে চামড়া শিল্প। উদ্যোক্তাদের দাবি, চামড়াজাত পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন, পণ্য বহুমুখীকরণ, নীতিগত বাধা দূর করা, কমপ্লায়েন্স অনুসরণ, সহজ শর্তে ঋণ, শুল্ক ও কর অব্যাহতি এবং নগদ প্রণোদনাসহ পরিবহন ও বন্দরে লজিস্টিক সুবিধা প্রদান করা হলে সম্ভাবনাময় এই খাত দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ বলেন, এখানকার ছোট চামড়া পণ্যের কারখানার পরিবেশ ছাড়পত্র প্রাপ্তি সহজ করার পাশাপাশি সাভারের ট্যানারি পল্লীর পাশে উদ্যোক্তাদের জায়গা বরাদ্দের চেষ্টা করছে সরকার। চামড়া পণ্যের ক্লাস্টারের উন্নয়নে যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণ করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম মেলা শুরু

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এর আয়োজনে শুরু হয়েছে ১১তম বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ)। এবারের আন্তর্জাতিক এই পর্যটন মেলায় টাইটেল স্পন্সর হিসেবে আছে ফার্স্ট ট্রিপ। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার-২০২৩। বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দুপুরে মেলার উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।দেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন এই মেলায় মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশ ফি থাকছে না। অন্যরা ৩০ টাকা এন্টি ফি দিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। আন্তর্জাতিক ও দেশি এয়ারলাইন্স, ট্যুরিজম বোর্ড, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, হোটেল, রিসোর্ট, ক্রুজ লাইনার ও হাসপাতাল অংশ নিয়েছে। তারা নিজেদের সেবার উপর বিশেষ মূল্য ছাড়সহ নানান সুবিধা দিচ্ছে। এছাড়া ট্যুর অপারেটররা দিচ্ছে বিভিন্ন আকর্ষণীয় প্যাকেজ।মেলায় ৩টি হলে ১৪টি প্যাভিলিয়নসহ ১৫০টি স্টল রয়েছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এবার মেলায় দুটি সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে।আন্তর্জাতিক এই মেলার আয়োজন করেছে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)। এবারের মেলায় পৃষ্ঠপোষকতা করছে ফার্স্টট্রিপ। মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, এফবিসিসিআই এবং বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, দেশের পর্যটন খাতের অসীম সম্ভাবনা রয়েছে। এই মেলার মাধ্যমে দেশের পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে আমাদের দেশসহ অন্যান্য দেশে মানুষের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। টোয়াবের এই মেলা দেশি-বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করতে সহায়ক হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সদস্য শিবলুল আজম কোরেশী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ ইউনুস।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মোকাম্মেল হোসেন, স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিস্কো ডি আসিস বেনিটেজ সালাস,বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী কদর, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মোহাম্মদ জাবের, শ্রীলঙ্কান হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি শ্রীমালি জয়ারত্না, জাপান দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি কেন কমিনি, জাপান ন্যাশনাল ট্যুরিজম অরগানাইজেশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর কানয়াকুমারী প্রমুখ।বিভিন্ন দেশের জাতীয় পর্যটন সংস্থা ও ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়াও ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভিয়েতনাম, জাপান ও তুরস্কের ট্যুর অপারেটর এবং ট্রাভেল এজেন্টরা অংশ নিয়েছে মেলায়।রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কেন্দ্রে এই পর্যটন মেলা চলবে আগামী ৪ মার্চ পর্যন্ত।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.