আন্তর্জাতিক

আইটিখাতে ভবিষ্যত প্রজন্ম গঠনে ডব্লিউইউএসটির দারুণ সম্ভাবনা দেখছেন সিনেটর পিটার্সেন

post-img

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পরিদর্শন করে গেলেন ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স স্টেট সিনেটর জন চ্যাপম্যান পিটারসেন। সোমবার ডব্লিউইউএসটি পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপের নেতৃত্বে ডব্লিউইউএসটি ভবিষ্যত প্রজন্ম গঠনে যেভাবে এগিয়ে চলছে তা প্রশংসার দাবিদার। যে কোন প্রয়োজনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে আসতে চান বলে জানান তিনি। 

এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি ভার্জিনিয়া সিনেট অ্যাসেম্বলিতে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স টেকনোলজিকে বিশেষ রিকগনিশন দেন ভার্জিনিয়ার চল্লিশজন সেনেটর। সেই বিশেষ মুহুর্তের পর সিনেটর পিটারসেন এবার নিজেই পরিদর্শন করলেন তার নির্বাচনী এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় ডব্লিউইউএসটি। 

এসেই ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন পিটারসেন। বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে সে সম্পর্কে ব্রিফিং নেন তিনি। পরে ডব্লিউইউএসটির হলরুমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে বসেন। প্রেসিডেন্ট হাসান কারাবার্কের পরিচালনায় উপস্থিত সবাই পরিচিত হন সিনেটর পিটারসনের সাথে। আধা ঘন্টার ওই মতবিনিময়ে সিনেটরের সামনে তুলে ধরা হয় ওয়াশিংটন ইউনিভাসির্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষাপদ্ধতি, নিজেদের বিশেষত্ব, বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশন ও ভিশন। 

মার্কেটিং ডিরেক্টর হোসে উর্তেগার উপস্থাপনার পর পিটারসেন তার মন্তব্যে ডব্লিউইউএসটির দারুন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যত যেদিকে হাটছে এই বিশ্ববিদ্যালয় সেই প্রজন্ম তৈরি করার লক্ষ্যেই কাজ করছে। 

প্রথম বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন সিনেটর চ্যাপম্যান পিটারসেন। এই মিশনে তিনি নিজেও সংযুক্ত হবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বলেন, তার এলাকায় পরিচালিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন প্রয়োজনে তিনি পাশে থাকতে চান। 

গত ২৫ বছর ধরে ডেমোক্রেটের একজন প্রতিনিধি হয়ে আমেরিকায় মুলধারায় রাজনীতি করে আসছেন পিটারসেন। সিনেট অ্যাসেম্বলির বিশেষ সম্মাননার পর তার এই পরিদর্শনে উচ্ছসিত চ্যান্সেরল ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যন্ড টেকনোলজির দায়িত্ব নেবার পর থেকে এমন কাউকে খুজছিলেন যার পরামর্শে আরও সঠিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়টি এগিয়ে যেতে পারবেন। এতোদিনে সেই মানুষটা মনে হয় তিনি পেয়ে গেছেন। যিনি নিজ আগ্রহে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। 

পরিদর্শনে আসার জন্য সিনেটর পিটারসনকে ধন্যবাদ জানান, ডব্লিউইউএসটির প্রধান অর্থকমর্কতা ফারহানা হানিপ।

এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. জাফর পিরিম ও ড. শ্যান চো এবং স্কুল অব বিজনেস'র পরিচালক ড. মার্ক এল রবিনসন ছাড়াও ডব্লিউইউএসটির সব বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ। 

সিনেটর পিটারসেনের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তুলে দেয়া হয় বিশেষ উপহার। এরপর নিজ আগ্রহে সবার সাথে ছবি তোলায় অংশ নেন সিনেটর। তার বর্তমান সিনেটর মেয়াদের শেষ কার্য দিবস আসছে ৩১ মার্চ। সেদিন রাতে একটি নৌশভোজের আয়োজন করতে যাচ্ছেন তিনি। সেই নৌশভোজে সবাইকে আমন্ত্রন জানিয়ে বিদায় নেন সিনেটর পিটারসেন। বলে যান, সময় পেলেই আবারও ছুটে আসবেন ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাসে। 


সম্পর্কিত খবর

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.