post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম মেলা শুরু

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এর আয়োজনে শুরু হয়েছে ১১তম বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ)। এবারের আন্তর্জাতিক এই পর্যটন মেলায় টাইটেল স্পন্সর হিসেবে আছে ফার্স্ট ট্রিপ। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার-২০২৩। বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দুপুরে মেলার উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।দেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন এই মেলায় মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশ ফি থাকছে না। অন্যরা ৩০ টাকা এন্টি ফি দিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। আন্তর্জাতিক ও দেশি এয়ারলাইন্স, ট্যুরিজম বোর্ড, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, হোটেল, রিসোর্ট, ক্রুজ লাইনার ও হাসপাতাল অংশ নিয়েছে। তারা নিজেদের সেবার উপর বিশেষ মূল্য ছাড়সহ নানান সুবিধা দিচ্ছে। এছাড়া ট্যুর অপারেটররা দিচ্ছে বিভিন্ন আকর্ষণীয় প্যাকেজ।মেলায় ৩টি হলে ১৪টি প্যাভিলিয়নসহ ১৫০টি স্টল রয়েছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এবার মেলায় দুটি সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে।আন্তর্জাতিক এই মেলার আয়োজন করেছে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)। এবারের মেলায় পৃষ্ঠপোষকতা করছে ফার্স্টট্রিপ। মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, এফবিসিসিআই এবং বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, দেশের পর্যটন খাতের অসীম সম্ভাবনা রয়েছে। এই মেলার মাধ্যমে দেশের পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে আমাদের দেশসহ অন্যান্য দেশে মানুষের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। টোয়াবের এই মেলা দেশি-বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করতে সহায়ক হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সদস্য শিবলুল আজম কোরেশী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ ইউনুস।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মোকাম্মেল হোসেন, স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিস্কো ডি আসিস বেনিটেজ সালাস,বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী কদর, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মোহাম্মদ জাবের, শ্রীলঙ্কান হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি শ্রীমালি জয়ারত্না, জাপান দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি কেন কমিনি, জাপান ন্যাশনাল ট্যুরিজম অরগানাইজেশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর কানয়াকুমারী প্রমুখ।বিভিন্ন দেশের জাতীয় পর্যটন সংস্থা ও ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়াও ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভিয়েতনাম, জাপান ও তুরস্কের ট্যুর অপারেটর এবং ট্রাভেল এজেন্টরা অংশ নিয়েছে মেলায়।রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কেন্দ্রে এই পর্যটন মেলা চলবে আগামী ৪ মার্চ পর্যন্ত।

post
টেক মেন্টর

নাটোরের সিংড়ায় জাপানি শিক্ষা পদ্ধতি কুমন উদ্বোধন করলেন পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ২৮ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) নাটোরের সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল এ্যান্ড কলেজে তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তর ও ব্র্যাক কুমন লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে দেশের শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবগুলেতে জাপানি আফটার স্কুল শিক্ষা পদ্ধতি 'ব্রাক কুমন' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পলক বলেন, আধুনিক শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘ব্র্যাক কুমন’ শিক্ষা পদ্ধতি বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।তিনি বলেন, পৃথিবীতে তিনটি সম্পদ আছে যা বিতরণ করলে ও অন্যের সাথে ভাগাভাগি করলে কমে যায়না বরং বৃদ্ধি পায় এবং তা হলো- ভালোবাসা, সম্মান ও জ্ঞান। তাই গণিত ও ইংরেজির ভীতি দূর করে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের মাধ্যমে আফটার স্কুল লার্নিং পদ্ধতি আগামী প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় দক্ষ করে তুলবে।প্রতিমন্ত্রী ২০৩১ সালের মধ্যে ৩৫ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে কুমন পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা হবে জানিয়ে বলেন, ব্রাক কুমন পদ্ধতি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি ‘লার্নিং ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের অনেক বেশি উৎসাহিত করবে। প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ স্মার্ট নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে কোমলমতি শিশুকিশোরদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ব্র্যাক কুমন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ, তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোস্তফা কামাল, জেলা শিক্ষা অফিসার আক্তার হোসেন, নাটোরের সিংড়ার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস, মনেরবন্ধু প্রতিষ্ঠাতা তৌহিদ শিরোপা, দমদমা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম, স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি অহিদুর রহমান, জাপান থেকে আগত কুমন বাংলাদেশের প্রকল্প পরিচালক কৈচি সান জেট্রো বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি উইজি আন্দো প্রমুখ।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠার ১৬ তম বর্ষে ৬১ দেশে ২৪ হাজার সেন্টার আছে কুমনের।

post
বাংলাদেশ

৩ মার্চ শুরু হচ্ছে ‘বেকার্স ফেস্টিভ্যাল সিজন-৪’

এফ কমার্স বেইজড হোম বেকারদের অনলাইন কমিউনিটি ‘বিডি বেকার্স’ এর তত্ত্বাবধানে ‘বেকার্স ফেস্টিভ্যাল সিজন-৪’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।মহাখালীর এস কে এস টাওয়ার এর সেনা গৌরব হলে (লেভেল ৯) মার্চের ৩ ও ৪ তারিখ (শুক্র ও শনিবার) দুই দিনব্যাপী বেকিং এবং কেক ডেকোরেশন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলাটি প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।মেলায় ঘরে তৈরি হরেক রকমের কেক, ডেজার্ট ও অন্যান্য খাবার প্রদর্শন এবং বিক্রির ব্যবস্থা থাকছে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তারা ঘরে বানানো বিভিন্ন ফ্লেভারের কেক, কুকিস, নানা রকমের মুজ, চকোলেট, ফ্রেঞ্চ স্পেশাল ডেজার্ট, হরেকরকম স্বাদের চিজকেক, নানা রকমের ব্রেড, বান, প্যাটিস থেকে শুরু করে নানা পদের দেশী বিদেশী খাবার নিয়ে আসবেন।এছাড়াও কাস্টোমাইজড কেক ডেকোরেশন শিখতে আগ্রহীদের জন্য থাকবে বেশ কয়েকটি ওয়ার্কশপ। মেলায় প্রবেশাধিকার সবার জন্য উন্মুক্ত থাকলেও বেকিং ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করতে চাইলে ১ মার্চের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এছাড়া দেশের জনপ্রিয় কাস্টোমাইজড কেক প্রস্তুতকারকদের তৈরি ডিসপ্লে কেক নিয়ে একটি ছোট প্রদর্শনীর ব্যবস্থাও থাকবে দর্শনার্থীদের জন্য।বেকিং এবং কেক সাজানোর প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও কাঁচামাল সরবরাহকারী বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাদের রকমারি পণ্যের পসরা নিয়ে থাকবে এই আয়োজনে। সেই সাথে এই বছর কফি পার্টনার হিসেবে থাকছে জনপ্রিয় কফি চেইন কফি ওয়ার্ল্ড এবং বেভারেজ পার্টনার হিসেবে সাথে থাকছে ট্রান্সকম বেভারেজ লিমিটেড।বেকিং মেলার এই উদ্যোগের আয়োজক হিসেবে রয়েছেন পুনিজ কিচেনের কর্ণধার উম্মে আকলিমা আলম (আনিকা) ও আবু হেনা মোস্তফা কামাল (রুমি), মাদারস ড্রিম বেকারির কর্ণধার সুরাইয়া মান্নান, ডক্টরস বেক-এর কর্ণধার ড. শাহীন আখতার এবং বাংলা নীড এর কর্ণধার অপু সুলতান।আয়োজকদের সাথে মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো আব্দুল খালেক এন্টারপ্রাইজ, প্রেস্তো বাংলাদেশ, বেইক এ কেক, দীনা’স, প্রথমা কিচেন, জাফরিন’স কিচেন, কেকস, কেকারস’ শপ, আফরিন’স কিচেন, শিম্মি’স রেসিপি, বেকারস’ ক্রাফট, বাইটস অফ ডিলাইট বাই মিথিলা, স্কুপ এন ইট, বেলারিয়া ফুডস, নিম্মি’স কেকারি বাইট, লিটল বেকার, পিয়ারী’স কিচেন, নই-নয় এবং শারমিন’স কুকশ্যাক।এছাড়া ভলান্টিয়ার পার্টনার হিসেবে থাকছেন কেক বেক এর তানজিয়া রশীদ ও এনামুল হক।

post
আন্তর্জাতিক

ফাগুনের আমেজে নিউইয়র্কে হয়ে গেলো ফাগুন পিঠা উৎসব

৬১ রকমের পিঠার সমাহার নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ‘ফাগুন ও পিঠা উৎসব’। কুইন্স প্যালেসে ‘শো-টাইম মিউজিক’র বর্ণাঢ্য এ উৎসবে জড়ো হয়েছিলেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রবাসীরা । বিপুল করতালির মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে এ পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন যৌথভাবে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর আবু বকর হানিফ এবং ডেমক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এ্যাট লার্জ এটর্নী মঈন চৌধুরী। হোস্ট সংগঠনের কর্ণধার আলমগীর খান আলমসহ সহযোগিতাকারিরাও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।  এই উৎসবের উপস্থিত ছিলেন খ্যাতনামা এটর্নী ও ডেমক্র্যাটিক পার্টির নেতা মঈন চৌধুরী। দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, কুইন্স কাউন্টিতে ১৯০টি দেশের ৩৬৫টিরও অধিক ভাষার মানুষ বাস করছে। অর্থাৎ বর্ণাঢ্য সংস্কৃতির তীর্থ ভূমি হচ্ছে আমাদের এই কুইন্স। এমন একটি বহুজাতিক সমাজে বাঙালিদের ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরতে শো-টাইম মিউজিকের সকল কর্মকাণ্ডে আমার সহায়তা অব্যাহত থাকবে। পিঠা উৎসবের অন্যতম অতিথির বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রথম ইউনিভার্সিটি ‘ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি’র চ্যান্সেলর আবু বকর হানিফ বলেন, এ উৎসব বাঙালি সংস্কৃতির ধারা ভিন্ন ভাষার মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে সক্ষম বলে মনে করছি। তিনি উল্লেখ করেন, শো-টাইম মিউজিকের কর্ণধার আলমগীর খান আলম নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতি, মূল্যবোধকে আমেরিকার মূলধারায় বিকাশ ঘটাতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। এজন্যে সকলে যেনে তার জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন সেই অনুরোধ জানান।  সোনিয়ার সঞ্চালনায় এ আয়োজনে স্বাগত বক্তব্যে সর্বস্তরের প্রবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান আলমগীর খান আলম। উৎসবে বিকেল থেকে মধ্যরাত অবধি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা এতে পারফর্ম করেন। গেয়ে শুনান জনপ্রিয় বেশ কিছু গান। এই উৎসব আয়োজিনে ছিল শাড়ি-কাপড়ের স্টলও। অর্থাৎ পিঠার আমেজে গৃহিনীরা কেনাকাটাও করেছেন ভিন্ন এক আমেজে। আয়োজকরা জানিয়েছেন সামনে আরও বড় পরিসরে উৎসব আয়োজন করা হবে।

post
আন্তর্জাতিক

উডব্রিজে বিসিসিডিআই বাংলা স্কুলের স্বপ্নের নতুন ভবনের উদ্বোধন

অবশেষে নিজেদের স্বপ্নের ভবন পেলো 'বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভোলপমেন্ট' বিসিসিডিআই বাংলা স্কুল। যেটি যুক্তরাষ্ট্রের ডিএমভি এলাকায় বাংলা স্কুল নামেই সবার কাছে বেশি পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার উডব্রিজে স্থায়ী এই কার্য্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে ২৬ ফেব্রুয়ারি রোববার। উদ্বোধন করেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসে নিযুক্ত রাষ্ট্রদুত মো: ইমরান। সেই সাথে তিনি উদ্বোধন করেন 'হল অব অনার' বোর্ড অর্থাৎ যাদের সহায়তায় দাড়িয়েছে বিসিসিডিআইয়ের নিজস্ব কার্য্যালয় তাদের খোদাই করা নামের তালিকা। আর সবশেষে উদ্বোধনের তালিকায় ছিলো আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ তা হলো একটি লাইব্রেরি।উদ্বোধন করা আগে দুপুর ১২টায় কার্য্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে সকল ভাষা শহীদের প্রতি অর্পণ সম্মান জানান রাষ্ট্রদূত মো: ইমরান। এরপর শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। শুরুতে ভাষা শহীদদের স্মৃতির সম্মানে সবাই দাড়িয়ে এক মিনিট নীরবলতা পালন করা হয়। এরপর সূচনা বক্তব্য রাখেন বাংলা স্কুলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট পঙ্কজ চৌধুরী। সেক্রেটারি রিদওয়ান চৌধুরী ধন্যবাদ জানান, সকল পৃষ্ঠপোষক, শিক্ষক, ছাত্র, অভিভাক, সমর্থকদের যারা শুরু থেকে বাংলা স্কুলকে নানাভাবে সমর্থন দিয়ে এসেছেন। এরপর প্রধান অতিথীর বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত মো: ইমরান বলেন, অত্র এলাকায় সবার কাছে বাংলা স্কুল কতোটা জনপ্রিয় তা তিনি পুরোপুরি অবগত। বাংলা ভাষার চর্চা ও সংস্কৃতিকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে এই প্রতিষ্ঠান যেভাবে উপস্থাপন করছে তার কোন তুলনা হয়না। এই প্রতিষ্ঠানের পাশে সবসময় থাকবেন বলে তিনি বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে তিনজনের প্রতি জানানো হয় বিশেষ কৃতজ্ঞতা। যারা বিসিসিডিআইয়কে সহায়তা করে আসছেন নানাভাবে। আর তাদেরই একজন ভয়েস অব আমেরিকার দীর্ঘ সময় কাজ করা সাংবাদিক মাসুমা খাতুন। যিনি এই কার্য্যালয়ের লাইব্রেরি গড়ে তোলার পেছনে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি ২৫০ বই দিয়ে সহায়তা করেছেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই তাদের মতামত উপস্থাপন করেন। সবশেষে ছিলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গ্রেটার ওয়াশিংটন এলাকায় সাংস্কৃতিক পারফরম্যান্সের জন্য খুবই জনপ্রিয় বাংলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা। রাষ্ট্রদূতের সামনে তারা নানা ধরনের পারফর্ম করেন। ১৯৮৭ সাল থেকে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ সেন্টার ফর ডেভোলপমেন্ট। ফেয়ারফ্যাক্স, আর্লিংটন, প্রিন্স উইলিয়াম কাউন্টির কমিউনিটির নাগরিকদের উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছে। গ্রেটার ওয়াশিংটন মেট্রো এলাকায় বাংলা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বাজায় রাখতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের তরুণদের বিভিন্ন ভাষা শেখানোর জন্য শুরু থেকে কাজ করে আসছে বাংলা স্কুল। এই লম্বা সময়ের পথচলায় সংস্থাটি এতোদিন অস্থায়ীভাবে অন্য জাগয়ায় থেকে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো। কমিউনিটির সবার সহায়তায় ২০১২১ সালে জায়গা কিনে নতুন কার্য্যালয়ের কাজ শুরু করে দেয়। এবং সবশেষে এই কার্য্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করলো বিসিসিডিআউ বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠানটি।

post
বিনোদন

বাংলা শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে দেশে এবং বিদেশে প্রচারে ঢাকা ক্লাসিকস এর যাত্রা শুরু

বাংলা শাস্ত্রীয় সঙ্গীতকে দেশে এবং বিদেশে প্রচারে মিউজিক্যাল ফাউন্ডেশন চালু হয়েছে। দেশে ও বিদেশে পশ্চিমা শাস্ত্রীয়, জ্যাজ এবং ঐতিহ্যবাহী বাংলা সঙ্গীত প্রচারের জন্য ঢাকা ক্লাসিকস নামে একটি নতুন মিউজিক্যাল ফাউন্ডেশন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে। ফাউন্ডেশনটি একটি অলাভজনক সংস্থা যার লক্ষ্য স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সঙ্গীতশিল্পীদের প্রতিভা প্রদর্শনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা এবং বাংলাদেশের সঙ্গীতপ্রেমীদের মানসম্পন্ন পরিবেশনা প্রদান করা।ঢাকা ক্লাসিক, ওয়েস্টার্ন ক্লাসিক্যাল, জ্যাজ এবং বাংলা গানের ক্ষেত্রে সঙ্গীতজ্ঞদের তাদের প্রতিভা প্রদর্শনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ফাউন্ডেশন এই বাদ্যযন্ত্রের ঘরানার সংরক্ষণ এবং প্রচার এবং সঙ্গীতশিল্পীদের জন্য তাদের নৈপুণ্যের বিকাশ ও উন্নতি করার সুযোগ তৈরি করার বিষয়ে উৎসাহী।মিট দ্য প্রেস ইভেন্টে ফাউন্ডেশনের ইতিহাস এবং লক্ষ্যগুলির উপর উপস্থাপনা করা হয়। সেই সাথে, কেলি টেলর এবং অতিথি শিল্পী নীল মুখার্জির সংগীত পরিবেশনা ছিল। ইভেন্টটিতে উপস্থিতদের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার জন্য এবং ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ সম্পর্কে আরও জানতে একটি প্রশ্নোত্তর সেশন অন্তর্ভুক্ত ছিল। কূটনীতিক, প্রবাসী, সরকারী ও কর্পোরেট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সমাজসেবী, সেলিব্রিটি, প্রভাবশালী এবং মিডিয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।ঢাকা ক্লাসিকস এমন ব্যক্তি ও সংস্থার অনুদান, স্পনসরশিপ এবং অবদানকে স্বাগত জানায় যারা সঙ্গীতের প্রতি তাদের আবেগ এবং এই গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গীতের প্রচার ও সংরক্ষণের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি শেয়ার করে। সমস্ত অবদান ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং কর্মসূচির সমর্থনে যাবে।ফাউন্ডেশনের যোগাযোগ ও পাবলিক ইমেজ চেয়ার হিসেবে কাজ করা মিডিয়ার মুখপাত্র সানজানা বলেন, ঢাকা ক্লাসিকের জন্য আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রেস এবং জনসাধারণের সাথে শেয়ার করতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা বিশ্বাস করি যে, পশ্চিমা শাস্ত্রীয়, জ্যাজ এবং বাংলা সঙ্গীত হল গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক সম্পদ যা উদযাপন করা উচিত এবং সংরক্ষণ করা উচিত।সঙ্গীত পরিচালক টেলর বলেন, আমরা এমন ব্যক্তি এবং সংস্থার সাথে কাজ করার জন্য উন্মুখ যারা আমাদের আবেগ এবং প্রতিশ্রুতি শেয়ার করে এই প্রচারের জন্য মিউজিক্যাল জেনারস। বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রচারের লক্ষ্যে, ফাউন্ডেশন উচ্চাকাঙ্ক্ষী সংগীতশিল্পী এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে শিখতে এবং তাদের দক্ষতা বিকাশের জন্য আবৃত্তি, মাস্টার ক্লাস এবং শিক্ষার সুযোগের আয়োজন করবে। ঢাকা ক্লাসিকস আসন্ন মাসগুলির জন্য পরিকল্পনা করা ইভেন্টগুলির একটি চিত্তাকর্ষক লাইন আপ রয়েছে।ঢাকা ক্লাসিকস দেশ-বিদেশে পশ্চিমা শাস্ত্রীয়, জ্যাজ এবং ঐতিহ্যবাহী বাংলা সঙ্গীত প্রচারের জন্য তাদের মিশনে যোগ দেওয়ার জন্য সবাইকে আমন্ত্রণ জানায়।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

শুরু ৬ হাজার দিয়ে বর্তমানে বিক্রি আড়াই লাখ টাকা

মাত্র ছয় হাজার টাকা দিয়ে অর্গানিক পণ্য গ্রাহকের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার যে প্রত্যয় নিয়েছিলেন উদ্যোক্তা উম্মে তামিমা নুপুর আজ সেটা পূরণ হয়েছে। বর্তমানে তার ‘কোকোনাট অয়েল কেয়ার বিডি’ প্রতি মাসে বিক্রি করছে কমপক্ষে আড়াই লাখ টাকার পণ্য।উদ্যোক্তা উম্মে তামিমার অর্গানিক সকল পণ্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর) অনুমোদনপ্রাপ্ত। খুব শীগগিরই নিজেদের নিজস্ব শোরুম করার ইচ্ছা। রাজধানীসহ চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশালে তার শোরুম রয়েছে।তামিমা নুপুরের দ্বীপজেলা ভোলায় জন্ম ও বেড়ে উঠা ভোলায়। বাবা মায়ের খুব আদরের মেয়ে আর ছোট দুই ভাইয়ের খুব আদরের ছোটবোন। বাবা সাব রেজিস্টার আর মা গৃহিণী।নারিকেল তেল নিয়ে কাজ করার ইচ্ছার কথা জানতে চাইলে তামিমা বলেন, ‘ভোলায় প্রচুর নারিকেল গাছ আছে।আর মা ছোটবেলা থেকেই উদ্যোক্তা নুপুরের খুব চুলের যত্ন নিতেন।মায়ের হাতে বানানো নারিকেল তেল যেটা পরিবারের মেয়েদের চুলের যত্নে মা ব্যবহার করতেন।সেই সাথে সাথে স্পেশাল হেয়ার প্যাক। এভাবেই হেয়ার প্যাক নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা তৈরি হয়।’অর্গানিক পণ্য তৈরি করার কোন কোর্স করা ছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে উদ্যোক্তা বলেন, ‘আমার বাবার ভোলাতে একটা ডায়াগনস্টিক সেন্টার ছিল।সেখানে উদ্যোক্তার প্যারা মেডিকেল কোর্স করার পর ল্যাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়।ল্যাবে কাজ করার এই অভিজ্ঞতা আমাকে অর্গানিক পণ্য তৈরিতে আগ্রহী করে তোলে।’২০১৫ সালে একটা ফেসবুকে পেজ খুলে শুধু একটা পোস্ট দিতেই ১০ বোতল তেল সেল হয়ে যায়।তখন উদ্যোক্তা মনে করলেন খাঁটি পণ্য যেহেতু অনেকে খুব পছন্দ করছেন তাই তার সেভাবে এগিয়ে যাওয়া দরকার। নতুন করে ফেইসবুক পেইজ খুললেন যার নাম দিলেন ‘কোকোনাট অয়েল কেয়ার বিডি’।তিনি বলেন, ‘‘প্রথম দিকে তিনটি পণ্য ছিল শুধু অর্গানিক কোকোনাট হেয়ার অয়েল, মিরাকেল হারবাল অয়েল, হেয়ার প্রোটিন প্যাক। মিরাকেল হারবাল অয়েল সবাই অনেক বেশী পছন্দ করছেন। এখন নতুন করে যুক্ত হয়েছে আরও কিছু পণ্য হারবাল শ্যাম্পু, ফেইসপ্যাক, রোজ ওয়াটার, লিপ বাম, হেয়ার স্পা, বডি গ্লো প্যাক। সবগুলো পণ্য ক্রেতারা খুব পছন্দ করছেন।’’মাত্র ছয় হাজার টাকা নিয়ে যাত্রা শুরু যে উদ্যোগের সেখানে বর্তমানে প্রতি মাসে বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার পণ্য।উদ্যোক্তা তামিমা বলেন, ‘শুরুতে আমি ও আমার স্বামী নারিকেল কোড়ানো থেকে শুরু করে তেল বানানো, প্যাকেজিং সব নিজে হাতে করতাম। কিন্তু চাহিদা এখন অনেক বেশী তাই মহাখালীর অফিসে দুইটা মেশিন বসিয়েছেন এবং পাঁচ জন কর্মী নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। ক্রেতাদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছেন।’উদ্যোক্তা জানালেন, উদ্যোক্তা হবার পথে তিনি শ্বশুরবাড়ির সকলের সুবিধা পেয়েছেন পাশাপাশি কাজের সহায়ক ছিলেন স্বামী।নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘যে কাজটা শুরু করবেন অবশ্যই পিছপা হওয়া যাবে না। সেটা নিয়েই এগিয়ে যাওয়া উচিত।’

post
বাংলাদেশ

বরিশাল বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা ২০২৩

এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং বিভাগীয় কমিশনারের তত্ত্বাবধানে বরিশালে 'বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা ২০২৩' উপলক্ষ্যে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব জাহিদ ফারুক এমপি। এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মো মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফাউন্ডেশনের পরিচালক পর্ষদ সদস্য এনায়েত হোসেন চৌধুরী। এছাড়াও বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিন উল আহসান, বরিশাল রেঞ্জ এর ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ এর বিপিএম (বার) কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম, বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এবং বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান।মেলায় ৬০টি স্টলে ৬০ জন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা তাদের উৎপাদিত শুধু দেশীয় পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রয় করবেন। ফ্যাশন ডিজাইনের পাশাপাশি হস্তশিল্প, হোম ডেকর প্রোডাক্ট, লাইট ইন্জিনিয়ারিং, আইটি, মৃৎ শিল্প, অর্গানিক পণ্য, কসমেটিকস জুয়েলারি, খাদ্য পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাতপণ্য, শীতল পাটি, ফুড প্রসেসিংসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্য থাকছে এবারের বরিশাল এসএমই মেলায়।  সাতদিন ব্যাপী চলেছে এই মেলা, যা ছিল সকলের জন্য উম্মুক্ত।উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে প্রথম ‘বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা’ রাজশাহীতে আজ ১২-১৮ জানুয়ারি ২০২৩ আয়োজন করা হয়। আগামী ১৪-২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সিলেটে এবং পরবর্তীতে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং খুলনায় ‘বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা’ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে এসএমই ফাউন্ডেশনের।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভাগীয় কমিশনারের তত্ত্বাবধানে ‘বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা ২০২৩-এর সব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। মেলার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: * ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তা কর্তৃক উৎপাদিত পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিক্রয় ও বাজার সম্প্রসারণ। * এসএমই উদ্যোক্তাদের পারষ্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, যোগাযোগ ও সেতু বন্ধন তৈরিতে সহায়তা। * এসএমই উদ্যোক্তা ও ভোক্তাদের মাঝে পারষ্পরিক সম্পর্ক স্থাপন।* পণ্য উৎপাদন ও সেবা সৃষ্টির ক্ষেত্রে ভোক্তাসহ বিভিন্ন মহলের সৃজনশীল মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ। ১০ম জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা ২০২২-এর সফল সমাপ্তির পর চলতি অর্থবছরে দেশে ৬টি ‘বিভাগীয় এসএমই পণ্য মেলা’ আয়োজন করবে এসএমই ফাউন্ডেশন।

post
প্রযুক্তি

টেলিকম অবকাঠামো ব্যবহারের লক্ষ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত

যৌথভাবে টেলিকম অবকাঠামো ব্যবহারের লক্ষ্যে টেলিটক, বাংলালিংক এবং সামিট টাওয়ার্স লিমিটেডের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। বুধবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি অবকাঠামো উন্নয়নকারীদেরকে সম্মিলিতভাবে টেলিকম নেটওয়ার্ক উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান, টেলিটক ব‌্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম হাবিবুর রহমান, বাংলালিংক-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক অস এবং সামিট টাওয়ার্স লিমিটেড-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফ আল ইসলাম বক্তৃতা করেন।বাংলালিংক-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক আস, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম হাবিবুর রহমান এবং সামিট টাওয়ার্স লিমিটেড-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফ আল ইসলাম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।চুক্তিটির অধীনে এই দুই টেলিকম অপারেটর টাওয়ার শেয়ারিং নীতিমালাসহ সব নির্দেশিকা ও আইন অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে অবকাঠামো শেয়ারিং করবে। সামিট টাওয়ার্স লিমিটেড এই উদ্যোগে সব ধরনের প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করবে।মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, অবকাঠামো শেয়ারিং মোবাইল টেলিযোগাযোগ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করবে। আমরা যদি যৌথভাবে অবকাঠামো ব্যবহার করতে পারি তাহলে বিদ্যুৎ ও অন্যান্য শক্তির সঠিক ব্যবহার হবে এবং সকল এলাকায় সকল অপারেটর সেবা প্রদানে সক্ষম হবে।মন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারাবাহিকতায় টেলিকম এখন বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। এক সময়ে আমরা এসএমএস পাঠিয়ে খুশি হতাম কিন্তু এখন ফোরজি নেটওয়ার্ক যথেষ্ট মনে হয় না। ভয়েস কলের প্রাধান‌্য এখন আর নাই এটা ডাটা নির্ভর কলে রূপান্তরিত হচ্ছে। এই রূপান্তরের জন‌্য বড় হাতিয়ার হচ্ছে অবকাঠামো।চার অপারেটরকে চারটি টাওয়ারে যুক্ত করার পরিবর্তে একটি টাওয়ারে চার অপারেটরকে যুক্ত করতে পারলে ব‌্যবহারকারীরা যেমন উপকৃত হবে তেমনি বিনিয়োগও কমে আসবে। ফলে অপারেটররাও লাভবান হবে। তিনি বলেন, সামনের দিনে ফাইভজিতে রূপান্তরের সময় অনেক বেশি অবকাঠামোর দরকার হবে। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক অপারেটরদের জন্য আলাদা আলাদা অবকাঠামো করা অনেক বেশি কঠিন হবে। মন্ত্রী অন্য অপারেটরসমূহ অনুরূপভাবে এগিয়ে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব অবকাঠামো শেয়ারিং চুক্তি মোবাইল টেলিযোগাযোগ খাতের জন‌্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক বলে উল্লেখ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষ সমূহের মধ‌্যে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে মোবাইল টেলিযোগাযোগ খাতের অগ্রগতি আরও বেগবান হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব‌্যক্ত করেন।

post
টেক মেন্টর

আইসিটি বিভাগ হতে ১৬টি সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে - পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, বাংলা দিয়ে আমরা যেন বিশ্বের প্রযুক্তিকে প্রভাবিত করতে পারি সেজন্য প্রযুক্তির উন্নয়ন, বাংলার বিশ্বায়ন’ স্লোগান নিয়ে আইসিটি বিভাগ হতে ১৬টি সফটওয়্যার বা টুলস তৈরি করা হচ্ছে।প্রতিমন্ত্রী বুধবার বিকেলে ২১শে বই মেলায় এশরার লতিফ এর ইতিহাস-আশ্রিত ডকুফিকশন নক্ষত্র-নুপুর বই এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী প্রযুক্তি মাধ্যমে সময় কাটানোর অনেক মাধ্যম বা সুযোগ থাকলেও বই পড়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের কল্পনা জগৎ প্রশস্ত হয়। তিনি বলেন ভবিষ্যৎ তরুণ প্রজন্মকে অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল প্রজম্ম হিসেবে গড়ে তুলতে সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার কোন বিকল্প নেই।বিদেশী ভাষা বা সংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের প্রভাবিত না হওয়ার পরামর্শ দেন। যাতে বাংলাকে প্রযুক্তি সমৃদ্ধ করা যায় এবং আমরা বিদেশি ভাষা ও সংস্কৃতির আগ্রাসনে যেন প্রভাবিত না হই।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপন্যাসটির লেখক এরশার লতিফ ও অন্য প্রকাশনীর কর্ণধার মাজহারুল ইসলাম। পরে তিনি নক্ষত্র নুপুর বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.