post
বাংলাদেশ

বিছানায় রক্তের দাগ, সংবাদ সম্মেলন করবেন পরিমনি

বিছানায় রক্তের দাগওয়ালা দুটি ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে ভক্তদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। একই সঙ্গে তিনি সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে জানান তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে।রোববার ভোর ৫টা ১৩ মিনিটে ফেসবুকে ওই ছবি পোস্ট করলেও বিস্তারিত লেখেননি পরীমনি। তবে একদিন আগেই দিয়েছিলেন স্বামী শরিফুল রাজের সঙ্গে সংসারে ভাঙনের খবর। এর আগে শুক্রবার রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে পরীমনি লিখেছিলেন— ‘হ্যাপি থার্টিফার্স্ট এভরিওয়ান! আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে।’ আরেক অংশে এ নায়িকা লিখেছেন— ‘জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নাই।’ পরীমনি এ স্ট্যাটাস মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। লাইক কমেন্টের বন্যা বয়ে যায়। অনেকেই তাদের সম্ভাব্য বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। স্ট্যাটাসের বিষয়ে পরীর সঙ্গে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে রাজের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা স্বীকার করেন পরীমনি। পরীমনি বলেন, ‘এখনো বিচ্ছেদ হয়নি। তবে আমি সম্পর্ক ছিন্ন করে রাজের বাসা থেকে বেরিয়ে এসেছি। আজ থেকে আমরা আলাদা হয়ে গেলাম। শিগগির বিচ্ছেদের চিঠি পাঠিয়ে দেব।’ আলাদা হয়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে পরীমনির ভাষ্য— ‘বেশ কিছু দিন ধরেই সমস্যা হচ্ছিল। সমস্যা কাটিয়ে সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারলাম না। তার (রাজ) যে আচার-আচরণ তাতে একসঙ্গে থাকার পরিস্থিতি নেই। তাই বাধ্য হয়ে বাসা ছেড়ে আলাদা হয়ে গেলাম। আমার মানসিক অবস্থা এখন ভালো নেই; এর বেশি আর কিছু বলতে পারছি না।’ চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি প্রকাশ্যে আসে রাজ-পরীর সম্পর্কের খবর। গত ২২ জানুয়ারি দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ১০১ টাকার দেনমোহরে ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। গত চার মাসে তাদের ঘর আলো করে আসে ছেলেসন্তান রাজ্য। ঢাকাই সিনেমার আলোচিত এক নায়িকাকে ঘিরে সংসারে অশান্তি এমন ইঙ্গিত দিয়ে কিছু দিন আগে একটি পোস্ট করেন পরীমনি। সেটি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

post
বাংলাদেশ

দেশের প্রথম মেট্রো রেল চালালেন একজন নারী প্রকৌশলী

সবুজ পতাকা নেড়ে কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের মেট্রো রেল যাত্রার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সকাল ১১টায় উত্তরার দিয়াবাড়িতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই স্বপ্নের স্থাপনার উদ্বোধন করেন তিনি। আর প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সঙ্কেতে প্রথম যাত্রার সেই মেট্রোরেল চালিয়ে নিয়ে যান একজন নারী। তার নাম মরিয়ম আফিজা।লক্ষ্মীপুরের মেয়ে আফিজা নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) থেকে কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। আফিজা দেশের বুকে প্রথমবারের মতো মেট্রোরেল চালানোর সুযোগ পেলেন। আর তার প্রথম যাত্রায় যাত্রী হিসেবে পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। আফিজা জানিয়েছেন এর মধ্য দিয়ে তার স্বপ্নপূরণ হয়েছে। যাত্রা শেষে আগারগাঁওয়ে এসে আনন্দে উদ্বেলিত আফিজা বলেন, "আজকে আমাদের স্বপ্নপূরণ হয়েছে। সবার মতো আমিও আনন্দিত।" তিনি বলেন, দেশবাসী স্বপ্নপূরণের জন্য যেমন অপেক্ষায় ছিল তেমনই আমাদেরও অনেক প্রস্তুতি ছিল। সবকিছু সফল হয়েছে আজকের মেট্রো রেল উদ্বোধনের পর। প্রধানমন্ত্রী এই যাত্রায় সঙ্গী ছিলেন, পুরো দেশবাসীর মতো আমিও অনেক গর্ববোধ করছি। আফিজা আরো বলেন, ঢাকায় যানজটে কী পরিমাণ ভোগান্তি হয়, এটি আমাদের সবার জানা। মেট্রো রেল চালুর ফলে যানজটের অভিশাপ থেকে আমরা মুক্তি পাব। মরিয়ম আফিজা গত বছরের ২ নভেম্বর চালক হিসেবে নিয়োগ পান। টানা এক বছর প্রশিক্ষণ নিয়ে পাকা চালক হিসেবে নিজেকে তৈরি করেন তিনি। মেট্রো রেলের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জাপানের মিতসুবিশি-কাওয়াসাকি কম্পানির বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে ট্রেন পরিচালনার কারিগরি ও প্রায়োগিক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন মরিয়ম আফিজা ও অন্যরা।

post
বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে নতুন আশাবাদ, প্রথমবারের মত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার বিষয়ক রেজুল্যুশন গৃহীত

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রথমবারের মত “মিয়ানমারের পরিস্থিতি” বিষয়ক একটি রেজুল্যুশন গৃহীত হয়েছে। বুধবার গৃহীত এই রেজুলেশনে মিয়ানমারের বিদ্যমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, জরুরি অবস্থা, বন্দি মুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া হয়।রেজুল্যুশনটির উপর ভোট আহবান করা হলে তা ১২-০ ভোটে অনুমোদিত হয়। ভোটাভুটি পর্বে এই প্রস্তাবনার বিপক্ষে কোন সদস্য ভোট অথবা ভেটো প্রদান করেনি । চীন, ভারত ও রাশিয়া ভোটদানে বিরত ছিল। ভোটদান শেষে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফ্রান্স, মেক্সিকো, গ্যাবন এবং নরওয়ে তাদের বক্তব্যে রেজুল্যুশনটিতে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি অন্তর্ভুক্তি করণের প্রশংসা করে এই সমস্যা সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদের জোরালো ভূমিকার দাবি জানান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার বক্তব্যে রেজুল্যুশনটি উত্থাপন করার জন্য যুক্তরাজ্যকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে। বলা বাহুল্য, এই রেজুল্যুশনটি রোহিঙ্গা বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানের প্রতি জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অঙ্গটির শক্তিশালি সমর্থনেরই বহিঃপ্রকাশ। রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটসহ অন্যান্য বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে গৃহীত রেজুল্যুশনটি রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আরো সুসংহত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের অমানবিক নির্যাতনের স্বীকার হয়ে ২০১৭ সালে ৮ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাসহ এ পর্যন্ত ১.২ মিলিয়নের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক কারণে তাদের অস্থায়ীভাবে বাংলাদেশে আশ্রয় প্রদান করেন এবং শুরু থেকেই তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে নিরাপদ, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতাবসনের নিমিত্ত্ব বিশ্ব নেতৃবৃন্দের কাছে জোরালো দাবি উত্থাপন করে আসছেন। এই প্রস্তাবনা অনুমোদিত হওয়ার ফলে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের বিষয়টি নিরাপত্তা পরিষদের নিয়মিত কার্যকলাপের অংশ হয়ে গেল। একই সাথে এটি রোহিঙ্গা সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানে বাংলাদেশের এতদসংক্রান্ত অব্যাহত প্রচেষ্টাকে আরো শক্তিশালি ও ত্বরান্বিত করবে। রেজুল্যুশনটিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়, নিরাপত্তা ও মানবিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করা হয়। পরিষদ রোহিঙ্গা সঙ্কটের মূল কারণগুলো চিহ্নিত করে তাদের নিরাপদ, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবসনের নিমিত্ত্ব অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে আহবান জানায়। মিয়ানমারের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা যে রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ বাসভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলবে, সে বিষয়টি দৃঢ়ভাবে তুলে ধরা হয়। এছাড়া, এ সমস্যার সমাধানে আসিয়ানের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের ২০২১ সালে গৃহীত পাঁচ দফা ঐক্যমত্যের দ্রুত ও পূর্ণবাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং এর বাস্তবায়নে জাতিসংঘের কোন সহযোগিতার প্রয়োজন হবে কিনা সে বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব এবং মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূতকে আগামি ১৫ মার্চ ২০২৩ তারিখের মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রতিবেদন পেশ করার জন্য অনুরোধ করা হয়। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন রেজুল্যুশনটিতে বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত নিরাপত্তা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ স্থায়ী ও অস্থায়ী বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের সাথে প্রয়োজনীয় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন এবং বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যাতে রেজুল্যুশনে অন্তর্ভুক্ত হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। উল্লেখ্য, রেজুল্যুশনটির পেন হোল্ডার (মূল স্পন্সর) পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য যুক্তরাজ্য। বিগত তিনমাস ধরে রেজুল্যুশনটির নেগোশিয়েশন শেষে আজ এটি নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত হয়। নিরাপত্তা পরিষদের ডিসেম্বর ২০২২ এর সভাপতি ভারত এবং তাদের সভাপতি থাকাকালীন সময়েই রেজুল্যুশনটি নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত হল। এর ফলে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টায় সফল হল বাংলাদেশ।

post
যুক্তরাষ্ট্র

নিউইয়র্কে হয়ে গেলো ইউএসবিসিসিআই নারী উদ্যোক্তা সামিট ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান

নারী উদ্যেক্তাদের স্বীকৃতি ও তাদের উৎসাহিত করতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি'র (ইউএসবিসিসিআই) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল 'ইউএসবিসিসিআই উইমেন্স এন্টারপ্রেনিউর সামিট এবং উইমেন এন্টারপ্রেনিউর অ্যাওয়ার্ডস-২০২২'।শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) নিউইয়র্কের লাগোর্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেলে এ অনুষ্ঠিত হয়। ২য় বারের মতো নারী উদ্যেক্তাদের স্বীকৃতি ও তাদের উৎসাহিত করতে আয়োজন করা হয়েছে ‘উইম্যান এন্টারপ্রেনিউর অ্যাওয়ার্ড - ২০২২। নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রতিবছর ১৯ নভেম্বর তারিখটিকে নারী উদ্যেক্তা দিবস বা উইম্যান এন্টারপ্রেনিউরশিপ ডে হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘ। এরই অংশ হিসেবে শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ১৩ জন নারী উদ্যোক্তাকে সম্মাননা জানিয়েছে ইউএসবিসিসিআই। এতে সম্মাননা প্রাপ্ত ১৩ জন নারী উদ্যোক্তারা হলেন, সুমনা রিমি প্রতিষ্ঠাতা স্টাইল উইথ মি, ডিম্পল উইলাবাস প্রেসিডেন্ট ও সিইও রিদম নেশন এন্টারটেইনমেন্ট, রোকসানা আহমেদ প্রতিষ্ঠাতা, রোকসানা হালাল ডেলাইটস, পুজা রাই প্রতিষ্ঠাতা স্টেটস ভেনচার করপোরেশন, নাহিদ আহমেদ, প্রেসিডেন্ট ও সিইও আরবান সাটার, মাহবুবা রহমান সিইও ইনফিনিটি বিউটি বার, আনা গাজারা, চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার ভারসাইলস ভেনচার, অর্পি আহমেদ, প্রতিষ্ঠাতা ব্রাইড বাই অর্পি, মেহেজাবিন মাহাবুব মেহা, সিইও ওমেনস ফ্যাশন, সাহেরা চৌধুরী কো ফাউন্ডার এস জে ইনোভেশন, ফাতেমা নাজনীন প্রিসিলা, প্রতিষ্ঠাতা প্রিসিলা নিউইয়র্ক আই এন সি, মেগডালিনা কুলিটস, সিইও অরেঞ্জ রিভার মিডিয়া ও ফারজানা হক চেয়ারম্যান হাইমোকান্তি ট্রেড করপোরেশন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, মেকডালিনা কুলসিজ, ও চেম্বারের পরিচালক শেখ ফরহাদ। স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক সংগঠনের প্রধান কার্যনির্বাহী ও প্রেসিডেন্ট লিটন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর জন লুইস, নিউইয়র্ক স্টেট এসেম্বলিম্যান ডেভিড আই. ওয়েপ্রিন, দিলীপ চৌহান, ডেপুটি কমিশনার, দ্যা নিউইয়র্ক সিটি, মেয়র অফিস ফর ইন্টারন্যাশনাল এফ্যায়ার, অ্যাটর্নি মইন চৌধুরী, ডেমোক্রেট ডিস্টিক লিডার, এট লার্জ কুইন্স নিউইয়র্ক। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লীসা সরিন, প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও, ব্রঙ্কস চেম্বার অফ কমার্স। অতিথি বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন, সাহেরা চৌধুরী, কো-ফাউন্ডার, এস জে ইনোভেশন, পুজা রায়, ফাউন্ডার এন্ড সিইও, স্ট্যাটস ভেঞ্চার্স ইনক, মেকডালিনা কুলসিজ, নাহিদ আহমেদ, প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও, উরবান সেটার, আহাদ আলী, সিইও, আহাদ এন্ড কোং-সিপিএ, ইমরান ভূঁইয়া, ডাইরেক্টর অব সেলস, এক্সিট রিয়েলিটি প্রিমিয়াম, সাহেদ ইসলাম, ফাউন্ডার এস জে ইনোভেশন সহ আরো অনেকে। স্বাগত বক্তব্যে ইউএস বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (ইউএসবিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট ও প্রধান কার্যনির্বাহী, মো. লিটন আহমেদ বলেন, আমরা সবাই এখানে জড়ো হয়েছি এই অঞ্চলে এবং এর বাইরেও নারী উদ্যোক্তা দিবসের অর্জন উদযাপন করতে। আজকের সামিটে নতুন উদ্যোক্তারা তাদের কর্মজীবন এবং ব্যক্তিগত লক্ষ্য অর্জনে কিভাবে কাজ করেছে তা বিভিন্ন শ্রোতাদের জন্য একটি ইন্টারেক্টিভ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ এবং তথ্য গ্রহণ করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম দেয়। এই ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীদের নানান পেশাদারদের সাথে পরিচিত হবার সুযোগ করে দিয়েছে এবং তাদের সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলির নিয়ে আলোচনা করারও সুযোগ পেয়েছে। এই সামিট নতুন নারী উদ্যোক্তাদের তাদের পরবর্তী পরামর্শদাতা, বন্ধু এবং ক্লায়েন্টদের সাথে সংযুক্ত করবে, বলেন তিনি। বর্তমানে অনলাইনভিত্তিক উদ্যোগে নারী উদ্যোক্তাদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি লক্ষ করা যায়। কারণ সামাজিক ও পারিবারিক দায়বদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতা বিশেষ বাধা হয়ে দাঁড়ায় না বলে অনলাইন ভিত্তক উদ্যোগে নারীরা খুব স্বচ্ছন্দেই পদচারণা করতে পারে। এ আয়োজনে অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, প্রতিষ্ঠানের সহ সভাপতি ইউএসবিসিসিআই-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট বখত রুম্মান বিরতীজ, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, সংগঠনের পরিচালক শেখ ফরহাদ, উইমেন এম্পাওরমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন রুমা আহমেদ, একসপো ইউএসবিসিসিআই বদরুদুজ্জা সাগর, শেখ ফারজানা প্রমুখ।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন হোক, প্রত্যাশা বার্নিকাটের

বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নগুলোর অব্যহত বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করেছেন মার্সা বার্নিকাট। বাংলাদেশের সাবেক এই মার্কিন রাষ্ট্রদূত দেশটির অব্যহত উন্নয়ন এবং আগামী নির্বাচন যাতে অবাধ ও নিরপেক্ষ হয় সে ব্যাপারেও তার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে মহান বিজয় দিবস উদযাপন আয়োজনে অংশ নিয়ে এনআরবি কানেক্ট টেলিভিশনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।মার্সিয়া স্টেফেন ব্লুম বার্নিকাট বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিস বিভাগের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।  তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বাংলাদেশের নেওয়া সকল নীতি ও উদ্যোগগুলো আমাকে গর্বিত করেছে। এখন বাংলাদেশ এই সঙ্কটকে অতিক্রম করে গেছে। এছাড়াও বাংলাদেশের সকল উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েছে সেগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।বার্নিকাট আরও বলেন, "দেশটিতে নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। আমি চাই একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন সংগঠিত হোক। আর এই বিজয় দিবসে এই প্রত্যাশাই করি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন হোক।"   বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করার পর মার্সা বার্নিকাট আরও বলেন, সবসময়ের মতো এবারও দূতাবাসের বিজয় উদযাপন ছিলো অসাধারণ। "আমার সবসময়ই নাচের আয়োজনগুলো দেখতে ভালো লাগে। বিশেষ করে এখানকার তরুণ-তরুণীরা যখন তাদের নৃত্যকলা প্রদর্শণ করে আমি ভীষণ উপভোগ করি।" কোভিড-১৯ এর পর এবার আমরা আবার সশরীরে হাজির হয়ে এই আনন্দ উদযাপন করতে পারছি, এটাও ভালো লাগছে। এখানে সকল বাংলাদেশি বন্ধুদের সঙ্গেও দেখা হয়ে গেলো, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ, বলছিলেন মার্শা বার্নিকাট। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি কমিউনিটির অতি পরিচিত মুখ, শিক্ষা ও আইটি প্রশিক্ষণ উদ্যোক্তা, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি'র চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিযার আবুবকর হানিপ এসময় মার্শা বার্নিকাটের পাশে ছিলেন। বাংলাদেশকে তিনি ভীষন মিস করেন, বাংলাদেশের জন্য তিনি ভীষণ হোমসিক বোধ করেন এমনটাই বলছিলেন মার্সা বার্নিকাট। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মসলাদার খাবারগুলোও তার প্রিয়। দূতাবাসের ডিনারে সেই খাবারগুলো খেতে পারবেন বলেও তার ভালো লাগছে। বাংলাদেশের কথা তিনি আজও তার নতুন কর্মস্থলের সবাইকে শেয়ার করেন। বাংলাদেশ কখনো তার হৃদয় থেকে মুছে যাবে না, বলছিলেন সাবেক এই রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশে নিযুক্ত বর্তমান রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের কথা উল্লেখ করে মার্সা বলেন, বাংলাদেশ এখন একজন অসাধারণ রাষ্ট্রদূতকে পেয়েছে। অ্যাম্বাসাডার হাস আমার খুব প্রিয় বন্ধু, দারুণ এক সহকর্মী। আমি সত্যিই গর্বিত পিটার হাসের মতো এক রাষ্ট্রদূত এখন বাংলাদেশে নিযুক্ত রয়েছেন। 'জয়বাংলা' বলে সাক্ষাৎকারটি শেষ করেন মার্শা বার্নিকাট। 

post
বাংলাদেশ

শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের উদ্যোগ চায় বাংলাদেশ

“অবশ্যই শান্তিরক্ষীদের উপর হামলার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে সমাজের সকল অংশীদারদের নতুন নতুন প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন”।শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিত ও সুরক্ষার লক্ষ্যে গঠিত গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আব্দুল মুহিত। নতুন গঠিত এই গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস-টিতে কো-চেয়ার হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ, মিশর, ফ্রান্স, ভারত, মরক্কো এবং নেপাল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য প্রদান করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শংকর। বাংলাদেশসহ অন্য পাঁচটি সহ-সভাপতি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধিগন স্ব-স্ব দেশের পক্ষে বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘের পিস অপারেশন বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ পিয়েরে ল্যাক্রুয়া (Jean-Pierre Lacroix) এবং অপারেশনাল সাপোর্ট বিভাগের প্রতিনিধি। শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টিকে একটি বহু অংশিদারীত্ব ভিত্তিক প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জবাবদিহিতার বিষয়টিকে নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করার উপর জোর দেন। প্রদত্ত্ব বক্তব্যে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ আব্দুল মুহিত বলেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে দূরদর্শিতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন, তা থেকেই উদ্ভূত হয়েছে বিশ্ব শান্তি রক্ষার প্রতি বাংলাদেশের সুদৃঢ় অঙ্গিকার। শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে সৃষ্ট অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিত ও সুরক্ষার লক্ষ্যে তিনি স্বাগতিক দেশের সাথে কার্যকর যোগাযোগ রক্ষা, ঘটনার দ্রুত তদন্ত, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে স্বাগতিক দেশের স্বক্ষমতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল প্রযুক্তির বাস্তবায়ন এবং ভুল ও বিকৃত তথ্যের প্রচার বন্ধ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। নবসৃষ্ট এই গ্রুপ অব ফ্রেন্ডসটি যেসকল কাজ করবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-স্বাগতিক দেশকে সহযোগিতা প্রদান, মানুষের মধ্যে সচেতনতাবোধ তৈরি, সঠিক তথ্যের আদান-প্রদান, সর্বোত্তম অনুশীলন ও সম্পদ ভাগাভাগি এবং সহযোগিতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ। এসকল কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রুপটি শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সকল প্রকার সহিংসতামূলক কার্যকলাপ প্রতিহত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে। উল্লেখ্য, উদ্বোধনী দিনে ৩৬ টি দেশ গ্রুপটিতে যোগ দেয়।

post
বাংলাদেশ

ঢাকায় রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের বিবৃতি

ঢাকায় রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস একটি বিবৃতি দিয়েছেন। দূতাবাসের পক্ষ থেকে বিবৃতিটি সংবাদমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে-"যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বুধবার ঢাকায় নিহত ও আহতদের পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছে। আমরা ঢাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক সহিংসতার খবরে উদ্বিগ্ন এবং আইনের শাসনকে সম্মান জানাতে এবং সহিংসতা, হয়রানি ও ভয় দেখানো থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সহিংসতার এই খবরগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করতে, এবং মত প্রকাশ, সভা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষা করতে আমরা সরকারি কর্তৃপক্ষকে উৎসাহিত করছি।

post
বাংলাদেশ

১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ: ঢাকায় অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে নাগরিকদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ওই দিন গণসমাবেশ এড়িয়ে চলার পাশাপাশি বড় জমায়েত এবং তার আশপাশের এলাকার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।বুধবার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইট ও টুইটারে ঢাকায় অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের এ সতর্ক করেছে। টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দল ঢাকার ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় সমাবেশের ডাক দিয়েছে। মার্কিন নাগরিকদের বিক্ষোভ এড়িয়ে চলা উচিত এবং যেকোনো বড় গণজমায়েতের আশেপাশে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।’ ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস আজ বুধবার সন্ধ্যায় তাদের ওয়েবসাইটে গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে একটি সতর্কবার্তা জারি করে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন ২০২৪ সালের জানুয়ারি কিংবা তার আগে হতে পারে। এরই মধ্যে রাজনৈতিক দলের সমাবেশ ও নির্বাচনকেন্দ্রিক তৎপরতা শুরু হয়ে গেছে। সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, সাধারণ নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দলের মিছিল ও গণসমাবেশ ক্রমে বাড়তে পারে। বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল ১০ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গণসমাবেশ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ঢাকায় অবস্থানরত তাদের নাগরিকদের নিজেদের নিরাপত্তার পরিকল্পনা পর্যালোচনার পাশাপাশি স্থানীয় অনুষ্ঠানসহ নিজেদের চারপাশের বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং হালনাগাদ তথ্য জানতে স্থানীয় খবরে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।

post
বাংলাদেশ

"সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়” বঙ্গবন্ধুর উক্তি সন্নিবেশিত জাতিসংঘ রেজুলেশনে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মঙ্গলবার গৃহীত “ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অব ডায়ালগ অ্যাজ এ গ্যারান্টি অব পিস, ২০২৩” শীর্ষক রেজুলেশনের ১৪তম প্যারায় সন্নিবেশন করা হলো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ও মহান উক্তি “সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়"(Friendship to all, malice towards none), যা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল ভিত্তি।কোভিড পরবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সাধারন পরিষদের প্লেনারিতে রেজুলেশনটি উত্থাপন করে তুর্কমেনিস্তান । এটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় । বিশ্বমানবতা ও বিশ্বশান্তির অন্যতম প্রবক্তা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক উক্তিটি এবারই প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ রেজুলেশনে সন্নিবেশিত হলো। রেজুলেশনটির ১৪তম প্যারাতে বঙ্গবন্ধুর উক্তিটি যেভাবে সন্নিবেশিত হয়েছে, তা নিম্নরূপ: “দারিদ্র্য, ক্ষুধা, রোগ, নিরক্ষরতা এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গুরুত্ব স্বীকার করে এবং গঠনমূলক সহযোগিতা, সংলাপ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার চেতনায় সকলের সাথে বন্ধুত্ব এবং কারও প্রতি বিদ্বেষ নয় মর্মে জোর দেওয়া হলে তা এই উদ্দেশ্যগুলি অর্জনে সহায়তা করবে, (Recognizing the importance of combating poverty, hunger, disease, illiteracy and unemployment, and emphasizing that friendship to all and malice towards none, in the spirit of constructive cooperation, dialogue and mutual understanding, will help to achieve these objectives,)" উল্লেখ্য ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণদানকালে জাতির পিতা যে বিষয়গুলোর উপর জোর দিয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন, সেগুলোর ধারণামূলক ভিত্তি হতে এই অনুচ্ছেদটির প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আব্দুল মুহিত এর দিক নির্দেশনায় মিশনের কূটনীতিক ড. মোঃ মনোয়ার হোসেন রেজুলেশনটির প্রস্তুতিপর্ব থেকে শুরু করে চূড়ান্তপর্ব পর্যন্ত নিবিড়ভাবে কাজ করেন। ফলে বিশ্বশান্তিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টায় গৃহীত এই রেজুলেশনটিতে জাতির পিতার ঐতিহাসিক উক্তিটি অন্তর্ভূক্ত করা সম্ভব হয়। রেজুলেশনটিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সকল দেশ কো-স্পন্সর করে। সর্বমোট কো-স্পন্সর করে ৭০টি দেশ।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ভ্রমণে যুক্তরাজ্যের সতর্কতা, যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ ঘিরে বাংলাদেশে ভ্রমণের বিষয়ে নিজ দেশের নাগরিকদের সতর্ক করেছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার রাতে মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিরক্তি প্রকাশ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বলছে, বলছে। তারে জিজ্ঞেস করেন, আমাকে জিজ্ঞেস করছেন কেন? সে কি বেসিসে করেছে, তাকে জিজ্ঞেস করেন। তার দেশে ইদানীং বোধহয় অভাব-টভাব বেশি সে কারণে।’ ১০ ডিসেম্বর নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই মন্তব্য করে মোমেন বলেন, ‘এ ধরনের ঢং-ঢাং আমরা আগেও শুনেছি। জনগণের সমর্থন না থাকলে এগুলো সব বিলীন হয়ে যাবে।’ এদিকে ১০ ডিসেম্বর ঘিরে কূটনীতিকপাড়ায় বাড়তি নিরাপত্তা দিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হবে কিনা- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘না। আমরা মনে করি না, এটাতে বিরাট কিছু একটা হবে। এটা নিয়ে আমরা খুব চিন্তিত না। আপনারা মিডিয়ারাই খুব এটা নিয়ে চিন্তিত। এটা মিডিয়া ইস্যু।’ তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ হুঙ্কার দিলে সবাই কি পালাবে। কোনোভাবেই না। আপনাদের এত শঙ্কা কিসের, শঙ্কার তো কোনো কারণ নাই। আপনি ঠিকই খাওয়া-দাওয়া করতে পারবেন, ঘোরাফেরা করতে পারবেন। এখানে একটা সরকার আছে। সরকারের দায়-দায়িত্ব রয়েছে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার।’ উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে- ‘ঢাকায় রাজনৈতিক সমাবেশ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। গণপরিবহণ, যোগাযোগব্যবস্থা ও শহরে চলাচলে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। সমাবেশের আগে ও পরে কয়েক দিন ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি হতে পারে। তাই আপনাদের রাজনৈতিক সমাবেশ ও বড় জমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’ ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, প্রতি বছর যুক্তরাজ্যের আনুমানিক দেড় লাখ নাগরিক বাংলাদেশ ভ্রমণ করেন। এর মধ্যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হয় না। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ। তবে কোথায় সমাবেশ হবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি। স্থান নিয়ে পুলিশ ও বিএনপি নেতাদের আলোচনা চলছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.