post
এনআরবি সাফল্য

পুলিশ ক্যাপ্টেন হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন সৈয়দ এনায়েত আলী

সৈয়দ এনায়েত আলী প্রথম অক্সিলারি পুলিশ ক্যাপ্টেন হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। বাংলাদেশের সন্তান সৈয়দ এনায়েত আলী বাংলাদেশ জাতীয় বক্সিংয়ের প্রাক্তন হেভি ওয়েট চ্যাম্পিয়ন এবং দক্ষিন এশিয়ান গেমসের রানার্সআপ বক্সার , ১৯৮৮ সালের বডিবিলডিংয়ে হেভি ওয়েট মিস্টার বাংলাদেশ ১৯৮৯ সালে আমেরিকা চলে আসেন। তিনি অক্সিলারি পুলিশ হিসেবে ২০০২ সালে যোগদান করেন এবং ২০০৯ সালে প্রথম অক্সিলারি পুলিশ সার্জেন্ট হিসেবে পদোন্নতি পান এবং গত ৯ জানুয়ারী ২০২৪ সালেও তিনিই প্রথম অক্সিলারি পুলিশ লেফটেন্যান্ট হিসেবে পদোন্নতি পান। নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট ১৯৫০ সালে অক্সিলারি পুলিশ গঠন করে। এটি মূলত ভলান্টারী সার্ভিস, প্রায় ১১০ জন বাঙ্গালী ভলান্টারী সার্ভিস করছেন কমুনিটিকে সাহায্য করার জন্য। কোনো পারিশ্রমিকের বিনিময়ে নয় বরং কমিউনিটিকে সাহায্যের উদ্দশ্যে এই সকল বাঙালিরা কাজ করে যাচ্ছেন। তারা অত্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করে চলেছেন নিরন্তর। কমিউনিটিকে এবং পুলিশ ডিপার্টমেন্টে সাহায্য করার জন্য তারা ব্যক্তিগত উদ্যোগে এখানে যোগদান করে এবং পুলিশ ও কমিউনিটিকে তারা বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে থাকে এনায়েত আলী বর্তমানে কুইনস নর্থের ১১৪ নম্বর পুলিশ প্রিসেন্টে কর্মরত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশী আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপার) করেসপন্ডিং সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাপা’র মিডিয়া লিয়াজন জামিল সরোয়ার জানান আরো অনেক বাংলাদেশী অক্সিলারি পুলিশ অফিসার হিসেবে যোগদান করবেন তার এই সাফল্য দেখে।  সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট সার্জেন্ট ডিটেকটিভ স্কোয়াড এরশাদুর সিদ্দিক, ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন একেএম আলম এবং সেক্রেটারী ডিটেকটিভ রাসেকুর মালিক অভিনন্দন জানিয়েছেন এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কমান্ডিং অফিসার ডেপুটি ইন্সপেক্টর খন্দকার আব্দুল্লাহ, বাপা’র ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর সার্জেন্ট মুরাদ আহমেদ, কো ট্রেজারার অফিসার জসীম মিয়া, বাপা’র ট্রাস্টি সার্জেন্ট লতিফ , বাপা’র সদস্য অফিসার ইরফান সহ বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ।

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কে অপহরণকারী চক্রের ৬ বাংলাদেশি সদস্য জেল হাজতে

নিউইয়র্কের একটি অপহরণকারী চক্রের ছয় বাংলাদেশি সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দুই ব্যক্তিকে অপহরণ, মারধর ও যৌন নীপিড়ণের অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবিরা।অভিযুক্তরা হচ্ছেন রুবেল আহমেদ, শাহেদ আলম, আবু চৌধুরী, আনজু খান, সুলতানা রাজিয়া ও ইফফাত লুবনা। এদের মধ্যে আবু চৌধুরী ও লুবনা স্বামী-স্ত্রী।গত বুধবার আদালত তাদের দোষী সব্যস্ত করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতের নথিতে দেখা যায়, এক ব্যক্তিকে অপহরণ ও অপহরণের ষড়যন্ত্রের একটি অভিযোগ রয়েছে এদের ছয় জনের বিরুদ্ধেই। আর আবু চৌধুরী ও তার স্ত্রী লুবনার বিরুদ্ধে পৃথক একটি অভিযোগ রয়েছে অপহরণের।ওই অপহরণের ঘটনায় এই দম্পতি আগেই দোষী সাব্যস্ত ছিলেন। বাংলাদেশি কমিউনিটিরই অপর ব্যক্তিকে তারা অপহরণ করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।নথিতে বলা হয়েছে অভিযুক্তরা অপহৃত ব্যক্তিদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায় ও যৌন নিপীড়ণ করে। ইস্টার্ন ডিস্ট্রক্ট অব নিউইয়র্কের রাষ্ট্রীয় কৌসুলি ব্রেয়ন পিস বলেছেন, একই জাতিগত মানুষের ওপরই এই অন্যায় পরিচালিত হয়েছে। এবং একটির পর একটি অঘটন ঘটিয়েছে চক্রটি।প্রথম অপহরণের ঘটনাটি ঘটে ২০২৩ সালের ২৭ মার্চ। সেদিন রুবেল আহমেদ, শাহেদ আলম, আবু চৌধুরী, আনজু খান ও সুলতানা রাজিয়া একযোগে ষড়যন্ত্র করে ঘটনার শিকার ব্যক্তিকে অপহরণ করেন। জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউর ১৮১ স্ট্রিটের কাছ থেকে তাকে অপহরণ করা হয়।আবু চৌধুরী এসময় অপহৃত ব্যক্তিকে জোরপূর্বক একটি হোন্ডা এসইউভি গাড়িতে তুলে নেন এবং বেদম মারধর করতে থাকেন। এসময় তার স্ত্রী গাড়ি চালিয়ে নিচ্ছিলেন। পরে গাড়ি থেকে নামিয়ে অপহৃত ব্যক্তিকে উলঙ্গ করে তা ক্যামেরায় ধারণ করেন তারা। রুবেল, শাহেদ, আনজু ও রাজিয়ার সঙ্গে তাদের ফোনে যোগাযোগ হচ্ছিলো। অপহৃতকে তারা মারধর করেন ও হত্যার হুমকিও দেন। এমনকি পানি পান করতে চাইলে অপহৃতকে তারা তার মধ্যে চেতনানাশক মিশিয়ে দেন। এতে তিনি চেতনা হারিয়ে ফেলেন। পরের দিন স্থানীয় একটি হাসপাতালে তার ঘুম ভাঙ্গে।ব্রুকলিন ফেডারেল কোর্টে গত বৃহস্পতিবার বিবাদী পক্ষের আইনজীবি সারাহ স্যাকস সুলতানা রাজিয়ার হয়ে আদালতে শুনানি করেন। তিনি দাবি করেন অপহৃত ওই ব্যক্তির হাতে তার মক্কেল গত ৫ বছর ধরে হয়রানির শিকার হয়ে আসছেন। আর সে কারণে আত্মরক্ষায় রাজিয়া এই ঘটনা ঘটিয়েছেন বলেই যুক্তি তুলে ধরেন আইনজীবি। তার দাবি অপহৃত ব্যক্তি রাজিয়ার চুল ধরে টানছিলেন আর তিনি আত্মরক্ষা করতে চেষ্টা করছিলেন।এর তিন দিন অপহরণের দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে ১১ মে ২০২৩ তারিখে। সেদিন আবু চৌধুরী ও লুবনা অপর একজনকে অপহরণ করে। অপহৃত দেদিন উডসাইডের ব্রডওয়ে এভিনিউর ৭২ স্ট্রিটের কাছে লুবনার জন্যই অপেক্ষা করছিলেন। এসময় আবু চৌধুরী জোর করে অপহৃতকে একটি মিনিভ্যানে তুলে নেন এবং তাকে পেটাতে শুরু করেন। পরে তারা অপহৃতকে একটি হোটেলে নিয়ে যান এবং আবু চৌধুরী তার সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক করেন।অপহৃতর বাবার কাছে ফোন করে আবু চৌধুরী ২০,০০০ ডলার মুক্তিপণ দাবি করেন বলেও আদালতের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।অপহরণে তৃতীয় দিনে আবু চৌধুরী অপহৃত ব্যক্তিকে চোখ বেঁধে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে ফেলে রেখে যান বলেও এতে বলা হয়েছে। পরে অপহৃত ব্যক্তি তার চোখ খুলে একটি জানালা দিয়ে বাইরে আসেন এবং নেইবারহুডের লোকজনের কাছে ৯১১ কল করতে বলেন। রুবেল আহমেদ, শাহেদ আলম, আনজু খান ও সুলতানা রাজিয়াকে বৃহস্পতিবার আটক করা হয়। আর আবু চৌধুরী ও লুবনাকে আগেই আটক করা হয়। এই ঘটনায় ৭ম একজন আসামি পলাতক রয়েছেন।

post
লাইফ স্টাইল

খেজুরের গুড়ের পোয়া পিঠা তৈরির রেসিপি

শীতের সময়টাতে খেজুর গুড়ের তৈরির নানা ধরনের পিঠা পায়েস খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। গ্রামে তো বটেই, শহরেও চলে এই পিঠা খাওয়ার আয়োজন। এখনকার গৃহিনীরা বেশ দক্ষ। তারা সবদিক সামলিয়ে পিঠা তৈরির জন্যও সময় রাখতে পারেন। তাইতো শীতের সময়ে পিঠার আয়োজন থাকে প্রায় সব ঘরেই। খেজুর গুড় দিয়ে তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু পোয়া পিঠা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খেজুরের গুড়ের পোয়া পিঠা তৈরির রেসিপি-তৈরি করতে যা লাগবেআতপ চালের গুঁড়া- ৩০০ গ্রামখেজুরের গুড়- প্রয়োজনমতোগুঁড়া দুধ- ২ টেবিল চামচআটা- ১ কাপপানি- পরিমাণমতোতেল- ভাজার জন্য।যেভাবে তৈরি করবেনপ্রথমে গুড় জ্বাল দিয়ে ছেঁকে ঠান্ডা করে রাখুন। তারপর তেল বাদে গুড়ে একে একে সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে গুলিয়ে প্রায় ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে গোল চামচ দিয়ে গোলা নিয়ে একটি একটি করে পিঠা লাল করে ভেজে তুলুন, তারপর সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

post
এনআরবি বিশ্ব

প্রবাসীদের সমস্যা সমাধান করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ: শফিকুর রহমান চৌধুরী

প্রবাসীদের সমস্যা সমাধান করাই প্রধান লক্ষ বলে জানিয়েছেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেন,শিগগিরই মাইগ্রেশন খরচ কমাতে রিক্রুটিং এজেন্টদের সাথে আলোচনার পাশপাশি, প্রাবাসী সেল মজবুত করতে পদক্ষেপ নেয়া হবে। মন্ত্রণালয়ে প্রথম অফিস করতে এসে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। রোববার সকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে, প্রথম দিনের অফিস করতে আসেন প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী। এসময় সাংবাদিকদের সাথে কথা কথা বলেন তিনি।মন্ত্রী বলেন,মন্ত্রণালয়ে দ্বায়িত্ব পালন করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রবাসীদের সমস্যা সমাধান করেই এখন তার প্রধান লক্ষ্য।শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রবাসীদের দক্ষ হয়ে বিদেশ যাওয়ার পরামর্শ দেন। প্রবাসীদের সহায়ক শক্তি হিসেবে, মন্ত্রণালয় তাদের পাশে থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, বিদেশগামী কর্মীদের মাইগ্রেশন খরচ কমাতে, শিগগিরই রিক্রুটিং এজেন্টদের সাথে কথা বলবেন তিনি।

post
বাংলাদেশ

কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

বৃহস্পতিবার ১১ জানুয়ারি রাতে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ বিষয়ে জানানো হয়। এর আগে রাত ৭টা ১০ মিনিটের সময় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবনের দরবার হলে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।কে কোন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হককে দেওয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব; ওবায়দুল কাদের পেয়েছেন সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়; আবুল হাসান মাহমুদ আলীকে অর্থ মন্ত্রণালয়; আনিসুল হকের দায়িত্বে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়; নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন শিল্প মন্ত্রণালয়; মো. তাজুল ইসলাম স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং আসাদুজ্জামান খানের দায়িত্বে থাকছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এছাড়াও মুহাম্মদ ফারুক খান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; ডা. দীপু মনির দায়িত্বে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; সাধন চন্দ্র মজুমদার খাদ্য মন্ত্রণালয়; আব্দুস সালামের দায়িত্বে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; ফরিদুল হক খান ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; র আ ম ওবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; নারায়ন চন্দ্র চন্দ ভূমি মন্ত্রণালয় এবং জাহাঙ্গীর কবির নানকের দায়িত্বে থাকছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।মো. আব্দুর রহমান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়; মো. আবদুস শহীদ কৃষি মন্ত্রণালয়; স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; ডা. সামন্ত লাল সেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়; মো. জিল্লুল হাকিম রেলপথ মন্ত্রণালয়; ফরহাদ হোসেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; নাজমুল হাসান পাপন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, সাবের হোসেন চৌধুরী পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের দায়িত্বে থাকছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।প্রতিমন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়নসরুল হামিদ বিপুর দায়িত্বে থাকছে বিদ্যুৎ বিভাগ; খালিদ মাহমুদ চৌধুরী নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়; জুনাইদ আহমেদ পলক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; জাহিদ ফারুকের দায়িত্বে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়; বেগম সিমিন হোসেন রিমি’র দায়িত্বে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এছাড়া কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; মহিববুর রহমান দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়; মোহাম্মদ আলী আরাফাত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; বেগম রুমানা আলী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং আহসানুল ইসলাম টিটু বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

post
বাংলাদেশ

বাদ পড়লেন ১৫ মন্ত্রী ও ১৩ প্রতিমন্ত্রী

নতুন মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আবদুর রাজ্জাক, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ ১৫ জন মন্ত্রী। এ ছাড়া ১৩ জন প্রতিমন্ত্রী এবং দুজন উপমন্ত্রী বাদ পড়েছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী (দুজন টেকনোক্রেট) ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রীর নাম জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রী ছিলেন। তফসিল ঘোষণার পর টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য নন এমন) দুজন মন্ত্রী ও একজন প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেন। তাঁরা হলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম। এর মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভায় শুধু ইয়াফেস ওসমান আছেন। স্থান পাননি মোস্তাফা জব্বার ও শামসুল আলম। এ ছাড়া বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে যাঁরা নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি, তাঁদের মধ্যে কৃষিমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাড়াও আছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ. ম রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়কমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদূর উশৈসিং, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চোধুরী, রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ। প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে যাঁরা বাদ পড়েছেন তাদের মধ্যে আরও আছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেছা। এছাড়া দুজন উপমন্ত্রী বাদ পড়েছেন। তারা হলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এবং পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। অপর উপমন্ত্রী (শিক্ষা) মহিবুল হাসান চৌধুরী পদোন্নতি পেয়ে এবার পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন।

post
বাংলাদেশ

নতুন মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন যাঁরা

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) শপথ নিতে যাচ্ছে সরকারের নতুন মন্ত্রিসভা। শপথ নিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে বুধবার (১০ জানুয়ারি) ফোন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। নতুন সভা সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে কল পেলেন যারা: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এখন পর্যন্ত আ. ক. ম মোজাম্মেল হক, ওবায়দুল কাদের, নূরুল মজিদ হুমায়ূন, আসাদুজ্জামান খান কামাল, ড. দীপু মনি, মো. তাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ ফারুক খান, আবুল হাসান মাহমুদ আলী, আনিসুল হক, মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, মো. আব্দুস শহীদ, সাধন চন্দ্র মজুমদার, র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, মো. আব্দুর রহমান, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, আব্দুস সালাম, মহিবুল হাসান চৌধুরী, ফরহাদ হোসেন, মো. ফরিদুল হক খান, মো. জিল্লুল হাকিম, সাবের হোসেন চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, নাজমুল হাসান, স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, সামন্ত লাল সেনকে মন্ত্রী পদে শপথ নিতে কল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তারা বঙ্গভবনে শপথ নেবেন। স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, সামন্ত লাল সেন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন যারা: বেগম সিমিন হোমেন (রিমি), নসরুল হামিদ, জুনাইদ আহমেদ পলক, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, মো. মহিববুর রহমান, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জাহিদ ফারুক, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, বেগম রুমানা আলী, শফিকুর রহমান চৌধুরী, আহসানুল ইসলাম (টিটু)। বুধবার রাত পৌনে ৯টায় সচিবালের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এসব নাম ঘোষণা করেন। শপথ নেওয়ার পর পরই তাদের দপ্তর বণ্টনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও তিনি জানান। এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বুধবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের পাশাপাশি তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সম্মতিও দেন রাষ্ট্রপতি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনেও সম্মতি দিয়েছেন। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলেও গণ্য করার কথা বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে। এর আগে সকাল ১০টায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ নবনির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য। তার আগে সংসদ সদস্য হিসাবে প্রথমে শপথ গ্রহণ করেন বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী। এরপর স্পিকার হিসেবে তিনি শেখ হাসিনাসহ অন্য সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান। জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র হিসেবে বিজয়ীরাও এদিন শপথ নেন। সংসদ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো সংসদ নেতা হলেন তিনি। একাদশ সংসদে মতিয়া চৌধুরী ছিলেন সংসদ উপনেতা। এবারও এ পদে তাকে বেছে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। চিফ হুইপ হয়েছেন গত সংসদে এ পদে দায়িত্ব পালন করা নূর-ই-আলম চৌধুরী। শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে দ্বাদশ সংসদ গঠিত হয়। বাকি ছিল প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি। রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়ার পর যে কর্মকাণ্ডও সম্পন্ন হয়েছে। গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয় পেয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে ২২২টি আসনে বিজয়ী হয়েছে নৌকার। জোট শরিকরাও নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে দুটি আসন পেয়েছেন। জাতীয় পার্টি পেয়েছে ১১; কল্যাণ পার্টি পেয়েছে একটি আসন। প্রথমবারের মতো স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২ আসনে বাগিয়ে নিয়েছেন। যদিও তাদের মধ্যে বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের নেতা।

post
লাইফ স্টাইল

মুরগির রোস্ট রান্নার রেসিপি

বাড়িতে অতিথি এলে কিংবা যেকোনো উৎসব-আয়োজনে পোলাওয়ের সঙ্গে মুরগির রোস্ট না হলে চলে না যেন। বিশেষ করে বিয়েবাড়ির খাবারের আয়োজনে মুরগির রোস্ট থাকেই। সুস্বাদু এই পদ রান্না করার জন্য সঠিক রেসিপি জানা থাকা চাই। তাহলে আপনার রান্না করা মুরগির রোস্টের প্রশংসা করবে সবাই। একবার খেলে মুখে তার স্বাদ লেগে থাকবে অনেকদিন। চলুন জেনে নেওয়া যাক মুরগির রোস্ট রান্নার রেসিপি-তৈরি করতে যা লাগবে:মুরগি- ১টিআদা-রসুন বাটা- ৫ টেবিল চামচকাজু বাদাম- ৫ টেবিল চামচটক দই- ৪ টেবিল চামচপেঁয়াজ- ১৫০ গ্রামতেল- ১৫০ গ্রামকাঁচা মরিচ- ১০ পিসদুধ- ২৫০ গ্রামমাওয়া- ৫০ গ্রামজিরা গুঁড়া- ১০ গ্রামধনিয়া গুঁড়া- ১০ গ্রামটমেটো কেচাপ- ২০ গ্রামসাদা গোলমরিচ- ১০ গ্রামএলাচ- ৫টিদারুচিনি- ৫টিকিশমিশ- ১০ গ্রামলবণ- পরিমাণমতোতেজপাতা- ৫টিজয়ত্রী- ৫ গ্রামজায়ফল- ১টির অর্ধেক।যেভাবে তৈরি করবেন:মুরগি ৪ পিস করে কাটতে হবে। লবণ, হলুদ ও আদা-রসুন মাখিয়ে ভাজতে হবে। তারপর তেলের মধ্যে পেঁয়াজ, আদা ও রসুন বাটা দিয়ে ভুনতে হবে। এরপর তাতে কাঁচা মরিচ, টক দই, কাজু বাদাম, কিশমিশ, সাদা গোলমরিচ দিয়ে ভুনতে হবে। ভুনা হলে এর মধ্যে ভাজা চিকেন দিয়ে সঙ্গে গুঁড়াদুধ, ঘি, গরম মসলা গুঁড়া, মাওয়া, গোলাপজল ও অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে মুরগিটাকে আরও কিছুক্ষণ রান্না করে নামাতে হবে। সঙ্গে জাফরান পোলাও ও ভাজা কাজু বাদাম দিয়ে গরম গরম মুরগির রোস্ট পরিবেশন করুন।

post
আন্তর্জাতিক

ভোট নিয়ে মুখ খুললেন জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক। বিবৃতিতে ফলকার তুর্ক সদ্য নির্বাচিত সরকারের প্রতি গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বিরোধীদের গ্রেপ্তার, অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রসহ নানা বিষয় উল্লেখ করেছেন।সোমবার (৮ জানুয়ারি) দেওয়া বিবৃতিতে সদ্য নির্বাচিত সরকারের প্রতি গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বিষয়ে দেশের যে অঙ্গীকার, তা ফিরিয়ে আনতে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।বিবৃতিতে অন্যান্য বক্তব্যের পাশাপাশি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার বলেন, ‘আমি সরকারের প্রতি বাংলাদেশের সব নাগরিকের মানবাধিকার যেন সম্পূর্ণভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করা এবং দেশে একটি সত্যিকার অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য আবশ্যক শর্তগুলো জোরদারের পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ করছি।’তুর্কের বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচন বর্জন করে। অগ্নিসন্ত্রাসের মতো রাজনৈতিক সহিংসতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটেছে বলেও খবর রয়েছে। বিরোধীরা অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।ফলকার তুর্ক বলেছেন, এসব ঘটনার স্বাধীন তদন্ত হতে হবে এবং দায়ী ব্যক্তিদের স্বচ্ছ ও ন্যায়পরায়ণ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। নির্বাচনের প্রচার ও ভোটের দিন বিধি লঙ্ঘন ও সব অনিয়মেরও পুঙ্খানুপুঙ্খ ও কার্যকর তদন্ত হতে হবে।জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশে অনেক ত্যাগের বিনিময়ে গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে এবং সেটা যেন এখন লোকদেখানো হয়ে না পড়ে। বাংলাদেশ উন্নয়নের ক্ষেত্রে রোল মডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, দেশের রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়েও এটার প্রতিফলন ঘটবে। বাংলাদেশের সব মানুষের ভবিষ্যৎ এখন ঝুঁকির মুখে।’

post
অভিবাসন

বাংলাদেশের নির্বাচন অবাধ বা সুষ্ঠু হয়নি: যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ বা সুষ্ঠু হয়নি বলে মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর সোমবার এক বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জনগণ এবং গণতন্ত্র, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি তাদের আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করে। যুক্তরাষ্ট্র লক্ষ করেছে, ৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিরোধী দলের হাজার হাজার সদস্যকে গ্রেপ্তার এবং নির্বাচনের দিন অনিয়মের খবরে উদ্বিগ্ন।পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র অন্যান্য পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে একমত যে, এই নির্বাচন অবাধ বা সুষ্ঠু হয়নি। নির্বাচনে সব দল অংশগ্রহণ না করায় আমরা হতাশ।’নির্বাচনকালীন সময়ে এবং এর আগের মাসগুলোতে যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব সহিংসতার গ্রহণযোগ্য তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দেশটি। সব দলের প্রতি সহিংসতাকে পরিহার করারও আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে একটি অবাধ ও মুক্ত ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় (ইন্দো–প্যাসিফিক) অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অভিন্ন লক্ষ্যে কাজ করা, বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও নাগরিক সমাজের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.