post
এনআরবি চাকুরী

সরকার বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে

দক্ষ জনবল বিদেশে পাঠাতে সরকার বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ রুহুল আমিন। বৃহস্পতিবার রংপুর আরডিআরএসে বেগম রোকেয়া মিলনায়তনে প্রত্যাগত অভিবাসী কর্মীদের সুরক্ষা কার্যক্রমে অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সচিব বলেন,প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশ গেলে সম্মানের সাথে সাথে ভাল বেতনে কাজও পাবেন প্রবাসীরা। এরই লক্ষে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে দক্ষ জনবল তৈরী করা হচ্ছে। এসময় সচিবের কাছে বিদেশফেরত কর্মীরা তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

post
এনআরবি লাইফ

প্রবাসীর উদ্যোগে ফরিদপুরে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ২৫০ জন ইমামের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হাজী আব্দুর রহিম কল্যান ট্রাস্ট। বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা আমেরিকা প্রবাসী আলমগীর কবিরের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে গাজীরটেক ইউনিয়নে উপহার সামগ্রি বিতরণ করা হয়। উপহার হিসেবে এদের প্রত্যেককে পঁচিশ কেজি চাল,আলু,পিয়াজ, চিনিসহ বিভিন্ন উপকরণ ও নগদ টাকা তুলে দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,উপহার দাতা আলমগীর কবিরের বাবা হাজী আব্দুর রহিম,ট্রাস্টের পরিচালক মো.মোস্তফা কবির,চরভদ্রাসন উলামা পরিষদের সভাপতি মুফতি জাকারিয়াসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

post
বাংলাদেশ

কাঁচা মরিচ ভালো রাখার উপায়

বাড়িতে আলু-পেঁয়াজের মতো কাঁচা মরিচও মজুত থাকে। কিন্তু একসঙ্গে বেশি কাঁচা মরিচ দীর্ঘদিন ফ্রিজে রাখলে তা পচে যায়। অনেকেই বলেন, মরিচের বোঁটা ছাড়িয়ে রাখলে নাকি এই সমস্যা খানিকটা কমানো যায়। তা সত্ত্বেও যদি কাঁচা মরিচ পচে যায়, তা হলে কী করবেন? বাইরে থেকে বাতাস ঢুকতে পারে না, এমন কোনো পাত্রে রাখুন। এতে কাঁছা মরিচ দীর্ঘদিন সতেজ থাকবে। অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে যেকোনো কিছুই ভালো থাকে। কাঁচা মরিচ দীর্ঘদিন ভালো রাখতে সেগুলো অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন। মরিচ ভুলেও পলিথিনের ব্যাগে রাখবেন না। এতে পচে যেতে পারে। কৌটায় মরিচ ভরে ফ্রিজে তুলে রাখুন। তাতে বরং কিছুদিন হলেও ভালো থাকবে। যখন মরিচ কিনছেন, ভালো করে দেখে শুনে কিনুন। ভালো মরিচের ভিড়ে একটা খারাপ মরিচ লুকিয়ে থাকলে পুরোটাই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বাজার থেকে মরিচ কিনে এনে ধুয়ে, ভালো করে রোদে শুকিয়ে তারপর ফ্রিজে তুলবেন। মরিচের গায়ে এক ফোঁটা পানি থাকলেও তা পচে যেতে পারে।

post
খেলা

ফোনালাপ ফাঁস: যা বললেন তামিম

বাংলাদেশের জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ দুই ক্রিকেটারের ফোনালাপ ফাঁস নিয়ে হঠাৎ হইচই দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজের কলরেকর্ডটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। ওই ফোনালাপের নেপথ্য ঘটনা কী তা অবশেষে খোলাসা করলেন তামিম ইকবাল।মূলত মোবাইল আর্থিক লেনদেন প্রতিষ্ঠান নগদ-এর প্রচারকে কেন্দ্র করেই মিরাজের সঙ্গে তামিমের ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনার মঞ্চায়ন। বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় ঘোষণা মতো লাইভে আসেন তামিম। এ সময় তার সঙ্গে আরও যুক্ত ছিলেন মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং সর্বশেষে যুক্ত হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং নগদের নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক। লাইভে তামিম জানান, ঈদ উপলক্ষ্যে নগদের একটি ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। যেখানে ২৪ জন গ্রাহককে জমি উপহার দেওয়া হবে। সেই ক্যাম্পেইনে জয়ের জন্য দুইজন বা তিনজন করে দল গঠন করে লেনদেন করতে হবে। যেই দলেই মুশফিককে রেখেছিলেন তামিম। তবে মুশফিক বের হয়ে গেছেন। মূলত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তাদের ফোনালাপ। যা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরপরই শুরু হয় নানা বিতর্ক। অনেক ভক্তরাই ভেবে নেন, হয়তো বিপিএলে তামিমের দল ছেড়ে অন্য দল গঠন করছেন মুশফিক। কিন্তু পুরো বিষয়টিই ছিল নগদের প্রচার। যা একদিন পরই খোলাসা করলেন এই ক্রিকেটাররা।

post
বিনোদন

ছেলে না খেয়ে থাকে তবু হারাম পেটে দেয় না: গায়ক খালিদের স্ত্রী

১৮ মার্চ মারা গেছেন ব্যান্ড তারকা খালিদ। গায়কের শেষ সময়ে স্ত্রী-সন্তান দেশে ছিলেন না। মৃত্যুর পর ছেলে আরিক নিউইয়র্ক থেকে একটি ভিডিওবার্তায় কথা বলেছেন। ভাবলেশহীন ও সানগ্লাস পরে ভিডিওবার্তায় কথা বলায় অনেকেই বিষয়টি নেতিবাচকভাবে নিয়েছেন। করেছেন সমালোচনা। এবার এসব বিষয়ে জবাব দিয়েছেন খালিদের স্ত্রী শামীমা জামান। গতকাল (১৯ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘এই ছেলে ১২ বছর বয়স থেকে নামাজ পড়ে, মাশাল্লাহ এই ছেলের গানের গলা থাকা সত্ত্বেও গান না শিখে কোরআন শিখেছে। এই ছেলে বাবাকে নামাজ পড়তে বলতে বলতে হতাশ হয়েছে। এই ছেলে তার অসুস্থ মায়ের সেবা করেছে ৭ মাস রাত ৪টা পর্যন্ত বায়েজিদ বোস্তামির মতো দাঁড়িয়ে থেকে। এই ছেলে তার মায়ের মৃত্যুর অপেক্ষায় একা একটি বাসায় কাটিয়েছে।’ তুলে ধরেছেন আরিকের লাইফস্টাইলও। তিনি আরও বলেন, ‘এই ছেলে তার আল্লাহর হুকুম পালন করতে আমেরিকান মেয়েদের আহবান সত্ত্বেও একটা প্রেম করেনি। এই ছেলে তেমন বন্ধু হয় না যখন সে দেখে বন্ধুগুলো গাজা খায়। এই ছেলে প্রতিটি কাজে আগে আল্লাহর বিধান কী জেনে নেয়, আমেরিকার স্কুলের হারাম চিকেন দেখলে না খেয়ে থাকে, তবু হারাম পেটে দেয় না। এই ছেলেকে তার বাবার টাকা দিতে হয় না, তার মা তার জন্য যথেষ্ট উপার্জন করে। তার বাবার চিন্তা এই ছেলেকে নিয়ে নয় যতটা, তার গান আর ভক্ত শিষ্যদের নিয়ে। তাই খুব খেয়াল করে আমার ছেলেকে নিয়ে না জেনে একটা খারাপ কথা উচ্চারণ করলে ওপর আল্লাহ তার বিচার করবেন।’ খালিদের মৃত্যুর বিষয়টি ছেলে বুঝে উঠতেই পারেনি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ও স্কুল থেকে এসে বুঝতেও পারছে না আসলে কী ঘটে গেছে, ও স্মার্ট তো হঠাৎ করে খ্যাত হয়ে কীভাবে কথা বলবে? যতসব। আর সানগ্লাস? উন্নত দেশে কান্না লুকাতেও সানগ্লাস পরে মানুষ। শুধু সাংবাদিক তানভীর তারেকের অনুরোধে ও এই কথাগুলো বলতে রাজি হয়েছে। বড়দের সম্মান করে বলে নয়তো মিডিয়ায় কথা বলতে বা কাজ করতে ও পছন্দ করে না।’প্রসঙ্গত, সোমবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন খালিদ। রাজধানীর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। খালিদ ‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে’, ‘হয়নি যাবারও বেলা’, ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’, ‘তুমি নেই তাই’–এর মতো বহু জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।১৯৮৭ সালে সারগাম থেকে প্রকাশিত ‘চাইম’ এর প্রথম অ্যালবাম (সেলফ টাইটেলড) দিয়ে যাত্রা শুরু তাঁর। চাইমের ব্যান্ড অ্যালবামের চেয়ে খালিদ জনপ্রিয় হয়ে যান ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবাম দিয়ে। মূলত খালিদ তাঁর জনপ্রিয়তা ধরে রাখেন ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবাম দিয়েই। বাংলা ব্যান্ড সংগীতের আরেক তারকা প্রিন্স মাহমুদের ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবামগুলোতে খালিদ তাঁর গান দিয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। প্রিন্স মাহমুদের অ্যালবামগুলোর মধ্যে খালিদের গাওয়া ‘কিভাবে কাঁদাবে’, ‘আবার দেখা হবে’, ‘নীরা’, ‘আকাশনীলা’, ‘কোন কারণেই’, ‘হয়নি যাবার বেলা’ শ্রোতা মহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

post
আন্তর্জাতিক

অবশেষে যোগাযোগ করল জলদস্যুরা

ভারত মহাসাগর থেকে ২৩ জন নাবিকসহ বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহকে জিম্মি করা সোমালি জলদস্যুরা মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। জিম্মি ঘটনার ৯ দিনের মাথায় ২০ মার্চ (বুধবার) মালিকপক্ষের সঙ্গে তারা যোগাযোগ করে। একইদিন দুপুরে জাহাজের মালিকপক্ষ কেএসআরএম গ্রুপ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ বিষয়ে কেএসআরএমের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘জলদস্যুরা যোগাযোগ (ফোন) শুরু করেছে। এখন আলোচনার পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।’ যোগাযোগ শুরু হওয়ায় এখন জলদস্যুরা মুক্তিপণ দাবি করতে পারে। দর-কষাকষি মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছালে জাহাজসহ নাবিকদের মুক্তি মিলতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। অবশ্য জলদস্যুদের যোগাযোগের আগেই সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে নানান উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এছাড়াও মালিকপক্ষ সমঝোতার নানা প্রক্রিয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। এদিকে বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও নাবিকদের উদ্ধারে আন্তর্জাতিক নৌবাহিনী অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে- এমন সংবাদের পর অভিযান বন্ধ করতে নাবিকদের ওপর চাপ দিচ্ছে জলদস্যুরা। জাহাজের নাবিক ক্যাপ্টেন আতিক ইউএ খান জানান, গত দুদিন আন্তর্জাতিক নৌবাহিনী জিম্মি হওয়া জাহাজটিকে চাপের মুখে রেখেছে। অন্যদিকে দস্যুরাও অভিযান বন্ধ করতে নাবিকদের ওপর চাপ দিচ্ছে। ‘বাড়াবাড়ি’ করলে জাহাজ তীরে তুলে দেবে বলে হুমকি দিচ্ছে জলদস্যুরা। এদিকে সোমালি জলদস্যুদের হাতে জিম্মি জাহাজের মালিকপক্ষ ও সরকার নাবিকদের নিরাপত্তাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে কেএসআরএমের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম বলেন, “আমরা কোনো ধরনের সামরিক অভিযানকে সমর্থন করছি না। তা ছাড়া রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও সুস্পষ্ট বার্তা হচ্ছে সহিংস অভিযান পরিচালনা করা যাবে না।” উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ দুপুরে ভারত মহাসাগরে ২৩ নাবিকসহ সোমালি জলদস্যুদের কবলে পড়ে এমভি আব্দুল্লাহ। জাহাজে রয়েছে প্রায় ৫৫ হাজার টন কয়লা রয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৮০ কোটি টাকা বা ৬৬ লাখ ডলার। এসব কয়লা মোজাম্বিক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নেওয়া হচ্ছিল।

post
বিনোদন

কণ্ঠশিল্পী খালিদের মৃত্যু, নিউইয়র্কে ফোনে খবর পান স্ত্রী

কণ্ঠশিল্পী খালিদের স্ত্রী শামীমা জামান নিউইয়র্কে বসেই ফোনে জীবনসঙ্গী হারানোর কথা জেনেছেন। তিনি সন্তানসহ এখন নিউইয়র্কে আছেন। স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি বিশ্বাসই করতে পারছেন না তার স্বামী খালিদ আর নেই। সোমবার রাজধানীর গ্রিন রোডের বাসায় বুকে ব্যথা অনুভব করার পরপর সংজ্ঞা হারালে খালিদকে কমফোর্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।তার প্রথম নামাজে জানাজা রাত ১১টায় গ্রিন রোড জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মরদেহ নেওয়া হবে খালিদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে। সেখানে নামাজে জানাজা শেষে মঙ্গলবার তাকে দাফন করা হবে। আশির দশকের প্রথম দিকে জনপ্রিয় ব্যান্ড চাইমের মাধ্যমে সঙ্গীতাঙ্গনে প্রবেশ করেন খালিদ। ব্যান্ডটির হয়ে বেশ কিছু অ্যালবামে গেয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে নব্বই দশকে সলো ক্যারিয়ারেও সফলতা পান। ‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণে ফেরানো গেল না তাকে’, ‘হয়নি যাবারও বেলা’, ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’, ‘তুমি নেই তাই’, ‘নাতি খাতি বেলা গেল’, ‘কীর্তনখোলা নদী’, ‘ঘুমাও’– এর মতো বহু জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন খালিদ। প্রিন্স মাহমুদ, জুয়েল-বাবুর সুরে তার গানগুলো শ্রোতাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে আগেই। তবে ২০১০ পরবর্তী সময়গুলোতে গানে অনিয়মিত ছিলেন খালিদ। দেশ ছেড়ে পাড়ি জমান নিউইয়র্কে। সম্প্রতি তিনি ঢাকায় এসেছিলেন। জনপ্রিয় এই শিল্পীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে শোবিজ অঙ্গনে।

post
বিনোদন

মা-বাবার পাশে শায়িত হলেন খালিদ

সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে গোপালগঞ্জের এস এম মডেল সরকারি হাই স্কুল মাঠে বাদ জোহর জানাজা শেষে গেটপাড়া এলাকার পৌর কবরস্থানে মা-বাবার পাশে তাকে শায়িত করা হয়।এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় সংগীতশিল্পী খালিদ হোসনকে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর রাত ১১টায় ঢাকার গ্রিন রোড জামে মসজিদে খালিদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার মরদেহ নিয়ে রাত সাড়ে ৩টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের বাসায় পৌঁছান পরিবারের সদস্যরা। মরেদেহ গোপালগঞ্জ পৌঁছালে সহপাঠী, বন্ধু ও ভক্তরা শেষবারের মতো খালিদকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন। মঙ্গলবার বাদ জোহর গোপালগঞ্জ কোর্ট মসজিদে খালিদের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পড়ে যে বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন সেই বিদ্যালয় এস এম মডেল সরকারি হাই স্কুল মাঠে সংগীতশিল্পীর জানাজার আয়োজন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন জেলা কোর্ট মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন- গীতিকার-সুরকার প্রিন্স মাহমুদ, সংগীতশিল্পী খালিদের আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী, ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী, গোপালগঞ্জের স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য, স্থানীয় লোকজনসহ শত শত মানুষ।

post
অভিবাসন

আমিরাতে জনশক্তি রপ্তানী বাড়বে

সংযুক্ত আরব আমিরাতে জনশক্তি রপ্তানী বাড়বে বাংলাদেশের। এমনটা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।মঙ্গলবার ঢাকায় নিযুক্ত আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলি আল হামুদির সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে একথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী । তিনি বলেন, দুবাই ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের অন্য শহরগুলোতে এমপ্লয়মেন্ট ভিসা চালুর ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে। সহজে ও স্বল্প খরচে কি ভাবে শ্রমশক্তি রপ্তানি করা যায়, সেই বিষয়েও কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ড. হাছান মাহমুদ।

post
ক্যাম্পাস লাইফ

জাবির নতুন প্রক্টর হলেন ড. আলমগীর কবীর

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমগীর কবীরকে সাময়িকভাবে প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সদ্য বিদায়ী প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান পদত্যাগ করায় আলমগীর কবীরকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৮ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আ স ম ফিরোজ-উল-হাসানের লিখিত অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে তাকে প্রক্টরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানপূর্বক এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান ও উপাত্ত বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমগীর কবীরকে ১৮ মার্চ অপরাহ্ন থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ করা হলো। তিনি প্রচলিত নিয়মে সুবিধাদি ভোগ করবেন। উল্লেখ্য, গত ১১ মার্চ থেকে ৫ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য নতুন প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চ’। এর আগে, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বহিরাগত গৃহবধূকে ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তদের অপরাধ ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ ওঠে আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রাধ্যক্ষ সাব্বির আলমের বিরুদ্ধে। এরপর ১৩ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান ও সাব্বির আলমকে ১৭ মার্চের মধ্যে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ না করলে উপাচার্যের ১৮ মার্চ অব্যাহতি দেয়ার আশ্বাসে নতুন প্রশাসনিক ভবনের অনির্দিষ্টকালের অবরোধ তুলে নেয় আন্দোলনকারীরা। এরই প্রেক্ষিতে আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান তার দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.