post
বাংলাদেশ

বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি

সরকার বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা, দ্ক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।শুক্রবার দুপুরে, সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়াগুলো সহজ করার জন্য প্রযুক্তি সুবিধার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে- এমনটা জানান রাষ্ট্রপতি। দেশের বিচার বিভাগ স্বাধীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। এ ধারা অব্যাহত রেখে একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে, সম্মিলিত প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বিচার বিভাগকে সামিল হতে হবে। আদালতের হস্তক্ষেপ যেনো সাংবিধানিক নীতি, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পরিচালিত হয়- সেটি নিশ্চিতেও তিনি আহ্বান জানান।

post
বিনোদন

বাজারে আসছে নতুন স্বাদ নতুন উচ্ছাস ‘দি আপেল বিরিয়ানি’

হাজী বিরিয়ানি, নান্না বিরিয়ানি, সুলতান ডাইনস্, কাচ্চি ভাই, গ্রান্ড নবাব, কোলকাতা বিরিয়ানি, হায়দ্রাবাদি বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি এরকম কতো কতো মজাদার বিরিয়ানি যে আছে পুরান ঢাকার কাজী আলাউদ্দিন রোড, আগা সাদেক ও নিমতলি এলাকায়।হাজী বদরুদ্দিন মার্কেটের নীচতলার কর্নার ফেসিং যে দোকানের ডেকচির ঢাকনার আওয়াজ আর লম্বা চাউলের রঙিন বিরিয়ানির ঘ্রাণ সূত্রাপুর, নিমতলি, লালবাগ, মিরপুর, বনানী, ৬০ ফিট্, ৩০০ ফিট্ পেরিয়ে উত্তরের তুরাগ তীর পর্যন্ত ঠেকেছে তার নাম 'de আপেল বিরিয়ানি'।ঢাকাইয়্যা স্বাদে, মন মাতানো ঘ্রানে ছাত্তার বাবুর্চির রান্নায় যুগান্তকারী এক রেসিপিযোগে গরমা গরম আপেল বিরিয়ানি নিয়ে এসেছে বদরুদ্দিনের বোকা সোকা মেঝো ছেলে আপেল।মহল্লা মাথায় তোলা বিন্দিয়া, রোখসানা, রকেট, ঐন্দ্রিলা, ইস্পিতা আর বুলেটের মতো পুরান ঢাকার একঝাঁক তরুন তরুনীর উচ্ছাস ভরা এক গল্পগাঁথা ‘de আপেল বিরিয়ানি’।লেখক বিদ্যুত জাহিদ এর দ্বিতীয় এ গল্পগ্রন্থটি এইবার প্রকাশ করছেন ‘নয়া উদ্যোগ’ প্রকাশনী। প্রকাশক সাফায়াত জায়ান। প্রচ্ছদ পরাগ ওয়াহিদ ।লেখকের প্রকাশিত অনান্য বইঃ কাব্যগ্রন্থঃ ‘একা আমি শ্রাবন’, ‘শাল পিয়ালের বনে চন্দ্রিমা রাতে’, ‘নদীর নাম পারুল’। উপন্যাসঃ ‘সোনালি অভিশাপ’। ছোটগল্পঃ ‘বুকে বৃষ্টির শব্দ’।

post
সংবাদ

আমিরাতের পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাবের হোসেনের বৈঠক

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএইউ) জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশমন্ত্রী ড. আমনা বিনতে আবদুল্লাহ আল দাহাকের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (প্রেস) মো. আরিফুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার দুবাইয়ে অবস্থিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ বৈঠক হয়।বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা ২০২২-২০৪১ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন আমিরাতের পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে নেতৃত্বের ভূমিকায় অবস্থান করছে। বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন প্রকল্পে ইউএই বিনিয়োগ করতে পারে । এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন অঞ্চলের জীববৈচিত্র ও প্রতিবেশ রক্ষা, ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প, বাংলাদেশের কক্সবাজার অঞ্চলে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিপুল বনাঞ্চল পুনঃবনায়ন, সৌরবিদ্যুৎ চালিত সেচ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে ইউএই সরকারকে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। এর আগে একইদিন সাবের হোসেন চৌধুরী সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আহমেদ আলী আল সায়েঘের সঙ্গেও বৈঠক করেন। আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক এ বৈঠকে আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আবু জাফর, সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালকসহ আটজনের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএই রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

post
সংবাদ

ভাষা দিবসে মুখর বইমেলা

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিকেল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভিড় বেড়েছে বইমেলায়।আজ একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস হওয়ায় এর প্রভাব দেখা গেছে একুশের বইমেলায়। ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকেই দর্শক-পাঠকরা আসতে থাকেন। বিকেল হতেই ভিড় বাড়তে থাকে মেলা প্রাঙ্গণে। দর্শনার্থীদের অনেকেই সাদা কালো পোশাকে এসেছিলেন বইমেলায়। শীতল আবহাওয়ায় কেউ ছবি তুলেছেন, কেউ শত বইয়ের সম্ভার থেকে খুঁজে নিয়েছেন পছন্দের বইটি, কেউ উপভোগ করেছেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আবার কেউ কেউ গল্প-আড্ডায় কাটিয়েছেন পুরো সময়। মেলার দর্শনার্থীদের বেশিরভাগই নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে বই কেনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে কেউ কেউ বলেন মেলার জৌলুস এখন আর আগের মতো পাইনা।

post
বাংলাদেশ

ভাষাশহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বুধবার রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও পরে প্রধানমন্ত্রী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।এ সময় অমর একুশের কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি...’ বাজানো হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। বাসস জানিয়েছে, ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা বাজার ৭ মিনিট আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে পৌঁছান। এর ৩ মিনিট পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল রাষ্ট্রপতিকে শহীদ মিনারে অভ্যর্থনা জানান। এ সময় জাতীয় সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মন্ত্রিসভার সদস্য ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু। তাদের পর প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের বিচারপতিরা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন৷ পরে তিন বাহিনীর প্রধান, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ওই এলাকা ত্যাগ করলে সর্বস্তরের জনগণের জন্য শহীদ মিনার খুলে দেওয়া হয়। এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হাজারো মানুষের ঢল নামে। ১৯৫২ সালের এই দিনে ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করার জন্য সর্বস্তরের জনগণ ফুল হাতে এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গুনগুন করে গেয়ে খালি পায়ে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এদিকে বিভিন্ন দল, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), জেএসডি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণতন্ত্রী পার্টি, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, জাসদ ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য অপেক্ষমাণ সারিতে আরও বহু দল এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা রয়েছেন।

post
বাংলাদেশ

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান ছিল। সেই আন্দোলনের ইতিহাস থেকে তার নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে একুশে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে গিয়ে বাঙালিরা রক্ত দিয়েছে, রক্তের অক্ষরে ভাষার অধিকারের কথা লিখে গিয়েছে। পাকিস্তানি শাসকরা আমাদের মায়ের ভাষার অধিকার কেড়ে নিতে চেয়েছিল। সংখ্যাগরিষ্ঠতায় আমরাই ছিলাম বেশি। আর যে ভাষাটা আমাদের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল, উর্দু, সেটা কারও মাতৃভাষা নয়, পুরো পাকিস্তানের ৭ ভাগ লোকও এটা ব্যবহার করত কি না সন্দেহ আছে। অথচ আমরা বাঙালিরা ছিলাম প্রায় ৫৫ ভাগ। আমাদের ভাষা কেড়ে নিয়ে দ্বিজাতীয় একটা ভাষা যখন চাপিয়ে দিতে চায়, তখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র। তিনি উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তমদ্দুন মজলিশসহ আরও কয়েকটি সংগঠন নিয়ে বাংলা ভাষাকে রক্ষার জন্য সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলেন এবং আন্দোলন শুরু করেন। সেই আন্দোলনের পথ ধরেই আমরা আমাদের স্বাধিকার আদায় করেছি, স্বাধীনতা পেয়েছি।

post
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ বন্ধের উপায় জেলেনস্কিকে খুঁজতে বললেন শেখ হাসিনা

রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেইনের যে যুদ্ধ চলছে তা বন্ধের উপায় খুঁজে বের করতে ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।শনিবার সকালে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের (এমএসসি) ফাঁকে এক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান বলে বাসস জানিয়েছে।সম্মেলনস্থল হোটেল বায়েরিশার হফে দুই নেতার এ বৈঠক হয়, যেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় বলেন, ‘আমরা সব ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে’। আজ জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনার সময় কীভাবে রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধ বন্ধ করা যায়, সে বিষয়েও তিনি বারবার আলোচনা করেছেন।”বৈঠকে দুই নেতা গাজায় নিরপরাধ নারী-পুরুষের ওপর হামলা কীভাবে বন্ধ করা যায়- তা নিয়েও আলোচনা করেন বলে জানান হাছান।যুদ্ধ কারও জন্য মঙ্গল বয়ে আনতে পারে না মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, “যুদ্ধের মাধ্যমে অন্যরা উপকৃত হতে পারে। কিন্তু যুদ্ধ লিপ্ত দেশগুলোর জন্য তা কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না এবং তাদের জনগণকে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।”এ প্রসঙ্গে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মানুষের দুর্ভোগের স্মৃতি স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি তখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বন্দিদশায় তাকে যে অমানবিক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল এবং একমাত্র ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মের কথাও স্মরণ করেন তিনি।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও জেলেনস্কির মধ্যে আলোচনায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়’ স্পষ্টভাবে উঠে আসে।এক প্রশ্নের জবাবে হাছান বলেন, স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।“রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই চমৎকার। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাশিয়া আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং যুদ্ধের পর বাংলাদেশের পুনর্গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তারা (শেখ হাসিনা ও ভলোদিমির জেলেনস্কি) শুধু যুদ্ধ বন্ধের জন্য আলোচনা করেছেন।”

post
বাংলাদেশ

বিএনপির হাত ধরেই উগ্রবাদের জন্ম

বিএনপির হাত ধরেই উগ্রবাদের জন্ম। দলটি দেশের রাজনীতিতে দুর্ঘটনা ঘটাতে চায়- বলে মন্তব্য করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ বেফাঁস কথা বলে না, বিএনপিই বলে। বেপরোয়া গাড়ির চালকের মতো বেপরোয়া রাজনীতির চালক মির্জা ফখরুল। রাজনীতিতে বিএনপি দুর্ঘটনা ঘটাতে চায়। অতীতে তাদের এই ইতিহাস আছে। এই দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি তারা বারে বারে ঘটাতে চায়। এছাড়া রাজনীতিতে টিকে থাকার তাদের আর কোনো রসদ নেই। আমরা তার বিবৃতি পড়ে দেখলাম, তারা ঘুরে দাঁড়াবে। কোথা থেকে কোথায় ঘুরবেন সেটা আমাদের জানা নেই। এই ডিসেম্বরে না আগামী অক্টোবরে কবে আবার ঘুরে দাঁড়াবেন। তাদের আন্দোলনের চৌকস কথার ফুলঝড়ি আমরা অনেক শুনেছি। বিএনপির নেতারা জনগণের কাছে নিজেদেরকেই খাটো করছেন। আন্দোলন করার মতো অবজেক্টিভ পজিশন বাংলাদেশে নেই।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে রক্তের দাগ, হত্যা ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছিল বিএনপি। মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে কলংকিত হত্যাকাণ্ড করেছে। যার মাস্টারমাইন্ড ছিল খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে জিয়াউর রহমান। তারা তাদের ওপর আরোপিত অভিযোগ আরোপ করতে চায় আওয়ামী লীগের ওপর। তারা কারাগারের অভ্যন্তরে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছে। ২১ আগস্ট সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছিল। গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল। প্রাইম টার্গেট আমাদের সভাপতি শেখ হাসিনা। যেখানে ২৩ টি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। এসএএমএস কিবরিয়া, আহসানউল্লাহ মাস্টার, নাটোরের মমতাজ, সাংবাদিক মানিক শাহ, শামসুর রহমান, হুমায়ুন কবির বালু। বিএনপি এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছিল। এরপর মির্জা ফখরুল কোথা থেকে পেলেন, আমরা নাকি হত্যা-ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছি। এখন তিনি আমাদের ওপর উধোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাচ্ছেন।

post
বাংলাদেশ

সিন্ডিকেটের জন্যই ক্ষমতাসীনরা দায়ী

দ্রব্যমুল্যের লাগামহীন সিন্ডিকেটের জন্যই ক্ষমতাসীনরা দায়ী মন্তব্য করে, রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে পতনের আহবান জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা।শনিবার সকলে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় অংশ নিয়ে, তারা এসব কথা বলেন। এসময় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, আওয়ামী সরকারের কাছে বিএনপির কোন দাবি দাওয়া নেই। কারণ জনগন বিএনপির সাথেই আছে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথেই তা আদায় করা হবে। এসময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আওয়াল বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন কখনও জনদুর্ভোগ কমবে না। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নামার আহবান জানান তিনি।

post
সংবাদ

কেউই দেশের জন্য কাজ করেনি

বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগেরও আহ্বান জানান। জার্মানীতে বাংলাদেশি প্রবাসীদের দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন,তাঁর সরকার বিদেশে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।এসময়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্বাধীনতার পর থেকে এপর্যন্ত আওয়ামী লীগ ছাড়া কেউই দেশের জন্য কাজ করেনি। সেজন্য দেশের জনগণ আবারও নৌকার ওপরই আস্থা রেখেছে। বাংলাদেশ সমৃদ্ধি সাথে এগিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, দেশবাসীর ভাগ্য নিয়ে যাতে কেউ কোন ষড়যন্ত্র করতে না পারে, বাংলাদেশ যাতে কখনই রাজাকারদের আস্তানায় পরিণত না হয় সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.