post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রে সম্মাননা পেলেন কবি শরীফুল আলম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা ও ইংরেজী সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশি বংশদ্ভুত কবি শরীফুল আলমকে সন্মাননা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি নিউইয়র্কের নিউ কভেন্যান্ট প্রেসবিটারিয়ান চার্চ আলবাতে এ সম্মাননা দেন আ্যলাইন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবার (এএসএএএল) নামে সংগঠন। অ্যালাইন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবারের (এএসএএএল) প্রতিনিধিত্বকারী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি হলো- বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মার্কিন সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চক শুমার, সিনেটর জেসিকা রামোস, নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলিম্যান চার্লস ডি. ফল, অ্যাসেম্বলিম্যান খলিল অ্যান্ডারসন, অ্যাসেম্বলি ওমেন আমান্ডা সেপ্টিমো, অ্যাসেম্বলি ওমেন ইউহ লাইন নাইউ, কাউন্সিল সদস্য লিন্ডা লি এবং মার্সিডিজ নার্সিস প্রমুখ। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মিসবাহ উদ্দীন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ এশীয়দের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্ষমতায়নসহ কমিউনিটি এবং মূলধারার মধ্যে সেতুবন্ধনে কাজ করছে আ্যলাইন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবার। সংগঠনের উদ্যোগে আমরা আগামী দিনগুলোতে সম্পর্ক উন্নয়নে আরও বেশি সচেতন হবো।

post
এনআরবি সাফল্য

বাংলাদেশি মৌসুমি ফল এখন কুয়েতের বাজারে

ষড়ঋতুর পথ পরিক্রমায় এখন চলছে গ্রীষ্মকাল। বাঙালির প্রিয় মধুমাস জ্যৈষ্ঠ মাস। এ মৌসুমে বিভিন্ন জাতের আম, কাঁঠাল, লিচু বিভিন্ন ফল ভিন্ন ভিন্ন রঙ ধারণ করে পাকতে শুরু করে মৌসুমি ফল। দেশের মৌসুমি ফলের স্বাদ নিতে পারে হাজার হাজার মাইল দূরে থাকা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। কুয়েতের বিভিন্ন বাংলাদেশি সুপার শপ, বাকালাগুলোতে গেলে দেখা যায়- বাংলাদেশি মৌসুমি ফল আম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস পসরা সাজিয়ে রেখেছেন দোকানিরা। আহসান ও করিম দুই প্রবাসী বলেন, প্রতি সপ্তাহে অথবা পনেরো দিনে বাংলাদেশি সুপার শপ, বাকালা থেকে পছন্দের বাংলাদেশি শাক সবজি কিনে নিয়ে যাই। হঠাৎ নজের এলো দেশি মৌসুমি ফল আম, কাঁঠাল, লিচু। লিচু দেখে খুব ভালো লাগলো। দোকানের বিক্রেতা রহিম উদ্দিন জানান, কুয়েতে বাংলাদেশি ফল শাক-সবজির প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশিদের ছাড়াও অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও কিনে নিয়ে যান। বাংলাদেশ হতে নিয়ে আসতে কার্গো খরচ বেশি পড়ে, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।

post
বাংলাদেশ

বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনে যাত্রীদের অযথা হয়রানি করলে ব্যবস্থা

ঢাকা বিমানবন্দরে প্রয়োজন ছাড়া যাত্রীদের ইমিগ্রেশনে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে না ইমিগ্রেশন পুলিশকে সতর্ক করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী এম মাহবুব আলী। যাত্রীদের হয়রানি করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।আজ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিভিন্ন পরিষেবা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন বিমান প্রতিমন্ত্রী। তিনি এ সময় যাত্রীদের সঙ্গেও কথা বলেন।মাহবুব আলী বলেন, বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা, কর্মচারী দায়িত্ব পালনে অবহেলা পাওয়া গেলে বা যাত্রী হয়রানি করলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রত্যেক যাত্রীকে যেন জিজ্ঞাসাবাদ করা না হয়, হয়রানি করা না হয়। যাদের তারা প্রয়োজন মনে করবেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। প্রয়োজনে তাদের আলাদা করে জিজ্ঞাসা করা হবে।'বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, কাস্টমসের সঙ্গে কথা হয়েছে, যাতে সব যাত্রীর ব্যাগ চেক করা না হয়। কেবল তথ্যের ভিত্তিতে যাকে সন্দেহ হবে, তাকে চেক করা হবে এবং ১ থেকে ২ শতাংশ যাত্রীকে আলাদাভাবে নিয়ে চেক করতে হবে। চেক করতে গিয়ে যাত্রীদের আসা–যাওয়ায় যাতে কোনো হয়রানি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। বিমানবন্দরে এসে সেবা নির্বিঘ্ন করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আছে। শিগগিরই যাতে ই-গেট চালু হয়, সেটির ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটা দল করা হয়েছে। সপ্তাহে তিন দিন মন্ত্রণালয়ের লোকজন বিমানবন্দরে থাকেন। কোনো অব্যবস্থাপনা হয় কি না তারা দেখেন। আমরা এখানে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন সেবার মান ভালো। ইমিগ্রেশনে তাদের কোনো সমস্যা হয়নি।বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিংয়ের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে মাহবুব আলী বলেন, বিমানবন্দরে যার যারা ডিউটি করে তাদের নির্দিষ্ট সময়ের আধঘণ্টা আগে ঢুকতে হবে। ডিউটি শেষে বের হতে হবে। যাতে আমরা যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করতে পারি। বহির্বিশ্বে বিমানবন্দরগুলোতে যেমন সেবা দেওয়া হয়ে থাকে সে ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট আছি।হজ ফ্লাইট প্রসঙ্গে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৩১ মে যাতে হজ ফ্লাইট শুরু করা যায় সেজন্য প্রস্তুতি আছে। কিন্তু হজে যারা যাবেন, বাড়ি ভাড়া এবং মোয়াল্লেম নির্ধারণসহ আনুষঙ্গিক কাজগুলো করতে পারেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ। এই বিষয়গুলো এখনো পরিষ্কার হয়নি। তবে আমাদের বিশ্বাস নির্দিষ্ট সময়ে কাজগুলো সম্পন্ন করবে সৌদি কর্তৃপক্ষ।তিনি বলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয় এ বিষয়গুলো দেখছে। আমাদের বিশ্বাস এই সময়ের মধ্যে সব হয়ে যাবে। আনুষ্ঠানিকভাবে ৩১ মে হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করা হবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা প্রবাসীদের টেবিল টেনিসের আসর বসছে মিশিগানে

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে মিশিগানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নর্থ আমেরিকান প্রবাসী বাংলাদেশি টেবিল টেনিস টুর্নামেন্ট। আয়োজকরা বলেছেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহী করতে এই টুর্নামেন্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ১২টি টেনিস ক্লাব অংশ নেবে। ক্লাবের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই বাংলাদেশে থাকতে জাতীয় দলে এবং বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি টেনিস ক্লাবে খেলেছেন।আগামী ১১ জুন মিশিগান স্টেটের নোভাই শহরে স্পার্ক এরিনায় এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টে এবারই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার দুটি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেবেন। টুর্নামেন্টকে ঘিরে স্থানীয় সময় রোববার (২৩ মে) বিকেলে মিশিগান রাজ্যের হ্যামট্টামিক শহরের আলাদিন রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করেন আয়োজকরা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মিশিগান রাজ্যে থেকে চারটি, শিকাগো থেকে দুটি, নিউইয়র্ক থেকে একটি এবং কানাডার টরন্টো থেকে পাঁচটি টেনিস ক্লাবসহ মোট ১২টি ক্লাব টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। চারটি একক এবং একটি দ্বৈত ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। একটি ক্লাবে সর্বনিম্ন তিন জন এবং সর্বোচ্চ চার জন খেলোয়াড় থাকবেন। টুর্নামেন্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে রিয়েল এস্টেট এজেন্ট জেএস গ্রুপের জাহেদ জিয়া ও তার সহধর্মিণী সালমা রহমান মুমু। সহযোগিতায় থাকছেন রয়েল বেঙ্গল ইন্ডিয়ান কুজিন রেস্টুরেন্টের কর্ণধার ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব হাসান খান

post
এনআরবি বিশ্ব

বিদেশ পাঠিয়ে দু'বছরেও খোঁজ মিলেনি মিরাজুলের, ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ মা

গত দুই বছরেও সন্ধান মেলেনি মালয়েশিয়া প্রবাসী মিরাজুল মন্ডলের। ছেলেকে ফিরে পেতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন স্থানে ধর্না দিচ্ছেন তার বাবা-মা। কিন্তু এখনো জানতে পারেননি ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় মালয়েশিয়া গিয়ে নিখোঁজ মিরাজুল কেমন আছেন। এদিকে একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে প্রায় বাকরুদ্ধ তার মা।মিরাজুল পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের চৌকিবাড়ী গ্রামের দুলাল মন্ডলের ছেলে।পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের (আরএল-৫৪৯) মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান তিনি।দেশটিতে পৌঁছানোর পর মালয়েশিয়ার ‘ইয়াংসিং ইন্ডাস্ট্রিজ-ইপু এসডিএন. বিএইচডি’ কোম্পানিতে সাধারণ কর্মী হিসেবে যোগ দেন মিরাজুল।এরপর প্রথম দিকে তিনি নিয়মিত দেশে টাকা পাঠাতেন ও বাবা-মাসহ পরিবারের লোকজনের খোঁজ নিতেন। কিন্তু হঠাৎ করেই ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই বছর কেটে গেলেও আর খোঁজ মেলেনি মিরাজুলের। পরিবার বা আত্মীয় কেউই জানে না তিনি এখন কেমন আছেন। বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন।মিরাজুলের বাবা দুলাল মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, মালয়েশিয়া যাওয়ার পর ২০১৯ সাল পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করাসহ টাকা পাঠাতো সে। তবে মাঝেমধ্যে ফোনে আমাকে বলতো তার রুমমেট পাবনার মিলন, কুমিল্লার ফরহাদ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সজিব নামে তিনজন তাকে নির্যাতন করে। তার টাকা কেড়ে নেয়। এমনকি তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়।তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের ১৭ জানুয়ারি আমার সঙ্গে শেষ কথা হয় মিরাজুলের। এরপর আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু সন্ধান পাইনি।এদিকে মিরাজুলের মা একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে ঢাকার মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে অনেকেই আশা করছেন, ছেলেকে ফিরে পেলে হয়তো আবারও সুস্থ হতে পারেন তিনি।মিরাজুলের বাবা জানান, ছেলের সন্ধান চেয়ে বাংলাদেশে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এবং থানায় লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি এখনো এ বিষয়ে কোনো সহায়তা পাননি। এছাড়া রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনাল থেকেও কিছু বলা হয়নি।এদিকে মিরাজুলকে খুঁজে পেতে বাংলাদেশ সরকারের সহায়তা চেয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয় চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত হোসেন আলাল।মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্টরা জানান, বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে নিয়োগকারী কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা পেতে নেওয়া হয়েছে পদক্ষেপ। খুব শিগগির মিরাজুলের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন দূতাবাস সংশ্লিষ্টরা।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশের উন্নয়ন-প্রবাসীদের অধিকার নিয়ে আলোচনা সভা করেছে কানেক্ট বাংলাদেশ

‘বাংলাদেশের উন্নয়ন ও প্রবাসীদের অধিকার’ স্লোগান নিয়ে আলোচনা সভা করেছে কানেক্ট বাংলাদেশ। সম্প্রতি অনলাইন প্লাটফর্ম জুমে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে কানেক্ট বাংলাদেশের সদস্যরা আলোচনায় অংশ নেন। আলোচ্য বিষয় ছিল বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য, গত ৬ বছরের কানেক্ট বাংলাদেশের কার্যক্রমের মূল্যায়ন, শ্রমিক দিবস স্মরণে কানেক্ট বাংলাদেশের দাবি সমূহের যৌক্তিকতা, প্রবাস জীবনে ঈদের আনন্দ। এসব বিষয়ের ওপর বিষদ আলোচনা করেন উপস্থিত বক্তারা। এসময় আলোচকরা বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য, গত ৬ বছরের ‘কানেক্ট বাংলাদেশ’ এর কার্যক্রমের মূল্যায়ন ও প্রবাস জীবনে ঈদের আনন্দ ইত্যাদি। বক্তারা বলেন, বাংলা নববর্ষের শুরু হওয়ার পটভূমি ও বাঙালি জীবনে এর গুরুত্ব এবং বাংলা নববর্ষ আজ আমাদের সামাজিক ও জাতীয় জীবনে একটি উৎসব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সারা পৃথিবীতে বসবাসরত সমগ্র বাঙালি সমাজ খুব আনন্দের সাথে দিবসটি উদযাপন করে যাচ্ছে। তারা বলেন, ‘কানেক্ট বাংলাদেশ’এর প্রতিষ্ঠার পটভূমি ও গত ৬ বছরের কার্যক্রম বর্ণনা তুলে ধরেন। ‘কানেক্ট বাংলাদেশ’ আয়োজিত ৪টি বিশ্ব সম্মেলন ও একটি অনলাইন সম্মেলনের সফলতা তুলে ধরেন। বিশ্বের ২৩টি দেশে সংগঠনের কমবেশি তৎপরতা তুলে ধরেন সভায়। এই বছর থেকে চারটি জাতীয় দিবসে নিয়মিত অনলাইন সভা অনুষ্ঠানের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানান। এছাড়াও করোনা মহামারি সংকটে সংগঠনের সহযোগিতা কার্যক্রম, প্রবাসীদের ওপর নানা অন্যায় অত্যাচারের প্রতিবাদ, দেশের উন্নয়নে নিয়মিত আলোচনা, বিতর্ক, প্রস্তাবনা, দেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ও দলসমূহে গণতান্ত্রিক রীতিনীতি চর্চাসহ সার্বিক তৎপরতার প্রশংসা করেন বক্তারা। নির্দলীয় রাজনৈতিক সংগঠন হিসাবে ‘কানেক্ট বাংলাদেশ’ সত্যি অনন্য। এসময় প্রবাস জীবনে ঈদের আনন্দ এই বিষয়ে অনেকে নানা প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। পৃথিবীর অনেক দেশে সম্মিলিতভাবে ঈদ উদযাপন সম্ভব হচ্ছে। ঈদের জামাতে নামাজ পড়া, পাস্পরিক কৌশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় আজ দেশে দেশে সম্ভব হচ্ছে। প্রায় দেড় কোটি বাংলাদেশি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সম্মিলিতভাবে আনন্দও ভাগাভাগি করে যাচ্ছেন। একই সাথে বিশ্বের অপরাপর জাতির সহিত সৌহাদ্য ও সম্প্রীতি গড়ে তুলছেন। মে দিবস স্মরণে আলোচকরা দেশ ও প্রবাসের শ্রমিকদের নানাহ সমস্যা ও অধিকারের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তারা বলেন, শিশু শ্রম সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। নারী শ্রমিকদের ওপর সবধরনের নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে সৌদিসহ বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নারী শ্রমিক বিশেষ যত্ন নিতে হবে ও তাদের ওপর নিপীড়ন বন্ধের দাবি করেন। আই এল ও সনদ স্বীকৃত বিধান মোতাবেক ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার দিতে হবে। ন্যায্য মজুরি দিতে হবে, যা কমপক্ষে বিশ হাজার টাকা হতে হবে। কর্মঘণ্টা আট ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না। এর বেশি হলে দ্বিগুণ মজুরি নিশ্চিত করতে হবে। বাসযোগ্য আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। বেতনের এক-তৃতীয়াংশ আবাসন ভাতা চালু করতে হবে। দেশব্যাপী সর্বজনীন চিকিৎসা সুবিধা চালু করা। শ্রমজীবী, কর্মজীবীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, সর্বজনীন, কর্মমুখী, বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু, কর্মজীবীদের সন্তানদের শিক্ষা অবৈতনিক, সর্বোপরি সকল কর্মক্ষেত্রে যৌথ ব্যবস্থাপনা (মালিক প্রতিনিধি, শ্রমজীবী/কর্মজীবীদের প্রতিনিধি, কলাকৌশলীদের প্রতিনিধি চালু এবং পৌর এলাকায় প্রতিটি ওয়ার্ডে সরকারিভাবে শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

post
এনআরবি বিশ্ব

এক মাস পেছাল দুবাইয়ে বাংলাদেশ বইমেলা

এক মাস পেছাল সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ বইমেলা ও বৈশাখী উৎসবের তারিখ। আগামী ২৭ থেকে ২৯ মে এর পরিবর্তে মেলা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ থেকে ২৬ জুন। বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বইমেলা ও বৈশাখী উৎসবের সময় পুনঃনির্ধারণের বিষয়টি অবগত করে দুবাইয়ের বাংলাদেশ কনস্যুলেট।একই বিজ্ঞপ্তিতে বইমেলা ও বৈশাখী উৎসবে স্টল বরাদ্দের জন্য আগ্রহী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের কাছ থেকে আবেদন ফরম পূরণের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়। আগ্রহীরা আগামী ১৫ জুন বিকাল ৪টা পর্যন্ত ই-মেইলের মাধ্যমে স্টল বরাদ্দের আবেদন করতে পারবেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কের বাংলা বইমেলায় কাদরী পুরস্কারের জন্য বই আহ্বান

প্রতিবারের মতো ৩১তম নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলায় এবারও বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে অভিবাসী লেখকদের প্রকাশিত সেরা বইয়ের জন্য শহীদ কাদরী পুরস্কার ২০২২। এ লক্ষ্যে ১৫ জুন এর মধ্যে বই জমা দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এর আর্থিক মূল্যমান ৫০০ ইউএস ডলার।আগ্রহীরা তাদের বাংলা ভাষায় রচিত ২০২১ সালে প্রকাশিত যেকোনো একটি শিরোনামের বই পাঠাতে পারবেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ এবং পশ্চিম বঙ্গের বিশিষ্ট লেখকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিচারক সভা সেরা বই নির্বাচন করবেন। শহীদ কাদরী পুরস্কার ২০২২-এ অংশগ্রহণের জন্য লেখককে নিচের শর্তগুলো অনুসরণ করতে হবে:১. লেখককে অবশ্যই বাংলাদেশ ও ভারতের বাইরের কোনো দেশে অভিবাসী হতে হবে।২. লেখকেরা তাদের বাংলাভাষায় রচিত একটিমাত্র শিরোনামের বই জমা দিয়ে এই পুরস্কার প্রত্যাশী হতে পারবেন। ৩.বইটি অবশ্যই ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত হতে হবে। ৪. লেখককে নিজ খরচে তার বইয়ের ৩ কপি নিচের ঠিকানায় পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।৫. অভিবাসী লেখকদের সেরা বই পুরস্কারের জন্য অংশগ্রহণ করতে হলে ১৫ জুনের মধ্যে বইটি পাঠাতে হবে। উল্লেখ্য, ২৮, ২৯, ৩০ ও ৩১ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য ৩১তম নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা আয়োজন করছে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন। বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলার বাইরে সবচেয়ে বড় ও দীর্ঘস্থায়ী বইমেলা হিসেবে স্বীকৃত 'নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা'র ৩১তম আসরের আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম ফারুক ভুঁইয়া। বাংলাদেশ ও পশ্চিম বঙ্গ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লেখক, শিল্পী, প্রকাশক বরাবরের মতো এ বইমেলায় অংশগ্রহণ করে থাকেন। বই পাঠানোর ঠিকানা:USA: শহীদ কাদরী পুরস্কার ২০২২, Muktadhra Foundation 37-69, 74th St, 2nd Floor, Jackson Heights, NY 11372Bangladesh: শহীদ কাদরী পুরস্কার ২০২২, Muktadhra Foundation , 44 Arambagh, 2nd Floor, Motijheel, Dhaka 1000, Bangladesh. 

post
এনআরবি সাফল্য

মিশিগানে সম্মাননা পেয়েছেন সাত বাংলাদেশি অ্যাক্টিভিস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে সম্মাননা পেয়েছেন সাত বাংলাদেশি অ্যাক্টিভিস্ট। মিশিগান রাজ্যের ওয়ারেন শহরে বাংলাদেশি কমিউনিটির উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় ওয়ারেন সিটি অব কাউন্সিল তাদেরকে এ সম্মাননা দেয়।    মঙ্গলবার রাতে শহরের ইউক্রেনিয়ান কালচারাল সেন্টারে ওয়ারেন সিটির ২৫তম বার্ষিক সিটি কমিশনের নৈশভোজ ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সিটির বিভিন্ন কমিশন ও বোর্ড মেম্বারদের সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননার সনদপত্র তুলে দেন ওয়ারেন সিটির মেয়র জেমস ফাউন্টস এবং কাউন্সিল চেয়ার গ্রেইন পেট্রিক। বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন, ওয়ারেন সিটির বোর্ড অব রিভিউ ভাইস চেয়ার ফয়ছল আহমেদ, বোর্ড অব রিভিউ সদস্য আজিজ চৌধুরী, ক্রাইম কমিশন সুমন কবির, বিউটিফিকেশন কমিশন খাজা সাহাব আহমেদ, প্ল্যানিং কমিশন মাহমুদা মৌরী, ক্রাইম কমিশন নিজাম আহমেদ এবং কালচারাল কমিশন সীমা বেগম।

post
এনআরবি বিশ্ব

কানাডার অন্টারিওর নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীদের বিজয়ী করতে আহ্বান

অন্টারিওর প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীদের বিজয়ী করতে কমিউনিটির প্রতি আহ্বান জানিয়ে ভার্চুয়াল আলোচনায় বক্তারা বলেছেন কানাডার মূলধারায় বাংলাদেশিদের অবস্থান সুসংহত করতে রাজনীতিতে বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের প্রতিনিধিত্বের বিকল্প নেই। কানাডার বাংলা পত্রিকা ‘নতুনদেশ’ এর প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগরের সঞ্চালনায় শ্ওগাত আলী সাগর লাইভের আলোচনায় তারা এই আহ্বান জানান। আলোচনায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন সিনিয়র সাংবাদিক এবং গণমাধ্যম বিশ্লেষক সৈকত রুশদী, প্রোগ্রেসিভ অ্যাকশন ফর কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্ট এর নির্বাহী পরিচালক ইমামুল হক। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।বক্তারা বলেন, প্রধান রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন পাওয়া বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রার্থীরা ইতোমধ্যে তাদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। আমাদের উচিত এই যোগ্য প্রার্থীদের বিজয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখা। প্রসঙ্গত, আগামী ২ জুন অনুষ্ঠিতব্য অন্টারিওর প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে এনডিপির মনোনয়নে স্কারবোরো সাউথওয়েষ্ট আসনে ডলি বেগম এবং ইটোবিকো-লেকশোর আসনে ফারহিন আলিম এবং লিবারেল পার্টির মনোনয়নে ওকভিল নর্থ – বারলিংটন থেকে কানিজ মৌলী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। কানাডায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ডলি বেগম দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য প্রার্থী হয়েছেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে গণমাধ্যম বিশ্লেষক সৈকত রুশদী মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের বেশি বেশি অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্কারবোরোর প্রায় প্রতিটি রাইডিংয়ে শ্রীলঙ্কান কানাডিয়ানদের প্রার্থী আছে। অথচ পুরো প্রভিন্সে বাংলাদেশি কমিউনিটির মাত্র তিনজন প্রার্থী। তিনি বলেন, কেবল প্রার্থী হওয়াটাই বড় কথা নয়, নিজেদের যোগ্য করে তুলে নির্বাচনে প্রার্থী হতে হবে। আর যোগ্য হয়ে ওঠার জন্য প্রস্তুতি দরকার, কাজ করা দরকার। স্কুল, কমিউনিটি পর্যায়ে কাজ করে নিজেদের নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্য করে তুলতে হবে। আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখতে কমিউনিটির প্রতি আহ্বান জানিয়ে সৈকত রুশদী বলেন, যারা অন্য নির্বাচনী এলাকায় বসবাস করেন তারাও বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রার্থীদের পক্ষে ভূমিকা রাখতে পারেন। বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থেই প্রভিন্সিয়াল সংসদে বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রতিনিধি থাকা দরকার বলে তিনি মত দেন।কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্ট সংগঠক ইমামুল হক ২০১৫ সালে পরিচালিত তাদের সংস্থার একটি সমীক্ষার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন সেই সময় মূলধারার রাজনীতির ব্যাপারে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তেমন একটা আগ্রহ দেখা যায়নি। তবে ডলি বেগম প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হওয়ার পর বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের মধ্যে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে রাজনীতি এবং নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহ অনেক বেড়েছে। এবারের নির্বাচনে প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি কানাডিয়ান তরুণ-তরুণীকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে। শওগাত আলী সাগর আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশি কানাডিয়ান তিন প্রার্থীই যোগ্য এবং দক্ষ। ডলি বেগমের কর্মতৎপরতা কানাডার মূলধারার মিডিয়ায় সবসময়ই দৃশ্যমান ছিল। প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্টে তিনি নিজেকে ইমিগ্র্যান্ট’স ভয়েস’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। 

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.