post
বাংলাদেশ

বন্যায় আমাদের ক্ষতির পাশাপাশি লাভও আছে, সিলেটে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই যে বন্যা হলো, এতে আমাদের কষ্ট-ক্ষতি হচ্ছে এটা ঠিক, আবার আমাদের লাভও আছে। তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা। এখানে যদি আমাদের আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার অর্থাৎ ভূগর্ভস্থ পানি যদি কমে যায়, ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিন্তু ভূগর্ভস্থ পানির লেয়ার যদি ঠিক থাকে, ভূমিকম্প আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না।' আজ মঙ্গলবার সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা ও তৎসংলগ্ন এলাকার বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনের পর সিলেট সার্কিট হাউসে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি বলেন, 'এই জিনিসটা সবাই জানে যে, এই বন্যায় আমাদের আন্ডারগ্রাউন্ড রিচার্জ হবে। পাশাপাশি যে পলি আসবে, তাতে জমির ফার্টিলিটি বাড়বে।' সিলেট, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোণার বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনা বলেন, 'এগুলো সবসময় মাথায় আছে আমাদের। যখনই পানিটা টানবে, সঙ্গে সঙ্গে কৃষক যাতে চাষবাস করতে পারে, তার ব্যবস্থা আমরা নেব। যদি বন্যা একটু দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে ধানের যে চারা তৈরি করা, তার জন্য বীজ সংরক্ষণ করে রাখা আছে, ফার্টিলাইজার রাখা আছে, সঙ্গে সঙ্গে আমরা দেব এবং কৃষক যেন আবার ফসল ফলাতে পারে, সে ব্যবস্থাটাও আমরা নেব।' তিনি আরও বলেন, 'মাছের কিছু অসুবিধা, যারা মাছ পালে, সেখানে অনেক ক্ষতি হয়েছে। এটাও যেমন সত্যি, আবার এই বন্যায় কিন্তু পুকুরে মাছের পোনাও আসে। এটাও মাথায় রাখবেন। আগে তো আর মাছ পালতো না, বন্যার সময় আমাদের বাড়িতেই দেখেছি, পুকুরের একপাশ কেটেই দিতো, যাতে বন্যার পানি ঢুকে এবং বন্যার পানির সঙ্গে মাছের পোনা ঢুকে। দু-দিকটাই আছে, ক্ষতিও হচ্ছে, যারা মাছ চাষ করে তাদের ক্ষতি হয়ে গেছে, কিন্তু আমরা ব্যবস্থা নেব। জুলাই মাস থেকে আবার আমরা মাছের পোনা দেব, পোনা ছাড়ব।'

post
এনআরবি বিশ্ব

অষ্ট্রেলিয়ার পার্থে বাংলাদেশিদের জমকালো আয়োজন

ড্রামা ফেস্ট ও হিডেন ট্যালেন্টস (মিনি ফিলোসপারস) এই দুটি পৃথক পরিবেশনার সমন্বয়ে সুন্দর একটি সন্ধ্যা উপহার দিল ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম বাংলাদেশি সংগঠন বাওয়া। শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল চলচ্চিত্র প্রদর্শন সেই সঙ্গে মঞ্চ নাটকের সাবলীল পরিবেশনা উপভোগের মোক্ষম সুযোগ করে দেন আয়োজকরা। শনিবার (১৮ জুন) অস্ট্রেলিয়ার পার্থের বাংলাদেশিদের মনোরঞ্জন করতে এই আয়োজন করা হয়। প্রবাসের একঘেয়েমিকে পাশ কাটিয়ে মা ও মাতৃভূমির চেনা সংস্কৃতিকে নয়ন জুড়িয়ে উপভোগ করার নেপথ্যে কাজ করে বাওয়ার সাংস্কৃতিক ও সমাজ কল্যাণ নামের দুটি পৃথক দল। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় প্রবাসীদের সাড়া মেলে বেশ। পূর্বনির্ধারিত টিকিট নিয়ে পার্থের কালামুন্ডা পারফর্মিং আর্টস হলে হাজির হন দর্শনার্থীরা।সন্ধ্যা ৬টায় পর্দা উঠে অনুষ্ঠানের। স্বাগত বক্তব্য দিয়ে সবাইকে উৎসাহ ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাওয়ার চালকের আসনে থাকা এম এস এন শাহীদ রাজু। শুরুতে শিশু-কিশোরদের নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রকে প্রাধান্য দিয়ে প্রদর্শনী করা হয়। সরেজমিনে দেখা যায় প্রতিটি চলচ্চিত্রে একটি করে বার্তা দেওয়ার প্রয়াস রাখে ক্ষুদে নির্মাতারা। দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের এ কাজে নিয়োজিত রেখে চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বাদ নেওয়ার ইচ্ছা পূরণের কথা জানিয়েছেন ক্ষুদেরা। দেখা যায়, পরিবেশ দূষণ, বন উজাড়, খাদ্যভেজাল, শিশুশ্রমের মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়কে পর্দায় নিয়ে আসেন ক্ষুদেরা। তারা নিজেরাই এই চলচ্চিত্রগুলোতে অভিনয় করেন, স্ক্রিপ্ট, লাইট, সম্পাদনা সবকিছুতেই তাদের অংশগ্রহণ থাকে। অভিভাবকরাও তাদের সহায়তা করেন।শিশুশ্রমের ওপর নির্মিত চলচ্চিত্রটি প্রথম পর্বের শেষাংশে রাখা হয়। প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশুরা সাবলীল বাংলায় অভিনয়ের দক্ষতা দেখায়, তুলে ধরে শিশুশ্রমের ক্ষতিকর দিকগুলো। খোদেজা খাতুন খুকি নামের একজন  জানান, আমার ছেলে এই থিমে অভিনয় করেছে, প্রায় দুবছর ধরে একটি টিম এই মিনি সিনেমাটির জন্য শ্রম দিয়েছে। প্রবাসে বাচ্চারা দেশীয় কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করেছে এটা মা হিসেবে আমাদের জন্য গর্বের। প্রতিটি চলচ্চিত্র পদর্শনীর আগে নির্মাতাদের অভিব্যক্তি জানতে তাদের মঞ্চে ডেকে নেন উপস্থাপক অভিষেক বড়ুয়া। ইভেন্ট কোঅর্ডিনেটর হিসেবে কাজ করেন বাওয়া সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেক্রেটারি সামা কামাল। তৌসিফ আক্কাস, ইয়াসিন মুন্না ও সামির আহমেদ থাকেন মেন্টর হিসেবে।বিরতির পর মূল আকর্ষণ ভদ্দরনোক নাটক মঞ্চায়িত করা হয়। দেখা যায়, সেই চিরচেনা দেশীয় অবয়ব, হাসি-উচ্ছ্বাসের রসালো সংলাপ। শিল্পীদের অভিনয়ের দক্ষতায় হাসির খোরাক পায় দর্শকরা। দেখা মেলে মঞ্চ নাটক উপভোগের তৃপ্তি। মঞ্চে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলা হয় ফজর আলীর পারিবারিক গল্প। হঠাৎ বড়লোক বনে যাওয়া ফজর আলী কীভাবে পর-নারীর দিকে ঝোঁকে, নিজের বউকে তাচ্ছিল্য করে, ছোট বোনদের জন্য পয়সাওয়ালা স্বামী খোঁজে সর্বস্বান্ত হন, সেগুলো ফুটিয়ে তুলতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেন শিল্পীরা। তাছাড়া তুলে ধরা হয় পারিবারিক খুনসুটি, চিরায়ত বাংলার রূপ ও আবেগঘন প্রেম। আরও রাখা হয় প্রতিটি দৃশ্যের জন্য পৃথক কস্টিউম, যাতে ফুটে উঠে বাংলাদেশ।

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকে শুরু হতে যাচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর নতুন ব্যাচ

একবিংশ শতাব্দীতে ‘ডিজিটাল মার্কেটিং’ শব্দটি বেশ পরিচিত। ডিজিটাল মার্কেটিং হলো নির্দিষ্ট গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে এবং নির্দিষ্ট একটি জিনিস বিক্রির জন্য বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সাহায্য নিয়ে কম খরচে বেশি বেশি গ্রাহকের কাছে নিজের বিজ্ঞাপন দেখানো এবং সেখান থেকে মুনাফা লাভের একটি পদ্ধতি।ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আপনি আপনার ব্র্যান্ডে আগ্রহী ক্রেতাদের সন্ধান করতে পারেন, তাঁদের সঙ্গে আলাপ করতে এবং গ্রাহক হওয়ার আগপর্যন্ত তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এখন ছোট-বড় সব ধরনের ব্যবসার জন্যই অত্যাবশ্যকীয়।পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটিতে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর নতুন ব্যাচ। যোগাযোগ করুন এই ঠিকানায়-রেজিস্ট্রেশন লিঙ্ক – https://forms.gle/TL9oTp14zatFC1Zs9ক্লাস এর সময়- সোমবার এবং বুধবার (সন্ধ্যা ৭.০০- রাত ৯.০০ টা) বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন - https://www.facebook.com/peoplentechbd অথবা সরাসরি কল করুন -01799 446655, 01885 981250,01611 446699পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটি ১৫১/৭, গুডলাক সেন্টার(৭ম ও ৮ম তলা), পান্থপথ সিগন্যাল, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২০৫ ভিজিট করুনঃ https://www.peoplentech.com.bd নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুনঃ YouTube: https://www.youtube.com/c/PeopleNTechBangladesh Facebook Page: https://facebook.com/peoplentech/ Facebook Group: https://facebook.com/groups/peoplentechbd/

post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রের জালালাবাদ সমিতি নির্বাচনে বদরুল-মঈনুল প্যানেলের জয়

যুক্তরাষ্ট্রের জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছে ‘বদরুল-মইনুল’ প্যানেল।৫ জুন (রবিবার) নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি এবং পেনসিলভেনিয়া স্টেটে স্থাপিত ৫ কেন্দ্রে ভোট অনুষ্ঠিত হয়।শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে মোট ১১ হাজার ভোটারের মধ্যে ৩৭১৫ জন ভোট দেন। ভোটে বদরুল এইচ খান (২৬৬৭) সভাপতি এবং মঈনুল ইসলাম (২৩৫৯) সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন।সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে পরাজিত যথাক্রমে মাসুদুল হক ছানু ৯৮০ ভোট এবং সাইকুল ইসলাম ১২১৪ ভোট পেয়েছেন। বিজয়ী সহ-সভাপতি লোকমান হোসেন পেয়েছেন ২৫৮৯ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী শাহ মিজানুর রহমান ৮৮০ ভোট পেয়েছেন।মিসবাহউদ্দিনকে হারিয়ে কোষাধ্যক্ষ পদে জয় পেয়েছেন মোহাম্মদ আলিম।যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের নেতা ইফজাল চৌধুরী ২৪৭১ ভোট পেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী শাহীদুল হক রাসেল পেয়েছেন ১০২৬ ভোট।উল্লেখ্য, ১৯ সদস্যের কার্যকরী পরিষদের অপর কর্মকর্তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন এবং তারা সকলেই বদরুল-মইনুল প্যানেলের প্রার্থী। এরা হলেন সহ-সভাপতি-মোহাম্মদ শাহীন কামালী (সুনামগঞ্জ), শফিউদ্দিন তালুকদার (হবিগঞ্জ), বশির খান (মৌলভীবাজার), সহ-সাধারণ সম্পাদক-রোকন হাকিম, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক-হোসেন আহমদ, প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক-ফয়ছল আলম, ক্রীড়া সম্পাদক-মান্না মুনতাসির, আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক-বোরহানউদ্দিন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক-জাহিদ আহমেদ খান, মহিলা সম্পাদক-সুতিপা চৌধুরী এবং নির্বাহী সম্পাদক-হেলিমউদ্দিন, শামীম আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন মানিক এবং মিজানুর রহমান।নিউইয়র্ক সিটির এস্টোরিয়ায় স্থাপিত কেন্দ্রে ভোটের এই ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার আতাউর রহমান সেলিম। এ সময় সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী সকল প্রার্থী এবং তাদের বিপুলসংখ্যক সমর্থকরাও ছিলেন। প্রত্যাশার পরিপূরক সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়ায় নির্বাচন কমিশনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এ সময়। কমিশনের অপর সদস্যরা হলেন মিনহাজ আহমেদ সাম্মু, আহমেদ এ হাকিম, মোশারফ আলম এবং সাব্বির হোসেন।ফলাফল ঘোষণার পর ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত বিজয়ী সভাপতি বদরুল খান এবং সেক্রেটারি মঈনুল ইসলাম ভোটারগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, অঙ্গীকার অনুযায়ী তারা ১০০ দিনের মধ্যেই নিউইয়র্ক সিটিতে ‘জালালাবাদ ভবন’ প্রতিষ্ঠা করবেন।তারা জালালাবাদবাসীর প্রত্যাশার পরিপূরক যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সকলের আন্তরিক সহায়তা কামনা করেন।  

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশ লেডিস ক্লাবের আয়োজনে সিডনিতে মীনা বাজার

বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার আয়োজনে এই প্রথম সিডনিতে মীনা বাজার অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (শনিবার) সিডনির চুরুলাস্থ লিবারটি হিল ক্রিস্টিয়ান সেন্টারে এই মিনা বাজার দুপুর ১২ টা থেকে শুরু হয়ে রাত ১১ টায় শেষ হয়। বিনামূল্যে প্রবেশ ও আশেপাশে গাড়ী পার্কিং এর সুবিধা সহ নয়ানাভিরাম সাজে সজ্জিত মীনা বাজার প্রাঙ্গণে ছিল প্রচুর দর্শক সমাবেশ। আনন্দ উল্লাস, রকমারি পোশাকের স্টল, মুখরোচক খাবার ও গহনার স্টল, শিশুদের ফেজ পেইন্টিং, মেহেদি, যেমন খুশি তেমন সাজোসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রাঙ্গণ এক টুকরো বাংলাদেশে পরিণত হয়। কামরুন চৌধুরী লিন্ডার উপস্থাপনায় বিকেল ৪ টায় অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট রাহেলা আরেফিন ও জেনারেল সেক্রেটারি শিরীন আখতার মুন্নি বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্যের পর মঞ্চে বিশেষ অতিথিদের বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে সৌজন্যমূলক স্কার্ফ পড়িয়ে দেয়া হয়।বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার মীনা বাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ অক্সফাম অস্ট্রেলিয়া, সিডনি চিলড্রেন হাসপাতাল ও ডেইজ ফর গার্লসকে ব্যাংক চেক ও একাউন্ট ট্রান্সফারের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সব শিশু কিশোরদের সান্তনা পুরস্কার ও যেমন খুশি তেমন সাজো ও রাফেল ড্রর বিজয়ীদের পুরস্কার দেয়া হয়। বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার মীনা বাজারের এই আয়োজনের প্রাইম স্পন্সর স্টামফোর্ড এডুকেশন, অরোরা মেডিকেল সেন্টার, ক্যাসুলা সেন্ট্রাল মেডিকেল সেন্টার ও টেলিওজকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সম্মানসূচক উপহার দেয়া হয়।সবশেষে আয়োজক কমিটি উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশনের অরিয়েন্টেশন ক্লাশ

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এর তত্ত্বাবধানে নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশন এর ৪র্থ ব্যাচের অরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।৪ জুন শনিবার রাজধানীর পান্থপথ গুডলাক সেন্টারের পিপলএনটেক ক্লাসরুমে এ অরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়।কোর্সটি পরিচালনা করবেন ইন্ডাস্ট্রিতে নেটওয়ার্কিং সেক্টর নিয়ে দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞ মেন্টর কাজী মাহমুদুল হক । Washington University of Science and Technology এর তত্ত্বাবধায়নে ১ বছরের Post Graduation Diploma কোর্সটির Orientation Programm এ উপস্থিত ছিলেন কাজী মাহমুদুল হক এবং PeopleNTech এর Vice President Mashrul Hossain Khan Leon ও পিপলএনটেকের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি কোর্সের খুঁটিনাটি বিষয় এবং ক্যারিয়ার গাইডলাইন দেয়া হয়।ভর্তির জন্য রেজিস্ট্রেশন করুনঃ https://forms.gle/dV7vsmDpbAqjdQu68

post
এনআরবি বিশ্ব

লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবে হয়ে গেল ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ

লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের হলরুমে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গবন্ধু লেখক ও সাংবাদিক ফোরাম ইউকে আয়োজন করে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ: দুই বন্ধু এক দেশ’ বইয়ের আলোচনা অনুষ্ঠান। গিয়াছুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন লর্ড রামি রানজির ওবিই। এ ছাড়া বক্তব্য দেন যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার এ এফ এম জাহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযাদ্ধা ইমরান চৌধুরী, লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটসের সাবেক স্পিকার আহবাব হোসেইন, প্রিয়জিৎ দেব সরকার ও বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে যুক্ত হন বইয়ের আরেক লেখক আবু সাঈদসহ প্রমুখ। লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ: দুই বন্ধু এক দেশ’ বইয়ের আলোচনা অনুষ্ঠানের অতিথিরামুক্তিযুদ্ধের সময়ে বিশ্বজনমত সৃষ্টি করার জন্য রবিশঙ্কর ও জর্জ হ্যারিসনের উদ্যোগে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ আয়োজনটি ছিল অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। বইটিতে তিনটি অধ্যায় আলোচনা করা হয়। প্রথম অধ্যায় ‘বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের প্রেক্ষাপট, দ্বিতীয় অধ্যায় ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ আয়োজন, ফলাফল ও তার প্রতিক্রিয়া’ এবং তৃতীয় অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশের সচিত্র।

post
এনআরবি সাফল্য

প্রবাসী রিমির চার বছরের ব্যবধানে মুনাফা হাজার ডলার থেকে দু’লাখ ডলার

বিনিয়োগ করেছিলেন এক হাজার ডলার। ব্যবসার চতুর্থ বছরে তহবিল বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ডলারে। হাজারিবাগ এবং নারায়ণগঞ্জে দুটি কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। কারখানা দুটিতে কাজ করছেন ৩৩ জন। আর নিউইয়র্কে কাজ করছেন ৬ তরুণীসহ ৮ প্রবাসী। এখন মাসিক গড়ে ৭০ হাজার ডলারের ব্যবসা হচ্ছে। সব মিলিয়ে গোপালগঞ্জের সন্তান সুমনা কে রিমির নেতৃত্বে ‘স্টাইল উইথ মি’ ১ জুন এফ-কমার্স থেকে ই-কমার্সে রূপান্তরিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ১ জুন বুধবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যামাইকায় ‘জাফরান গ্রিল’ রেস্টুরেন্টের পার্টি হলে জমকালো এক সংবাদ সম্মেলনে ‘ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ (ইউএসবিসিসিআই) ‘স্টাইল উইথ মি’কে তাদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। সুমনা রিমি বলেন, ট্রেন্ড অনুযায়ী ফ্যাশন সম্পর্কে সচেতন যে কেউ বাসায় বসেই এই ব্যবসা করতে পারেন। অন্যের প্রতিষ্ঠানে শ্রম আর মেধার বিনিয়োগ ঘটিয়ে যে পারিশ্রমিক পাওয়া যায়, তার চেয়ে অনেক বেশি আসছে নিজের ব্যবসায়। একইসাথে তৃপ্তি পাওয়া যায় সুদূর এই প্রবাসে বাঙালি সংস্কৃতির পরিপূরক পোশাক-আশাক জনপ্রিয় করার মধ্য দিয়ে। এছাড়া, আমার দুটি কারখানায় শীঘ্রই আরও কিছু লোক নিয়োগ করতে হবে। ঢাকায় ‘ইস্টার্ন মল্লিকা’ বিপণিবিতানে সামনের মাসেই একটি স্টোর চালু করছি। সেখানেও লোক লাগবে। সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন রিমির ঘনিষ্ঠ বান্ধবীরা- যারা তাকে প্রতিনিয়ত এই ব্যবসায় উৎসাহ যোগাচ্ছেন। তারা হলেন বিউটিফুল লেডিস অফ ইউএসএ-এর এডমিন তান্নি আফরিন, ফাহমি সিলভিয়া আখন্দ, নাদিয়া চোধুরী, কুইন্স বিইজ ইউএসএ-র এডমিন রুমা আহমেদ, আনিকা তাসনিম, রূপন্তি রুপ, তানজিন সুলতানা, সামাজিক উদ্যোক্তা মোহাম্মদ হিমেল, ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বারের পরিচালক শেখ ফরহাদ এবং সদস্য ওবায়েদ হোসেন। রিমি উল্লেখ করেন, মা-বাবা-ভাই নিয়ে নিউইয়র্কে দিন কাটছিল ডানকিন ডোনাটে কাজের মাধ্যমে। সেখানে কর্মরত অবস্থায়ই বাসায় ফিরে রান্না-বান্নাসহ ঘরের যাবতীয় কাজ শেষ করে ফেসবুকে সাম্প্রতিক ডিজাইনের পোশাক-আশাক নিয়ে কথা বলি। এভাবে ৫০ হাজারের অধিক ভক্ত হয়েছে আমার। পোশাক দেখার পর তারা ক্রয়ে আগ্রহ দেখান। এভাবেই আমি একজন উদ্যোক্তা-ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছি। ডানকিন ডোনাটের ম্যানেজারের চাকরি ছেড়েছি। এমনকি আমার স্বামীও তার চাকরি ছেড়ে আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। রিমি দাবি জানান, মোবাইল অ্যাপও লঞ্চ করলেন তিনি। এতদিন শুধু তরুণী-গৃহিণীদের পোশাক নিয়ে ব্যবসা করলেও শীঘ্রই পুরুষের পোশাকও পাওয়া যাবে তার অ্যাপে। ‘স্টাইল উইথ মি’-এর উদ্যোক্তা সুমনা কে. রিমি জানান, একটি স্বাধীন পেশা হিসেবে আমি উদ্যোক্তা হওয়ার পথ বেছে নিয়েছি। প্রথমে আমি স্বল্প পরিসরে শুরু করেছি এফ-কমার্স। এই অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিকল্পনা এবং তদারকির দায়িত্বে ছিলো বাংলাদেশি-আমেরিকান ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘ইউএসবিসিসিআই’এবং ইউএস-বিডি সফটওয়্যার এ্যান্ড টেকনোলজি লিমিটেড। উল্লেখ্য, ‘স্টাইল উইথ মি’-র মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের কাজের তদারকির সামগ্রিক বিষয়টি দেখছে ইউএসবিডিসফট। ইউএসবিসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট মো. লিটন আহমেদ ‘স্টাইল উইথ মি’-এর অগ্রযাত্রাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, পুরুষের পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা অত্যন্ত ইতিবাচক একটি বিষয়। দেশের পণ্য আমেরিকায় আরও জনপ্রিয় করতে যত রকমের সহায়তা দরকার আমার প্রতিষ্ঠান দিয়ে যাবে। 

post
এনআরবি সাফল্য

কানাডার অন্টারিও নির্বাচনে পুনর্নির্বাচিত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি

কানাডার অন্টারিও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয় বাঙালি ডলি বেগম। নির্বাচনে আগের চেয়ে বেশি ভোট ও আসন পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী বা প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ডের নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন প্রোগ্রেসিভ কনজারভেটিভ পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসার রায় পেয়েছে। টরন্টো মহানগরীর স্কারবরো সাউথওয়েস্ট নির্বাচনী এলাকার ভোটাররা আবারও আস্থা রেখেছেন এনডিপি'র প্রার্থী ডলি বেগমের প্রতি। কানাডার তিন স্তরের সরকার পদ্ধতির কোনো আইন পরিষদে ডলি বেগমই প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয় নির্বাচিত প্রতিনিধি। ২০১৮ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে তিনি প্রথম জয়ী হন। ২০১৮ সালের পূর্ববর্তী নির্বাচনের চেয়ে এবারে বেশি হারে ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তিনি। স্কারবরো সাউথওয়েস্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের প্রায় ৪৭.১ শতাংশ ভোটারের ম্যান্ডেট পেয়েছেন ডলি বেগম। ২০১৮ সালে তিনি পেয়েছিলেন আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের ৪৫.৬৬ শতাংশ।

post
এনআরবি বিশ্ব

জার্মানির বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ!

জার্মানি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন ‌‌‘সোনার বাংলা’র উদ্যোগে দিনব্যাপী এক মনোমুগ্ধকর ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়। সম্প্রতি ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরের একটি পার্কে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ফ্রাঙ্কফুর্ট ও এর আশপাশে বসবাসকারী প্রবাসীরা এতে অংশ নেন।ঈদের পর এটিই প্রথম প্রবাসী বাংলাদেশিদের বড় কোনো অনুষ্ঠান। তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সহযোগিতায় ছিলেন নজরুল ইসলাম, জেসমিন হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এমন আয়োজন। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে সব দল-মতের প্রবাসীরা অংশ নেন, ফলে অনুষ্ঠানটি হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশিদের মিলনমেলায়। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন ধরনের দেশীয় খাবারসহ সবকিছু মিলে পুরো পার্কটি যেন হয়ে উঠেছিল জার্মানির বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ!করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন ঘরবন্দি জীবনযাপন করতে হয়েছিল জার্মানি প্রবাসী বাংলাদেশিদের। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় ও বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ায় দীর্ঘদিন পর সবাই এক হতে পেরে আনন্দিত ছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.