post
বাংলাদেশ

সরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় গেলেন ৩০ বাংলাদেশি কর্মী

সরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ৩০ জন কর্মী নিয়ে ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইট কুয়ালালামপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় মালয়েশিয়া বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন হাইকমিশনের মিনিস্টার (লেবার) মো. নাজমুস সাদাত সেলিম। প্ল্যান্টেশন সেক্টরে কাজের উদ্দেশ্যে এই কর্মীদের পাঠিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল। এরই মধ্যে এক হাজার কর্মীর চাহিদা এলেও প্রাথমিকভাবে অল্প সংখ্যক কর্মী তিন দফায় মালয়েশিয়ায় যাবেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোয়েসেলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও অতিরিক্ত সচিব ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, আমরা পরীক্ষামূলকভাবে ৩০ জনকে পাঠিয়েছে। পর পর তিনদিন এই ফ্লাইটগুলো মালয়েশিয়ায় যাবে। আমরা এক হাজারের মতো ডিমান্ড পেয়েছি। আরও ডিমান্ড এলে আমরা সবাইকে পাঠাতে পারবো।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ‘স্পেশাল ওয়ান-অব রিক্রুটমেন্ট প্রজেক্ট’র আওতায় বাংলাদেশ থেকে বোয়েসেলের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে প্রায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর জন্য মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়। এরই মধ্যে ছয়টি কোম্পানি থেকে প্রায় এক হাজার কর্মীর চাহিদা পাওয়া গেছে। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ডাটাবেজ থেকে দৈবচয়নের ভিত্তিতে এবং বিভিন্ন জেলায় জবফেয়ারের মাধ্যমে কর্মীর তালিকা সংগ্রহ করার মাধ্যমে ৭০০ কর্মীকে প্রস্তুত করা হয়েছে। ‘স্পেশাল ওয়ান-অব রিফ্রুটমেন্ট প্রজেক্ট’ আওতায় বোয়েসেলের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর খরচ প্রায় ৪৬ হাজার টাকা। মালয়েশিয়ার অন্যতম বৃহৎ প্ল্যান্টেশন কোম্পানি ইউনাইটেড প্ল্যান্টেশন (ইউপি) থেকে এরই মধ্যে ৫৫০ জন কর্মীর চাহিদা পাওয়া গেছে। মালয়েশিয়ায় যাওয়া সংক্রান্ত সব ব্যয় ইউপি কোম্পানিটি বহন করছে। অর্থাৎ সম্পূর্ণ বিনা খরচে বোয়েসেলের মাধ্যমে নির্বাচিত কর্মীরা মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন।

post
এনআরবি সাফল্য

মালদ্বীপে শীর্ষ ব্যবসায়ীর পুরস্কার পেলেন আরও এক বাংলাদেশি

মালদ্বীপের ১০০ শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির মধ্যে আবারও স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশি নাগরিক আহমেদ মোক্তাকির প্রতিষ্ঠান ‘মিয়াঞ্জ ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ’। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) মালদ্বীপের ক্রসরোড মাল্টিআইল্যান্ড রিসোর্টে এক অনুষ্ঠানে ‘গোল্ড হান্ড্রেড গালা অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেওয়া হয় মোত্তাকির হাতে। এর আগে ২০২১ সালে একই পুরস্কার পেয়েছিল তার প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফয়সাল নাসিম। তিনি ব্যবসায়ীদের প্রশংসা করেন। পরে গোল্ড গালা অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ, ভারতীয় হাইকমিশনার ও শ্রীলঙ্কার ডেপুটি হাইকমিশনার।আহমেদ মোক্তাকি একজন বাংলাদেশি। তার দেশের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরের মিয়াবাড়ি। মালদ্বীপে তার কর্মজীবন শুরু হয় সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা দিয়ে। এরপর তিনি সেখানে ব্যবসা শুরু করেন। আজ তিনি দেশটিতে একজন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা। তিনি মিয়াঞ্জ ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। তার প্রতিষ্ঠান মালদ্বীপে বাংলাদেশি খাদ্য ও কৃষিপণ্যের বড় আমদানিকারকের খ্যাতি পেয়েছে।

post
বাংলাদেশ

১৭ দিন পর বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ

ফেনীর পরশুরামে বিএসএফের হাতে নিহত কৃষক মোহাম্মদ মেজবাহারের মরদেহ ১৭ দিন পর বাংলাদেশের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ। পুলিশ মেজবাহারের মরদেহ গ্রহণ করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে বিলোনিয়া ইমিগ্রেশনে চেকপোস্টে সীমান্তবর্তী বিলোনিয়া স্থলবন্দরের চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় পুলিশ বাংলাদেশের পুলিশের কাছে মেজবাহারের মরদেহ হস্তান্তর করে। এ সময় বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন খেজুরিয়া কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার ওমর ফারুক ও পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম। বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ২০০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সারসীমা কোম্পানি কমান্ডার সত্যিয়া পাল সিং ও ভারতীয় বিলোনিয়া থানার ওসি পরিতোস দাস। এরআগে গত ১৩ নভেম্বর উপজেলার বাঁশপদুয়া গ্রামে সীমান্তবর্তী এলাকায় ধান কাটতে গেলে বিএসএফ কৃষক মোহাম্মদ মেজবাহারকে ধরে নিয়ে যায়। তিন দিন পর স্থানীয়রা মেজবাহারের মরদেহ ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের একশ গজ ভেতরে পড়ে থাকতে দেখে বিজিবিকে খবর দেন। ১৬ নভেম্বর দিনগত রাত ৩টায় মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ। বিজিবি-বিএসএফের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে মরদেহ নিয়ে যান তারা।পরশুরামের মজুমদার হাট সীমান্ত ফাঁড়ির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মনিরুজ্জামান জানান, বিজিবি-বিএসএফ ও পুলিশের উপস্থিতিতে আইনগত প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত মেজবাহারের স্ত্রী মরিয়ম বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামীর মরদেহ চেনার উপায় নেই, অনেকটা পচে-গলে গেছে। এ ঘটনায় তিনি বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। মরিয়ম বেগমের অভিযোগ, বিএসএফ তার স্বামীকে বাংলাদেশ থেকে ধরে নিয়ে বিনা অপরাধে হত্যা করেছে। স্থানীয় কাউন্সিলর নিজাম উদ্দিন সুমন জানান, গত ১৩ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোহাম্মদ মেজবাহার বাঁশপদুয়া গ্রামের ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় ধান কাটতে যান। এ সময় বিএসএফের সদস্যরা তাকে জোর করে ধরে নিয়ে যান। ১৭ দিন পর ওই মরদেহ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। তবে মরদেহ শনাক্তের কোনো সুযোগ নেই, পচে-গলে গেছে। ভারতের বিলোনিয়া থানার পরিদর্শক পরিতোস দাস জানান, নিহত মেজবাহারের শরীরে ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এখনো তাদের হাতে আসেনি। অফিসিয়ালভাবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বাংলাদেশের পুলিশকে দেওয়া হবে। পরশুরাম থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, ফেরত পাওয়ার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

post
এনআরবি সাফল্য

জাতিসংঘ শান্তি পদক পেলেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা

মালিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিট-২ (রোটেশন-৪) এর ১৪০ জন সদস্যকে জাতিসংঘ শান্তি পদক পরিয়ে দেন মালির জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের পুলিশপ্রধান পুলিশ কমিশনার জেনারেল বেটিনা প্যাট্রিসিয়া বুগানি।এ উপলক্ষ্যে সোমবার ব্যানএফপিইউ-২ কর্তৃক আয়োজিত মেডেল প্যারেড ও শান্তি পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন মিনুস্মা হেড কোয়ার্টার্সের এফপিইউ কোঅর্ডিনেটর হাম্মানজাবু স্যামুয়েল, তিন্বুক্তো রিজিওয়েনর রিজিওনাল কমান্ডার সানাও দিওফ, রিজিওনাল আ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার, ডেপুটি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল জাবেদ আসলাম ও মিলিটারি কন্টিনজেন্টের কমান্ডাররা। এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসন, মেয়র ও জনপ্রতিনিধিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি তার ডেলিগেশন টিমসহ রাজধানী বামাকো থেকে ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দূরে মিনুসমা গুন্দাম ক্যাম্পের হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন। ব্যানএফপিইউ-২ এর কমান্ডার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান প্রধান অতিথিকে হেলিপ্যাডে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ও মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্যারেড গ্রাউন্ডে নিয়ে আসেন। সেখানে প্যারেড কমান্ডার ব্যানএফপিইউ ২-এর অপারেশনস্ অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল সশস্ত্র সালাম ও বর্ণিল প্যারেড প্রদর্শন করেন। মনোমুগ্ধকর প্যারেড প্রদর্শনী শেষে বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের ১৪০ জন পুলিশ সদস্যকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়। মালিতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মিনুসমা ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পদক দেওয়া হয়।প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে প্রতিকূল পরিবেশেও অত্যন্ত সুনামের সহিত শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ পরিচালনা করে স্থানীয় জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে উল্লেখ করে ব্যানএফপিইউ ২-এর অপারেশনাল কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম যেমন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন, বিনামূল্যে ওষুধ, চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণ, স্কুলে শিক্ষাসামগ্রী ও মসজিদে উপহারসামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তা কার্যক্রম গ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেন।তিনি শান্তিরক্ষা মিশনে নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ ও তাদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বেরও প্রশংসা করেন। ব্যানএফপিইউ-২ (রোটেশন-৪)-এর কমান্ডার (পুলিশ সুপার) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। তিনি মিনুসমা কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বক্তব্য শেষে তিনি মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে বৃক্ষরোপণ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ব্যানএফপিইউ ২-এর কমান্ডার প্রধান অতিথিসহ অন্য সব অতিথিদের শুভেচ্ছা স্মারক ও উপহার দেন।

post
এনআরবি সাফল্য

মালদ্বীপে বিশেষ সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি হাইকমিশনার

এদিন গিয়াসউদ্দিন ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অডিটোরিয়ামে সকাল, দুপুর, বিকেল ও রাতে চারটি অধিবেশনে এমআইসি’র সমাবর্তনটি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন কলেজের বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠাতা প্রবাসী শিক্ষা উদ্যোক্তা আহমেদ মোত্তাকি। অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মালদ্বীপের শিক্ষামন্ত্রী ডা. ইব্রাহিম হাসান।অনুষ্ঠানে এমআইসি কলেজের শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। সনদ প্রদান শেষে কলেজ কর্মীদের পথচলায় অনুপ্রেরণা ও সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনার এস এম আবুল কালাম আজাদকে বিশেষ সম্মাননা স্বীকৃতি পুরস্কার দেয়া হয়। এ ছাড়া এমআই ইন্টারন্যাশনাল কলেজ কৃষি ফ্যাকাল্টি হিসেবে আড্ডু শহরে স্কুল অব এগ্রিকালচারের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম পরামর্শ ও অনন্য অবদানের জন্য শাইখ সিরাজকে বিশেষ স্বীকৃতি পুরস্কার দেয়া হয়। আহমেদ মোত্তাকির বাড়ি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে। গত ৩০ বছর যাবত মালদ্বীপে বসবাস করেছেন তিনি। প্রবাস জীবনে শুরুতে মালদ্বীপের সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা দিয়ে শুরু করলেও এখন তিনি একজন বাংলাদেশি শিক্ষা উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার মালিকানার মিয়াঞ্জ ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ মালদ্বীপে বাংলাদেশি খাদ্য ও কৃষিপণ্যের বড় আমদানিকারক খ্যাতি পেয়েছে।

post
এনআরবি সাফল্য

পেনসিলভেনিয়া স্টেটে প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় বাংলাদেশি ড. নীনা

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া স্টেটে সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ নারীর অন্যতম একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি আমেরিকান ড. নীনা আহমেদ। ফিলাডেলফিয়া সিটি সহ পেনসিলভেনিয়া স্টেট পার্লামেন্টের দীর্ঘ পর্যবেক্ষণে এই ১০০ জন নারী নেতার তালিকা করা হয়েছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, অলাভজনক সংস্থার নেতা, মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত নেতা, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন শেণী-পেশার প্রতিনিধিত্বকারি নেতাদের মধ্য থেকে সেরা নারীদের এই তালিকা ২৮ নভেম্বর প্রকাশ করেছে স্টেট ও সিটি প্রশাসন। ড. নীনার এই সম্মান প্রাপ্তির জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে ‘বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি ফোরাম অব পেনসিলভেনিয়া’র নেতৃবৃন্দ। উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষার সর্বাধিক জনপ্রিয় ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’র পক্ষ থেকেও প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে ড. নীনার প্রতি। ড. নীনা দীর্ঘ ৩৫ বছরের অধিক সময় যাবত অভিবাসী সমাজের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কাজ করছেন। তৃণমূলে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ড. নীনা প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা পরিষদের একজন হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ছাড়াও ফিলাডেলফিয়া সিটির ডেপুটি মেয়র হিসেবেও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন। ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর উইমেন্স-পেনসিলভেনিয়া চ্যাপ্টারের প্রধান, ফিলাডেলফিয়া সিটির সপ্তম ওয়ার্ডের কমিটিওম্যান, পেনসিলভেনিয়া ডেমক্র্যাটিক পার্টির স্টেট কমিটির সদস্য হিসেবে এশিয়ান আমেরিকান এ্যান্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ড ককাসের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ব্যক্তিজীবনে বিজ্ঞানী হয়েও ড. নীনা মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেছেন। পেনসিলভেনিয়াস্থ রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্ট এবং ফাইন্যান্সিং সংস্থা ‘জেএনএ ক্যাপিটলের অন্যতম মালিক ড. নীনা ডেমক্র্যাটিক পার্টির একজন নিবেদিত সংগঠক হিসেবে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সুনজরে রয়েছেন। প্রথম প্রজন্মের বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে নিজের কর্মের মাধ্যমে বহুজাতিক এ সমাজে বিশেষ স্থানে অধিষ্ঠিত হবার বিরল গৌরব অর্জনের অনুভূতি প্রকাশকালে ড. নীনা আহমেদ বলেন, আমি নিজেকে গভীরভাবে সম্মানিত বোধ করছি, বিশেষ করে এই ধরনের ট্রেলব্লেজারদের সাথে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য। একজন তরুণ অভিবাসী হিসেবে এদেশে এসে আমি কখনো ভাবিনি যে, আমি এমনভাবে স্বীকৃত ও সম্মানিত হব। এজন্য কম্যুনিটির সকলের কাছে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন যারা তাকে এতটুকু পথ আসতে সাহায্য করেছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

কাতারে 'বাংলাদেশ দিবস' উদযাপন

বাংলাদেশ দূতাবাস, দোহা ও কাতার সরকা‌রের উদ্যোগে বাংলাদেশ ডে উদযাপন করা হ‌য়ে‌ছে। সোমবার দোহার বাংলা‌দেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞ‌প্তি‌তে এ তথ‌্য জানায়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং বাংলাদেশ ও কাতারের জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর দূতাবাসের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) মোবাশ্বেরা কাদারি স্বাগত বক্তব্য রাখেন।বাংলাদেশের বৈচিত্রময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর একটি পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন দূতাবাসের প্রথম সচিব মো. মাহদী হাসান। পরে বাংলাদেশর ঐতিহ্যবাহী গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন বাংলাদেশ এম এইচ এম স্কুলের শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী বাউল গান পরিবেশন করেন কাতারের বাংলাদেশের চিরন্তন বাউল সংঘের সদস্যরা। এছাড়া বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ি, হস্তশিল্প সামগ্রী প্রদর্শনীর জন্য উপস্থাপন করেন অনন্যাসহ (কাতারস্থ বাংলাদেশি নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন) কমিউনিটির সদস্যরা। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি শিশুদের মধ্যে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এবং প্রতিযোগিদের মাঝে সনদপত্র ও পুরস্কার প্রদান কর হয়।কাতার প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি বিদেশি নাগরিকরা অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের চার্জ দ্য' অ্যাফেয়ার্স ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি সমাপনী বক্তব্যে অনুষ্ঠান আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য কাতার ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে চমৎকার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। এ সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে। 

post
এনআরবি বিশ্ব

২৫ দিনে ১৩৪ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা

দেশে নভেম্বরের ২৫ দিনে প্রবাসীরা ১৩৪ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১০৮ টাকা ধরে)। রোববার (২৭ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের এক প্রতিবেদনে এ চিত্র পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি নভেম্বর মাসের প্রথম ২৫ দিনে ১৩৪ কোটি ৭১ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ১৬০ কোটি ডলার ছাড়াবে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধপথে প্রবাসী আয় ধারাবাহিক কমছে। অর্থনীতির অন্যতম এ সূচকটির নেতিবাচক গতি দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈধপথে রেমিট্যান্স আনতে বিভিন্ন শর্ত শিথিল, চার্জ ফি মওকুফসহ বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু তারপরও ইতিবাচক সাড়া মিলছে না। নভেম্বরের প্রথম ২৫ দিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১০৭ কোটি ৯৮ লাখ মার্কিন ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৪ লাখ মার্কিন ডলার, আর বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে দুই কোটি ৮৮ লাখ মার্কিন ডলার। চলতি মাসের প্রথম ২৫ দিনে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে ৩২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার এসেছে। এরপর অগ্রণী ব্যাংকে এসেছে ৯ কোটি ৬ লাখ, ডাচ্ বাংলা ব্যাংকে ৮ কোটি ৫৫ লাখ, সোনালী ব্যাংক ৮ কোটি ১৪ লাখ এবং আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকের এসেছে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ডলার প্রবাসী আয়।বিদেশি এক্সচেঞ্জের হাউজের মতো সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালেও প্রতি ডলারে ১০৭ টাকা পাবেন প্রবাসীরা। আগে যা ছিল ৯৯ টাকা ৫০ পয়সা। এ ছাড়া এখন থেকে ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স আহরণ বাবদ কোনো চার্জ বা মাশুলও নেবে না। সব‌শেষ গতকাল সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি ও বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোর সংগঠন বাফেদার বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়। এ ছাড়া এখন বিদেশ থেকে যেকোনো পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠাতে কোনো ধরনের কাগজপত্র লাগে না। আবার প্রবাসী আয়ের ওপর আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। প্রণোদনা বাড়ার পরও সর্বশেষ অর্থবছরে প্রবাসী আয়ে বড় পতন হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে দুই হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ (২১ দশমিক তিন বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ কম।

post
এনআরবি বিশ্ব

ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ

ভারতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে নিজের পরিচয়পত্র (ক্রেডেন্সিয়াল) পেশ করেছেন বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান। আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকালে রাষ্ট্রপতি ভবনে তিনি পরিচয়পত্র পেশ করেন। হাইকমিশনার নিযুক্ত হওয়ার পর গত ১৪ অক্টোবর দিল্লি পৌঁছান মুস্তাফিজুর রহমান। এর আগে তিনি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের অফিসে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন। পরিচয়পত্র পেশের পর বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ পর্বে ভারতের রাষ্ট্রপতি মুর্মু বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। সময়ের পরীক্ষায় এই সম্পর্ক উত্তীর্ণ। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য ভারতীয় সেনানিরা রক্ত ঝরিয়েছেন; প্রাণ দিয়েছেন। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন নিদর্শন বিরল। মুর্মু বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক দিন দিন শুধু উন্নতই হচ্ছে না, মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধনও দৃঢ় হচ্ছে। বেড়ে চলেছে পারস্পরিক ভরসা ও আস্থা। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় ও যোগ্য নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। তাঁর দায়িত্ব পালনের এই অল্প সময়ের মধ্যেই দুইবার সাক্ষাৎ হয়েছে দুজনের। প্রথমবার গত সেপ্টেম্বরে শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময়। দ্বিতীয়বার ওই মাসেই লন্ডনে রানি এলিজাবেথের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে। ভারতের রাষ্ট্রপতি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেমন বাংলাদেশের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে চলেছে, তেমনই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিস্তার ও ব্যাপ্তি বেড়ে চলেছে। তিনি বলেন, এই সম্পর্ক আগামী দিনে আরও দৃঢ় হবে বলে তাঁর বিশ্বাস। এ সময় ভারতের রাষ্ট্রপতিকে হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, চলমান সম্পর্ক বহুমুখী ও দীর্ঘস্থায়ী করার চেষ্টাই তাঁর লক্ষ্য। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের তৎকালীন নেতৃত্বের দূরদৃষ্টি ও বিচক্ষণতার উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই থেকে সম্পর্কের যে বন্ধনের শুরু, দিন দিন তা আরও শক্তিশালী হয়েছে।বাংলাদেশ হাইকমিশনার বলেন, দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক কোন আদর্শের হওয়া উচিত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গোটা বিশ্বের কাছে সেই দৃষ্টান্ত রেখেছেন।

post
আন্তর্জাতিক

সরকারি অর্থে বাগানের জন্য ভাস্কর্য কিনে বিতর্কের মুখে ঋষি সুনাক

বিপুল অর্থ খরচ করে বিখ্যাত ব্রিটিশ ভাস্কর হেনরি স্পেনসার মুরের তৈরি একটি ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য সংগ্রহ করায় যুক্তরাজ্য সরকার ক্ষোভের মুখে পড়েছে। আর্থিক সংকটের এ সময়ে ভাস্কর্যটির জন্য ১৩ লাখ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৬ কোটি টাকা) খরচ করায় ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বেহিসেবি আচরণের অভিযোগ উঠেছে। খবর বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর নিলামে ভাস্কর্যটি কেনার পর এটিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের সরকারি কার্যালয় ও বাসভবন ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটের বাগানে রাখার জন্য পাঠানো হয়েছে। দ্য সানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ওয়ার্কিং মডেল পর সিটেড উম্যান’ নামের বিমূর্ত এ ভাস্কর্যটি তৈরি হয়েছে ১৯৮০ সালে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি গত মাসে যুক্তরাজ্যের নিলামকারী প্রতিষ্ঠান ক্রিস্টির নিলামে বিক্রি হয়েছে এবং ব্রিটিশ সরকারের মালিকানাধীন শিল্পকর্ম সংগ্রহশালা (গভর্নমেন্ট আর্ট কালেকশন) তা সংগ্রহ করেছে। যুক্তরাজ্যে যখন মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি চলছে, জীবনযাপনের খরচ বেড়ে গেছে এবং সরকারি তহবিলে কাটছাঁট করা হচ্ছে—তখন এত অর্থ ব্যয় করে ভাস্কর্যটি সংগ্রহ করা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এক বিশেষজ্ঞ দ্য সানকে বলেন, ‘এটি দারুণ শিল্পকর্ম। মুরের তৈরি ‘বসে থাকা নারী মূর্তি’র গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত এটি। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করলে এ ভাস্কর্যের পেছনে যে খরচ হয়েছে তাকে সরকারি তহবিলের অসংযত ব্যবহার বলা যেতে পারে।’বৃহস্পতিবার ডাউনিং স্ট্রিটে আংশিক ঢাকা ভাস্কর্যটি দেখা যায়। ডাউনিং স্ট্রিট বলছে, কোনো রাজনীতিবিদ এ শিল্পকর্ম অধিগ্রহণের সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ক্রিস্টির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এ ভাস্কর্যটি মাতৃত্ব ও গর্ভাবস্থার এক শক্তিশালী বার্তা বহন করছে। যুক্তরাজ্য সরকারের শিল্প সংগ্রহশালার সংগ্রহে এমন ১৪ হাজারের বেশি মূল্যবান শিল্পকর্ম আছে। লন্ডনের হোয়াইট হলসহ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ভবনে এসব শিল্পকর্ম রাখা হয়েছে। ১৯৮৬ সালে মারা যান হেনরি স্পেনসার মুর। তাঁকে বিশ শতকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিটিশ শিল্পীদের একজন বলে বিবেচনা করা হয়। অনেকে তাঁকে ওই সময়ে আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে সমাদৃত ভাস্কর বলে থাকেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.