post
আন্তর্জাতিক

সরকারি অর্থে বাগানের জন্য ভাস্কর্য কিনে বিতর্কের মুখে ঋষি সুনাক

বিপুল অর্থ খরচ করে বিখ্যাত ব্রিটিশ ভাস্কর হেনরি স্পেনসার মুরের তৈরি একটি ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য সংগ্রহ করায় যুক্তরাজ্য সরকার ক্ষোভের মুখে পড়েছে। আর্থিক সংকটের এ সময়ে ভাস্কর্যটির জন্য ১৩ লাখ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৬ কোটি টাকা) খরচ করায় ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বেহিসেবি আচরণের অভিযোগ উঠেছে। খবর বার্তা সংস্থা পিটিআই-এর নিলামে ভাস্কর্যটি কেনার পর এটিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের সরকারি কার্যালয় ও বাসভবন ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটের বাগানে রাখার জন্য পাঠানো হয়েছে। দ্য সানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘ওয়ার্কিং মডেল পর সিটেড উম্যান’ নামের বিমূর্ত এ ভাস্কর্যটি তৈরি হয়েছে ১৯৮০ সালে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি গত মাসে যুক্তরাজ্যের নিলামকারী প্রতিষ্ঠান ক্রিস্টির নিলামে বিক্রি হয়েছে এবং ব্রিটিশ সরকারের মালিকানাধীন শিল্পকর্ম সংগ্রহশালা (গভর্নমেন্ট আর্ট কালেকশন) তা সংগ্রহ করেছে। যুক্তরাজ্যে যখন মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি চলছে, জীবনযাপনের খরচ বেড়ে গেছে এবং সরকারি তহবিলে কাটছাঁট করা হচ্ছে—তখন এত অর্থ ব্যয় করে ভাস্কর্যটি সংগ্রহ করা নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। এক বিশেষজ্ঞ দ্য সানকে বলেন, ‘এটি দারুণ শিল্পকর্ম। মুরের তৈরি ‘বসে থাকা নারী মূর্তি’র গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত এটি। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করলে এ ভাস্কর্যের পেছনে যে খরচ হয়েছে তাকে সরকারি তহবিলের অসংযত ব্যবহার বলা যেতে পারে।’বৃহস্পতিবার ডাউনিং স্ট্রিটে আংশিক ঢাকা ভাস্কর্যটি দেখা যায়। ডাউনিং স্ট্রিট বলছে, কোনো রাজনীতিবিদ এ শিল্পকর্ম অধিগ্রহণের সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ক্রিস্টির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এ ভাস্কর্যটি মাতৃত্ব ও গর্ভাবস্থার এক শক্তিশালী বার্তা বহন করছে। যুক্তরাজ্য সরকারের শিল্প সংগ্রহশালার সংগ্রহে এমন ১৪ হাজারের বেশি মূল্যবান শিল্পকর্ম আছে। লন্ডনের হোয়াইট হলসহ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ভবনে এসব শিল্পকর্ম রাখা হয়েছে। ১৯৮৬ সালে মারা যান হেনরি স্পেনসার মুর। তাঁকে বিশ শতকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিটিশ শিল্পীদের একজন বলে বিবেচনা করা হয়। অনেকে তাঁকে ওই সময়ে আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে সমাদৃত ভাস্কর বলে থাকেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

এসএসসি ২০২২: প্রবাসী শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৯৫.৮৭ শতাংশ

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৮টি বিদেশি কেন্দ্রে এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৩৬৩ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাশ করেছে ৩৪৮ জন। বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীদের ছেলেমেয়েরা এসব কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছিল।ফলাফলে দেখা যায়, প্রবাসী শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ।  

post
এনআরবি সাফল্য

২২ বছরেই ব্যারিস্টার হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারহানা

ব্রিটেনে আইন পেশায় ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে আসছে। ২০১৭ সালে ব্রিটেনের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যারিস্টার আখলাকুর রহমান চৌধুরী কিউসি হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। আর ২০২১ সালে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী হিসেবে কিউসি নিযুক্ত হয়েছিলেন ব্যারিস্টার সুলতানা তফাদার। এবার সর্বকনিষ্ঠ ব্রিটিশ বাংলাদেশি হিসেবে ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জন করলেন ফারহানা আহমদ। তার স্বপ্ন ব্রিটেনের হাইকোর্টে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিসেবে প্রধান বিচারপতি হিসেবে কাজ করার। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারহানা আহমদ গত ২৪ নভেম্বর মাত্র ২২ বছর বয়সে বিশ্বখ্যাত অনারেবল সোসাইটি অব লিংকন্স ইন্ থেকে ব্যারিস্টার হন। ব্রিটেনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যারিস্টারদের মধ্যে ফারহানাই সর্বকনিষ্ঠ। বার-এট-ল করার পাশাপাশি মাস্টার অব লজ (এলএলএম) এ অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করেন ফারহানা। ছোটবেলা থেকে প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব ও প্রখর মেধাবী ফারহানা আহমদ গত বছর বিশ্বখ্যাত লন্ডন ইউনিভার্সিটির স্বনামধন্য দ্য সিটি ল স্কুল থেকে এলএলবিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়েছিলেন। এমন ভালো ফলাফল এর আগেও ইউনিভার্সিটির অনেক ছেলে-মেয়ে করেছে। তবে ফারহানা প্রথম হওয়ার সঙ্গে কয়েকটি সাবজেক্টে তিনি তার ইউনিভার্সিটির ল ডিপার্টমেন্টের অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে সর্বোচ্চ মার্কস পেয়েছিল। শিক্ষা জীবনে কোনো একটি বছর বা সেশন গ্যাপ না দিয়েই এলএলএম এবং বার-এট-ল’তে অসামান্য ফলাফল করেছেন ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদ। এলএলএম-এর ডিসার্টেশন তথা থিসিসে-এ ফারহানা পেয়েছেন ৭৫ শতাংশ মার্কস। বার-এট-ল’র ক্রিমিলাল লিটিগেশনে পেয়েছেন ৭৫ শতাংশ মার্কস এবং জুডিসিয়াল রিভিউ মডিউলে পেয়েছেন ৭৭ শতাংশ মার্কস। এছাড়া ব্যারিস্টার ডিগ্রি অর্জন করেন ৫ হাজার পাউন্ড স্কলারশিপ নিয়ে। লন্ডনে জন্ম নেওয়া ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদের পৈত্রিক নিবাস বাংলাদেশের সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের বাহাড়া দুবাগ গ্রামে। তিনি বিলেতের প্রতিথযশা আইনজীবী, প্যাকটিসিং ব্যারিস্টার, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ও নিউহ্যাম কাউন্সিলের সাবেক কাউন্সিলর এবং টানা তিন টার্মের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ও কবি সালমা আহমদের দ্বিতীয় সন্তান। ২৩ বছর আগে ১৯৯৯ সালে ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদের পিতা ব্যারিস্টার নাজির আহমদও বার-এট-ল’র ফলাফলে শীর্ষস্থান লাভ করে অনারেবল সোসাইটি অব লিংকন্স ইন্ থেকে ব্যারিস্টার হয়েছিলেন। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদ দ্বিতীয়। তার বড় বোন তাসনিয়া আহমদ গত বছর ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনস্টর থেকে সেকেন্ড ক্লাস ফার্স্ট ডিভিশন পেয়ে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রী লাভ করে শিক্ষকতা পেশায় যাচ্ছেন। তার ছোট বোন তাহমিনা আহমদ লন্ডন ইউনিভার্সিটির কুইন মেরীতে বিএসসি (অনার্স) ম্যানেজমেন্টের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ফারহানার ছোট ভাই এহসান আহমদ এ বছর জিসিএসই’তে অসাধারণ ফলাফল করে এখন দেশ সেরা সিক্সথ ফর্ম ব্রাম্পটন ম্যানর একাডেমিতে এ লেভেলে পড়াশোনা করছে। তার আরেক ছোট ভাই হাসান মুর্শেদ আহমদও ব্রাম্পটন ম্যানর একাডেমিতে ইয়ার সেভেনের ছাত্র। এই অসাধারণ সাফল্য লাভের প্রাক্কালে এক প্রতিক্রিয়ায় ব্যারিস্টার ফারহানা আহমদ বলেন, প্রথমেই শ্রদ্ধাবনত চিত্তে শুকরিয়া জানাচ্ছি মহান আল্লাহ পাকের প্রতি। এরপর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমার শ্রদ্ধেয় পিতা-মাতা ও শিক্ষক মন্ডলীর প্রতি যাদের সাপোর্ট, সহায়তা ও গাইডেন্স আমাকে এ পর্যন্ত আসতে সহযোগিতা করেছে। আমি আলোকিত সমাজ ও কমিউনিটি বিনির্মাণে, আইনের শাষণ প্রতিষ্ঠায় ও সুবিচার নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখতে চাই।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসী মাহবুব আর নেই

মালয়েশিয়ায় দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসী মাহবুব আলম (৪৮) আর নেই। গাজীপুর ভাড়া বাড়িতে বাংলাদেশ সময় পৌনে ১১টায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মালয়েশিয়ায় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত প্রবাসী মাহবুব আলম ৫ মাস ধরে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ১৮ নভেম্বর হাইকমিশনের সহায়তায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশে পাঠানো হয়। ইবনেসিনা হাসপাতালে দুই দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় মাহবুবকে। গত ২২ জুন মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের শাহ আলম শহরের পানির পাইপ সরাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন প্রবাসী মাহবুব। সেই থেকে স্থানীয় শাহ আলম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দুর্ঘটনায় প্রচন্ড আঘাতে তার মুখের হাড় ভেঙে গেছে, ডান চোখ নষ্ট হয়ে গেছে ও শিরা ছিঁড়ে মাথার ব্রেইনের গুরুতর ক্ষতি হয়। বিদেশে ব্যয়বহুল চিকিৎসা এগিয়ে নেওয়া তার পরিবারের সাধ্যের বাইরে ছিল। সব মিলিয়ে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই ছিল বেশি প্রয়োজন। কিন্তু অর্থের অভাবে আর উন্নত চিকিৎসা করা হলো না মাহবুবের। ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে মাহবুবের বিল হয়েছিল ৭৭ হাজার রিঙ্গিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ ৯ হাজার ৫০০ টাকা। এই টাকা পরিশোধ করতে পরিবারের পক্ষে মুশকিল হয়ে পড়েছিল। একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটিকে বাঁচাতে, দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার-বিত্তবানদের কাছে আকুতি জানান মাহবুবের পরিবার। মাহবুবের স্ত্রী সিমা আক্তারের আবেদনের ফলে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ৯ হাজার রিঙ্গিত (বাংলাদেশি ২ লাখ টাকা) সহায়তা করেন, যা প্রয়োজনের তুলনায় ছিল খুবই অপ্রতুল। অন্যদিকে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে প্রয়োজনীয় সবধরনের সহায়তা দিলেও হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ বিল মেটাতে এগিয়ে আসেন মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশন, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন মালয়েশিয়া, প্রবাসী অনেকে। হাসপাতালের ৭৭ হাজার রিঙ্গিতের মধ্যে সবার সহযোগিতায় ৪৭ হাজার রিঙ্গিত বিল পরিশোধ করা হয়। এছাড়া আহত মাহবুবকে দেশে ফিরিয়ে নিতে বিমান ভাড়া চিকিৎসক নার্স স্টেচারসহ আরও ২৭ হাজার রিঙ্গিত খরচ হয়েছে। যা হাইকমিশন ও প্রবাসীদের সহযোগিতায় সম্ভব হয়েছে। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায়, ২০১৬ সালে সরকারি ভিসায় পাম অয়েল বাগানে কাজ নিয়ে স্বপ্নের দেশ মালয়েশিয়ায় আসেন মাহবুব। মাহবুবের ৩ মেয়ে ও স্ত্রী থাকেন গাজীপুর বোর্ডবাজারে একটি ভাড়া বাসায়। পুরো সংসার নির্ভরশীল মাহবুবের ওপর। অসহায় এ রেমিট্যান্স যোদ্ধার স্বপ্ন ছিল ভালো কিছু করবে। তিন মেয়েকে ভালো কলেজে পড়ালেখা করাবে। কিন্তু সব স্বপ্ন তার নিমিষেই উবে গেলো। তার আর ভাগ্যের পরিবর্তন হলো না। অবশেষে জীবনযুদ্ধে হেরে গেলেন রেমিটেন্সযোদ্ধা মাহবুব। মালয়েশিয়ায় থাকা মাহবুবের ভাতিজা আনোয়ার হোসেন জানান, মাহবুব সাব এজেন্ট নেওয়া এক ইন্দোনেশিয়ানের অধীনে কাজ করতেন। রাওয়াং-এ থাকা ভাতিজা আনোয়ার নিজেও একজন শ্রমিক। কাজের ফাঁকে চাচাকে দেখতে যান। নিজের সামান্য আয় থেকে এরই মধ্যে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। আনোয়ার আরও জানান, তার চাচার পরিবার খুবই অসহায়। দেশে নিয়ে আসলাম চাচাকে। দেশেও চাচাকে চিকিৎসা করাতে পারলাম না। আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। আজ মাহবুবের মরদেহ বরিশাল মেহেন্দীগঞ্জের চানপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানেই তাকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন ভাতিজা আনোয়ার।

post
এনআরবি বিশ্ব

স্পেনে পাসপোর্ট জটিলতায় ৬ শতাধিক বাংলাদেশি

স্পেনে মাদ্রিদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ৬ শতাধিক বাংলাদেশি। বৈধ হওয়ার সুযোগ অনিশ্চিত হয়ে পড়া প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করছেন। স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ই-পাসপোর্ট নবায়ন জটিলতা এবং বয়স সংশোধনকে কেন্দ্র করে ঘনীভূত হতে থাকা সমস্যার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশি মানবাধিকার সংগঠন ভালিয়েন্তে বাংলার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে দেশটির রাজধানী মাদ্রিদে বাংলাদেশ দূতাবাসের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।বিশেষ করে তথ্য সংশোধন জটিলতায় পাসপোর্ট না পাওয়ার বিষয়টি তারা রাষ্ট্রদূতের কাছে ব্যক্ত করেন এবং ই-পাসপোর্ট নবায়ন না হওয়ায় ৬শত প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ অনিশ্চিতসহ পাসপোর্ট না পাওয়ায় সৃষ্ট অভিবাসন জটিলতা তুলে ধরেন।পাসপোর্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দেশে একটি সংঘবদ্ধ ও সক্রিয় দালালচক্রের প্রতারণার কথাও ভুক্তভোগী প্রবাসীরা রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন এবং তা প্রতিকারের লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।এ সময় রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ উপস্থিত প্রত্যেক ভুক্তভোগীসহ প্রবাসী নেতাদের কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং পাসপোর্ট দেওয়া প্রক্রিয়ায় দূতাবাসের আইনি সীমাবদ্ধতা পুনর্ব্যক্ত করেন।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, প্রবাসীদের পাসপোর্ট সমস্যার কথা দূতাবাস নিয়মিতভাবে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে অবহিত করে। রাষ্ট্রদূত তাদের ভোগান্তির কথা সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পুনরায় তুলে ধরবেন বলে আশ্বাস দেন।স্পেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন করে প্রবাসবান্ধব সরকারের সুফল সাধারণ প্রবাসীদের মাঝে পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ প্রবাসীদের আশ্বাস দেন।এ সময় দূতালয় প্রধান এটিএম আব্দুর রউফ মণ্ডল, প্রথম কউন্সিলর (শ্রম) মুতাসিমুল ইসলাম, পলিটিক্যাল কউন্সিলর দীন মোহাম্মদ ইমাদুল হকসহ দূতাবাসের সব কর্মকর্তার পাশাপাশি স্পেনের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট সমস্যা, দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু, বয়সের গড়মিল, রি-ইস্যু পাসপোর্ট প্রবাসীরা দ্রুত পায় এবং যাদের বয়সের গড়মিল রয়েছে সবাইকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান।

post
খেলা

আর্জেন্টিনার জয়ে বাংলাদেশে উল্লাসের ভিডিও পোস্ট করল ফিফা

মেক্সিকোকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় পর্বে যাওয়ার লড়াইয়ে টিকে গেল আর্জেন্টিনা। প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে অবিশ্বাস্য পরাজয়ের পর গতকাল রাতে ঘুরে দাঁড়ায় মেসি বাহিনী। এই দারুণ জয়ের পর বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা ভক্তদের মনে আনন্দের জোয়ার বয়ে গেছে। গভীর রাতেই রাস্তায় বেরিয়েছে মিছিল।বাংলাদেশি আর্জেন্টাইন ভক্তদের এই উল্লাসের আওয়াজ পৌঁছে গেছে বিশ্বফুটবলের প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা পর্যন্ত। তারা বাংলাদেশি ভক্তদের এই উল্লাসের ভিডিও পোস্ট করেছে টুইটারে। ভিডিওটি রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র বলে জানা গেছে। আর্জেন্টিনার পরবর্তী প্রতিপক্ষ পোল্যান্ড। সবার আশা, মেসিরা সেই ম্যাচ জিতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করে ফেলবে। দেখুন সেই ভিডিও : https://twitter.com/FIFAcom/status/1596759102755115009?s=20&t=cmnSZaPxAj0YL0FkIO_evg

post
টেক মেন্টর

তথ্য ফাঁসের ঝুঁকিতে প্রায় ৪৯ কোটি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী

বার্তা লেনদেনের পাশাপাশি অডিও-ভিডিও কলের সুযোগ থাকায় প্রায় ২০০ কোটি ব্যবহারকারী হোয়াটসঅ্যাপের। মেটার মালিকানাধীন এই অ্যাপ ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীদের ফোন নম্বর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ফোন নম্বরের মাধ্যমেই হোয়াটসঅ্যাপে পরিচিত-অপরিচিত ব্যক্তিরা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। সম্প্রতি ৪৮ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর চুরি করেছেন সাইবার অপরাধীরা। এসব তথ্য বিক্রির জন্য হ্যাকারদের অনলাইন ফোরামে বিজ্ঞাপনও দিয়েছেন তাঁরা। ফলে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের তথ্যনিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সাইবার নিউজ।সাইবার নিউজের তথ্যমতে, ৮৪টি দেশের হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর রয়েছে সাইবার অপরাধীদের কাছে। বিশাল এই তথ্যভান্ডারে ইতালির তিন কোটি ৫০ লাখ, সৌদি আরবের দুই কোটি ৯০ লাখ, যুক্তরাষ্ট্রের তিন কোটি ২০ লাখ, যুক্তরাজ্যের এক কোটি ১০ লাখ এবং রাশিয়ার এক কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য রয়েছে।এই তথ্য ভান্ডারে কীভাবে সাইবার অপরাধীরা প্রবেশ করেছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি। ফাঁস হওয়া ফোন নম্বর কাজে লাগিয়ে স্প্যাম মেইল পাঠানোর পাশাপাশি ফিশিং আক্রমণ চালাতে পারে সাইবার অপরাধীরা। শুধু তা–ই নয়, এর মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণও নিতে পারে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের কার্যক্রমের ওপরও নজরদারি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপে অ্যাম্বাসেডর অব অ্যাগ্রিকালচার অ্যাওয়ার্ড পেলেন শাইখ সিরাজ

মালদ্বীপের মিয়াঞ্জ ইন্টারন্যাশনাল কলেজ থেকে সম্মানসূচক অ্যাম্বাসেডর অব অ্যাগ্রিকালচার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন কৃষি উন্নয়নে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ। কলেজের অষ্টম সমাবর্তনের অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ১৬ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত মিয়াঞ্জ ইন্টারন্যাশনাল কলেজের অষ্টম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে গ্রাজুয়েট হয়েছেন ৮১৭ জন। এরমধ্যেই কৃষি বিষয়ক কোর্সটি ওই দেশের রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেয়েছে।উদ্যোক্তারা জানান, শাইখ সিরাজের মাটি ও মানুষের টিভি প্রোগ্রামে অনুপ্রাণিত হয়ে কৃষি কোর্স ও কৃষি গবেষণা কেন্দ্র চালু করেছেন। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্যে মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এস. এম. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাংলাদেশি মালিকানাধীন আহমেদ মোত্তাকির প্রতিষ্ঠিত মিয়াঞ্জ ইন্টারন্যাশনাল কলেজেটির কৃষি বিষয়ক কোর্স পরিচালনা এবং গবেষণায় তাদের সাফল্য চোখের পড়ার মতো। যা মালদ্বীপে বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য সুনাম অর্জনের এক মাইলফলক। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, মালদ্বীপের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী ইব্রাহিম হাসান।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পরেন আর্জেন্টিনার মানুষও

মেক্সিকোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফুটবলে দারুণভাবে ফিরে এসেছে। শনিবার গভীর রাতে এই জয়ের পর বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা পাড়া–মহল্লায় আনন্দমিছিল করেন। তখন তাঁদের পরনে ছিল মেসিদের জার্সি। শুধু খেলা দেখার সময় নয়, বিশ্বকাপের মৌসুমে চলতে–ফিরতে প্রিয় দলের জার্সি গায়ে অনেককেই দেখা যায়। অবশ্য বিশ্বকাপ ফুটবলের মৌসুমে বাংলাদেশে এটা নতুন কিছু নয়। ফুটবলের বিশ্ব আসরে বাংলাদেশের দল না থাকলেও দেশের দর্শকদের বড় অংশই আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল, এই দুই দলে বিভক্ত হয়ে যান। এবারের কাতার বিশ্বকাপেও সেটির ব্যতিক্রম হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথার খোঁচায়, জার্সি গায়ে দেওয়া, পতাকা টাঙানো, স্লোগানে-মিছিলে জমে উঠেছে এই দুই দলের সমর্থকদের লড়াই। বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা দলের সমর্থকেরা যেমন ভালোবেসে সাদা-আকাশি রঙের জার্সি পরেন, তেমনই আর্জেন্টিনার মানুষও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পরেন। খটকা লাগছে! পরিষ্কার করে বলা যাক, বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি আর্জেন্টিনাতেও তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়। সেসব পোশাকই কিনে পরেন আর্জেন্টিনার মানুষজন। শুধু তৈরি পোশাক নয়, বাংলাদেশ থেকে জুতা, ম্যাট্রেস, বাচ্চাদের খেলনাসহ বিভিন্ন পণ্য দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে যায়। এমন তথ্যই জানিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। সংস্থাটি বলছে, গত ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে আর্জেন্টিনায় ৬৮ লাখ ৫৪ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। সর্বশেষ অর্থবছরে তা বেড়ে ৯৫ লাখ ১৮ হাজার ডলারে দাঁড়ায়। সুখবর হচ্ছে, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও দেশটিতে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানি বেড়েছে। গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ মাসে ৩৭ লাখ ৩০ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা কিনা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৫৯ শতাংশ বেশি। গত বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে রপ্তানি হয়েছিল ১৪ লাখ ৩৭ হাজার ডলারের পণ্য। চলুন জেনে নেওয়া যাক, আর্জেন্টিনার মানুষ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কী পরিমাণ কেনেন। বাংলাদেশ থেকে দেশটিতে যে পরিমাণ পণ্য রপ্তানি হয় তার ৮৮ শতাংশের বেশি তৈরি পোশাক। গত ২০২১-২২ অর্থবছরে ওভেন ও নিট পোশাক মিলে ৮৩ লাখ ৯১ হাজার ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি তার আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫২ শতাংশ বেশি। গত ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে আর্জেন্টিনায় ৫৫ লাখ ৫ হাজার ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়।ইপিবির তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৩ মাসে আর্জেন্টিনায় ২৯ লাখ ১৮ হাজার ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ২৯ কোটি টাকার সমান। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬০ শতাংশ বেশি। তার মানে আর্জেন্টিনার মানুষ বাংলাদেশি পোশাক কেনা বাড়াচ্ছেন। বিষয়টি শুধু আর্জেন্টিনার বাংলাদেশি সমর্থক নয়, বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্যও স্বস্তিদায়ক। জানতে চাইলে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রথম আলোকে বলেন, আমেরিকার পাশাপাশি দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে আমাদের তৈরি পোশাকের রপ্তানি বাড়ছে। আর্জেন্টিনার পাশাপাশি ব্রাজিল, চিলি ও উরুগুয়ে বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদা প্রতিবছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর্জেন্টিনায় বৈশ্বিক ব্র্যান্ড ছাড়াও স্থানীয় কিছু ব্র্যান্ড বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি করে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল দলের জার্সি পরেন। ওই দেশগুলোর মানুষজনও বাংলাদেশি তৈরি পোশাক কেনেন। ব্যবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি কাকতালীয় হলেও খুবই আনন্দদায়ক। আর্জেন্টিনা যেমন বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, জুতাসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে তেমনি বাংলাদেশও দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করে। তার মধ্যে রয়েছে সয়াবিন তেলের মতো নিত্যপণ্যও। অবশ্য আর্জেন্টিনায় বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির তুলনায় পণ্য আমদানি প্রায় ৯৪ গুণ বেশি। বাংলাদেশের ঘরে ঘরে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মতো দুই দেশের সয়াবিন তেলও এ দেশে বিক্রি হচ্ছে দেদার। সয়াবিন তেলে রাজত্ব আর্জেন্টিনারই। গত ২০২১-২২ অর্থবছরে আর্জেন্টিনা বাংলাদেশে ৫৫ কোটি ডলারের ৩ লাখ ৯০ হাজার টন সয়াবিন তেল রপ্তানি করেছে। অন্যদিকে ব্রাজিল রপ্তানি করেছে ৩৮ কোটি ডলারের ২ লাখ ৫৭ হাজার টন সয়াবিন তেল। বিদায়ী অর্থবছরে আর্জেন্টিনা থেকে ১২ কোটি ৮৪ লাখ ডলারের ৩ লাখ ৯০ হাজার টন ভুট্টা আমদানি করেছে আর্জেন্টিনা। এ ছাড়া দেশটি থেকে ১৫ কোটি ডলারের ২ লাখ ৮১ হাজার টন সয়াকেক এবং ৩০ লাখ ডলারের ১ হাজার ২২৮ টন তুলা আমদানি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও চট্টগ্রাম কাস্টমসের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে বাজার দখলে আর্জেন্টিনা ১৯ তম। গত ২০২১-২২ অর্থবছরে আর্জেন্টিনা ৯০ কোটি ডলারের ১২ লাখ টন পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশে।

post
এনআরবি বিশ্ব

চীনে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় থিম কান্ট্রি বাংলাদেশ

দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ইউনান প্রদেশে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোজিশন এবং ২৬তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলায় থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে রপ্তানিপণ্যের পাশাপাশি দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। 'নব উন্নয়নের জন্য নতুন সুযোগ' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গত ১৯ থেকে ২২ নভেম্বর ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে দিয়ানচি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজিত এই মেলার যৌথ আয়োজক ছিল চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইউনান প্রাদেশিক সরকার।৪ দিনের এ মেলায় বাংলাদেশসহ ৮০টিরও বেশি দেশ, অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক সংস্থা অংশ নেয়। উদ্বোধনী অধিবেশনে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী এবারের মেলায় বাংলাদেশকে থিম কান্ট্রি নির্বাচিত করায় চীনা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। স্পিকার বলেন, 'চায়না-সাউথ এশিয়া বাণিজ্য মেলা এ অঞ্চলে করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। পাশাপাশি আঞ্চলিক বাণিজ্য সহযোগিতা বৃদ্ধি ও পণ্য আমদানি-রপ্তানি বাড়াতেও সহায়ক হবে।' মেলায় পণ্য প্রদর্শনী ও তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যমে চীন-বাংলাদেশের বাণিজ্য সহযোগিতা ও সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্পিকার। মেলায় চীন-দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের অধিবেশনে ভার্চুয়াল বক্তব্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, 'চীনের সহায়তায় বাংলাদেশে রেলপথ, নদীর তলদেশে টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে এবং বিদ্যুৎ অবকাঠামোসহ বেশ কয়েকটি অবকাঠামো প্রকল্প চালু হয়েছে, যা আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যকে আরও উন্নত করবে।' বর্তমানে বাংলাদেশ ও চীন যৌথভাবে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করেছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, 'এটি আমাদের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করবে।' বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত লি চিমিং বলেন, 'এই সেপ্টেম্বর মাসে, চীন বাংলাদেশ থেকে ৯৮ শতাংশ করযোগ্য আইটেমকে শূন্য-শুল্ক দিয়েছে, যেন বাংলাদেশ চীনে তার রপ্তানি প্রসারিত করতে পারে।' লি চিমিং আরও বলেন, 'এখন চীনারা বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশের মতো সুস্বাদু খাবারের স্বাদ নিতে পারে।' মেলায় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতা প্রকল্পের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউননান প্রদেশের ১২টি মূল শিল্পের সঙ্গে জড়িত মোট ১৬৯টি চুক্তিবদ্ধ বিনিয়োগ প্রকল্পে স্বাক্ষর করা হয়েছে, যার সম্মিলিত মূল্য ৪০০ বিলিয়ন ইউয়ান (প্রায় ৫৫ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার) ছাড়িয়ে গেছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.