post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশকে ২ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশের জন্য ২৫ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। বর্তমানে প্রতি ডলার ১০২ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই ঋণের পরিমাণ ২ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।সংস্থাটি জানায়, এ অর্থায়ন বাংলাদেশকে পরিবেশ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের পরিবেশ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে এবং সবুজ বিনিয়োগে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে এই অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।‘বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’ প্রকল্পে এই ঋণ ব্যবহার করা হবে। দূষণ রোধে এবং পরিবেশগত মান উন্নত করতে পরিবেশগত বিধিবিধান এবং প্রয়োগের উন্নতিতেও প্রকল্পটি সহায়তা করবে। প্রকল্পের লক্ষ্যবস্তু সবুজ বিনিয়োগ উন্নীত করার জন্য নতুন অর্থায়নের পথ সৃষ্টি। এটি বায়ু দূষণ কমাতে সবুজ বিনিয়োগকে সমর্থন করার জন্য আর্থিক খাতকে উৎসাহিত করার জন্য একটি গ্রিন ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমও প্রতিষ্ঠা করবে। প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন দূষণ মোকাবিলায় সাহায্য করবে। বৃহত্তর ঢাকা এবং তার বাইরে বসবাসকারী ২১ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ উপকৃত হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।বাংলাদেশ ও ভুটানের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যান ড্যান চেন বলেন, বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে। পাশাপাশি নগরায়ণের ফলে দূষণের সৃষ্টি হচ্ছে। দূষণ শুধু যে আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে তা নয়, এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্ষমতাও নষ্ট করছে। পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদার। এই প্রকল্প দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশের পরিবেশ সংস্থাগুলিকে শক্তিশালী করবে।প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বার্ষিক প্রায় ৪৬ হাজার যানবাহন পরিদর্শনের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে চারটি যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তা করবে। বার্ষিক সাড়ে তিন মেট্রিক টন ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করার জন্য একটি ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটির লক্ষ্য এক মিলিয়ন টন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে সহায়তা করা।বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং টাস্ক টিমের নেতা জিয়াং রু বলেন, পত্র-পত্রিকায় আমরা নিয়মিত ঢাকার উচ্চ মাত্রার বায়ু দূষণের প্রতিবেদন দেখি। বিশ্বব্যাংকের অনুমান দেখায় যে, ২০১৯ সালে বায়ু দূষণ এবং সীসার এক্সপোজার বাংলাদেশে মৃত্যুর এক-পঞ্চমাংশেরও বেশির জন্য দায়ী, যা দেশের জিডিপির প্রায় ১২ শতাংশ ব্যয় করে। পরিবেশগত বিধিবিধান এবং কঠোর পরিবেশগত প্রয়োগ বেসরকারি খাতকে দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং সবুজ বাড়াতে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করবে প্রকল্পটি। দেশকে ২০৫০ সালের মধ্যে নেট-শূন্য নির্গমনের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।বাংলাদেশকে এই ঋণ বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে দেওয়া হবে। যা পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ড সহ ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। প্রচলিত ঋণের শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় ভূয়া ওয়ার্ক পারমিট বিক্রির অভিযোগে ৩ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি সহকর্মীদের কাছে জাল ওয়ার্ক পারমিট বিক্রির অভিযোগে স্বদেশি তিনজনকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জনা গেছে, অক্টোবর থেকে জাল ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু এবং বিক্রি করার সন্দেহে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।শাহ আলম প্রদেশের পুলিশ প্রধান ইকবাল ইব্রাহিম জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে শাহ আলমের ২৬ নম্বর সেকশনের কাম্পুং বারু হিকমে অভিযান চালিয়ে প্রথম দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়, যাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছর।তদন্তে জানা গেছে- এই দুজন, যারা গত তিন বছর ধরে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছিলেন এবং হিকম গ্লেনমারি শিল্প এলাকায় কাজ করছিলেন, তারা অক্টোবর থেকে জাল পারমিট তৈরি এবং বিক্রি করে আসছিলেন।মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বার্নামার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি নাগরিকদের কাছে বিক্রি করা জাল পারমিটগেলো সহজেই পাওয়া যায় অনেক সস্তা মূল্যে যার আনুমানিক মূল্য ২০০ রিঙ্গিত। তাদের গ্রাহকদের বেশিরভাগই বাংলাদেশি।ইকবাল বলেন, পুলিশ একটি ল্যাপটপ, একটি প্রিন্টিং মেশিন, তিনটি পাসপোর্ট, ১০টি অস্থায়ী চাকরির পাস এবং চারটি মোবাইল ফোনসহ বেশ কিছু জিনিস জব্দ করেছে।গ্রেফতারের পর ৩০ বছর বয়সী আরেক সন্দেহভাজন, একজন সহযোগী বৃহস্পতিবার রাতে শাহ আলম জেলা সদরে আত্মসমর্পণ করে। তবে অধিক তদন্তের স্বার্থে গ্রেফতারদের নাম প্রকাশ করেনি দেশটির আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

post
বাংলাদেশ

তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ২০২১ সালে বৈশ্বিক তৈরি পোশাক রপ্তানিতে আবারও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। ২০২০ সালে বাংলাদেশকে টপকে গিয়েছিল ভিয়েতনাম। বরাবরের মতো চীন সবার ওপরেই আছে।বুধবার (৩০ নভেম্বর) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) প্রকাশিত বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান পর্যালোচনা ২০২২-এ দেখা যায়, বিশ্বব্যাপী তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে ভিয়েতনামের অংশ ২০২০ সালের ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ৫ দশমিক ৮০ শতাংশে নেমে গেছে।বৈশ্বিক আরএমজি বাজারে বাংলাদেশের অংশ অবশ্য ২০২০ সালে ৬ দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে গত বছর ৬ দশমিক ৪০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই অনুপাত ২০১৯ সালে ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ছিল ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ।ডব্লিউটিওর পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, গত বছর বাংলাদেশ থেকে আরএমজি রপ্তানি দৃঢ়ভাবে বেড়েছে এবং বার্ষিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০ সালে এই রপ্তানি একটি বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছিল এবং ভিয়েতনামের আরএমজি রপ্তানির ৭ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে বাংলাদেশে ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বাজারে ২০১০ সালে বাংলাদেশের অংশ ছিল ৪ দশমিক ২০ শতাংশ, তখন ভিয়েতনামের অংশ ছিল ২ দশমিক ৯০ শতাংশ।চীন ২০২০ সালে বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বাজারে দেশটির অংশ ৩১ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে গত বছরে ৩২ দশমিক ৮০ শতাংশে উন্নীত করে প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে।ডব্লিউটিও-র প্রকাশনা অনুসারে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরএমজির দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ব রপ্তানিকারক। সুতরাং, প্রযুক্তিগতভাবে, বাংলাদেশ তৃতীয় বৃহত্তম বিশ্ব আরএমজি রপ্তানিকারক দেশ এবং ভিয়েতনাম চতুর্থ।ইইউ-এর সম্মিলিত রপ্তানি পরিসংখ্যান দেশভিত্তিক আলাদা করা হলে, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক হবে।তুরস্ক ও ভারত পঞ্চম এবং ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে রয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও পাকিস্তান।ডব্লিউটিও-র পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, শীর্ষ ১০ পোশাক রপ্তানিকারকের বার্ষিক মোট রপ্তানি মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৬০ বিলিয়ন ডলার। যা ২০২০ সালের ৩৭৮ বিলিয়ন থেকে একটি বড় উত্থান। এই মূল্য ২০১৯ সালে ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেকর্ড করা হয়েছিল।সূত্র: বাসস

post
বাংলাদেশ

'বিদেশফেরত কর্মীদের এইচআইভি পরীক্ষা করা হবে'

দেশে প্রবেশের সময় বিদেশফেরত কর্মীদের এইচআইভি পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমরা ঠিক করেছি, দেশ ত্যাগের আগে যেভাবে এইডস পরীক্ষা করে এইচআইভি নেগেটিভ হলে তারপর বিদেশে যেতে হয়, একইভাবে দেশে প্রবেশের সময়ও তাঁদেরকে পুনরায় পরীক্ষা করা হবে। এতে করে আক্রান্তদের সঠিক চিকিৎসা দেয়া যেমন সহজ হবে, অন্যদিকে, তাদের পরিবারের অন্যান্য নিরাপদ সদস্যরাও এই রোগের হাত থেকে রেহাই পাবেন।’দেশে এইডস রোগীদের চিকিৎসা দেয়া প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ‘বর্তমানে সরকার বিনামূল্যে এইডস রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছে। চিকিৎসা নিলে এইডস রোগীরা আরও বেশিদিন সুস্থ থাকতে পারে। তবে সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কথা ভেবে এইডস হলে তারা গোপন রাখে এবং সেকথা কাউকে প্রকাশ না করে অন্যদেরকেও আক্রান্ত করে ফেলে। এতে করে দেশে এইডস রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।’ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব (জনসংখ্যা, পরিবার কল্যাণ ও আইন অনুবিভাগ) ডা. আশরাফী আহমদ, এনডিসি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি রাজেন্দ্র পোখড়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর প্রমুখ। সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ মুজিবুল হক।

post
এনআরবি বিশ্ব

চলতি বছরে প্রবাসী আয় কমতে পারে ১ বিলিয়ন ডলার : বিশ্বব্যাংক

২০২১ সালে তুলনায় এ বছর প্রবাসী আয় ১ বিলিয়ন ডলার কমতে পারে বলে প্রাক্কলন করেছে বিশ্বব্যাংক।চলতি বছরে বাংলাদেশে প্রবাসী আয় ২১ বিলিয়ন ডলার আসতে পারে, যা গত বছর ছিল ২২ বিলিয়ন ডলার। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে এ তথ্য বলা হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, শীর্ষ ৮ প্রবাসী আয়ের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সপ্তমস্থানে থাকবে। গত বছরও বাংলাদেশ একই অবস্থানে ছিল। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, এ বছর প্রথম অবস্থানে থাকবে ভারত। দেশটিতে ১০০ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় আসবে। এরপরেই থাকবে মেক্সিকো (৬০ বিলিয়ন ডলার), চীন (৫১ ডলার), ফিলিপাইন (৩৮ বিলিয়ন ডলার) , মিশর (৩২ বিলিয়ন ডলার) ও পাকিস্তান (২৯ বিলিয়ন ডলার)।

post
এনআরবি সাফল্য

বাংলাদেশে ঘানার 'অনারারি কনসাল' নিযুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ ইব্রাহিম দাউদ

বাংলাদেশে ঘানার 'অনারারি কনসাল' হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ইব্রাহিম দাউদ মামুন (ইমরান)। সোমবার (২৮ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার প্রধান এম আমানুল হক বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাকে নিযুক্তির চূড়ান্ত পত্র প্রদান করেন। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ঘানার 'অনারারি কনসাল' নিযুক্ত হওয়ায় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।ইব্রাহিম দাউদ মামুন ঢাকার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি পেশায় একজন খ্যাতিমান ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি এবং তিনি বিলাল ট্রেডিং লিমিটেডের পরিচালক এবং একই সাথে কাই বাংলাদেশ এ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড, এ্যালটেক এ্যালুমিনিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, স্টীলটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, পেপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, গারদা শিল্ড সিকিউরিটি সার্ভিস, প্রিন্স ইলেক্ট্রিক্যাল, প্যারাগন এক্সপোর্ট লিমিটেড এবং কাইরোজ ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান। এছাড়াও তিনি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের সদস্য।  

post
এনআরবি বিশ্ব

কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলার দিনক্ষণ চূড়ান্ত

কলকাতায় ‘বাংলাদেশ বইমেলা’র দিনক্ষণ নিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণার মধ্য দিয়ে অবসান হলো বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকাশকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার। কলকাতার কোথায় মেলা হবে, তা নিয়ে যখন চরম অনিশ্চয়তা, ঠিক তখনই বইমেলার জন্য জায়গা নির্ধারণ করে ফেলেছেন আয়োজকরা। চলছে সেই মেলার প্রাঙ্গণনির্মাণে চূড়ান্ত প্রস্তুতি।সব ঠিকঠাক থাকলে কলকাতায় বাংলাদেশ বইমেলার উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় যাচ্ছেন একঝাঁক প্রকাশক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও তারকা। আগামী ২ ডিসেম্বর শুরু হয়ে এ মেলা চলবে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। দেখতে দেখতে কলকাতার ‘বাংলাদেশ বইমেলা’ ১০ বছরে পদার্পণ করতে চলেছে এবার। কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাস এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি যৌথভাবে এ মেলার আয়োজন করে আসছে।২০১১ সালে এ মেলা শুরু হয়েছিল গগনেন্দ্র সভাগৃহে। এরপর সেটি রবীন্দ্রসদন চত্বর ঘুরে গেল কয়েক বছর ধরে শহরের মোহরকুঞ্জে প্রায় পাকাপাকিভাবে জায়গা করে নিয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি মোহরকুঞ্জে বইমেলার আয়োজন নিয়ে শুরু হয় নানা জটিলতা। আর সে কারণে তারিখ ঘোষণা করার পরও নির্ধারিত সময় অর্থাৎ গেল সেপ্টেম্বরে শেষ মুহূর্তে এসে বাতিল করতে হয় মেলা। যদিও এখন সেই জটিলতা কেটে গেছে। বর্তমানে কলেজ স্ট্রিটের কলেজ স্কয়ারে চলছে মেলার অবকাঠামো তৈরির কাজ। ডিসেম্বরের ১ তারিখের মধ্যেই পুরো মেলা প্রাঙ্গণ প্রস্তুত হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে বই পাড়ায় এবার বাংলাদেশ বইমেলা হওয়ায় খুশি স্থানীয় প্রকাশক থেকে পাঠক সবাই। কলকাতার অভিযান প্রকাশনীর কর্ণধার মারুফ হোসেন সময় সংবাদকে বলেন, বইয়ের পাঠকদের জায়গা কলেজ স্ট্রিট। আর এখানে বইমেলা, সেটিও আবার বাংলাদেশি বইয়ের মেলা। এককথায় এটা দারুণ উদ্যোগ। আগের বছরের চেয়ে এবারের বইমেলা বেশি সফল হবে, এমনটাই আশা তার। মেলার অবকাঠামো তৈরির দায়িত্ব পাওয়া সংস্থার কর্ণধার কিশোলয় বিশ্বাস জানান, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবারও মেলার অবকাঠামো তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে। আগে শীতের সময়ও বৃষ্টি হতে দেখা গেছে। তাই এবার বৃষ্টি হলেও মেলার ছন্দপতন ঘটবে না। তিনি বলেন, ‘আমরা ১ ডিসেম্বর দুপুরের মধ্যেই মেলা প্রস্তুত করে দেব।’কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের প্রথম সচিব (প্রেস) রঞ্জন সেন বলেন, ‘এবারের মেলা নিয়ে আমরা অনেক বেশি আশাবাদী। আশা করছি, মেলা শতভাগ সফল হবে।’ মেলা নিয়ে আগামী ১ ডিসেম্বর উপদূতাবাস সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে বলেও জানান তিনি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী প্রকাশনী, সময় প্রকাশন, ভাষাচিত্র, বাতিঘর, অন্য-প্রকাশ, প্রথমা প্রকাশন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, পাঠক সমাবেশসহ দশম বাংলাদেশ বইমেলায় ৬৯টি বাংলাদেশি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিচ্ছে।

post
বাংলাদেশ

'যেকোন বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পায় বাংলাদেশ'

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য ভারতের একটি নীতি রয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। যেকোনও বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পায় বাংলাদেশ।বুধবার (৩০ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এ কথা বলেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম শাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।বাংলাদেশকে ভারতের ‘খুব ভালো বন্ধু’ উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, এই অঞ্চলে সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ ও ভারত একসঙ্গে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে তাকে বলেছেন, বাংলাদেশ কখনোই সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, সন্ত্রাসের কোনও ধর্ম ও সীমানা নেই। শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কখনও সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দেয় না এবং বাংলাদেশের মাটিকে কখনোই এই উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে দেয় না। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত আলোচনার মাধ্যমে তিস্তা নদীর পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত সব সমস্যার সমাধান করতে পারে। তিনি ভারতীয় ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশের ১শ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। প্রণয় ভার্মা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈঠকে শেখ হাসিনা এবং ভার্মা উভয়ই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সহজতর করার জন্য ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (সিইপিএ) নিয়েও আলোচনা করেন।প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারত বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা দেবে। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর সমগ্র জীবন দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর উৎসর্গ অনুসরণ করে তিনি নিজেও দেশের মানুষের জন্য তার জীবন উৎসর্গ করছেন। এ সময় অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় ‘ইন্ডাস্ট্রি অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

মালয়েশিয়ার মাহসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬১তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অন্যতম সেরা সম্মাননা ‘ইন্ডাস্ট্রি অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হাফেজ বশির ইবনে জাফর।শিক্ষাজীবনে ভালো ফলাফল, এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিসে ভালো পারফরমেন্স, ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সফল নেতৃত্বদান এবং আগামীর সম্ভাবনাময় তারুণ্য বিবেচনায় ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইনফরমেশান টেকনোলজি অনুষদের সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে তাকে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতি বছর তাদের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ফ্যাকাল্টি থেকে সেরা শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত করে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে থাকে। শনিবার (২৬ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বলরুম হলে আয়োজিত এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহসা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো চ্যান্সেলর এবং চেয়ারম্যান ইয়ং বারহরমাত সিনেটর প্রফেসর তানশ্রি ড. মুহাম্মদ হানিফা বিন আবদুল্লাহ। অন্যান্য অতিথির মধ্যে চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. দাতো ইসহাক বিন আবদুল রাজাক, ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. দাতো ইকরাম শাহ বিন ইসমাইল, প্রফেসর ড. দাতো শাহরিল বিন হানিফা, জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রদূত সুবার্তো যাকাতা, সিমেট্রি ইঞ্জিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি'র ডিরেক্টর মি. চংসহ সকল ফ্যাকাল্টির ডিন ও অধ্যাপকরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে মাসা ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ কাউন্সিল নির্বাচনে ২০২০ ও ২০২১ সালে পরপর দুইবার ভিপি নির্বাচিত হয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেন বাংলাদেশি এই শিক্ষার্থী। বশির ইবনে জাফর বলেন, ‘আজ আমি উৎফুল্ল। মালয়েশিয়ায় এসেই আমি সংকল্প করেছি আমাকে একজন শিক্ষার্থী হিসেবে সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছতে হবে। বিশেষ করে গ্র্যাজুয়েশন শেষে আমি যেন এই অ্যাওয়ার্ডটি লাভ করতে পারি সেই চিন্তা ছিল এবং আলহামদুলিল্লাহ্‌ আজ আমি সফল।’ ২০১৮ সালে রাজধানীর দনিয়া কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে স্কলারশিপে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান এই শিক্ষার্থী। মালয়েশিয়া যাওয়ার এক বছরের মধ্যেই তিনি তার মেধার সাক্ষর রাখতে শুরু করেন।বিশ্বের ৫১টি দেশের শিক্ষার্থীদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো ২০২০ সালে সেখানকার ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। আমন্ত্রণ পান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মদের একটি লিডারশিপ কনফারেন্সে। পরবর্তী বছর আবারও ভিপি নির্বাচিত হয়ে রেকর্ড গড়েন এই শিক্ষার্থী। একাডেমিক জীবনে বশির বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এক বছর। মাহসা ইসলামিক ক্লাবের যাকাওয়া ব্যুরো প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন এক সেশনে। ২০২২ সালে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন বিএসওএম’র সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়ে প্রবাসী শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণেও কাজ করছেন বশির ইবনে জাফর।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশ ও গ্রিসের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে বর্ণাঢ্য আয়োজন

বাংলাদেশ ও ইউরোপের দেশ গ্রিসের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তির সমাপ্তি স্মরণ করতে আগামী ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও গ্রিসের জাতীয় পতাকার রঙে এথেন্সের ঐতিহাসিক ওমোনিয়া স্কোয়ারকে আলোকসজ্জা করা হবে। এ নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে এখনো আলোচনা চলছে। সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গ্রিসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ। রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ জানান, প্রাচীণ সভ্যতার দেশ গ্রিসে বসবাস করেন প্রায় ৩০ হাজার বাংলাদেশি। গ্রিসের ওমোনিয়া শহরে বসবাস করেন সিংগভাগ বাংলাদেশি। ২০২২ সালে বাংলাদেশ ও গ্রিসের কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তীর বছরব্যাপী উদযাপন সমাপ্তি স্মরণ করতে সম্প্রতি এথেন্সের টাউন হলে সেখানের মেয়রের কূটনৈতিক উপদেষ্টা তাসোস ক্রিকোকিসের সঙ্গে আলোচনা করেন। এসময় আগামী ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবসে বাংলাদেশ ও গ্রিসের জাতীয় পতাকার রঙে ঐতিহাসিক ওমোনিয়া স্কোয়ারকে আলোকসজ্জা করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেখানে বসেই আগামী ১৬ই ডিসেম্বর নিজের দেশের বিজয় দিবস অনূভব করতে ও দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে সবার মধ্যে তুলে ধরতে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আসুদ আহমেদ আরো বলেন, এটি সত্যিই অত্যন্ত তৃপ্তির বিষয় যে গ্রিসে থাকা আমাদের ৩০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি এখানে থেকেই নিজের দেশের বিজয় দিবস অনূভব করার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া দু‘দেশের সম্পর্ককে এ দেশের মানুষের মাঝে তুলে ধরতে এই আলোকসজ্জা ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের ১১ মার্চ বাংলাদেশকে স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেয় ইউরোপের দেশ গ্রিস। চলতি বছরের মার্চ মাসে বাংলাদেশ-গ্রিস কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে টেলিফোনে শুভেছা বিনিময় করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস। তারা এসময়ে বাংলাদেশ-গ্রিসের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে পরস্পরকে অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো মজবুত করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। 

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.