post
এনআরবি বিশ্ব

মিশর ভ্রমণে ভিসা জটিলতা কাটলো বাংলাদেশিদের

মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশিদের ভিসা পেতে দেরি হওয়ায় অভিযোগ করছিল অনেকেই। বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম ভিসা জটিলতা দূর করার জন্য মিশরের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসমাইল খায়রাতের সঙ্গে দেখা করেন। প্রথমেই রাষ্ট্রদূত মনিরুল ইসলাম সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ শর্তে অন অ্যারাইভাল ভিসার সুবিধা মঞ্জুর করার জন্য ধন্যবাদ জানান। বৈঠকে তারা উভয়ে একমত হন, এই ব্যবস্থার কারণে উভয় দেশের মধ্যে পর্যটন ও বাণিজ্যিক ভ্রমণ বৃদ্ধি পাবে। এভাবে উভয় দেশের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নত হবে। অন্যান্য সাধারণ বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য রাষ্ট্রদূত ভিসা সহজীকরণের জন্য অনুরোধ করলে সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই ভিসা সাধারণত দুই সপ্তাহের বেশি লাগার কথা নয়। তিনি বিষয়টি নিয়ে অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানান। রাষ্ট্রদূত সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে অবহিত করেন, প্রচুর বাংলাদেশি ছাত্র বর্তমানে মিশরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করতে আগ্রহী। বিশেষ করে তাদের জন্য বিশ্ববিখ্যাত আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা একটি স্বপ্নের বিষয়। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য অনেক বাংলাদেশি ছাত্র মিশরে আসতে আগ্রহী। সম্প্রতি বাংলাদেশি ছাত্রদের মিশরীয় ভিসা প্রাপ্তির ব্যাপারে বিলম্বজনিত জটিলতা ও সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার বিষয়টা বিশেষ করে শিক্ষা বৃত্তি পাওয়ার পরও ভিসা বিলম্ব হওয়ার বিষয়টি সহকারী মন্ত্রীকে অবহিত করার পর তিনি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় ও স্ট্যাট সিকিউরিটির সঙ্গে যোগাযোগ করার নির্দেশ দেন। ছাত্রদের ভিসার বিষয়ে সহকারী মন্ত্রী জানান, নিরাপত্তা ছাড়পত্র প্রাপ্তির জন্য কিছু সময় লাগে বিধায় এই ভিসা প্রাপ্তিতে অন্তত দুই মাস সময় লাগে। রাষ্ট্রদূত মনিরুল ইসলাম সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। তারা উভয়ে একমত হন, ভিসা সহজীকরণ এবং কায়রো-ঢাকা সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ার মাধ্যমে দুই দেশের সুসম্পর্কের নতুন গতি পাবে। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর (শ্রম) মুহাম্মদ ইসমাইল হোসাইন।

post
এনআরবি সাফল্য

কানাডায় বাংলাদেশি হাওয়াই গিটারবাদক এনামুলকে সম্মাননা

বাংলাদেশের খ্যাতিমান হাওয়াই গিটারবাদক ও শিল্পী এনামুল কবিরকে অন্টারিওর প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্টে বিশেষ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। অধিবেশন চলাকালে একজন ভিন্নধারার খ্যাতিমান এবং বাংলাদেশের শীর্ষ গিটার শিল্পী হিসেবে তাকে অধিবেশনে উপস্থাপন করা হয়। এই সময় প্রাদেশিক সংসদের সদস্যরা বাংলাদেশি এই শিল্পীকে সম্মান জানান। প্রসঙ্গত, শিল্পী এনামুল কবির ব্যক্তিগত সফরে বর্তমানে টরন্টোয় রয়েছেন। তার মেয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী নাহিদ কবীর কাকলী টরন্টোয় বসবাস করেন। অন্টারিওর প্রাদেশিক সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ডলি বেগম তাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে কুইন্সপার্কে সংসদ অধিবেশনে নিয়ে যান। তিনি প্রাদেশিক সংসদের সদস্যদের সামনে শিল্পী এনামুল কবিরকে উপস্থাপন করেন। এ সময় তিনি শিল্পী এনামুল কবিরকে বাংলাদেশের সেরা হাওয়াই গিটারশিল্পী হিসেবে উল্লেখ করেন। এই সময় শিল্পীর সঙ্গে তার কন্যা রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী নাহিদ কবির কাকলী এবং দৌহিত্র অংকিতা উপস্থিত ছিলেন। এক প্রতিক্রিয়ায় শিল্পী এনামুল কবির বলেন, বিদেশের মাটিতে আমি যে সম্মান পেলাম তাতে আমি অভিভূত এবং আবেগ আপ্লুত। গিটার বাদক এনামুল কবির বাংলাদেশের একজন নিবেদিতপ্রাণ সঙ্গীতশিল্পী। তার হাত ধরে দেশে হাজার হাজার গিটার শিল্পি তৈরী হয়েছে। গত পাঁচ দশক ধরে তিনি দেশের সেরা হাওয়াইয়ান গিটারিস্ট হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। সঙ্গীতের বিভিন্ন ঘরানার উপর তার ৪০টির বেশী গিটার অ্যালবাম রয়েছে। এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ১৭টি গান রয়েছে। যার একটি 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেরা ১১০ ভাষন' অ্যালবামে আবহ সঙ্গীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তাছাড়া বর্তমানে সংসদ টিভিতে প্রতিদিন তার সঙ্গীত ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

চীন-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে বাংলাদেশের অংশগ্রহন

ষষ্ঠ চীন-সাউথ এশিয়া এক্সপো এবং ২৬তম চীন-কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্যান্য আরও অনেক দেশের সাথে বাংলাদেশও এতে অংশ নেয়। ১৯ থেকে ২২ নভেম্বর চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক্সপোতে বাংলাদেশের একটি প্যাভিলিয়ন ছিল; সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য, ইতিহাস ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশসহ ৮০টিরও বেশি দেশ, অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা অনলাইন এবং অফলাইনে এক্সপোতে অংশ নেয়।এক্সপোতে চীন-দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি চিমিং বক্তৃতা দিয়েছেন। ‘নতুন উন্নয়নের জন্য নতুন সুযোগ’ প্রতিপাদ্যে চার দিনের এই মেগা ইভেন্টটির আয়োজন করে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ইউনান প্রাদেশিক সরকার।

post
বাংলাদেশ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে সাক্ষাৎ হয়। প্রতিমন্ত্রী-হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক টুইট বার্তায় জানায়, প্রতিমন্ত্রী হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ভিসা দেওয়ার সংখ্যা বাড়ানো, বিশেষ করে মেডিকেল ভিসা দেওয়ার ওপর জোর দেন। জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার ভিসা সেবা দ্রুত দেওয়ার বিষয়ে আশ্বাস দেন।এর আগে সোমবার (২১ নভেম্বর) পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে তার দপ্তরে সাক্ষাৎ করেন প্রণয় ভার্মা। তাদের সাক্ষাৎ নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক টুইট বার্তায় জানানো হয়, পররাষ্ট্রসচিব ভারতীয় নতুন হাইকমিশনারকে বাংলাদেশে স্বাগত জানান। তারা পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। পররাষ্ট্রসচিব ভারতীয় হাইকমিশনারকে তার মেয়াদে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। গত ২১ সেপ্টেম্বর দা‌য়িত্ব পালন কর‌তে ঢাকায় আসেন প্রণয় ভার্মা। বিদায়ী হাইক‌মিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর স্থলাভিষিক্ত হন তি‌নি। গত ২৭ অক্টোবর তিনি রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেন।

post
শিক্ষা

ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজির সাথে আইসিটি বিভাগের সমঝোতা স্মারক সই

ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজির সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার ২১ নভেম্বর রাজধানীর আগারগাঁও আইসিটি টাওয়ারে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা স্মারক চুক্তি অনুযায়ী এখন থেকে দুই প্রতিষ্ঠান একে অপরের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। বক্তারা বলেন, বর্তমানে, আইসিটি বিভাগ বিভাগীয় পর্যায়ে বিশেষ করে মহিলা এবং সুবিধাবঞ্চিত লোকদের জন্য আইসিটি প্রশিক্ষণ প্রদানের বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি আইসিটি এবং ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি করবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিফ আইসিটি অধিদপ্তরের সিনিয়র সচিব জিয়াউল আলম, আইসিটি বিভাগের ডিজি মোস্তফা কামাল, প্রোগামার হারুন উর রশিদ, ইঞ্জি. এ এস এম হোসনে মোবারক, পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অব আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসেন খান লিওন, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির বাংলাদেশ প্রতিনিধি মাসুমা ভুইয়া ফারহা, প্রীতি সরকার ও আইসিটি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ৩০ জনেরও বেশি প্রোগ্রামার উপস্থিত ছিলেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে চীনে আন্তর্জাতিক মিডিয়া ট্যুর

‘নতুন যুগে দুর্দান্ত গুয়াংশি বিনির্মাণে নতুন যাত্রায়, নতুন পরিস্থিতি এগিয়ে যান’ থিম নিয়ে আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে চীনে সাত দিনব্যাপী ‘আন্তর্জাতিক মিডিয়ার চোখে গুয়াংশি - ২০২২’ ট্যুর সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৫ থেকে ২১ নভেম্বরের ট্যুরটি চীনের গুয়াংশি ঝুয়াং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের পাইস এবং ছিংঝো শহরে অনুষ্ঠিত হয়। শহর দুটি সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের জন্য সুপরিচিত।এই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ হলো সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের জন্য চীনের গুয়াংশির স্বায়ত্তশাসিত এলাকার অর্জন ও উন্নয়নের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানানো। বন্ধুত্বের সেতু এবং সাংস্কৃতিক বার্তাবাহক হয়ে গুয়াংশি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আদান-প্রদান করা, মানুষের সঙ্গে মানুষের বন্ধন এবং সহযোগিতা বাড়ানো। এই ট্যুরটি গুয়াংশি ঝুয়াং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের পার্টি কমিটির প্রচার বিভাগ এবং চীনের মর্যাদাপূর্ণ সংবাদ মাধ্যম চায়না নিউজ এজেন্সির যৌথ স্পন্সরে সম্পন্ন হয়। গুয়াংশি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের পার্টি কমিটির প্রচার বিভাগের সহকারী পরিচালক সুই জুওজুন, চীন সংবাদ সংস্থার প্রধান সম্পাদক ঝাং মিংশিন, কম্বোডিয়া-চীন সাংবাদিক সমিতির চেয়ারম্যান এবং আশিয়ান নিউজ এজেন্সির সভাপতি লিও শিয়াওগুয়াং ‘আন্তর্জাতিক মিডিয়ার চোখে গুয়াংশি’ ইভেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করেন এবং বক্তৃতা দেন।সাত দিনের সফরে পরিদর্শনকারী দলের সদস্যরা উচ্চ মানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন, শিল্প এবং অবকাঠামো উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং পরিবেশগত সুরক্ষায় গুয়াংশির অর্জন সম্পর্কে জানতে পারেন। বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, ইতালি, কানাডা, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, জাপান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান এবং মায়ানমারসহ ১৭টি দেশ ও অঞ্চলের বিদেশি মূলধারার সাংবাদিক, বিশেষজ্ঞ ও পণ্ডিত ব্যক্তি এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের একটি দল এই সফরে যোগ দেয়।

post
এনআরবি সাফল্য

প্রভাবশালী বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশি গবেষক ড. এম এ হান্নান

বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশি অধ্যাপক ড. এম এ হান্নান। নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে উল্লেখযোগ্য গবেষণার ওপর ভিত্তি করে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয় তাকে। ৬৯টি দেশের গবেষকদের এমন স্বীকৃতি দেয় যুক্তরাজ্যভিত্তির অ্যানালিটিক্স কোম্পানি ‘ক্লারিভেট’। ড. এম এ হান্নান ইউনিভার্সিটি তেনাগা মালয়েশিয়ার (ইউনিটেন) অধ্যাপক। তার এই অর্জনে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা গর্বিত। এক বিবৃতিতে ইউনিটেন জানায়, ৬৯টি দেশের গবেষকরা এই স্বীকৃতি পান। তাদের মধ্যে একজন এম এ হান্নান। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ২০১১ সাল থেকে ২০২১ পর্যন্ত এই ১১ বছরে এম এ হান্নানের গবেষণার ওপর ভিত্তি করে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এম এ হান্নান ধারাবাহিকভাবে ওয়েব অব সায়েন্স ইনডেক্সে সাত হাজার ৯১১টি উদ্ধৃতিসহ ২৫৫টি নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন। ইউনিটেনের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নূর আজুয়ান আবু ওসমান বলেন, এই সাফল্য ইউনিটেনকে বৈজ্ঞানিক গবেষণার উৎকর্ষতায় বৈশ্বিক মঞ্চে এনেছে। ১৯৯০ সালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক প্রকৌশলে পড়াশোনা করেন এম এ হান্নান। একই সঙ্গে এমএসসি করেন। পিএইচডি করেন ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া (ইউকেএম) থেকে। তার ২৮ বছরেরও বেশি শিল্প ও একাডেমিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক জার্নাল এবং সম্মেলনের কার্যক্রমে প্রকাশিত ৩০০টিরও বেশি নিবন্ধের লেখক বা সহ-লেখক তিনি। এম এ হান্নানের গবেষণার আগ্রহের মধ্যে রয়েছে- ইনটেলিজেন্ট কন্ট্রোলার, পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স, হাইব্রিড যানবাহন, এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম, ইমেজ এবং সিগন্যাল প্রসেসিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

post
এনআরবি বিশ্ব

কুয়েতে হুন্ডি ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রাষ্ট্রদূত

বিদেশ থেকে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানোয় বড় অঙ্কের রেমিট্যান্স থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। সে কারণে হুন্ডি ব্যবসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) কুয়েতে বাংলাদেশি সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে রাষ্ট্রদূত এ হুঁশিয়ারি দেন।তিনি বলেন, হুন্ডি প্রতিরোধে আমাদের অবস্থান কঠোর। এ ব্যবসায় জড়িতদের অনেকের তথ্য আমাদের কাছে আছে। হুন্ডি ব্যবসায় জড়িতদের তথ্য সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাষ্ট্রদূত বলেন, ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠালে দেশ ও প্রবাসীদের কারোরই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। করোনা মহামারি পরবর্তীতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে পুরো বিশ্বে। দেশের ব্যাংকগুলোর অবস্থা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো গুজবে প্রভাবিত না হতে অনুরোধ জানান তিনি। সেইসঙ্গে দেশের উন্নয়নে ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ সময় কুয়েতে থাকা আড়াই লাখ প্রবাসী বাংলাদেশির বিভিন্ন সমস্যা ও সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসী মাহবুব দেশে ফিরেছেন

অবশেষে দেশে ফিরছেন মালয়েশিয়ায় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত প্রবাসী মাহবুব আলম (৪৮)। পাঁচমাস ধরে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা মাহবুব সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন। তার সঙ্গে রয়েছেন মালয়েশিয়ার চিকিৎসক ও নার্স।গত ২২ জুন মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের শাহ আলম শহরের পানির পাইপ ঠিক করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন প্রবাসী মাহবুব। সেই থেকে স্থানীয় শাহ আলম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দুর্ঘটনায় প্রচণ্ড আঘাতে তার মুখের হাড় ভেঙে গেছে, ডান চোখ নষ্ট হয়ে গেছে ও শিরা ছিঁড়ে মাথার ব্রেইনের গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।চিকিৎসকদের মতে— মাহবুবের সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু, বিদেশে ব্যয়বহুল চিকিৎসা এগিয়ে নেওয়া তার পরিবারের সাধ্যের বাইরে। তাই সব মিলিয়ে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই ছিল বেশি প্রয়োজন।শুরুতেই ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) রাখা হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রাখা হয়। চিকিৎসা অব্যাহত না রাখলে তাকে বাঁচানো সম্ভব নাও হতে পারে বলেও জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু, মালয়েশিয়ার হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার সামর্থ্য তার পরিবারের ছিল না।১৮ নভেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে মাহবুবের বিল হয়েছে ৭৭ হাজার রিঙ্গিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ ৯ হাজার ৫০০ টাকা। এ টাকা পরিশোধ করতে পরিবারের পক্ষে মুশকিল হয়ে পড়েছিল। একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটিকে বাঁচাতে, দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার-বিত্তবানদের কাছে আকুতি জানান মাহবুবের পরিবার।মাহবুবের স্ত্রী সিমা আক্তারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ৯ হাজার রিঙ্গিত (বাংলাদেশি ২ লাখ টাকা) সহায়তা করেন, যা প্রয়োজনের তুলনায় ছিল খুবই অপ্রতুল।অন্যদিকে, মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে প্রয়োজনীয় সবধরনের সহায়তা দিলেও হাসপাতালের বিপুল পরিমাণ বিল মেটাতে এগিয়ে আসেন মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশন, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন মালয়েশিয়া, প্রবাসী ব্যবসায়ী মোস্তাফা হুসেইনসহ অনেকে। হাসপাতালের ৭৭ হাজার রিঙ্গিতের মধ্যে সবার সহযোগিতায় ৪৭ হাজার রিঙ্গিত বিল পরিশোধ করা হয়।এ ছাড়া আহত মাহবুবকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিমান ভাড়া চিকিৎসক ও নার্সসহ আরও ২৭ হাজার রিঙ্গিত খরচ হয়েছে। যা হাইকমিশন ও প্রবাসীদের সহযোগিতায় সম্ভব হয়েছে।ভাগ্য পরিবর্তনের আশায়— ২০১৬ সালে ওয়ার্ক পারমিটে পাম অয়েল বাগানে কাজ নিয়ে মালয়েশিয়ায় আসেন মাহবুব। পাম অয়েল বাগানের ভিসা শেষ হলে অবৈধ হন তিনি। তবে সরকারের রিক্যালিব্রেশন প্রক্রিয়ায় বৈধ হয়েছেন। মাহবুবের তিন মেয়ে ও স্ত্রী থাকেন গাজীপুর বোর্ডবাজারে একটি ভাড়া বাসায়। পুরো সংসার নির্ভরশীল মাহবুবের ওপর।অসহায় এ রেমিট্যান্সযোদ্ধার স্বপ্ন ছিল ভালো কিছু করবেন। তিন মেয়েকে ভালো কলেজে পড়ালেখা করাবেন। কিন্তু তার সব স্বপ্ন নিমিষেই উবে গেলো। অবশেষে স্ট্রেচারে করে দেশে ফিরছেন মাহবুব।মালয়েশিয়ায় থাকা মাহবুবের ভাতিজা আনোয়ার বলেন, মাহবুব সাব এজেন্ট নেওয়া এক ইন্দোনেশিয়ানের অধীনে কাজ করতেন।রাওয়াংয়ে থাকা ভাতিজা আনোয়ার নিজেও একজন শ্রমিক। কাজের ফাঁকে চাচাকে দেখতে যান। নিজের সামান্য আয় থেকে এরই মধ্যে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন

post
বাংলাদেশ

পতাকা বৈঠক শেষে বাংলাদেশির মরদেহ নিয়ে গেছে বিএসএফ

ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় পতাকা বৈঠক শেষে বাংলাদেশি কৃষক মোহাম্মদ মেজবাহারের (৪৭) মরদেহ নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ফেনীর ৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এ কে এম আরিফুল এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ওই দেশের আইনি প্রক্রিয়া শেষে তারা মরদেহ আমাদের কাছে হস্তান্তর করবে।ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় উত্তর বাঁশপদুয়া গ্রামের সীমান্ত এলাকায় ১৬ ঘণ্টা পড়েছিল মেজবাহারের মরদেহ। তিনি পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর গুথুমা গ্রামের মৃত মফিজুর রহমানের ছেলে। কৃষি কাজের পাশাপাশি তিনি গরুর ব্যবসা করতেন। গতকাল সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্তের শূন্যরেখার ভারতীয় অংশে মেজবাহারের মরদেহ দেখতে পায়। গুথুমা সীমান্ত ফাঁড়ি সূত্র জানায়, আজ ভোররাত ৩টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে গুথুমা সীমান্ত ফাঁড়ির কমান্ডার সুবেদার ওমর ফারুক ও ভারতের পক্ষে ত্রিপুরার শাড়াসিয়া সীমান্ত ফাঁড়ির কমান্ডার সত্য পাল উপস্থিত ছিলেন। মেজবাহারের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বলেন, গত রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মেজবাহার ধান কাটতে উত্তর বাঁশপদুয়া গ্রামে গিয়েছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, ধান কাটার সময় বিএসএফ সদস্যরা তাকে ডাকতে থাকে। এতে ভয় পেয়ে মেজবাহার দ্রুত নিজের এলাকার দিকে চলে আসার চেষ্টা করেন। বিএসএফ সদস্যরা তাকে জোর করে ধরে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। বিষয়টি সীমান্ত ফাঁড়ি ও পরশুরাম থানা পুলিশকে মৌখিকভাবে অবহিত করা হলেও কোনো কাজ হয়নি। জানতে চাইলে পরশুরাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) পার্থ প্রতীম দেব জানান, মৌখিকভাবে জানানো হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে বিজিবি বা থানায় লিখিতভাবে অবহিত করা হয়নি।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.