post
খেলা

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন তামিম ইকবাল

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তামিম ইকবাল। আজ (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রামের হোটেল টাওয়ার ইনে সংবাদ সম্মেলন ডেকে অবসরের ঘোষণা দেন টাইগার ওয়ানডে এই অধিনায়ক।গতকাল বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে আফগানদের কাছে প্রথম ওয়ানডেতে হারের পর সিরিজ কাভার করতে চট্টগ্রামে যাওয়া সাংবাদিকদের কাছে মধ্যরাতে একটি ক্ষুদে বার্তা পাঠান তামিম। যেখানে জানান, আজ দুপুর ১২টায় সংবাদ সম্মেলন করে কিছু বিষয়ে জানাবেন তিনি। পরে সময় পরিবর্তন করে দেড়টায় কথা জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনের ভেন্যু চট্টগ্রামের হোটেল টাওয়ার ইনের বাইরে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জটলা বাড়ছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের। নির্ধারিত সময়েই হাজির হন তামিম। তবে বিমর্ষ অবস্থায় থাকা তামিমের মুখ দিয়ে যেন কথা বেরোচ্ছিল না। কান্নার জন্য ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলেন না। এর মধ্যেই জড়ানো গলায় জানালেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।তামিম বলেন, ‘আফগানিস্তানের বিপক্ষে গতকালের ম্যাচটিই আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। এই মুহূর্ত থেকে আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছি। সিদ্ধান্তটি হুট করে নেওয়া নয়। অনেকদিন ধরেই আমি এটা নিয়ে ভাবছি। পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেছি এটা নিয়ে।’আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ১৬ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের জন্য তামিম ধন্যবাদ দিয়েছেন সতীর্থ, কোচ, বিসিবি, পরিবার ও সমর্থকদের, ‘ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ পথচলায় আমার সব সতীর্থ, সব কোচ, বিসিবির কর্মকর্তাগণ, আমার পরিবার ও যারা আমার পাশে ছিলেন, নানাভাবে সহায়তা করেছেন, ভরসা রেখেছেন এবং আমার ভক্ত-সমর্থক, বাংলাদেশ ক্রিকেটের অনুসারী, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনাদের সবার অবদান ও ভালোবাসায় আমি চেষ্টা করেছি সব সময় দেশের জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দিতে।’আফগানিস্তানের বিপক্ষে গতকালের ম্যাচটিই আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। এই মুহূর্ত থেকে আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছি। সিদ্ধান্তটি হুট করে নেওয়া নয়। অনেকদিন ধরেই আমি এটা নিয়ে ভাবছি। পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেছি এটা নিয়ে।তামিম ইকবালমাসখানেক ধরেই কোমরের চোটে ভুগছিলেন ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। যে কারণে সর্বশেষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচটিও খেলতে পারেননি টাইগার এই ওপেনার। এরপর শঙ্কা জেগেছিল ওয়ানডে সিরিজে খেলা নিয়েও। নিয়মিত অনুশীলন চালিয়েও শতভাগ ফিট হয়ে উঠতে পারেননি তামিম। তবে আফগানদের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের আগে সংবাদ সম্মেলনে তামিম জানিয়ে দেন শতভাগ ফিট না হলেও প্রথম ওয়ানডে খেলবেন তিনি। শেষমেশ খেলেছেনও।তামিমের এমন সিদ্ধান্তে কিছুটা রাগান্বিত হন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। দেশের একটি দৈনিককে তিনি বলছিলেন, 'এটি তো আর পাড়া-মহল্লার কোনো ম্যাচ নয়, আন্তর্জাতিক একটা ম্যাচ। এমন সিরিজের আগের দিন অধিনায়ক বলছে সে ফিট না। কিন্তু খেলবে। খেলে নিজের ফিটনেস বোঝার চেষ্টা করবে। এটা তো পেশাদার কোনো আচরণ হতে পারে না। বিসিবি সভাপতির এমন মন্তব্যের পরপরই মূলত অবসরের ঘোষণাটা দিলেন তামিম। এর আগে ২০২২ সালের ১৬ জুলাই হঠাৎই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা দিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তামিম। এবারো অনেকটা হুট করেই বিদায়ের কথা জানালেন।একনজরে তামিমের ক্যারিয়ার#২৪১ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৩৬.৬২ গড়ে ৮৩১৩ রান করেছেন তামিম। সেঞ্চুরি ১৪টি ও ফিফটি ৫৬টি।# টেস্টে ৭০ ম্যাচে ৩৮.৮৯ গড়ে ৫১৩৪ রান করেছেন তামিম। সেঞ্চুরি ১০টি ও ফিফটি ৩১টি। এই সংস্করণে বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরি করেছেন তামিম।# টি–টোয়েন্টিতে ৭৪ ম্যাচে ১৭০১ রান করেছেন তামিম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৫ সেঞ্চুরি করা তামিম তিন সংস্করণ মিলিয়ে ১৫ হাজারের বেশি রান করেছেন। দেশের আর কোনো ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এত রান করতে পারেননি।

post
বাংলাদেশ

জিআই পণ্যের মর্যাদা পেল বগুড়ার দই

শতকের সত্তরের দশকে জিনিসপত্রের দাম যখন চড়চড় করে বাড়ছিল, সেই সময় বগুড়ার শেরপুরের বিখ্যাত দইয়ের দাম ১ টাকা ২৫ পয়সা থেকে একলাফে ৫ টাকায় ওঠে। দইয়ের স্বাদ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায়। তখন এ নিয়ে গান বেঁধেছিলেন বগুড়ার বিখ্যাত গানের দল বগুড়া ইয়ুথ কয়্যারের শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার তৌফিকুল আলম টিপু। গানের কথা—‘গোবরা তুই খ্যায়া যা শেরপুরের দই, পাঁচ শিকা আছলো এখন পাঁচ টেকায় লই।’বগুড়ার বিখ্যাত সেই সরার দই এবার পেল ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হিসেবে স্বীকৃতি। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের (ডিপিডিটি) ২৬ জুনের সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই দিন বগুড়ার দই ছাড়া জিআই স্বীকৃতি পাওয়া অন্য পণ্যগুলো হলো শেরপুর জেলার তুলসীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আম। এ নিয়ে দেশের ১৫টি পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেল।কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি। এরপর একে একে স্বীকৃতি পায় ইলিশ, ক্ষীরশাপাতি আম, মসলিন, বাগদা চিংড়ি, কালিজিরা চাল, বিজয়পুরের সাদা মাটি, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম। নতুন করে এ তালিকায় যুক্ত হলো বগুড়ার দইসহ চার পণ্য। এখন থেকে এসব পণ্য বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পাবে।ডিপিডিটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জিল্লুর রহমান আজ বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, বগুড়া রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৬ জুন দই ছাড়াও তিনটিকে জিআই পণ্য হিসেবে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।জিল্লুর রহমান বলেন, কোনো পণ্যের জিআই স্বীকৃতির আবেদন এলে তা যাচাই-বাছাই করে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। এরপর দুই মাস সময় দেওয়া, এ নিয়ে কারও কোনো আপত্তি আছে কি না। আপত্তি না থাকলে ওই পণ্যের স্বীকৃতি দিয়ে দেওয়া হয়। বগুড়ার দইয়ের ক্ষেত্রেও কেউ কোনো আপত্তি তোলেনি। তাই এর স্বীকৃতি মিলেছে।বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে দই। ছবিটি আজ বুধবার বগুড়ার শেরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি দোকান থেকে তোলা।বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে দই। ছবিটি আজ বুধবার বগুড়ার শেরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি দোকান থেকে তোলা।ছবি: প্রথম আলোবগুড়ার দইয়ের ইতিহাস শুরু শেরপুরেবগুড়ার দইয়ের জিআই পণ্যের স্বীকৃতির জন্য বগুড়া রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি তাদের আবেদনে এর ইতিহাস তুলে ধরে। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের অন্যান্য জেলা কিংবা অঞ্চলে দই উৎপাদিত হলেও কিছু বিশেষত্বের কারণে ‘বগুড়ার দই’-এর খ্যাতি দেশজুড়ে।উৎপাদনব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে কারিগরদের (উৎপাদক) বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণের পাশাপাশি মান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তারা যত্নবান হওয়ায় বগুড়ার দই স্বাদে-গুণে তুলনাহীন। প্রায় ১৫০ বছর আগে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ঘোষ পরিবারের হাত ধরে বগুড়ার দইয়ের উৎপাদন শুরু হয়। শেরপুরে দই তৈরির প্রবর্তক ঘোষপাড়ার নীলকণ্ঠ ঘোষ।পরবর্তী সময়ে বগুড়ার নওয়াব আলতাফ আলী চৌধুরীর (পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলীর বাবা) পৃষ্ঠপোষকতায় শেরপুরের ঘোষপাড়ার অন্যতম বাসিন্দা শ্রী গৌর গোপাল পাল বগুড়া শহরে দই উৎপাদন শুরু করেন। বর্তমানে নওয়াববাড়ি রোডে তাঁর উত্তরসূরি দুই সন্তান শ্রী বিমল চন্দ্র পাল ও শ্রী স্বপন চন্দ্র পাল ‘শ্রী গৌর গোপাল দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডার’ নামে সেই প্রাচীন দোকানটি চালু রেখেছেন।পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী তৎকালীন পার্লামেন্ট সদস্যদের দই খাইয়ে বাহবা পেয়েছিলেন বলে শ্রী স্বপন চন্দ্র পাল তাঁর দাদুর মুখে শুনেছেন।বিদেশে বগুড়ার দইয়ের খ্যাতি প্রথম ১৯৩৮ সালে ইংল্যান্ডে ছড়িয়ে পড়ে। ওই বছরের গোড়ার দিকে তৎকালীন বাংলার ব্রিটিশ গভর্নর স্যার জন এন্ডারসন বগুড়া নওয়াববাড়িতে বেড়াতে এসে প্রথম দইয়ের স্বাদ গ্রহণ করেন।তাঁকে কাচের পাত্রে তৈরি করা বিশেষ ধরনের দই খেতে দেওয়া হয়। লোভনীয় স্বাদের কারণে গভর্নর এন্ডারসন বগুড়ার দই ইংল্যান্ডে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন।পণ্যের জিআই স্বীকৃতির গুরুত্ব কোথায়আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ববিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল প্রপার্টি রাইটস অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউআইপিও) নিয়ম মেনে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিপিডিটি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি ও সনদ দিয়ে থাকে। ২০১৩ সালে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন হয়। ২০১৫ সালে আইনের বিধিমালা তৈরির পর জিআই পণ্যের নিবন্ধন নিতে আহ্বান জানায় ডিপিডিটি।কোনো পণ্যের জিআই স্বীকৃতির অন্তত দুটো তাৎপর্য আছে। ডিপিডিটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, প্রথম গুরুত্ব হলো এর মাধ্যমে কোনো পণ্য কোনো নির্দিষ্ট এলাকার বলে চিহ্নিত হয়। এর বৈশ্বিক স্বীকৃতি মেলে। দ্বিতীয় গুরুত্ব হলো, এর মাধ্যমে পণ্যটির বাণিজ্যিকীকরণের সুবিধা হয়। পণ্যটি যখন বাইরের দেশে পাঠানো হয়, তখন জিআই স্বীকৃতি পণ্যের মান ও দাম নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে।

post
খেলা

বিদেশে লীগ ফুটবলে প্রথম বাংলাদেশি কোচ আজমল

আজমল হোসেন বিদ্যুৎই তাহলে প্রথম!বাংলাদেশের কোন ফুটবল কোচ বিদেশের কোনো ক্লাবে কোচিং করিয়েছেন এর আগে। দ্বিধাদ্বন্দ্বের কোনো অবকাশ নেই। এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো কোচ বিদেশি দলের কোচ হয়েছেন। জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় আজমল হোসেন (বিদ্যুৎ) ভুটানের প্রিমিয়ার লিগের নবাগত ক্লাব থিম্পু রেভেন এফসির কোচ হয়েছেন।১১ দলের ভুটান প্রিমিয়ার লিগ এ মাসের মাঝামাঝি শুরু হবে। আজমলের সঙ্গে রেভেন এফসির চুক্তি পাঁচ মাসের। কলকাতা থেকে দুজন সহকারী নেবেন আজমল। গতকাল সন্ধ্যায়ই তিনি থিম্পুর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন কলকাতা হয়ে। দুই সহকারীকে নিয়ে আজ রাতে তাঁর ভুটান পৌঁছানোর কথা।ভুটানের ক্লাবের সঙ্গে যোগাযোগ কীভাবে হলো, সে প্রসঙ্গে আজমল প্রথম আলোকে বলে গেছেন, ‘ভারত থেকে আমাদের সঙ্গে ঢাকায় এএফসির কোচিং লাইসেন্স করেছেন ভুটানের প্রিমিয়ার ডিভিশনের একটি ক্লাবের কোচ। তিনি কলকাতার বাসিন্দা স্বপন বিশ্বাস। তাঁর মাধ্যমে সুযোগটা হয়েছে। আমি সব কাগজপত্র পাঠালে ভুটানের রেভেন এফসি আমাকে পছন্দ করেছে।’এশিয়ায় ক্লাব স্তরে শীর্ষ লিগে প্রধান কোচ হতে এএফসির ‘এ’ কোচিং সনদ লাগে। এই সনদ আজমলের আছে। তাই সুযোগটা গ্রহণ করেছেন। যদিও দেশের বাইরে গিয়ে কোচিং করানো একটা চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ উতরানোর ব্যাপারে আশাবাদী আজমল, ‘বাংলাদেশের ফুটবলাররা বিদেশি লিগে খেলেছে। কিন্তু বাংলাদেশের কোচদের বিদেশে কাজ করার সুযোগ হয় না। আমার আগে কেউ বিদেশে কোচ হিসেবে কাজ করেনি। আমিই প্রথম। এই সুযোগ পেয়ে কিছুটা চমকেই গেছি।’ বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে আজমল ২০১৯ সালে আরামবাগের সহকারী কোচ ছিলেন। ৪টি ম্যাচ ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচ ছিলেন। ২০১৭-১৮ মৌসুমে কোচ কাম খেলোয়াড় হিসেবে স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘকে প্রথম বিভাগে চ্যাম্পিয়ন করে তুলে আনেন পেশাদার লিগের দ্বিতীয় স্তরে। গত বছর চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে (পেশাদার লিগের দ্বিতীয় স্তর) অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কোচ ছিলেন। চট্টগ্রাম প্রথম বিভাগে নওজোয়ান ক্লাবে কোচ ছিলেন দুই বছর।১৯৯৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দেশের শীর্ষ ফুটবল লিগে খেলেছেন আজমল। আরামবাগ, ফরাশগঞ্জ, আবাহনীর পর টানা ১১ বছর কাটান মুক্তিযোদ্ধায়। ফেনী সকারে খেলেছেন ২ বছর। বয়সভিত্তিক বিভিন্ন স্তর পেরিয়ে ২০০৪ সালে থেকে দেশের হয়ে কয়েকটি ম্যাচও খেলেছেন।নারায়ণগঞ্জে তাঁর বাড়ি প্রয়াত ফুটবল তারকা মোনেম মুন্নার বাড়ির পাশেই। মুন্নাকে দেখেই ফুটবলে এসেছিলেন তিনি। বিদেশের মাটিতে কোচিং করাতে যাওয়ার আগে আজমলের খুব করেই মনে পড়েছে প্রয়াত ‘কিং ব্যাকে’র কথা।

post
আন্তর্জাতিক

ঢাকায় আসছে ইইউ প্রতিনিধি দল, যে আলোচনা হতে পারে

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ ও পরিস্থিতি পর্যালোচনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অনুসন্ধানী মিশন ৯ জুলাই ঢাকায় আসছে। ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন এ বিষয়ে অভিজ্ঞ ইতালীয় নাগরিক রিকার্ডো চিলিলিয়ার। প্রতিনিধি দলটি দুই সপ্তাহ বাংলাদেশে অবস্থান করে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করবে। এই মিশনের সুপারিশের আলোকে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে ইইউ পর্যবেক্ষক পাঠাবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। অনুসন্ধানী মিশন প্রধানত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর যৌক্তিকতা, প্রয়োজনীয়তা এবং সম্ভাব্যতা যাচাই করবে। তারা প্রধানত দুটি বিষয়ের ওপর জোর দেবে। একটি হচ্ছে নির্বাচনের আগে এদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ও দ্বিতীয়টি হচ্ছে নির্বাচনি কাঠামো। এসব বিষয় যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশের সরকারি কর্তৃপক্ষ, রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। চলতি বছরের ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের আগে অনুসন্ধানী মিশনের এ সফরটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক না হলে ইইউ পর্যবেক্ষক পাঠাবে না। স্বাভাবিকভাবেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ্রগহণ করে কি না-অনুসন্ধানী মিশনের মনোযোগ সেই দিকেই বেশি থাকবে। বিএনপি এখন পর্যন্ত দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেবে না বলেই তাদের অবস্থান জানিয়েছে। অপরদিকে সরকার সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব মানতে নারাজ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক সমঝোতা জরুরি বলে মনে করে পর্যবেক্ষক মহল। তবে ইইউ মনে করে, যে কোনো রাজনৈতিক দলই দ্রুত তাদের সিদ্ধান্ত পালটাতে পারে। সেক্ষেত্রে জুলাইকে আগামী নির্বাচনের জন্য টার্নিং পয়েন্ট হিসাবে মনে করা হচ্ছে। এ কারণেই ইইউ জুলাইয়েই তাদের অনুসন্ধানী মিশন পাঠাচ্ছে। এ মাসেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ থেকে আরও একাধিক প্রতিনিধি বাংলাদেশে সফরে আসবেন। তারা অবাধ নির্বাচন ও মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইইউ অনুসন্ধানী মিশন ঢাকায় অবস্থানকালে বেশ কয়েকটি দপ্তরের শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সুপ্রিমকোর্ট, নির্বাচন কমিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এসব দপ্তরের সঙ্গে বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারণের কার্যক্রম চলছে।

post
খেলা

ঢাকায় পৌঁছেছেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ

ঢাকায় পৌঁছেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। আজ সোমবার (৩ জুলাই) ভোর সাড়ে পাঁচটায় তাকে বহন করা বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মার্টিনেজ ও প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।আমস্টারডাম থেকে স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪০ মিনিটে বিমানে উঠেন মার্টিনেজ। তিনি বাংলাদেশে থাকবেন ১১ ঘণ্টার মতো। এরপর বিকেলে কলকাতার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন। আজ দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মার্টিনেজ ও প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার।মার্টিনেজকে ঢাকায় আতিথেয়তা দিচ্ছে ডিজিটাল বিজনেস গ্রুপের প্রতিষ্ঠান নেক্সট ভেঞ্চার। যদিও ঢাকায় আসার জন্য কোনো সম্মানী নিচ্ছেন না তিনি। শুধু বিমান ভাড়া এবং হোটেলে বিশ্রাম নেওয়ার খরচ বহন করবে নেক্সট ভেঞ্চার।নেদারল্যান্ডস থেকে ঢাকায় পা রাখার পর কিছুক্ষণ হোটেলে বিশ্রাম নেবেন মার্টিনেজ। এরপর নেক্সট ভেঞ্চারের কার্যালয় প্রদর্শন করবেন। সেখানে মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গেও দেখা হবে বিশ্বকাপজয়ী এ গোলরক্ষকের। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নেক্সট ভেঞ্চারের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাবেক এ অধিনায়ক ছাড়াও নেক্সট ভেঞ্চারের অনুষ্ঠানে থাকবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।ঢাকা সফর শেষে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে কলকাতার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন মার্টিনেজ। সেখানে ৪ ও ৫ জুলাই একাধিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। ৪ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টায় কলকাতার বিখ্যাত ক্লাব মোহনবাগানে একটি প্রদর্শনী ম্যাচে তার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। মার্টিনেজের মূল সফর ভারতে। বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার অনেক সমর্থক থাকায় নিজ আগ্রহে এখানে আসা তার। যে আগ্রহের কথা গত মে মাসে নিজের ফেসবুক পেজে এক বার্তায় জানিয়েছিলেন। আর মার্টিনেজকে কলকাতা ও ঢাকায় আনার উদ্যোগটা নেন ভারতীয় স্পোর্টস প্রমোটর কোম্পানি শতদ্রু দত্ত অ্যাসোসিয়েটসের মালিক শতদ্রু দত্ত।

post
এনআরবি বিশ্ব

তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো জুনে

সদ্য শেষ হওয়া জুনে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এ অর্থ প্রায় তিন বছরের মধ্যে কোনো একটি মাসে দেশে আসা সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয়। এর আগে ২০২০ সালের জুলাইয়ে ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছিল।বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেখা গেছে, গত বছরের একই মাসে অর্থাৎ জুনে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৮৩ কোটি ৭২ লাখ ডলার। সেই হিসাবে প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। সম্প্রতি ২০২০ সালের জুলাই মাসে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় দেশে এসেছিল। তবে তখন করোনাভাইরাস মহামারির কারণে পরিবহণ বন্ধ থাকায় হুন্ডি বন্ধ ছিল। ফলে বৈধপথে আসা প্রবাসী আয়ের পরিমাণ বেড়েছিল।ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষিত দামের চেয়ে বেশি দামে প্রবাসী আয় কেনা বন্ধ করে দিয়েছিল ব্যাংকগুলো। তবে সংকটের কারণে ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর দেনা শোধের চাপের কারণে বিদায়ী মাসে তদারকি অনেকটা শিথিল ছিল। ফলে কিছু ব্যাংক নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম দিয়ে প্রবাসী আয়ের ডলার কেনে। এতে প্রবাসী আয় বেড়েছে। তবে এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছে কিছু ব্যাংক।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত প্রবাসীরা প্রায় ২০২ কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন। এর পরের কয়েক দিনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলারে। গত মে মাসে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৬৯ কোটি ১৬ লাখ ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, গত বছরের জুনে প্রায় ১৮৪ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এসেছিল। ২০২১ সালের জুনে এসেছিল ১৯৪ কোটি ডলার। ২০১৯ ও ২০২০ সালের জুনে এসেছিল যথাক্রমে ১৩৬ কোটি ও ১৮৩ কোটি ডলার।প্রবাসী আয় ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ব্যাংক খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখেই মূলত প্রবাসীরা দেশে থাকা তাদের পরিবার-পরিজনের কাছে বাড়তি অর্থ পাঠিয়েছেন। সাধারণত প্রতি ঈদের আগে দেশে অতিরিক্ত প্রবাসী আয় আসে। তবে গত এপ্রিলে উদযাপিত ঈদুল ফিতরের আগে প্রবাসী আয় খুব বেশি বাড়েনি। সেই তুলনায় ঈদুল আজহার সময় দেশে প্রবাসী আয় বেশি এসেছে।এর কারণ হিসেবে ব্যাংক খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকেই দেশে কুরবানি দিয়ে থাকেন, তাই তারা বাড়তি অর্থ পাঠিয়েছেন। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বিভিন্ন সংস্থা কুরবানির জন্যও বাংলাদেশে অর্থ পাঠায়।প্রবাসী আয় দেশে আনার দিক থেকে বরাবরের মতো এবারো শীর্ষে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে রাষ্ট্রমালিকানাধীন অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে। তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এনেছে বেসরকারি খাতের প্রিমিয়ার ব্যাংক।দেশে দীর্ঘ সময় ধরে চলা ডলার-সংকট এখনো চলছে। তবে প্রবাসী আয় বৈধপথে দেশে আনার জন্য চেষ্টা জোরদার করা হয়েছে। প্রবাসী আয়ে এখন ব্যাংকগুলো ডলারপ্রতি ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা দাম দিচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র সরোয়ার হোসেন বলেন, ডলারের সংকট কমে আসছে। একদিকে প্রবাসী আয় ভালো পরিমাণে আসছে, অন্যদিকে ব্যাংকগুলোতে ডলারের মজুতও বাড়ছে।

post
বাংলাদেশ

প্রেমের টানে মালয়েশিয়ান তরুণী ছুটে এলেন বাংলাদেশে

এবার প্রেমের টানে বাংলাদেশের নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এসেছেন মালয়েশীয় তরুণী স্মৃতি আয়েশা বিন রামাসামি (২২)। এই তরুণী বাংলাদেশে এসে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ফরহাদ হোসেনকে (২৬) বিয়ে করেছেন। মালয়েশিয়ায় একই কোম্পানিতে চাকরির সুবাধে ফরহাদের সাথে পরিচয় হয় রামাসামির। একপর্যায়ে দুইজনের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে।চলতি বছর দেশে ফেরেন ফরহাদ। এর পর ফরহাদের প্রেমে ছুটে আসেন প্রেমিকা রামাসামি। গত ২৪ জুন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন রামাসামি। পরে একই দিন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার হাজীপুর এলাকার বাসায় পৌঁছান তিনি।জানা যায়, রামাসামি বাংলাদেশে আসার পর দিন ২৫ জুন এফিডেভিটের মাধ্যমে ফরহাদ ও স্মৃতি আয়েশা বিন রামাসামি বিয়ে করেন। অনেকেই মালয়েশীয় নববধূকে দেখতে ছুটে আসছেন ফরহাদের বাড়িতে। ভিনদেশী কন্যা পেয়ে খুশি ফরহাদের পরিবার। বর্তমানে চৌমুহনী পৌরসভার হাজীপুর এলাকার বাসায় ফরহাদের সঙ্গে সংসার করছেন মালয়েশীয় এই তরুণী।ফরহাদ জানান, তিনি মালয়েশীয় একটি কোম্পানিতে প্রায় পাঁচ বছর চাকরি করার পর চলতি বছর দেশে ফিরে আসেন। কর্মক্ষেত্রে তাদের দুজনের পরিচয়। এক সময় পরিচয় প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। একপর্যায়ে তারা দুজই বিয়ে করার সিন্ধান্ত গ্রহণ করেন। এর পর রামাসামি বাংলাদেশে আসেন। তিনি আসার একদিন পরই তারা বিয়ে করেন।  বিয়ের পর ভাঙা ভাঙা বাংলায় রামাসামি বলেন, সকলে আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আয়শা বিন রামাসামি আরও বলেন, তিনি ফরহাদকে ভালোবাসেন। শ্বশুর বাড়ির লোকজন অথিতিপরায়ণ। সবার আন্তরিকতা খুব ভালো লাগছে। শ্বশুরের পরিবারের সবাই তাকে আপন করে নিয়েছেন। বাংলাদেশি খাবার এবং পরিবেশ তার ভালো লেগেছে। এটা তার স্বামীর দেশ। এ দেশকে তিনি ভালোবাসেন। 

post
আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে ১১ লাখ কোটা অনুমোদন

মালয়েশিয়ায় ছয়টি খাতে বিদেশী কর্মী নিয়োগে ১১ লাখ ৩৬ হাজার ২২টি কর্মসংস্থান কোটা অনুমোদন করেছে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে উৎপাদন খাতে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ১০৬টি, নির্মাণ খাতে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৮৯৯টি, সেবা খাতে ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৯০টি, আবাদে ৮৫ হাজার ৬৭৮টি, কৃষিতে ৪৯ হাজার ৪৭৩টি এবং খনি ও খনন খাতে ৩৭৬টি কোটা অনুমোদন করা হয়েছে।মোট কোটার মধ্যে ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৫৯০টি বা ৪১ শতাংশ চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রণালয়। গত শুক্রবার (১৬ জুন) দেওয়ান রাকায়াতে (জাতীয় সংসদ) প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য লিম লিপ ইঞ্জির (পিএইচ-কেপং) এক প্রশ্নের জবাবে মালয়েশীয় মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি শিবকুমার এসব তথ্য জানান।শিবকুমার বলেন, নিয়োগকর্তাদের মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের প্রবেশ প্রক্রিয়ার দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, দেশের স্বার্থ ও খ্যাতি যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতে নিয়োগকর্তাদের মাধ্যমে শ্রমের মানদণ্ড মেনে চলার দিকেও নজর রাখছে মালয়েশিয়া সরকার।এদিকে, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র বলছে, দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ২৭ হাজার ৭৫৯ জন নতুন কর্মী নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২ জুন পর্যন্ত ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৩২৮ কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন করেছে হাইকমিশন। আর মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন (২ জুন পর্যন্ত) ১ লাখ ৬৩ হাজার ৪০৩ কর্মী। এছাড়া সত্যায়ন করা ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯২৫ কর্মী বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর অপেক্ষায় রয়েছেন।২০২২ সালের ৮ আগস্ট বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ার পর শুরুতে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়ার গতি কিছুটা কম থাকলেও চলতি বছরের প্রথম থেকেই পুরোদমে কর্মী যাচ্ছে দেশটিতে। এর মধ্যে, জানুয়ারিতে গেছেন ২৪ হাজার ৯৯৪ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২৯ হাজার ৩২০ জন, মার্চে ২৮ হাজার ৫৮৯ জন এবং এপ্রিলে গেছেন ১৮ হাজার ৫৬৫ জন কর্মী।সব মিলিয়ে গত পাঁচ মাসে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৫৮ জন বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় পাড়ি দিয়েছেন বলে বিএমইটির বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্পর্কিত পরিসংখ্যান সূত্রে জানা গেছে।

post
বাংলাদেশ

গাবতলী হাটে বিক্রি হল না ৪০ মণ ওজনের ডন নং ওয়ান

দুটি গরু নিয়ে গাবতলীর হাটে এসেছিলেন কুষ্টিয়ার কুমারখালীর খামারি রফিকুল ইসলাম। শখ করে দুটি গরুর নাম রেখেছিলেন রাজা ও বাদশা। ইচ্ছে ছিল নিজের হাতে পালা এ দুটি গরুকে কোরবানির হাটে ভালো দামে বিক্রি করবেন। হাটে আনার পর মালা পরিয়ে রাজা-বাদশাকে সাজিয়েছিলেনও। কিন্তু আজ বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যেও একটিও বিক্রি হয়নি। বিষণ্ন মনে রাজা-বাদশাকে শাসনের জন্য সঙ্গে রাখা বাঁশের লাঠিতে মাথা ঠেকিয়ে বসে ছিলেন তিনি।রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মনটা খুব খারাপ ভাই। মানুষ খালি উল্টাপাল্টা দাম বলে। কত কষ্ট কইরা, কত আশা কইরা এই দুইটারে পালছি, এটার কথা মানুষ ভাবে না।’ তিনি জানান, বিক্রি করতে না পারলে ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন। পরে কসাইদের কাছে ভালো দাম পেলে বিক্রি করে দেবেন। আর যদি হাটেও কোনো কসাই ভালো দাম বলে, তাহলে বিক্রি করে দিয়ে যাবেন।কথা বলে জানা গেল, কালো রঙের রাজার ওজন প্রায় ২৩ মণ আর সাদা রঙের বাদশার ওজন ২৫ মণ। রাজা-বাদশার খাবারের পেছনে প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা খরচ হয়েছে। রাজাকে ১৬ লাখ টাকায় আর বাদশাকে ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি করবেন বলে আশা করেছিলেন। আর এখন রাজার জন্য চাইছেন ৭ লাখ টাকা আর বাদশার জন্য ৮ লাখ টাকা। কিন্তু ক্রেতারা দাম বলছেন মাত্র সাড়ে তিন থেকে চার লাখ টাকা।শুধু রফিকুল ইসলামের আনা বড় আকারের রাজা ও বাদশাই নয়, এবার গাবতলীর হাটে আনা বেশির ভাগ বড় আকারের গরুই এখনো অবিক্রীত রয়ে গেছে। এসব গরুর মধ্যে রয়েছে ৪০ মণ ওজনের ডন নাম্বার ওয়ান, নেপালি সংকর প্রজাতির ৩০ মণ ওজনের লাল বাহাদুর, সাড়ে ২৭ মণ ওজনের রাজা বাবু এবং ২২ মণ ওজনের কালো মানিকসহ বাহারি নামের আরও অনেক গরু।এসব গরু হাটের যে অংশে রাখা হয়েছে, সেখানে ক্রেতাদের সমাগমও খুব বেশি একটা নেই। হাটে যাওয়া উৎসুক মানুষ সেলফি তুলতে এবং গরুর দাম শুনতেই গরুগুলোর আশপাশে ভিড় করছেন।৪০ মণ ওজনের ফরিদপুরের ডন নাম্বার ওয়ানকে এই হাটে বিক্রির জন্য এনেছিলেন খামারি রুবায়েত হোসেন। দাম চেয়েছিলেন ২৫ লাখ টাকা। হাটে আনার পর সাড়ে ১৮ লাখ টাকা দামও উঠেছিল। তখন বিক্রি করেননি।মন খারাপ করে রুবায়েত হোসেন জানালেন, হাটে বড় গরুর ক্রেতা একেবারেই নেই। বিক্রি করার মতো দাম কেউ বলছে না। বিক্রি না হলে সাড়ে চার বছর বয়সের ডন নাম্বার ওয়ানকে তিনি আরেক বছর পালার চেষ্টা করবেন বলেও জানালেন।এদিকে ডন নাম্বার ওয়ানের সঙ্গে ছোট আকারের একটি গরু ফ্রি দেবেন বলেও সঙ্গে এনেছিলেন। বড় গরুটি বিক্রি করতে না পেরে শেষে ফ্রি দিতে নিয়ে আসা ছোট গরুটিই তিনি ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন।নেপালি সংকর প্রজাতির ৩০ মণ ওজনের লাল বাহাদুরকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে এনেছিলেন খামারি আরিফুল ইসলাম। প্রথমে এই গরুর জন্য তিনি দাম চেয়েছিলেন ২২ লাখ টাকা। এখন ১০-১২ লাখ হলেও বিক্রি করে দেবেন বলে জানালেন। কিন্তু ক্রেতারা লাল বাহাদুরের জন্য সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেছেন।আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘গরুটিকে নিয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি। ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে গেলে আবার পালতে হবে। আর মাংস বিক্রির কসাইদের কাছে খুব বেশি দাম পাওয়া যাবে না।’ তাই যদি মোটামুটি দাম পান, তাহলেও বিক্রি করে দেওয়ার ইচ্ছা আছে।গরু বিক্রি করতে না পারায় মন খারাপ লাগা নিয়ে ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলেন না ঝিনাইদহের শৈলকুপা থেকে এই হাটে গরু নিয়ে আসা মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান। তিনি ২২ মণ ওজনের কালো মানিক নামের গরুটিকে নিয়ে এসেছিলেন।কথা না বাড়িয়ে শুধু এইটুকু বললেন, ‘গরুটাকে আমি সাড়ে তিন বছর পালছি। দিনে ওর পেছনে ৫০০ টাকার ওপরে খাবার খরচ লাগছে। এই গরুটার জন্য দাম বলে মাত্র ৫ লাখ টাকা। এত কমে গরু বেচলে তো মরা ছাড়া কোনো গতি নাই।’ সবশেষ ৭ লাখ টাকা হলেও তিনি গরুটি বিক্রি করবেন বলে জানান।গাবতলীর হাটে প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খামারিরা বড় আকারের গরু নিয়ে আসেন। বিশাল আকারের এসব গরুর বিভিন্ন ধরনের বাহারি নামও দেওয়া হয়ে থাকে। হাটে গরু নিয়ে আসা পাইকারেরা বলছেন, কয়েক বছর ধরেই কোরবানিতে বড় গরুর চাহিদা অনেক কমে গেছে। এখন হাটগুলোতে খুব বেশি একটা বড় গরু বিক্রি হয় না। তাই নিজের ঘরে কোনো গরুকে পালন করে বড় করাও এখন অনেক ঝুঁকির।এদিকে হাটে বড় গরু খুব বেশি একটা বিক্রি না হলেও গত কয়েক দিনের মতো ঈদের এক দিন আগে আজ দিনভর ছোট ও মাঝারি আকারের গরু বেশ ভালো বিক্রি হয়েছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি থাকায় বিকেলের দিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ক্রেতারা হাটে পশু কিনতে ভিড় করতে থাকেন। আজকে গরুর দামও তুলনামূলকভাবে কমেছে বলে জানান হাটে গরু কিনতে যাওয়া ক্রেতারা।

post
বাংলাদেশ

'সাংবাদিক হত্যা মামলায় এখন ২ ও ৩ নম্বরসহ এজাহারভুক্ত ১৭ জন আসামি গ্রেপ্তার হয়নি'

জামালপুরের বকশীগঞ্জে সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত বাকি আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের মেয়ে রাব্বিলা তুল জান্নাত (১৯)। গত মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। ওই পোস্টে রাব্বিলা তুল জান্নাত লিখেন, ‘আমার আব্বু গোলাম রাব্বানী নাদিমকে মেরে ফেলা হয়েছে আজকে নিয়ে ৮ দিন হয়ে গেল। র‍্যাব কর্তৃক এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামিসহ চারজন সর্বশেষ গ্রেপ্তার হয় ছয়দিন আগে। হাস্যকর বিষয় হলো–এখন পর্যন্ত ২ নম্বর আসামি ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত চেয়ারম্যানের ছেলে ফাহিম ফয়সাল রিফাত, ৩ নম্বর আসামি রাকিব বিল্লাহ, ৯ নম্বর আসামি শামিম খন্দকার, ইসমাইল হোসেন স্বপন মণ্ডলসহ এজাহারভুক্ত ১৭ জন আসামি কেন এখনো গ্রেপ্তার হলো না। প্রশাসন কি ঘুমিয়ে আছেন, ঘুমিয়ে থাকলে জেগে উঠুন। এক কলম হারিয়েছে, কিন্তু হাজার কলম আমাদের পাশে আছে।’ তিনি আরও লিখেন, ‘সবার কাছে আমাদের চাওয়া একটাই, আমার বাবার খুনিরা যাতে রক্ষা না পায়। তারা যাতে দেশত্যাগ করতে না পারে। মামলা হয়েছে ৭ দিন। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মামলা হওয়ার পর একজন আসামিকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। ফলে আমাদের মনে স্বাভাবিকভাবেই নানা সন্দেহ দানা বাঁধছে।’ গত ১৪ জুন (বুধবার) রাতে জামালপুরের বকশীগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন অনলাইন পোর্টাল বাংলানিউজের জেলা প্রতিনিধি গোলাম রব্বানী নাদিম। পরদিন বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে তিনি মারা যান।পরে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। এর আগে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বকশীগঞ্জ থানার–পুলিশ নয়জনকে আটক করে। এরপর আর কোনো আসামি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়নি। তবে মামলার আগে র‍্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে আটক করে। তাঁদের সবাইকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং আসামিদের বিরুদ্ধে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়।আদালত আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড দেন। এর মধ্যে প্রধান আসামি মাহমুদুল আলম বাবুর পাঁচ দিনের রিমান্ড আজ (শুক্রবার) শেষ হয়েছে। পুলিশের হাতে আটক নয়জনের মধ্যে সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ রয়েছে। বাকি চারজনকে পুলিশের তদন্তে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে।গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন—প্রধান আসামি মাহমুদুল আলম বাবু, রেজাউল করিম, মো. মনিরুজ্জামান, মো. মিলন মিয়া, মো. গোলাম কিবরিয়া, জাকিরুল ইসলাম, শহিদুর রহমান, মো. তোফাজ্জল, আয়নাল হক, মো. কফিল উদ্দিন, মো. ফজলু মিয়া, মো. মুকবুল ও মো. ওহিদুজ্জামান। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরমান আলী বলেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামিদের কাছ থেকে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে ওই সব প্রকাশ করা যাচ্ছে না।তবে আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাকি আসামিরা গ্রেপ্তার হবেন। একই সঙ্গে মামলাটি আমরা খুব গুরুত্ব দিয়েই দেখছি এবং কাজ করছি।’ এদিকে জামালপুর জেলা পুলিশ সুপার নাছির উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি কোনো কথা বলবেন না বলে সাফ জানিয়ে বলেন, ‘নাদিম হত্যার বিষয়ে আমি কোনো কথাই বলব না। আপনারা কার কাছ থেকে নেবেন নিয়ে লেখেন।’ 

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.