post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেক থেকে দক্ষ জনবল নিবে কার্নিভাল

বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটি থেকে দক্ষ জনবল নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কার্নিভাল ইন্টারনেট।বুধবার (১৮ অক্টোবর) পিপলএনটেকের বাংলাদেশ অফিসে কার্নিভাল ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান ও পিপলএনটেকের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।শিক্ষাজীবনে বিভিন্ন মেয়াদী কোর্সের জন্য শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর নির্ভরযোগ্য স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান 'পিপলএনটেক'। প্রতিষ্ঠানটি থেকে কোর্স সম্পন্ন করা দক্ষ শিক্ষার্থীদের চাকরি প্রদান করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন কার্নিভাল ইন্টারনেটের কর্মকর্তারা।আলোচনা অনুষ্ঠানে পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ বলেন, সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইন্টারনেট সেবা পৌছে দেওয়া প্রতিষ্ঠান কার্নিভালের সাথে আলোচনায় পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণের পরে চাকুরীর জন্য একটি নতুন দ্বার উন্মোচিত হলো।এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির নেটওয়ার্কিং ডিপার্টমেন্টের প্রধান কাজী মাহমুদুল হক, ডেপুটি ম্যানেজার শেখ আহমেদ। এছাড়াও কার্নিভালের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান আদনান রিজভি হেড অফ বিজনেস রিযওয়ান বাকের মিল্কি।দেশের অন্যতম বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান কার্নিভালের পূর্বের নাম ছিল ডোজ।সেরা ইন্টারনেট সেবা প্রদানের পাশাপাশি সাবস্ক্রাইবারদের ডিজিটাল লাইফস্টাইলকে বহুমাত্রায় উপভোগ্য করে তুলতে লাইফস্টাইল সেবার একটি অনন্য সমাহার প্রদানের লক্ষ্যেই কার্নিভালের এই যাত্রা।

post
আন্তর্জাতিক

গাজায় হাসপাতালে হামলায় নিহত ৫ শতাধিক, বিভিন্ন দেশের প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার রাতে মধ্য গাজার আল–আহলি আরব নামের হাসপাতালে কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই হামলা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। এতে এখন পর্যন্ত পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে গোটা বিশ্ব। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি, বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা হাসপাতালে বেসামরিক লোকদের ওপর হামলার বিষয় নিয়ে বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়ার খবর প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, গাজায় হাসপাতালে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ। একে ‘গণহত্যা’ অভিহিত করে তিনি বলেছেন— এ পরিস্থিতিতে কেউ চুপ থাকতে পারে না। এভাবে সাধারণ মানুষকে হত্যা ‘মানবতার জন্য লজ্জাজনক’। হাসপাতালে ইসরাইলি বাহিনীর বোমা হামলায় শত শত মানুষের মৃত্যুকে ‘জঘন্য অপরাধ’ অভিহিত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইসরাইলি বাহিনীর হাসপাতালে বোমা হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরাইল যেভাবে গাজার হাসপাতাল, স্কুল ও জনবহুল এলাকায় হামলা করছে, এতে সংঘাত ভয়ঙ্করভাবে বিস্তৃত হচ্ছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, ইসরাইল যে ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধেরও তোয়াক্কা করছে না, গাজায় হাসপাতালে হামলা তার সর্বশেষ উদাহরণ। গাজায় ‘নজিরবিহীন নৃশংসতা’ বন্ধে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। গাজার আল–আহলি হাসপাতালে ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে মিশরও। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, গাজার বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এভাবে নির্বিচার হামলা ‘আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের চরম লঙ্ঘন’। মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল–সিসি বিবৃতি দিয়ে হাসপাতালে হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ‘ইসরাইলের এ হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’ গাজায় হাসপাতালে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরাইলি বাহিনী নির্বিচার বিমান হামলা চালিয়ে গাজার নিরস্ত্র ও অসহায় মানুষদের হত্যা করছে। জঘন্য এ অপরাধের মাধ্যমে ইহুদি রাষ্ট্রটি আরও একবার বিশ্বের সামনে তাদের অমানবিক ও পাশবিকাতেই তুলে ধরেছে।’ সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ও এ হামলাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে নৃশংস, জঘন্য, রক্তক্ষয়ী গণহত্যাগুলোর একটি’ অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। গাজার হাসপাতালের হামলার নিন্দা জানিয়েছে মুসলিম দেশগুলোর সংগঠন আরব লীগ। সংস্থাটির প্রধান আহমেদ ঘেতি বলেছেন, বিশ্ব নেতাদের অবিলম্বে এ ‘ট্র্যাজেডি’ বন্ধ করতে হবে। এদিকে গাজার হাসপাতালে হামলার পর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে একটি জরুরি বৈঠকে বসার জন্য অনুরোধ করেছে রাশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। হাসপাতালে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এমন হামলাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে ফিলিস্তিনের মানবাধিকার সংস্থা আল–মিজান। সংস্থাটি বলছে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, হাসপাতালগুলো ‘নিরাপদ স্থান’ হিসেবেই বিবেচিত। গাজার হাসপাতালে হামলার নিন্দা জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস । অবিলম্বে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। গাজায় হাসপাতালে হামলার ঘটনাকে ‘ভয়ঙ্কর’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তিনি বলেন, এটা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। এসব ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান জানানো উচিত। যুদ্ধের কিছু নিয়মনীতি আছে। কোনো হাসপাতালে এভাবে হামলা করার ঘটনা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না। গাজার হাসপাতালে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ফ্রান্সও। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, মানবাধিকবিষয়ক আন্তর্জাতিক আইন সবার জন্য প্রযোজ্য। বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।

post
বাংলাদেশ

বৌভাতের শেরওয়ানি কিনতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বর

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাঘা সুর এলাকায় ট্রাক ও মোটরবাইক সংঘর্ষে অংসু ( ২৬) নামে এক নববিবাহিত যুবক নিহত হয়েছেন।১৪ অক্টোবর, শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে বিকেল সোয়া চারটার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা নিহতের বন্ধু আসিফ হোসেন শুভ বলেন, ‘গতকাল রাতেই বিয়ে করেছে অংসু। রাত তিনটার দিকে নতুন বউ নিয়ে বাসায় উঠে। আজ দুপুরের দিকে বৌভাতের আয়োজন ছিল। সে তার নিজের শেরওয়ানি কেনার জন্য বাসা থেকে বাইক নিয়ে যাবার পথে দুর্ঘটনায় মারা যায়।’নিহত মোটরবাইক চালক অংসু কেরানীগঞ্জের রুহিতপুর এলাকার বাসিন্দা।

post
আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলি এক নারী ও দুই শিশুকে মুক্তি দিয়েছে হামাস

ইসরায়েলি এক নারী ও তার দুই শিশু সন্তানকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। ইসরায়েলে অভিযান চালানোর সময় তারা গাজা উপত্যকাভিত্তিক ফিলিস্তিনি এই গোষ্ঠীর হাতে আটক হয়েছিল। এদিকে তাদের মুক্তি দেওয়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে হামাস। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) পৃথক দুই প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া এবং আল জাজিরা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হাতে আটক হওয়া এক ইসরায়েলি নারী এবং তার দুই সন্তানকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে গ্রুপটির সশস্ত্র শাখার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে। হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাসাম ব্রিগেডস এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘একজন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী এবং তার দুই সন্তানকে সংঘর্ষের সময় আটক করার হলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’ আল জাজিরা বলছে, হামাসের কাসাম ব্রিগেডস একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে যাতে দেখা যাচ্ছে, আটককৃত এক নারী ও তার দুই শিশুকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার রাতে আল জাজিরাতে প্রচারিত ফুটেজটি দূর থেকে ধারণ করা হয়েছে। সেখানে পেছন থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারী এবং ওই দুই শিশুকে দেখানো হয়েছে। ওই ভিডিও ফুটেজে বেশ কয়েকজন যোদ্ধাকে - যারা সম্ভবত হামাস যোদ্ধা - একটি বেড়ার কাছে খোলা জায়গায় ওই নারী ও তার দুই শিশুকে রেখে চলে যেতে দেখা যায়, যা ইসরায়েল এবং গাজার মধ্যে সীমান্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভিডিওটি কবে ধারণ করা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এখনও ভিডিওটির বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসাম ব্রিগেডস এক বিবৃতিতে বলেছে, ওই নারী একজন ইসরায়েলি নাগরিক। বার্তাসংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘একজন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী এবং তার দুই সন্তানকে সংঘর্ষের সময় আটক করা হলেও পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’ আল জাজিরার হোদা আবদেল-হামিদ পশ্চিম জেরুজালেম থেকে বলছেন, হামাসের প্রকাশিত ওই ভিডিও ফুটেজটিকে ইসরায়েলি মিডিয়া ‘এক চিমটি লবণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করছে। তিনি জানান, ‘একজন প্রতিবেদক বলেছেন- হামাস ক্ষতি মেরামতের চেষ্টা করছে এবং এটি কেবল একটি মিডিয়া স্টান্ট। অন্যান্য ইসরায়েলি চ্যানেল বলছে, বন্দি মুক্তির এই ঘটনা আগে ঘটেছে। কেউ কেউ বলছেন, গত শনিবার এই ঘটনা ঘটেছে এবং হামাস এখন তার আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উন্নত করার চেষ্টা করছে।’ প্রসঙ্গত, মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র ধর্মীয় স্থান আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন এবং অবৈধ বসতিস্থাপনকারীদের অত্যাচারের জবাব দিতে গত শনিবার ইসরায়েলে ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এরপর থেকে টানা ছয়দিনের এই সংঘাতে নিহত ইসরায়েলিদের সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে বহু সেনাসদস্য, নারী ও শিশু রয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও হাজার হাজার ইসরায়েলি। এছাড়া আরও বহু মানুষকে বন্দি করেছে হামাস। আল জাজিরা বলছে, ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলার সময় গত শনিবার থেকে আনুমানিক ১৫০ জনকে বন্দি করেছে হামাস। পরে গত শনিবার থেকে ইসরায়েলের অবিরাম বিমান হামলা গাজার পুরো আশপাশের এলাকাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে এবং কমপক্ষে ১২০০ জন ফিলিস্তিনি নিহত ও আরও হাজার হাজার আহত হয়েছেন। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা বলেছে, ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি এই ভূখণ্ডে আড়াই লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। পর্যবেক্ষকরা এটিকে ‘মানবিক বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, গত শনিবার থেকে ইসরায়েলে ১৫৫ সেনাসহ ১২০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে।

post
আন্তর্জাতিক

হামাস-ইসরাইল যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ১৫০০ ছাড়িয়ে

চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যকার যুদ্ধ। দুই পক্ষ মিলে ইতোমধ্যে নিহতের সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এ ছাড়া কয়েক হাজার মানুষ আহত হয়েছে। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় প্রায় দেড় লাখ লোক উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়েছে। জিও নিউজ জানিয়েছে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজা স্ট্রিপের (উপত্যকা) বিরুদ্ধে ইসরাইলের স্থল আক্রমণের আশঙ্কা বাড়ছে। কারণ ইসরাইল ‘সম্পূর্ণ অবরোধে’র পদক্ষেপ বাড়িয়ে দিয়েছে। অর্থাৎ গাজায় বিদ্যুৎ, খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, হামাসের হামলায় বেসামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ কমপক্ষে এক হাজার ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলায় গাজায় সাত শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত এবং প্রায় চার হাজার আহত হয়েছে। এদিকে আল-জাজিরা জানিয়েছে, হামাসের কাসাম ব্রিগেড বলেছে যে, তারা ইসরাইলি বেসামরিক জিম্মিদের তারা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা শুরু করবে যদি ইসরাইল কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই বেসামরিক আবাসিক এলাকায় আরেকটি বোমা ফেলে। হামাসের কাসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু ওবেদা আল-জাজিরাকে বলেছেন, ‘সতর্কতা ছাড়াই নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার প্রতিবাদে আমাদের হেফাজতে থাকা বন্দিদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা করা হবে। এমনকি আমরা সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা সরাসরি প্রচার করতে বাধ্য হব। ‘আমরা এই সিদ্ধান্তের জন্য দুঃখিত; কিন্তু আমরা এর জন্য ইহুদিবাদী শত্রু (ইসরাইল) এবং তাদের নেতৃত্বকে দায়ী করব,’ বলেন আবু ওবেদা। ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সেনা সমাবেশের পর শিগগিরই আক্রমণে যাবে।

post
আন্তর্জাতিক

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ১১০০ ছাড়াল

ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাসের হামলায় প্রায় ৭০০ ইসরায়েলি নিহত ও বেশ কয়েকজনকে অপহরণের জবাবে রোববার গাজা উপত্যকায় হামলা চালিয়ে কয়েক শ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েল। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১ হাজার ১০০ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন কয়েক হাজার। এ ঘটনায় হামাসের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইসরায়েলের ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইতোমধ্যে কয়েক শ মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। ৫০ বছর আগে ইয়োম কিপ্পুর যুদ্ধে মিশর ও সিরিয়ার হামলার পর গত শনিবার ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে হামাসের আক্রমণ ছিল মারাত্মক। যা দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংঘাতকে আরও ভয়াবহ পরিণতির দিকে পরিচালিত করেছে।হামাসের হামলার জবাবে গাজায় আবাসিক এলাকা, সুড়ঙ্গ, মসজিদ এবং হামাস কর্মকর্তাদের বাড়িতে বিমান হামলা করে ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর 'শক্তিশালী প্রতিশোধের' শপথে ৪০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করেছে তারা। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলের জন্য 'অতিরিক্ত সহায়তার' নির্দেশনা দিয়েছেন। হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে বাইডেনের নির্দেশনার কথা জানায়।

post
প্রযুক্তি

হোয়াটসঅ্যাপে নম্বর ছাড়াই করা যাবে চ্যাট, আসছে নতুন ফিচার

জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ আবারো নিয়ে আসছে নতুন ফিচার। এই ফিচার চালু হলে হোয়াটসঅ্যাপে কোন অপরিচিত মানুষের সাথে কথা বলতে ফোন নম্বরের প্রয়োজন হবে না। ব্যবহারকারীরা নাম খুঁজে অন্য জনের সাথে চ্যাট করতে পারবেন।হোয়াটসঅ্যাপে ইউজারনেম ফিচারের মাধ্যমে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। যেখানে ফোন নম্বর এর পরিবর্তে ইউজারনেম এর সাহায্যে চ্যাটিং সুবিধা পাবেন ব্যবহারকারীরা। ইনস্টাগ্রামের মতো এই ফিচারের সাহায্যে ব্যবহারকারীরা সুরক্ষিত থাকবেন। যেখানে ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর শেয়ার করতে হবে না। এই ফিচার নিয়ে ওয়েবেটাইনফো জানিয়েছে, ইউজারনেম ফিচারটি অ্যানড্রয়েড বেটা ভার্সনে দেখা গেছে। পাশাপাশি আইওএস এর কিছু ব্যবহারকারীদের জন্য এই ফিচার রোলআউট করা হয়েছে। এই ফিচারের সাহায্যে ব্যবহারকারীরা তাদের হোয়াটসঅ্যাপে ইউজারনেম সেট করতে পারবেন। জানা গেছে, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের ইউজারনেম ফিচার সেট করার অপশন অ্যাপের প্রোফাইল সেকশনে দেওয়া হবে। ব্যবহারকারীরা তাদের ইউজারনেম সেকশনে আলফাবেট, নম্বর এবং স্পেশাল ক্যারেক্টার ব্যবহার করতে পারবেন। হোয়াটসঅ্যাপে অন্য জনের সাথে চ্যাট করার জন্য ইউজারনেমের সাহায্যে নেওয়া যেতে পারে। ইউজারনেম দিয়ে চ্যাট করলে যার সাথে কথা বলছেন, তার মোবাইল নম্বর লুকানো থাকবে। ব্যবহারকারী তার মোবাইল নম্বর শেয়ার করতে চান কিনা সেটা সে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

post
বাংলাদেশ

শাহজালাল বিমানবন্দর হবে আন্তর্জাতিক হাব, তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন শেষে শেখ হাসিনা

ঢাকাকেন্দ্রিক যোগাযোগের নির্ভরশীলতা কমাতে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় বিমান যোগাযোগ স্থাপন করার পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তিনি বলেন, হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর হবে বিমান যোগাযোগের আন্তর্জাতিক হাব।শনিবার (৭ অক্টোবর) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন নতুন টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন করা হয়। আগামী বছর এর পুরোপরি কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।  প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে আমাদের আন্তঃজেলা সংযোগ বিমানের মাধ্যমে যাতে হয়, সেই পরিকল্পনা নিয়েছি। কেউ যশোর থেকে সৈয়দপুর যাবে, সৈয়দপুর থেকে চট্টগ্রাম যাবে, যশোর থেকে কক্সবাজার যাবে অথবা কক্সবাজার থেকে যশোর যাবে, বিমানের মাধ্যমে হবে— এমন পরিকল্পনা আমাদের আছে।বিমানের নিরাপত্তার দিকে আমরা বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছি— উল্লেখ করে সরকার-প্রধান বলেন, ‘আমরা অত্যাধুনিক রাডার স্থাপন করেছি। তৃতীয় টার্মিনাল স্থাপন করেছি। জেট ফুয়েল সবসময় নৌ-পথ বা সড়ক পথে পরিবহন করা হয়। এটি সরাসরি পাইপ লাইনে যাতে শাহজালাল বিমানবন্দরে আসে, সেই পাইপ লাইন স্থাপনের কাজও শুরু করে দিচ্ছি। খুব শিগগিরই এটি সম্পন্ন হবে। যাতে আমাদের সময় বাঁচবে, অর্থ বাঁচবে।’তিনি বলেন, আমাদের ভৌগোলিক অবস্থান হলো একদিকে ভারত মহাসাগর, অপরদিকে প্রশান্ত মহাসাগর; সঙ্গে আছে আমাদের বঙ্গোপসাগর। প্রাচীন যুগ থেকেই জায়গাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের অবস্থানটা হচ্ছে আন্তর্জাতিক এয়ার রুটের মাঝে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশকে যদি উন্নত করতে পারি, যোগাযোগের জন্য একটা চমৎকার জায়গা হতে পারে। এ কারণে আমরা কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তুলতে যাচ্ছি। অন্যান্য বিমানবন্দরও আমরা উন্নত করছিপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম. মফিদুর রহমানসহ বেবিচক ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।তৃতীয় টার্মিনালের সফট ওপেনিং (আংশিক উদ্বোধন) শেষে নবনির্মিত টার্মিনাল ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকা ছেড়েছে বলে জানা গেছে।শনিবার সকাল ১০টার একটু পরই প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। সেখানে শিশুরা নাচেগানে তাকে স্বাগত জানায়। প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় টার্মিনালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় টার্মিনালে যাত্রীদের কীভাবে সেবা দেওয়া হবে, তা প্রধানমন্ত্রীকে দেখানো হয়। প্রধানমন্ত্রীকে প্রতীকী একটি বোর্ডিং পাস দেন বিমানবন্দরের কর্মীরা। এরপর তিনি ইমিগ্রেশনে যান। ইমিগ্রেশন থেকে তিনি নিরাপত্তার ধাপগুলো পার হন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সাবেক সরকারগুলোর সমালোচনা করে বলেন, ২৯ বছর যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারা দেশের মানুষকে কিছুই দিয়ে যেতে পারেনি। আমরা এ দেশের মানুষকে সব দিয়েছি। আমরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে দেখি বিমানবন্দরে বোর্ডিং ব্রিজ ছিল না, পার্কিং ছিল না।‘১৯৯৬ সালে আমি যখন সরকারে আসি তখন আমরা বিমানবন্দরের উন্নয়নের উদ্যোগ নিই। চট্টগ্রাম ও সিলেট, এ দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও আমরা নির্মাণ করি। সঙ্গে শাহজালাল বিমানবন্দরের উন্নয়নেপ্রকল্প গ্রহণ করি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১- এই সময়ে বিমানবন্দরের উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, যদি পারেন তাহলে ১৯৯৬ সালের আগ পর্যন্ত কী উন্নয়ন হয়েছিল, সেটি একটু দেখবেন।’‘যোগাযোগ ব্যবস্থা মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একান্ত অপরিহার্য। আধুনিক যুগের নৌপথ, সড়কপথ ও রেলপথের সঙ্গে সঙ্গে আকাশ-পথও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে, বিদেশের সঙ্গে আমাদের যে যোগাযোগ, সেই যোগাযোগের মূল বাহন হচ্ছে বিমান। অর্থাৎ আকাশযাত্রাটা হচ্ছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এটিকে গুরুত্ব দিই।’সরকার-প্রধান বলেন, আমাদের বিমানবন্দর যাতে আরও আধুনিক হয় এবং এতে যেন আরও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা যুক্ত করা যায়, সেজন্য আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। কারণ, আমাদের দেশ থেকে গিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রবাসীরা বসবাস করেন। তারা বিভিন্ন দেশে কাজ করেন। আমাদের রেমিট্যান্স পাঠান। তারাও যাতায়াত করেন। তাদের সুবিধাটা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।সংশ্লিষ্টরা জানান, পাঁচ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটারের তৃতীয় টার্মিনালে একসঙ্গে ৩৭টি প্লেন রাখার অ্যাপ্রোন (প্লেন পার্ক করার জায়গা) করা হয়েছে। দুই লাখ ৩০ হাজার স্কয়ার মিটারের মডার্ন টার্মিনাল বিল্ডিংয়ে থাকবে পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য ও অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তির ছোঁয়া। এতে রয়েছে বেশ কয়েকটি স্ট্রেইট এস্কেলেটর।নতুন এ টার্মিনালে যাত্রীদের ব্যাগের জন্য সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি ও ব্যাংককের সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরের মতো অত্যাধুনিক তিনটি আলাদা স্টোরেজ এরিয়া করা হয়েছে। রেগুলার ব্যাগেজ স্টোরেজ, লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড এবং অড সাইজ (অতিরিক্ত ওজনের) ব্যাগেজ স্টোরেজ। যাত্রীদের স্বাভাবিক ওজনের ব্যাগেজের ১৬টি রেগুলার ব্যাগেজ বেল্ট থাকবে টার্মিনালটিতে। অতিরিক্ত ওজনের (অড সাইজ) ব্যাগেজের জন্য স্থাপন করা হয়েছে আরও চারটি পৃথক বেল্ট।অত্যাধুনিক এ টার্মিনাল ভবনে থাকবে ১০টি সেলফ চেক-ইন কিওস্ক (মেশিন)। এগুলোতে নিজের পাসপোর্ট এবং টিকিটের তথ্য প্রবেশ করালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসবে বোর্ডিং পাস ও সিট নম্বর। এরপর নির্ধারিত জায়গায় যাত্রী তার লাগেজ রেখে দেবে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাগেজগুলো এয়ারক্রাফটের নির্ধারিত স্থানে চলে যাবে। তবে নির্ধারিত ৩০ কেজির বেশি ওজনের ব্যাগেজ নিয়ে এখানে চেক-ইন করা যাবে না। সেসব যাত্রীদের জন্য আরও ১০০টি চেক-ইন কাউন্টার থাকবে এ টার্মিনালে।টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের কাজ করছে স্যামসাং গ্রুপের কনস্ট্রাকশন ইউনিট স্যামসাং কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ট্রেডিং (সিঅ্যান্ডটি) কর্পোরেশন। প্রতিষ্ঠানটির নির্মিত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে বুর্জ খলিফা, পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার, তাইপে ১০১, সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের ৪ নম্বর টার্মিনাল, দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচেওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আবুধাবির ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক। এছাড়াও টার্মিনালের ভেতরের ভবনটির নকশা তৈরি করেছেন বিখ্যাত স্থপতি রোহানি বাহারিন। তিনি সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি এয়ারপোর্টের টার্মিনাল-৩, চীনের গুয়াঞ্জুর এটিসি টাওয়ার ভবন, ভারতের আহমেদাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ইসলামাবাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের নকশা তৈরি করেন।২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পটির অনুমোদন দেয় একনেক। নির্মাণ কাজে অর্থায়ন করছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। বৃহৎ এই থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পটির ব্যয় প্রথমে ধরা হয়েছিল ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। পরে অবশ্য প্রকল্প ব্যয় ৭ হাজার ৭৮৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

post
প্রযুক্তি

হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলের মাধ্যমে আয় করার সুযোগ

ইউটিউবের মতো এখন হোয়াটসঅ্যাপেও চ্যানেল খুলতে পারবেন। হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এলো নতুন ফিচার। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা চ্যানেল খুলতে পারবেন। হোয়াটসঅ্যাপ থেকেই ফলো করতে পারবেন সেলেব্রিটি, ক্রিকেটার, ফুটবলার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে।মেটার মালিকানাধীন প্ল্যাটফর্মটি নতুন ‘আপডেট’ নামের একটি ট্যাব থাকবে অ্যাপে। যেখানে পরিবার, বন্ধুদের চ্যাটের থেকে আলাদা একাধিক চ্যানেলস ফলো করতে পারবেন। এরই মধ্যে অনেক সেলিব্রিটি থেকে সাধারণ মানুষ হোয়াটসঅ্যাপে চ্যানেল খুলেছেন।তবে সেলিব্রিটিদের ফলো করা ছাড়াও ইউটিউবের মতো চাইলে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল থেকেও আয় করা যাবে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলস সবার জন্য উন্মুক্ত। এখানে ব্যবহারকারীরা নিজের চ্যানেল বানিয়ে কমিউনিটি তৈরি করার সুযোগ পাবে। তবে শুধু সামাজিক পরিচিতি নয় বেশ কিছু উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে অর্থ উপার্জনও করতে পারবেন।জেনে নিন কীভাবে আয় করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলের মাধ্যমে-আপনার যদি ছোট ব্যবসা থাকে অথবা সদ্য নতুন ব্যবসা খুলে থাকেন তাহলে এই চ্যানেলের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে পারবেন। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের মাধ্যমেই নিজের ক্যাটালগ দেখাতে পারেন। তাদের অর্ডার নেওয়া এবং পেমেন্ট সাপোর্টও দিতে পারেন। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলের মাধ্যমে বিভিন্ন মার্চেন্ডাইস এবং অ্যাক্সেসরিজও বিক্রি করার সুবিধা রয়েছে। এছাড়া কারও যদি ব্যবসা নাও থাকে সে বিভিন্ন গ্রাফিক্স টেম্পলেট, ই-বুক, অনলাইন কোর্স, ডিজিটাল প্রোডাক্টস ইত্যাদি প্রমোট করতে পারেন হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলের মাধ্যমে।অনেকেই আছেন যারা ইউটিউব বা ফেসবুকে অনলাইন ক্লাস নেন। যেমন মেকআপ, রান্না, ড্রয়িং, ফটোগ্রাফি, সিনেমাটোগ্রাফি ইত্যাদি। এই সব বিষয়ের উপর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলেও ওয়ার্কসপ তৈরি করতে পারেন এবং তার বদলে একটি চার্জ নিতে পারেন কাস্টমারদের থেকে। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপে যেহেতু ভিডিও, অডিও কলের সুবিধা রয়েছে তাই ওয়ান-অন-ওয়ান কোচিংও করাতে পারেন।ডিজিটাল জমানায় বাড়ি বসে আয়ের একটি অন্যতম মাধ্যম ফ্রিল্যান্সিং। যার জন্য বর্তমানে একাধিক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ যেহেতু একটি পার্সোনাইলজড অ্যাপ তাই এখানে ক্লায়েন্টদের সঙ্গে খুবই স্বচ্ছ ভাবে নিজের দক্ষতা তুলে ধরতে পারবেন। আপনি যদি লেখালিখি করতে ভালোবাসেন কিংবা ভালো গ্রাফিক্স ডিজাইনিং ও প্রোগ্রামিং জানেন তাহলে নিজের চ্যানেল বানিয়ে ফলোয়ারদের সেই পরিষেবা দিতে পারেন।আপনার চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। এখনই মেটা থেকে আপনাকে বিজ্ঞাপনের সুযোগ দেওয়া হবে না। তবে অন্যদের পণ্যের বিজ্ঞাপন করতে পারেন। যেমন ফেসবুক বা ইউটিউবে প্রমোশনাল ভিডিও করেন ঠিক তেমন হোয়াটসঅ্যাপে আপনার চ্যানেলেও করতে পারেন।

post
প্রযুক্তি

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে প্রায় ১.৯ কোটি ‘অপ্রীতিকর’কনটেন্ট ডিলিট করেছে মেটা

চলতি বছরের আগস্টে ভারতের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে প্রায় ১.৯ কোটি ‘অপ্রীতিকর’ কনটেন্ট ডিলিট করেছে মেটা। শুধু ফেসবুক থেকেই ১৩টি নীতির আওতায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে মোট ১.৪ কোটি কন্টেন্ট।ইন্সটাগ্রাম থেকে ১২টি নীতির আওতায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ৫০ লাখ কনটেন্ট। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে মেটা।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ইন্ডিয়ান গ্রিভান্স মেকানিজম এর মাধ্যমে ফেসবুকের ‘অপ্রীতিকর’ কন্টেন্টের বিরুদ্ধে মোট ২৫ হাজার ৪৯টি অভিযোগ জমা পড়েছিল। এর মধ্যে ২৭০১টি অভিযোগের ক্ষেত্রে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বিশেষ অপশন দিয়ে নিজেদেরকেই ওই ‘অপ্রীতিকর’ কন্টেন্টের সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাকি ২২,৩৪৮টি অভিযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন ছিল। সেই কন্টেন্টগুলো মেটা তাদের নীতির আওতায় পর্যবেক্ষণ করে এবং ৫০৪৫টি কন্টেন্টের ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেয়। বাকি ১৭ হাজার ৩০৩টি অভিযোগের ক্ষেত্রেও পর্যবেক্ষণ করা হয়। কিন্তু সেইসব কন্টেন্টে কঠিন পদক্ষেপ নেওয়ার মতো কিছু পাওয়া যায়নি।অন্যদিকে, ইনস্টাগ্রামের ক্ষেত্রেও ইন্ডিয়ান গ্রিভান্স মেকানিজম এর মাধ্যমে ২০ হাজার ৯০৪টি অভিযোগ জমা পড়েছিল। ইনস্টাগ্রামে জমা পড়া মোট অভিযোগের মধ্যে ৪৫২৯টি ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের নিজেদেরই সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। বাকি ১৬৩৭৫টি ক্ষেত্রে প্রজন ছিল বিশেষ পর্যবেক্ষণের। পর্যবেক্ষণ করে ৬৩২২টি কন্টেন্টের ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাকি ১০০৫৩টি অভিযোগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কন্টেন্টের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কিছু পাওয়া যায়নি।মেটা জানিয়েছে, ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামের ‘অপ্রীতিকর’ কনটেন্ট নিয়ে অভিযোগ জমা পড়লে আমরা আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের বিভিন্ন নিয়মের আওতায় সেইসব কনটেন্টগুলো পর্যবেক্ষণ করি। নিয়মবিধি লঙ্ঘন করা হলে সংশ্লিষ্ট কন্টেন্টের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্যবহারকারীর কাছে ওই কনটেন্ট ‘আপত্তিজনক’ হলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়।এর আগে জুলাইয়ে ফেসবুক থেকে ১৩টি নীতির আওতায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ কনটেন্ট এবং ইন্সটাগ্রাম থেকে ১২টি নীতির আওতায় ৫৯ লাখ কনটেন্ট সরিয়ে দেওয়া হয়।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.