post
বাংলাদেশ

দাবি না মানলে রাজপথ উত্তপ্ত হবে - জামায়াত আমির মোহাম্মদ তাহের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্বশর্ত নিরপেক্ষ সরকার। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মানতে হবে। দাবি না মানলে রাজপথ উত্তপ্ত হবে। শনিবার (১০ জুন) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জামায়াত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।দীর্ঘ এক দশক পর রাজধানীতে ইনডোরে (ঘরোয়াভাবে) সমাবেশ করেছে জামায়াত। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ, জামায়াত নেতা শফিকুর রহমানসহ জাতীয় নেতা এবং ওলামায়ে কেরামের মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে এ সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার দিনগত রাতে কিছু মৌখিক শর্তে জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি দেয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শনিবার দুপুরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় বাইরের খোলা জায়গা এবং ফুটপাতে অসংখ্য নেতাকর্মী জড়ো হন। একপর্যায়ে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি মূল সড়কে গিয়ে ঠেকে। এতে মৎস্য ভবন ক্রসিং থেকে শাহবাগ অভিমুখী সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। নেতাকর্মীরা জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন। বক্তব্যের পাশাপাশি বিভিন্ন ইসলামী সংগীত পরিবেশন ও কবিতা আবৃত্তি করা হয়। সমাবেশ ঘিরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, সংবিধান পরিবর্তন করে জনগণের দাবি মেনে তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। গণতন্ত্রের অপরিহার্য উপাদান নির্বাচন। সেটা হতে হবে অবাধ ও সুষ্ঠু। সেটা করতে হলে কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে করতে হবে। কিন্তু এরা (আওয়ামী লীগের প্রতি ইঙ্গিত করে) দিনের ভোট রাতে করে। লজ্জা তো ঈমানের অঙ্গ। কিছুটা তো লজ্জা থাকা উচিত নেতাদের। সুতরাং বলবো, ২০১৪ ও ২০১৮ গেছে যাক। এবার ২০২৪ আর সেভাবে যাবে না। এটা যদি আওয়ামী লীগ বুঝে তাহলে বলবো- আসুন, আলোচনা করুন। এবারের নির্বাচন হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। সে দাবি আদায়ে যা করা দরকার আমরা তা করবো, ইনশাআল্লাহ্। তিনি বলেন, আজ দেশের শাসকগোষ্ঠী ও সুবিধাভোগী মানুষ সৎ হলে ডোনার দেশ হতাম। কিন্তু সেটা করতে পারিনি। আপনারা না পারলে আমাদের সহযোগিতা করুন। তাহলেই দেশের পরিবর্তন হবে। সব ঠিক হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ্। এসময় তিনি সমাবেশের অনুমতি দেওয়া ও শেষ পর্যন্ত সহায়তার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জামায়াত কখনো বিশৃঙ্খলা করেনি, করে না এবং করবেও না। যদি বিশৃঙ্খলা হয় তবে সেটা বাইরে থেকে কেউ করতে পারে, স্যাবোটেজ। জামায়াতে ইসলামী সন্ত্রাস, নাশকতা, বিশৃঙ্খলা এবং হামলায় বিশ্বাস করে না।নায়েবে আমির আরও বলেন, জামায়াত দেশের তৃতীয় বৃহত্তম সুশৃঙ্খল আদর্শিক দল। রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা থাকেন তাদের জামায়াত সম্পর্কে জানতে হবে। আজকে যারা সোনার বাংলা গড়তে ঘোষণা দিয়েছিলেন তারা ব্যর্থ। সেখানে সোনার বাংলাদেশ ও সোনার নাগরিক তৈরির কাজ করছে জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবির। যে কারণে কোনো চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ইভটিজিং, মাদক বা নারী কেলেংকারির ঘটনায় ছাত্রশিবিরের কোনো নেতাকর্মীর নাম আসে না। কারণ, জামায়াত ও শিবির মডেল সোনার মানুষ তৈরি করে। তাহের দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ সব নেতাকর্মীর মুক্তি দাবি করে এবং একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি বলেন, নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে জামায়াত মুক্ত করবে এবং পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে আনার দাবি এবং একটি নৈতিকতাসম্পন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, যারা আমাদের সমাবেশের অনুমতি নিয়ে টালবাহানা করছে তারা জমায়াতের কোনো ক্ষতি করতে পারেনি। বরং তাদেরই ক্ষতি হয়েছে। নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে আমরা মুক্তি দিতে বাধ্য করবো, ইনশাআল্লাহ্। আওয়ামী লীগ বাকশাল কায়েমের মধ্যদিয়ে গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। তাদের কাছে গণতন্ত্র কখনোই নিরাপদ ছিলো না। কয়লা ধুলে যেমন ময়লা যায় না, তেমনই ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগ সাধু হয় না। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, সব দল যদি রাজপথে সভা-সমাবেশ করতে পারে জামায়াতও করবে। চার দেয়ালের মধ্যে আটকে রেখেছেন কেন? অধিকার আদায় করতে হলে আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়েই করতে হবে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল সমাবেশ করবো। বিশৃঙ্খলা জামায়াতের ঐতিহ্যে নেই। সরকার জনগণকে ভয় পেয়ে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে গেছে। তারা মুখে বলে গণতন্ত্র আর ক্ষমতায় গিয়ে বাকশাল কায়েম করে মুখ চেপে ধরে। হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, সরকারের সময় প্রায় শেষ। কয়েক মাস বাকি। অবিলম্বে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আওয়ামী লীগের অধীনে কোনোদিন সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগ যত সুন্দর কথা বলুক তাদের বিশ্বাস করা যায় না। জামায়াত আবিষ্কৃত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ফর্মুলা সঠিক। অতীতে তিনটি জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। সুতরাং আওয়ামী লীগের অধীনে আর নির্বাচন নয়।সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম বলেন, যারা আমাদের নিষিদ্ধ ও অবৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে অভিহিত করেছেন তারাই আজ আমাদের সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে। তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে। কই, আমাদের সমাবেশ থেকে তো একটি ঢিল ছুড়তেও দেখা যায়নি। তাহলে জামায়াতের বিরুদ্ধে সংঘাতের অভিযোগ কেন? সংঘাত-বিশৃঙ্খলার অভিযোগ তো আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রয়েছে। তিনি বলেন, জামায়াত একটি নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের নাম। দেশের ১১টি জাতীয় নির্বাচনের মধ্যে আমরা চারটিতে অংশ নিয়েছি। বাকি সব সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন এবং সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সেই দলকে আপনারা বলেন অবৈধ? আমাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বাধা দেবেন না। বাধা দিলে জাতির চির দুশমন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের অনেক নেতাকে আওয়ামী লীগ সরকার ফাঁসি কার্যকর করেছে। আজকের প্রধানমন্ত্রী একসময় বলেছিলেন আমি চিরদিনের জন্য কেয়ারটেকার সরকার চাই। আজকে তিনি কি কথা রেখেছেন? সুতরাং আমাদের আন্দোলন থামানো যায়নি, যাবে না। কেয়ারটেকারের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় আমির মুজিবুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগর উত্তরের ভারপ্রাপ্ত আমীর আব্দুর রহমান মুসা, সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মাঈনুদ্দিন আহমেদ, মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমীর হেলাল উদ্দিন, সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর আ. জব্বার, ঢাকা মহানগরীর উত্তরের নায়েবে আমীর গোলাম মোস্তফা, সহকারি সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিমুদ্দিন মোল্লা, ফখরুদ্দিন মানিক, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন, কামাল হোসেন, আবদুল মান্নান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মঞ্জুরুল ইসলামসহ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ জামায়াত ও শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

post
বিনোদন

শাহরিয়ার কবিরের মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের মেয়ে অর্পিতা শাহরিয়ার কবির মুমুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে বনানীর বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর রাতেই পরিবারের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করে পুলিশ।বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, বনানীর একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। রাতেই পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।শাহরিয়ার কবিরের মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তবে তিনি কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে পুলিশ জানাতে পারেনি।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিবে ইতালি

দ্বিপক্ষীয় অভিবাসন ও চলাচল ব্যবস্থার আওতায় বিশেষত নির্মাণ কাজ, জাহাজ নির্মাণ ও আতিথেয়তা খাতে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিতে সম্মত হয়েছে ইতালি। বুধবার রোমে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও ইতালির রাজনৈতিক আলোচনা থেকে এ তথ্য জানা যায়।পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এবং ইতালির পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব রিকার্ডো গুয়ারিগলিয়া আলোচনায় নিজ নিজ দেশের নেতৃত্ব দেন। ফ্লুসি ডিক্রির আওতায় ৪৬ শতাংশের বেশি কর্মী মৌসুমি ও অ-মৌসুমি কাজের জন্য বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে যাওয়ায় এ সময় সন্তোষ প্রকাশ করে ইতালি। রাজনৈতিক আলোচনার আগে মাসুদ বিন মোমেন এবং রিকার্ডো গুয়ারিগলিয়া বাংলাদেশ ও ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে রাজনৈতিক পরামর্শ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক সই করেন। বৈঠকে উভয় দেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, আইসিটি, কৃষি, অভিবাসনসহ একাধিক ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও গভীর করার আগ্রহ প্রকাশ করে। উভয় পক্ষ ইতালিতে অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে সম্মত হয়। ইতালি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করে এবং তাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ও মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সহায়তার আশ্বাস দেয়। ইতালি প্রতিনিধি দল ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের আওতায় ইন্দো-প্যাসিফিকের অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।

post
বাংলাদেশ

ঢাকাসহ যেসব অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে আজ

ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বুধবার সকালে আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে— চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এতে বলা হয়, এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তাপপ্রবাহ সম্পর্কে বলা হয়েছে— রাজশাহী, দিনাজপুর, যশোর ও সৈয়দপুর জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও বান্দরবান জেলাসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমি বায়ু টেকনাফ উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে। এতে জানানো হয়, ঢাকায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮ থেকে ১৫ কিলোমিটার, যা দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে বইছে। সকাল ৬টায় ঢাকার বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৬৮ শতাংশ। আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

post
প্রযুক্তি

দেশে প্রথমবারের জেসিআইয়ের স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট ও এক্সপো

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে আর স্মার্ট যুগের অপার সম্ভাবনাকে সুদৃঢ় করার প্রচেষ্টায় এগিয়ে এসেছে বিশ্বব্যাপী তরুণদের নিয়ে কাজ করা স্বেছাসেবী সংগঠন জেসিআই বাংলাদেশ। জেসিআই বাংলাদেশ এর আয়োজনে ও এসপায়ার টু ইনোভেট-এটুআই এর সহযোগিতায় আগামী ৯-১০ জুন ২০২৩ তারিখে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “জেসিআই স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট, এক্সপো ও সিওয়াইই অ্যাওয়ার্ড ২০২৩”।মঙ্গলবার (৬ জুন) সকালে, সংবাদ সম্মেলনের এসব তথ্য জানান এসপায়ার টু ইনোভেট-এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর। মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট জনাব জিয়াউল হক ভূঁইয়া।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারী জেনারেল জনাব নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, জেসিআই বাংলাদেশ এর ডেপুটি ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট জনাব ইমরান কাদির এবং এটুআই প্রোগ্রাম এর হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট মিডিয়া ম্যানেজার পূরবী মতিন, জেসিআই পাইওনিয়ারের লোকাল প্রেসিডেন্ট আল শাহরিয়ার। স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট ও এক্সপো’র উদ্যোগ নিয়েছেন জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল অফিসার তাহসিন আজিম সেজান, মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল, আরিজ আফসার খান, মোঃ এজাজুল হাসান খান, রেজয়ান উল হক, ষ্টিভ বেনেডিক্ট ডি’সিলভা, শান শাহেদ, শাখাওয়াত হোসেন, ফাহিম আহমেদ ও মো. ফজলে মুনিম।সংবাদ সম্মেলনে এসপায়ার টু ইনোভেট-এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন “সরকার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার চারটি ভিত্তি সফলভাবে বাস্তবায়নে কাজ করছে, এগুলো হচ্ছে—স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট সোসাইটি। স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সৃষ্টিশীল তরুণদের সংগঠন জেসিআই বাংলাদেশ যে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে সেজন্য তারা প্রশংসা পাওয়ার দাবি রাখে। তাদের এই অনুষ্ঠানটির সফল করার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে আমরা আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো।”জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হক ভূঁইয়া বলেন “আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, দেশে “স্মার্ট বাংলাদেশ” শীর্ষক এতো বড় আয়োজন এটাই প্রথম। বাংলাদেশ সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ লক্ষ্য মাত্রার সাথে জেসিআই বাংলাদেশ সংগঠনের তারুণ্যদীপ্ত অংশগ্রহণ এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে ।”তিনি আরও বলেন “অনুষ্ঠানে এবছরই প্রথম জেসিআই ক্রিয়েটিভ ইয়াং এন্টারপ্রেনিউর বা সিওয়াইই অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করা হচ্ছে এই সেশনটিতে প্রায় ২৫০জন তাদের উদ্ভাবনী ব্যবসার আইডিয়া শেয়ার করেন এর মধ্যে থেকে ১৫ জন্ বিজয়ীর জন্য রয়েছে ৩.৫ লক্ষ টাকা নগদ অর্থ পুরস্কার, তাদের ব্যবসাকে জেসিআই এর বিশ্ব প্লাটফর্মে দেখানোর সুযোগ এবং ভেঞ্চার ক্যাপটালস্টদের থেকে আরও ফান্ডিং জেনারেশন এর সুযোগ।”জেসিআই বাংলাদেশ এর ডেপুটি ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট জনাব ইমরান কাদির বলেন “এক্সপো আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক নামী ব্র্যান্ডগুলো তাদের ভবিষ্যত স্মার্টসল্যুশন প্রদর্শন করার সুযোগ পাবে”। উক্ত আয়োজনের প্রধান আহ্বায়ক জনাব তাহসিন আজিম সেজান বলেন “২দিন ব্যাপি অনুষ্ঠানে মোট ১১টি বিশেষ অধিবেশন বা সেশন থাকছে, উক্ত সেশনগুলোতে দেশ এবং দেশের বাইরের বিশেষজ্ঞ ও বক্তারা উপস্থিত থাকবেন”।

post
বিনোদন

২৪ ঘন্টার মধ্যে রাজের থেকে ডিভোর্স চাইলেন পরীমনি

সহ্যের বাঁধ ভেঙে গেছে পরীমণির। তাই আর ছাড় দিতে রাজি নন তিনি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বামী শরিফুল রাজের কাছে ডিভোর্স চাইলেন এ নায়িকা তিনি। সোমবার (৫ জুন) রাতে দেশের একটি গণমাধ্যমে লাইভে এসে এমনটাই জানান এ নায়িকা।লাইভে রাজের সঙ্গে সমঝোতা চান কি না প্রশ্নের উত্তরে পরীমণি বলেন, ‘আমি আর বসতে চাই না। যদি সমস্যা মিটে যেতো তাহলে অনেক আগেই হতো। আমি চাই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজ আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিক। সত্যি আমি চাই না, আমি রাজের স্ত্রী না, রাজ্যের মা আমার কাছে অনেক কমফোর্টএবল এবং অনেক আরাম, শান্তির ও সম্মানের। যেটার ভেতর কোনো ফেইকনেস নাই, কোনো মিথ্যা নাই।’নকল মানুষের সঙ্গে সংসার করা সম্ভব না জানিয়ে পরীমণি বলেন, ‘একটা ফেইক মানুষের সঙ্গে থাকতে পারব না। যে কি না দিতে পারে না। কালকে আপনাদের সঙ্গে যে কনভারসেশন (রাজের) হলো সেটা দেখেলেই মানুষ বুঝতে পারবে কতটা ফেইক, কতটা রিয়েল। আমার কিছু বলার নেই। আমি সমস্ত কিছু পাবলিককে দিয়ে দিলাম।’জানা গেছে, ওই ফাঁসের ঘটনার আগেই পরীমণির বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান রাজ। এখন তারা আলাদা বসবাস করছেন। রাজও বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানিয়েছেন যে, তিনি বিচ্ছেদ চান। কিন্তু এখন দেখার বিষয় তাদের সম্পর্কের জল কোথায় গিয়ে গড়ায়! কেননা, এর আগেও তাদের মধ্যে এমন ঘটনা ঘটেছে। পরে তারা এক হয়েছেন।

post
শিক্ষা

দ্বিতীয় মেয়াদে ইউজিসির সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ড. সাজ্জাদকে পিপলএনটেকের শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পাওয়ায় অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির কর্মকর্তারা।৬ জুন (মঙ্গলবার) দুপুর ১টায় রাজধানীর আগারগাঁও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের কার্যালয়ে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ, সহকারী ব্যবস্থাপক (অপারেশন) শেখ আহমেদ প্রমুখ। এরআগে, দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য নির্বাচিত হন ড. সাজ্জাদ হোসেন। সোমবার (৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১ শাখার উপসচিব ড. মো: ফরহাদ হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর-১০/৭৩)-এর সংশোধিত আইন, ১৯৯৮-এর ২ (বি) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেনকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে চার বছরের জন্য নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করেছেন।একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আইটি প্রতিষ্ঠান ‘পিপল এন টেক’ এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ছিলেন ।প্রযুক্তিবিদ ড. সাজ্জাদ হোসেন ১৯৬৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন নিজ জেলা চট্টগ্রামে। পড়াশুনা করেছেন ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং এর পর চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে রাশিয়ার বিখ্যাত মস্কো টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর লেখা ‘প্রোগ্রামিং ইন সি’ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

post
শিক্ষা

শিক্ষকদের পিএইচডি ডিগ্রির সাথে কর্মক্ষেত্রের সামঞ্জস্য থাকা উচিত: ইউজিসি

দেশের সরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের অর্জিত পিএইচডি ডিগ্রি তাঁদের শিক্ষাদান বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত বলে মনে করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।‘শিক্ষক কর্তৃক পিএইচডি অভিসন্দর্ভ ও শিক্ষাদান সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সামঞ্জস্য নিরূপণ’ শীর্ষক একাডেমিক সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ইউজিসির গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন।বিভিন্ন সরকারি স্কুল ও কলেজের ১১ জন শিক্ষকের পিএইচডি অভিসন্দর্ভ মূল্যায়নপূর্বক শিক্ষাদান সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সাথে অর্জিত ডিগ্রির সামঞ্জস্য নিরূপণে মঙ্গলবার ইউজিসি এই একাডেমিক সেমিনারের আয়োজন করে।অনুষ্ঠানে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুর রশিদ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. কামরুল আলম খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আব্দুল হালিম, প্রফেসর ড. রুবিনা খান ও প্রফেসর ড. আখতার হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জালাল আহাম্মদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. বশির আহমেদ, প্রফেসর ড. আলমগীর কবির ও প্রফেসর ড. সৈয়দ হাফিজুর রহমান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আশরাফুল আলম এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মিল্টন বিশ্বাস অংশগ্রহণ করেন। ইউজিসি’র গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক ড. মো. ফখরুল ইসলাম সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, দেশে গুণগত শিক্ষা ও গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ইউজিসি কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন তাদের কর্মক্ষেত্রের সাথে সামঞ্জস্য কিনা সেটি যৌক্তিকতা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হয়। আর্থিক বিষয় যুক্ত হওয়ায় এক্ষত্রে স্বচ্চতা নিশ্চিত করা দরকার।তিনি আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কোন বিকল্প নেই। গবেষণা ও উদ্ভাবন দরকার দেশের প্রয়োজনের নিরিখে। শিক্ষকদের অর্জিত পিএইচডি ডিগ্রি জাতির কোন কল্যাণে আসছে কিনা সেটি দেখতে হবে। ইউজিসি বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে সরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের পিএইচডি ডিগ্রির সামঞ্জস্য নিরূপণ সুচিন্তিতভাবে করা হবে বলে তিনি জানান।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, প্রত্যেক গবেষকের একাডেমিক প্রোফাইল ও গবেষণার তথ্য ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশ করার প্রয়োজন। ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন বৃদ্ধির জন্য গবেষকদের উৎসাহ প্রদান করা জরুরি। এছাড়া, দেশি ও বিদেশী প্রতিষ্ঠানসমূহ গবেষণার তথ্য ব্যবহার করে বাংলাদেশে যেন বিনিয়োগে আকৃষ্ট হয় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, দেশে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করা ও গবেষণা কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ইউজিসি কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বৈদেশিক স্কলারশিপের জন্য প্রথম পর্যায়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এছাড়া, গবেষণায় এ বছর বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে যার পরিমান ১৭৪ কোটি টাকা।ইউজিসির গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. শাহীন সিরাজ- এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

post
শিক্ষা

দ্বিতীয় মেয়াদে ইউজিসির পূর্ণকালীন সদস্য হলেন ড. সাজ্জাদ হোসেন

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন। সোমবার (৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১ শাখার উপসচিব ড. মো: ফরহাদ হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর-১০/৭৩)-এর সংশোধিত আইন, ১৯৯৮-এর ২ (বি) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেনকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে চার বছরের জন্য নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করেছেন।একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আইটি প্রতিষ্ঠান ‘পিপল এন টেক’ এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ছিলেন । প্রযুক্তিবিদ ড. সাজ্জাদ হোসেন ১৯৬৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন নিজ জেলা চট্টগ্রামে। পড়াশুনা করেছেন ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং এর পর চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে রাশিয়ার বিখ্যাত মস্কো টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর লেখা ‘প্রোগ্রামিং ইন সি’ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

রাজধানীর বসুন্ধরায় বিষক্রিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যু

রাজধানী ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তেলাপোকা মারার স্প্রের বিষক্রিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। পেস্ট কন্ট্রোল সার্ভিসের অদক্ষ কর্মীদের কারণে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।নিহত শিশুরা হলো– শায়েন মোবারত জাহিন (১৫) ও শাহিল মোবারত জায়ান (৯)। তারা দুজনেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এ ঘটনায় দুই শিশুর মা শারমিন জাহান লিমা ও বাবা মোবারক হোসেন বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।রোববার (৪ জুন) বসুন্ধরা আবাসিকের আই বক্লে এ ঘটনা ঘটে।সোমবার (৫ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান। পুলিশ ও নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২ জুন) বসুন্ধরা আই বক্লের নতুন বাসায় স্প্রে পেস্ট কন্ট্রোল সার্ভিসের কর্মীরা এসে স্প্রে করে যান। এর দুই দিন পর পরিবারের সদস্যরা বাসায় প্রবেশ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে রোববার ভোরে শাহিল মোবারত জায়ান মারা যায়। এরপর রোববার রাত ১০টায় বড় ছেলে শায়েন মোবারত জাহিন মারা যায়।নিহতের খালা ডা. রওনক জাহান রোজি অভিযোগ করে বলেন, পেস্ট কন্ট্রোল সার্ভিসের অদক্ষ কর্মীদের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা পেস্ট কন্ট্রোল সার্ভিসের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোন সঠিক উত্তর পাইনি। এ বিষয়ে ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, দুই শিশু বিষক্রিয়াজনিত কারণে মারা গেছে বলে জানতে পেরেছি। তাদের মরদহ এখন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি আমরা। এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.