post
লাইফ স্টাইল

শরীর সুস্থ রাখে যেসব ভিটামিন

নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য আপনার খাবারের তালিকার দিকে খেয়াল রাখবেন। সেখানে প্রোটিন, ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি রাখতে হবে ভিটামিন সি যুক্ত খাবারও। আমাদের শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে বিভিন্ন ভিটামিন যুক্ত খাবার। চলুন জেনে নেওয়া যাক সুস্থতার জন্য কোন ভিটামিনগুলো খাবেন এবং তা কোন খাবারে পাওয়া যাবে-শরীরের জন্য সবচেয়ে জরুরি ভিটামিনের একটি হলো ভিটামিন এ। এটি হাড়, ত্বক এবং দাঁত উন্নত করতে বেশ কার্যকরী। ভিটামিন এ সবচেয়ে বেশি কার্যকরী হলো চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে। তাই আপনার দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার জন্য ভিটামিন এ যুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি, আম, খেজুর, ব্রকোলি এবং স্যামন ফিশে এই ভিটামিন মিলবে। ভিটামিন বি হলো মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ। এই ভিটামিনের ভেতরে সবচেয়ে উপকারী হলো ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি ২, ভিটামিন ডি ৩, ভিটামিন বি ৫, ভিটামিন বি ৭, ভিটামিন বি ৯ এবং ভিটামিন বি ১২। কোন খাবারে ভিটামিন বি পাবেন? মাছ, মাংস, ডাল, বাদাম, পাউরুটি এবং খাসির মাংসে পেয়ে এসব ভিটামিন। শরীরের জন্য সবচেয়ে জরুরি ভিটামিনের একটি হলো ভিটামিন সি। এটি শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট তৈরি করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। বিভিন্ন ফল, বিশেষ করে লেবু এবং কমলায় ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এছাড়া আঙুর, স্ট্রবেরি, পেয়ারা, ডেউয়া ইত্যাদি ফলেও থাকে প্রচুর ভিটামিন সি।

post
লাইফ স্টাইল

আনন্দে থাকতে চাইলে যা করবেন

আমরা আনন্দে থাকতে চাই, কিন্তু সেই কাঙ্ক্ষিত আনন্দ খুঁজে পাই না। আসলে আনন্দে থাকার জন্য আলাদা কোনো প্রচেষ্টার প্রয়োজন নেই। আপনার প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজই পারে জীবনে আনন্দ নিয়ে আসতে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-কৃতজ্ঞতা এমন এক জিনিস যা আপনাকে অনাবিল আনন্দ দিতে পারে। একজন কৃতজ্ঞ মানুষ কখনো হতাশ হয় না। দিনের শুরুতেই আপনার ধর্মীয় প্রার্থনা দিয়ে কৃতজ্ঞতা পেশ করুন। যাদের প্রতি আপনি কৃতজ্ঞ তাদের নাম রাখুন প্রার্থনায়। ছোট্ট এই কাজ আপনার শরীরে বাড়িয়ে তুলবে ডোপামিনের মাত্রা। প্রতিদিন সকালে অন্তত বিশ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন। এর ফলে পরিবর্তন আপনি নিজে দেখতে পাবেন। মানুষ যখন কোনো ব্যায়াম করে তখন তার শরীর এন্ডোরফিল নিঃসরণ করে। এই হরমোনও আমাদের সুখী করতে কাজ করে। অল্প কিছুক্ষণ হাঁটাচলাও আপনাকে খুশি রাখতে পারে। রাতে আগে ঘুমাতে যাবেন এবং খুব সকালে ঘুম থেকে জাগবেন। এই অভ্যাস আপনার জীবন থেকে অনেক অশান্তি দূর করে দেবে। সকালের রোদ নিয়ম করে গায়ে মাখবেন। এই অভ্যাস শরীরকে সেরোটোনিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এই হরমোন সুস্থতা এবং সুখের অনুভূতি দেয়। আনন্দের অনুভূতির পেছনে আমাদের খাবারের তালিকারও কিন্তু ভূমিকা রয়েছে। আপনার খাবারের তালিকায় ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত খাবার যোগবার করুন। চর্বিযুক্ত মাছ, বীজ এবং বাদাম জাতীয় খাবারে এই উপাদান মিলবে। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

post
লাইফ স্টাইল

যেসব সবজির খোসা ফেলবেন না

কিছু সবজি আছে যেগুলোর খোসা না ফেলে খাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে খোসা ছাড়িয়ে রান্না করাই ঠিক আছে। কিন্তু এমন এমন অনেক সবজি আছে যেগুলোর খোসাসহ খাওয়া যায় এবং এভাবে খাওয়াই উত্তম। আমরা হয়তো না জেনেই তার খোসা ফেলে রান্না করি। এতে বিভিন্ন পুষ্টি থেকে আমাদের শরীর বঞ্চিত হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন সবজিগুলোর খোসা ফেলবেন না-কুমড়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী একথা সবারই জানা। কারণ এতে থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও মিনারেলের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। তবে মজার বিষয় হলো ‍কুমড়ার থেকেও কুমড়ার খোসায় আরও অনেক বেশি পুষ্টিগুণ লুকানো থাকে। এর খোসা শুধু শরীরের সুস্থতার জন্যই নয় বরং ত্বকের জন্যও বেশ উপকারী। উপকারী সব সবজির মধ্যে অন্যতম হলো শসা। এটি আমাদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে দারুণ কার্যকরী। এই সবজিতে থাকে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য এবং ভিটামিন ও মিনারেল। এটি ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ কার্যকরী। শসার প্রায় নব্বই শতাংশই পানি। এটি নিয়মিত খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়, দূর হয় পানিশূন্যতাও। মিষ্টি স্বাদের মিষ্টি আলু খেতে কে না পছন্দ করেন! তবে এই আলু খাওয়ার সময় আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খোসা ফেলে দিই। কিন্তু আপনি জানেন কি, মিষ্টি আলুর খোসায়ও অনেক পুষ্টি উপাদান থাকে। এর খোসায় থাকে ভিটামিন সি, ই, ফাইবার, বিটা ক্যারোটিনের মতো প্রয়োজনীয় উপাদান। এর ফলে আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তো বাড়েই, সেইসঙ্গে বৃদ্ধি পায় দৃষ্টিশক্তিও। ভাতের পরে সম্ভবত আমরা আলুই বেশি খেয়ে থাকি। এই এক সবজি দিয়ে তৈরি করা যায় অসংখ্য পদের খাবার। এতে থাকে থাকে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট। তবে আলু খোসাসহ খেলেই মিলবে বেশি পুষ্টি। এতে থাকে আয়রন, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ। রান্নার সময় তাই আলুর খোসা বাদ দেবেন না।

post
লাইফ স্টাইল

চুলে মধু ও কলা ব্যবহার করলে কী হয়?

চুলের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করাই সবচেয়ে ভালো। মধু এবং কলার হেয়ারপ্যাক এক্ষেত্রে বেশ উপকারী। ভিটামিন, খনিজ এবং প্রাকৃতিক এনজাইম সমৃদ্ধ এই দুই উপাদান শুধুমাত্র চুলের বৃদ্ধিই নয় বরং চুলকে রেশম ও উজ্জ্বলও করে। তাই আপনার চুলের নিয়মিত যত্নে এই দুই উপকারী উপাদান যুক্ত করতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক চুলের যত্নে মধু ও কলা ব্যবহার করলে কী উপকার পাবেন-মধুর উপকারিতা: মধু প্রকৃতির অমৃত হিসাবে পরিচিত। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে পরিপূর্ণ। মধু হিউমেক্ট্যান্ট হিসাবে কাজ করে, যা চুলের মধ্যে আর্দ্রতা টেনে এবং তা আটকে রাখে। হিউমেক্ট্যান্ট বাতাস থেকে বা ত্বকের গভীর থেকে পানিকে আকর্ষণ করে। এতে ইমোলিয়েন্ট বৈশিষ্ট্যও রয়েছে, যা চুলের ফলিকল মসৃণ করে। এর ফলে চুল চকচকে ও নরম হয়। মধুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য খুশকি এবং অন্যান্য সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। ফলে স্বাস্থ্যকর স্ক্যাল্প বজায় রাখা সহজ হয়ে যায়। কলার উপকারিতা: গবেষণা অনুসারে, কলা পটাসিয়াম, প্রাকৃতিক তেল, কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিনের সমৃদ্ধ উৎস। এই পুষ্টিগুলো চুলকে নরম করে এবং এর প্রাকৃতিক স্থিতিস্থাপকতা রক্ষা করে, সেইসঙ্গে চুলের আগা ফেটে যাওয়া এবং ভঙুরতা রোধ করে। কলায় সিলিকাও থাকে, যা চুল মজবুত করে এবং বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তৈরি করতে যা লাগবে: ১টি পাকা কলা ২ টেবিল চামচ মধু ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল। যেভাবে তৈরি করবেন: কলার খোসা ছাড়িয়ে একটি পাত্রে ভালো করে ম্যাশ করুন যতক্ষণ না এটি একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি হয়। কলায় যেন কোনো দলা না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। কারণ দলা থাকলে তা চুলে আটকে থাকতে পারে। এবার ম্যাশ করা কলায় মধু যোগ করুন এবং ভালোভাবে মেশান। আপনি যদি অলিভ অয়েল ব্যবহার করেন তবে এই পর্যায়ে সেটি যোগ করুন। অলিভ অয়েল অতিরিক্ত পুষ্টি এবং উজ্জ্বলতা যোগ করবে, যা হেয়ার মাস্কটিকে আরও কার্যকরী করে তুলবে। তৈরি হয়ে গেলে চুল ও স্ক্যাল্পে ভালোভাবে মেখে অপেক্ষা করুন ঘণ্টাখানেক। এরপর ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু করতে চাইলে মাইল্ড কোনো শ্যাম্পু বেছে নেবেন।

post
লাইফ স্টাইল

ঘরের যে কাজগুলো আপনার মেদ কমাবে

ফ্যাট কমানোর প্রসঙ্গ এলে প্রথম যে জিনিসটি সাধারণত মনে আসে তা হলো কঠোর তীব্র ব্যায়াম বা জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটানো। ফ্যাট কমানো আসলে এতটাও কঠিন নয়। আপনার প্রতিদিনের চলাফেরা এবং কিছু কাজই এক্ষেত্রে আপনাকে দারুণ সাহায্য করতে পারে। পেটে জমে থাকা বাড়তি মেদ ঝরানোর জন্য বাড়িতে কিছু কাজ করতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক-হাঁটা: মেদ ঝরানোর সবচেয়ে আন্ডাররেটেড উপায়গুলোর মধ্যে একটি হলো হাঁটা। এটি এমন এক কাজ যা সহজেই আপনার দৈনন্দিন রুটিনে যোগ করতে পারেন। হাঁটা হৃদস্পন্দন বাড়াতে, সঞ্চালন উন্নত করতে এবং বিপাককে বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে, যা সমস্ত ক্যালোরি এবং মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। লিফট বা এসকেলেটর ব্যবহার না করে সিঁড়ি বেছে নিন। এই সাধারণ পরিবর্তনটি আপনার প্রতিদিনের হাঁটার পরিমাণ বৃদ্ধি করবে। এছাড়া হাঁটার দূরত্বে গাড়ি বা রিকশার পরিবর্তে হেঁটেই যাতায়াত করুন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে কিছুক্ষণের জন্য হাঁটাহাঁটি করুন। গৃহস্থালির কাজ: গৃহস্থালির কাজ আশ্চর্যজনকভাবে ক্যালোরি পোড়াতে এবং মেদ কমানোর ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। ভ্যাকুয়ামিং, মোপিং, বাগান করা এবং এমনকী গাড়ি ধোয়ার মতো কাজগুলো শারীরিক মুভমেন্টের সঙ্গে জড়িত। এগুলো হৃদস্পন্দনকে বাড়িয়ে তোলে এবং বিভিন্ন পেশী সচল করতে কাজ করে। বাগান করা, মাটি খনন করা, রোপণ করা, আগাছা পরিষ্কার করা ইত্যাদি মেদ ঝরাতে দারুণভাবে কাজ করে। এছাড়া বাড়ি পরিষ্কারের কাজ, আসবাবপত্র মোছা, কাপড় ধোয়াও এক্ষেত্রে সহায়ক। দাঁড়িয়ে থাকা: দাঁড়িয়ে থাকলেও কিন্তু ক্যালোরি বার্ন হতে পারে। দাঁড়িয়ে থাকলে তা বসে থাকার চেয়ে বেশি ক্যালোরি পোড়ায়। সম্ভব হলে কর্মক্ষেত্রে একটি স্ট্যান্ডিং ডেস্ক ব্যবহার করুন বা সারাক্ষণ বসে না থেকে মাঝে মাঝে উঠে কিছুক্ষণের জন্য দাঁড়ান। টিভি দেখার সময় সোফায় শুয়ে-বসে না থেকে দাঁড়িয়ে দেখতে পারেন। লাইনে অপেক্ষা করার সময় বসে না থেকে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন।

post
লাইফ স্টাইল

তামার পাত্রে পানি পানের যত উপকারিতা

তামার পাত্রের ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। বর্তমানে সুন্দর ডিজাইনের প্ল্যাস্টিক ও বিভিন্ন ধাতবের তৈরি পাত্র সহজলভ্য হলেও তামার পাত্রের কদর আজও কমেনি। আয়ুর্বেদে বলা হয়, তামা ও পিতলের পাত্রে পান করা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বিশেষ করে তামার পাত্রে পানি পান করলে রোগ-ব্যাধি অনেক দূরে থাকে।তাই প্লাস্টিকের বা অন্য কোনো ধাতুর তৈরি পাত্রের পরিবর্তে তামার পাত্র ব্যবহার করতে উৎসাহিত করছেন আয়ুর্বেদরা। তামার পাত্রে পানি পান করলে কী কী উপকার মিলবে চলুন জেনে নিই— অ্যানিমিয়া দূর করে: পানিতে আয়রন সঞ্চার করতে পারে তামা। ফলে রক্তে আয়রনের মাত্রা বাড়তে পারে। এজন্যেই তামার পাত্রে পানি পান করলে অ্যানিমিয়ার সমস্যা কমে যায়। এছাড়াও শরীরে আয়রন কমে শ্বেত রক্তকণিকাও কমতে থাকলে, সেই সমস্যাও দূর করতে পারে তামা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়া খুব প্রয়োজনীয়। তামা, পানির মধ্যে লুকিয়ে থাকা ক্ষতিকারক জীবাণুকে ধ্বংস করতে পারে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: তামায় মজুত উপাদানগুলো পাকস্থলীর ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে। এছাড়াও যকৃতে জমে থাকা ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়। যাদের পেটের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, আলসার, গ্যাস বা অম্বলের সমস্যা, বদহজম বা অন্যান্য কোনো পেটের সমস্যা আছে, তারা তামার পাত্রেই পানি পান করুন। বাতের সমস্যা কমায়: তামার অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান গাঁটে গাঁটে ব্যথায় উপশম দেয়। সেই সঙ্গে বাত বা আর্থরাইটিস কমে যায় তামার পাত্রে নিয়মিত পানি পান করলে। ওজন কমাতে পারে: তামার পাত্রে নিয়মিত পানি পান করলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি ঝরতে শুরু করে। এর ফলে মেদ অনেক কমে যায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: বিশেষজ্ঞদের গবেষণা থেকে জানা যায় যে, তামার পাত্রে পানি পান করলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। সেই সঙ্গে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি বা হৃদরোগের সমস্যাকেও দূরে রাখে। থাইরয়েড গ্রন্থির কাজে ভারসাম্য বজায় রাখে: থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত হরমোন নিঃসরণ আটকাতে পারে তামা। যার ফলে এর কাজে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হয়। ক্যানসার দূর করে: তামায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ক্যানসার বিরোধী। পানির সঙ্গে এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মিশে শরীরের কোষ বিভাজনের সঠিক প্রক্রিয়ায় নজর রাখে। যার ফলে ক্যানসার দূরে থাকার সম্ভবনা থাকে। যৌবন ধরে রাখে: তামা ত্বকে বলিরেখা পরতে দেয় না। সেই সঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়ায়। এছাড়াও এই ধাতু প্রোটিন বাহক হিসেবে কাজ করে, যা চুলের জন্যেও অত্যন্ত উপকারী। তামার পাত্র পরিষ্কার করার নিয়ম: তামা যেমন উপকারী, সেরকম খুব তাড়াতাড়ি কালো দাগ পরে যায় এই পাত্রের ওপর। যেটি সহজেই পরিষ্কার করা যায়। উষ্ণ গরম পানির সঙ্গে লবণ ও লেবু মিশিয়ে তামার পাত্র কিছুক্ষণ রেখে দিন। এরপর ভালো করে নাড়িয়ে ফেলে দিন। পাত্রের গায়ে লেবু সঙ্গে লবণ মিশিয়ে ভালো করে ঘষুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। লেবুর রস কম থাকলে ভিনেগার মিশিয়ে নিতে পারেন সঙ্গে। এভাবে খুব সহজে ঘরোয়া পদ্ধতিতে পরিষ্কার করুন তামার পাত্র।

post
লাইফ স্টাইল

হার্ট ভালো রাখে গ্রীষ্মের এই ফল

কাঁচা আম বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের একটি বড় উৎস। যার মধ্যে ভিটামিন, মিনারেল, ডায়েটারি ফাইবার ও ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। এছাড়া, গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপে আম খাওয়া উচিত। কাঁচা আমের অনেক গুণাগুন রয়েছে। আসুন সেগুলো জেনে নেওয়া যাক।হার্টের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ করে : আমে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান রয়েছে। যা রক্ত প্রবাহ বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা একটি সুস্থ হার্টের দিকে পরিচালিত করে। এই পুষ্টিগুলো আপনার রক্তনালীগুলিকে শিথিল করতে সাহায্য করে ও রক্তচাপ কমায়। ফলটি ম্যাঙ্গিফেরিন সমৃদ্ধ, একটি সুপার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে : কাঁচা আম অনাক্রম্যতা-বর্ধক পুষ্টির ভালো উৎসে ভরপুর। গবেষণা অনুসারে, এক কাপ কাঁচা আম আপনার প্রতিদিনের ভিটামিন এ-এর চাহিদার ১০ শতাংশ প্রদান করে, যা একটি সুস্থ ইমিউন সিস্টেমের জন্য অপরিহার্য। সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে : অন্যান্য তাজা ফলের তুলনায় কাঁচা আমে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ খুব বেশি থাকে না। এটি আসলে ডায়াবেটিসের মতো বিপাকীয় পরিস্থিতিতে ভুগছেন, এমন ব্যক্তিদের রক্তে সুগারের মাত্রা ভারসাম্য বজায় রাখতে বা কমিয়ে আনতে সহায়তা করে। হজমের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায় : কাঁচা আমে পাওয়া পাচক এনজাইম, যা অ্যামাইলেস নামে পরিচিত, বড় খাদ্যের অণুগুলোকে ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে, যাতে সেগুলো সহজেই শোষণ করা যায়। এগুলো জটিল কার্বোহাইড্রেটকে চিনিতে ভেঙে দেয়, যেমন গ্লুকোজ ও মল্টোজ। প্রচুর জল এবং খাদ্যতালিকাগত ফাইবারের কারণে, কাঁচা আম কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়ারিয়ার মতো হজম সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।

post
লাইফ স্টাইল

ঈদুল আজহার ৪ সুন্নত

ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা মুসলমানদের ধর্মীয় দুই প্রধান উৎসব। এই দুই দিনে রাসূল সা. আমাদের আনন্দ উৎসব পালন করতে বলেছেন। হাদিসে রাসূল সা. বলেছেন, ‘প্রতিটি জাতির আনন্দ-উৎসব আছে। আর আমাদের আনন্দ-উৎসব হলো দুই ঈদ।’ (বুখারি, হাদিস : ৯৫২) ঈদের দিনের আনন্দ-উৎসব মানে আল্লাহর বিধানের সামনে নিজেকে সমর্পন করে দেওয়া। কোনো অশ্লীল কাজে লিপ্ত না হওয়া। এখানে ঈদুল ফিতরের চারটি সুন্নত আমল তুলে ধরা হলো— ঈদের নামাজের জন্য গোসল করা ও মিসওয়াক করা সুন্নাত। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, আল্লাহর রাসুল (সা.) ঈদুল ফিতর ও আজহার দিন গোসল করতেন। (বুখারি, হাদিস : ১/১৩০) একইসঙ্গে ঈদুল আজহার দিন পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন সুন্দর ও সাধ্যের ভেতর সবচেয়ে উত্তম পোষাক পরিধান করা সুন্নত। ঈদুল আজহার দিন পানাহার ব্যতীত ঈদগাহে গমন করা ও নামাজের পর নিজের কোরবানির গোশত দিয়ে প্রথম খাবার গ্রহণ করা সুন্নত। হাদিস শরিফে এসেছে, আল্লাহর রাসুল (সা.) ঈদুল ফিতরের দিন কোনো কিছু না খেয়ে ঈদগাহে যেতেন না। আর ঈদুল আজহার দিন নামাজ না পড়ে কিছু খেতেন না। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ৫৪২) ঈদগাহে যাওয়ার সময় ঈদুল আজহার দিন উচ্চস্বরে তাকবির পাঠ করা সুন্নত। তাকবির পাঠের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলাকে বেশি বেশি স্মরণ করা সুন্নত। পুরুষেরা এ তাকবির উঁচু আওয়াজে পাঠ করবে, মেয়েরা নীরবে। এ তাকবির জিলহজ মাসের ৯ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত পাঠ করবে। (ফাতহুল বারি : ২/৫৮৯)

post
লাইফ স্টাইল

গরুর মাংসের বিরিয়ানি রান্নার রেসিপি

ঈদের আয়োজনে বিরিয়ানি থাকবে না তাই কি হয়? ‍সুস্বাদু গরুর মাংসের বিরিয়ানি রান্না করলে সবাই খেতে পছন্দ করবে নিশ্চয়ই। তবে সঠিক রেসিপি জানা না থাকার কারণে অনেকের বিরিয়ানি ঠিক সুস্বাদু হয় না। তবে মন খারাপের কারণ নেই। সহজেই রেসিপি শিখে নিয়ে আপনিও রাঁধতে পারেন সুস্বাদু বিরিয়ানি। ঈদের আয়োজনে গরুর মাংসের বিরিয়ানি রাখতে পারেন। অতিথি আপ্যায়নে এই পদ খাবার টেবিলে সবার মনোযোগ কেড়ে নেবেই। চলুন জেনে নেওয়া যাক গরুর মাংসের বিরিয়ানি রান্নার রেসিপি- মাংসের জন্য যা লাগবে গরুর মাংস- ১ কেজি আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ রসুন বাটা- ১/২ টে চামচ ধনে গুঁড়া- ১ চা চামচ জিরা গুঁড়া- ২ চা চামচ মরিচ গুঁড়া- ১/২ টে চামচ হলুদ গুঁড়া- ১/২ চা চামচ গরম মসলা গুঁড়া- ১ চা চামচ জায়ফল-জয়ত্রী গুঁড়া- ১/৪ চা চামচ বেরেস্তা- ১/২ কাপ টক দই- ১/৪ কাপ তেল /ঘি- ১/২ কাপ আস্ত গরম মসলা- ৪/৫ টি করে তেজপাতা- ২টি কাঁচামরিচ- ১০/১২টি লবণ- স্বাদমতো । পোলাওয়ের জন্য যা লাগবে পোলাওর চাল- ৩ কাপ দুধ- ১ কাপ পানি- ৫ কাপ আলু- ৪/৫টি এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা- ২টি করে কাঁচা মরিচ- ১০-১২টি চিনি- ১ চা চামচ লবণ- স্বাদমতো

post
লাইফ স্টাইল

রক্তদানের উপকারিতা জেনে নিন

যারা নিঃস্বার্থভাবে রক্তদান করেন, তাদের সম্মান জানাতে প্রতি বছর জুন মাসের ১৪ তারিখ বিশ্ব রক্তদাতা দিবস পালন করা হয়। ইভেন্টটি নিরাপদ রক্ত ​​এবং এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ারও কাজ করে। বিশ্ব রক্তদাতা দিবস ২০২৪-এর থিম ছিল ‌‘দান উদযাপনের ২০ বছর: ধন্যবাদ, রক্তদাতারা!’রক্তদানের নিঃস্বার্থ কাজ অনেকের জীবন বাঁচাতে পারে এবং অনেক গ্রহীতাকে উপকৃত করতে পারে, আপনি কি জানেন যে রক্তদান রক্তদাতাকেও বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে? বিশেষজ্ঞদের মতে রক্তদানের অনেকগুলো উপকারিতা রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক- রক্ত দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি জীবন বাঁচায়। প্রত্যেক দাতার রক্ত ​​তিনজন পর্যন্ত ভিন্ন ব্যক্তি ব্যবহার করতে পারেন যাদের ট্রান্সফিউশন বা অন্যান্য রক্তের পণ্য প্রয়োজন। নিঃস্বার্থভাবে করা এই কাজ পরিপূর্ণতা এবং ইতিবাচকতার অনুভূতি তৈরি করে। যা মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। রক্ত দান করার আগে কিছু শারীরিক পরীক্ষা এবং স্ক্রীনিং করতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে নাড়ি, রক্তচাপ, শরীরের তাপমাত্রা এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রা পরীক্ষা করা। একজন ডাক্তার আপনার ক্লিনিকাল ইতিহাস পর্যালোচনা করে এবং স্বাস্থ্য মূল্যায়ন পরিচালনা করে। এতে করে আপনার স্বাস্থ্যের ছোটখাটো পরীক্ষা হয়ে যায়। রক্তদানের মাধ্যমে আপনি বিনামূল্যে রক্তের বিশ্লেষণও পান, যা এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি এবং সি সংক্রমণের পাশাপাশি সিফিলিসের মতো রোগের জন্য পরীক্ষা করে। রক্তদাতার কোনো সমস্যা থাকলে তা জানানো হয়, যাতে সে অতিরিক্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে পারে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.