post
লাইফ স্টাইল

নারী নয়, পুরুষরাই বিষণ্ণতায় বেশি ভোগেন!

বিষণ্ণতা একটি ভয়ংকর সমস্যা। বাইরে থেকে কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও; ভেতরে ভেতরে একটি মানুষ অনেক বেশি দুর্বল হতে পারে, এই বিষণ্ণতায় আক্রান্ত হওয়ার কারণেই। অফিশিয়াল তথ্য অনুসারে, পুরো বিশ্বে ৪৫.৭ মিলিয়ন মানুষ বিষণ্ণতায় ভোগেন। দিন দিন এই সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যদিও ডিপ্রেশন মেয়েদের মধ্যে বেশি দেখা যায়; তবে পুরুষদের মধ্যেও অনেকে বিষণ্ণতায় ভুগতে পারেন। বরং পুরুষদের বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশনে ভোগার সংখ্যা, নারীদের চেয়ে বেশি। ভারতীয় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ প্রতিক্ষা সাক্সেনা বলেছেন, পুরুষদের মধ্যে বিষণ্ণতার কয়েকটি লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে। যেমন-১. ঘুমাতে অসুবিধা হওয়া বা ক্লান্ত বোধ করা।২. অস্বাভাবিক ক্ষুধা পরিবর্তনের কারণে, ওজন হ্রাস বা বৃদ্ধি।৩. মানসিক শূন্যতা বা শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করা।৪. যৌন ইচ্ছা বা কর্মক্ষমতা হ্রাস।৫. মাথাব্যথা।৬. পেশী ব্যথা।৭. পেট খারাপ করা।৮. দৈনন্দিন কাজকর্মে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা।৯. কাজে মনোনিবেশ করতে বা মনোযোগ ধরে রাখতে অক্ষমতা।পুরুষদের ‍বিষণ্ণতায় ভোগা নিয়ে কিছু প্রথা আছে। সেগুলা ভাঙ্গার উপায় বলেছেন সিনিয়র মনোরোগ বিজ্ঞানী ডাঃ সমীর কুমার প্রহরাজ:১. বিষণ্ণতাকে মেয়েলি রোগ ভাবা বন্ধ করতে হবে। প্রচলিত খুব সাধারণ একটি ভুল ধারণা হলো, পুরুষরা শক্তিশালী। তাই তারা বিষণ্ণ হতে পারে না।২. অনেকে বিভিন্ন জিনগত কারণে বিষণ্ণতায় ভুগতে পারেন। এরকম ব্যক্তিরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন।৩. বিশ্বব্যাপী আত্মহত্যার চেষ্টা করার ক্ষেত্রে নারীর সংখ্যা বেশি। কিন্তু বেশি সংখ্যক পুরুষ আত্মহত্যা করে মারা যান।৪. বিষণ্ণতায় ভোগা পুরুষরা রাগ এবং বিরক্তি বেশি প্রকাশ করে। অপরদিকে নারীরা সাধারণত দুঃখ প্রকাশ করে।৫. অনেক পুরুষ খোলাখুলিভাবে বিষণ্ণবোধ করার কথা স্বীকার নাও করতে পারে। অতিরিক্ত কাজের চাপ, পরিবার বা কর্মক্ষেত্রের দায়িত্ব এড়ানো এবং ঝুঁকি নেওয়ার আচরণে বিষণ্ণতা প্রকাশ পায়।৫. পুরুষদের বিষণ্ণতার ব্যাপারে সাহায্য চাওয়ার প্রবণতা কম। তাই, পরিবারের নারী সদস্যদের ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে।

post
লাইফ স্টাইল

ছোলা ভাজা খাওয়ার ৫ উপকারিতা

ছোলা ভাজা খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছে। এটি সুস্বাদু একটি নাস্তা হিসেবেও বেছে নেন অনেকে। বিশেষ করে স্কুলে টিফিনের সময়ে ছোলাভাজা কিনে খাওয়ার স্মৃতি আছে অনেকেরই। আবার বন্ধু কিংবা পারিবারিক আড্ডায় ছোলা ভাজা খাওয়া হয়। একমুঠো ছোলা ভাজা প্রাণবন্ত করতে পারে আপনার ভ্রমণের সময়টাকেও। এইযে যেকোনো সময় খাওয়া হয়, তা কি কেবল এমনিতেই? নিশ্চিত থাকুন যে ছোলা ভাজা খাওয়ার উপকারিতার কথা অনেকেই জানেন না। এমনকী আপনারও হয়তো অজানা। চলুন জেনে নেওয়া যাক ছোলা ভাজা খেলে কী উপকার হয়-১. ফাইবার এবং প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ ফাইবার এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ ছোলা ভাজা শরীরে এই দুই উপাদানের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। একশো গ্রাম ছোলা ভাজার মধ্যে প্রায় ১৮ থেকে ২০ গ্রাম এই দুই পুষ্টি উপাদান থাকে। এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য আপনার পেট ভরিয়ে রাখে, ফলে ঘন ঘন খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা আপনার জন্য সহজ হয়। এছাড়াও এটি শক্তির মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে এবং আপনাকে আরও সক্রিয় থাকতে কাজ করে। ২. ওজন কমাতে সাহায্য করে ছোলা ভাজা ওজন কমাতে সহায়ক। কারণ এতে থাকে উচ্চ ফাইবার কন্টেন্ট যা আপনার পেট দীর্ঘ সময়ের জন্য ভরিয়ে রাখে। এতে কম ক্যালোরি থাকে তাই আপনাকে অতিরিক্ত ক্যালোরির বিষয়ে চিন্তা করতে হবে না। সুতরাং ডুবো তেলে ভাজা খাবার খাওয়া বাদ দিন এবং এর পরিবর্তে এক মুঠো ছোলা ভাজা বেছে নিন। ৩. হাড়ের জন্য উপকারী ছোলা ভাজা আপনার হাড়ের জন্য ভালো। এটি শুধুমাত্র ফাইবার এবং প্রোটিনের একটি বড় উৎস নয়, ক্যালসিয়ামেরও। এই কারণে এটি আপনার হাড় শক্তিশালী করার জন্য বেশ উপকারী হতে পারে। যদি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম না থাকে, তাহলে বয়সের আগেই হাড়ের সমস্যা হতে পারে। আপনার খাদ্যতালিকায় ছোলা ভাজা যোগ করুন। এতে হাড় সংশ্লিষ্ট সমস্ত অসুখ থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হবে। ৪. হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে আপনি কি জানেন যে ছোলা ভাজা হার্ট ভালো রাখতেও কাজ করতে পারে? তামা এবং ফসফরাসের উপস্থিতি একে একটি স্বাস্থ্যকর খাবার হিসাবে যোগ্য করে তোলে, যা হার্টের জন্য সহায়ক। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ (এনআইএইচ) অনুসারে, ফসফরাসের মাত্রা এবং হৃদরোগের ঝুঁকির মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এই ছোলাভাজা খাওয়ার মাধ্যমে আপনি সহজেই হার্ট ভালো রাখতে পারেন। ৫. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী ডায়াবেটিস রোগীরাও কোনোরকম চিন্তা ছাড়াই ছোলা ভাজা খেতে পারেন। এই খাবারের গ্লাইসেমিক সূচক কম থাকে, যা আরও উপকারী। কম-জিআই খাবার মানে হলো যে এটি আপনার রক্তে শর্করার মাত্রায় হঠাৎ ওঠানামা করবে না। এর উচ্চ ফাইবার উপাদানও গ্লুকোজের ধীর নিঃসরণে সাহায্য করে, এইভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

post
লাইফ স্টাইল

সাবান দিয়ে মুখ ধুচ্ছেন, জেনে নিন কী ক্ষতি হয় ত্বকের

মুখ ধোয়া বা পরিষ্কার করা ত্বকের যত্নের রুটিনের একটি অপরিহার্য অংশ। পরিষ্কার মুখ গ্যারান্টি দেয় যে আপনার মুখের ছিদ্রগুলো বন্ধ রয়েছে। এতে আপনার ত্বক ভালো থাকে।সাবান দিয়ে মুখ ধোয়া কি নিরাপদ?আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে মুখের ত্বক শরীরের অন্যান্য অংশের ত্বকের চেয়ে বেশি সূক্ষ্ম এবং কোমল। সুতরাং সাবান আপনার মুখের ত্বককে জ্বালাতন করতে পারে এবং ত্বকের অন্যান্য সমস্যা যেমন শুষ্ক ত্বক, চুলকানি এবং এমনকি ব্রেকআউটের কারণ হতে পারে। শুধু সাবান নয়, আপনার শরীর পরিষ্কার করার জন্য আপনি যে পণ্য ব্যবহার করেন তা আপনার মুখের ত্বকের জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে। মুখের একটি মৃদু টেক্সচার সহ একটি ক্লিনজার প্রয়োজন যা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল দূর করবে না এবং ত্বককে নরম এবং ময়শ্চারাইজ রাখতে সাহায্য করে। ত্বক ময়লা, জীবাণু কিংবা ব্যাকটেরিয়া মুক্ত রাখা উচিত। তাছাড়া ব্রণ বা ব্ল্যাকহেডস হতে পারে। তবে ত্বক পরিষ্কার রাখতে অনেকে সাবান দিয়ে মুখ ধোয়ার ভুল করে। শরীর পরিষ্কার করার জন্য সাবান ব্যবহার করা একটি সাধারণ অভ্যাস হলেও তা দিয়ে মুখ ধোয়া ঠিক নয়। এতে আপনার ত্বকের ক্ষতি হতে পারে, ত্বক রুক্ষ হতে পারে। চলুন জেনে নিই সাবান দিয়ে মুখ ধোয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া-  শুষ্কতা বাড়েআপনার ত্বক প্রকৃতিতে অ্যাসিডিক, তবে বেশিরভাগ সাবানই ক্ষারীয়। তাই সাবান ব্যবহারে আপনার ত্বকের পিএইচ (pH) ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। কেনণা সাবানে অিধিক পরিমাণে রাসায়নিক দ্রব্যাদি রয়েছে, যা আপনার ত্বককে এর প্রাকৃতিক আর্দ্রতা থেকে সরিয়ে দেয়, এটিকে আরও শুষ্ক এবং নিস্তেজ করে দেয়। অত্যাধিক শুষ্ক ত্বকের ফলে ফ্ল্যাকিনেস এবং ব্রেকআউট হতে পারে। জ্বালাপোড়াকিছু সাবানে কঠোর রাসায়নিক, যেমন- রঙ এবং সুগন্ধ থাকে। যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এগুলো জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি করতে পারে। ত্বকে লালভাব, চুলকানি বা ফুসকুড়ি হতে পারে। সংবেদনশীল ত্বকের জন্য এই সমস্যাগুলো আরও গুরুতর হয়ে ওঠে।অস্বাস্থ্যকরসাবান আপনাকে খুব পরিষ্কার রাখে না। এটিতে প্রচুর ময়লা এবং ব্যাকটেরিয়া সংগ্রহ করার প্রবণতা রয়েছে, যা আপনি আপনার মুখে প্রয়োগ করতে পারেন এবং সেখানে ছড়িয়ে দিতে পারেন। এটি ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডস এবং আটকে থাকা ছিদ্র সৃষ্টি করে। ত্বকের জন্য ক্ষতিকরপ্যারাবেন এবং ফর্মালডিহাইডের মতো কঠোর রাসায়নিক থেকে ত্বকের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করে। সাবানের ক্ষারীয় প্রকৃতি এবং এর অত্যধিক ঘ্রাণ এবং রঞ্জক উপাদান এই সমস্ত কারণে ঘটে। আপনার ত্বক বলিরেখা এবং সূক্ষ্ম রেখার মতো বার্ধক্যজনিত লক্ষণগুলোর জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং এটি শুষ্ক হয়ে যাওয়ার পর থেকে সূর্যের ক্ষতির জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। আপনি যখন দীর্ঘ সময়ের জন্য আপনার মুখে সাবান লাগান, আপনার ত্বক নিস্তেজ হয়ে যায় এবং তার নমনীয়তা এবং উজ্জ্বলতা হারায়। ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়সাবান দিয়ে প্রতিদিন গোসল করলে ত্বকের আদ্রতা কমে যায়। বিশেষ করে গরম পানি ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা কেড়ে নিতে পারে। ফলে ত্বকের ক্ষতি ছাড়াও শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি দেখা দেয়। 

post
লাইফ স্টাইল

শীতের সকালে ঘুম থেকে ওঠার সহজ উপায়

শীতের সকালে আড়মোড়া ভেঙে আর উঠতে মনে চায় না যেন। যতটুকু বেশি সময় কম্বলের মধ্যে থাকা যায়, ততটুকুই লাভ যেন। তবু ব্যস্ততার কারণে উঠে পড়তেই হয়। অনেক সময় শীতের তীব্রতার কারণে আমরাও আরামের ঘুমে তলিয়ে যাই। এমনকী অ্যালার্ম দেওয়া থাকলেও সেই অ্যালার্ম বন্ধ করে আবার ঘুমিয়ে যাই অনেক সময়। এর ফলে দৈনন্দিন অনেক কাজ বাধাগ্রস্ত হয়। তাই শীতকালেও সঠিক সময়ে ঘুম থেকে ওঠা জরুরি।দিন হলো কাজের জন্য আর রাতটা বিশ্রামের। তাই রাত জেগে না থেকে আগেভাগে ঘুমিয়ে যেতে হবে যাতে করে সকাল সকাল উঠে পড়তে পারেন। কারণ দিনের শুরুটা সুন্দর ও প্রশান্তিদায়ক হলে পুরো দিনটিই আপনার ভালো কাটবে। সেজন্য এই শীতে আলস্য ত্যাগ করে আপনাকে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক শীতের সকালে ঘুম থেকে ওঠার সহজ উপায়-

post
লাইফ স্টাইল

খেজুরের গুড়ের পোয়া পিঠা তৈরির রেসিপি

শীতের সময়টাতে খেজুর গুড়ের তৈরির নানা ধরনের পিঠা পায়েস খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। গ্রামে তো বটেই, শহরেও চলে এই পিঠা খাওয়ার আয়োজন। এখনকার গৃহিনীরা বেশ দক্ষ। তারা সবদিক সামলিয়ে পিঠা তৈরির জন্যও সময় রাখতে পারেন। তাইতো শীতের সময়ে পিঠার আয়োজন থাকে প্রায় সব ঘরেই। খেজুর গুড় দিয়ে তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু পোয়া পিঠা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খেজুরের গুড়ের পোয়া পিঠা তৈরির রেসিপি-তৈরি করতে যা লাগবেআতপ চালের গুঁড়া- ৩০০ গ্রামখেজুরের গুড়- প্রয়োজনমতোগুঁড়া দুধ- ২ টেবিল চামচআটা- ১ কাপপানি- পরিমাণমতোতেল- ভাজার জন্য।যেভাবে তৈরি করবেনপ্রথমে গুড় জ্বাল দিয়ে ছেঁকে ঠান্ডা করে রাখুন। তারপর তেল বাদে গুড়ে একে একে সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে গুলিয়ে প্রায় ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে গোল চামচ দিয়ে গোলা নিয়ে একটি একটি করে পিঠা লাল করে ভেজে তুলুন, তারপর সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

post
লাইফ স্টাইল

মাইগ্রেন দূর করার জন্য যেসব খাবার খাবেন

মাইগ্রেন সহ্য করা কঠিন। এই সমস্যা শীতের সময়ে আরও তীব্র হয়। মাইগ্রেন হলে আলো ও শব্দ সহ্য হয় না, এমনকী বেশি দেখা দিতে পারে বমির মতো সমস্যাও। এই যন্ত্রণা কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। এ ধরনের ব্যথা হলে তখন বাকিসব কাজ করা মুশকিল হয়ে যায়। মাইগ্রেন থেকে দূরে থাকার জন্য নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে খাবারের দিকেও। চলুন জেনে নেওয়া যাক মাইগ্রেন দূর করার জন্য কোন খাবারগুলো খাবেন- ১. দানাশস্য ও বাদাম মাইগ্রেন দূর করার জন্য খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন বিভিন্ন দানাশস্য ও বাদাম। কারণ এ ধরনের খাবারে ম্যাগনেসিয়াম থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ যেকোনো খাবার মাইগ্রেন কমাতে সাহায্য করে। ফ্ল্যাক্সসিড, সিয়া সিড, কাজু বাদাম- এ ধরনের খাবার ম্যাগনেসিয়ামে ভরা। প্রতিদিনের খাবারে এগুলো থাকলে মাইগ্রেনসহ অন্যান্য মাথাব্যথাও দূর হবে সহজে। ২. হার্বাল টি শরীর যদি হাইড্রেটেড থাকে তাহলে মাইগ্রেন থেকে দূরে থাকা সহজ হয়। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যেসব খাবার শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে সেগুলো মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। এক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন হার্বাল টি। কারণ এটি আপনাকে এই কাজে সাহায্য বরবে। ফ্লেভারড টিয়ের মধ্যে পিপারমিন্ট টি। এটি মাইগ্রেন উপশমে সহায়ক হবে। ৩. টকদই যেসব খাবার আমাদের শরীরের জন্য উপকারী তার মধ্যে একটি হলো টকদই। এটি নানাভাবে শরীর ভালো রাখে। অনেক সময় গ্যাসের কারণে মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়ে। এক্ষেত্রে মাইগ্রেন থেকে দূরে থাকার জন্য খেতে পারেন টক দই। এতে আপনার পেট ভালো থাকবে এবং শরীরও হাইড্রেটেড থাকবে। সেইসঙ্গে দূর হবে মাইগ্রেনও। ৪. ফল ও সবজি নিয়মিত তাজা ফল ও সবজি খাওয়ার অনেক উপকারিতা। এতে থাকে নানা ধরনের প্রয়োজনীয় পুষ্টি। নিয়মিত সবজি ও ফল খেলে কমে মাইগ্রেনের সমস্যা। সেইসঙ্গে শরীরও সুস্থ থাকে। ভালো থাকে পেটের স্বাস্থ্য। তাই প্রতিদিনের তিনবেলার খাবারেই যোগ করতে পারেন নানা রকম ফল ও সবজি। এতে সুফল পাবেন দ্রুতই। ৫. মাছ মাইগ্রেন থেকে বাঁচতে চাইলে বিভিন্ন ধরনের মাছ খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। বিশেষ করে সামুদ্রিক বিভিন্ন মাছে থাকে প্রচুর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এই উপাদান ইনফ্লেম্যাশন কমাতে সাহায্য করে। মাছ ও সামুদ্রিক অন্যান্য খাবারে থাকা প্রোটিন ও উপকারী ফ্যাট মাইগ্রেনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে। সেইসঙ্গে শরীরে পৌঁছে দেয় প্রয়োজনীয় অনেক পুষ্টিও।

post
লাইফ স্টাইল

ক্রিম মেখে কি আদৌ ফর্সা হওয়া যায়?

ফর্সা হওয়ার ক্রিমে ছেয়ে গেছে বাজার। বাজারের অনেক কোম্পানির দাবি, তাদের ফেয়ারনেস ক্রিম ব্যবহার করে মানুষের গায়ের রং ফর্সা হতে পারে। বিভিন্ন ধরনের ফেসিয়াল ও স্কিন ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে ফর্সা হওয়ার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। যদিও সৌন্দর্যের সঙ্গে গায়ের রঙের কোনো সম্পর্ক নেই। তবুও এ সমস্ত ক্রিম ব‍্যবহার করছেন বেশিরভাগ যুবক-যুবতী।কিন্তু সত‍্যিই কোনো ক্রিম ত্বকের রং বদল করতে পারে? পুরুষ এবং নারী সবাই ব‍্যাপকভাবে পণ‍্যগুলো ব‍্যবহার করছেন। কিন্তু এবার এসব আসল সত‍্যি প্রকাশ করলেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, কোনো ক্রিম বা অন্য কোনো চিকিৎসার মাধ্যমে ত্বককে স্থায়ীভাবে ফর্সা করা যায় না। যতক্ষণ মানুষ ক্রিম লাগায় ততক্ষণ ত্বকের রঙে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে, তবে ধীরে ধীরে ত্বক তার স্বাভাবিক রঙে ফিরে আসে। যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য কোনো চিকিৎসা বজায় রাখেন, তবে ত্বকের স্তরে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। আজকাল, অনেক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শট, আইভি ড্রিপ এবং ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায়, যা ত্বকে উজ্জ্বলতা আনতে পারে। তবে এই জিনিসগুলোরও রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। তাদের ব্যবহার ছাড়া, ত্বকের রং চিরতরে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা ভিটিলিগো অর্থাৎ সাদা দাগে ভুগছেন, তাদের জন্য কিছু বিশেষ ক্রিম পাওয়া যায়। এই ক্রিমগুলো শুধুমাত্র ভিটিলিগো রোগীদের দ্বারা ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই ক্রিমগুলো ত্বককে স্বাভাবিক রঙে ফিরিয়ে আনতে সহায়ক প্রমাণিত হতে পারে। পাশাপাশি এই ক্রিমগুলো শুধুমাত্র ডাক্তারের পরামর্শে ব্যবহার করা উচিত এবং সুস্থ ব্যক্তিদের ব্যবহার করা উচিত নয়। যেকোনো ধরনের ফেয়ারনেস ক্রিম অতিরিক্ত ব্যবহার ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। অতএব, মানুষের ত্বকের যত্ন নেওয়া উচিত এবং যেকোনো সমস্যায় ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।

post
লাইফ স্টাইল

খেজুর গুড়ের নারিকেল নাড়ু তৈরির রেসিপি

শীতের নানা খাবারের আয়োজন মানে তাতে খেজুর গুড় থাকবেই। এর মিষ্টি স্বাদ আর গন্ধ পছন্দ করেন না, আমাদের দেশে এমন মানুষ খুব কমই আছেন। শীতের সময়ে খেজুরের গুড় দিয়ে নানা মজাদার খাবার তৈরি করা হয়। বিশেষ করে এসময় বিভিন্ন পিঠা তৈরির ধুম পড়ে যায়। গ্রামে তো বটেই, শহরের গলির মোড়ে মোড়েও বসে পিঠা তৈরির আয়োজন। তবে আজ পিঠা নয়, জেনে নেবো খেজুর গুড়ের নারিকেল নাড়ু তৈরির রেসিপি-তৈরি করতে যা লাগবে:নারিকেল বাটা- ২ কাপখেজুর গুড়- ৪ কাপঘি- ১ টেবিল চামচ।যেভাবে তৈরি করবেন:প্রথমে প্যানে ঘি দিন। চুলার আঁচের দিকে খেয়াল রাখুন যেন নারিকেল দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তলায় ধরে না যায়। এরপর আস্তে আস্তে নারিকেল ঢেলে দিন। এরপর গুড় দিন। একদিকে নাড়তে থাকুন। একটু পর গুড় গলে আসবে এবং নারিকেল পাক ধরবে। আঠালো ভাব ও সুন্দর গন্ধ বের হলে নামিয়ে ফেলুন। গরম থাকা অবস্থায় নাড়ুর আকৃতিতে গড়ে নিন। এরপর পরিবেশন করুন। এই নাড়ু কয়েকদিন সংরক্ষণ করেও খেতে পারবেন।

post
লাইফ স্টাইল

মুরগির রোস্ট রান্নার রেসিপি

বাড়িতে অতিথি এলে কিংবা যেকোনো উৎসব-আয়োজনে পোলাওয়ের সঙ্গে মুরগির রোস্ট না হলে চলে না যেন। বিশেষ করে বিয়েবাড়ির খাবারের আয়োজনে মুরগির রোস্ট থাকেই। সুস্বাদু এই পদ রান্না করার জন্য সঠিক রেসিপি জানা থাকা চাই। তাহলে আপনার রান্না করা মুরগির রোস্টের প্রশংসা করবে সবাই। একবার খেলে মুখে তার স্বাদ লেগে থাকবে অনেকদিন। চলুন জেনে নেওয়া যাক মুরগির রোস্ট রান্নার রেসিপি-তৈরি করতে যা লাগবে:মুরগি- ১টিআদা-রসুন বাটা- ৫ টেবিল চামচকাজু বাদাম- ৫ টেবিল চামচটক দই- ৪ টেবিল চামচপেঁয়াজ- ১৫০ গ্রামতেল- ১৫০ গ্রামকাঁচা মরিচ- ১০ পিসদুধ- ২৫০ গ্রামমাওয়া- ৫০ গ্রামজিরা গুঁড়া- ১০ গ্রামধনিয়া গুঁড়া- ১০ গ্রামটমেটো কেচাপ- ২০ গ্রামসাদা গোলমরিচ- ১০ গ্রামএলাচ- ৫টিদারুচিনি- ৫টিকিশমিশ- ১০ গ্রামলবণ- পরিমাণমতোতেজপাতা- ৫টিজয়ত্রী- ৫ গ্রামজায়ফল- ১টির অর্ধেক।যেভাবে তৈরি করবেন:মুরগি ৪ পিস করে কাটতে হবে। লবণ, হলুদ ও আদা-রসুন মাখিয়ে ভাজতে হবে। তারপর তেলের মধ্যে পেঁয়াজ, আদা ও রসুন বাটা দিয়ে ভুনতে হবে। এরপর তাতে কাঁচা মরিচ, টক দই, কাজু বাদাম, কিশমিশ, সাদা গোলমরিচ দিয়ে ভুনতে হবে। ভুনা হলে এর মধ্যে ভাজা চিকেন দিয়ে সঙ্গে গুঁড়াদুধ, ঘি, গরম মসলা গুঁড়া, মাওয়া, গোলাপজল ও অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে মুরগিটাকে আরও কিছুক্ষণ রান্না করে নামাতে হবে। সঙ্গে জাফরান পোলাও ও ভাজা কাজু বাদাম দিয়ে গরম গরম মুরগির রোস্ট পরিবেশন করুন।

post
লাইফ স্টাইল

ঠান্ডায় ত্বকের সুরক্ষা কিভাবে করবেন ?

ত্বকের যত্নের ক্ষেত্রে নবজাতক, শিশু, কিশোর থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্ক, প্রবীণ সবার প্রতি সব ঋতুতেই যত্নশীল হতে হয়। তবে শীতকালে বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়। ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য এ সময় ময়েশ্চারাইজার জাতীয় প্রসাধনী ব্যবহার করতে হবে। এগুলোর মধ্যে তেল, লোশন, জেল, সাদা পেট্রোলিয়াম জেলি ইত্যাদি বেশ পরিচিত। স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন মেনে চলতে হবে। শীতকালে যেন ঘনঘন প্রস্রাবের চাপ না আসে, তাই অনেকেই প্রয়োজনের তুলনায় কম পানি পান করে থাকেন। অথচ এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। রঙিন শাকসবজি ও তাজা ফলমূল খেতে হবে। শীতকালে শরীরে খোস-পাঁচড়া, দাদ, চুলকানি, খুশকি, চুলপড়া ইত্যাদি বেশি দেখা দেয়। এ সময় মাথার ত্বকে ছত্রাক জাতীয় জীবাণুর সংক্রমণ বেশি দেখা যায়। তাই মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে। ত্বকের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে কন্ডিশনারও ব্যবহার করতে হবে। শরীরের ত্বকের জন্য ত্বকের ধরনের অনুযায়ী ইমোলিয়েন্ট ব্যবহার করতে হবে। অনেকেই মনে করে থাকেন শীতকালে তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন হয় না। স্বাভাবিক, মিশ্র, শুষ্ক, তৈলাক্ত, সব ধরনের ত্বকেই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। যে কোনো ধরনের চুলকানি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। ত্বকের যে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ ও সেবা গ্রহণ করতে হবে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.