post
লাইফ স্টাইল

গাজরের লাড্ডু তৈরির রেসিপি

গাজর দিয়ে তৈরি করা যায় চমৎকার স্বাদের সব খাবার। বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় খাবার এটি দিয়ে তৈরি করলে তা খেতে বেশি সুস্বাদু লাগে। গাজরের পায়েস, গাজরের হালুয়া তো তৈরি করাই হয়, গাজরের লাড্ডু তৈরি করে খেয়েছেন কখনো? এই লাড্ডুর স্বাদ মুখে লেগে থাকার মতো। একবার তৈরি করে খেলে বারবার খেতে ইচ্ছা হবে। আপনি চাইলে বাড়িতে খুব সহজ রেসিপিতে তৈরি করতে পারেন গাজরের লাড্ডু। চলুন জেনে নেওয়া যাক গাজরের লাড্ডু তৈরির রেসিপি-তৈরি করতে যা লাগবে গাজর- ১ কেজি দুধ- ১ লিটার মাওয়া- ২ কাপ চিনি- ৩ কাপ ঘি- আধা কাপ এলাচ গুঁড়া- আধা চা চামচ কেওড়া- ১ টেবিল চামচ দারুচিনি- ২ টুকরা এলাচ- ২টি। গাজর দিয়েও পায়েস হয়! যেভাবে তৈরি করবেন: গাজর মিহি কুচি করে দারুচিনি, এলাচ, দুধ দিয়ে সেদ্ধ করে শুকিয়ে ফেলতে হবে। অন্য প্যানে ঘি গরম করে সেদ্ধ গাজরের সঙ্গে চিনি দিয়ে চুলায় জ্বাল দিতে হবে। একটু পর কেওড়া ও এলাচ গুঁড়া দিয়ে নাড়তে হবে। নাড়তে নাড়তে প্যানের গা ছেড়ে এলে চুলা বন্ধ করে দেড় কাপ মাওয়া দিয়ে আরও কিছুক্ষণ নেড়ে নিতে হবে। অল্প ঠান্ডা হলে লাড্ডুর আকার করে মাওয়ায় গড়িয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

post
লাইফ স্টাইল

বছরের প্রথম দিনটি যেভাবে কাটাবেন

সবকিছুরই প্রথম মানে বিশেষ। আর সেটি বছরের প্রথম দিন হলে তো কথাই নেই। এই দিন সবাই বিশেষ করে রাখতে চায়। একটু ভালো খাবার খেয়ে, একটু বাইরে ঘুরতে গিয়ে অথবা প্রিয়জনের সান্নিধ্যে সময় কাটিয়ে কোনো না কোনোভাবে দিনটি মানুষ বিশেষ করে তোলে। এই যে আরেকটি বছরের সূচনা হতে যাচ্ছে, দিনটি আপনি কীভাবে কাটাবেন? এই দিনে করতে পারেন ভিন্নকিছু। এমনকিছু কাজ করতে পারেন যা দিনটিকে আনন্দময় করে তোলে বা বিশেষ স্মৃতি হিসেবে রেখে দেয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক বছরের প্রথম দিনটি কীভাবে কাটাবেন-১. সৃজনশীল কিছু করুনবছরের প্রথম দিনটি স্মৃতিময় করে রাখুন সৃজনশীল কিছু করার মাধ্যমে। আপনার যদি লেখালেখির হাত থাকে তবে নতুন কিছু লিখে ফেলতে পারেন বা লেখা শুরু করতে পারেন। যদি গান গাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে নতুন কোনো গান কণ্ঠে তুলতে পারেন। ছবি আঁকতে ভালোবাসলে নতুন কোনো চিত্রকল্প ফুটিয়ে তুলতে পারেন আপনার ক্যানভাসে। এতে বছরের প্রথম দিনটি সারা বছরই আপনার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।২. পরিকল্পনা লিখে রাখুনযেকোনো কিছুর পরিকল্পনা থাকলে তা আরও সুন্দরভাবে চলতে থাকে। তাই সারা বছরের পরিকল্পনা শুরুতেই করে ফেলুন। আর বছরের প্রথম দিনেই তা লিখে রাখুন আপনার ডায়েরির পাতায়। বছরের কোন সময়টাতে নিজেকে কোথায় দেখতে চান তা লিখে রাখুন। এরপর সেই অনুযায়ী এগিয়ে যান। এতে আপনার লক্ষ্য পূরণ করা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। বছরের শেষে নিজেকে সফলদের তালিকায় দেখতে পাবেন।৩. ভিন্ন কিছু করুনবছরের শুরুর দিনটাতে একটি কাঁচের জার আর রঙ-বেরঙের কাগজ কিনে নিয়ে আসুন। এবার সেই কাগজের ছোট ছোট টুকরা করে বছরজুড়ে বিভিন্ন স্মৃতিময় কাহিনি লিখে সংরক্ষণ করুন। বছর শেষে দেখবেন অনেক স্মৃতি সংরক্ষণ করা হয়ে গেছে। সেসব কাগজ তুলে একটা একটা করে পড়তে পারবেন। এতে নিজের সাফল্য ও ব্যর্থতাও বুঝতে পারবেন। ফলে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ হবে।৪. মানবিক কাজ করুনমানবিক কাজ আপনাকে মানসিক প্রশান্তি দেবে। বছরের প্রথম দিনটি বিশেষ করে রাখতে চাইলে মানবিক কোনো কাজে ব্যয় করতে পারেন। দরিদ্রদের সামর্থ্য অনুযায়ী উপহার দেওয়া, বৃদ্ধাশ্রমে বা এতিমখানায় গিয়ে কিছুটা সময় কাটানো, গাছ লাগানো এ ধরনের কাজ করতে পারেন। চাইলে এই দিনটি রক্তদানের জন্যও বেছে নিতে পারেন। এতে দিনটি বিশেষ হয়ে থাকবে।৫. ওয়াল ম্যাগাজিন বানাতে পারেনযদিও এটি পুরনো আইডিয়া কিন্তু আপনার জন্য হতে পারে নতুন কিছু। আপনার পুরো বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি ওয়াল ম্যাগাজিন বানাতে পারেন। এতে ফেলে আসা বছরের বিভিন্ন স্মৃতি লিখে বা তোলা ছবি টাঙাতে পারেন। সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিতে পারেন। টাঙিয়ে দিতে পারেন ঘরের দেয়ালের এক কোণে। এটি সবারই ভালোলাগবে।

post
লাইফ স্টাইল

জুতার সঙ্গে মোজা পরা ভালো না খারাপ?

শীতকালে মোজা প্রায় সবাই পরেন। কিন্তু অনেকে জুতা পরেন, কিন্তু মোজা পরেন না। মোজা ছাড়াই জুতা পরেন। কিন্তু মোজা ছাড়া জুতা পরা কি ঠিক? এতে কী কী সমস্যা হতে পারে?গবেষণা অনুযায়ী, জুতা পরলে পা থেকে প্রায় কয়েক মিলিলিটার ঘাম বের হয়। মোজা পরলে পা অত্যধিক ঘামার সুযোগ থাকে না। কিন্তু মোজা না পরলে পায়ের ঘাম পায়েই শুকিয়ে যায়। আর এই ঘাম থেকে জন্ম নেয় ব্যাকটেরিয়া। যা পায়ের ত্বকে র‍্যাশ ও চুলকানি সৃষ্টি করতে পারে। মোজা না পরে শুধু জুতা পরলে পায়ের বিভিন্ন অংশে সরাসরি চাপ পড়ে। এই চাপের জন্য অনেক সময় রক্ত চলাচলও ব্যাহত হয়। মোজা পরলে পায়ে সরাসরি চাপ পড়ে না। এতে কিছুটা হলেও সুরক্ষিত থাকে পা। শীতকালে অ্যালার্জির সমস্যা বাড়ে। নানা কারণে মাঝেমাঝেই ত্বকে দেখা দেয় র‌্যাশ ও চুলকানি। মোজা ছাড়া জুতা পরলে অ্যালার্জির আশঙ্কা বাড়ে। তাছাড়া মোজা না পরলে ধুলোবালি থেকে পায়ে ইনফেকশনও হতে পারে! অতএব জুতা পরলে সব সময় মোজা পরুন! গরমকাল হোক বা শীতকাল!

post
লাইফ স্টাইল

নতুন বছরে মেনে চলবেন যে নির্দেশনা

বছরের শেষে এসে নতুন বছরের শুরুতেও আপনি অনেক পরামর্শ পাবেন। আবার আপনার নিজেরও মনে হবে, কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি। তবে দুঃখজনক হলেও সত্যি, সেসবের সবগুলো ধরে রাখা সম্ভব হবে না। তবে পরিবর্তনের চেয়েও পরিবর্তনের চেষ্টা থাকা জরুরি। আপনার প্রচেষ্টা আপনার লক্ষ্যে না হোক, কাছাকাছি পৌঁছে দেবেই। চলুন নতুন বছরে মেনে চলি যে নির্দেশনাগুলো:নতুন বছরে প্রিয়জনের সঙ্গে আপনার সম্পর্ককে লালন করুন এবং অগ্রাধিকার দিন। পরিবার, বন্ধু বা সহকর্মীই হোক না কেন, তাদের সঙ্গে একটি সুন্দর সম্পর্ক ধরে রাখতে সময় এবং প্রচেষ্টা বিনিয়োগ করুন। যা আপনাদের বন্ধনকে শক্তিশালী করবে এবং আপনার মানসিকতা তৈরিতে ইতিবাচকভাবে অবদান রাখবে।সব সময় নতুন কিছু শেখার বা বোঝার চেষ্টা করুন। যা জীবনে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা এবং মাত্রা যোগ করবে। কমফোর্ট জোনের বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করুন। নিজেকে আবিষ্কার করুন। নিজের দক্ষতা ও দুর্বলতার জায়গাগুলো চিহ্নিত করুন। নতুন শখ খুঁজে বের করুন। সৃজনশীল কাজের সঙ্গে যুক্ত হোন। এগুলো আপনার আত্মবিশ্বাসের মাত্রা বাড়াতে এবং সৃজনশীলতাকে উজ্জীবিত করতে কাজ করবে।স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। নতুন বছরে ভারসাম্যপূর্ণ এবং আরও ফিট লাইফস্টাইল করার চেষ্টা করুন। শারীরিক ক্রিয়াকলাপ যেমন শক্তি প্রশিক্ষণ এবং কার্ডিও ব্যায়াম করতে পারেন। আপনার মানসিক স্বাস্থ্য এবং অবস্থার প্রতিও সমান মনোযোগ দিন। প্রতিদিন নিজের জন্য আধা ঘন্টা সময় বের করুন। ধ্যান বা যোগ অনুশীলন করার চেষ্টা করুন। যা শরীর এবং আত্মার জন্য অনন্য উপকারী। এটি আপনার শরীরের শ্বাস নিয়ন্ত্রণ, মননশীলতা এবং নমনীয়তা উন্নত করবে।ইতিবাচক ডিজিটাল উপস্থিতি বজায় রাখুন এবং আপনার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো গঠনমূলক পদ্ধতিতে ব্যবহার করুন। অনলাইনে অন্যদের অভিজ্ঞতা, ক্রিয়াকলাপ, কৃতিত্ব এবং ব্যস্ততা দেখে প্রভাবিত হবেন না। সব সময় মনে রাখবেন যে একটি গল্পের দুটি অংশ রয়েছে এবং অনলাইনে সবকিছু সত্যি নয়। ধৈর্য ধরুন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করুন।নিজের প্রতি যত্নকে অগ্রাধিকার দিন। কম ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করুন যা চিন্তাশীল এবং ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। আপনার বাউন্ডারি তৈরি করুন, স্ট্রেস এবং উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন। এমন কাজ করুন যা আপনার মননশীলতা বাড়িয়ে তুলবে। নিজেকে ভালোবাসলে বাকি সবকিছু ভালোবাসাও সহজ হবে।

post
লাইফ স্টাইল

জেনে নিন স্ট্রোকের অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো

আমাদের সারা শরীরে যেমন রক্তনালী আছে তেমনি রয়েছে মস্তিষ্কেও। রক্তনালীর মাধ্যমেই মস্তিষ্কে পৌঁছে। মস্তিষ্কের কোষ অত্যন্ত সংবেদনশীল। কোনো কারণে মস্তিষ্কের রক্ত চলাচলে বাধার সৃষ্টি হলে দেখা দেয় সমস্যা। হঠাৎই কার্যকারিতা হারায় মস্তিষ্কের একাংশ। অক্সিজেন ও শর্করা সরবরাহে একটু হেরফের হলেই কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে। নালীতে প্লাক (ফ্যাট বা কোলেস্টেরল) জমায় এ সমস্যা দেখা যায়। প্লাক রক্তনালীকে করে দেয় সরু। ফলে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল হয় না এবং স্ট্রোকের ঘটনা ঘটে। স্ট্রোকের সাধারণ কিছু লক্ষণ আছে যা মানুষ সহজেই বুঝতে পারে। তবে কিছু অস্বাভাবিক লক্ষণ আছে যা বোঝা যায় না। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্রোক আপনার মস্তিষ্কের একটি অংশে রক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দেয় বা মস্তিষ্কের রক্তনালী ফেটে যায়। এতে মস্তিষ্কের ক্ষতি, দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতা বা এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। স্ট্রোকে আক্রান্ত বেশিরভাগ লোকের বয়স ৬০-এর বেশি। স্ট্রোকের কিছু স্বাভাবিক এবং অস্বাভাবিক লক্ষণ রয়েছে। যদি আপনি বা আপনার আশপাশের কেউ স্ট্রোক করেন তবে অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি। স্ট্রোকের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে- মুখের দুর্বলতা। স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবে হাসতে অক্ষম। হাতের দুর্বলতা সাধারণ উপসর্গের মধ্যে পড়ে। রোগীরা তাদের উভয় বাহু তুলতে পারেন না। তৃতীয় সাধারণ লক্ষণ হলো আক্রান্ত ব্যক্তি স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারেন না। কথা বলতে বা বক্তৃতায় ভুল শব্দ ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি এই লক্ষণগুলোর মধ্যে কোনোটি দেখতে পান তবে অবিলম্বে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। এ সাধারণ লক্ষণগুলো ছাড়াও কিছু অস্বাভাবিক লক্ষণও রয়েছে। স্ট্রোকের অস্বাভাবিক লক্ষণগুলোর মধ্যে শরীরের একপাশে অসাড়তা, ঝাঁকুনি বা সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে। কারও মধ্যে অস্থির চলাফেরা দেখা দিতে পারে অথবা মাথা ঘোরা অনুভব করতে পারেন। কিছু লোক হঠাৎ বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। এ লক্ষণগুলো সরাসরি স্ট্রোকের কারণ হিসেবে নির্দেশ করে না। তবে এড়িয়ে না গিয়ে ওই বিষয় সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য আপনাকে ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করা ভালো।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.