post
লাইফ স্টাইল

রাগ করা কি ভালো?

রাগী মানুষকে সবাই যেন একটু এড়িয়েই চলতে চায়। যার রাগ বেশি, তার বদনামও বেশি। কিন্তু রাগও যে একটি আবেগ, তা আমরা বেশিরভাগ সময়েই ভুলে যাই। অন্যসব আবেগের মতো এটি নিয়ন্ত্রণ করাও বেশ কষ্টকর। তাই কখনো কখনো রাগ প্রকাশ হয়ে গেলেই যে তা খারাপ, এমনটা মনে করার কারণ নেই। রাগ কি শরীরের জন্য ভালো? চলুন জেনে নেওয়া যাক- অনেক সময় আমরা অনেককিছু সহ্য করে নিই। নিজের সঙ্গে নিজের লড়াই চলতে থাকে ভেতরে ভেতরে। কিন্তু আমরা বাইরে তা প্রকাশ করতে পারি না। এতে আমাদের মন ধীরে ধীরে বিমর্ষ হয়ে যেতে পারে। যার প্রভাব পড়তে পারে শরীরেও। আমাদের ছোটবেলা থেকেই শেখানো হয় যে রাগ এবং অন্যান্য নেতিবাচক আবেগগুলো খারাপ এবং অন্যের কাছে কখনোই প্রকাশ করা উচিত নয়। কিন্তু অন্যান্য নেতিবাচক আবেগের মতো রাগ ক্ষতিকর নয়। বরং এটি পুষে রাখাই ক্ষতিকর। রাগ ধরে রাখলে তা ধীরে ধীরে অস্বস্তিও বাড়িয়ে তোলে। অন্য কারও ওপর জমতে থাকে বিতৃষ্ণা। এরপর একদিন না একদিন তা বিস্ফোরিত হয়ই। তাই রাগ ধরে না রেখে যে কারণে বা যার ওপর রাগ জমেছে তাকে বলে দেওয়াই ভালো। রাগ করলেই যে ভীষণ ঝগড়া করতে হবে কিংবা মুখ দেখাদেখি বন্ধ করতে হবে বিষয়টি কিন্তু এমন নয়। বরং রাগ মানে হলো যে বিষয়টি আপনার পছন্দ নয় তা বুঝিয়ে দেওয়া। সেটি ভদ্রভাবেই করা যেতে পারে। এমনটাই স্বাস্থ্যকর।

post
লাইফ স্টাইল

ত্বক ভালো রাখার কৌশল

রোজায় পানি কম পান করা হলে এবং ভাজাপোড়া ও মসলাদার খাবাার বেশি খাওয়া হলে তার প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকেও। এসময় ত্বক নির্জীব ও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই রোজায়ও ত্বকের যত্ন নেওয়া জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক, রোজায় ত্বক ভালো রাখতে কী করবেন- আমাদের ত্বকের উপর মরা চামড়া জমে লোমকূপ বন্ধ করে দিতে পারে। তাই ত্বক সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। বাইরে থেকে ফিরে ক্লিনজিং ব্যবহার করুন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর একটি পরিষ্কার সুতির কাপড়ে এক টুকরা বরফ নিয়ে মুখে ঘষতে পারেন। তবে বরফ কখনোই সরাসরি মুখে লাগাবেন না। এতে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। এভাবে বরফ ব্যবহারের ফলে মুখের ফোলাভাব অনেকটাই কমে যাবে। চোখের নিচের ফোলাভাব দূর করার জন্য ফ্রিজে একটি চা চামচ রেখে দিতে পারেন। সপ্তাহে দুইদিন ব্যবহার করতে পারেন স্ক্র্যাব। নিয়মিত ক্লিনজিং এর পরও অনেক সময় ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার হয় না। এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করতে পারে স্ক্র্যাব। বাইরে থেকে না কিনে ঘরেই তৈরি করতে পারেন স্ক্র্যাব। যেমন ধরুন কফি আর মধু দিয়েই আপনি একটি স্ক্যাব তৈরি করে নিতে পারেন। রোজায় ইফতারের সময় অনেকেই পাকা পেঁপে খেতে পছন্দ করেন। এটি কিন্তু এসময় আপনার ত্বক ভালো রাখতেও কাজ করবে। সেজন্য আপনার প্রয়োজন হবে দুই চা চামচ পাকা পেঁপের পেস্ট এবং দুই চা চামচ মধু। এবার এই দুই উপকরণ একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে।

post
লাইফ স্টাইল

রোজায় যা খাবেন

রমজান মাসে খাদ্যাভ্যাসেরও পরিবর্তন হয়, সারাদিন ধরে টেকসই শক্তি প্রদান করে এমন স্বাস্থ্যকর খাবারের ওপর জোর দেওয়া হয়। তবে অঞ্চলভেদে রোজার খাবার হিসেবে কিছু ঐতিহ্যবাহী খাবারও থাকে। মুম্বাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালের ক্লিনিকাল নিউট্রিশনিস্ট মিসেস বর্ষা পুষ্টি এবং শক্তির মাত্রা ঠিক রাখার জন্য সেহরি ও ইফতারে সঠিক খাবার বেছে নিতে বলেন। তিনি রোজায় কিছু খাবার খেতে এবং কিছু এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সেহরিতে যা খেতে পারেন: * ওটসের মতো দানা শস্য। * প্রোটিনের উৎস যেমন ডিম, দই, পনির, মুরগি বা মাছ। * শক্তির জন্য দানা শস্য খাবেন। এতে জটিল কার্বোহাইড্রেট থাকে। * প্রোটিন পেশী মেরামতে সাহায্য করে, ক্ষুধা কমায়। ইফতারে যা খেতে পারেন * খেজুর এবং পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে শুরু করুন। * খেজুর প্রাকৃতিক শর্করা, ফাইবার,পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম প্রদান করে। * ফল, সবজি, ভাত, মাংস এবং দুগ্ধজাত খাবারসহ সুষম খাবার। * প্রোটিন টিস্যু রক্ষণাবেক্ষণ এবং নির্মাণে সহায়তা করে। * দানা শস্য এবং জটিল কার্বোহাইড্রেট রিচার্জ এনার্জি স্টোর করে।

post
লাইফ স্টাইল

কানের যত্ন নিতে হয় যেভাবে

কীভাবে কানের যত্ন নেওয়া যেতে পারে, তা হয়তো অনেকে জানেন না। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক বিস্তারিত- কান যে নিয়মিত ধোওয়ার প্রয়োজন আছে সেকথা কি আপনি জানেন? অনেকে কানের ভেতরে পানি চলে যাওয়ার ভয়ে কান ধোওয়া থেকে বিরত থাকেন। এমনটা করা যাবে না। বরং নিয়মিত কান ধোওয়ার অভ্যাস করতে হবে। অনেকে কান পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে ইয়ারবাড ব্যবহার করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কান পরিষ্কারের ক্ষেত্রে ইয়ারবাড ব্যবহার করা একদমই উচিত নয়। অনেকে আবার দিয়াশলাইয়ের কাঠি কিংবা কলম ইত্যাদি কানের ভেতরে প্রবেশ করান কান পরিষ্কারের জন্য। কানের ভেতরে কিছু ঢুকলে তা দ্রুত বের করার ব্যবস্থা করুন। কারণ অপরিষ্কার পানি বা কিছু রাসায়নিক জাতীয় কিছু কানের সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এর ফলে শ্রবণশক্তি নষ্ট হতে পারে। কান ভালো রাখার জন্য খেয়াল রাখতে হবে শব্দের দিকেও। উচ্চ শব্দ এড়িয়ে চলতে হবে। তাই যেখানে অতিরিক্ত কোনো শব্দ থাকে সেখানে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ উচ্চ শব্দ কানের জন্য ক্ষতিকর। কানে বিভিন্ন ধরনের অলঙ্কার পরতে পছন্দ করেন অনেকে। তাতে সৌন্দর্য ফুটে উঠলেও অনেক সময় ঝুঁকি থেকে যায়। কারণ অনেক ভারী অলংকারের কারণে কানের চামড়া কেটে যেতে পারে।

post
লাইফ স্টাইল

রোজায় ওজন কমানোর সহজ উপায়

পবিত্র রমজান মাসে সেহরি এবং ইফতারে সুস্বাদু খাবার খাওয়ার ইচ্ছে আপনার হতেই পারে। অবশ্য বেশিরভাগই এই এক মাসে কযেক কেজি ওজন কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাই না? তবে এসময় ইফতারে নানা রকম মুখরোচক খাবার বিশেষ করে ভাজা খাবার এবং মিষ্টি খাওয়ার ফলে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ওজন বৃদ্ধি পায়। আপনি যদি রোজার মাসে সেহরি ও ইফতারে খাবারের দিকে খেয়াল রাখতে পারেন তাহলে ওজন কমানো বেশ সহজ হয়ে যাবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক- সেহরির জন্য ১. দুই গ্লাস পানি, পাঁচ থেকে সাতটি ভেজানো বাদাম, একটি আখরোট এবং আপনার পছন্দের একটি ফল দিয়ে সেহরি শুরু করুন। পুষ্টিবিদ মোহিতার মতে, আপনি আপেল, পেঁপে, ডালিম এবং আঙুর থেকে বেছে নিতে পারেন। ২. আপনার পছন্দের সবজির সঙ্গে তিনটি ডিম রান্না করে এবং একটি টোস্ট বা পরোটার সঙ্গে মুড়িয়ে নিন। বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে, ডিমের পালং শাক, মাশরুম, বেল মরিচ বা টমেটো যোগ করতে পারেন। এরপর সেটি খেয়ে নিন। ইফতারের জন্য ১. খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙুন, তারপরে এক গ্লাস পানি, ডাবের পানি, লাচ্ছি ইত্যাদি খান। ২. এর পরে এক কাপ চা এবং কিছু ভাজা ছোলা খেতে পারেন। রাতের খাবারের জন্য ১. এক কাপ মুরগি বা মাছ বা চিংড়ি রাখুন। ২. দুই কাপ ভাজা বা ভাপানো সবজি যোগ করুন। সালাদও খেতে পারেন। ৩. কিছু ভাত বা রুটি নিন। ৪. মিষ্টি বা চকলেটের একটি ছোট টুকরো ডেজার্টের জন্য নিন। রমজানে ওয়ার্কআউট খাবারের পরিকল্পনা সন্ধ্যায় রোজা ভাঙার পর অন্তত আধা ঘণ্টা ব্যায়াম করার বা দ্রুত হাঁটার পরামর্শ দেওয়া হয়। পুষ্টিবিদ মোহিতা আরও বলেছেন যে, আপনি বাড়িতে কিছু ওজন উত্তোলন বা কম প্রভাবের কার্ডিও করতে পারেন। - জিমে যাওয়ার আগে বা হাঁটতে যাওয়ার আগে একটি কলা খান। - ওয়ার্কআউটের পরে পানির সঙ্গে প্রোটিন পাউডার মিশিয়ে খান। অবশ্যই সপ্তাহে একটি দিন নিজের পছন্দের খাবার উপভোগের জন্য রাখতে হবে তবে খাবারের পরিমাণের দিকে নজর রাখতে হবে।

post
লাইফ স্টাইল

মিষ্টি তরমুজ চেনার কিছু টিপস

গ্রীষ্ম মানেই বিভিন্ন সুমিষ্ট আর রসালো ফলের সমাহার। কেবল ফলের স্বাদ নেওয়ার জন্যই বছরের এই সময়ের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন অনেকে। গ্রীষ্মের ফলের মধ্যেই শুরুতেই আসে তরমুজের নাম। বাইরে সবুজ আর ভেতরে টুকটুকে লাল তরমুজ খেতে পছন্দ করেন না, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। বাইরে থেকে দেখে তরমুজ চেনার উপায় কী? অনেকেই না বুঝে কিনে নিয়ে বাসায় গিয়ে দেখেন তরমুজের ভেতরটা সাদা! অর্থাৎ এখন পরিপক্ব হয়নি। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি লাভের আশায় আগেভাগেই বাজারে তরমুজ নিয়ে আসেন। আপনি যদি সুমিষ্ট ও পরিপক্ক তরমুজ কিনতে চান তাহলে জেনে নিতে হবে কিছু টিপস- চকচকে জিনিসের প্রতিই আমাদের আকর্ষণ বেশি থাকে। তবে তরমুজের ক্ষেত্রে এমনটা করতে যাবেন না যেন। চকচকে দেখে কিনলে তা মিষ্টি ও পাকা না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বাইরে থেকে চকচকে দেখায় এমন তরমুজ না কিনে কিছুটা ফ্যাকাশে বর্ণের তরমুজ বেছে নিন। এতে সুমিষ্ট তরমুজ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তরমুজের গায়ের ছোপ দেখেও কিন্তু বুঝতে পারা যায় যে এটি মিষ্টি হবে কি না। তাই কেনার আগে দেখে নিন যে তরমুজটি কিনতে চাচ্ছেন সেটির গায়ে হলদে ছোপ রয়েছে কি না। যদি থাকে তাহলে সেটি কিনতে পারেন। কারণ তরমুজের গায়ে হলদে ছোপ থাকলে তা মিষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তরমুজ কেনার আগে এর গায়ে হালকা হাতে টোকা দিতে দেখবেন অনেককেই। এর কারণ কী বলুন তো? এই টোকার মাধ্যমেও কিন্তু বোঝা যেতে পারে যে তরমুজটি পরিপক্ক কি না। আপনিও তাই যে তরমুজটি কিনতে চাচ্ছেন তার গায়ে হালকা করে টোকা দিয়ে দেখুন। শব্দ যদি গভীর হয় এবং ফাঁপা না হয় তবে সেটি কিনতে পারেন। এ ধরনের তরমুজ রসালো ও মিষ্টি হয়ে থাকে।

post
লাইফ স্টাইল

সংসারের খরচ কমানোর ১৫ উপায়

আমরা কম-বেশি সবাই সংসারের খরচ কমাতে চাই। কিন্তু, সঠিক পরিকল্পনার অভাবে সম্ভব হয় না। তাই যারা দীর্ঘদিন ধরে সংসারের খরচ কমাতে চাচ্ছেন তাদের জন্য থাকছে কিছু টিপস। সব খরচের তালিকা আপনি হয়তো প্রতিদিন একাধিকবার ১০০ টাকা খরচ করছেন। কিন্তু, ভাবেন 'মাত্র ১০০ টাকা, খুব বেশি নয়'। তবে, আপনার ধারণা পাল্টে যাবে যদি আপনি এই কৌশলটি অবলম্বন করেন। প্রতিদিন যতবার ১০০ টাকা খরচ করছেন তা লিখে রাখুন। পুরো মাসজুড়ে এটি করুন। তারপর মাস শেষে একবার পুরো খরচ যোগ করে দেখুন, আপনি অবাক হয়ে যাবেন। কারণ, মাস শেষে আপনার মাত্র ১০০ টাকা খরচের যোগফল কিন্তু বেশ বড়ই হবে। এই বিষয়টি আপনাকে অনেক খরচ কমাতে সহায়তা করবে। আপনি অদরকারি খরচের খাত চিহ্নিত করতে পারবেন।বাইরের কফি বাদ আপনি হয়তো নিয়মিত বাইরে কফি পান করেন। কিন্তু, এটা বাদ দিতে পারেন। তাহলে আপনার খরচ কমে যাবে। প্রয়োজনে বাসায় কফি বানান। তারপর তা একটি ফ্লাস্কে ভরে কর্মস্থলে নিয়ে যান। আপনি যদি সত্যিই ব্যয় কমাতে চান তাহলে এই অভ্যাসটি খুবই জরুরি। এতে প্রতিমাসে আপনার খরচ কমবে। সাইকেলে বা হেঁটে কর্মস্থলে যাওয়া আপনার কর্মস্থল যদি বাসার কাছাকাছি হয়। তাহলে হেঁটে বা সাইকেল চালিয়ে কর্মস্থলে যেতে পারেন। এই অভ্যাস খরচ কমানোর জন্য খুবই কার্যকরী উপায়। আবার একইসঙ্গে আপনার জন্য ব্যায়ামও হয়ে যাবে, আপনি ফিট থাকবেন। ব্র্যান্ডের পণ্য এড়িয়ে চলা সংসারের প্রয়োজনীয় অনেক জিনিস আমরা ব্রান্ড থেকে কিনে থাকি। কিন্তু, খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে ব্রান্ডের পণ্য আর সাধারণ পণ্যের স্বাদে খুব বেশি পার্থক্য নেই। তাই ব্র্যান্ডিংয়ে প্রলুব্ধ হবেন না। আপনি হয়তো ব্রান্ডের জুস বা প্রক্রিয়াজাত অন্যান্য খাবার কিনছেন। অথচ চাইলেই এগুলো বাসাতে বানানো যায়। তাহলে শুধু শুধু এজন্য কেন অতিরিক্ত টাকা খরচ করবেন? বাসার খাবার খাওয়া আমরা অনেক সময় বাইরের খাবার খাই। কিংবা সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ব্যয়বহুল কোনো রেস্টুরেন্টে খেতে যাই। কিন্তু, কখনো ভেবে দেখেছেন এজন্য প্রতিমাসে আপনাকে অতিরিক্ত কতগুলো টাকা খরচ করতে হয়। তাই এই অভ্যাস এড়িয়ে চলুন। কোনো বিশেষ কিছু খেতে ইচ্ছে হলে চেষ্টা করুন বাসায় রান্না করে খাওয়ার। এতে খরচ সাশ্রয় হবে আবার পরিবারের সবার সঙ্গে সম্পর্কটাও মজবুত হবে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতা আমার অনেকেই গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যবহার নিয়ে সচেতন না। অথচ আমাদের সংসারের প্রতিমাসের নিয়মিত খরচের দুটি খাত গ্যাস ও বিদ্যুৎ। তাই গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যবহারে খুব সচেতন হতে হবে। তাহলে এখান থেকেও সংসারের কিছু খরচ কমাতে পারবেন। দামি পানীয় এড়িয়ে চলা দামি কোল্ড ড্রিংকস ও সফট ড্রিংকস পান করা অনেকের নিয়মিত অভ্যাস। অথচ, এগুলোর কার্যত কোনো উপকার নেই। সহজ কথায় বলতে গেলে এগুলো এক ধরনের অপচয়। তাই এই অভ্যাস বাদ দিতে হবে। তাহলে এই খাত থেকেও বেশ কিছু খরচ কমানো সম্ভব হবে। আসল কথা, যে জিনিসের কোনো সুবিধা নেই তার পেছনে অর্থ ব্যয় করার কোনো মানে হয় না। কয়েন সংগ্রহ প্রতি মাসেই আমাদের হাতে অনেকগুলো কয়েন আসে। যার কোনো হিসাব থাকে না। সেগুলো হারিয়ে গেলেও আমরা জানতে পারি না। এক্ষেত্রে একটি পাত্র ঠিক করতে পারেন। তারপর সেই পাত্রে কয়েনগুলো জমাতে পারেন। মাস শেষে কয়েনের পরিমাণ দেখে আপনি হয়তো অবাক হবেন। কারণ, সেখানে জমানো কয়েনের টাকার অঙ্কটা বেশ বড়ই হবে। পুরনো জিনিস বিক্রি সংসারে এমন অনেক জিনিস থাকে যেগুলো কাজে লাগে না। ঘরের এক কোণে পড়ে থাকে। পুরনো হয়ে যাওয়ায় এই জিনিসগুলো ব্যবহার করা হয়ে ওঠে না। কিংবা হয়তো ব্যবহারের দরকার হয় না। কিন্তু, যে জিনিসটা আপনার জন্য অদরকারি, সেটা অন্য কারো কাছে বেশ দরকারি হতে পারে। তাই পুরনো অদরকারি জিনিসগুলো বিক্রি করে দিন। তাহলে সেখান থেকে কিছু অর্থ আসবে। আজকাল পুরনো জিনিস অহরহ বিক্রি হচ্ছে। পুরনো জিনিস কেনাবেচার অনেকগুলো অনলাইন প্লাটফর্মও আছে। অনলাইন সাবসক্রিপশন কমানো আধুনিক সময়ে আমরা বিনোদনের জন্য অনেকে অনলাইন প্লাটফর্মের সাবসক্রিপশন নিয়ে থাকি। কিন্তু, সেসব প্লাটফর্মে মুভি, ড্রামা বা অন্যকিছু দেখা হয় না। তাই এসব প্লাটফর্ম আনসাবসক্রাইব করে নিন। তাহলে এখান থেকে প্রতিমাসে কিছু টাকা কমাতে পারবেন। যা আপনার সংসার খরচ যোগাতে সহায়ক হবে। ব্যয়বহুল ক্লিনিং পণ্যের ব্যবহার কমানো চাইলেই বাসাতে অনেক পরিষ্কারপণ্য তৈরি করা সম্ভব। যেমন- ড্রেন পরিষ্কার করতে ভিনেগার ও বেকিং সোডা ব্যবহার করতে পারেন। আবার সাধারণ দাগ, ফ্রিজ বা জানালার গ্লাস পরিষ্কার করতে লেবুর রস ব্যবহার করা যায়। তাহলে এসবের জন্য শুধু শুধু বিলাসবহুল পরিষ্কারপণ্য ব্যবহার করার দরকার নেই। এখান থেকে সংসারের খরচ কিছুটা হলেও কমবে। বিলাসবহুল সৌন্দর্যপণ্য এড়িয়ে চলা ত্বকের বলিরেখা থেকে মুক্তি পেতে এবং ত্বক সুন্দর রাখতে আমরা দামি ক্রিম ব্যবহারে প্রলুব্ধ হয়ে থাকি। কিন্তু, বাস্তবে ত্বকের প্রয়োজন হলো একটি ভালো ডায়েট। দরকার প্রচুর পরিমাণে পানি ও হাইড্রেশন। এজন্য ব্যয়বহুল ক্রিমের পরিবর্তে বাদাম বা নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এতে ত্বক ভালো থাকবে আবার সংসারের খরচও কমবে। জিমের সদস্যপদ বাতিল করা ব্যায়াম বা ওয়ার্কআউটের জন্য জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। জিমের পরিবর্তে সাইকেল চালিয়ে, পার্কে হেঁটে ও দৌড়িয়ে কিংবা বাড়িতে ভারোত্তোলন করে ব্যায়াম করতে পারেন। আবার যারা জিম ছাড়তে চান, তাদের নিয়ে একটি গ্রুপ গঠন করতে পারেন। তারপর তাদের সঙ্গে বাইরে নিয়মিত ওয়ার্কআউট সেশন করতে পারেন। তাহলে ফিট থাকার জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হবে না। কার্ডে নয়, নগদ লেনদেন প্রতি সপ্তাহে খরচের জন্য নির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ করুন এবং শুধু সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করুন। তবে, অবশ্যই নগদ টাকা খরচ করবেন। কারণ কার্ডে লেনদেন করলে আপনি নিজেও জানতে পারবেন না কত টাকা খরচ করে ফেলছেন। তাই কার্ড নয় নগদ লেনদের করুন। তাহলে সহজে বুঝতে পারবেন কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে। যা আপনাকে খরচের ব্যাপারে সাবধানী হতে সহায়তা করবে। সঞ্চয় নিয়ে কৃতজ্ঞ থাকা অর্থের প্রতি নিজের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনুন। পর্যাপ্ত আয় না করা বা পর্যাপ্ত পরিমাণে অর্থ না থাকার জন্য নিজেরে প্রতি অভিযোগ করবেন না। এর পরিবর্তে আপনার যা আছে তাই নিয়ে কৃতজ্ঞ থাকুন। মনোভাবের এই বদল ব্যয় কমাতে কতটা সহায়তা করতে পারে তা দেখে আপনি অবাক হবেন।

post
লাইফ স্টাইল

রাতে ঘুম আসে না?

অনেকেরই রাতে বিছানায় শুয়ে ঘুম আসে না। বিছানায় এ পাশ-ও পাশ করেই ভোর হয়ে যায়। অনিদ্রার এই সমস্যা নানা কারণে হতে পারে, তার মধ্যে অন্যতম হলো ঘুমাতে যাওয়ার আগে কী খাবার খাচ্ছেন। বেশ কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো ঘুম আসতে বাধা দেয়। জেনে নিন, অনিদ্রার সমস্যা থাকলে ঘুমোনোর আগে কোন কোন খাবার ভুলেও খাবেন না— কফি বাড়িয়ে দিতে পারে উদ্বেগের সমস্যা। কারণ, কফিতে থাকা ক্যাফিন স্নায়ুর কার্যকারিতা শিথিল করে দেয়। সেই সঙ্গে ক্যাফিন রক্তচাপের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। উচ্চ রক্তচাপ মানসিক উদ্বেগের একটি অন্যতম বড় কারণ। কিন্তু ক্যাফিন মাত্রই যে ক্ষতিকর, তা নয়। দিনে ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাফিন খেলে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। ভাজাভুজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ট্রান্সফ্যাট। এই ফ্যাট অনিদ্রার সমস্যার একটি অন্যতম কারণ। কারও যদি ঘুম না আসার সমস্যা থেকে থাকে, সে ক্ষেত্রে রাতের খাবারে বেশি তেল-মশলা এবং ভাজাভুজি এড়িয়ে চলুন। তা ছাড়া এই ধরনের খাবার উদ্বেগের মাত্রাও বাড়িয়ে দিতে পারে। কেক, পেস্ট্রি, সন্দেশ বা এই ধরনের মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। শর্করার মাত্রা ওঠানামা করায় উদ্বেগও নিয়ন্ত্রণের বাইরে বেরিয়ে যায়। মিষ্টি জাতীয় খাবার মস্তিষ্ককে শান্ত হতে দেয় না, তাই অনিদ্রার সমস্যা যাদের দীর্ঘ দিনের, রাতে তাদের মিষ্টিজাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকার কথা বলেন চিকিৎসকরা।

post
লাইফ স্টাইল

যে ৩ অভ্যাস ডায়াবেটিস বাড়িয়ে দেয়

বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যাই শুধু বাড়ছে না, সেইসঙ্গে বাড়ছে অল্প বয়সে আক্রান্ত হওয়ার হারও। ফলস্বরূপ হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং কিডনি ফেইলরের আশঙ্কাও বেড়ে যাচ্ছে। ডায়াবেটিস হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ। অগ্ন্যাশয় পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি না করলেশরীর কার্যকরভাবে উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহার করতে না পারলে এর সৃষ্টি হয়। ইনসুলিন হলো এমন একটি হরমোন যা রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে।যদিও বয়স এবং জেনেটিক্স ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে জীবনযাপনের ধরনও এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের ঘাটতি এবং প্রচণ্ড মানসিক চাপ, নিষ্ক্রিয় জীবনযাপনের ফলে বেড়ে চলেছে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা। ডায়াবেটিস বাড়িয়ে দেওয়া এই অভ্যাসগুলো আপনারও নেই তো? মিলিয়ে নিন- ১. নিষ্ক্রিয় জীবনযাপন নিষ্ক্রিয় জীবনযাপন টাইপ ২ ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকির কারণগুলোর মধ্যে একটি। আমাদের মধ্যে বেশিরভাগই এমন চাকরিতে নিযুক্ত হন যেগুলোতে কাজের সময়সূচী অনিয়মিত থাকে এবং দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকতে হয়। নিয়মিত ব্যায়াম না করলে অতিরিক্ত চিনি শক্তির জন্য পেশীতে পাঠানোর পরিবর্তে রক্তের প্রবাহে থেকে যায়, ইনসুলিনের প্রতি শরীরের প্রতিক্রিয়া ব্যাহত করে এবং দীর্ঘস্থায়ীভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। শরীরের চর্বি কমানো, রক্তচাপ কমানো এবং রক্তে শর্করা কমানো সহ ডায়াবেটিস পরিচালনার জন্য ব্যায়ামের বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। নিয়মিত ব্যায়াম আপনার পেশী, লিভার এবং চর্বি কোষে চিনির (গ্লুকোজ) শোষণ বাড়ায়। এটি ইনসুলিনের প্রতি শরীরের প্রতিক্রিয়া উন্নত করে, ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে। প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১৫০ মিনিট ব্যায়াম এবং শারীরিক কার্যকলাপ করতে হবে। প্রতিদিন হাঁটা, সিঁড়ি ভাঙা এবং একটানা বসে না থেকে বিরতি নেওয়ার মতো ছোট পরিবর্তনগুলো আপনার শারীরিক কার্যকলাপের মাত্রা বাড়িয়ে তুলতে পারে। ২. অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বিশ্বব্যাপী টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির একটি কারণ হলো অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। অপর্যাপ্ত দানা শস্য খাওয়া, পরিশোধিত চাল এবং গমের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারের অতিরিক্ত ব্যবহার এর মধ্যে অন্যতম। জাঙ্ক ফুড খাওয়ার অভ্যাস প্রায় সবারই রয়েছে। এ ধরনের খাবারে ক্যালোরি বেশি থাকে কিন্তু পুষ্টির মান থাকে কম। এই খাবারগুলোতে থাকে অতিরিক্ত চিনি এবং চর্বি যা ওজন বৃদ্ধি করে। এই অতিরিক্ত ওজন ডায়াবেটিসের সঙ্গে সম্পর্কিত। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি হলো সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা। ৩. কম ঘুমানো এবং মানসিক চাপ স্ট্রেস সরাসরি ডায়াবেটিসের সঙ্গে যুক্ত নয়, তবে এটি একটি অবদানকারী কারণ হিসাবে বিবেচিত হয়। স্ট্রেসের সময়, শরীর কর্টিসোল নামে একটি স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ করে, যা ইনসুলিন কার্যকলাপের বিরোধী। স্ট্রেস হরমোন রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই এটি নিয়ন্ত্রণ করতে ইনসুলিন বা ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। অপরদিকে ঘুমের সময় না ঘুমিয়ে জেগে থাকার মতো অভ্যাস আছে অনেকেরই। রাত জাগার এই বদ অভ্যাস ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে ফেলে। ঘুমের স্বল্পতা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রিত হরমোনগুলোতে ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে, যে কারণে আপনি ক্ষুধার্ত বোধ করেন এবং অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে ওজন বেড়ে যায়।

post
লাইফ স্টাইল

রোজায় শক্তি বাড়ায় যেসব খাবার

রোজায় দীর্ঘ সময় উপবাসের কারণে শরীরে পানির চাহিদা বেশি থাকে। আবার অনেকক্ষণ খাবার না খাওয়ার কারণে শরীরে শক্তিরও ঘাটতি হয়। সেক্ষেত্রে খাদ্যতালিকায় কিছু সুপারফুড যুক্ত করা হলে শরীর একই সঙ্গে পুষ্টি এবং শক্তি পাবে। যেমন- খেজুর : রোজার সর্বোত্তম ফল হিসাবে খেজুর পরিচিত। খেজুরে থাকা গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, খেজুরে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ কারণে ইফতারে এই ফলটি যোগ করা জরুরি।ওটস: রোজার সময় শরীরে শক্তি জোগাতে ওটসের জুড়ি নেই। ওটস এমন একটি কার্বোহাইড্রেট যা ধীরে ধীরে শক্তি প্রকাশ করে,এ কারণে এটি খেলে দীর্ঘ সময়ের জন্য ক্ষুধা অনুভূত হয় না। ওটসে পর্যাপ্ত পরিমাণে বি ভিটামিন রয়েছে, যা খাবারকে শক্তিতে রূপান্তর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অতিরিক্ত পুষ্টি এবং স্বাদের জন্য ওটমিলে ফল, বাদাম এবং বীজ যোগ করতে পারেন। বাদাম এবং বীজ: বাদাম, আখরোট, চিয়া বীজ এবং ফ্ল্যাক্সসিড হল পুষ্টিকর স্ন্যাকস যা শরীরে শক্তি এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। এসব খাবারে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন এবং ফাইবার রয়েছে। বাদাম এবং বীজ শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। ইফতার বা সেহেরিতে দইয়ের মধ্যে বাদাম এবং বীজ যোগ করে খেতে পারেন। উপকার পাবেন। বেরি: বেরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিনের ভালো উৎস। এই ফল ফ্রি র‌্যাডিক্যালের সাথে লড়াই করে। এর ফলে ক্লান্তি দূর হয়, শরীর শক্তি পায়। ওটমিল বা দইয়ের সাথে বেরি যোগ করতে পারেন। মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলু ভিটামিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ একটি খাবার। মিষ্টি আলু খেলে শরীর দীর্ঘ সময়ের জন্য পূর্ণ বোধ করে এবং শক্তি পায়। ইফতারে এই খাবারটি অনায়াসে যোগ করতে পারেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.