যারা নিঃস্বার্থভাবে রক্তদান করেন, তাদের সম্মান জানাতে প্রতি বছর জুন মাসের ১৪ তারিখ বিশ্ব রক্তদাতা দিবস পালন করা হয়। ইভেন্টটি নিরাপদ রক্ত এবং এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ারও কাজ করে। বিশ্ব রক্তদাতা দিবস ২০২৪-এর থিম ছিল ‘দান উদযাপনের ২০ বছর: ধন্যবাদ, রক্তদাতারা!’
রক্তদানের নিঃস্বার্থ কাজ অনেকের জীবন বাঁচাতে পারে এবং অনেক গ্রহীতাকে উপকৃত করতে পারে, আপনি কি জানেন যে রক্তদান রক্তদাতাকেও বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে? বিশেষজ্ঞদের মতে রক্তদানের অনেকগুলো উপকারিতা রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
রক্ত দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি জীবন বাঁচায়। প্রত্যেক দাতার রক্ত তিনজন পর্যন্ত ভিন্ন ব্যক্তি ব্যবহার করতে পারেন যাদের ট্রান্সফিউশন বা অন্যান্য রক্তের পণ্য প্রয়োজন। নিঃস্বার্থভাবে করা এই কাজ পরিপূর্ণতা এবং ইতিবাচকতার অনুভূতি তৈরি করে। যা মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।
রক্ত দান করার আগে কিছু শারীরিক পরীক্ষা এবং স্ক্রীনিং করতে হয়। এর মধ্যে রয়েছে নাড়ি, রক্তচাপ, শরীরের তাপমাত্রা এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রা পরীক্ষা করা। একজন ডাক্তার আপনার ক্লিনিকাল ইতিহাস পর্যালোচনা করে এবং স্বাস্থ্য মূল্যায়ন পরিচালনা করে। এতে করে আপনার স্বাস্থ্যের ছোটখাটো পরীক্ষা হয়ে যায়।
রক্তদানের মাধ্যমে আপনি বিনামূল্যে রক্তের বিশ্লেষণও পান, যা এইচআইভি, হেপাটাইটিস বি এবং সি সংক্রমণের পাশাপাশি সিফিলিসের মতো রোগের জন্য পরীক্ষা করে। রক্তদাতার কোনো সমস্যা থাকলে তা জানানো হয়, যাতে সে অতিরিক্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে পারে।
