post
লাইফ স্টাইল

পাকা আম খাওয়ার ৫ উপকারিতা

পাকা আমের মৌসুম আসতে চলেছে। গ্রীষ্মের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আর লোভনীয় ফল হলো এই আম। রসালো আম কেবল সুমিষ্টই নয়, বরং এর রয়েছে অনেক উপকারিতাও। আম খেলে তা শরীরের বিভিন্ন ধরনের উপকার করে। তবে আম খাওয়ার সময় এর ক্যালোরির দিকে নজর রাখা জরুরি, কারণ এটি অত্যন্ত মিষ্টি এবং অন্যান্য খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া না-ও যেতে পারে। ১. কোলেস্টেরল কমায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আম খেলে তা কোলেস্টেরল কমাতে কাজ করে। আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, পেকটিন এবং ফাইবার রয়েছে যা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পরিমিত পরিমাণ আম খেতে পারেন। ২. চোখের জন্য উপকারী এক কাপ কাটা আমের মধ্যে ২৫ শতাংশ ভিটামিন এ থাকে যা চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং রাতকানা ও শুষ্ক চোখ প্রতিরোধ করে। তাই যারা চোখের বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য আম একটি উপকারী খাবার। নিয়মিত এই ফল খেলে চোখ ভালো রাখা সহজ হয়। ৩. শরীরকে ক্ষারীয় করে আমের নানা উপকারের মধ্যে এটিও একটি। আমে উপস্থিত ম্যালিক অ্যাসিড, টারটারিক অ্যাসিড এবং কিছু সাইট্রিক অ্যাসিড সহ অ্যাসিড শরীরে ক্ষারীয় উপাদান বজায় রাখতে সাহায্য করে। ৪. হিট স্ট্রোকের বিরুদ্ধে লড়াই করে আম থেকে তৈরি একটি জুস খেলে তা বাইরের অতিরিক্ত তাপ থেকে শরীরকে ঠান্ডা করতে সাহায্য করে। এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখে এবং আপনাকে সহজে ক্লান্ত হতে দেয় না। শুধু পাকা আম নয়, কাঁচা আমের শরবতও বেশ এক্ষেত্রে উপকারী। ৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ২৫টি বিভিন্ন ধরণের ক্যারোটিনয়েড সহ আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি রয়েছে। যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে এবং গ্রীষ্মে শরীরকে অসুস্থ হওয়া থেকে রক্ষা করে।

post
লাইফ স্টাইল

গরমে বাইরে বের হলে ডিহাইড্রেশন এড়ানোর উপায়

গরমের সময় বাইরে বের না হয়ে থাকা সবার জন্য সম্ভব নয়। কারণ কাজ ও জীবিকার প্রয়োজনে আমাদের অনেককেই বাইরে বের হতে হয়। তীব্র তাপের সময় বাইরে বের হলে তা ত্বকে প্রভাব ফেলে। সেইসঙ্গে ঘাম, ট্যানিং এবং এমনকী ডিহাইড্রেশন হতে পারে! ডিহাইড্রেশন আমাদের সামগ্রিক সুস্থতা ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। তাই গরমের সময়ে বাইরে বের হলে ডিহাইড্রেশন এড়ানোর উপায় জেনে নেওয়া জরুরি- ১. পানির বোতল সঙ্গে রাখুন গরমে বাইরে বের হলে পানির বোতল সঙ্গে রাখুন। এমন একটি বোতল বেছে নিন যা সারাদিন বহন করার জন্য সুবিধাজনক। একটি ভালো বোতল বেছে নিন যা সারা দিন পানি সতেজ ও ঠান্ডা রাখবে। তৃষ্ণার্ত হওয়ার আগেই পানিতে ঘন ঘন চুমুক দিন। ২. ইলেক্ট্রোলাইট প্রচণ্ড গরমে ঘাম হওয়া সাধারণ ব্যাপার। এই কারণে আমরা আমাদের শরীর থেকে প্রচুর খনিজ হারিয়ে ফেলি। সোডিয়াম, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো ইলেক্ট্রোলাইট সর্বোত্তম হাইড্রেশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে তীব্র গরমের সময়। আপনার পানির বোতলে ইলেক্ট্রোলাইট ট্যাবলেট বা এক চিমটি গোলাপি লবণ যোগ করুন। আরেকটি বিকল্প হলো ডাবের পানি পান করা, যা ইলেক্ট্রোলাইটে ভরপুর। ৩. হাইড্রেটিং খাবার সম্ভব হলে বাইরে বের হওয়ার আগে হাইড্রেটিং খাবারে পূর্ণ একটি বক্স সঙ্গে নিন। পানি সমৃদ্ধ ফল যেমন শসা, তরমুজ, ফুটি ইত্যাদি কেটে সঙ্গে নিতে পারেন। হাইড্রেটেড রাখার জন্য এই ফলগুলো চমৎকার। সেইসঙ্গে এগুলো আপনাকে চিপসের মতো সোডিয়াম-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া থেকে বিরত রাখবে, যা ডিহাইড্রেশন এবং ওজন বাড়াতে পারে।

post
লাইফ স্টাইল

খালি পেটে কিশমিশ খেলে কী হয়?

এক মুঠো কিশমিশ এক গ্লাস পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি সামান্য গরম করে খেয়ে নেওয়ার এই অভ্যাস বেশ স্বাস্থ্যকর। সপ্তাহে মাত্র তিনদিন এই পানীয় পান করলে অনেক ধরনের উপকার পাবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক খালি পেটে কিশমিশ ভেজানো পানি খেলে কী হয়? হজম নিয়ে কোনো ধরনের সমস্যায় ভুগলে নিশ্চিন্তে খেতে পারেন কিশমিশ ভেজানো পানি। কারণ সপ্তাহে মাত্র তিন দিন এই পানীয় পান করলে তা আপনার হজম ক্ষমতা বাড়াবে এবং সেইসঙ্গে দূর করবে কোষ্ঠকাঠিন্যও। তাই ভালো হজমের জন্য এদিকে মনোযোগ দিন। গরমের সময়ে তো বটেই, সারাবছরই আমাদের হাইড্রেশন বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। কিশমিশ ভেজানো পানি পা করলে করলে তা শরীর থেকে বের হয়ে যাওয়া পানির ঘাটতি পূরণে কাজ করে। তাই ডিহাইড্রেশন রোধে এই পানীয় আপনার সকালের খাবারের তালিকায় যুক্ত করে নিন। হার্ট ভালো রাখার জন্য খাবারের দিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি। সেজন্য খেতে হবে সহায়ক সব খাবার ও পানীয়। তেমনই একটি পানীয় হলো কিশমিশ ভেজানো পানি। কিশমিশে থাকে প্রচুর পটাশিয়াম যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হাটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কাজ করে। আজকাল অনেকেরই রক্তস্বল্পতার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এই সমস্যা দূর করতে উপকারী সব খাবার রাখতে হবে তালিকায়। আমাদের বাড়িতে থাকা কিশমিশ কিন্তু এ ধরনের সমস্যা দূর করতে বেশ সহায়ক। নিয়মিত কিশমিশ ভেজানো পানি পান করলে শরীরে রক্ত তৈরি হয়।

post
লাইফ স্টাইল

এই ফলগুলো ফ্রিজে রাখবেন না

অনেক ফলও আমরা ফ্রিজে রেখে খাই। কিন্তু কিছু ফল ফ্রিজে রাখা উচিত নয় কারণ এর ফলে সেসব ফলের স্বাদ, গঠন এবং পুষ্টির মানে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। যদিও হিমায়ন অনেক খাবারের জন্য উপকারী তবে এটি জানা গুরুত্বপূর্ণ যে কোন ফলগুলো ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা ভালো। চলুন জেনে নেওয়া যাক- কলা কখনোই ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। ফ্রিজে রাখা হলে কলার খোসা কালো হতে শুরু করে, যা অনেকে বিশেষ করে শিশুরা খেতে নাও চাই পারে। আবার ফ্রিজে রাখা কলা দ্রুত পাকে না। তরমুজ তাড়াতাড়ি নষ্ট হওয়া ঠেকাতে অনেকেই ফ্রিজে রাখার ভুল করে থাকেন। এটি করলে এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কমে যায় এবং এর পুষ্টিগুণও কমে যায়। রেফ্রিজারেটরে পেঁপে সংরক্ষণ করলে এর স্বাদ এবং গঠন পরিবর্তন হতে পারে। এটি ঘটে কারণ রেফ্রিজারেটরের নিম্ন তাপমাত্রা পেঁপে পাকার প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়। লিচুর মৌসুমে প্রচুর পরিমাণে লিচু কিনে সেগুলো সতেজ রাখতে ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন অনেকেই। এটি শুধুমাত্র খোসার সতেজতা বজায় রাখে, তবে লিচু ভেতর থেকে নষ্ট হতে পারে। তাই লিচু ফ্রিজে না রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। ফ্রিজে আনারস সংরক্ষণ করলে এর গঠন এবং স্বাদের অবনতি হতে পারে। তাই ফ্রিজে না রাখাই ভালো। রেফ্রিজারেশনের ফলে ফলটি খুব নরম হয়ে যায়, যার ফলে এর প্রাকৃতিক স্বাদ পরিবর্তন হয়। ফ্রিজে আম সংরক্ষণ করার ভুল করবেন না, কারণ ঠান্ডা তাপমাত্রা এই ফল পাকানোর প্রক্রিয়াকে ধীর করে দিতে পারে এবং স্বাদ এবং গঠনকে প্রভাবিত করতে পারে।

post
লাইফ স্টাইল

হাড় ভালো রাখে যে ভিটামিন

বেশীরভাগ মানুষ ত্রিশ বছর বয়সের কাছাকাছি এসে হাড়ের ভর অর্জন করে। এরপরে, হাড়ের পুনর্নির্মাণ অব্যাহত থাকে, তবে আপনি অর্জনের চেয়ে সামান্য বেশি হাড়ের ভর হারাবেন। হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক- প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন ১০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন ডি প্রয়োজন। ভিটামিন ডি অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য অপরিহার্য, যা শক্তিশালী হাড় গঠন ও বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয়। এটি রক্তে ক্যালসিয়াম এবং ফসফেটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে, যা হাড়ের খনিজকরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন ডি-এর প্রাথমিক উৎস হলো সূর্যের আলো, কারণ সূর্যের আলোর সংস্পর্শে ত্বক ভিটামিন ডি সংশ্লেষণ করে। ক্যালসিয়াম হাড়ের প্রধান খনিজ উপাদান এবং হাড়ের গঠন ও শক্তির জন্য অপরিহার্য। এটি পেশী সংকোচন, স্নায়ু ফাংশন এবং রক্ত ​​জমাট বাঁধতে ভূমিকা পালন করে। ক্যালসিয়ামের ভারো খাদ্যতালিকাগত উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে দুগ্ধজাত দ্রব্য, সবুজ শাক-সবজি, টফু, বাদাম ইত্যাদি। ভিটামিন কে হাড়ের খনিজকরণে জড়িত এবং হাড়ের মধ্যে ক্যালসিয়াম নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এটি রক্ত জমাট বাঁধতেও ভূমিকা রাখে এবং হাড়ের টিস্যুতে প্রদাহ-বিরোধী প্রভাব থাকতে পারে। ভিটামিন কে-১ পাওয়া যায় সবুজ শাক-সবজিতে, আর ভিটামিন কে-২ পাওয়া যায় গাঁজানো খাবার যেমন নাট্টো এবং পনির এবং প্রাণীজ পণ্যে। ভিটামিন সি কোলাজেন সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় যা হাড়, তরুণাস্থি এবং সংযোগকারী টিস্যুর গঠন এবং শক্তি প্রদান করে। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যও রয়েছে যা হাড়ের কোষকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে। ভিটামিন সি প্রচুর পরিমাণে ফল এবং সবজি ইত্যাদিতে পাওয়া যায়।

post
লাইফ স্টাইল

বিয়ের আগে যে বিষয়ে আলোচনা করে নেবেন

আপনার মানসিক এবং শারীরিক চাহিদা,আপনার প্রেমের ভাষা এবং আপনি কীভাবে দ্বন্দ্ব সামাল দেন, সে সম্পর্কে খোলাখুলিভাবে প্রকাশ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেইসঙ্গে সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৪টি বিষয় সম্পর্কে- যেহেতু দুজন মানুষ বিয়ের পর সারাজীবন একসঙ্গে থাকার প্রতীজ্ঞা করছেন তাই পারস্পারিক যোগাযোগের ধরন যাচাই করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। দ্বন্দ্ব, মতবিরোধ এবং তর্কের সময়ে আপনি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানান তা তাকে জানানোও গুরুত্বপূর্ণ। কথা বলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনি দুজনের ঘনিষ্ঠ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কী আশা করেন তা জানানো, আপনার আবেগ এবং বিয়ে নিয়ে পরিকল্পনাও এর অংশ হতে পারে। বিয়ে, প্রতিশ্রুতি এবং আপনি উভয়ে কীভাবে কোয়ালিটি টাইম কাটাতে চান, তা নিয়ে আলোচনা করা অপরিহার্য। দাম্পত্য জীবনেও পার্সোনাল স্পেস এবং বাউন্ডারি বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক সুখী এবং পরিপূর্ণ সম্পর্ক অর্জনের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজের মতো করে কিছুটা সময় একা কাটানো কিংবা পার্সোনাল স্পেসের জন্য পরবর্তীতে যেন পরস্পরকে দোষারোপ করা না হয় তাই আগেভাগেই কথা বলে নিন। বিয়ের আগে হবু সঙ্গীর সঙ্গে আপনার আর্থিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোলামেলা এবং স্বচ্ছ আলোচনা হওয়া জরুরি। আপনার আয়, ঋণ, সঞ্চয় এবং ব্যয় করার অভ্যাস সম্পর্কে সৎভাবে আলোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। দম্পতি হিসাবে আপনি কীভাবে যৌথ ব্যয় এবং আর্থিক বিষয়গুলো পরিচালনা করবেন তা সহ দীর্ঘমেয়াদী বাজেট এবং আর্থিক পরিকল্পনা সম্পর্কে কথা বলুন।

post
লাইফ স্টাইল

অক্সিজেনের ঘাটতি দূর করতে যা খাবেন

মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে ঘটতে পারে মৃত্যু পর্যন্ত। যে কারণে আমাদের শরীরে যেন অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এই সমস্যা দেখা দিলে ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, এমন কি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক অক্সিজেনের ঘাটতি দূর করতে কী খাবেন- একটি উপকারী ফল হলো বেদানা। এই ফল আমাদের শরীরে রক্ত তৈরি করার পাশাপাশি রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। বেদানায় থাকে প্রচুর আয়রন, কপার, জিঙ্কের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। তাই অক্সিজেনের ঘাটতি দূর করার জন্য বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন একটি করে বেদানা খাওয়ার পরামর্শ দেন। এভাবে বেদানা খেলে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দূর হয়। সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর একটি ফল হলো স্ট্রবেরি। এই ফলে থাকে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। তাই প্রতিদিন একটি করে স্ট্রবেরি খেলে তা আমাদের শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হতে দেয় না। অক্সিজেনের ঘাটতিজনিত সমস্যা থেকে বাঁচতে চাইলে তাই প্রতিদিন স্ট্রবেরি রাখুন আপনার খাবারের তালিকায়। বিটরুট খাওয়ার রয়েছে অনেক উপকারিতা। এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, পটাশিয়াম, আয়রন, ভিটামিন বি-৯। আমাদের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় উপকারী এই সবজি যোগ করা গেলে মিলবে অনেক উপকার। বিশেষ করে নিয়মিত বিটরুট খেলে তা আমাদের শরীরে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ এবং শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

post
লাইফ স্টাইল

গর্ভবতী নারীর সুস্থ থাকার উপায়

গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে গর্ভবতী নন এমন নারীর তুলনায় তাড়াতাড়ি ক্লান্তি, হিট স্ট্রোক বা অন্যান্য তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এর কারণ হলো গর্ভবতী নারীর শরীর এবং বিকাশমান শিশু উভয়কেই ঠান্ডা করার জন্য তাদের শরীরকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। এছাড়াও, গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে ডিহাইড্রেশনের প্রবণতা বেশি, যার ফলে তৃষ্ণা বৃদ্ধি, গলা শুকিয়ে যাওয়া, হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, প্রস্রাব না হওয়া, জ্বর, বিরক্তি এবং ডায়রিয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রথম ১২ সপ্তাহে যদি একজন গর্ভবতী নারীর শরীরের তাপমাত্রা ৩৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে ওঠে, তবে শিশুর জন্মগত ত্রুটি হওয়ার ঝুঁকি কিছুটা বেড়ে যেতে পারে। সিডিসি অনুসারে, কিছু ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং গর্ভাবস্থায় জ্বর জন্মগত ত্রুটি এবং অন্যান্য গর্ভাবস্থার জটিলতার সঙ্গে সম্পর্কিত। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) ২০২০ সালে প্রকাশিত একটি পর্যালোচনায় বলা হয়েয়ে, উচ্চ তাপমাত্রার সংস্পর্শে থাকা নারীদের অকাল প্রসব এবং মৃত সন্তান প্রসব হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গবেষকরা দেখেছেন যে তাপমাত্রায় প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধির জন্য, অকাল প্রসবের সম্ভাবনা ৫% বেড়ে যায় এবং তাপপ্রবাহের সময় এই ঝুঁকিটি ১৬% বেড়ে যায়। উচ্চ তাপমাত্রার সঙ্গে মৃত সন্তানের জন্মের ঝুঁকিও কিছুটা বেড়েছে,গবেষণায় যেমনটা উল্লেখ করা হয়েছে। গর্ভবতী নারীরা হিট ওয়েভ প্রতিরোধে যা করবেন * ঢিলেঢালা এবং সুতির পোশাক পরুন। * প্রখর রোদে ভ্রমণ বা হাঁটা এড়িয়ে চলুন। * সাদা ছাতা সঙ্গে রাখুন এবং বাইরে যেতে হলে হালকা পোশাক পরুন। * প্রচুর পানি, ডাবের পানি, তাজা ফলের রস, মৌসুমি ফল, বাটার মিল্ক এবং দই পান করে হাইড্রেটেড থাকুন।

post
লাইফ স্টাইল

চুলকানির সমস্যা দূর করার ঘরোয়া উপায়

গরমের সময়ে অনেকের ত্বকেই চুলকানির সমস্যা বেড়ে যায়। এটি যেমন অস্বস্তিকর তেমনই যন্ত্রণাদায়ক। একবার দেখা দিলে সহজে যেতে চায় না। নানা রকম ওষুধ ব্যবহার করেও অনেকে সুফল পান না। এ ধরনের সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা বেছে নিতে পারেন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াহীন ঘরোয়া উপায়। প্রাকৃতিক বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক চুলকানির সমস্যা দূর করার ঘরোয়া উপায়- ওটমিল ওটমিলে পাওয়া যায় অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি যৌগ। এই উপাদান আমাদের ত্বকে তৈরি হওয়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে দূর করতে এবং চুলকানির সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে কাজ করে। গোসলের পানিতে কয়েক ফোঁটা ওটমিল মিশিয়ে রেখে দিন মিনিট বিশেক। এরপর সেই পানিতে গোসল সেরে নিন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করলে সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। অ্যালোভেরা আমাদের ত্বক ভালো রাখার জন্য ভীষণ উপকারী একটি প্রাকৃতিক উপাদান হলো অ্যালোভেরা। চুলকানির সমস্য দূর করার জন্য প্রতিদিন ত্বকে অ্যালোভেরা ব্যবহার করতে পারেন। পোকামাকড়ের কামড় অথবা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির কারণে সৃষ্টি হওয়া চুলকানি থেকে রক্ষা পেতে এটি আপনাকে দারুণভাবে সাহায্য করবে। তবে অনেকের অ্যালোভেরাতে অ্যালার্জি থাকতে পারে। তারা ব্যবহার না করাই ভালো। বেকিং সোডা বেকিং সোডা কেবল খাবার তৈরিতেই নয় বরং আমাদের ত্বক ভালো রাখার কাজেও ব্যবহার করা যায়। আপনার ত্বকে চুলকানির সমস্যা হলে তা দূর করার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন। প্রথমে পানির সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর চুলকানির স্থানে লাগিয়ে নিন। এভাবে রেখে পরবর্তীতে ধুয়ে ফেলুন। ফুসকুড়ি, অ্যালার্জি, রোদে পোড়া দাগ ইত্যাদি দূর করতে কাজ করবে এই উপাদান। আপেল সাইডার ভিনেগার পানিতে কয়েক ফোঁটা আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে তুলোর বল বা নরম কাপড়ের সাহায্যে গায়ে লাগিয়ে নিন। আপেল সাইডার ভিনেগারের অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য চুলকানির সমস্যা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে।

post
লাইফ স্টাইল

উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে যে খাবারগুলো

উচ্চ রক্তচাপের কারণে ধমনীতে রক্তচাপের মাত্রা বেড়ে যায়। জেনেটিক্স, বয়স এবং জীবনযাত্রার ধরন হাইপারটেনশনের নেপথ্যে কাজ করতে পারে। যদি চিকিৎসা না করা হয় তবে এটি হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং রেনাল ফেইলিওরের মতো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। লাইফস্টাইল পরিবর্তন যেমন সুষম খাবার খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম, স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক- ১. উচ্চ সোডিয়াম গ্রহণ অত্যধিক সোডিয়াম গ্রহণ, প্রাথমিকভাবে লবণ থেকে তরল ধারণ এবং রক্তচাপ বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। অত্যধিক সোডিয়াম গ্রহণের ফলে শরীর পানি ধরে রাখতে পারে, যার ফলে রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ধমনীর দেয়ালে চাপ পড়ে। ২. কম পটাসিয়াম গ্রহণ চিকিৎসকের মতে, পটাসিয়াম শরীরে সোডিয়ামের প্রভাবের ভারসাম্য বজায় রেখে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং ভাসোডিলেশনে (রক্তনালীর শিথিলকরণ) কাজ করে। কম পটাসিয়াম এবং উচ্চ সোডিয়ামযুক্ত খাবার এই ভারসাম্যকে ব্যাহত করতে পারে এবং উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি করতে পারে। ৩. অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন অতিরিক্ত পরিমাণে অ্যালকোহল পান করলে তা রক্তচাপ বাড়াতে পারে এবং সেইসঙ্গে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়। অ্যালকোহল উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত ওষুধের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, তখন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যায়। ৪. উচ্চ স্যাচুরেটেড এবং ট্রান্স ফ্যাট গ্রহণ স্যাচুরেটেড এবং ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার বেশিরভাগ প্রক্রিয়াজাত এবং ভাজা খাবারে পাওয়া যায়, এগুলো প্রদাহ এবং ধমনী শক্ত হওয়ার নেপথ্যে কাজ করে যা উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে। এই ফ্যাট ওজন বৃদ্ধি এবং স্থূলত্বের কারণ হতে পারে, যা উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকির কারণ। ৫. কম ফাইবার গ্রহণ ফাইবার কম খাওয়া বিশেষ করে ফলমূল, শাক-সবজি এবং আস্ত শস্য কম খেলে তা উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে, তৃপ্তি বাড়াতে এবং কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কাজ করে। আর এর অভাব হলে তখন রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। ৬. অত্যধিক চিনি খাওয়া অতিরিক্ত শর্করা যুক্ত খাবার, বিশেষ করে চিনিযুক্ত পানীয় এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার ওজন বৃদ্ধি, ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং প্রদাহ বৃদ্ধি করে উচ্চ রক্তচাপে অবদান রাখতে পারে। উচ্চ চিনি গ্রহণ সরাসরি রক্তচাপের মাত্রা বাড়াতে পারে। ৭. কম ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে জড়িত অপরিহার্য খনিজ। এ জাতীয় খাবার কম খেলে তা উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার (যেমন দুগ্ধজাত দ্রব্য এবং শাক-সবুজ) এবং ম্যাগনেসিয়াম (যেমন বাদাম, বীজ এবং আস্ত শস্য) খেলে কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে কাজ করে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.