post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপে আগুনে নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় মিলেছে

মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে বিদেশি শ্রমিকদের একটি আবাসস্থলে আগুনে নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় মিলেছে। তাদের পরিচয় শনাক্ত করেছে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। নিহতরা হলেন— টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার আমবাড়িয়া ইউনিয়নের জরিফ আলীর মেয়ে আসিয়া বেগম এবং জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের গোলামের ছেলে উজ্জ্বল। মালেতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব সোহেল পারভেজ শুক্রবার (১১ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গুরুতর আহত হয়ে মালদ্বীপের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের রোকন মোল্লা ও রহিমার ছেলে তৈয়ব। এর আগে বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) ভোরে মালের মাফান্নু ও ইস্কান্দার মাগুর কাছে একটি ভবনের নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আগুনে দুই বাংলাদেশিসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় অনেকে দগ্ধ হয়েছেন। এ বিষয়ে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ শহিদ ফোনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনকে সমবেদনা জানিয়েছেন। মালদ্বীপ পুলিশ জানিয়েছে— অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১১ জনের মধ্যে নয়জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চার নারী ও পাঁচ পুরুষ রয়েছেন। চার নারীর মধ্যে তিনজন ভারতীয় ও একজন বাংলাদেশি। এছাড়া পাঁচজন পুরুষের মধ্যে চারজন ভারতীয় ও একজন বাংলাদেশি। এখনো দুইজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। দেশটির ফায়ার সার্ভিস জানায়— সেনরোজ নামের ওই ভবনের নিচে গ্যারেজে আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনার সময় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। ভবনটিতে বেশিরভাগ অভিবাসী নারী শ্রমিকেরা থাকতেন

post
বাংলাদেশ

পাকিস্তানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনেয়োগের আহ্বান

পাকিস্তান বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক অংশীদার বলে মন্তব্য করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রুহুল আলম সিদ্দিক। এছাড়া পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য জোরদার করার প্রচেষ্টা চলছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। একইসঙ্গে পাকিস্তানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনেয়োগের আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার পাকিস্তানের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রুহুল আলম সিদ্দিক। সেখানেই এসব মন্তব্য করেন তিনি। এক্সপ্রেস ট্রিবিউন বলছে, বুধবার মুলতান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে (এমসিসিআই) ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে হাইকমিশনার রুহুল আলম পাকিস্তানি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে যেখানে বিনিয়োগকারীদের কর ছাড় ও অন্যান্য প্রণোদনা দেওয়া হবে।’তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তানি ব্যবসায়ীরাও (অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে বিনিয়োগে) অংশগ্রহণ করতে পারে এবং সমান সুযোগ উপভোগ করতে পারে।’ অবশ্য এর আগে ২০২০ সালেও একবার রপ্তানি শিল্পে পাকিস্তানি বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বাংলাদেশ। সেসময় পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক আহসান এই আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ‘বাংলাদেশে রপ্তানি এবং বিনিয়োগ’ ইস্যুতে পাকিস্তানের করাচিতে আয়োজিত এক সেমিনারে তৎকালীন হাইকমিশনার তারিক আহসান বলেন, ‘আমি পাকিস্তানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশ থেকে আরও আমদানি করার জন্য আমন্ত্রণ জানাই।’ আহসান আরও বলেন, পাকিস্তানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে পোশাক খাতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে। এছাড়া তার দেশ বিদেশি বিনিয়োগের সুবিধার্থে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছে। অবশ্য সাম্প্রতি বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বেড়েছে। ২০২১-২২ অর্থ বছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশে পাকিস্তানের রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেড়েছে বলে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছিল। স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের (এসবিপি) পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে ডন সেসময় আরও জানায়, পাকিস্তানের এই রপ্তানি আগের বছরের প্রথম প্রান্তিকের ১২৭ দশমিক ৪৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২০২১ সালের একই সময়ে ১৭৫ দশমিক ৩৮৯ মিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি একই সময়সীমায় বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানের আমদানিও ব্যাপক বেড়েছে। ২০২১-২২ অর্থ বছরের প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানের আমদানির পরিমাণ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেড়ে ১৭ দশমিক ৪৪৬ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছিল।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপের একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিসহ ১১ জনের মৃত্যু

মালদ্বীপের রাজধানী মালের মাফান্নু এলাকায় একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে দুই বাংলাদেশিসহ এ পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ১৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানী মালের মাফান্নু এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। মালদ্বীপ সময় সকাল ১১টা পর্যন্ত পাওয়া খবরে এ তথ্য জানা গেছে। অগ্নিকাণ্ডে যারা মারা গেছে তাদের জাতীয়তা সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ৯ জন ভারতীয় ও দু’জন বাংলাদেশি নারী শ্রমিক রয়েছেন। তবে এখনও আহত অনেকের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন অনেকেই। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে যে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। উল্লেখ্য, যে ভবনের নিচতলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে সেই ভবনে অধিকাংশই ছিল বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিক। এদিকে, মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনের প্রথম সচিব মোহাম্মদ সোহেল পারভেজ ও কল্যাণ সহকারী আল মামুন পাঠান, জসিম উদ্দিন ঘটনাস্থল ও মালদ্বীপের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। অগ্নিকাণ্ডে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পুরুষ শ্রমিকসহ আরও দুইজন রোগীর খোঁজ খবর নিয়েছেন।

post
শিক্ষা

ডেনমার্কে উচ্চ শিক্ষার জন্য যেভাবে যাবেন

৫৭ লাখেরও বেশি মানুষের নর্ডিক দেশ ডেনমার্ক মূলত ৪৪৩টি দ্বীপের এক দ্বীপপুঞ্জ। নিম্নভূমির এই দেশটির আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ। বিশ্বের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর মধ্যে ডেনমার্ক অন্যতম। শিক্ষাক্ষেত্রে অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোর তুলনায় কোনো অংশেই কম নয়। বরং দেশটির উচ্চমানের জীবনযাত্রার কারণে হাজারো শিক্ষার্থী ডেনমার্ক অভিমুখী হন উচ্চশিক্ষার জন্য। এই ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার নানা দিক নিয়েই আজকের আয়োজন। ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার যোগ্যতাবাংলাদেশ থেকে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী স্নাতকোত্তরের জন্য ডেনমার্ক গেলেও, সেখানে স্নাতক করারও বেশ ভালো সুযোগ রয়েছে। এইচএসসি পাস বা মাধ্যমিক ডিপ্লোমাধারীরা তাদের সনদ দিয়ে ডেনমার্কে ব্যাচেলরের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে এই সনদ ডেনমার্কের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমমূল্য কিনা তা যাচাই করা হয়। এখানে মূলত একাডেমিক মার্কশিটের প্রতিটি বিষয়ের প্রাপ্ত গ্রেড ও জিপিএ (গ্রেড পয়েন্টের গড়) ডেনমার্কের পরীক্ষার নম্বর ব্যবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। ডেনিশ এজেন্সি ফর সায়েন্স অ্যান্ড হায়ার এডুকেশন তাদের আন্তর্জাতিক পরীক্ষার হ্যান্ডবুকের নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি গ্রেডগুলোকে ড্যানিশ গ্রেডিং স্কেলে রূপান্তর করে। তাই এই যোগ্যতা পূরণ হয়েছে কিনা তা জানতে শিক্ষার্থীদের তাদের পছন্দের বিষয়ের জন্য পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ভালো ভাবে অধ্যয়ন করে নেওয়া উচিত। এছাড়া ডেনমার্কের স্নাতক শিক্ষার জন্য এখানে নিবন্ধন করে যোগ্যতা যাচাই করে নেওয়া যেতে পারে। অথবা এই ফর্মটি পূরণ করে সরাসরি ইউনিভার্সিটিতে পাঠালে তারা ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর যোগ্যতা যাচাই করে দেয়। মাস্টার্স ও পিএইচডিসহ যে কোনো স্নাতকোত্তর অধ্যয়নের জন্য যোগ্যতা ন্যূনতম ৪ বছরের ব্যাচেলর ডিগ্রী। তবে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। এক্ষেত্রে ডেনিশ ডিগ্রীগুলোর সমতূল্য বাংলাদেশের ব্যাচেলর ডিগ্রীগুলো একটা স্বচ্ছ ধারণা দিতে পারে। ভাষাগত যোগ্যতা ইংরেজি ভাষার স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামের আবেদনকারীদের ইংরেজি ভাষা দক্ষতা ন্যূনতম ইংরেজি-বি ক্যাটাগরির হতে হবে। এটি মূলত ডেনিশ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রণীত ইংরেজি ভাষা দক্ষতা যাচাই ব্যবস্থা। কোনো কোনো প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে ইংরেজি-এ প্রয়োজন হয়। ইংরেজি-বি এর সমতূল্য আইইএলটিএস স্কোর ৬ দশমিক ৫ পয়েন্ট, যেটা ইংরেজি-এ এর ক্ষেত্রে ৭ পয়েন্ট। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ডেনমার্কের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ডেনমার্ক বোলোগনা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। তাই শিক্ষার্থীরা ডেনিশ প্রতিষ্ঠানে যে ডিগ্রি অর্জন করেন তা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ২০২৩-এর কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ের ৮২-তম অবস্থানে আছে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ডেনমার্কের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- - আরহাস বিশ্ববিদ্যালয় - ডেনমার্কের কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় - ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ডেনমার্ক - আলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় - কোপেনহেগেন বিজনেস স্কুল - রসকিল্ড ইউনিভার্সিটি এছাড়াও ডেনমার্কের আন্তর্জাতিক ভাবে স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থীদেরকে তাদের পছন্দ অনুসারে বিভিন্ন বিষয় বেছে নেওয়ার জন্য স্বাগত জানায়। ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন পদ্ধতি ডেনমার্কে পড়াশোনার জন্য যাবতীয় যোগ্যতা নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান দ্বারা স্বীকৃত হওয়ার পর আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা যায়। এক্ষেত্রে আগে থেকেই যোগ্যতা প্রমাণের জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি যোগাড় করে রাখা আবশ্যক। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র - স্নাতকের জন্য শুধু এইচএসসি/ডিপ্লোমার মূল প্রশংসাপত্র - আইইএলটিএস/টোফেল স্কোরের সনদ - যদি কোনো নথিতে নামের পরিবর্তন থাকে তাহলে নাম পরিবর্তনের নথি প্রয়োজন হবে; যেমন: বিবাহের সনদপত্র - যোগ্যতা মূল্যায়নের জন্য দ্বিতীয়বার আবেদন করা হয়ে থাকলে পূর্বের মূল্যায়ন এবং স্বীকৃতির সিদ্ধান্তের নথি সংযুক্ত করতে হবে - স্নাতকোত্তরের জন্য উপরোক্ত নথিপত্রের সাথে স্নাতক ডিগ্রি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সংযুক্ত করতে হবে| এছাড়াও বিষয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে ডেনিশ এজেন্সি ফর হায়ার এডুকেশন অ্যান্ড সায়েন্স শিক্ষার্থীর যোগ্যতা যাচাইয়ের নিমিত্তে আরও কাগজপত্র চাইতে পারে। ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদনের উপায় ডেনমার্কে স্নাতক উচ্চশিক্ষার আবেদনগুলো কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বিত হয়। অর্থাৎ শিক্ষার্থীদেরকে সরাসরি একক কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আবেদন না করে জাতীয় ভর্তির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। এই অনলাইন আবেদন চলাকালে কাগজপত্র আপলোড করার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। - মূল নথিগুলোর প্রতিটি আলাদা ভাবে উভয় পিঠ স্ক্যান করতে হবে। - স্ক্যান করা নথির ছবি অবশ্যই রঙিন হতে হবে। আর খেয়াল রাখতে হবে যেন, নথির তথ্যগুলো স্পষ্ট পড়া যায়। - শুধুমাত্র পিডিএফ ফাইল গ্রহণযোগ্য - স্ক্যানের পর প্রতিটি নথির ফাইলের তার স্ব-স্ব নাম দিয়ে কম্পিউটারে রাখতে হবে। তারপর আবেদনের সময় প্রয়োজন অনুসারে আপলোড করতে হবে| প্রতিটি প্রোগ্রামে আবেদনের বেলায় শিক্ষার্থীকে অবশ্যই পৃথক পৃথক স্বাক্ষর করা পৃষ্ঠা পাঠাতে হবে। ডিজিটাল আবেদন সম্পন্ন করার পর সেই জাতীয় ভর্তির ওয়েবসাইটেই পাওয়া যাবে স্বাক্ষর করার পৃষ্ঠা। সেটি প্রিন্ট করে স্বহস্তে স্বাক্ষর করে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানায় পাঠাতে হবে। তবে মাস্টার্স বা পিএইচডির বেলায় শিক্ষার্থীকে সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এখানেও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা স্বাক্ষর করার নথি পাবেন। এখানেও একই ভাবে প্রিন্ট করে স্বহস্তে স্বাক্ষর করে পাঠিয়ে দিতে হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানায়। সাধারণত স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য আবেদনগুলো স্নাতক ডিগ্রির আবেদনের তুলনায় সহজ। অনলাইন আবেদনের পর কাগজপত্র পাঠানোর উপায় স্নাতকের ক্ষেত্রে সমস্ত নথি পাঠানোর ঠিকানা হলো- Danish Agency for Higher Education and Science, Haraldsgade 53, 2100 Copenhagen কুরিয়ারের সময় খামের ওপর শিক্ষার্থীর পুরো নাম এবং জন্ম তারিখ উল্লেখ করতে হবে। স্নাতকোত্তরের ক্ষেত্রে সব একই শুধু ঠিকানার জায়গায় থাকবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানা। শিক্ষার্থীর যোগ্যতা যাচাই সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মূল নথিগুলো ডাকযোগে আবেদনে উল্লেখিত শিক্ষার্থীর ঠিকানায় ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ডেনমার্কে পড়াশোনার খরচ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রোগ্রামের উপর নির্ভর করে পড়াশোনার খরচ প্রতি বছরে প্রায় ৬ হাজার থেকে ১৮ হাজার ইউরো হয়ে থাকে, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬ লাখ ৮ হাজার থেকে ১৮ লাখ ২৪ হাজার। সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতি বছর ৬ হাজার থেকে ৯ হাজার ইউরোর (প্রায় ৬ লাখ ৮ হাজার থেকে ৯ লাখ ১২ হাজার বাংলাদেশি টাকা) মধ্যে চার্জ করে থাকে। স্বভাবতই স্নাতক ডিগ্রীগুলো স্নাতকোত্তর ডিগ্রীর চেয়ে কম খরচের হয়ে থাকে। ডেনমার্কে জীবনযাত্রার জন্য আর্থিক ব্যবস্থাপনা শুধু ডেনমার্কেই নয়; জীবনযাত্রার খরচ সাধারণত মানুষের জীবনধারণের পদ্ধতির উপর নির্ভর করে। ডেনমার্কে বাসা ভাড়া, খাবার, যাতায়াত এবং কেনাকাটা সব মিলিয়ে মাসে খরচ পড়তে পারে প্রায় ৭৫০ থেকে ৯০০ ইউরোর মত, যা বাংলাদেশি টাকায় ৭৫ হাজার ৯৭০ থেকে ৯১ হাজার ১৬৪ টাকা। কোপেনহেগেনের মত উচ্চ খরচের শহরে যা সর্বোচ্চ এক হাজার ২০০ ইউরোর (এক লাখ ২১ হাজার ৫৫২ বাংলাদেশি টাকা) মতো উঠতে পারে। ডেনমার্কে পড়াশোনার পাশাপাশি খন্ডকালীন চাকরির সুযোগ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদেরা ডেনমার্কে পড়াশোনার পাশাপাশি সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন। তবে জুন, জুলাই এবং আগস্ট মাসে এরকম কোনো বিধিনিষেধ নেই; পুরোটা সময়ই কাজ করা যায়। ডেনমার্কে উচ্চশিক্ষায় স্কলারশিপের সুবিধা ডেনমার্কের ব্যয়বহুল উচ্চশিক্ষার খরচ চালানোর জন্য সেরা উপায় হচ্ছে স্কলারশিপ। আর ডেনমার্ক তার আন্তর্জাতিক মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ ভালো স্কলারশিপের ব্যবস্থা রেখেছে। স্থানীয় শিক্ষার্থী ও স্কলারদের নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার মাধ্যমে এই স্কলারশিপগুলোতে সহজেই আবেদন করা যেতে পারে। সবচেয়ে জনপ্রিয় স্কলারশিপ প্রকল্পগুলোর মধ্যে ইরাসমাস মুন্ডাস/জয়েন্ট মাস্টার ডিগ্রি এবং ডেনিশ সরকারি বৃত্তি অন্যতম। এছাড়াও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও জীবনযাত্রার খরচ পুষিয়ে নেওয়ার জন্য ডেনমার্কের বিভিন্ন ধরনের স্কলারশিপের সুযোগ আছে।স্নাতক হওয়ার পরে চাকরি খুঁজে পেতে ৬ মাস সময় পাওয়া যায়। আর এর মধ্যেই রেসিডেন্স পারমিটের মেয়াদ বাড়িয়ে নেওয়ার জন্য আবেদন করতে হয়। উত্তম উপায় হলো ডেনমার্কে পড়াশোনা করার জন্য রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন করার সময়েই ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করা। এছাড়া পরবর্তীতে ডেনমার্ক ইমিগ্রেশন সার্ভিস নেওয়ার সময়েও ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করা যায়।সুত্রঃ ইউএনবি

post
এনআরবি সাফল্য

সিডনিতে সাহিত্য চর্চায় সম্মাননা পেলেন দুই বাংলাদেশি

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক জন্মভূমি টেলিভিশনের সপ্তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে ‘বর্ষসেরা সাহিত্যিক সম্মাননা ২০২২’ পেয়েছেন শাখাওয়াৎ নয়ন এবং অনীলা পারভীন। শাখাওয়াতকে কথাসাহিত্যে এবং অনীলাকে শিশুসাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য এ সম্মাননা দেওয়া হয়। ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস এর জন ক্লান্সি অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।ডা. আসাদ শামস, ডা. ফ্লোরা এবং সাকিনা আক্তারের উপস্থাপনায় ওই অনুষ্ঠানে ১০টি ক্যাটাগরিতে (শিল্প, সাহিত্য, শিক্ষা, সাংবাদিকতা, বিজ্ঞান, চিকিৎসা, রাজনীতি, সমাজ সেবায় এবং উদ্যোক্তা) মোট ২০ জনকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত অন্যদের মধ্যে বিজ্ঞানে অবদান রাখার জন্য ড. আবেদ চৌধুরী, সাংবাদিকতায় কাওসার খান, শিক্ষায় ড. এহসান আহমেদ, সঙ্গীতে অমিয়া মতিন, সমাজ সেবায় বাংলাদেশ মেডিকেল সোসাইটি অব অস্ট্রেলিয়া, ডা. জেসি চৌধুরী, রাজনীতিতে ড. সাবরিনা ফারুকী এবং মাসুদ চৌধুরী প্রমুখ। জন্মভূমি টেলিভিশনের ৭ম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছে। ওই ম্যাগাজিনে সম্মাননাপ্রাপ্তদের অর্জনসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রখ্যাত ব্যান্ড সঙ্গীত শিল্পী মাকসুদ তার জাদুকরী সুর ও সঙ্গীতের মূর্ছনায় সিডনিবাসীকে আরও একবার নস্টালজিয়ার ভুবনে নিয়ে যান। অনুষ্ঠানে জন্মভূমি টেলিভিশনের কর্ণধার সিনিয়র সাংবাদিক আবু রেজা আরেফিন সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের ইতি টানেন।

post
বাংলাদেশ

করোনা টিকা প্রদানে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সফলতা দেখিয়েছে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

করোনাভাইরাসের টিকা প্রদানে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সফলতা দেখিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস। আজ বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জ কালেক্টরেট প্রিপারেটরি স্কুলে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। পিটার বলেন, 'বাংলাদেশে ৭৫ ভাগ মানুষ করোনা টিকার আওতায় এসেছে, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ।' টিকা কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডোজ টিকা প্রদান করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ বছরের অংশীদারিত্ব। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে আসছে। জনস্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে আমরা সহযোগিতার হাত আরও বৃদ্ধি করবো।' নারায়ণগঞ্জে টিকাদান কার্যক্রমের প্রশংসা করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, 'বাচ্চারা খুবই সাহসী। তারা কেউই টিকা নিতে ভয় পায়নি।' এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। তিনি বলেন, 'আমরা বরাবরই ইপিআই কার্যক্রমে এগিয়ে ছিলাম। করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রমেও আমরা একইভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের অনেকেই লজিস্টিক সাপোর্ট দিচ্ছেন। এখনও যারা টিকাদান কর্মসূচির বাইরে রয়েছেন, তাদেরও খুঁজে বের করে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।' ইউএসএআইডির অর্থায়নে ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় কমিউনিটি হেলথ সিস্টেম প্রকল্পের আওতায় নারায়ণগঞ্জে শিশুদের করোনার টিকা প্রদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক।

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি যুবকের স্বর্ণপদক জয়

মালয়েশিয়ায় স্বর্ণপদক পেয়েছেন বাংলাদেশি অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম। তিনি ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া (ইউকেএম) থেকে ‘স্মার্ট টেকনোলজি অ্যান্ড সিস্টেমস’ ক্লাস্টারের অধীনে একটি উদ্ভাবন প্রকল্প উপস্থাপন করেন। যার শিরোনাম ছিল ‘সি ব্যান্ড অ্যান্টেনা ফর KITSUNE 6U CubeSatellite’। এই প্রকল্পটির জন্য তাকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। গত ১ থেকে ৩ নভেম্বর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানে শুরু হয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এ সম্মেলনে তাকে এ পদক দেওয়া হয়। অধ্যাপক মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি গবেষকরা সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। মালয়েশিয়ায়ও এর ব্যতিক্রম নয়, তার প্রমাণ দিতে পেরে গর্ববোধ করছি। বাংলাদেশি গবেষকদের সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত বলেও জানান তিনি। চলতি বছরের ১৮ মে ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া (ইউকেএম) থেকে ‘মালয়েশিয়া রিসার্চ অ্যাসেসমেন্ট’ পুরষ্কার অর্জন করেন তারিকুল ইসলাম।তিনি ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ার (ইউকেএম) ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক ও সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও জাপানের কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির একজন ভিজিটিং প্রফেসর। তিনি অ্যান্টেনা, মেটাম্যাটেরিয়ালস ও মাইক্রোওয়েভ ইমেজিং সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রায় ৫০০টি গবেষণা জার্নাল নিবন্ধের লেখক ও ২২টি ইনভেন্টরি পেটেন্ট দাখিল করেছেন। এরই মধ্যে অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম বেশ কয়েকটি স্বর্ণপদক পেয়েছেন। বহু বছর ধরে ইইকেএমএর-এর শীর্ষ গবেষক হিসেবে রয়েছেন। তিনি প্রায় ৩০ জন পিএইচডি ২০ জন এম এসসি থিসিস তত্ত্বাবধান করেছেন। তিনি ১০টিরও বেশি পোস্টডক্স ও ভিজিটিং গবেষককে পরামর্শ দিয়েছেন। প্রফেসর তারিকুল নটরডেম কলেজ ঢাকা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তিনি স্তন ও মাথার টিউমারের মতো রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রের জন্য জাপান, সৌদি আরব, কুয়েত এবং কাতারের মতো বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতামূলক গবেষণা পরিচালনা করছেন। তিনি ন্যানো স্যাটেলাইটের জন্য ছোট অ্যান্টেনা উন্নয়নেও সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। ‘মালয়েশিয়া রিসার্চ অ্যাসেসমেন্ট’ যা ২০০৬ সালে প্রথম চালু হয়েছিল মালয়েশিয়ায় গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতির মাধ্যমে গবেষণা এবং উদ্ভাবনের ক্ষমতায়নের জন্য একটি এজেন্ডা হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ইউকেএম ২০০৬ সাল থেকে গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঘোষিত ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি।

post
টেক মেন্টর

ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত পিপলএনটেক প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জি. আবু বকর হানিপ

বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকে’র প্রতিষ্ঠাতা ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সকল কর্মকর্তাবৃন্দ । বুধবার (৯ নভেম্বর) পিপলএনটেক বাংলাদেশ অফিসে দুপুর ১ টায় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পিপলএনটেকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন। পরে আবু বকর হানিপ প্রতিষ্ঠানটির সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জবপ্লেসমেন্ট ব্যবস্থাপক মাছুমা ভূইয়া ফারহা, সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট ম্যানেজার তাপস চন্দ্র দাস, বিজনেস ডেভলপমেন্ট ডেপুটি ম্যানেজার রনি সাহা, সহকারী ব্যবস্থাপক( একাউন্টস) হাসিনা আক্তার, সহকারী ব্যবস্থাপক (অপারেশন) শেখ আহমেদ, বিজনেস ডেভলপমেন্টের সহকারী ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম, সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রজেক্ট) ইয়াসিন আলম, হাফিজুর রহমান, আশরাফুল হক, ফরহাদ হোসেন, সাবরিনা পারভিন, অনামিকা সরকার পুজা, সাজ্জাদ হোসাইন, প্রীতি সরকার, মাহির হোসাইন, তাসকিন আরিফ মেঘা, লাবনি আক্তার, তানহা, শর্ণা, আশরাফুল সহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

post
এনআরবি বিশ্ব

কুয়েতে ভিসা জটিলতায় প্রতিনিয়ত বিপাকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা

মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার কুয়েত। দেশটিতে কাজের ধরন অনুযায়ী ভিসার ধরনেও রয়েছে ভিন্নতা ও আলাদা নিয়ম-কানুন। অথচ এসব বিষয়ে না জেনে দালালের খপ্পরে পড়ে কুয়েতে আসার পর বিপাকে পড়তে হচ্ছে বাংলাদেশি শ্রমিকদের। কুয়েতে অন্য দেশ থেকে ২০ নম্বর খাদেম (গৃহকর্মী) এবং ১৮ নম্বর (শোন কোম্পানি) দুই ধরনের ভিসায় শ্রমিকরা আসে। খাদেম ভিসার মধ্যে রয়েছে ড্রাইভার, বাবুর্চি ও গৃহকর্মের সহযোগী এই তিন ধরনের ভিসা। এসব শ্রমিক মালিকের অনুমতি নিয়ে অন্য বাসায় কিছু সময় কাজ করতে পারে। এছাড়া অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও অন্য কোথাও ভালো সুযোগ-সুবিধা পেলে ভিসা পরিবর্তনে সুযোগ পান না খাদেম আকামাধারীরা।শোন ভিসা কয়েক ধরনের রয়েছে, এগুলোর মধ্যে মাজরা শোন ভিসা (বাগানের কৃষি কাজ), রায় গানাম শোন ভিসা (খামারের পশু-পাখি দেখাশোনা করা), মাসনা শোন ভিসা (বিভিন্ন ধরণের পণ্য উৎপাদনকারী কারখানার কাজ) রয়েছে। এছাড়া মাসুরা সাগীরা (ছোট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান), আখুদ হুকুমা ভিসা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দেওয়া হয়। কোম্পানি লাইসেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিক নিয়ে আসে দেশটির বিভিন্ন অফিস, আদালত, শপিং মহল, রাস্তাঘাট, মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে। সাধারণত আট ঘণ্টা ডিউটিতে ৭৫ দিনার বেতন, খাওয়া নিজের, থাকা মালিকের এমনটিই নিয়ম।এই কয়েক ধরনের ভিসায় বাংলাদেশি শ্রমিকরা এসে থাকেন। এসব ভিসায় আসা শ্রমিকরা কোম্পানির অনুমতি নিয়ে একই ভিসায় একই ধরনের অন্য আরেকটি কোম্পানিতে আকাম পরিবর্তন করতে পারেন। ভিন্ন ধরনের ভিন্ন কোম্পানিতে ভালো সুযোগ-সুবিধা থাকলেও ভিসা পরিবর্তন করা সুযোগ নেই। তবে ১৮ নম্বর শোন ভিসার মধ্যে আহালি নামে এক ধরনের ভিসা রয়েছে, এই ভিসায় আসা শ্রমিকরা নিজের পছন্দ মতো কাজ ও কোম্পানিতে আকামা পরিবর্তন করতে পারেন। ভিসাগুলো কয়েক হাত ঘুরে আসার ফলে বাংলাদেশিদের ভিসার মূল্য দিতে হয় ৬ লাখ টাকা থেকে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত। একই ভিসায় ভারত ও নেপালের শ্রমিকদের আসতে খরচ ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে দেশটিতে ২ লাখ ৫০ হাজারের মতো বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছে।শোন ভিসা নিয়ে দেশটিতে সাত বছর আগে আসা চট্টগ্রামের শাহজাহান বলেন, আমি মোবাইল মেরামতের কাজ জানি। দোকান বিক্রি করে দালালের মাধ্যমে ৮ লাখ টাকা দিয়ে ভিসা কিনি। দালাল বলেছিল আহালি ভিসা যেকোনো জায়গায় আকামা পরিবর্তন করতে পারব। আসার পরে দেখে ক্লিনিং কোম্পানিতে কাজ। এই কাজ ছাড়া অন্য কোম্পানিতে ভিসা পরিবর্তনে সুযোগ নেই। কোম্পানির ডিউটি শেষে একটি মোবাইল দোকানে পার্ট টাইম কাজ করি। আমার মতো অনেকেই করছে, যেটা স্থানীয় আইনে অবৈধ। চেকে ধরা পড়লে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কুয়েত প্রবাসী সমাজকর্মী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি এক ল’ ফার্মে কাজ করা সুবাদে দেখেছি গত কয়েক বছরে দেশ থেকে অনেক শিক্ষিত বিভিন্ন কাজে দক্ষ তরুণরা শুধু ভিসা পরিবর্তন করার সুযোগ না থাকার কারণে তাদের দক্ষতা কাজে লাগাতে পারছেন না। যার ফলে অনেককেই দেখা যায় কোম্পানিতে ডবল ডিউটি করতে হচ্ছে, কিন্তু সেই পরিমাণ বেতন পাচ্ছে না। কেউ আবার দক্ষতা অনুযায়ী অন্য জায়গায় পার্ট টাইম কাজ করেন, যেটা স্থানীয় আইনে অবৈধ। নানামুখী ছাপে প্রবাসীরা হতাশায় ভুগে অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রবাসে যারা মারা যান তার বেশিভাগেরই স্ট্রোকে মৃত্যু।

post
বাংলাদেশ

ই-ক্যাবের মাহফুজা আক্তার গ্রেপ্তার

ই-ক্যাবের উইমেন এন্টারপ্রেনার্স ফোরামের ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাঁচ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে মোহাম্মদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। মোহাম্মদপুর থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক মো. শাহিন গন মাধ্যমকে বলেন, গ্রেপ্তার মাহফুজা আক্তার মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। পাঁচ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগামীকাল তাকে আদালতে তোলা হবে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.