post
এনআরবি বিশ্ব

সৌদি আরব ও বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় টাস্কফোর্স গঠন

সৌদি আরব ও বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একটি টাস্কফোর্স গঠনে সম্মত হয়েছে। টাস্ক ফোর্স জ্বালানি খাতে সহযোগিতার বিষয়ে দুই দেশের নিয়মিত সভা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের ১৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রিয়াদের ডিজিটাল সিটিতে অবস্থিত ক্রাউন প্লাজা হোটেলে ৩০-৩১ অক্টোবর দুই দিনব্যাপী যৌথ কমিশন সভার আয়োজন করা হয়।সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান। সৌদি পক্ষে নেতৃত্ব দেন সৌদির মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টার ড. আব্দুল্লাহ বিন নাসের বিন মোহাম্মাদ আবুথনাইন।এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে বাণিজ্যিকভাবে এলএনজি সরবরাহ ও ইস্টার্ন রিফাইনারি ইউনিট দুই প্রকল্পে সৌদি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সৌদি আরবকে অনুরোধ জানালে সৌদি আরব সহযোগিতার আশ্বাস দেয়।সভায় সৌদি আকওয়া পাওয়ারের বাংলাদেশে ১০০০ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার ও ৭৩০ মেগাওয়াটের গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় দুই দেশের নৌ পেশাজীবীদের মধ্যে নিয়োগ, প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য সম্ভাব্য সবক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সৌদি আরবের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।বাংলাদেশের পক্ষে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। সৌদির পক্ষে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন মেরিটাইম ট্রান্সপোর্টের ডেপুটি আব্দুল রহমান এম আল থুনায়েন।বৈঠকে এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ ও ফেডারেশন অব সৌদি চেম্বার অ্যান্ড কমার্সের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিল গঠনে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।এ সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশের পক্ষে এফবিসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট হাবিব উল্লাহ ডন স্বাক্ষর করেন। সৌদি চেম্বারের পক্ষে ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী তারিক আল হায়দারী সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।সৌদি আরবের স্বাস্থ্যখাতে বাংলাদেশ থেকে পেশাজীবী নিয়োগের বিষয়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এবং সৌদি আরবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি ‘এক্সিকিউটিভ প্রোগ্রাম’ বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে সমঝোতা হয়।এছাড়া, দুই দেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বিজ্ঞান ও শিক্ষার সবক্ষেত্রে কার্যকরী দ্বিপাক্ষিক সহায়তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আরেকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে একমত পোষণ করা হয়।যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইসিটি, কৃষি, পরিবেশ, ধর্মীয় মূল্যবোধ, ইত্যাদি বিষয়ে স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট আলোচনা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। সভা শেষে একটি যৌথ কার্যবিবরণী স্বাক্ষর করা হয়।যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠকে বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ৮ সদসস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। এছাড়া বাংলাদেশ দূতাবাস ও জেদ্দাস্থ কনস্যুলেটের কর্মকর্তারা এতে যোগ দেন।গতকাল যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের উদ্বোধনী সভায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের অকৃত্তিম ভাতৃপ্রতিম বন্ধু দেশ। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যায়ক্রমিকভাবে পর্যালোচনা করার জন্য যৌথ কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। এটি আমাদের সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো অন্বেষণ করার, সহযোগিতার জন্য নতুন সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করার এবং আমাদের যৌথ লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি ঐকমত্যে পৌঁছানোর সুযোগ দেয়।তিনি সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ ও প্রধানমন্ত্রী ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।সচিব শরিফা খান আশা প্রকাশ করেন আগামী বছর সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান বাংলাদেশ সফর করবেন, যা দুদেশের সম্পর্ক বৃদ্ধিতে অনন্য ভূমিকা রাখবে।এছাড়া আজ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এস এফ ডি)- এর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতান আব্দুল রহমান আল মারশেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় সচিব বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে সৌদি সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এসএফডিকে অনুরোধ জানান।

post
বাংলাদেশ

মালয়েশিয়ায় নিহত আজিজুরের মরদেহ ফেরত চায় পরিবার

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আজিজুর মোল্লা (২৬)। শনিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুর থেকে ফোন করে নিহতের খবর জানান আজিজুরের সহকর্মীরা।নিহত আজিজুর উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাতাগ্রামে মো. কালাম মোল্লার ছেলে। এদিকে দ্রুত আজিজুরের মরদেহ দেশে আনতে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন পরিবার। অন্যদিকে আজিজুরের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে সালথা উপজেলা প্রশাসন।নিহতের চাচাতো ভাই মো. ইউসুফ মোল্লা জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জানানো হয়, কাজ শেষে সাইকেলযোগে বাজারে যাওয়ার সময় পেছন থেকে একটি দ্রুতগামী গাড়ি তাকে ধাক্কা দিলে আজিজুর ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এরপর সেই খবর আজিজুরের পরিবারকে জানানো হয়।আজিজুরের সেজো ভাই মো. ইয়াসিন মোল্লা জানান, পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে আজিজুর চতুর্থ, একমাত্র বোন সবার ছোট। সে দরিদ্র বাবার পরিবারের স্বচ্ছলতা আনতে মালয়েশিয়া যান।তিনি জানান, আজিজুরের ওপর ভর করেই কৃষক বাবার দরিদ্র পরিবার ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিল। দুর্ঘটনায় পুরো পরিবার বিমর্ষ। বড় ভাইয়েরা সবাই বিয়ে করে যে যার মতো সংসার গড়েছেন। আর আজিজুর তার বয়স্ক মা-বাবার ভরণ পোষণ দিতেন।আজিজুরের মৃত্যুর খবর জানার পর থেকেই বারবার মুর্ছা যাচ্ছেন বৃদ্ধ মা কমেলা বেগম। কোনো শান্ত্বনা যেন তার মনকে মানাতে পারছেন না। যাকে তাকে ধরে আজিজুরকে ফিরিয়ে দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছেন বারবার।আজিজুরের বাবা মো. কালাম মোল্লা সন্তানের মরদেহটি ফিরিয়ে আনতে চান। দরিদ্র পরিবার জানে না কোন প্রক্রিয়ায় ফেরত পাওয়া যাবে লাশ, তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।নিহতের চাচা আকুব্বর মোল্লাও জানান, যেভাবেই হোক আজিজুরের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে অনুরোধ করেন তিনি।মাঝারদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আফসার উদ্দিন মাতুব্বর জানান, মরদেহ ফিরিয়ে আনতে কাগজপত্র সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আক্তার হোসেন শাহীন বলেন, মারা যাওয়ার খবর সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে জেনেছি। মরদেহ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে আমাদের (উপজেলা প্রশাসনের) যতটুকু সহযোগিতা করার প্রয়োজন তা করা হবে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে প্রবেশে অনলাইনে 'হেলথ ডিক্লারেশন ফরম' পূরণের নিয়ম বাতিল

বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে অনলাইনে 'হেলথ ডিক্লারেশন ফরম' পূরণের নিয়ম বাতিল করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ বিধান জারি করে সার্কুলার দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। বেবিচকের সদস্য (ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশন্স) এয়ার কমোডর শাহ কাওছার আহমদ চৌধুরীর স্বাক্ষর করা সার্কুলারটি গত ৩০ অক্টোবর জারি করা হয়।সার্কুলারে বলা হয়, বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে অনলাইনে হেলথ ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করার বিধান বাতিল করা হয়েছে। তবে অন্যান্য শর্ত আগের মতো বহাল থাকবে। এয়ার কমোডর শাহ কাওছার আহমদ চৌধুরী বলেন, 'স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিত হেলথ ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করার নিয়ম বাতিলের বিধান জারি করে সার্কুলার দেওয়া হয়েছে। তবে ভ্যাকসিন সংক্রান্ত অন্যান্য শর্তগুলো আগের মতো বহাল থাকবে।' শর্তের মধ্যে রয়েছে- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত যেকোনো টিকার পূর্ণ ডোজ যারা নিয়েছেন, বাংলাদেশ আসতে তাদের করোনা পরীক্ষা করাতে হবে না। যাত্রীদের ভ্যাকসিন গ্রহণের প্রমাণ সঙ্গে রাখতে হবে। যেসব যাত্রী এক ডোজ কিংবা কোনো ভ্যাকসিন নেননি, তাদের বাংলাদেশ আসতে হলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। ১২ বছরের নিচে শিশুদের কোনো করোনা টেস্ট করাতে হবে না। তবে তাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্যান্য নির্দেশনাগুলো মানতে হবে। টিকা নেওয়া বা না নেওয়া কোনো যাত্রীর মধ্যে করোনার লক্ষণ বা উপসর্গ যদি দেখা যায়, তাহলে বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য বিভাগ যাত্রীর করোনা টেস্ট করাবে। টেস্টে তার রিপোর্ট করোনা পজিটিভ আসলে, তাকে নিজ খরচে সরকার নির্ধারিত হোটেলে ৭ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে। এরপর পুনরায় ৭ দিন পর আবারও তার করোনা পরীক্ষা করা হবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে দিন দিন বাড়ছে বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদা

মধ্যপ্রাচ্যে দিন দিন বাড়ছে বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদা। কুয়েতের বাজারে বাংলাদেশি তৈরি পোশাক ব্যবসার সম্প্রসারণে বাংলাদেশে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা চান কুয়েত প্রবাসী ব্যবসায়ীরা।কুয়েতে আড়াই লাখের বেশি প্রবাসী বাংলাদেশির বসবাস। দেশটি জনগণের চাহিদা মেটাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেই বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে থাকে। স্থানীয় আইন মেনে কোনো ঝামেলা ছাড়া দেশটিতে স্বাধীনভাবে ব্যবসা করার সুযোগ থাকায় অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি নিজ মেধা দিয়ে সেখানে বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। মান ভালো হওয়ায় কুয়েতের বিপণিবিতানগুলোতে পাওয়া যায় বাংলাদেশি পোশাকও। মার্কেটগুলোয় কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিজ দেশের পণ্য বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের কাছে তুলে ধরতে কার্পণ্য করেন না।সাধারণ মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের বেশির ভাগই ভারত, শ্রীলংকা, মিসর, পাকিস্তান, নেপাল, ফিলিপিন্সসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের। এসব দেশের ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশি পোশাকের চাহিদাও বেশি।  কুয়েতে বর্তমানে অনেক ব্যবসায়ী আছেন, যারা একই সেক্টরে কাজ করে নিজ অভিজ্ঞতা আর মেধায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। কুয়েতের বাজারের চাহিদা অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন অনেকেই। তবে বাংলাদেশে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে আরও সহযোগিতা চান প্রবাসী ব্যবসায়ীরা।  কুয়েতে বেশির ভাগ প্রবাসী ব্যবসায়ী নিজ কর্মস্থল থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে ব্যবসা শিখেছেন। কিন্তু বিদেশের সুশৃঙ্খল আইন মেনে ব্যবসা করে অভ্যস্ত প্রবাসীরা বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করতে গিয়ে বিভিন্ন জটিলতার মুখে পড়ে দিন দিন অন্য দেশের দিকে ঝুঁকছেন।  দেশের স্বার্থে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশসহ তিন দেশের অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দিবে ভারত

বাংলাদেশসহ তিনটি দেশ থেকে ভারতের গুজরাটে যাওয়া অমুসলিমদের নাগরিকত্ব দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।বাংলাদেশ ছাড়া অন্য দেশ দুটি হলো- পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। সোমবার (৩১ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) কার্যকর না হওয়ায় ‘নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫’-এর আওতায় এ পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।   জানা গেছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে যাওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও জৈন সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গুজরাটের মেহসানা ও আনন্দ জেলায় বসবাসকারী অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে জেলা প্রশাসকদের।  গত বছর থেকেই এই প্রক্রিয়া শুরু করে মোদি সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি গুজরাট, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবের মোট ১৩টি জেলায় বসবাসরত অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব পেতে আবেদনের নির্দেশ দিয়েছিল সরকার। সেখানে অবিলম্বে ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন এবং ২০০৯ সালের নিয়ম অনুযায়ী এই নির্দেশকে কার্যকর করতে বলা হয়। কারণ ২০১৯ সালে আইনে পরিণত হলেও এখন পর্যন্ত সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন সংক্রান্ত নিয়ম প্রণয়ন করেনি কেন্দ্রীয় সরকার। মুসলিম দেশগুলো থেকে ‘নিপীড়িত’ সংখ্যালঘুদের জন্য তৈরি নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন এখনও বলবৎ করেনি ভারত সরকার। ফলে এই গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে। এখনই কার্যকর হচ্ছে না সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনও।মোদি সরকারের আবেদনে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিএএ কার্যকর করার সময়সীমা বৃদ্ধি করেছে রাজ্যসভা। ২০২৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তা বাড়িয়েছে লোকসভার সংসদীয় কমিটি।

post
যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্ক সিটির উন্নয়নে বাংলাদেশিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে : মেয়র এডামস

নিউইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক এডামস বলেছেন, আমেরিকা হচ্ছে এমন একটি দেশ যেখানে বসতি গড়তে হলে মাতৃভূমির মায়া-মমতা ত্যাগের প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ এ দেশটিকে নিজের মনে করতে পারলে প্রিয় মাতৃভূমিকে এখানেই নিয়ে আসা যায়। আমেরিকার মহাত্ম এভাবেই মহিমান্বিত হচ্ছে বহুজাতিক সমাজে নিজ নিজ সংস্কৃতির ধারা প্রবাহিত রাখার মধ্য দিয়ে। নিউইয়র্ক সিটির উন্নয়নে বাংলাদেশিরা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।নিউইয়র্ক পুলিশে কর্মরত বাংলাদেশী-আমেরিকানদের সংগঠন ‘বাপা’র ষষ্ঠ বার্ষিক অ্যাওয়ার্ড ডিনার’ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা তিনি এসব কথা বলেন। ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটস সংলগ্ন বিলাসবহুল একটি পার্টি হলে এই অনুষ্ঠান হয়।পুুলিশ বাহিনীতে কর্মরত বাংলাদেশী অফিসারদের প্রশংসাকালে মেয়র বলেন, আপনারা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন বলেই এই সিটির জনজীবনকে নিরাপদ রাখা সম্ভব হচ্ছে। একইসাথে নিজ কম্যুনিটির সকলের প্রতি যাদে ভিন্ন কম্যুনিটির লোকজনের শ্রদ্ধাবোধ বাড়ে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।আর এভাবেই সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন সুসংহত হলে বিশ্বের রাজধানী খ্যাত এই সিটির ইমেজ আরো উজ্জ্বল হবে। সিটি মেয়র বলেন, নিজের ভাষা, সংস্কৃতিকে কখনো ছোট ভাববেন না। তাহলে অনেক সমস্যার সহজ সমাধান হয়ে যায়। বিশেষ করে এদেশে বেড়ে উঠা অথবা জন্মগ্রহণকারি প্রজন্মও গৌরববোধ করবে তার মা-বাবার সমাজ নিয়ে।নিউইয়র্ক সিটিতে বহু ভাষা, বহুবর্ণ আর বহু জাতির মানুষ বাস করছে। সবকিছু মাড়িয়ে আমি খুব সহজেই বাংলাদেশী-আমেরিকানদের দেখতে পাই তাঁদের কর্মনিষ্ঠা আর আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হিসেবে।  বিশেষ সম্মানীত অতিথির বক্তব্যে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কন্সাল জেনারেল ড. মনিরুল ইসলাম বলেন, গৌরবে আমার বুকটা ভরে যায়, যখন এই সিটির নানা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে থেকে বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশনের সদস্যগণের ব্যাপারে ইতিবাচক মন্তব্য শুনি। সকলেই প্রশংসা করেন প্রতিটি পুলিশ অফিসারের কর্মনিষ্ঠা-দায়িত্ববোধের বিষয়ে। বাংলাদেশের একজন নাগরিক এবং কন্সাল জেনারেল হিসেবে এরচেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে।এজন্যে আমি বাপার প্রতিটি সদস্য-কর্মকর্তাকে অভিবাদন জানাচ্ছি।  কম্যুনিটির জনপ্রিয় দুই কণ্ঠশিল্পী রাজিব ও তৃণিয়া হাসানের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের পর বাপার (বাংলাদেশী আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশন) এই বর্ণাঢ্য ডিনারের সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও অ্যাওয়ার্ড বিতরণ পর্ব শুরু হয় সংগঠনের সভাপতি ক্যাপ্টেন করম চৌধুরীর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে। বাপার বোর্ড অব ট্রাস্টির সকলকে মঞ্চে ডেকে পরিচিতি পর্বের পর সমাপনী ভাষণ দেন বাপার ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এরশাদুর সিদ্দিক।  অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন কুইন্স ডেমক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এ্যাট লার্জ এটর্নী মঈন চৌধুরী, সিটি মেয়রের (এশিয়ান বিষয়ক) উপদেষ্টা ফাহাদ সোলায়মান, কম্যুনিটি লিডার গিয়াস আহমেদ, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টর নুরুল আজিম, কম্যুনিটি লিডার মাহাবুবুর রহমান টুকু এবং ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, পিজি গ্রুপের সিইও পার্থগুপ্ত, ইউনাইটেড টেকনোলজি কোম্পানী ‘প্র্যাট এ্যান্ড হুইটনি’র সহযোগী পরিচালক মোহাম্মদ ইসলাম, এটর্নী মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, কাজী আজম, মাকসুদ চৌধুরী, ফিরোজ আলম প্রমুখ।  আগত অতিথিগণকে স্বাগত জানাতে ব্যস্ত ছিলেন বাপার মিডিয়া লিঁয়াজো জামিল সরোয়ার, কম্যুনিটি লিঁয়াজো মাহবুবুর জুয়েলসহ কর্মকর্তারা।

post
এনআরবি বিশ্ব

তুরস্ক থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে জঙ্গলেই নিখোঁজ বাংলাদেশি যুবক সাগর

তুরস্ক থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিবাসনপ্রত্যাশী বাংলাদেশি যুবক সাগর খাঁন। তখন তাকে ফেলেই চলে যায় দালাল ও সঙ্গীরা। এর পর থেকেই নিখোঁজ আছেন বরিশালের এই যুবক।প্রায় দেড় মাস আগে তুরস্ক থেকে গ্রিসে উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন ২৫ বছর বয়সী সাগর খাঁন। সঙ্গীরা গ্রিসে পৌঁছালেও, তার কোনো খোঁজ পাচ্ছেন না পরিবার ও স্বজনরা। দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে তাদের।সাগর খাঁনের গ্রামের বাড়ি বরিশালের মুলাদী থানার সফিপুর এলাকায়। বিদেশে পাড়ি দেওয়ার পরই তার বাবা মারা যান। পরিবারে আছেন মা, ৩ বোন ও ২ ভাই।স্বজনরা জানান, জীবিকার তাগিদে সাগর প্রায় ৮ বছর আগে প্রথমে ওমান যান। সেখানে দীর্ঘদিন থাকার পর স্বপ্ন দেখেন ইউরোপে প্রবেশের। এক দালালের সঙ্গে চুক্তি করে বিভিন্ন পথে ইরানের সীমান্ত পাড়ি দিয়ে প্রায় ২ বছর আগে তুরস্ক পৌঁছান তিনি। ইউরোপ প্রবেশ করতে প্রথমে গ্রিসে যেতে হয়। তাই তুরস্কে অবস্থানরত এক বাংলাদেশি দালালের তিনি গ্রিসে প্রবেশের চুক্তি করেন বলে জানান স্বজনরা।তার চাচা রবিউল খাঁন সানাউল জানান, গ্রিসে যাওয়ার জন্য সাগর তুরস্কে মাদারীপুরের মোবারক নামের এক দালালের সঙ্গে ৪ লাখ টাকার চুক্তি করেছিল সাগর। চুক্তি অনুযায়ী দালালকে ৪ লাখ দেওয়া হয়েছিল।তিনি বলেন, 'সেপ্টেম্বর মাসের ১৮ তারিখ গ্রিসে প্রবেশের কথা ছিল, ১৬ তারিখ সাগর ফোন করে বাড়িতে জানিয়েছিল। এরপর থেকেই তার সঙ্গে পরিবারের আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।'তিনি আরও জানান, ভাতিজার খোঁজে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। পোস্টের সূত্র ধরে সাগরের সঙ্গে গ্রিসে অনুপ্রবেশকারী দলের আরেক বাংলাদেশি যুবকের সঙ্গে যোগাযোগ হয় তাদের।ওই যুবকের বরাত দিয়ে সাগরের পরিবারের সদস্যরা জানান, ২৪ ঘণ্টা হাঁটলেই গ্রিসের সেলোনিকা পৌঁছে যাওয়া যাবে বলে দালালরা তাদের বলেছিল। কিন্তু টানা ৪ দিন হাঁটার পরও তারা গ্রিসের সীমানায় পৌঁছাতে পারেননি।ওই যুবক আরও জানান, একসময় পথের মধ্যে জঙ্গলে অসুস্থ হয়ে পড়েন সাগর। তার হাঁটার শক্তি ছিল না। তিনি উঠে দাঁড়াতেও পারেননি। এ অবস্থায় তাকে জঙ্গলে রেখেই দালালচক্র ও সঙ্গীরা চলে যায়।দলের সবাই এক সময় গ্রিসে গিয়ে পৌঁছালেও, সাগর জঙ্গলেই রয়ে যান। এরপর থেকে সাগরের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের সালথা উপজেলার এক যুবক নিহত হয়েছেন। তার নাম আজিজুর রহমান মোল্লা (২৬)। তিনি উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাতাগ্রামে মো. কালাম মোল্লার ছেলে।শনিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে নিহত হন আজিজুর।নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজিজুর রহমান চার ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। তিনি গত প্রায় এক বছর আগে মালয়েশিয়ায় যান। শনিবার তার পরিবারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার খবর আসে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সালথার মাঝারদিয়া ইউনিয়ন (ইউপি) পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আফছার উদ্দীন বলেন, প্রায় এক বছর আগে আজিজুর মালয়েশিয়ায় যান। বিদেশ থেকে পাঠানো অর্থেই চলতো তার বাবা-মায়ের সংসার। শনিবার সন্ধ্যার পরে মালয়শিয়ায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আজিজুর নিহত হয়েছেন বলে সংবাদ পাওয়া যায়।তার মৃত্যুর খবরে পরিবারে চলছে শোকের মাতম। মালশিয়ায় সালথা এলাকার প্রবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে দেশে লাশ পাঠানোর বিষয়ে চেষ্টা চলছে বলে জানানো হয়।

post
বাংলাদেশ

সীমান্তে উত্তেজনার ঘটনায় বাংলাদেশ মিয়ানমার পতাকা বৈঠক শুরু

সীমান্তে উত্তেজনার ঘটনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক শুরু হয়েছে।রোববার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় নাফ নদ সংলগ্ন সীমান্তে টেকনাফের শাহ পরীর দ্বীপে বিজিবির নির্মিত ‘সাউদান পয়েন্ট’ এর সম্মেলন কক্ষে দু’দেশের প্রতিনিধি দলের মধ্যে বৈঠক শুরু হয়। এর আগে সকাল ৯টায় দুটি স্পিডবোটযোগে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে পৌঁছায়। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার। তিনি জানান, বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শাহপরীর দ্বীপে রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখারের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ও মিয়ানমার মংডুর ১ নম্বর বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্রাঞ্চের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাও না ইয়ান শোর নেতৃত্বে ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

ইতালিয়ান বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন ইউকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

ইতালিয়ান বাংলাদেশি ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ইউকের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি লন্ডনের রিপল সেন্টার ব্যাংকিংয়ে সংগঠনটির আয়োজনে ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নতুন কার্যকরী পরিষদের অভিষেক করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বার্কিং অ্যান্ড ডেগেনহামের মেয়র ফারুক চৌধুরী, বিশেষ অতিথি রেডব্রিজের কাউন্সিলর ফয়জুর রহমান, কাউন্সিলর সায়মা আহাম্মেদ, নিউহাম বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট রাব্বির হাসান, বরিশাল ফ্রেন্ড সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক গাজী রফিক, ব্যারিস্টার তারেক চৌধুরীসহ বাংলাদেশি কমিনিটির ব্যক্তিরা।সভার শুরুতে কোরআান থেকে তেলাওয়াত করেন ইউসুফ আলী পলাশ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা হাবিবুর রায়হান শহীদ ও সভা যৌথভাবে পরিচালনা করেন মনিরুজ্জামান খান টিপু ও আতিয়ার রসুল কিটন।এ সময় প্রধান উপদেষ্টা হাবিবুর রায়হান শহীদ নতুন কমিটির (২০২২-২০২৪) সবাইকে পরিচয় করিয়ে দেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন, সংগঠনের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা হাবিবুর রায়হান শহীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ টুটুল, সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার কামাল সংগঠনের নবনির্বাচিত প্রধান উপদেষ্টা জহিরুল ইসলাম, উপদেষ্টা মামুন আহসান, মহসিন সিকদার বাবুল সহ-সভাপতি মফিজুল ইসলাম, কবিরুল ইসলাম কামাল, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর খান, গোকুল দাস প্রমুখ।অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক ও রাতের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠন পরিচালনা করেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুনা আহমেদ। সঙ্গীত পরিবেশন করেন সাহনাজ সুমী, ফামিয়া খান, রানা, হান্নান খান, ইলভা ফিরোজ, মেহেদী হাসান বাবু এবং নিত্য পরিবেশনায় তাল তরংঙ্গ।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.