post
বাংলাদেশ

লালমনিরহাটে বিএসএফ'র গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ'র গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের মহিষতুলি গ্রামে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ৯২১ ও ৯২২ এর মাঝে এ ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন, মহিষতুলি গ্রামের মৃত সানোয়ার মিয়ার ছেলে ওয়াজকরনি মিয়া (৩৬) ও ঝারিরঝার গ্রামের সাদেক আলীর ছেলে আয়নাল হক (৩৫)। লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের লোহাকুচি ক্যাম্পের কমান্ডার শরিফুল ইসলাম শরিফ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বিজিবি জানায়, নিহত দুজন গরু ব্যবসায়ী। প্রায় ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল গিয়েছিল ভারত থেকে গরু আনতে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার সিতাই থানার বাবুরহাট ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ কৈমারী সীমান্তে তাদের ওপর গুলি চালায়। ওয়াজকরনি মিয়ার মাথায় ও আয়নাল হকে পিঠে গুলি লাগে। তাদের সঙ্গীরা মরদেহ বাংলাদেশ ভূ-খণ্ডে নিয়ে আসে। ওয়াজকরনির মা শফিরন বেওয়া বলেন, আমি ছেলেকে অনেকবার নিষেধ করেছি যেন ভারতে না যায়। এখন আমার দুই নাতনির কী হবে! পরিবারে আমার ছেলেই একমাত্র আয় করতো। আয়নালে স্ত্রী শরিফা বেগম বলেন, ভারত থেকে একটি গরু আনার জন্য তিনি ১০-১২ হাজার করে টাকা পেতেন। অনেকবার নিষেধ করেছি, এখন আমি ছেলেকে নিয়ে কীভাবে বাঁচবো! ভেলাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, সীমান্ত এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচারণার পরও কিছু মানুষ ভারতে যায় অবৈধভাবে গরু আনতে। নিহত দুজনের মরদেহ স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশকে জানানো হয়েছে। কমান্ডার শরিফুল ইসলাম আরও বলেন, গুলি করে বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

রেকর্ড ২৪৮ বাংলাদেশি কর্মীর কোরিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিশেষ ফ্লাইটে রেকর্ড ২৪৮ বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) কোরিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। ঢাকার দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এর আগে গত ১ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৯৮৬ বাংলাদেশি কর্মী কোরিয়ায় গিয়েছিল, যা ২০০৮ সালে কোরিয়ার এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) শুরু হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যা। এর মাধ্যমে কোরিয়ান সরকার নিম্ন ও মাঝারি দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগ করে।কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জাং-কুন বলেন, ২০২২ সালের শেষ নাগাদ প্রায় ৫ হাজার ২০০ বাংলাদেশি কর্মী কোরিয়ায় যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।কোরিয়া ও বাংলাদেশ উভয় দেশেই করোনা পরিস্থিতির উন্নতির ফলে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে প্রতি সপ্তাহে গড়ে ১১৩ জন কর্মী কোরিয়ায় গিয়েছেন। তবে নভেম্বর থেকে প্রতি সপ্তাহে কোরিয়ায় যাওয়া কর্মীর সংখ্যা বেড়ে ১৫০ জনে উন্নীত হবে। তাছাড়া প্রতি সপ্তাহে অতিরিক্ত ১০০ কর্মী যোগ হবে।রাষ্ট্রদূত বলেন, ২০২৩ সালে সাপ্তাহিক প্রায় ১৫০ বাংলাদেশি কর্মী কোরিয়ায় যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২৩ সালে বাংলাদেশের জন্য ইপিএস কোটা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ অনেক কোরিয়ান নিয়োগকর্তা বাংলাদেশি কর্মীদের পরিশ্রম এবং বিশ্বস্ততার প্রতি সন্তুষ্ট।ঢাকার ইপিএস সেন্টারের কিম ডং-চ্যান আশা করেন, কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে আরও বেশি বাংলাদেশি নারী কোরিয়ায় ইপিএসের মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।তিনি বলেন, কোরিয়ার কারখানায় মহিলা ও পুরুষ কর্মীরা একই স্তরের বেতন পেয়ে থাকেন। সেপ্টেম্বরে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ২০ হাজার কর্মীর জন্য কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা ২০২৩ সালের জানুয়ারির শেষে শুরু হবে।

post
বাংলাদেশ

অর্থ লুটপাট ও পাচারকারীদের ‘শ্যুট ডাউন’ করা উচিত : বাংলাদেশ হাইকোর্ট

যারা বেসিক ব্যাংকের চার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও পাচার করেছে, তাদের ‘শ্যুট ডাউন’ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট।মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) বেসিক ব্যাংকের অর্থপাচারের মামলার আসামি মোহাম্মদ আলীর জামিন শুনানিকালে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন। আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী আবুল হোসেন বলেন, পাঁচ বছর পার হয়ে গেলেও মামলায় চার্জশিট দিচ্ছে না দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সে কারণে বিচারও শেষ হচ্ছে না। তখন আদালত বলেন, অর্থপাচারকারীরা জাতির শত্রু। কেন এসব মামলার ট্রায়াল হবে না? এ সময় দুদককে প্রশ্ন রেখে আদালত বলেন, কেন চার্জশিট দিচ্ছেন না? অর্থ লুটপাট ও পাচারের মামলার সামারি ট্রায়াল হওয়া উচিত। আদালত বলেন, যারা জনগণের টাকা আত্মসাৎ করে তাদের ‘শ্যুট ডাউন’ করা উচিত, এটাই তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। পাশাপাশি আদালত বেসিক ব্যাংকের চার হাজার কোটি অর্থপাচারের ঘটনায় দায়ের হওয়া সব মামলার সবশেষ তথ্য ২১ নভেম্বরের মধ্যে পেশ করতে নির্দেশ দেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দুদককে এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করে যুক্তরাষ্ট্র। তাই বিরোধী রাজনৈতিক দলসহ সবার জন্য কোনো রকম ভয়ভীতি-দমন ছাড়া শান্তিপূর্ণ সমাবেশের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশে সরকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র আহ্বান জানিয়েছে। ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার দুপুরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস এক প্রশ্নের উত্তরে এই আহ্বান জানান।ব্রিফিংয়ে নেড প্রাইসের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে বিএনপি বাড়াবাড়ি করলে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠানো হবে। যুক্তরাষ্ট্র অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানাবে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে নেড প্রাইস বলেন, বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কসহ পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গেই তারা নিয়মিতভাবে বিষয়গুলো আলোচনা তুলে থাকে। তারা বিষয়গুলো যেমন ব্রিফিং রুম থেকে প্রকাশ্যে বলে, তেমনি ব্যক্তিগত আলোচনায়ও নিয়ে আসে। এটা করার মধ্য দিয়ে তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সব বাংলাদেশির স্বার্থে আইনের শাসন, মানবাধিকারের সুরক্ষা ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানান।নেড প্রাইস বলেন, ‘বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা রয়েছে। আমরা আশা করি, নাগরিক সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে জনগণ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তাদের সরকার বেছে নিতে পারবেন। এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এই লক্ষ্যের প্রতি আমাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।’ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, তাই বাংলাদেশে বিরোধী রাজনৈতিক দলসহ সব জনগণের জন্য কোনো রকম ভয়ভীতি-দমন ছাড়া শান্তিপূর্ণ সমাবেশের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

post
অভিবাসন

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরে বাংলাদেশি সহ ১৯ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরে ১৯ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করা হয়েছে। জানুয়ারি থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৯ হাজার ৯৪৬ জন অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয় বলে অভিবাসন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক, খাইরুল জাইমি দাউদ বলেছেন, এই বছরের অভিযানে বেশির ভাগ অভিবাসীকে আবাসিক বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২ হাজার ৭৪৮টি আবাসিক বাড়িতে অভিযান চালানো হয়- যা অন্যান্য স্থানের তুলনায় সর্বোচ্চ। ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৪ হাজার ৭৪৫ জন অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয়। তার মতে, কন্ডমিনিয়াম এবং নির্মাণ সাইটে ১ হাজার ৩০টি অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ৬৭৯ অভিবাসীকে গ্রেফতার হয়েছে। এছাড়া অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতারে ম্যাসেজ হোম, জুয়া এবং বিনোদন কেন্দ্র, ব্যবসার জায়গা, বাজার, গাড়ি ধোয়া, নিরাপত্তা প্রহরীর স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।চলতি বছরে গ্রেফতার হওয়া অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৯৪৬ জন। শুক্রবার (৪ নভেম্বর) সিনার হারিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইমিগ্রেশন পরিচালক খায়রুল জায়মি দাউদ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছে, ইন্দোনেশিয়ানরা সবচেয়ে বেশি ৮ হাজার ৬৭৯ জন, তারপরে মিয়ানমার ২ হাজার ৯৩৯, বাংলাদেশ ২ হাজার ৭৬৭, থাইল্যান্ড ১ হাজার ৩৯৬ এবং ভারত ১ হাজার ২৬০। বাকিরা হলো ফিলিপাইন, পাকিস্তান, নেপাল, ভিয়েতনাম এবং চীনসহ অন্যান্য দেশে অভিবাসী।এদিকে অভিবাসী ছাড়াও, অভিবাসন ২৭২ নিয়োগকর্তাকে আটক করেছে যারা অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ দিয়েছিল। ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩ এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ এর অধীনে অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। কোনো অবৈধ অভিবাসীকে রক্ষা করা বা সহানুভূতি বোধ করা জনগণের উচিত নয়। যারা অবৈধ অভিবাসীকে রক্ষা করতে পাওয়া যাবে তাদের অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৫৫ই এর অধীনে বিচার করা হবে এবং দোষী প্রমাণিত হলে ৫ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা, কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক খায়রুল জাইমি দাউদ।

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় স্বর্ণপদক পেলেন বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় স্বর্ণপদক পেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি গবেষক ড. লায়লা নাহার। গ্রিন টেকনোলজি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর মাশরুম ক্র্যাকারর্স উদ্ভাবনে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাকে এ স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। গত ১ নভেম্বর থেকে ৩ নভেম্বর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানে শুরু হয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এ সম্মেলনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পদক দেওয়া হয়। ৩ নভেম্বর সম্মেলনের শেষ দিন ড. লায়লা নাহারসহ ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানের ৮ জনকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়েছে। এ সময় ছিলেন- ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. রাজলি বিন চী রাজাক, মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি (ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) ড. মোহাম্মদ জাবরি বিন ইউসুফ, ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর (রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেসন) প্রফেসর ড. আরহাম বিন আব্দুল্লাহ, ডাইরেক্টর অফ রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন প্রফেসর ড. আহমাদ জাইদ বিন সোলাইমান, ইউএমকের ডাইরেক্টর অফ আইসিডি, প্রফেসর ড. জুলি বিনতে মোহাম্মাদ।প্রতি দুই বছর পরপর সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পলিটেকনিক, কমিউনিটি কলেজ, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, স্কুল, শিল্প/এজেন্সির বাছাই করা গবেষকদের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তাদের এ পদক দেওয়া হয়। PECIPTA'22 মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত উদ্ভাবনের ওপর আন্তর্জাতিক সম্মেলন এবং প্রদর্শনীতে মালয়েশিয়ার সব বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পলিটেকনিক, কমিউনিটি কলেজ, স্কুল, শিল্প/এজেন্সি থেকে মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ৪৭৭ জন গবেষক। ড. লায়লা নাহার, রাজশাহী পিএন গার্লস হাইস্কুল থেকে ১৯৯৫ সালে মাধ্যমিক এবং ১৯৯৭ সালে রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে ২০০৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ থেকে তার মাস্টার্স এবং ২০১১ সালে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া (UPM) থেকে পিএইচডি (মাইকোলজি অ্যান্ড প্ল্যান্ট প্যাথলজি) ডিগ্রি লাভ করেন।তিনি বর্তমানে কৃষি-ভিত্তিক শিল্প অনুষদে, ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতান (UMK), ২০১৪ সালের জুন থেকে কৃষিপ্রযুক্তি প্রোগ্রামে সিনিয়র লেকচারার/সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা করছেন। ইউএমকেতে যোগদানের আগে, তিনি ২০১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়াতে পোস্টডক্টরাল ফেলো ছিলেন। ২০১৪ থেকে ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানে তার শিক্ষকতার সময়, তিনি স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একজন সুপারভাইজার হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি উদ্ভিদের রোগ নির্ণয়, প্যাথোজেনিক জীবাণু শনাক্তকরণ, উদ্ভিদ-প্যাথোজেন মিথস্ক্রিয়া, ছত্রাকের নির্যাস থেকে জৈব হার্বিসাইড যৌগ শনাক্তকরণ, মাশরুম চাষ, ব্যয়িত মাশরুম সাবস্ট্রেট থেকে জৈবসার উৎপাদন এবং পণ্য বিকাশের মতো বিভিন্ন ধরনের গবেষণার ক্ষেত্রে জড়িত। তিনি হাই ইম্প্যাক্ট জার্নালে ৪০টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন (১৪ এইচ-ইনডেক্স), ৩টি বইয়ের অধ্যায় এবং ২০টি প্রসিডিংস পেপার। তার ফলাফল এ পর্যন্ত একটি ট্রেডমার্ক এবং দুটি কপিরাইট পেয়েছে। তিনি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবেও আমন্ত্রিত হয়েছেন। উচ্চ শিক্ষার পাঠদান এবং কোর্স পরিচালনার পাশাপাশি লায়লা নাহারের গবেষণার কিছু অংশ স্থানীয় কমিউনিটির উন্নয়নমূলক কাজেও জড়িত।রাজশাহী উপ-শহর নিবাসী মোহাম্মদ নাসিম আলী এবং হোসনে আরা বেগমের মেয়ে ড. লায়লা নাহার বর্তমানে ইউএমকেতে কৃষিপ্রযুক্তি প্রোগ্রামে সিনিয়র লেকচারার/সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা করছেন। ড. লায়লা নাহারের এই সাফল্যর পেছনে আছে মা-বাবার সঙ্গে স্বামী সাইনুল ইসলামের অনুপ্রেরণা ও সাহস। পদক পাওয়ার অনূভূতি জানাতে গিয়ে ড. লায়লা নাহার বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি গবেষকরা সুনামের সাথে কাজ করছেন। মালয়েশিয়াতেও এর ব্যতিক্রম নয়, তার প্রমাণ দিতে পেরে গর্ববোধ করছি। স্বামী সাইনুল ইসলাম বলেন, ড. লায়লা নাহারের শ্রম আজ সফল হয়েছে। নাহার বিদেশের মাটিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। আমি গর্বিত।

post
এনআরবি বিশ্ব

দুবাইয়ে শেষ হলো প্রবাসী বাঙালিদের বইমেলা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুবাইয়ে শেষ হলো প্রবাসী বাঙালির বইমেলা। মেলার শেষদিনে ছিল জমজমাট আয়োজন। আমিরাতে প্রবাসী বইপ্রেমীদের আনাগোনায় মুখর ছিলো তিনদিনব্যাপী বই মেলা। শিশু থেকে কিশোর-কিশোরীর কিংবা মধ্যবয়সী সবাই স্টলে স্টলে ঘুরে তাদের প্রিয় বইটি কিনেছেন। আমিরাতে বিভিন্ন প্রদেশ থেকে অনেকে পরিবারের সদস্য নিয়ে এসেছেন। তবে মেলায় শিশুদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। মেলায় আসা ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা বলেন, প্রবাসের মাটিতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের মেলা প্রতিবছরে করা দরকার। ছুটির দিন রবিবার ছিল মেলাল শেষ দিন। সরেজমিনে দুবাই বই মেলা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সের মানুষ এই বইমেলায় অংশ নিয়েছে। সকাল থেকে ভিড় কম থাকলেও বিকাল হতে মেলার শেষ ঘণ্টা পর্যন্ত মানুষের পদচারণায় মেলা মুখর হয়ে ওঠে। সেখান থেকে তারা বাংলা ও ইংরেজি ভাষার বিভিন্ন ধরনের বই কিনেছেন। বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে বইমেলা। বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ইউএই আহবায়ক মনছুর সবুর বলেন, ‘এমন বইমেলা প্রতি বছর হওয়া দরকার। ছোট পরিসরে এই বইমেলায় অংশ নিয়ে আমার অনেক ভালো লেগেছে। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু। প্রবাসের মাটিতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছোটরাও এখানে বই কিনতে এসেছে। এমন উদ্যোগ বারবার করা দরকার।’ সমাপনী অনুষ্ঠানে মেলায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব (ইউএই) নেতৃবৃন্দের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন কনসাল জেনারেল এ বি এম জামাল হোসেন। পরে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে সমাপনী অনুষ্ঠান শেষ হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

ঢাকায় মা‌র্কিন দূতাবাসে ভিসা সেবা দি‌তে ‘সুপার ফ্রাইডে’

চল‌তি সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত দুই শতা‌ধিক অ‌ভিবাসী‌কে ভিসা সেবা দি‌তে ‘সুপার ফ্রাইডে’ আয়োজন করেছে ঢাকায় মা‌র্কিন দূতাবাস। সোমবার (৭ ন‌ভেম্বর) এক ক্ষু‌দে বার্তায় এ তথ্য জা‌নি‌য়ে‌ছে মা‌র্কিন দূতাবাস।দূতাবাসের বার্তায় জানা‌নো হয়, চলতি সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ২০০শর বেশি অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীকে সেবা দিতে ‘সুপার ফ্রাইডে’ আয়োজন করেছে। করোনা মহামারির পর সব কনস্যুলার পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ায় দূতাবাস সাক্ষাৎকারের জন্য অপেক্ষার সময় কমানোর জন্য বিশেষ প্রচেষ্টা নি‌য়ে‌ছে। ক‌রোনা মহামা‌রির পর চল‌তি বছ‌রের জুলাই মা‌সের মাঝামা‌ঝি‌তে অনভিবাসীদের ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরা‌ন্বিত কর‌তে শুক্রবার দূতাবাসে ‘সুপার ফ্রাইডে’ নামে বিশেষ এক কর্মদিবসের আয়োজন করা হয়। সে সময় অনভিবাসীর প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থীর সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। ওই মা‌সের শে‌ষের দি‌কে আরেক‌টি সুপার ফ্রাইডে আয়োজন ক‌রে দূতাবাস।

post
এনআরবি বিশ্ব

করোনার সকল বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে আরব আমিরাত

করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সকল বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এখন থেকে মাস্ক পরাসহ সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার মতো বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে। রোববার (৬ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস এবং দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল। এদিকে সরকারি ঘোষণার পর সোমবার (৭ নভেম্বর) থেকেই আরব আমিরাতে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সকল বিধিনিষেধ এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরপর স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৬টা থেকেই দেশটিতে নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হয়। এতে করে মাস্ক পরাসহ সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার বিষয়ে এতোদিনের বাধ্যবাধকতা এখন শিথিল হলো। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার ঘোষণা করেছে, মসজিদ, উপাসনালয়, উন্মুক্ত জায়গা এবং আবদ্ধ স্থানগুলোতে এখন থেকে ফেসমাস্ক পরা ঐচ্ছিক বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ কেউ চাইলে মাস্ক পরতে পারেন, আবার না পরলেও সরকারিভাবে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক কেন্দ্রগুলোতে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে।সংবাদমাধ্যম বলছে, কোভিড-১৯ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর এখন থেকে সরকারি স্থাপনা এবং সরকারি অফিসে প্রবেশের জন্য আর গ্রিন পাসের প্রয়োজন হবে না। উল্লেখ্য, বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের আয়তন ৮৩ হাজার ৬০০ বর্গকিলোমিটার। ২০২০ সালে করোনা মহামারি শুরুর পর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এই দেশটিতেও নানা বিধিনিষেধ জারি করা হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

ভারতে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে বসবাসের বিষয়ে সতর্কতা জারি

ভারতে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে বসবাসের বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। রোববার (৬ নভেম্বর) দেশটির ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির বিজেপি সরকারের এই সতর্কতা জারির খবরটি প্রকাশ হয়।এতে বলা হয়েছে, ভারতে অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিরা চাকরি, পাসপোর্ট পেতে ভুয়া পরিচয়পত্র দিয়ে প্রাপ্ত নথি ব্যবহার করছেন। রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু। পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সতর্কতা জারি করে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশকে বলা হয়েছে, অবৈধ অভিবাসীরা যারা পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে লুকিয়ে লুকিয়ে দেশজুড়ে বসতি স্থাপন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্য হিন্দু বলছে, নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্থানীয় লোকজন এবং এজেন্টদের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক সম্পর্কে জানানো হয়েছে। নিজেদের মধ্যে অত্যন্ত মজবুতভাবে সম্পৃক্ত ওই নেটওয়ার্কটি বিদেশি (বাংলাদেশি) নাগরিকদের প্রবেশ, জাল ঠিকানা ও পরিচয় ইত্যাদির সাহায্যে আসল নথি পেতে সহায়তা করে থাকে। এছাড়া ভারতে প্রবেশের পর অবৈধ অভিবাসীদের যারা প্রাথমিকভাবে আধার কার্ড হাতে পান তারা কর্মসংস্থানের জন্য ভারতের বিভিন্ন স্থানে চলে যান এবং সেখানে বসতি স্থাপন করেন। কেউ কেউ ঠিকানা বা পরিচয়ের অন্যান্য প্রমাণ যেমন ব্যাংকের পাসবই, ভোটার পরিচয়পত্র এবং প্যান কার্ড পেতেও সক্ষম হয়েছেন বলে সূত্র জানিয়েছে। ভারতের সিনিয়র একজন পুলিশ কর্মকর্তা দ্য হিন্দুকে বলেছেন, ‘ভারতে প্রবেশের পর এই ধরনের নথিগুলো অবৈধ বিদেশিদের কোনো এক প্রদত্ত ঠিকানায় জাল পরিচয় প্রতিষ্ঠা করতে এবং চাকরি পেতে সহায়তা করে। বিদেশ ভ্রমণে পাসপোর্ট পেতে অনেকেই এগুলো ব্যবহার করছেন। যেহেতু পাসপোর্টসহ এই ধরনের নথিগুলো উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রদান করা হয়, তাই অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সন্দেহ বা ধরা পড়া ছাড়াই ভ্রমণ করেন।’ সম্প্রতি জারি করা ভারতের মোদি সরকারের সতর্কতায় বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু স্থানীয় বাসিন্দা জালিয়াতি করে প্রাপ্ত ভারতীয় পরিচয় নথি, বিশেষ করে আধার কার্ড প্রদান করে এসব কাজে এজেন্ট হিসাবে কাজ করছে। ভারতীয় নাগরিক হিসাবে জাহির করা বিদেশিরা ভারতজুড়ে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে এসব নথি ব্যবহার করছে ইঙ্গিত দিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেছেন, অভিযুক্ত বিদেশি নাগরিকরা তামিলনাড়ু, কেরালা এবং কর্ণাটকসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে বসতি স্থাপন করছেন। সতর্কতা জারি হওয়ার কয়েকদিন পর ১৯৫৫ সালের আইনে বাংলাদেশি সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা দেয় ভারত। মূলত দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটের দুই জেলায় বসবাসকারী বাংলাদেশি সংখ্যালঘুরা এই ঘোষণার আওতায় নাগরিকত্ব পাবেন। একইভাবে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে যাওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টানসহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদেরও নাগরিকত্ব দেওয়া হবে জানায় ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অবশ্য কয়েক বছর আগে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর পুলিশ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছিল। মূলত পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় বাসিন্দা হিসাবে নথি থাকা এসব বাংলাদেশিরা তামিলনাড়ুর বিভিন্ন জেলায় বসতি স্থাপন করেছিল এবং নির্মাণ, আতিথেয়তা এবং টেক্সটাইল শিল্পে চাকরি নিয়েছিল। সেসময় কয়েকজনকে ফরেনার্স অ্যাক্টের ধারায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়। এই ধরনের সন্দেহভাজনদের বেশিরভাগই তিরুপুর, চেঙ্গলপাট্টু, ইরোড, কুদ্দালোর এবং কাঞ্চিপুরম জেলায় বসতি স্থাপন করেছিলেন বলে জানায় দ্য হিন্দু। এছাড়া করোনা মহামারির লকডাউনের সময় কয়েক লাখ অভিবাসী ভারতীয় শ্রমিক তাদের নিজ নিজ রাজ্যের উদ্দেশে রওনা হলেও সেসময় বাংলাদেশি শ্রমিকরা তামিলনাড়ুতেই থেকে যান। তাদের মধ্যে কেউ কেউ মহামারির সময়কালে মাদক ব্যবসার মতো কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন বলেও বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.