post
যুক্তরাষ্ট্র

ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে আজ (মঙ্গলবার) ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত হয়েছে।সকালে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান কর্তৃক দূতাবাস প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দূতাবাসের দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।পরে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু কর্নারে অবস্থিত জাতির পিতার আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান মিনিস্টার (পলিটিক্যাল-1) ও দূতালয় প্রধান দেওয়ান আলী আশরাফ এবং কাউন্সেলর (পলিটিক্যাল-3) শামীমা ইয়াসমিন স্মৃতি। পরে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের উপর একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে পরে বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত ইমরান ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বঙ্গবন্ধুর মহাকাব্যিক ভাষণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।তিনি ৭ই মার্চকে বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু সেই গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ প্রদানের মাধ্যমে কার্যত স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দেন।তিনি বলেন, 'ঐতিহাসিক এই ভাষণের গুরুত্ব অনুধাবন করে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (ইউনেস্কো) এর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্যের তালিকা ‌‍‍‘মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল’ রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করেছে'। রাষ্ট্রদূত ইমরান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার এবং নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার অনুরোধ জানান।বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং দেশের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে এক বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শেষ হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ফার্স্ট সেক্রেটারি মোঃ আতাউর রহমান।

post
এনআরবি প্রজন্ম

ড. ইউনূসের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর ৪০ বিশ্বনেতার চিঠি

শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের আচরণের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন ৪০ বিশ্বনেতা। এ বিষয়ে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি খোলাচিঠি দিয়েছেন।গতকাল মঙ্গলবার রাজনীতি, কূটনীতি, ব্যবসা, শিল্পকলা ও শিক্ষাক্ষেত্রের ৪০ বিশ্বনেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই খোলাচিঠি দিয়েছেন। চিঠিটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায় পূর্ণ পাতাজুড়ে বিজ্ঞাপন হিসেবেও প্রকাশিত হয়েছে।৪০ বিশ্বনেতার মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, দেশটির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন, প্রয়াত মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড এম কেনেডির ছেলে টেড কেনেডি জুনিয়রের মতো আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব।ইংরেজিতে লেখা চিঠিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।চিঠিতে লেখা হয়েছে,‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আমরা বাংলাদেশের বন্ধু হিসেবে আপনাকে লিখছি, যাঁরা আপনার দেশের জনগণের সাহস ও উদ্ভাবনী দক্ষতার প্রশংসা করে। আমাদের মধ্যে সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের নেতা ও সমাজসেবক আছেন। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের মতো আমরাও বাংলাদেশে উদ্ভাবিত ও সারা বিশ্বে গৃহীত উদ্ভাবনগুলো দ্বারা অনুপ্রাণিত। আপনার দেশের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা থেকেই আমরা আপনাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাগরিকদের একজন, শান্তিতে নোবেল পুরস্কারজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মহান অবদানকে সমর্থন ও স্বীকৃতি দিতে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে আপনাকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি লিখছি।‘ড. ইউনূসের ভালো থাকা, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে মানবিক উন্নয়নে তিনি যে অবদান রেখে চলছেন, তা অব্যাহত রাখতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে আমাদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। আমরা নিশ্চিত, আপনি জানেন যে বাংলাদেশে মুহাম্মদ ইউনূসের অবদান, বিশেষ করে অতিদরিদ্র ও সবচেয়ে বিপদাপন্ন মানুষের জন্য তাঁর অবদান বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ও সম্মানিত।‘উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, অধ্যাপক ইউনূস ইতিহাসের সাত ব্যক্তির মধ্যে একজন, যিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম ও কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল পেয়েছেন। এই সাতজনের মধ্যে নেলসন ম্যান্ডেলা, মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র, মাদার তেরেসা ও এলি উইজেলের মতো ব্যক্তিরা আছেন।‘তিনি ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। একে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই করা বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেন। যার ঋণগ্রহীতা ৯০ লাখ, তাঁদের ৯৭ শতাংশ নারী। প্রতিষ্ঠানটি লাখো মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে এনেছে। সারা বিশ্বের অন্যান্য ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির জন্য একটি মডেল তৈরি করেছে।‘গত শতকের আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে গ্রামীণ ব্যাংক ২০০-৫০০ মার্কিন ডলারের গৃহনির্মাণ ঋণ দেওয়া শুরু করে। এর মাধ্যমে সাড়ে সাত লাখের বেশি পরিবার গ্রামীণ বাড়ি তৈরি করেছে।‘অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ শক্তি প্রতিষ্ঠা করেন, নেতৃত্ব দেন। এই গ্রামীণ শক্তি ১৮ লাখের বেশি বাড়িতে সোলার হোম সিস্টেম চালু করেছে। হাজারো গ্রামীণ নারীকে এই সোলার সিস্টেম ইনস্টল ও মেরামতের প্রশিক্ষণ দিয়েছে।‘ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ টেলিকমের গ্রামীণফোনে করা বিনিয়োগটি দূরদৃষ্টিসম্পন্ন বিনিয়োগ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। যা সারা দেশে সামাজিক উদ্ভাবন বিস্তারের সুযোগ করে দিয়েছে। যেমন গ্রামীণ ক্যালেডোনিয়ান কলেজ অব নার্সিং দেশের অন্যতম বেসরকারি নার্সিং কলেজ, দেশের দরিদ্রদের জন্য চারটি চক্ষু হাসপাতাল, ১৫০টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ক্লিনিকসহ আরও অনেক কিছু আছে।‘২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নিম্ন আয়ের জনগণকে ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের জন্য অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ আমেরিকা প্রতিষ্ঠা করেন। এর বেশির ভাগ ঋণই ২ হাজার ৫০০ ডলারের নিচে। এটি ৩ বিলিয়ন ডলার ঋণের মাইলফলক অতিক্রম করতে চলেছে। এসব ঋণের পরিশোধের হার ৯৯।‘মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ টেলিকম বা গ্রামীণফোন থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হননি। বরং তিনি যেসব সংগঠন গড়ে তুলেছেন, সেগুলোর মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন কার্যক্রমে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। তিনি ঢাকায় সাদামাটাভাবে বসবাস করছেন। মুহাম্মদ ইউনূসের মতো একজন অনবদ্য পরিশুদ্ধ মানুষ ও তাঁর কার্যক্রমগুলো আপনার সরকারের অন্যায় আক্রমণের শিকার হচ্ছে। বারবার হয়রানি ও তদন্তের মধ্যে পড়ছে। এমনটা দেখতে পাওয়া বেদনাদায়ক।‘আমরা বিশ্বাস করি, সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো, এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে চিরায়ত ও সামাজিক উদ্যোক্তারা প্রস্ফুটিত হতে পারেন।‘আমরা আশা করি, টেকসই অগ্রগতি নিশ্চিতে কীভাবে একটি প্রাণবন্ত নাগরিক সমাজকে লালন করা যেতে পারে, সে বিষয়ে অন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি মডেল হিসেবে বাংলাদেশ তার ভূমিকায় ফিরে আসবে। এ ক্ষেত্রে প্রথম একটি ভালো উদ্যোগ হওয়া উচিত, অধ্যাপক ইউনূসের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া। তাঁকে নিজ নিরাপত্তায় ব্যস্ত রাখার পরিবর্তে দেশ ও বিশ্বের জন্য আরও ভালো কিছু করতে তাঁর শক্তিকে কাজে লাগানোর সুযোগ করে দেওয়া।‘আমরা ও বিশ্বের কোটি মানুষ আশা করি, আপনি আমাদের এই দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করবেন।’

post
বিশেষ প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ

আজ বুধবার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস। নারীর সম-অধিকার প্রতিষ্ঠায় ১৯১৪ সাল থেকে বিভিন্ন দেশ দিবসটি পালন করে আসছে। ১৯৭৫ সাল থেকে জাতিসংঘ দিনটি ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’- হিসেবে পালন করছে।সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হবে। প্রতি বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে নানা আয়োজন করা হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন : জেন্ডার বৈষম্য করবে নিরসন’।দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা বিশ্বের সব নারীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ উপলক্ষে আজ বেলা আড়াইটায় এক শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে। শোভাযাত্রাটি কেন্দ্রিয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে এসে শেষ হবে।দিবসটি উপলক্ষে বিনামূল্যে নারীদের ‘স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যান্সার’ পরীক্ষা ও সচেতনতামূলক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতাল। বুধবার বেলা সাড় ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত পান্থপথে হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে এটি অনুষ্ঠিত হবে।ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ৯ মার্চ দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০টায় শোভাযাত্রা, নারী দিবসের বার্ষিক সংকলন ‘কন্ঠস্বর’ এর মোড়ক উন্মোচন এবং বেলা ১১ টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

post
বাংলাদেশ

মায়ের জন্য ইফতার কেনা হলো না সুমনের

‘একটু আগে ভাই আমার লগে দেখা করে আসল। ও আল্লাহ, তুমি এইডা কী করলা?’—এভাবে বিলাপ করছিলেন সোমা নামের এক তরুণী। তাঁর ভাই সুমন (২১) সিদ্দিকবাজারে বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন। মা রোজা রেখেছিলেন আজ। তাঁর জন্য ইফতারি কিনতে বের হয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।সুমনের মৃত্যুর খবর শুনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন তাঁর স্বজনেরা। ভাইয়ের অকালমৃত্যুতে বারবার বিলাপ করছিলেন বোন সোমা।স্বজনেরা জানান, কাতারপ্রবাসী সুমন চার মাসের ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। মা, দুই বোন আর এক ভাইকে নিয়ে বংশালের সুরিটোলায় থাকতেন। আজ বিকেলে মায়ের জন্য ইফতারি কিনতে বের হয়ে বিস্ফোরণে মারা যান তিনি।আজ মঙ্গলবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে গুলিস্তানে বিআরটিসির বাস কাউন্টারের কাছে সিদ্দিকবাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শতাধিক ব্যক্তি। নিহত মানুষের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিস্ফোরণে পাশাপাশি দুটি বহুতল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একটি ভবন সাততলা এবং আরেকটি ভবন পাঁচতলা। এর মধ্যে সাততলা ভবনের বেসমেন্ট, প্রথম ও দ্বিতীয় তলা বিধ্বস্ত হয়েছে। আর পাঁচতলা ভবনের নিচতলাও বিধ্বস্ত হয়েছে। এই ভবনের দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংকের কার্যালয়। সেখানে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট।সূত্র: প্রথম আলো

post
বাংলাদেশ

গুলিস্তানে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫

গুলিস্তানের ভবনে বিস্ফোরণে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ১৫ হয়েছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ৭০ জন আহত হয়েছেন। নিহত মানুষের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে গুলিস্তানে বিআরটিসির বাস কাউন্টারের পাশে সাততলা একটি ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, ভবনের নিচতলায় স্যানিটারির দোকান ছিল। নিচতলায় বিস্ফোরণ ঘটে ওপরের কয়েকটি তলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট।

post
বাংলাদেশ

রাজধানীর গুলিস্তানে একটি ভবনে বিস্ফোরণ

রাজধানীর গুলিস্তানে বাসস্টান্ডের কাছে একটি ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণে একজনের নিহত হবার কথা নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া বহু লোক আহত হতে পারেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট। ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরে মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাজাহান শিকদার জানান, মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০ জনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একজন নিহত হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। তাৎক্ষণাতভাবে বিস্ফোরণের কারণ জানা যায়নি। উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।

post
বাংলাদেশ

অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ যেহেতু একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতে চলেছে, তাই যেসব দেশে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ আছে, সেদিকে ‘মনোযোগ’ দেওয়া প্রয়োজন।উন্নয়নশীল দেশের কাতারে টিকে থাকতে এবং উন্নত দেশ হতে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর পাশপাশি অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে তৎপর হতে বাংলাদশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আপনাদের (রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক) চোখ খোলা রেখে সব দেশের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতা করতে হবে। তাহলে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমরা টিকে থাকতে পারব, আরও এগিয়ে যেতে পারব এবং অবশেষে উন্নত দেশ হতে পারব।'দোহায় সোমবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থানরত বাংলাদেশি কূটনীতিকদের অংশগ্রহণে এক আঞ্চলিক দূত সম্মেলনে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যেহেতু একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতে চলেছে, তাই যেসব দেশে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ আছে, সেদিকে ‘মনোযোগ’ দেওয়া প্রয়োজন।শেখ হাসিনা বলেন, এক সময় ‘কূটনীতি’ ছিলে রাজনৈতিক একটি বিষয়। কিন্তু সেই পরিচয়ের বাইরে কূটনীতির পরিচয় এখন ‘অর্থনৈতিক কূটনীতি’। তাই যারা বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন, তাদের দায়িত্ব হল ব্যবসার ক্ষেত্র তৈরি করা যায় এমন দেশগুলোকে চিহ্নিত করা। যেসব দেশে আমাদের পণ্যের চাহিদা আছে, যেখানে রপ্তানি ও বিপণনের সুযোগ আছে সে সমস্ত দেশগুলোকে খুঁজে বের করা।বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির কথা ফের স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন 'আমাদের পররাষ্ট্র নীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’। অন্তত আমি দাবি করতে পারি যে, বাংলাদেশ সঠিকভাবে এই নীতি অনুসরণ করছে।'শেখ হাসিনা বলেন, 'কোন অন্যায় দেখা গেলেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক টিকিয়ে রেখেই বাংলাদেশ নিজেদের বক্তব্য জানাবে, যা মিয়ানমারের সঙ্গে করা হয়েছিল।'মিয়ানমারের সেনা নিপীড়নের মুখে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার কারণও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।তিনি বলেন, 'আমরা মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছিলাম। কিন্তু আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে সংঘাতে জড়াইনি। রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।'পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

post
বিনোদন

বর্ষাকে নিয়ে বুবলির ফেসবুক পোস্ট

বাংলাদেশের আলোচিত দুই অভিনেত্রী শবনম বুবলি ও আফিয়া নুসরাত বর্ষা। নানান কারণে এখন প্রায় নিয়মিতই খবরের শিরোনাম হন বুবলি। বর্ষা সিনেমার বাহিরে খুব একটা কথা বলেন না।রোববার মধ্যরাত থেকে দুই অভিনেত্রীর ভক্তদের মধ্যে অন্যরকম আলোচনা দেখা যায়। বর্ষা ও বুবলি একজনের প্রতি অন্যজনের সম্মান, স্নেহ ও ভালোবাসা দেখে ভক্তেদর প্রশংসায় ভাসছেন দুই জন। শুরুটা হয় মূলত বর্ষার ফেসবুক পোস্ট থেকে। রোববার মধ্যরাত, আনুমানিক ১২টা নাগাদ বুবলি ও তার ছেলে শেহজাদ খান বীরের একটি ছবি নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন বর্ষা। ছবিটিতে দেখা যায়, সাদা রঙের একটি শড়ি পরে বীরকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন বুবলি। ছবিটির ক্যাপশনে বর্ষা লেখেন,‘ সুন্দর’। আবার বুবলিকে ট্যাগও করেন। সোমবার দুপুরে ওই পোস্টটি আবার নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শেয়ার করে বুবলি লিখেন, ‘ধন্যবাদ বর্ষা আপু, অনেক ভালোবাসা’।

post
আন্তর্জাতিক

উড়োজাহাজ চলার সময় মাঝ আকাশেই দরজা খোলার চেষ্টা !

উড়োজাহাজ চলার সময় মাঝ আকাশেই এর জরুরি বের হওয়ার দরজা খোলার চেষ্টা করেন এক যাত্রী। বাধা দেওয়া হলে উড়োজাহাজের এক ক্রুকে ভাঙা ধাতব চামচ দিয়ে গলায় আঘাত করেন তিনি। পরে ফ্রান্সিসকো সেভেরো টরেস (৩৩) নামের ওই যাত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল সোমবার মার্কিন কৌঁসুলিরা বলেছেন, ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে এমন ঘটনা ঘটেছে। ফ্রান্সিসকো সেভেরো টরেস যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের লিওমিনস্টার এলাকার বাসিন্দা। গতকাল প্রাথমিকভাবে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁকে জামিন না দিয়ে আটক রাখা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। টরেসের আইনজীবীর মন্তব্য জানার চেষ্টা করেছিল রয়টার্স। তবে ওই আইনজীবী তাতে সাড়া দেননি। কৌঁসুলিরা বলেন, বোস্টনে ফ্লাইটটি অবতরণের প্রায় ৪৫ মিনিট আগে উড়োজাহাজের ক্রু ককপিটে একটি সতর্কসংকেত পান। সংকেত অনুযায়ী তিনি বুঝতে পারেন, উড়োজাহাজের প্রথম শ্রেণি ও কোচ অংশের মাঝখানের একটি দরজা অরক্ষিত আছে। কৌঁসুলিরা বলেন, দরজার কাছে টরেসকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অপর একজন ক্রু-এর সন্দেহ হয়। এর পর তাঁর এক সহকর্মী (উড়োজাহাজের ক্রু) টরেসের মুখোমুখি হন। টরেস তখন ক্রু-এর কাছে জানতে চান তিনি কিছু করেছেন বলে ক্যামেরায় রেকর্ড আছে কি না। কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি ভাঙা ধাতব চামচ নিয়ে টরেস ওই ক্রু-এর গলার দিকে তিনবার আঘাত করেন। এরপর উড়োজাহাজের অন্য যাত্রী ও ক্রুরা তাঁকে থামান। পরে উড়োজাহাজটি বোস্টন লগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যেকোনো ধরনের সহিংসতার ক্ষেত্রে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করি। তদন্ত চলাকালীন এ যাত্রী ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে নিষিদ্ধ থাকবেন। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তদন্তকাজে সহায়তা করছি।’ টরেসের বিরুদ্ধে বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহার করে ফ্লাইট ক্রুদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানোর চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে।

post
সংবাদ

পবিত্র শবে বরাত আজ

পবিত্র শবে বরাত আজ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় রাতে মহান রব্বুল আ’লামিনের রহমত কামনায় নফল ইবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে পবিত্র শবে বরাত পালন করবেন। হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিনগত রাত ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে পবিত্র রাত। এ রাতে আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকিরসহ বিভিন্ন ইবাদত করে থাকেন।শবে বরাতে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, মানুষের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তির জন্য ইসলামের সুমহান আদর্শ আমাদের পাথেয়। শবে বরাতের এই রাতে আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর দরবারে অশেষ রহমত ও বরকত কামনার পাশাপাশি দেশের অব্যাহত অগ্রগতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উন্মাহর বৃহত্তর ঐক্যের প্রার্থনা জানাই।প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে পবিত্র শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানব কল্যাণ ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে শবে বরাত উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ, দোয়া মাহফিল, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাতসহ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.