post
বিনোদন

সম্মাননা পাচ্ছেন যারা

অভিনেতা সায়েম সামাদের হাত ধরে ২০২০ সালে ‘কাঁচখেলা রেপার্টরি থিয়েটার’-এর যাত্রা শুরু হয়। ২০২২ সাল থেকে সায়েম সামাদের উদ্যোগেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মূলত থিয়েটারের সঙ্গে সম্পৃক্ত অভিনেত্রীদের সম্মাননা দিয়ে আসছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও সায়েম সামাদের উদ্যোগে বিভিন্ন নাট্যদলের অভিনয়শিল্পীকে সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।মঞ্চের দাপুটে অভিনেত্রী, যিনি ‘লাল জমিন’ নাটক করে সারা দেশে ভীষণ সাড়া ফেলেছেন সেই নন্দিত অভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরী, নাটক ও সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রোজী সেলিম, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী ও নির্দেশক নাজনীন হাসান চুমকি এবং গুণী অভিনেত্রী তনিমা হামিদ কাঁচখেলা নাট্য সম্মাননায় ভূষিত হতে যাচ্ছেন। আরও চারজন অভিনয়শিল্পী একই সম্মাননায় ভূষিত হতে যাচ্ছেন। তারা হলেন জুয়েনা শবনম, শামসি আরা সায়েকা, হাসিনা সাফিনা বানু উর্মি ও সৈয়দা নওশীন ইসলাম দিশা। কাঁচখেলা রেপার্টরি থিয়েটারের প্রধান নির্বাহী সায়েম সামাদ বলেন,নারীর মঞ্চ সাধনাকে মূল্যায়িত করতে প্রতিবছর বিগত তিন বছর যাবত এই আয়োজন করছি। সবার সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু উপহার দেওয়ার ইচ্ছে আছে। আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই প্রত্যেক নারী শিল্পীকে যারা এই সম্মাননা গ্রহণ করার জন্য সম্মতি দিয়েছেন। কারণ তাদের কারণেই আলোকিত হবে এই অনুষ্ঠান। আগামী ৮ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী নাট্য উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী ডলি জহুর। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় মহিলা সমিতি মিলনায়তনে থাকছে মঞ্চনাটকের প্রদর্শনী। আগামী ৮ মার্চ মঞ্চস্থ হবে থিয়েটার ফ্যাক্টরির নাটক আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে, ৯ মার্চ প্রাচ্যনাটের আগুনযাত্রা এবং ১০ মার্চ অনুস্বরের হার্মাসিস ক্লিওপেট্রা।

post
বিনোদন

আবারও ক্যানসারে আক্রান্ত সাবিনা ইয়াসমিন

আবারও ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ক্যানসার সেন্টারে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে পরায় তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। এরই মধ্যে একটি সার্জারি সম্পন্ন হয়েছে। খুব দ্রুতই দেওয়া হবে রেডিওথেরাপিও।এর আগেও ২০০৭ সালে দুরারোগ্য ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন সাবিনা। পরে সবার সহযোগিতায় ক্যানসার জয় করে গানে নিয়মিত হয়েছিলেন তিনি। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে গানের ভুবনে বিচরণ করছেন সাবিনা ইয়াসমিন। আব্দুল আলীম থেকে শুরু করে একালের উঠতি গায়কদের সঙ্গেও তিনি একের পর এক গান গেয়েছেন। সুযোগ পেয়েছেন উপমহাদেশের বরেণ্য সুরকার আর ডি বর্মণের সুরে গান গাওয়ার। উপমহাদেশের বিখ্যাত দুই কণ্ঠশিল্পী কিশোর কুমার ও মান্না দে’র সঙ্গেও গান গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন।বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের গানের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসংগীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানা আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে দেশের অন্যতম সেরা সংগীতশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিল্পকলার সংগীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে। এ ছাড়া জহির রায়হান চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন দুবার। ১৯৮৪ সালে বিশ্ব উন্নয়ন সংসদ থেকে সংগীতের ওপর লাভ করেন ডক্টরেট ডিগ্রিও। ১৯৯০ সালে শেরেবাংলা স্মৃতি পদক, ১৯৯১ সালে বিএফজেএ পুরস্কার ও উত্তম কুমার পুরস্কার, ১৯৯২ সালে অ্যাস্ট্রোলজি পুরস্কার এবং একই বছর নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে পান ‘বেস্ট সিঙ্গার’ পুরস্কার।

post
বিনোদন

বাজারে আসছে নতুন স্বাদ নতুন উচ্ছাস ‘দি আপেল বিরিয়ানি’

হাজী বিরিয়ানি, নান্না বিরিয়ানি, সুলতান ডাইনস্, কাচ্চি ভাই, গ্রান্ড নবাব, কোলকাতা বিরিয়ানি, হায়দ্রাবাদি বিরিয়ানি, হানিফ বিরিয়ানি এরকম কতো কতো মজাদার বিরিয়ানি যে আছে পুরান ঢাকার কাজী আলাউদ্দিন রোড, আগা সাদেক ও নিমতলি এলাকায়।হাজী বদরুদ্দিন মার্কেটের নীচতলার কর্নার ফেসিং যে দোকানের ডেকচির ঢাকনার আওয়াজ আর লম্বা চাউলের রঙিন বিরিয়ানির ঘ্রাণ সূত্রাপুর, নিমতলি, লালবাগ, মিরপুর, বনানী, ৬০ ফিট্, ৩০০ ফিট্ পেরিয়ে উত্তরের তুরাগ তীর পর্যন্ত ঠেকেছে তার নাম 'de আপেল বিরিয়ানি'।ঢাকাইয়্যা স্বাদে, মন মাতানো ঘ্রানে ছাত্তার বাবুর্চির রান্নায় যুগান্তকারী এক রেসিপিযোগে গরমা গরম আপেল বিরিয়ানি নিয়ে এসেছে বদরুদ্দিনের বোকা সোকা মেঝো ছেলে আপেল।মহল্লা মাথায় তোলা বিন্দিয়া, রোখসানা, রকেট, ঐন্দ্রিলা, ইস্পিতা আর বুলেটের মতো পুরান ঢাকার একঝাঁক তরুন তরুনীর উচ্ছাস ভরা এক গল্পগাঁথা ‘de আপেল বিরিয়ানি’।লেখক বিদ্যুত জাহিদ এর দ্বিতীয় এ গল্পগ্রন্থটি এইবার প্রকাশ করছেন ‘নয়া উদ্যোগ’ প্রকাশনী। প্রকাশক সাফায়াত জায়ান। প্রচ্ছদ পরাগ ওয়াহিদ ।লেখকের প্রকাশিত অনান্য বইঃ কাব্যগ্রন্থঃ ‘একা আমি শ্রাবন’, ‘শাল পিয়ালের বনে চন্দ্রিমা রাতে’, ‘নদীর নাম পারুল’। উপন্যাসঃ ‘সোনালি অভিশাপ’। ছোটগল্পঃ ‘বুকে বৃষ্টির শব্দ’।

post
বিনোদন

ইরানের জাতীয় পুরস্কার জিতেছে জয়া আহসানের ‘ফেরেশতে’

প্রতি বছর ফজর চলচ্চিত্র উৎসব শেষে ইরান সরকার জাতীয় পুরস্কার প্রদান করে থাকে সেসব ছবিকে, যেগুলোর মাধ্যমে মানবাধিকার, শিক্ষা, পরিবেশ, দাতব্য কাজ ইত্যাদি বিভাগে দেশটির ‘জাতীয় ইচ্ছার প্রতিফলন’ ঘটে। এবার সেই বিভাগে ইরান সরকারের মন জয় করেছে জয়া আহসানের প্রথম ইরানি চলচ্চিত্র ‘ফেরেশতে’। জয়া আহসান জানান, এই পুরস্কারটি ‘খয়র-ই-মান্দেগার’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদান করা হয়, যা ইরানের সমস্ত দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতা, এনজিও-এর প্রতিনিধিত্ব করে এবং প্রতিষ্ঠানটি ইরানে ইউনিসেফের মতো সক্রিয়। ‘ফেরেশতে’ চলচ্চিত্রের প্রধান দুই অভিনেতা জয়া আহসান এবং সুমন ফারুককেও করা হয় পুরস্কৃত। দুজনকেই ‘খয়র-ই-মান্দেগার’ স্মারক প্রদান করে সম্মানিত করা হয়।জয়াকে দেওয়া স্মারকপত্রে বলা হয়, ‘‘শিল্পের মাধ্যমে দানশীলতা দেখানো জীবনের সবচেয়ে সুন্দর চিত্র। যা কখনও কখনও মানুষকে তার নিজের প্রকৃতির মহাসাগরের গভীরে টেনে নিয়ে যায়। যাতে তার অস্তিত্বের মুক্তা আহরণ করতে পারে। ‘ফেরেশতে’ চলচ্চিত্রটি ভালোবাসা এবং শিল্পের এক অসাধারণ মিশ্রণ, যেখানে আপনি প্রতিটি মুহূর্তে দয়ার উজ্জ্বল আভা দেখতে পাবেন। খয়র-ই-মান্দেগার দাতব্য সংস্কৃতি কেন্দ্র এই চিরন্তন কাজে ভূমিকা রাখার জন্য ৪২তম ফজর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ‘জাতীয় ইচ্ছার প্রতিফলন’ বিভাগে আপনাকে পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।’’ উল্লেখ্য যে, ইরানি বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতাদের চলচ্চিত্রগুলির পাশাপাশি ‘ফেরেশতে’ চলচ্চিত্রটি ফজর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রধান বিভাগের উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসাবে আগত দর্শক, সংবাদপত্র এবং সমালোচকদের দ্বারা সমাদৃত হয়েছিল।ইরানে ‘ফেরেশতে’ চলচ্চিত্রটি ‘দুরুগহায়ে যিবা’ নামে পরিচিত। এ চলচ্চিত্রে জয়া আহসান ও সুমন ফারুক ছাড়াও বাংলাদেশের আরও বেশ কজন শিল্পী অভিনয় করেছেন। যেমন রিকিতা নন্দিনী শিমু, শহীদুজ্জামান সেলিম, শাহেদ আলী, শাহীন মৃধা, শিশুশিল্পী সাথী প্রমুখ।ইরানি পরিচালক মুর্তজা আতশ জমজমের সঙ্গে সিনেমাটি লিখেছেন বাংলাদেশের মুমিত আল-রশিদ। ফারসি ও বাংলা অনুবাদ করেছেন মুমিত আল-রশিদ ও ফয়সাল ইফরান। ইরান-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘ফেরেশতে’ সিনেমাতে সহ-প্রযোজক হিসেবে আছে ইমেজ সিনেমা, সি তে সিনেমা এবং ম্যাক্সিমাম এন্টারপ্রাইজ বাংলাদেশ।উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছিল ৪২তম ফজর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এটি শেষ হয়েছে। এতে তাসনিয়া ফারিণ অভিনীত ‘ফাতিমা’ ছবিটি অংশ নেই। যার জন্য তাকে ‘ইস্টার্ন ভিস্তা’ বিভাগে ক্রিস্টাল সিমোর্গ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ছবিটি নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশের ধ্রুব হাসান। ইরানের এই উৎসবে পুরস্কারের তালিকায় এবার বাংলাদেশের আরও একটি যোগসূত্র রয়েছে। তা হলো বাংলাদেশ ও গ্রিসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘মাইটি আফরিন: ইন দ্য টাইম অব ফ্লাডস’ ছবির জন্য সিনেমা স্যালভেশন বিভাগে ক্রিসটাল সিমোর্গ পুরস্কার পেয়েছেন এর নির্মাতা অ্যাঞ্জেলো রালিস।

post
বিনোদন

১৯ বছরে মারা গেলেন আমির খানের ‘দঙ্গল’ কন্যা

মারা গেছেন অভিনেত্রী সুহানি ভাটনাগর। আমির খানের ‘দঙ্গল’ সিনেমায় মেয়ে ববিতা ফোগতের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। হিন্দি দৈনিক জাগরণ এক প্রতিবেদনে জানাচ্ছে, আজ শনিবার সকালে দিল্লিতে মৃত্যু হয়েছে সুহানি ভাটনগরের। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই চলে যেতে হল তাঁকে।কিছুদিন আগেই অভিনেত্রী সুহানি ভাটনাগরের পা ভেঙেছিলেন এবং সেকারণেই চিকিৎসা চলছিল তাঁর। সেই চিকিৎসার জন্য বেশিকিছু ওষুধ খেয়েছিলেন তিনি। ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণ সুহানির শরীরে  তরল পর্দার্থ জমা হতে শুরু করে। আর সেটাই নাকি সুহানির এই অকাল মৃত্যুর কারণ।চিকিৎসার জন্য বেশ কিছুদিন ধরে দিল্লির এইমস হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সুহানি। শনিবার ফরিদাবাদেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।‘দঙ্গল’ সিনেমাতে কিশোরী ববিতা ফোগতের চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হন সুহানি। সিনেমাতে সুপারস্টার আমির খান, সাক্ষী তানওয়ার, ফতিমা সানা শেখ, সানিয়া মালহোত্রা এবং জাইরা ওয়াসিমের সঙ্গে কাজ করেছিলেন তিনি। এছাড়াও বেশকিছু টিভি বিজ্ঞাপনেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে পড়াশোনার জন্য আপাতত অভিনয় থেকে কিছুদিনের বিরতি নিয়েছিলেন। সুহানি জানিয়েছিলেন, পড়াশোনা শেষ করে আবারও তিনি অভিনয়ে ফিরবেন।

post
বিনোদন

ভিডিও প্রকাশ করে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিলেন নায়িকা মাহি

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির ঘর ভাঙল ফের। রাকিব সরকারের সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ হচ্ছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার রাতে একটি ভিডিও বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাহি। কদিন ধরেই গুঞ্জন ছড়িয়েছে বিয়েবিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে ঢাকাই নায়িকা মাহির, এবার এর সত্যতা মিলল।মাহি ভিডিওতে বলেন, ‘আজকে এ রকম একটা ভিডিও করতে হবে সেটা ভাবিনি। এ রকম আমাদের নিজেদের জন্য এটা বলাটা উচিত। সবার জানা উচিত। আমি আর রকিব আমরা আসলে খুব আন্ডারস্টান্ডিং থেকে বিয়ের সিদ্ধান্তে এসেছিলম। একটা পর্যায়ে মনে হয়েছে দুজন দুজনের জন্য না।’ তিনি বলেন, ‘একটা ছাদের নিচে দুটি মানুষ কেন ভালো নেই, সেটা তারাই ভালো জানে। এটা বাইরের থেকে বোঝা যাবে না।’ মাহি বলেন, ‘আমরা দুজন মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সেপারেশনে যাচ্ছি, সেপারেশনে আছি। সেপারেশন কবে আর কীভাবে হবে সেটিও দুজন মিলেই ঠিক করব।’ ২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহি। ২০২১ সালের ২২ মে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাকিবকে বিয়ে করেন মাহি। তাদের একটি ছেলে রয়েছে। গাজীপুরের ব্যবসায়ী রাকিবেরও এটি দ্বিতীয় বিয়ে।

post
বিনোদন

ঢাকা মাতাবেন বাদশাহ

জাকজমকপূর্ণ আয়োজনে মধ্য দিয়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে টেকনো স্পার্ক ২০ সিরিজ মিউজিক ফেস্ট। এতে শিরোনাম হতে চলেছেন ভারতীয় র‌্যাপার ও সংগীতশিল্পী বাদশাহ৷আগামী ১ মার্চ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি, এক্সপো জোন) অনুষ্ঠিত হবে টেকনো মিউজিক ফেস্ট। বিনোদনে ভরপুর অনুষ্ঠানটিতে থাকতে যাচ্ছে চমকপ্রদ সব আয়োজন। শ্রোতাদের মুগ্ধ করার সব উপকরণ থাকছে এই টেকনো স্পার্ক ২০ সিরিজ মিউজিক ফেস্টে। আদিত্য প্রতীক সিং সিসোডিয়া, তার মঞ্চ নাম বাদশাহ হিসাবেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তিনি হিন্দি, হরিয়ানি ও পাঞ্জাবী গানের জন্য বিখ্যাত। বাদশাহ এরই মধ্যে তার বহুমুখী প্রতিভার কারণে ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে পরিচিতমুখ হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন। পরপর তিন বছর ধরে ভারতের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত সেলিব্রিটি হিসেবে তিনি ফোর্বস ইন্ডিয়ার টপ ১০০ জন সেলিব্রেটির তালিকায় স্থান পেয়েছেন। গ্লোবাল প্রিমিয়াম স্মার্টফোন ব্র্যান্ড টেকনোর লক্ষ তরুণদের কাছে একটি বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড হিসেবে জায়গা করে নেওয়া। বিষয়টি মাথায় রেখে তরুণদের উন্মাদনাকে বিবেচনায় নিয়েই আয়োজন করা হচ্ছে এই টেকনো স্পার্ক ২০ সিরিজ মিউজিক ফেস্ট। এতে মূল মঞ্চে বাদশাহের সাথে যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশের মিউজিক ইন্ড্রাস্টির স্বনামধন্য কয়েকজন জনপ্রিয় ফেইস, যার মধ্যে থাকছে ফুয়াদ অ্যান্ড ফ্রেন্ডস, প্রীতম হাসান, জেফার, ব্ল্যাক জ্যাং এবং সঞ্জয়। লাইনআপটি শ্রোতাদের মিউজিক্যাল পারফমেন্সের মাধ্যমে সুরের মোহে আচ্ছন্ন করবে।

post
বিনোদন

বসন্তের দিনে বিয়ে করলেন স্পর্শিয়া

ভালোবাসা আর বসন্তের দিন আজ। নতুন জীবনে পা রাখতে তাই এ দিনটিকেই বেছে নিলেন অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। বুধবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এই অভিনেত্রী। বর সৈয়দ রিফাত নাওঈদ হোসেন। সিলেটের ছেলে। পড়াশুনা করেছেন দেশের বাইরে। এখন একটি মাল্টিন্যাশনাল সফটওয়্যার কোম্পানির পরিচালক পদে কাজ করছেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার সৈকতেই স্পর্শিয়ার গায়ে হলুদ ও সংগীত অনুষ্ঠান হয়। বুধবার ইনানি সৈকতে হয়েছে তাদের বিয়ের আয়োজন। যাতে দুই পক্ষের ঘনিষ্ঠজনরা হাজির ছিলেন। স্পর্শিয়া বলেন, নাওঈদকে আমার আম্মুর খুব পছ্ন্দ হয়েছে। আমি আগেই বলেছি বিয়েটা আম্মুর পছন্দেই করব। তাছাড়াও কিছু বিষয়ে নাওঈদকে আমিও মনের মতো পেয়েছি বলেই আমি রাজী হয়েছি। সেও হয়ত আমার মধ্যে তার স্ত্রী হিসেবে যে গুণগুলো চেয়েছিল, সেগুলো পেয়েছে। তাই দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে।উভয়ের পরিচয় কেবল বিয়ের দেখাদেখিকে কেন্দ্র করেই। স্পর্শিয়া জানান, আমাদের এক কমন ফ্রেন্ড ঘটকালি করেছে। পারিবারিক ভাবে কথাবার্তা বলার পর বিয়ের বিষয়টি পাকা হয়। পাশাপাশি ভালোবাসাও তৈরী হয়।’ সমুদ্র সৈকতে বিয়ে করার পরিকল্পনা নিয়ে স্পর্শিয়া বলেন, ‘সমূদ্র আর পাহাড় আমার ভীষণ প্রিয়। তাই আমার সব সময় ইচ্ছে ছিল এমন জায়গায় বিয়ে করব যেখানে পাহাড় আর সমূদ্র দুটোই রয়েছে। শশুরবাড়ির লোকজনও আমার ইচ্ছেকে প্রাধ্যাণ্য দিয়েছেন।’ গত ১৩ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার সৈকতেই স্পর্শিয়ার গায়ে হলুদ ও সংগীত অনুষ্ঠান হয়। পরদিন অর্থাৎ আজ ছিল বিয়ের অনুষ্ঠান।

post
বিনোদন

নতুন লুকে রুনা খান

খোলামেলা গাউনে রূপের দ্যুাতি ছড়ালেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। সোমবার নিজের ফেসবুক পেজে বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। যেগুলো মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।সম্প্রতি একটি ফটোশুটে অংশ নেন রুনা খান। আর সেই ছবি তিনি প্রকাশ করেছেন ফেসবুক হ্যান্ডেলে। যেখানে দেখা যায়, মেরুন রঙের একটি গাউনে একের পর এক পোজ দিয়ে ছবি তুলছেন তিনি। ছবিগুলোর ক্যাপশনে রুনা খান লিখেছেন, ‘পোশাক বিশ্বকে পরিবর্তন করে ফেলতে পারবে না। কিন্তু যে নারী ওই পোশাক পরবেন তিনি পারবেন।’ রুনার ছবিগুলোতে নেটিজেনরাও বিভিন্ন মন্তব্যে ভাসিয়েছেন। কেউ অভিনেত্রীর সাহসী অবতারের প্রশংসা করেছেন। আবার কেউ খোঁচা দিয়েও বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। তবে রুনা খানকে নিজের নতুন এই অবতার নিয়ে বেশ উৎফুল্লই দেখা গেছে। বর্তমানে নাটক, ওয়েব সিরিজে সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেনা রুনা। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সক্রিয় এই তারকা। ইন্টারনেট দুনিয়ায় কখনো শাড়িতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন আবার কখনো সাহসী পোশাকে উত্তাপ ছড়াতে দেখা যাচ্ছে এই অভিনেত্রীকে।

post
বিনোদন

আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা

দেশের প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। সম্প্রতি তিনি ভারতে বেসামরিক বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হয়েছেন। এবার দেশি একটি সংগঠন থেকে পাচ্ছেন আজীবন সম্মাননা।আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে অনুষ্ঠিতব্য একটি আয়োজনের মাধ্যমে তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেবে ‘টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব)। এ মুহূর্তে কলকাতা অবস্থান করছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। মোবাইল ফোনে তিনি জানান, ‘নিশ্চয়ই যেকোনো পুরস্কার একজন শিল্পীর জন্য পরম আনন্দের, ভালোলাগার। যথারীতি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন এই সম্মাননা আমি আনন্দের সাথেই গ্রহণ করবো। ধন্যবাদ আয়োজকদের যারা আমাকে এই সম্মাননার জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেছেন।’ অনুষ্ঠানের আয়োজন ট্রাব সভাপতি সালাম মাহমুদ বলেন, ‘বন্যা আপা আমাদের দেশের অত্যন্ত গুণী এবং প্রখ্যাত একজন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী। তার কণ্ঠ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের খ্যাতি ছড়িয়েছে। তাকে আমরা তাই পরম শ্রদ্ধা নিয়ে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করতে যাচ্ছি।’ এদিকে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি বন্যা দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কার পান বন্যা। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের ‘বঙ্গভূষণ’, ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত এ শিল্পী।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.