post
বিনোদন

অভিনেত্রী হোমায়রা হিমুর রহস্যজনক মৃত্যু

জনপ্রিয় অভিনেত্রী হুমায়রা হিমু মারা গেছেন। ২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরার আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবিব নাসিম। তিনি বলেন, বিকেল সাড়ে চারটায় হিমুকে উত্তরার একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তিনি মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘শুনেছি, একজন যুবক হিমুকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর সেই যুবক তার মোবাইলসহ পালিয়ে গেছেন।’ হোমায়রা হিমুর মরদেহ এখন উত্তরার বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। তাঁর মৃত্যু নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। কেউ বলছেন আত্মহত্যা, কেউ বলছেন হত্যা। কিন্তু এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুই দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয় করছেন হোমায়রা হিমু। তবে কয়েক বছর ধরে অভিনয়ে খুব একটা নিয়মিত ছিলেন না। এ নিয়ে তাঁর মধ্যে একরকম অভিমানও কাজ করেছিল। বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ভিউ না থাকার কারণে তাঁকে সেভাবে অভিনয়ে সুযোগ দিতেন না পরিচালক ও প্রযোজকেরা। হুমাইরা হিমু ১৯৮৫ সালের ২৩ নভেম্বর লক্ষ্মীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইস্পাহানি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ইডেন মহিলা কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। মঞ্চনাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি প্রথম নাট্য জগতে প্রবেশ করেন। ফ্রেঞ্চ নামক নাট্য দলের হয়ে তিনি অভিনয় করেন। ২০০৫ সালে বিনোদন দুনিয়ায় কাজ শুরু করেন হুমায়রা হিমু। টিভি নাটকে অভিনয় শুরুর পর নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় তাঁর অভিনয় দর্শকের মধ্যে সাড়া ফেলে। ‘সোনাঘাট’, ‘চেয়ারম্যান বাড়ি’, ‘বাটিঘর’, ‘শোনে না সে শোনে না’, ‘কমেডি-৪২০’, ‘চাপাবাজ’, ‘অ্যাকশান গোয়েন্দা’, ‘ছায়াবিবি’, ‘এক কাপ চা’, ‘এ কেমন প্রতিদান’, ‘হুলো বিড়াল’, ‘ছন্নছাড়া ৪২০’, ‘অ্যাম্বুলেন্স ডাক্তার’, ‘পাগলা প্রেমিক’ ইত্যাদি নাটকে দেখা গেছে তাঁকে। ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় হিমুর। সিনেমাটিতে তরু আপা চরিত্রে দেখা যায় তাঁকে।

post
বিনোদন

সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গনের সৃষ্টিশীলদের নৃত্য সন্ধ্যা ও সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠান

২৪ সেপ্টেম্বর রবিবার বৃষ্টিমুখর সন্ধ্যায় দর্শক মুগ্ধ করেছে সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গনের একঝাঁক ক্ষুদে নৃত্যশিল্পী। ভরতনাট্যম, মনিপুরী,লোকগাঁথা সব মিলিয়ে অন্যবদ্য পরিবেশনায় আবিষ্ট করেছে সবাইকে। মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের সিলভার স্প্রিং শহরের একটি স্কুল অডিটোরিয়ামে সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গনের শিল্পীরা পরিবেশন করে নাচের নানান মুদ্রার কারিশমা। সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গনের পরিচালক, খ্যাতিসম্পন্ন নৃত্য শিল্পী রোজ মেরী মিতু রিবেরু'র কোরিওগ্রাফি ও পরিচালনায় 'ঝংকার' নৃত্যানুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৃত্যগুরু লায়লা হাসান, কবি আনিস আহমেদ, ড আরিফুল ইসলাম,সাংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব শামীম চৌধুরী, প্রজ্ঞা আহমেদ,কণ্ঠশিল্পী অণিমা মুক্তি গমেজ,রিমি বোসসহ সাংস্কৃতি প্রেমীরা। অনুষ্ঠানে শিশু শিল্পীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন লায়লা হাসান। অনুষ্ঠানের শুরুতে আমেরিকা ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। 'ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা' গানের তালে উদ্বোধনী নৃত্য পরিবেশন করেন রোজ মেরী মিতু রিবেরু ও খ্রিস্টিন রোজারিও। শুভেচ্ছা বক্তব্যে রোজ মেরি মিতু সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গনের ইতিকথা তুলে ধরেন। মনিপুরী নৃত্যে অংশগ্রহণ করেন খ্রিস্টিন,লাবিবা, নায়সা ও মিতু। কোরিওগ্রাফি জি এ মান্নান ও পরিচালনায় রোজ মেরী মিতু। খ্রিস্টিন রোজারিও'র কোরিওগ্রাফিতে 'দোল দোল দোলানি নৃত্যে অংশগ্রহন করে ইকরা, অবনতি,ক্লেয়ার,রিসা,রোদেলা ও মৃত্তিকা। চা বাগানের নৃত্য অংশ নেয়- মেঘা, এঞ্জেলিনা, এমিলি ও রিধা। 'বাহাহাল করিয়া' নৃত্যে- মৌমিতা,এভেলিন,অনামিকা,সামান্তা ও দ্রোহী'র পরিবেশনা ছিল অনবদ্ধ। 'হুড়মুড় হুড়মুড় করে মেঘা' নৃত্যে অংশ নেয়- ইকরা, অবনতি,ক্লেয়ার ও রেসা। একক নৃত্য লাবিবা ও নাইসা মোস্তফার পরিবেশনা ছিল চমৎকার। খ্রিস্টিন রোজারিও'র রচনা ও কোরিওগ্রাফিতে নৃত্যনাট্যে অংশ নেয়-এমা,ছোটন,আনিকা,দ্রোহী ও সামান্তা। 'বাইদার ঘরের মেয়েগো আমি' গানের তালে মেঘা পিউরিফিকেশন দর্শকদের চোখ চাপিয়ে দেয় বেদে কন্যার জীবন গাঁথা। নৃত্যের এক ফাঁকে নাচের মুদ্রা ও তাল কি এবং কেমন অভিনয়ের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন ক্ষুদে শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে শেষের দিকে সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গনের সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিরতণ করেন নৃত্যগুরু লায়লা হাসান, সহযোগিতায় রোজ মেরী মিতু রিবেরু। ধন্যবাদ ও সমাপনী বক্তব্য রাখেন খ্রিস্টিন রোজারিও।

post
বিনোদন

আনুষ্ঠানিকভাবে তালাকের নোটিশ ইস্যু করেছেন পরীমনি।

চিত্রনায়ক শরিফুল রাজ কিছুদিন ধরে ‘ওমর’ নামে নতুন একটি ছবির শুটিং করছিলেন। এদিকে পরীমনিও নতুন দুটি ওয়েব ফিল্ম এবং একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য খবরে এসেছিলেন। কোনোটিতে এরই মধ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, আর কোনোটিতে কয়েক দিনের মধ্যে হবেন। দুজনই যখন পেশাগত কাজের খবরে ভক্তদের আলোচনায়, ঠিক তখনই আবারও ব্যক্তিগত কারণে খবরের শিরোনাম হলেন তাঁরা। আজ বুধবার সকালে দুজনের মধ্যকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের প্রাথমিক প্রক্রিয়ার খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। ১৮ সেপ্টেম্বর রাজের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে তালাকের নোটিশ ইস্যু করেছেন পরীমনি।চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের সঙ্গে সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক ইতি টানার ইঙ্গিত বেশ কিছুদিন ধরেই দিচ্ছিলেন পরীমনি। অবশেষে আজ তার প্রাথমিক প্রক্রিয়া পরীমনি না জানালেও সেটি প্রকাশ্যে এসেছে। এদিকে বিচ্ছেদের বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে পরীমনি বা রাজ কেউই আজ বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত কোনো কথা বলেননি

post
বিনোদন

বিয়ে করলেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ

বিয়ে করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। ১৪ আগষ্ট সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রী। স্বামীর শেখ রেজওয়ান থাকেন দেশের বাইরে। তবে তিনি কি করেন, সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি এখনো। ফেইসবুকে দেয়া স্বামীর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে অভিনেত্রী লিখেছেন, 'সাড়ে আট বছরের সম্পর্কের পর ১১ আগস্ট আমরা অফিসিয়ালি একত্রে হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।' অভিনেত্রী নিজের স্বামীর উদ্দেশ্যে লিখেছেন, “আমরা কলেজে পড়ার সময় প্রেমে পড়েছিলাম। প্রথম ক্যামেরার সামনে আসার আগে তুমি ছিলে আমার জন্য ছায়ার মতো'। আমার কাজের সাথে সম্পৃক্ত না হওয়া সত্ত্বেও সর্বদা আমাকে অনুপ্রাণিত করে এবং আমাকে সমর্থন জুগিয়েছো। আমাদের কিশোর প্রেম অবশেষে প্রাপ্য সমাপ্তি পেয়েছে। এটা এখনও অবাস্তব মনে হয় যে আমি এমন স্বামী পেয়েছি। আমার মনে হয় আমি বেঁচে থাকা সবচেয়ে ভাগ্যবান মেয়ে। আমাকে বিয়ে করার জন্য ধন্যবাদ। আমি তোমাকে ভালবাসি এবং আমি তোমাকে আমার বাকি জীবন লালন করব।” অভিনেত্রী আরো জানিয়েছেন, ঘনিষ্ঠ পরিবার পরিবেষ্টিত একটি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে তাদের আকদ হয়েছে।তার স্বামী বর্তমানে বিদেশে কর্মরত রয়েছেন। তিনি আবার দেশে ফিরে এলে ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং সহকর্মীদের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে উদযাপন করবেন এই জুটি।

post
বিনোদন

দর্শকদের আগাম খুশীর বার্তা দিলেন পূজা চেরী

ঢালিউডের চলতি সময়ের আলোচিত চিত্রনায়িকা পূজা চেরি। ফিল্মের পাশাপাশি কাজ করেছেন ওয়েব ফিল্মেও। ‘জ্বীন’ সিনেমায় তাকে সবশেষ দেখা গিয়েছিল। ছবিটি মুক্তি পায় গত রোজার ঈদে। এবার পূজার ভক্তদের জন্য এলো নতুন খবর; যা তিনি ব্রেকিং নিউজের সঙ্গে তুলনা করেছেন। খবরটি হলো বিয়ের পর তিনি আর সিনেমায় কাজ করবেন না।সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রথমসারির এক গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন এই অভিনেত্রী। সেখানে তিনি জীবন বিষয়ক নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। শেষ কবে প্রেমের প্রস্তাব পেয়েছেন- উপস্থাপকের এমন প্রশ্নে পূজা বলেন, এটা তো অহরহ পাই। এখনকার প্রেম প্রস্তাবগুলো কেমন হয়- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি তোমাকে ভালোবাসি, আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই।বিয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, বিয়ের বিষয়টি আমি ডিল করতে পারব না। এটা সারা জীবনের বিষয়। পূজা হেসে বলেন, যদি কোনো কিছু হয় সারা জীবন আম্মুকে বলতে পারব তুমি কার সঙ্গে বিয়ে দিছ। তোমার দোষ। প্রেমে পড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, মানুষ এখন অনেক বেশি ইমোশনাল। ইমোশনাল হয়ে অনেক কিছু দেখছি ও শিখছি। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েই নিয়েছি আমি বিয়ের ব্যাপারটা কখনো নিজে ডিল করব না। আমার বাবা-মা যেহেতু অভিভাবক সেহেতু তারাই বিয়ের বিষয়টি ডিল করবেন। আমি যখন বিয়ে করব তখন আমাকে আর সিনেমার পর্দায় দেখা যাবে না। তখন আমি সংসার জীবনে মনোযোগী হব, কারণ দুইটা জিনিস একসঙ্গে ম্যানেজ করা যায় না।বিয়ের পর আর সিনেমার পর্দায় দেখা যাবে না- বিষয়টিকে ব্রেকিং নিউজের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, কিন্তু এখন আমি চুটিয়ে কাজ করতে চাই। কারণ এখনই আমি বিয়ে করব না, যখন বিয়ে করার সময় হবে তখন বিয়ে করে সিনেমাকে বিদায় জানাব।আপনার কেমন ছেলে পছন্দ? এমন প্রশ্নে পূজা বলেন, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ছেলে পছন্দ। আমাকে ভালোবাসতে হবে। আমার মা আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন- পূজা তুমি এমন কাউকে বিয়ে করবে না যাকে তুমি ভালোবাস। তুমি তাকে বিয়ে করবে যে তোমাকে ভালোবাসে।

post
বিনোদন

‘বিচ্ছেদ’ ভুলে একসঙ্গে রাজ-পরী

সম্প্রতি অভিনেতা শরীফুল রাজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তিন অভিনেত্রী তানজিন তিশা, নাজিফা তুষি এবং সুনেরাহ বিনতে কামালের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ফাঁস হয়েছে। এরপর থেকেই চলছিল রাজ-পরীর তিক্ত সম্পর্ক। শুধু তাই নয়, সংবাদমাধ্যমে দুজনের বক্তব্যে উঠেছে এসেছে তাদের ‘ডিভোর্স’এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু এর মধ্যেই তাদের ছেলে রাজ্যের ১০ মাস পূর্ণ হওয়া উপলক্ষে ফের একসঙ্গে হয়েছেন রাজ-পরী। রোববার (১১ জুন) ভোর ৫টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন পরীমণি। সেখানেই ছেলের কেক কাটার মুহূর্তে পাশাপাশি হাস্যোজ্জ্বল ভাবে দেখা মিলল এই তারকা দম্পতির। ভিডিওটি পোস্ট করে পরীমণি লেখেন, আজ রাজ্যের দশ মাস পূর্ণ হলো, আলহামদুলিল্লাহ। শুভ দশমাস বাপজান। মাসের দশ তারিখটা আমাদের জন্যে অনেক স্পেশাল! ব্যস এতটুকুই। সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন হাসির ইমোজি।

post
বিনোদন

শাহরিয়ার কবিরের মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের মেয়ে অর্পিতা শাহরিয়ার কবির মুমুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে বনানীর বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর রাতেই পরিবারের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করে পুলিশ।বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।তিনি বলেন, বনানীর একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। রাতেই পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।শাহরিয়ার কবিরের মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তবে তিনি কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে পুলিশ জানাতে পারেনি।

post
বিনোদন

২৪ ঘন্টার মধ্যে রাজের থেকে ডিভোর্স চাইলেন পরীমনি

সহ্যের বাঁধ ভেঙে গেছে পরীমণির। তাই আর ছাড় দিতে রাজি নন তিনি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বামী শরিফুল রাজের কাছে ডিভোর্স চাইলেন এ নায়িকা তিনি। সোমবার (৫ জুন) রাতে দেশের একটি গণমাধ্যমে লাইভে এসে এমনটাই জানান এ নায়িকা।লাইভে রাজের সঙ্গে সমঝোতা চান কি না প্রশ্নের উত্তরে পরীমণি বলেন, ‘আমি আর বসতে চাই না। যদি সমস্যা মিটে যেতো তাহলে অনেক আগেই হতো। আমি চাই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজ আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিক। সত্যি আমি চাই না, আমি রাজের স্ত্রী না, রাজ্যের মা আমার কাছে অনেক কমফোর্টএবল এবং অনেক আরাম, শান্তির ও সম্মানের। যেটার ভেতর কোনো ফেইকনেস নাই, কোনো মিথ্যা নাই।’নকল মানুষের সঙ্গে সংসার করা সম্ভব না জানিয়ে পরীমণি বলেন, ‘একটা ফেইক মানুষের সঙ্গে থাকতে পারব না। যে কি না দিতে পারে না। কালকে আপনাদের সঙ্গে যে কনভারসেশন (রাজের) হলো সেটা দেখেলেই মানুষ বুঝতে পারবে কতটা ফেইক, কতটা রিয়েল। আমার কিছু বলার নেই। আমি সমস্ত কিছু পাবলিককে দিয়ে দিলাম।’জানা গেছে, ওই ফাঁসের ঘটনার আগেই পরীমণির বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান রাজ। এখন তারা আলাদা বসবাস করছেন। রাজও বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানিয়েছেন যে, তিনি বিচ্ছেদ চান। কিন্তু এখন দেখার বিষয় তাদের সম্পর্কের জল কোথায় গিয়ে গড়ায়! কেননা, এর আগেও তাদের মধ্যে এমন ঘটনা ঘটেছে। পরে তারা এক হয়েছেন।

post
বিনোদন

নায়ক ফারুকের আসনে নির্বাচন করবেন হিরো আলম

নায়ক ফারুকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ নেবেন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। (৫ জুন) সোমবার এ বিষয়ে হিরো আলম বলেন, আজ দুপুর ৪ টায় নির্বাচন কমিশন থেকে ফর্ম নেবো।তিনি আরও বলেন, অনেকটা নিজেকে নিজের মতো করে গুছিয়ে নিয়ে ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। সেভাবেই এলাকায় জনসংযোগ করতে চেষ্টা করছি। আর বগুড়াবাসী চায় আমি এমপি হয়ে তাদের হয়ে কাজ করি।’এর আগে বগুড়া-৬ (সদর) ও বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) দুটি আসন থেকেই সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করেছেন হিরো আলম।

post
বিনোদন

ভেঙে যাচ্ছে পরীমনি-রাজের সংসার!

চিত্রনায়ক শরীফুল রাজের ফেসবুক থেকে অভিনেত্রী তানজিন তিশা, নাজিফা তুষি ও সুনেরাহ বিনতে কামালের কিছু ছবি ও ভিডিও ক্লিপস ফাঁস হয়। গত ২৯ মে দিবাগত রাতে এসব ছবি ও ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর থেকেই রাজের স্ত্রী অভিনেত্রী পরীমনি জানান, ‘২০ মে নিজের জিনিসপত্র নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছে রাজ। এরপর থেকে সে বাসায়ও ফেরেনি, ফোনটাও ধরে না আর।’এদিকে বাসা থেকে জিনিসপত্র নিয়ে বের হয়ে যাওয়া, ফোন না ধরার যে কথা পরীমনি বলছেন, সেটা ঠিক নয় বলছেন রাজ। আর এসব না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে আজ শনিবার দুপুরে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘আমি বাসা থেকে কেন বেরিয়ে এসেছি, পরী ভালো করে জানে। কীভাবে বেরিয়ে এসেছি, কেন বেরিয়ে এসেছি, তা-ও সে ভালো করে জানে। ওই দিন বাসায় তার ও আমার পরিচালক গুরু গিয়াস উদ্দিন সেলিম ছিলেন। সঙ্গে তাঁর স্ত্রীও ছিলেন।’পরীমনির বক্তব্যকে ‘মিথ্যাচার’ অভিহিত করে রাজ বললেন, ‘আমি ঢাকাতেই আছি, কাজ করছি। এরই মধ্যে “দেয়ালের দেশ”, “ইনফিনিটি”, “কাজলরেখা” ছবিগুলোর ডাবিং শেষ করছি। সুতরাং আমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, এটা ডাহা মিথ্যা কথা। এসব মিথ্যাচার করে কী লাভ হচ্ছে, তা আমার জানা নাই। আমি সব সময়ই পরীকে সম্মান দিয়ে কথা বলি। কিন্তু সে কেন এমন করে, বুঝি না।’রাজের বক্তব্য ধরে একই দিন কথা হয় পরীমনির সঙ্গে। তিনি বললেন, ‘রাজ বাইরে ছিল, সেলিম ভাই ও তাঁর বউ তাকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় এসেছিল। সম্ভবত, এটি গত ২০ মের ঘটনা। আসার আগে সেলিম ভাই আমাকে ফোন দিয়ে বললেন, আমি রাজকে সঙ্গে করে নিয়ে তোমার বাসায় আসছি। এসে বলেন, “রাজ তো তোমার সঙ্গে থাকতে চায় না। বিচ্ছেদের ব্যাপারে চিন্তা করতে পারো।” আমি বললাম, ‘ও আমার সঙ্গে থাকতে চায় না, তাহলে ও–ই আমাকে ডিভোর্স দিক। আমি কেন দিতে যাব।’ পরে সেলিম ভাই বললেন, যদি তোমাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তাহলে বাচ্চাকে দেখভাল করতে কীভাবে কী করবে, চিন্তাভাবনা করে দেখো। এরপর আমি বললাম, বাচ্চা আমার কাছেই থাকবে। তবে বিচ্ছেদ হওয়ার পর অবশ্যই সে বাচ্চা দেখতে আসতে পারবে। তবে শর্ত, সে অস্বাভাবিক সময় বাসায় আসলে বাচ্চাকে দেখতে দেব না। যদি রাত চারটায় আসে, ভোরবেলায় আসে, তাহলে তো বাচ্চা দেখতে দেওয়ার সুযোগই নাই। স্বাভাবিক, সঠিক সময়ে এসে সে বাচ্চা দেখতেই পারে। কোনো সমস্যা নাই।’পরী আরও বলেন, ‘এসব বিষয় নিয়ে ওই রাতে সেলিম ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক কথা–কাটাকাটি হয়। রাজের সঙ্গেও হয়েছে। কারণ, ওই দিন বিভিন্নজনের সঙ্গে মিলিয়ে রাজ আমার চরিত্র নিয়েও অনেক কথা তুলেছিল। একটা পর্যায়ে সেলিম ভাই, তাঁর বউসহ রাজ তার সব জিনিসপত্র নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেছে। এরপর আর আসেনি।’পরীর এমন সিদ্ধান্তের ব্যাপারে রাজের মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি খুব হতাশ। ঢাকায় আসার পর থেকে এই দীর্ঘ সময়ে আমি কখনোই এত আপসেট হইনি। আমি এভাবে কখনোই মানসিকভাবে ভেঙে পড়িনি। আমার কাছে আর এসব কথা জানতে চাইবেন না। আমি এসব নিয়ে আর কথা বলতে চাই না, কথা বাড়াতে চাই না। আমি একটু নিরিবিলি, শান্তিতে থাকতে চাই। ’রাজ-পরীর ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে ‘দামাল’ ছবি মুক্তির সময় মিমের সঙ্গে রাজের সম্পর্ক জড়িয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন পরীমনি। মূলত তখন থেকেই রাজ-পরীর সম্পর্কটা স্বাভাবিক যাচ্ছিল না।  বিষয়টি স্বীকার করে পরীমনি বলেন, ‘“দামাল” ছবির মুক্তির সময় থেকেই আমাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক যাচ্ছিল না। রাজ আগের মতো নিয়মিত বাসায় থাকত না। সন্তানের প্রতিও তার সে ধরনের দায়িত্ব চোখে পড়েনি।’কিন্তু এরপরও সিনেমার বা বিভিন্ন ইভেন্টের অনুষ্ঠানে ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে দেখা গেছে দুজনকে। এ ব্যাপারে পরীমনির বক্তব্য, ‘এগুলো ছিল রাজের লোকদেখানো। আমার কোনো অনুষ্ঠান থাকলে সঙ্গে সে যেত। বিশ্বাস করেন, কিছুদিন আগে আমি হাসপাতালে ছিলাম, আমাকে দেখতেও যায়নি সে। আমার সঙ্গে তাঁর এখন শারীরিক, মানসিক কোনো অ্যাটাচমেন্টই নাই। আমি যখন হাসপাতালে, তখনই বাসায় রাজ তার জিনিসপত্র গুছিয়ে রেখেছিল। আগেই প্রস্তুত ছিল বাসা থেকে বেরিয়ে যাবে। সম্পর্ক রাখবে না। এভাবে তো আর সংসার, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।’তাহলে কি বিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছে আপনাদের সংসার?—এমন প্রশ্নে ঢাকাই সিনেমার এই অভিনেত্রী বলেন, ‘ও তো আমাকে ছেড়েই চলে গেছে, বিচ্ছেদ তো হয়েই গেছে। আমি আর কল্পনাতেও ভাবতে চাই না শরীফুল রাজ আমার জামাই। একটা মানুষ চলে গেলে তো আর ধরে রাখা যায় না।’ হাসতে হাসতে পরী আরও বলেন, ‘রাজ এখন বলে কী, আমাদের বিয়ের কাবিননামা নাকি ভুল। আমাদের নাকি ঠিকঠিক বিয়েই হয়নি। যে এভাবে বলতে পারে, সে ভয়ংকর মানুষ। তার সঙ্গে থাকা যাবে না। আমি চাই সে আমাকে তালাক দিয়ে দিক। আমি ওর প্রাক্তন, এটাই শুনতে আমার আরাম লাগবে। আমি রাজের বউ, এটি আর শুনতে চাই না।’দুঃখ করে পরী বলেন, ‘রাজ আমার বাচ্চার বাপ, সেটা অস্বীকার করা যাবে না। আমরা একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু আমাদের সন্তানের জন্য আফসোস হয়ে থাকবে, বাবা-মাকে নিয়ে সুখী জীবন পাচ্ছে না আমাদের সন্তান। আর এর জন্য দায়ী রাজ। আমাকে দোষ দেওয়ার কোনো সুযোগ নাই। এই সংসার টেকানোর জন্য আমি কী পরিমাণ চেষ্টা করে গেছি, রাজও জানে সেটি।’কিন্তু সন্তানের দিকে তাকিয়ে কিংবা নিজের উপলব্ধি থেকে যদি রাজ আবার ফিরে আসেন, তাহলে? এ ব্যাপারে পরী বলেন, ‘বিয়ে-সংসার কি মুদিদোকানের মতো কারবার? ফিরে আসার আর সুযোগ নাই। যে মানুষ স্ত্রী, বাচ্চার মার চরিত্র নিয়ে কথা তুলতে পারে, তার সঙ্গে ঘর করার সুযোগ নাই আর।’

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.