post
বিনোদন

গ্যাংস্টার শাকিব খান

সুপারস্টার শাকিব খানকে নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের তিন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আলফা আই, এসভিএফ ও চরকি মিলে তৈরি করছে বিগ বাজেটের সিনেমা ‘তুফান’। পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন ‘পরাণ’ খ্যাত নির্মাতা রায়হান রাফী। কয়েকদিন আগেই এই সিনেমায় ওপার বাংলার অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী, এপার বাংলার মাসুমা রহমান নাবিলার যুক্ত হওয়ার খবর মিলেছে। এবার শোনা গেল, সিনেমাটিতে খলনায়কের ভূমিকায় থাকছেন কলকাতার ‘আবহমান’খ্যাত অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত। তাকে দেখা যাবে ভিলেন চরিত্রে। যদিও এই বিষয়ে নির্মাতা কিংবা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, ইতিমধ্যে তুফানে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এই অভিনেতা। শিগগিরই আসছে ঘোষণা। জানা যায়, পুরোপুরি অ্যাকশন ধাঁচের ‘তুফান’ সিনেমায় খলনায়ক চরিত্রে প্রথমে আফরান নিশোকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। তবে তিনি রাজি না হওয়ায় যিশুকেই বেছে নিয়েছেন নির্মাতারা। এক সাক্ষাৎকারে এই সিনেমা প্রসঙ্গে নির্মাতা রায়হান রাফী বলেছেন, এ ধরনের সিনেমা আমি, শাকিব ভাই কেউ কখনও করিনি। ‘তুফান’ এর মতো সিনেমা বাংলাদেশে আগে কখনও হয়নি। শুধু বলতে চাই, এটি একটি অ্যাকশন ফিল্ম। একজন গডফাদারের গল্প। সুপারস্টারকে নিয়ে গ্যাংস্টার ছবি বানানোর ইচ্ছা ছিল আমার। যেমন- কেজিএফ, পুষ্পার মতো সিনেমা। বাংলাদেশে গ্যাংস্টার সিনেমা বানানোর মতো একজনই আছে, সে শাকিব খান।’

post
বিনোদন

হেলিকপ্টারে চড়ে টাঙ্গাইলে জায়েদ

মডেল ও উপস্থাপিকা ইসরাত পায়েলের ডাকে সাড়া দিয়ে টাঙ্গাইলে গেছেন ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়ক জায়েদ খান। সেখানে একটি সেলুন উদ্বোধন করেছেন তিনি। রোববার হেলিকপ্টারে চড়ে টাঙ্গাইল শহরে হাজির হন জায়েদ খান। সেখানে গিয়ে মি. কাট নামের একটি সেলুনের ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা ডি এ তায়েব ও ইসরাত পায়েল। উদ্বোধন শেষে জায়েদ খান বলেন. ‘ইসরাত পায়েল আমার বোনের মতো। সে অনেকদিন ধরেই বলছিল টাঙ্গাইলে আসার কথা। সে কারণেই আসলাম। এখানে এত মানুষের উপস্থিতি দেখলাম যেটা চোখে পড়ার মতো। রোজা না হলে হয়তো এখানে ঢুকতেই পারতাম না মানুষের ভিড়ের কারণে।’

post
বিনোদন

চীনে ঐতিহ্যবাহী ব্যাঙ উৎসব

চীন প্রতিনিধি এম এস ইসলাম জানান,উৎসবটি গুয়াংশি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে অবস্থিত তংলান কাউন্টির বাইং গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। উৎসব উদযাপনে সার্বিকভাবে সহয়তা করে তংলান কাউন্টির স্থানীয় প্রশাসন। উৎসবে অংগ্রহণকারী বিদেশি পর্যটকরা ব্রোঞ্জ ড্রাম পিটিয়ে, ব্যাঙের নাচ ও বাঁশের খুঁটি নাচের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ১০ হাজারের বেশি চীনা ও বিদেশি পর্যটক প্রাচীন এ সংস্কৃতি উপভোগ করেন।

post
বিনোদন

জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন শাকিব

ছেলের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাবা শাকিব খান। নিজের ফেসবুক পেজে বীরের একটি ছবি প্রকাশ করে নায়ক লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন আমার ছোট্ট রাজকুমার’। শাকিব খানের সেই পোস্টে অভিনয়শিল্পী থেকে শুরু করে ভক্তরাও বীরকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আগামী দিনের জন্য মঙ্গল কামনা করেছেন। অন্যদিকে ছেলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন বুবলী। যেই ভিডিওতে ছেলেকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিতে দেখা গেছে তাকে। প্রায় ৫ মিনিটের ওই ভিডিওতে ছেলেকে নিয়ে অনেক কিছুই বলেছেন বুবলী। জানিয়েছেন, করোনা মহামারীর সময়ে বীরকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে কতটা সংগ্রাম করেছেন তিনি। ২০১৮ সালের ২০ জুলাই বিয়ে গোপনে বিয়ে করেন শাকিব খান ও শবনম বুবলী। তাদের সংসারে প্রথম পুত্রসন্তান জন্ম নেয় ২০২০ সালের ২১ মার্চ। যার নাম রাখা হয় শেহজাদ খান বীর।

post
বিনোদন

ছেলে না খেয়ে থাকে তবু হারাম পেটে দেয় না: গায়ক খালিদের স্ত্রী

১৮ মার্চ মারা গেছেন ব্যান্ড তারকা খালিদ। গায়কের শেষ সময়ে স্ত্রী-সন্তান দেশে ছিলেন না। মৃত্যুর পর ছেলে আরিক নিউইয়র্ক থেকে একটি ভিডিওবার্তায় কথা বলেছেন। ভাবলেশহীন ও সানগ্লাস পরে ভিডিওবার্তায় কথা বলায় অনেকেই বিষয়টি নেতিবাচকভাবে নিয়েছেন। করেছেন সমালোচনা। এবার এসব বিষয়ে জবাব দিয়েছেন খালিদের স্ত্রী শামীমা জামান। গতকাল (১৯ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘এই ছেলে ১২ বছর বয়স থেকে নামাজ পড়ে, মাশাল্লাহ এই ছেলের গানের গলা থাকা সত্ত্বেও গান না শিখে কোরআন শিখেছে। এই ছেলে বাবাকে নামাজ পড়তে বলতে বলতে হতাশ হয়েছে। এই ছেলে তার অসুস্থ মায়ের সেবা করেছে ৭ মাস রাত ৪টা পর্যন্ত বায়েজিদ বোস্তামির মতো দাঁড়িয়ে থেকে। এই ছেলে তার মায়ের মৃত্যুর অপেক্ষায় একা একটি বাসায় কাটিয়েছে।’ তুলে ধরেছেন আরিকের লাইফস্টাইলও। তিনি আরও বলেন, ‘এই ছেলে তার আল্লাহর হুকুম পালন করতে আমেরিকান মেয়েদের আহবান সত্ত্বেও একটা প্রেম করেনি। এই ছেলে তেমন বন্ধু হয় না যখন সে দেখে বন্ধুগুলো গাজা খায়। এই ছেলে প্রতিটি কাজে আগে আল্লাহর বিধান কী জেনে নেয়, আমেরিকার স্কুলের হারাম চিকেন দেখলে না খেয়ে থাকে, তবু হারাম পেটে দেয় না। এই ছেলেকে তার বাবার টাকা দিতে হয় না, তার মা তার জন্য যথেষ্ট উপার্জন করে। তার বাবার চিন্তা এই ছেলেকে নিয়ে নয় যতটা, তার গান আর ভক্ত শিষ্যদের নিয়ে। তাই খুব খেয়াল করে আমার ছেলেকে নিয়ে না জেনে একটা খারাপ কথা উচ্চারণ করলে ওপর আল্লাহ তার বিচার করবেন।’ খালিদের মৃত্যুর বিষয়টি ছেলে বুঝে উঠতেই পারেনি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ও স্কুল থেকে এসে বুঝতেও পারছে না আসলে কী ঘটে গেছে, ও স্মার্ট তো হঠাৎ করে খ্যাত হয়ে কীভাবে কথা বলবে? যতসব। আর সানগ্লাস? উন্নত দেশে কান্না লুকাতেও সানগ্লাস পরে মানুষ। শুধু সাংবাদিক তানভীর তারেকের অনুরোধে ও এই কথাগুলো বলতে রাজি হয়েছে। বড়দের সম্মান করে বলে নয়তো মিডিয়ায় কথা বলতে বা কাজ করতে ও পছন্দ করে না।’প্রসঙ্গত, সোমবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন খালিদ। রাজধানীর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। খালিদ ‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে’, ‘হয়নি যাবারও বেলা’, ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’, ‘তুমি নেই তাই’–এর মতো বহু জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।১৯৮৭ সালে সারগাম থেকে প্রকাশিত ‘চাইম’ এর প্রথম অ্যালবাম (সেলফ টাইটেলড) দিয়ে যাত্রা শুরু তাঁর। চাইমের ব্যান্ড অ্যালবামের চেয়ে খালিদ জনপ্রিয় হয়ে যান ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবাম দিয়ে। মূলত খালিদ তাঁর জনপ্রিয়তা ধরে রাখেন ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবাম দিয়েই। বাংলা ব্যান্ড সংগীতের আরেক তারকা প্রিন্স মাহমুদের ব্যান্ড মিক্সড অ্যালবামগুলোতে খালিদ তাঁর গান দিয়ে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। প্রিন্স মাহমুদের অ্যালবামগুলোর মধ্যে খালিদের গাওয়া ‘কিভাবে কাঁদাবে’, ‘আবার দেখা হবে’, ‘নীরা’, ‘আকাশনীলা’, ‘কোন কারণেই’, ‘হয়নি যাবার বেলা’ শ্রোতা মহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

post
বিনোদন

কণ্ঠশিল্পী খালিদের মৃত্যু, নিউইয়র্কে ফোনে খবর পান স্ত্রী

কণ্ঠশিল্পী খালিদের স্ত্রী শামীমা জামান নিউইয়র্কে বসেই ফোনে জীবনসঙ্গী হারানোর কথা জেনেছেন। তিনি সন্তানসহ এখন নিউইয়র্কে আছেন। স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি বিশ্বাসই করতে পারছেন না তার স্বামী খালিদ আর নেই। সোমবার রাজধানীর গ্রিন রোডের বাসায় বুকে ব্যথা অনুভব করার পরপর সংজ্ঞা হারালে খালিদকে কমফোর্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।তার প্রথম নামাজে জানাজা রাত ১১টায় গ্রিন রোড জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মরদেহ নেওয়া হবে খালিদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে। সেখানে নামাজে জানাজা শেষে মঙ্গলবার তাকে দাফন করা হবে। আশির দশকের প্রথম দিকে জনপ্রিয় ব্যান্ড চাইমের মাধ্যমে সঙ্গীতাঙ্গনে প্রবেশ করেন খালিদ। ব্যান্ডটির হয়ে বেশ কিছু অ্যালবামে গেয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে নব্বই দশকে সলো ক্যারিয়ারেও সফলতা পান। ‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণে ফেরানো গেল না তাকে’, ‘হয়নি যাবারও বেলা’, ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’, ‘তুমি নেই তাই’, ‘নাতি খাতি বেলা গেল’, ‘কীর্তনখোলা নদী’, ‘ঘুমাও’– এর মতো বহু জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন খালিদ। প্রিন্স মাহমুদ, জুয়েল-বাবুর সুরে তার গানগুলো শ্রোতাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে আগেই। তবে ২০১০ পরবর্তী সময়গুলোতে গানে অনিয়মিত ছিলেন খালিদ। দেশ ছেড়ে পাড়ি জমান নিউইয়র্কে। সম্প্রতি তিনি ঢাকায় এসেছিলেন। জনপ্রিয় এই শিল্পীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে শোবিজ অঙ্গনে।

post
বিনোদন

মা-বাবার পাশে শায়িত হলেন খালিদ

সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে গোপালগঞ্জের এস এম মডেল সরকারি হাই স্কুল মাঠে বাদ জোহর জানাজা শেষে গেটপাড়া এলাকার পৌর কবরস্থানে মা-বাবার পাশে তাকে শায়িত করা হয়।এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় সংগীতশিল্পী খালিদ হোসনকে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর রাত ১১টায় ঢাকার গ্রিন রোড জামে মসজিদে খালিদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার মরদেহ নিয়ে রাত সাড়ে ৩টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের বাসায় পৌঁছান পরিবারের সদস্যরা। মরেদেহ গোপালগঞ্জ পৌঁছালে সহপাঠী, বন্ধু ও ভক্তরা শেষবারের মতো খালিদকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন। মঙ্গলবার বাদ জোহর গোপালগঞ্জ কোর্ট মসজিদে খালিদের জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পড়ে যে বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন সেই বিদ্যালয় এস এম মডেল সরকারি হাই স্কুল মাঠে সংগীতশিল্পীর জানাজার আয়োজন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন জেলা কোর্ট মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন- গীতিকার-সুরকার প্রিন্স মাহমুদ, সংগীতশিল্পী খালিদের আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী, ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী, গোপালগঞ্জের স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য, স্থানীয় লোকজনসহ শত শত মানুষ।

post
বিনোদন

কণ্ঠশিল্পী খালিদ মারা গেছেন

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও ‘চাইম’ ব্যান্ডের ভোকাল খালিদ মারা গেছেন। আজ সোমবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পৃথিবী ত্যাগ করেন তিনি। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গীতিকবি ও সুরকার প্রিন্স মাহমুদ। তার মরদেহ এখন রয়েছে গ্রিন রোডের একটি হাসপাতালে। খালিদের প্রথম জানাজা আজ রাত ১১টায় গ্রিন রোড জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। দাফন হবে আগামীকাল গোপালগঞ্জে, নিজ বাড়িতে। ‘হিমালয়’, ‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে, ‘কোনো কারণেই’, ‘আবার দেখা হবে’, ‘হয়নি যাবারও বেলা’র মতো অসংখ্য জনপ্রিয় গানের কণ্ঠশিল্পী খালিদ। এছাড়াও, বহু শ্রোতানন্দিত গানে কণ্ঠ দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন এই সংগীতশিল্পী। গোপালগঞ্জে জন্ম নেয়া এই শিল্পী ১৯৮১ সাল থেকে গানের জগতে যাত্রা করেন। ১৯৮৩ সালে ‘চাইম’ ব্যান্ডে যোগ দেন তিনি।

post
বিনোদন

সংগীতশিল্পী সাদি মহম্মদ মারা গেছেন

রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী সাদি মহম্মদ আর নেই। আজ বুধবার (১৩ মার্চ) রাত ৯টার দিকে তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়।এই সংগীত তারকার মৃত্যু সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন নৃত্যশিল্পী শামীম আরা নীপা। প্রাথমিকভাবে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শামীম আরা নীপা বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাদী মোহাম্মদ মারা গেছেন। তার মরদেহ বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল হাসপাতালে আছে। তিনি আত্মহত্যা করেছেন কিনা এখনও নিশ্চিত না। আমরা তার বাড়িতে এসেছি।এ বিষয়ে নৃত্যশিল্পী শামীম আরা নীপা বলেন, ‘মা মারা যাওয়ার পর থেকেই তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। মা হারানোর বেদনা সম্ভবত নিতে পারেননি। এভাবেই চলছিলো। বুধবার রোজা রাখলেন। ইফতারও করলেন। এরপরই তিনি নীরবে না ফেরার দেশে পাড়ি জমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ধারণা করছি।’সাদী মোহাম্মদ রবীন্দ্রসঙ্গীতের ওপরে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন। ২০০৭ সালে আমাকে খুঁজে পাবে ভোরের শিশিরে অ্যালবামের মাধ্যমে তিনি সুরকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০০৯ সালে তার শ্রাবণ আকাশে ও ২০১২ সালে তার সার্থক জনম আমার অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। এছাড়াও তিনি সাংস্কৃতিক সংগঠন রবিরাগের পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সাদী মোহাম্মদ মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরে শহীদ পিতার সন্তান। তার বাবার নাম শহীদ সলিমউল্লাহ। ১৯৭১ সালে মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডের সি-১২/১০ বাড়িটি ছিল স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সূতিকাগার। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা সলিম উল্লাহর বাড়িতে নিয়মিত বৈঠকে আসতেন দলের শীর্ষ নেতারা, আসতেন বঙ্গবন্ধুপুত্র শহীদ শেখ কামালও।একাত্তরের ২৩ মার্চ তাজমহল রোডের সেই বাড়িতে সেজ ছেলে সাদি সাদী মোহাম্মদের আঁকা বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান বাবা সলিমউল্লাহ, সেই পতাকা সেলাই করে দিয়েছিলেন সাদী-শিবলীর মা জেবুন্নেছা সলিমউল্লাহ। সেই পতাকা ওড়ানোর সূত্র ধরে একাত্তরের ২৬ মার্চ অবাঙালি বিহারি ও পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠে সলিমউল্লাহর বাড়ি। পুড়িয়ে দেয়া হয় পুরো বাড়ি, গুলি করে মারা হয় সলিমউল্লাহকে। গত বছরের জুলাই মাসে সাদী মোহাম্মদের মা জেবুন্নেছা সলিমউল্লাহ মারা যান। এরপর থেকেই নাকি নানা কারণে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন এই সংগীত তারকা। 

post
বিনোদন

রমজানের বার্তা দিলেন মিশা

ঢাকাই সিনেমার দর্শকপ্রিয় খলনায়ক মিশা সওদাগর। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি দাপটের সঙ্গে অভিনয় করছেন। ব্যক্তি জীবনে মিশা সওদাগর ভীষণ ধর্মপ্রাণ মানুষ।মিশা সওদাগর ইসলামী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করেন। ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্যও দেন। তিনি মাঝে মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নামাজ পড়ার জন্য স্ট্যাটাসও দেন। এসব কারণে ভক্তদের কাছে তার আলাদা একটি গ্রহণযোগ্যতাও রয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মার্চ) রমজান মাসের প্রথম দিন মিশা সওদাগর ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘পবিত্র রমজান মাস আমাদের একত্র হতে শেখায়। পবিত্র রমজান মাস আমাদের ভালোবাসতে শেখায়। পবিত্র রমজান মাস আমাদের ধৈর্যশীল হতে শেখায়।’ মিশা সওদাগর পোস্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ভক্ত-অনুরাগীও মন্তেব্যের ঘরে রমজানের শুভাচ্ছো জানান। অনেকে প্রশংসা করছেন তার এরকম পোস্ট দেওয়ার জন্য। দেশীয় চলচ্চিত্রে তিনি বর্ণাঢ্য এক ক্যারিয়ার গড়েছেন। অভিনয়ের বাইরে মিশা সওদাগর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির একজন নেতা। তিনি পরপর দুবার এই সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.