post
এনআরবি বিশ্ব

সবার সহযোগিতা পেলে ভার্জিনিয়ার ফোবানা সম্মেলন হবে ইতিহাসের সেরা: রোকসানা

‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐকান্তিক সহযোগিতা পেলে চলতি বছর গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিতব্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা (ফোবানা) ৩৮তম সম্মেলনকে ইতিহাসের সেরা সম্মেলন করা সম্ভব হবে। বহির্বিশ্বে প্রবাসীদের সবচেয়ে বড় ফোবানা সম্মেলন এককভাবে কোনো সংগঠন বা ব্যক্তির পক্ষে সফল বা সার্থক করা সম্ভব নয়। এর জন্য দেশ ও বিদেশের ব্যবসায়ী, সমাজসেবী ও জনহিতৈষী ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতার জরুরি প্রয়োজন।’ গত শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভার্জিনিয়ার স্প্রিংফিল্ডের হলিডে ইন হোটেলের মিলনায়তনের অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎ ও অভিবাদন সভায় এ কথা বলেন ৩৮তম ফোবানা সম্মেলনের কনভেনার রোকসানা পারভিন।বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসি (বাগডিসি) আয়োজিত উক্ত সভায় তিনি বলেন, দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে সকলেই আমাদের পাশে এসে দাঁড়ালেই আমরা ইতিহাসের সেরা ফোবানা সম্মেলন উপহার দিতে পারব। চলতি বছর গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসিতে লেবার ডের সপ্তাহান্তে ৩০-৩১ আগস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর ভার্জিনিয়া আর্লিংটনের ক্রিস্টাল গেটওয়ে ম্যারিয়টে অনুষ্ঠিত হবে ৩৮তম ফোবানা সম্মেলন। এবারের সম্মেলনের আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসি। আয়োজক সংগঠন এবং ফোবানা নির্বাহী পরিষদ একটি সফল সম্মেলন করবার জন্য ইতিমধ্যেই সকল প্রকার কর্মকাণ্ড শুরু করেছেন। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার স্প্রিংফিল্ডের হলিডে ইন হোটেলে সাক্ষাৎ ও অভিবাদন সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরবেন নির্বাহী কমিটি ও আয়োজক সংগঠনে নেতারা। ৩৮তম ফোবানা সম্মেলনের কনভেনার রোকসানা পারভীনের সভাপতিত্বে এবং নির্বাহী সচিব আবীর আলমগীর ও সাংস্কৃতিক কমিটির চেয়ারম্যান তাসকিন বিনতে সিদ্দিকের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎ ও অভিবাদন সভায় ফোবানার চেয়ারপারসন মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, এবারের সম্মেলনকে ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানোর চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে একটি শক্তিশালী আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি গঠনকালে অনেক বাধা-বিপত্তি দেখা দিয়েছিল। ৩৮তম ফোবানা সম্মেলনের আহ্বায়ক ও প্রসিডেন্ট যাদেরকে নির্বাচিত করা হয়েছে তাদের বিকল্প হিসেবে গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসিতে আর কাউকে খুঁজে পাইনি। এবারের কমিটির টিমে যারা রয়েছেন তাদের যথেষ্ট অভিজ্ঞা রয়েছে। তাদেরকে সুপরামর্শ দিতে পেছনে রয়েছেন দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ফোবানার নেতারা।’ সম্মেলনের নির্বাহী সচিব আবীর আলমগীর বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে ফোবানা সম্মেলন কিন্তু একটাই। এ সংগঠন থেকে বেরিয়ে গিয়ে কেউ যদি একই নাম দিয়ে কিছু করে থাকেন সেটাকে কখনই ফোবানা সম্মেলন বলা যাবে না। যে সম্মেলনে ২২টি শহরেরে ৭৮টি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন যোগ দিয়ে থাকে সেটাকেই একমাত্র ফোবানা সম্মেলন বলা যায়। এর আর কোনো বিকল্প নেই।’ সম্মেলনের সদস্য সচিব আবু রুমি বলেন, এর আগে গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসি এলাকায় আরও চারটি ফোবানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। পঞ্চম বারের মতো গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসি এলাকায় এবারের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিশ্রতি দিচ্ছি এবারের সম্মেলনে অনেক কিছু থাকবে ব্যতিক্রম। সেরা সম্মেলন করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সম্মেলনের প্রেসিডেন্ট নুরুল আমিন নুরু বলেন, এবারে ফোবানা সম্মেলনের জন্য যে হোটেল আমরা নির্ধারণ করেছি সেটি গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসির সবচেয়ে বড় হোটেল। এর আগে আর কখনও এতবড় হোটেলে ফোবানা সম্মেলন হয়নি। হোটেলের লোকেশন থেকে সকল দর্শনীয় স্থান হাতের কাছেই। ফোবানা সম্মেলনে যারা আসবেন, তারা অবকাশে এসে সবকিছুই অনায়াসেই দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে এবং ঘুরতে পারবেন। সম্মেলনের অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম স্বপন বলেন, আমরা যে কমিটি নিয়ে কাজ শুরু করেছি সেটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল। তাদের মধ্যে অনেকেরই ফোবানা সম্মেলনের পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। আশা করছি ৩৮তম ফোবানা সম্মেলন সফল ও সার্থক হবেই। অন্যান্য বক্তারা বলেন, ফোবানা একটি সম্মেলন, এটাকে শুধুমাত্র বিনোদন হিসেবে দেখলে হবে না। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশিদের সর্ববৃহৎ সম্মেলন হচ্ছে ফোবানা। এ বিষয়টিকে সবসময় মাথায় রাখতে হবে। অতীতের সমস্ত ভুল-ক্রুটি থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। অতীতে যেসব ভুলের কারণে ফোবানা সম্মেলন বিফল হয়েছিলে সে সমস্ত ভুল আগেই শোধরাতে হবে, তাহলেই একটি সফল ফোবানা সম্মেলন আমরা আশা করতে পারবো। তবে এবারেই সবচেয়ে বেশী যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গরাজ্য থেকে সাক্ষাত ও অভিবাদন সভায় ফোবানার নেতারা যোগ দিয়েছেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ৩৮তম ফোবানা সম্মেলনের কনভেনার রোকসানা পারভিন, ফোবানার নির্বাহী কমিটির অর্থ সচিব প্রিয়লাল কর্মকার, যুগ্ম নির্বাহী সচিব খালেদ আহমেদ রউফ, সাংস্কৃতিক কমিটির চেয়ারম্যান তাসকিন বিনতে সিদ্দিক, সাবেক কর্মকর্তা ডিউক খান, জয়নাল আবেদীন, মাহবুব রেজা রহিম, রবিউল করিম বেলাল, রেহান রেজা, নাহিদুল খান সাহেল, মাহবুবুর ভুঁইয়া, পারভীন পাটোয়ারী, মাজহারুল ইসলাম, ভয়েস অব আমেরিকার সাবেক প্রধান রোকেয়া হায়দার, ভয়েস অব আমেরিকার সাবেক কর্মকর্তা সরকার কবির উদ্দিন, দেশের জনপ্রিয় নৃত্যুশিল্পী লায়লা হাসান, এটর্নি জন কাপুর, প্রকৌশলী আবু হানিফ, হীরন চৌধুরী, মাহমুদুন নবী বাকি, তাপস মজুমদার, ডা: আনোয়ারুল করিম, মাহবুব লস্কর ও বুলবুল ইসলাম প্রমুখ। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার ঢাকায় সাক্ষাতে অভিবাদন (মিট অ্যান্ড গ্রিট) অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় সাক্ষাত ও অভিবাদন অনুষ্ঠানটি হবে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে। উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট থেকে ফোবানার স্বাগতিক কমিটি এবং নির্বাহী কমিটিসহ ফোবানার নেতৃত্ববৃন্দরা ঢাকায় যাচ্ছেন। ঢাকার সাক্ষাত ও অভিবাদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ, সুধীজন, শিল্পী এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন স্পনসর প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ব্যক্তিবর্গ।

post
বাংলাদেশ

মাতৃভাষার স্বাদ নিতে ছুটে আসেন প্রবাসীরা

ফেব্রুয়ারী শুরুর আগে থেকেই দেশে ফিরতে শুরু করেন প্রবাসী লেখকেরা। আবার যারা আসতে পারেন না, তারাও ভোগেন অতৃপ্তির বেদনায়। উদ্দেশ্য একটাই- মাতৃভাষার স্মৃতি বিজোড়িত অমর একুশে বই মেলা। এবারও দেশি লেখকের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের বই এসেছে মেলায়। প্রবাসে থাকলেও মাতৃভাষা-ভূমির প্রতি তাদের রয়েছে অঘাধ ভালোবাসা। তাইতো হাজার মাইল দূর থেকেও ছুটে আসেন মাতৃর স্বাদ নিতে।জানা যায়, ১৯৭২ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারী মাত্র ৩২টি বই নিয়ে, বাংলা একাডেমির বটতলায় ছোট পরিসরে শুরু হয় মেলা। প্রকাশনা শিল্পের পথিকৃত চিত্তরঞ্জন সাহার, সেই শুরুর মাধ্যমেই আজকের এই অমর একশে বই মেলা। ১৯৫২-এর সেই রক্তে ভেজা দিনকে স্মরন করতেই তিনি নেন এমন উদ্যোগ। তাইতো ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি বিজোড়িত এ মেলা, বাঙ্গালিদের কাছে এখন মেলবন্ধনের মাধ্যম। কারণ স্বাধীন বাংলাদেশের উদোয় এই সংগ্রামেরই ফসল । এ লক্ষ্যে এবারের বই মেলায় জাপান থেকে ছুটে এসেছেন কবি জুয়েল আহসান কামরুল। মাতৃভাষার টানেই ব্যস্ত নগরী ছেড়ে, প্রিয় ভূমিতে এই প্রবাসী আগমন করেন। প্রবাসীদের উদ্যোগে যুক্তরাজ্যসহ বহিঃবিশ্বে, ছড়িয়ে পড়ছে বাংলা সাহিত্যের জয়গান। তবে তাদের এই যুদ্ধেরও রয়েছে, না বলা হাজারও গল্প, বলছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী সৈয়দ আহমেদ শাহনুর। প্রবাসীরা যেমন রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছেন, তেমনই প্রবাসেও ছড়াচ্ছেন মাতৃ-সাহিত্যের প্রসার। তাইতো তাদের সহযোগীতায়, সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার আহবা

post
বিনোদন

নতুন লুকে রুনা খান

খোলামেলা গাউনে রূপের দ্যুাতি ছড়ালেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুনা খান। সোমবার নিজের ফেসবুক পেজে বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। যেগুলো মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।সম্প্রতি একটি ফটোশুটে অংশ নেন রুনা খান। আর সেই ছবি তিনি প্রকাশ করেছেন ফেসবুক হ্যান্ডেলে। যেখানে দেখা যায়, মেরুন রঙের একটি গাউনে একের পর এক পোজ দিয়ে ছবি তুলছেন তিনি। ছবিগুলোর ক্যাপশনে রুনা খান লিখেছেন, ‘পোশাক বিশ্বকে পরিবর্তন করে ফেলতে পারবে না। কিন্তু যে নারী ওই পোশাক পরবেন তিনি পারবেন।’ রুনার ছবিগুলোতে নেটিজেনরাও বিভিন্ন মন্তব্যে ভাসিয়েছেন। কেউ অভিনেত্রীর সাহসী অবতারের প্রশংসা করেছেন। আবার কেউ খোঁচা দিয়েও বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। তবে রুনা খানকে নিজের নতুন এই অবতার নিয়ে বেশ উৎফুল্লই দেখা গেছে। বর্তমানে নাটক, ওয়েব সিরিজে সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেনা রুনা। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সক্রিয় এই তারকা। ইন্টারনেট দুনিয়ায় কখনো শাড়িতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন আবার কখনো সাহসী পোশাকে উত্তাপ ছড়াতে দেখা যাচ্ছে এই অভিনেত্রীকে।

post
সংবাদ

হজ করার উদ্দেশে আলিফ এখন আবুধাবিতে

মানুষের ইচ্ছা বা আকাংখার কোন শেষ নেই। কিন্তু ক'জনে তা পূরণ করতে পারেন। আবার অনেকেই অদম্য ইচ্ছা শক্তি আর সাহসের কারনে অসাধ্যকেও সাধন করেন। তাদেরই একজন কুমিল্লার আলিফ মাহমুদ আদিব।  তার অদম্য ইচ্ছা শক্তিতে পায়ে হেঁটে সৌদি আরবে হজ্জ করতে বর্তমানে অবস্থান করছেন আমিরাতের আবুধাবিতে। এর আগে পায়ে হেঁটে হজ্জ করার লক্ষ্যে নিজ এলাকা কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থেকে ২০২৩ সালের ৮ জুলাই যাত্রা শুরু করেন। আট মাসের কাছাকাছি সময়ে ভারত, পাকিস্তান, ইরান হয়ে পৌঁছে গেছেন রাজধানী আবুধাবিতে। দৈনিক ৫০ কিলোমিটারের বেশি হাঁটতে পারা এ যুবক তাঁর 'মক্কা ও মদিনা'র এ যাত্রায় বড় ধরনের কোন প্রতিবন্ধকতায় পড়েন নি বলে জানান। যেখানে গেছেন সেখানেই সকলের সহযোগিতা পেয়েছেন।  কোন স্পন্সর ছাড়াই নিজস্ব অর্থায়নে এবং মনের প্রবল ইচ্ছা শক্তিতে ছুটে চলা এ যুবক আবুধাবি থেকে তারিফ, মারফা, গিয়াথি ও সিলা হয়ে সৌদি বর্ডার পৌঁছাবেন। তারপর সৌদি বর্ডার থেকে ২ হাজার কিলোমিটার দূরে স্বপ্নের গন্তব্য মক্কায় গিয়ে হজ্ব করবেন। হজ্ব শেষ করতে পারলে পরবর্তীতে বিশ্ব ভ্রমন করবেন বলেও জানান তিনি।

post
এনআরবি বিশ্ব

বেগম রোকেয়ার জন্য রংপুরে ড. আলিয়া

বাংলাদেশে নারী জাগরনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার ওপর গবেষণা ও তার সৃষ্টির অনুপ্রেরণা,জার্মানি ভাষায় অনুবাদ করে নিজ দেশসহ সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে রংপুরে এসেছেন দেশটির লেখক,অনুবাদক ও গবেষক ড. আলিয়া তাইসিনা। এসমসয় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়ার স্মৃতি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি। রোকেয়া সম্পর্কে জানতে এবং বিশ্বে রোকেয়ার জীবনী তুলে ধরতে এসে তার নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে সেমিনারেও অংশ নিয়েছেন তিনি। ড. আলিয়ার ইচ্ছা বেগম রোকেয়ার অবদান ও জীবনী সারা বিশ্বের মানুষের কাছে পৌছে দেয়া। তাকে রংপুরে স্বাগত জানিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। ড. আইলিয়ার মতো দেশ-বিদেশের লেখক গবেষকরা ছুটে আসবে রোকেয়ার জন্মভূমিতে এবং তা ছড়িয়ে পড়বে সারাবিশ্বে এমনটাই প্রত্যাশা রংপুরবাসীর।

post
বিনোদন

আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা

দেশের প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। সম্প্রতি তিনি ভারতে বেসামরিক বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হয়েছেন। এবার দেশি একটি সংগঠন থেকে পাচ্ছেন আজীবন সম্মাননা।আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে অনুষ্ঠিতব্য একটি আয়োজনের মাধ্যমে তার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেবে ‘টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব)। এ মুহূর্তে কলকাতা অবস্থান করছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। মোবাইল ফোনে তিনি জানান, ‘নিশ্চয়ই যেকোনো পুরস্কার একজন শিল্পীর জন্য পরম আনন্দের, ভালোলাগার। যথারীতি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের দিন এই সম্মাননা আমি আনন্দের সাথেই গ্রহণ করবো। ধন্যবাদ আয়োজকদের যারা আমাকে এই সম্মাননার জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেছেন।’ অনুষ্ঠানের আয়োজন ট্রাব সভাপতি সালাম মাহমুদ বলেন, ‘বন্যা আপা আমাদের দেশের অত্যন্ত গুণী এবং প্রখ্যাত একজন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী। তার কণ্ঠ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের খ্যাতি ছড়িয়েছে। তাকে আমরা তাই পরম শ্রদ্ধা নিয়ে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করতে যাচ্ছি।’ এদিকে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি বন্যা দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কার পান বন্যা। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের ‘বঙ্গভূষণ’, ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত এ শিল্পী।

post
আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক জোরদার

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম দৃশ্যমান অর্থনৈতিক শক্তি মালয়েশিয়ার সঙ্গে রয়েছে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের গভীর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে মালয়েশিয়া প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর ২০২২ সালে পালিত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী।গত কয়েক দশক ধরে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জন্য অন্যতম বড় শ্রমবাজার হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে এবং বর্তমানে ১২ লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত রয়েছেন। শ্রমবাজারে দৃশ্যমান ও সক্রিয় উপস্থিতির পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘অর্থনৈতিক কূটনীতি’ জোরদারে মালয়েশিয়ার সরকার ও বেসরকারি সেক্টরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক দৃঢ়তর করার অভিপ্রায়ে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, মালয়েশিয়ার (এনসিসিআইএম) প্রেসিডেন্ট তান শ্রী দাতো সোহ থিয়ান লাইয়ের সঙ্গে তার কার্যালায়ে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে পারস্পারিক বাণিজ্য প্রসার ও বিনিয়োগ সুবিধার ক্ষেত্রে অধিকতর সহযোগিতা, দক্ষতা ভাগাভাগি এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করাসহ অভিন্ন স্বার্থের বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়। এ ছাড়া দুই দেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও শীর্ষ ব্যবসায়িক চেম্বারসমূহের সমন্বয়ে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিল গঠন বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এনসিসিআইএমের সদস্য চাইনিজ চেম্বার, ইন্ডিয়ান চেম্বার ও আন্তর্জাতিক চেম্বারের ঊর্ধ্বতন ব্যবসায়িক প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) প্রণব কুমার ঘোষ ও প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) রেহানা পারভীন। এর আগে রাবার উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ পাম অয়েল সেক্টরে দক্ষতা ভাগাভাগি এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার বিষয় নিয়ে, মালয়েশিয়ার প্ল্যান্টেশন অ্যান্ড কমোডিটিজ মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি জেনারেল দাতো হাজি মাদ জাইদি মোহাম্মদ কারলির সঙ্গে তার কার্যালয়ে আলোচনা করেন হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান। মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। মালয়েশিয়া বাংলাদেশে ৮ম শীর্ষ বিনিয়োগকারী দেশ এবং বিনিয়োগের পরিমাণ ৮৩২.৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (সেপ্টেম্বর ২০২৩) এ বিষয়টি তুলে ধরে তিনি মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের অন্যান্য দেশের ন্যায় পৃথক অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠাসহ বাংলাদেশের ১০০টি অর্থনৈতিক এলাকায় বিনিয়োগের জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন।

post
সংবাদ

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন ১ আসনের বিপরীতে আ.লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ৩২ জন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ পাচ্ছে ৪৮টি। এসব আসনে দলটির মনোনয়ন পেতে ফরম কিনেছেন ১ হাজার ৫৪৯ জন। ফলে প্রতিটি আসনের বিপরীতে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৩২ জন। তাদের মধ্যে কারা আওয়ামী লীগের টিকিট পাবেন, তা চূড়ান্ত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি দলটির সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায়। মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে আওয়ামী লীগ, যা শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায়। পরে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ সময় তিনি জানান, ১ হাজার ৫৪৯টি ফরম বিক্রি করে দলের আয় হয়েছে ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এবার ৫০ হাজার টাকা করে প্রতিটি ফরম বিক্রি হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদের ক্ষেত্রে এটা ছিল ৩০ হাজার টাকা। প্রার্থী চূড়ান্তের বিষয়ে কাদের বলেন, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি দলের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সেই সভায় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।তিন দিনে ফরম সংগ্রহ করাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ ও ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রীসহ অন্যান্য সংগঠনের পদধারীরা রয়েছেন। এই তালিকায় মন্ত্রী-এমপিদের স্ত্রী, আইনজীবী, অভিনেত্রী, এনজিও কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নারীরা আছেন, আছেন হিজড়াও।নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, দ্বাদশ সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার তারিখ আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি। আপিল দায়ের ২২ ফেব্রুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি ২৪ ফেব্রুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ ফেব্রুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ২৭ ফেব্রুয়ারি। ভোটগ্রহণ হবে ১৪ মার্চ।

post
বিনোদন

সংরক্ষিত নারী আসনে আ. লীগের মনোনয়ন চেয়েছেন যে তারকারা

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ১৪ জন তারকা শিল্পী। আজ বৃহস্পতিবার মনোনয়ন ফরম কেনার শেষদিনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন অভিনেত্রী লাকী ইনাম সুবর্ণা মুস্তাফা, তারিন জাহান, শামিমা তুষ্টি ও সিমলা।এর আগে গত মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন রোকেয়া প্রাচী, চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস, নিপুণ, তানভিন সুইটি, সোহানা সাবা, শাহনূর ও ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর। গতকাল সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম কিনেছেন শমী কায়সার ও মেহের আফরোজ শাওন। এখন দেখার অপেক্ষা, তাদের মধ্যে থেকে কে কে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন পান।

post
খেলা

৫ ঘণ্টার নাটক আর বিতর্কের পর যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ-ভারত

মূল ম্যাচ ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারের ১১ শটে মীমাংসা না আসায় টসের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তাতে জিতে সাফ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের উল্লাসে মাতে ভারত। তবে ম্যাচ কমিশনার নিজের ভুল শোধরাতে যাওয়ায় ফের তৈরি হয় নাটক। টসের সিদ্ধান্ত বাতিল করলে ভারত আর খেলতে রাজী হয়নি। বাংলাদেশ দল ৩০ মিনিট মাঠে অবস্থান করার পর, লম্বা আলোচনা শেষে দুই দলকেই যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তাফা কামাল স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কান ম্যাচ কমিশনার ডি সিলভা জয়সুরিয়ার ভুলে জন্ম হয়েছে অতি নাটকীয়তার। শেষ পর্যন্ত সেই ভুল শোধরাতে চ্যাম্পিয়ন দুই দলই।এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হওয়া ম্যাচে ৮ মিনিটে শিবানি দেবির গোলে এগিয়ে যায় ভারতের মেয়েরা। পুরো ম্যাচে দাপট দেখিয়ে গোল ধরে রেখে জয়ের দিকে ছুটতে থাকে তারা। গোল শোধ করতে না পারার হতাশায় কাবু বাংলাদেশ যখন হারের কিনারে তখনই বদলে যায় ছবি। নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে সাগরিকা দেখান ঝলক। তার দারুণ গোলে ম্যাচ শেষ হয় সমতায়। টাইব্রেকারে পরে দুই দলের এগারো শটের সবগুলোই গোল হলে খেলা বন্ধ করে ম্যাচ রেফারির কাছে ম্যাচ কমিশনার টস করার বার্তা দেন। এমন সিদ্ধান্ত বিস্ময় প্রকাশ করে বাংলাদেশ। যদিও টস করতে যান বাংলাদেশ অধিনায়ক আফিদা খাতুন। তাতে জিতে ভারত আনন্দ শুরু করলে হতাশায় নুয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। নাটকের যে তখনো বড় অংশ বাকি কে জানত!ম্যাচ কমিশনার পরে নিজের ভুল বুঝতে পারেন। টসের সিদ্ধান্ত বাতিল করে টাইব্রেকারের পেনাল্টি শ্যুট আউট চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তবে আগে একবার জয়ী ঘোষণা করায় ভারত খেলতে রাজী হয়নি। তারা মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যায়। বাংলাদেশ দল মাঠে অবস্থান করে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করতে থাকে। ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর মাঝমাঠে মঞ্চ সাজানো হয়। সেখানে সাফ কর্তৃপক্ষ দুই দলকেই চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে। শেষ হয় প্রায় পাঁচ ঘন্টার ঘটনাবহুল ফাইনাল।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.