মাতৃভাষার স্বাদ নিতে ছুটে আসেন প্রবাসীরা
ফেব্রুয়ারী শুরুর আগে থেকেই দেশে ফিরতে শুরু করেন প্রবাসী লেখকেরা। আবার যারা আসতে পারেন না, তারাও ভোগেন অতৃপ্তির বেদনায়। উদ্দেশ্য একটাই- মাতৃভাষার স্মৃতি বিজোড়িত অমর একুশে বই মেলা। এবারও দেশি লেখকের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের বই এসেছে মেলায়। প্রবাসে থাকলেও মাতৃভাষা-ভূমির প্রতি তাদের রয়েছে অঘাধ ভালোবাসা। তাইতো হাজার মাইল দূর থেকেও ছুটে আসেন মাতৃর স্বাদ নিতে।জানা যায়, ১৯৭২ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারী মাত্র ৩২টি বই নিয়ে, বাংলা একাডেমির বটতলায় ছোট পরিসরে শুরু হয় মেলা। প্রকাশনা শিল্পের পথিকৃত চিত্তরঞ্জন সাহার, সেই শুরুর মাধ্যমেই আজকের এই অমর একশে বই মেলা। ১৯৫২-এর সেই রক্তে ভেজা দিনকে স্মরন করতেই তিনি নেন এমন উদ্যোগ। তাইতো ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি বিজোড়িত এ মেলা, বাঙ্গালিদের কাছে এখন মেলবন্ধনের মাধ্যম। কারণ স্বাধীন বাংলাদেশের উদোয় এই সংগ্রামেরই ফসল । এ লক্ষ্যে এবারের বই মেলায় জাপান থেকে ছুটে এসেছেন কবি জুয়েল আহসান কামরুল। মাতৃভাষার টানেই ব্যস্ত নগরী ছেড়ে, প্রিয় ভূমিতে এই প্রবাসী আগমন করেন। প্রবাসীদের উদ্যোগে যুক্তরাজ্যসহ বহিঃবিশ্বে, ছড়িয়ে পড়ছে বাংলা সাহিত্যের জয়গান। তবে তাদের এই যুদ্ধেরও রয়েছে, না বলা হাজারও গল্প, বলছেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী সৈয়দ আহমেদ শাহনুর। প্রবাসীরা যেমন রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছেন, তেমনই প্রবাসেও ছড়াচ্ছেন মাতৃ-সাহিত্যের প্রসার। তাইতো তাদের সহযোগীতায়, সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার আহবা
