post
সংবাদ

ভোট শুধু সুষ্ঠু হলে চলবে না, সেটা বিশ্বাসযোগ্যও হতে হবে: সিইসি

আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণ হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত নন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল; তবে ভোট যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সে বিষয়ে জোর দিচ্ছেন তিনি। ৭ জানুয়ারির ভোট সামনে রেখে সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের আইন বিধিবিধান সংক্রান্ত কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশের নির্বাচনি সংস্কৃতি ‘এখনো ততটা সমৃদ্ধ হয়নি। তার ভাষায়, "ভোট কেন্দ্র দখল করার চেষ্টা করা হয়, পেশীশক্তির প্রয়োগ করা হয়, কালো টাকা বিতরণ করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়। সিইসি বলেন, শুধু সুষ্ঠু হলে চলবে না। নির্বাচন যে সুষ্ঠু হয়েছে, তা বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে।

post
বাংলাদেশ

ড. ইউনুসের ৬ মাসের কারাদন্ড, জরিমানা ৩০ হাজার টাকা

বাংলাদেশের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে আপিল করার শর্তে ড. ইউনূসসহ আসামিদের ১ মাসের জামিন দেওয়া হয়েছে।আজ সোমবার বিকেল তিনটার দিকে ঢাকার শ্রম আদালতের বিচারক শেখ মেরিনা সুলতানা শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় অন্য আসামিরা হলেন গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহান। তাদেরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এক নম্বর আসামির বিষয়ে প্রশংসাসূচক বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। তাকে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই করা নোবেলজয়ী আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব বলা হয়েছে। কিন্তু এ আদালতে নোবেলজয়ী ইউনূসের বিচার হচ্ছে না, গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান হিসেবে বিচার হচ্ছে। এসময় আদালত বলেন, ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। রায়ের বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় ড. ইউনুস বলেন, যে দোষ করিনি, সেই দায় নিয়ে সাজা পেলাম। এদিকে ইউনূসের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে শ্রম আদালত ও এর আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। খবর সংগ্রহের জন্য রায় ঘোষণার এক ঘণ্টা আগে দেশের ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সেখানে ভিড় জমান। উল্লেখ্য, গত ২৪ ডিসেম্বর শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে করা মামলায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের পক্ষে ও বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। সেদিন মামলায় রায় ঘোষণার জন্য ১ জানুয়ারি (আজ) দিন ধার্য করা হয়।এর আগে ২১ ডিসেম্বর ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের পক্ষে মামলার আইনগত বিষয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। ওইদিন ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছিলেন, এ মামলার সাক্ষীদের বর্ণনায় ড. ইউনূসসহ অন্যরা সংশ্লিষ্ট আছেন এমন কোনো বর্ণনা নেই। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ডকুমেন্ট নেই। মামলার আর্জিতে কোথাও আসামিরা অপরাধী এমন কোনো অভিযোগ নেই। ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। মামলায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেওয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা, গণছুটি নগদায়ন না করার অভিযোগ আনা হয়।

post
বাংলাদেশ

অঘটন ঘটিয়ে কেউ পালাতে পারবেন না: ইসি আলমগীর

বাংলাদেশের নির্বাচনে উত্তেজনা থাকে, সে উত্তেজনা থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। তবে এবার অঘটন ঘটিয়ে কেউ দেশের বাইরে পালাতে পারবেন না, শান্তিতেও থাকতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর হোসেন।রোববার দুপুরে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব আয়োজন করা হয়েছে। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে বেশি সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবার মাঠে নামানো হবে। তিনি আরও বলেন, অঘটন ঘটিয়ে যাবেন কোথায়, দেশের বাইরে তো যেতে পারবে না। এয়ারপোর্ট ও সীমান্তে বলা আছে। অঘটন ঘটিয়ে কেউ দেশেন বাইরে পালাতে পারবেন না, শান্তিতেও থাকতে পারবেন না। পুরো রাজনৈতিক দল যদি বলে তারা নির্বাচনে যাবে তা ঠিক আছে, তবে ভয় দেখানো, বল প্রয়োগ করা যাবে না। সাংবাদিক পর্যবেক্ষকের বিষয়ে ইসি আলমগীর বলেন, এবার শুধু বৈধ সাংবাদিকরাই পর্যবেক্ষণের কার্ড পাবেন। দোকান থেকে একটা ক্যামেরা নিয়ে গিয়ে আমি সাংবাদিক হলাম এমন কাউকে কার্ড দেওয়া হবে না। কেন্দ্রে গিয়ে ছবি নেওয়া, বক্তব্য নেওয়া, লাইভ প্রচার করা যাবে। তবে কক্ষে লাইভ প্রচার করা যাবে না। মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবু জাফর রিপনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মো. আসলাম খান, ঢাকা অঞ্চলের নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ।

post
বাংলাদেশ

ভোটের দিন ঘিরে নাশকতার তথ্য নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আগামী ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ঘিরে নাশকতার কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। একই সঙ্গে গুপ্তহত্যা রোধে গোয়েন্দা বাহিনী সতর্ক রয়েছে বলেও জানান তিনি। রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। ভোটের দিনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কা আছে কি না- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সবসময় নাশকতা করে আসছে। নাশকতা দিয়েই তাদের জন্ম। কাজেই তারা এগুলো করবেই। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সে বিষয়ে সজাগ রয়েছে। আমাদের গোয়েন্দা বাহিনীও কাজ করছে। তিনি বলেন, আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যথাযথভাবে কাজ করছে বলেই তারা (নাশকতাকারীরা) এসব কর্মকাণ্ডে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। আমি মনে করি নাশকতাকারীদের এদেশের জনগণ প্রতিহত করবে। জনগণ তাদের কোনোরকম আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে না। জনগণ আর অন্ধকারে ফিরে যেতে চায় না।

post
বাংলাদেশ

সরকার ক্ষমতায় থেকেও যে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব তা প্রমাণ করতে হবে

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, সরকার ক্ষমতায় থেকেও যে নির্বাচন সুষ্ঠ হতে পারে সেটি এবার প্রমাণ করতে হবে। সেজন্য মাঠ পর্যায়ে সবাইকে স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। রোববার সকাল সাড়ে দশটায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক্সিকিউটিভ (নির্বাহী) ম্যাজিস্ট্রেটদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণায়লের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান। উদ্বোধনী বক্তব্যে সিইসি বলেন, বাংলাদেশ একটি প্রজাতন্ত্র। প্রজাতন্ত্রের মানেই হচ্ছে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে সরকার পরিচালিত হবে। নির্বাচনে জিতে যারা সংসদে বসবেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ যারা তারাই সংবিধান গঠন করবেন। কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নির্বাচন আমাদের দ্বারপ্রান্তে। নির্বাচন নিয়ে দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে যেমন বাগবিতণ্ডা হচ্ছে, সহিংসতাও হয়েছে। নির্বাচনে আরেকটি কারণে আমাদের মনোযোগী হতে হবে। সেটি হলো- রাজনৈতিক দলগুলোর একটা অংশ নির্বাচন বর্জন করেছে। সাধারণত নির্বাচন খুব উৎসবমুখর হয়। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের সময় নির্বাচনটা পরিচালনা করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সে নির্বাচনে মুসলিম লীগের ভরাডুবি হয়েছিল। অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। এরপর সবসময়ই নির্বাচন উৎসবমুখর হয়েছে।

post
সংবাদ

শিক্ষিত জাতি ছাড়া দেশ দারিদ্র্যমুক্ত হয় না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে গড়তে চাই। একমাত্র শিক্ষাই পারে। শিক্ষিত জাতি ছাড়া দারিদ্র্যমুক্ত হয় না। এজন্য আমরা শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা বাজেটেও বেশি টাকা রাখি। সেটাকে বহুমুখী করার ব্যবস্থাটা করে দিচ্ছি।রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাঠ্যবই বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।  শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সভাপতিত্বে নতুন বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদের শুধু স্বাধীন দেশ দেননি, স্বাধীন জাতি হিসেবে আমার উন্নত সমৃদ্ধ গড়তে পারি সেভাবে তিনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। খুব সময় কম পেয়েছিলেন। সেই অল্প সময়ের মধ্যে সংবিধান দিয়েছিলেন। সংবিধানের শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক করে দেন। আমাদের যতগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল সেগুলো তিনি জাতীয়করণ করে সব শিক্ষকদের সরকারি চাকরির মর্যাদা দেন। সংবিধানে ছেলে-মেয়েদের শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করে দেন এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে যে টাকা পয়সার খরচ সেটাকে জাতির পিতা খরচ হিসেবে মনে করতেন না, মনে করতেন এটাও এক ধরনের বিনিয়োগ। তিনি বলেন, আমি আজকের ছেলে মেয়েদের বলবো লেখাপড়া শিখতে হবে, কারণ লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হতে হবে। লেখাপড়া ছাড়া জীবন ব্যর্থ হয়ে যায়। ধন সম্পদ অনেক কিছু থাকতে পারে কিন্তু শিক্ষা এমন একটা জিনিস যা কেউ নিতে পারবে না। আর বাংলাদেশে একটা স্বাধীন দেশ, আমরা এই দেশটাকে আরো উন্নত করতে চাই। আমরা অনেক দূর এগিয়েছি, সামনে আরো যেতে হবে।

post
সংবাদ

ভোটদানে বিএনপি বাধা দিলে মোকাবিলা করা হবে: সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, বিএনপির নির্বাচন বর্জন শান্তিপূর্ণ হলে তা চ্যালেঞ্জ নয়। তবে ভোটের দিন বা তার আগের দিন ভোটারদের বাধা দিলে সেটা আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জ। সেটা মোকাবিলা করা হবে।শনিবার সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। সিইসি বলেন, যে কোনো নির্বাচনে কিছুটা চ্যালেঞ্জ থাকে। বিএনপি এবারের নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে জনগণকে নির্বাচন বর্জন করার আহ্বান জানাচ্ছে। সেটা শান্তিপূর্ণভাবে হলে আমাদের কাছে কোনো চ্যালেঞ্জ নয়। কারণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক অধিকার অনুযায়ী একটি নির্বাচনের পক্ষে যেমন বলা যায় তেমনি বিপক্ষেও বলা যায়। কিন্তু নির্বাচন প্রতিহত করা যাবে না। যদি তারা প্রতিহত করতে চায় তাহলে যে চ্যালেঞ্জ আসবে সেটার মোকাবিলা করতে হবে। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলা হয়েছে।

post
সংবাদ

নববর্ষে আতশবাজি-ফানুস না পোড়ানোর আহ্বান

ইংরেজি নববর্ষে দেশবাসীকে আতশবাজি ও ফানুস না পোড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র-ক্যাপস।শনিবার সন্ধ্যায় সংবাদ মাধ্যমে ক্যাপসের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদারের পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে অনুরোধ জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, নববর্ষ মানেই উৎসবমুখর একটি দিন। প্রতিবছর ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টা এক মিনিট থেকেই শুরু হয় নতুন বছর উদযাপনের উন্মাদনা। মুহুর্মু শব্দ করে আকাশে ছড়িয়ে পড়ে আতশবাজির আলোকছটা। প্রতিবছরই ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রাতের বেলা আতশবাজি ও ফানুস পোড়ানো হয়। ফলশ্রুতিতে বছরের প্রথম দিন শুরু হয় অস্বাস্থ্যকর বায়ু সেবন করে এবং সরব উপস্থিতিতে শব্দ দূষণের মত নীরব ঘাতকে সঙ্গে নিয়ে। এই আকস্মিক বায়ু ও শব্দ দূষণ মানুষ, পশুপাখি ও পরিবেশ প্রতিবেশ উপর উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে।

post
সংবাদ

সিল-সই যুক্ত ব্যালট পেপার দিতে হবে ভোটারকে : ইসি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে ব্যালট পেপারের উল্টো দিকে সিল ও সই দেওয়ার পর তা ভোটারকে সরবরাহ করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমানের জারি করা এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে নির্দেশনাটি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বাস্তবায়নের জন্য বলেছে ইসি।ভোটাদান প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে সম্প্রতি এই বিধান এনেছে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন।রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটারের পরিচয় শনাক্তকরণের পর প্রকৃত ভোটারকে ব্যালট পেপার প্রদানের সময় ব্যালট পেপারের অপর পৃষ্ঠায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩১ এর দফা (২)(ঘ)-এর বিধান অনুসারে অফিসিয়াল সিল দ্বারা ছাপ এবং স্বাক্ষর দিয়ে ভোটারকে ব্যালট পেপার হস্তান্তর করতে হবে।এছাড়া, ভোটগ্রহণের এক পর্যায়ে কোনো ভোটকক্ষে যদি কোনো ব্যালট বাক্স পূর্ণ হয়ে যায় বা ব্যালট পেপার গ্রহণের জন্য তা আর ব্যবহার করা না যায়, তাহলে প্রিসাইডিং অফিসার উক্ত ব্যালট বাক্স তার নিজের স্বাক্ষর ও সিলমোহর দ্বারা এবং উপস্থিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা নির্বাচনী এজেন্ট বা পোলিং এজেন্টদের মধ্যে যারা ইচ্ছুক তাদের সিলমোহর বা দস্তখত দ্বারা সিল করে দেবেন এবং বাক্সকে একটি সুরক্ষিত স্থানে রাখবেন। অতঃপর ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পূর্বে ভোটকক্ষে যে পদ্ধতিতে ব্যালট বাক্স দিতে হয় সেই পদ্ধতি অনুসরণপূর্বক পুনরায় একটি নতুন ব্যালট বাক্স ব্যবহার করবেন।

post
বাংলাদেশ

থার্টি ফার্স্টে সন্ধ্যার পর হাতিরঝিলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ইংরেজি নববর্ষের অনুষ্ঠান প্রকাশ্য স্থানে কোনো ধরনের সভা-জমায়েত বা উৎসব করা যাবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।শনিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে ৩১ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় নগরবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন আনন্দ উৎসবে অংশগ্রহণ করবে। এ আনন্দ উৎসব উদযাপনের নামে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি নিজস্ব সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ঐতিহ্যবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে থাকে। কতিপয় ব্যক্তি আনন্দের আতিশয্যে পট্কাবাজি, আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো, অশোভন আচরণ, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালানোর মাধ্যমে রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে অনাকাঙিক্ষত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়। ক্ষেত্র বিশেষে প্রকাশ্যে অভদ্রজনোচিত আপত্তিকর আচরণ করে থাকে। এ সব নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থি কর্মকাণ্ড একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা সৃষ্টি করে। ঢাকা মহানগরীতে নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ মেনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.