post
এনআরবি সাফল্য

বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় করেছেন বাংলাদেশি ওয়াসফিয়া

বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ পাকিস্তানের কে টু এর চূড়ায় ওঠার জন্য গত ১৭ জুলাই বেইজ ক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন। ফেইসবুক থেকে নেওয়া ছবি।প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ পাকিস্তানের কে টু জয় করেছেন ওয়াসফিয়া নাজরীন। যে দলের সঙ্গে এভারেস্ট বিজয়ী পবর্তারোহী ওয়াসফিয়া ৮ হাজার ৬১১ মিটার উঁচু কে টু জয় করেছেন, সেটির প্রতিষ্ঠান এলিট এক্সপেড শুক্রবার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে এ সুখবর দেয়। পোস্টে বলা হয়, “শতভাগ সাফল্যের হার! অসাধারণ এই মওসুম। কে টু অভিযানে আমাদের অবিশ্বাস্য দলটি তাদের লক্ষ্য অর্জন করেছে।” ওয়াসফিয়া তার ফেইসবুক পেইজে গত ১৭ জুলাই রাতে বেইজ ক্যাম্প থেকে কে টু চূড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রার করার কথা জানিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন। এক সপ্তাহের মধ্যে ‘সুখবর আসার’ কথা জানিয়ে ওই পোস্টে ৩৯ বছর বয়সী এ পবর্তারোহী সেদিন তার সঙ্গে থাকা অন্য পবর্তারোহীদের নামও জানান। নিমসদাই, মিংমা তেনজি শেরপা ও মিংমা ডেভিড শেরপার নেতৃত্বে কে টু জয়ের জন্য যাত্রা করার কথা জানান তিনি।বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে টু এর চূড়ায় ওঠার জন্য বেইজ ক্যাম্পে অপেক্ষা। খারাপ আবহাওয়ার কারণে ১৫ জুলাই যাত্রা পিছিয়ে যাওয়ার কথা জানান ওয়াসফিয়া নাজরীন। ফেইসবুক থেকে নেওয়া ছবি। কারাকোরাম পবর্তমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কে টু স্থানীয়ভাবে চোগোরি নামে পরিচিত। এর উচ্চতা ৮ হাজার ৬১১ মিটার। ’হিংস্র পর্বত’ নামে পরিচিত এ পর্বতশৃঙ্গ অনেক পর্বতারোহীর বিবেচনায় এভারেস্টের চেয়েও দুর্গম। কে টু এর পাশাপাশি ব্রড পিকেও উঠেছেন ওয়াসফিয়াররা; যেটি স্থানীয়ভাবে পরিচিত ফাইচান কাংরি, যেটির উচ্চতা ৮ হাজার ৬৮ মিটার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের পথে ওয়াসফিয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় নারী হিসেবে এভারেস্ট জয়ী ওয়াসফিয়া গত ১৪ জুন এক ফেইসবুক লাইভে নিজের কারাকোরাম পর্বত জয়ের পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। সেদিন তিনি বলেন, কারাকোরাম দুই শৃঙ্গ পাড়ির এই অভিযান দুই থেকে আড়াই মাসের। কে টু বেইজ ক্যাম্প থেকেই দুতো ৮ হাজার মিটারের উচ্চতার পর্বতারোহণ করবেন তারা। প্রথমে ব্রড পিকে যাবেন, তারপরে কে টু তে। দেশবাসীর দোয়া প্রত্যাশা করে ওয়াসফিয়া বলেন, “দুইটা ৮ হাজার মিটারের চূড়ায় পরপর উঠা সহজ কথা নয়। আমাকে দোয়ায় রাখবেন।” এভারেস্টজয়ী ওয়াসফিয়া ফিরছেন শনিবার পর্বতারোহীদের জন্য দুর্গম হওয়ার কারণে কে টু তে যাওয়া মানুষের সংখ্যা খুব বেশি না হওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “স্পেসে যত মানুষ গেছে, তার চেয়ে কম মানুষ গেছে কে২ তে। মানে খুব কম মানুষই কে টু তে যাওয়ার অ্যাটেম্প করেছে। “শুধু প্রথম বাংলাদেশি নারী যাচ্ছে সেখানে। এই পর্বতে নারীরা সেভাবে সাহস করে না বলা হয়। আমাদের দলে আছে ৬ জন নারী।” সেখানকার পরিবেশ দুর্গম হওয়ার কথা তুলে ধরে ওয়াসফিয়া বলেন, “কারাকোরামের ভিন্ন ব্যাপার হচ্ছে ক্রেজি ওয়েদার। এভারেস্ট থেকেও এটা ভিন্নতর। শুষ্ক আর রুক্ষ আবহাওয়া।”বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে টু এর চূড়ায় ওঠার বেইজ ক্যাম্পে ওয়াসফিয়া নাজরীনসহ পবর্তারোহীরা। ২০১২ সালের ২৬ মে ওয়াসফিয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট চূড়ায় উঠেন। তিনি সেভেন-সামিটিয়ার বা পৃথিবীর সাত মহাদেশের সব বড় পর্বতজয়ী একজন। তার আগে ২০১২ সালে ১৯ মে নিশাত মজুমদার বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে জয় করেন। ইউরোপের সর্বোচ্চ চূড়ায় ওয়াসফিয়া ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ওয়াসফিয়াসহ কে টু জয়ীদের নামের তালিকা যুক্ত করে সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছে এলিট এক্সপেড লিখেছে, “প্রতিভাবান এই দলটি নতুন সম্ভাবনাকে হাতের মুঠোয় নিয়েছে। এলিট এক্সপেড তোমাদের জন্য এর চেয়ে গৌরবান্বিত হতে পারে না! ”আমাদের দল আপনাদের প্রচেষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম ও পরিবারের কাছ থেকে দীর্ঘ সময় দূরে থাকার এই ধৈর্য্যকে সম্মান জানাচ্ছে।” দুর্গম এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন নেপালি পর্বতারোহী মিংমা তেনজি শেরপা। ভারতীয় পত্রিকা দি ওয়াল এক খবরে জানিয়েছে, প্রথম বাংলাদেশি নয়, দুই বাংলা মিলিয়ে কে টু জয়ী প্রথম বাঙালিও ওয়াসফিয়া নাজরীন। প্রতিবেদনে বলা হয়, “এর আগে এই শৃঙ্গে কোনও বাঙালি পা রাখেননি। বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার কারণেই এই সুযোগ পেলেন ওয়াসফিয়া। কেটু শৃঙ্গ আরোহণে ভারতীয়দের উপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। তবু জয়ের পালক এল বাঙালির ঘরেই।”

post
বাংলাদেশ

ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৩ জুলাই) এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, সংসদ পরিচালনায় মরহুম ফজলে রাব্বী মিয়ার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা ও বিকাশে তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।মরহুম ফজলে রাব্বী মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি। পৃথক শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই ফজলে রাব্বী মিয়া আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন এবং ‘৬২-এর শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে জড়িত ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে (নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৪টা) যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ নয় মাস ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মুহাম্মদ সাইফুর রহমানের পাঠানো শোকবার্তায় প্রধান বিচারপতি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করণে অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার অসামান্য অবদান রয়েছে। তিনি ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। জাতি চিরকাল শ্রদ্ধাভরে তাকে স্মরণ রাখবে। তার সঙ্গে দীর্ঘদিনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। ফজলে রাব্বীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনও। শোক বার্তায় তিনি বলেন, অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া একজন দেশপ্রেমিক ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ হিসেবে জনগণের কল্যাণে আজীবন কাজ করে গেছেন। অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সংসদ সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চায় তিনি যে অবদান রেখে গেছেন, জাতি তা চিরদিন স্মরণ করবে। শোক জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদও। তিনি বলেন, ফজলে রাব্বী মিয়া একজন আদর্শবান রাজনীতিক এবং অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান ছিলেন। তিনি আজীবন গণমানুষের অধিকার আদায়ে রাজনীতি করেছেন। তিনি দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন অগ্রসৈনিক ছিলেন। তিনি আরও বলেন, ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যু দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। তার মৃত্যুতে জাতীয় সংসদ হারাল এক নিষ্ঠাবান অভিভাবক আর জাতি হারাল একজন নিবেদিত প্রাণ অভিজ্ঞ রাজনীতিককে। মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের রাজনীতিতে এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার কারণে তিনি দেশবাসীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন জসিম উদ্দিন।

post
বাংলাদেশ

ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া মারা গেছেন

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া মারা গেছেন।যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টার দিকে, নিউ ইয়র্ক সময় বিকেল ৪টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন তার ভাতিজা ফাহাদ রাব্বী সৈকত। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘আজ ২৩/০৭/২০২২ ইং বাংলাদেশ সময় আনুমানিক রাত ২টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া ইন্তেকাল করেছেন। বিষয়টি আমি ফাহাদ রাব্বী সৈকত আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করছি।’জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফয়জার রহমান এবং মাতার নাম হামিদুন নেছা।১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালে চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হন।২০০৮ সালে নবম, ২০১৪ সালে দশম ও ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

post
এনআরবি সাফল্য

আরব আমিরাতে গোল্ডেন ভিসা পেল বাংলাদেশি তাওহিদুল

সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের বিশেষ স্বীকৃতিস্বরূপ মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে পাঁচ বছর মেয়াদি গোল্ডেন ভিসা পেলেন বাংলাদেশি তাওহিদুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) তাকে এ গোল্ডেন ভিসা প্রদান করা হয়।তার বাবা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম আমিরাতের আল আনসারী এক্সচেঞ্জের ম্যানেজার এবং মা মাহবুবা সিদ্দিকা সিপু আল আনসারী এক্সচেঞ্জের ফরেন কারেন্সি ক্যাশিয়ার। তারা আমিরাতে ১৯ বছর ধরে বসবাস করছেন।ADVERTISEMENTআমিরাত সরকারের গোল্ডেন ভিসা দেওয়ার ক্যাটাগরি অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ‘এ’ লেভেল (এইচএসসি) পরীক্ষায় সব বিষয়ে শতকরা ৯৬ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। তাওহিদুল ইসলাম দুবাই আরব ইউনিটি স্কুলে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া পরীক্ষায় ইংলিশ মিডিয়ামে ব্রিটিশ সিলেবাসে সব বিষয়ে শতকরা ৯৮ শতাংশ নম্বর পান।তাওহিদুল ইসলাম গোল্ডেন ভিসা পেয়ে আনন্দিত। তার সাফল্যে গর্ববোধ করছেন বাবা-মা। এজন্য তারা আরব আমিরাত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাওহিদুল ইসলাম বর্তমানে চেক রিপাবলিক অব ইউরোপের চার্লস মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে এসবিবিএস (জেনারেল মেডিসিন) কোর্সে পড়াশোনা করছেন।ছেলের এমন সাফল্যের জন্য তার বাবা-মাকেও আমিরাত সরকার গোল্ডেন ভিসা দিতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাওহিদুলের বাবা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

post
বাংলাদেশ

ইতালি যেতে পারবেন ৩০০০ বাংলাদেশি

ইতালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নুনজিয়াতা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ইতালির সরকার একটি চুক্তির ওপর কাজ করছে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের শ্রমিকরা কাজের জন্য ইতালি যেতে পারবেন। বাংলাদেশের জন্য তিন হাজার মানুষের কোটা সংরক্ষিত রয়েছে। এ সংখ্যা ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে। চুক্তির ফলে ছাত্র, গবেষক ও বিনিয়োগকারীরা ইতালি যাতায়াত করতে পারবেন।মানবপাচার প্রতিরোধ ও নিরাপদ অভিবাসন উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শুক্রবার (২২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুর পৌরসভা অডিটরিয়ামে এক মতবিনিময়ে সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ইতালির রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, গত ৩০ জুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই চুক্তির ওপর প্রথম আলোচনায় বসে। আমরা চাই বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে কেউ যেন ইতালি পারি না জমান। যারা বর্তমানে বৈধ পথে ইতালি যান তাদেরকে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করছি।মতবিনিময়ে সভায় পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, অবৈধ পথে যারা বিদেশে গমন করে তাদেরকে সরকারিভাবে কোনো সহযোগিতা করা যায় না। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় হয়রানি হয়ে থাকে। বিশেষ করে তারা যখন অবৈধ পথে লিবিয়া থেকে নৌকা বা ট্রলারযোগে ইতালি প্রবেশের চেষ্টা করে, তখন সমুদ্রে বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তাদের পরিবারগুলো শেষ হয়ে যায়।পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বলেন, আমরা সবসময় অবৈধ পথে বিদেশ গমনকারীদের বিভিন্নভাবে প্রতারণা ও হয়রানির শিকারের মামলা দেখতে পাই। অনেক সময় তাদের তথ্যপ্রমাণ না থাকার কারণে আমরা অপরাধীদেরকে ঠিকমতো ধরতে পারি না। তারপরও আইনের সর্বোচ্চ জায়গা থেকে আমরা চেষ্টা করি তাদেরকে ধরার জন্য। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার ফলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অর্থ উপার্জনের লক্ষ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ পথে বিদেশ না গিয়ে ওই টাকা দিয়ে দেশেই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে অর্থ উপার্জন করা যায়। বেশি অর্থের আশায় আমরা অবৈধ পথে বিদেশ গিয়ে আর লাশ হতে চাই না। আপনাদের এলাকার চিহ্নিত দালালদের সম্পর্কে আপনার পাশের প্রশাসনকে তথ্য দিন। আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

post
প্রবাস রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে আ.লীগ-বিএনপির মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় রোববার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যায় হ্যামটামিক শহরের কাবাব হাউজে এ ঘটনা ঘটে। জাতিসংঘ ও হোয়াইট হাউজ করেসপন্ডেট মুশফিকুল ফজল আনসারীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। জাতিসংঘ ও হোয়াইট হাউজ করেসপন্ডেট এবং জাস্ট নিউজ সম্পাদক মুশফিকুল ফজল আনসারীর মিশিগান আগমন উপলক্ষে বাংলা প্রেস ক্লাবের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ক্লাব সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের আমন্ত্রণে আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের নেতারা অনুষ্ঠানে আসেন।এতে সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব সভাপতি সৈয়দ সাহেদুল হক। সঞ্চালনায় করেন সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনুষ্ঠানে মুশফিকুল ফজল আনসারীর বেশিরভাগ বক্তব্য ছিল সরকারবিরোধী। বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে হেয় করেও তিনি বক্তব্যে রাখছিলেন। এক পর্যায়ে মিশিগান স্টেট আওয়ামী লীগ সভাপতি ফারুক আহমেদ চান এক তরফা বক্তব্যে বন্ধ করার জন্য দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেন। এতে বিএনপি নেতাকর্মীরা তার ওপর উত্তেজিত হয়ে উঠেন। বিএনপির সহ সভাপতি সমজিত আলমসহ বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা ফারুকের দিকে তেড়ে যান এবং অনুষ্ঠান থেকে চলে যেতে ধাক্কাধাক্কি করেন। এসময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সুলেমান খান বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। মুশফিকুল আনসারীর বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন জাসদ ছাত্রলীগের এককালের তুখোড় নেতা আমিনুর রশীদ চৌধুরী। প্রতিবাদ করার কারণে তার সঙ্গেও বিএনপি নেতাকর্মীরা বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হন। অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের তিন জন নেতা উপস্থিত ছিলেন। হট্টগোলের আগমুহূর্তে অনুষ্ঠান থেকে চলে যান স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ফয়সল চৌধুরী।প্রেস ক্লাব সভাপতি সাহেদুল হক, জালালাবাদ সোসাইটির সভাপতি এন ইসলাম শামীম, বিএনপি সভাপতি আকমল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমেদ, লিটু চৌধুরী, বিয়ানিবাজার সমিতির সভাপতি আজমল হোসেনসহ আরও বেশ কয়েকজন পরিস্থিতি শান্ত করেন। প্রেস ক্লাব সভাপতি সৈয়দ সাহেদুল হক তার বক্তব্যে বলেন, প্রেসক্লাব সবার সংগঠন। দল নিরপেক্ষ সংগঠন। আজকের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এবং যদি কোনো কথাবার্তায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি। প্রেসক্লাবের প্রতিটি সদস্য দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে এই বিদেশের মাটিতে সাংবাদিকতা করেন। আমরা সবাই সুন্দর বাংলাদেশ চাই। এদিকে আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনায় দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সোমবার রাতে এ রিপোর্ট লেখার সময় মিশিগান স্টেট আওয়ামী লীগ ও মিশিগান মহানগর আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ হয়ে বৈঠকে বসেছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি ইসমাইল সাবরি ইয়াকোবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।বুধবার (২০ জুলাই) বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মালয়েশিয়ার নেতার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।তারা বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং আগামী দিনে দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ সফরের অনুরোধ জানান। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীও অদূর ভবিষ্যতে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন।আলোচনা শেষে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাতো শ্রী সাইফুদ্দিন আবদুল্লাহ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের জন্য একটি মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন। তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, ওআইসি, ডি-৮ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বর্ধিত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে আলোচনা করেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ন্যাশনাল রিকভারি কাউন্সিলের বর্তমান চেয়ারম্যান তানশ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

স্পেনের ‘বার্সেলোনায় বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

স্পেনের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ বার্সেলোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‌‘বার্সেলোনায় বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক বর্ণাঢ্য সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার মাদ্রিদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫১তম বর্ষ এবং স্পেন-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে সূচনা বক্তব্যে স্পেন, এন্ডোরা ও ইকুয়েটরিয়াল গিনিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ বলেন, ‘১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রদত্ত বঙ্গবন্ধুর অনবদ্য ভাষণে তার বিশ্বশান্তির দর্শন অনুসরণেই নিহিত রয়েছে আজকের সংকটময় পরিস্থিতির বিশ্বজনীন সমাধান। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল এগ্রোপ্রসেসিং, অটোমােবাইল ও মেডিক্যাল ডিভাইস মেনুফ্যাকচারিং, তথ্যপ্রযুক্তি, সুনীল অর্থনীতি এবং পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে বৈদেশিক বিনিয়ােগের ক্ষেত্রে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও আকর্ষণীয় কর-প্রণােদনার সুযােগ গ্রহণের লক্ষ্যে স্প্যানিশ ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। বক্তব্য শেষে তিনি বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামমুখর জীবনালেখ্য ও ‘বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং’ এর উপর একটি মনােগ্রাহী ভিডিও তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে স্বাগতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর (উপাচার্য) প্রফেসর জন গার্ডিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশের অপ্রতিরােধ্য অগ্রযাত্রায় বার্সেলােনা বিশ্ববিদ্যালয় ঐকান্তিক শুভানুধ্যায়ী। এখানে উচ্চশিক্ষায় অধিকসংখ্যক বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীকে আমরা সাদর স্বাগত জানাই।’ সেমিনারে ঢাকা থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিসকো ডি আসিস বেনিতেজ সালাস। আরও বক্তব্য রাখেন স্পেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রিজভী আলম, বার্সেলােনায় বাংলাদেশের অনারারি কনসাল রেমন পেড্রো এবং স্প্যানিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযােগী প্রতিষ্ঠান কাসা এশিয়ার মহাপরিচালক জাভিয়ের প্যারোন্ডো। বার্সেলােনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এন্টোনিনা টোরেন্স দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার উপর এবং প্রফেসর আলেক্স অ্যাগুইলার সুন্দরবনের অনন্য জীববৈচিত্র্য বিষয়ে গবেষণা-নিবন্ধ উপস্থাপন করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

ব্রিটিশ-বাংলাদেশি উদ্যোক্তা এনামের মৃত্যু, হাইকমিশনার মুনার শোক প্রকাশ

বিশিষ্ট ব্রিটিশ-বাংলাদেশি উদ্যোক্তা এবং ব্রিটিশ কারি অ্যাওয়ার্ডের প্রবর্তক এনাম আলী এমবিই’র মৃত্যুতে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।সোমবার (১৮ জুলাই) এক শোকবার্তায় হাইকমিশনার বলেন, বিশিষ্ট ব্রিটিশ-বাংলাদেশি উদ্যোক্তা এবং ব্রিটিশ কারি শিল্পের নন্দিত নেতা এনাম আলী এমবিই’র আকস্মিক মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত এবং শোকাহত।হাইক‌মিশনার মুনা ব‌লেন, এনাম আলী শুধুমাত্র মর্যাদাপূর্ণ ব্রিটিশ কারি অ্যাওয়ার্ডের প্রবর্তকই ছিলেন না, তিনি ব্রিটেনের মূলধারায় বাংলাদেশি কারি শিল্পের ব্র্যান্ডি এবং প্রোফাইলিংয়ের ক্ষেত্রেও অসাধারণ ও অনুসরণীয় ভূমিকা রেখে গেছেন।হাইক‌মিশনার ব‌লেন, এনাম আলী তার অনুকরণীয় নেতৃত্ব, অনুপ্রেরণামূলক উদ্যোগ, নিবেদিত জনহিতকর কাজ এবং কমিউনিটি সেবার জন্য শুধু ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যেই নয়, ব্রিটেনের মূলধারার হসপিটালিটি সেক্টরেও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।সাইদা মুনা ব‌লেন, আমি আশা করি, মরহুম এনাম আলীর জীবন এবং কর্ম তরুণ ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের ব্রিটিশ কারি শিল্পের প্রচারে ও প্রসারে এবং কমিউনিটির সেবায় নেতৃত্ব গ্রহণে অনুপ্রাণিত করবে।তি‌নি ব‌লেন, আমি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি ও বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডনের পক্ষ থেকে তার শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আমি মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে মরহুম আলীর জান্নাতুল ফেরদৌস প্রাপ্তির জন্যও বিশেষভাবে দোয়া প্রার্থনা করছি।রোববার (১৭ জুলাই) যুক্তরাজ্যের একটি হাসপাতালে এনাম আলী মৃত্যুবরণ করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

কানাডার ক্যালগেরি শহরে অনুষ্ঠিত হলো 'ক্যালগেরি স্ট্যাম্পিড'

কানাডার আলবার্টার ক্যালগেরি শহরে চলছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় রোডিও শো ‘ক্যালগেরি স্ট্যাম্পিড’! এতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আসা পর্যটকদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন প্রবাসী বাঙালিরাও। পর্যটকদের আনাগোনায় পুরো শহর এখন মুখরিত।১১০ বছর পুরোনো ঐতিহাসিক ক্যালগেরি স্ট্যাম্পিড প্রথম শুরু হয় ১৯১২সালে। এটি কাউ বয়খ্যাত ক্যালগেরির ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের আইকন। দশ দিনব্যাপী স্ট্যাম্পিড ৮ জুলাই থেকে শুরু হয়। চলবে আগামী ১৭ তারিখ পর্যন্ত।ক্যালগেরি স্ট্যাম্পিড উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও ক্যালগেরির ডাউনটাউনসহ বিভিন্ন সড়ক বর্ণিল রং আর আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। কাউবয় খ্যাত শহরটি মেতে ওঠেছে তার নিজস্ব অবয়বে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত আর লোকে লোকারণ্য মিলন মেলার কেন্দ্রবিন্দুতে যোগ দিয়েছে প্রবাসী বাঙালিরাও।ইতোমধ্যেই স্ট্যাম্পিডে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো অংশ নিয়েছেন। কানাডায় বসবাসরত কমিউনিটিগুলো বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরছেন নিজেদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে।ঘোড়া দৌড়, মিডওয়ে গেমস, লাইভ মিউজিক, শিশুদের বিভিন্ন রাইড, আতশবাজি এবং স্ট্যাম্পিড প্যারেডের প্রদর্শনীতে মুগ্ধ দর্শক এবং পর্যটকরা।অন্যদিকে সকাল থেকে শুরু হয় জনপ্রিয় স্ট্যাম্পিড ব্রেকফাস্ট। এতে অংশ নেন প্রাদেশিক সরকার প্রধান থেকে শুরু করে, সিটি মেয়র, এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। তারা শহরের বিভিন্ন স্থানে নিজ হাতে জনগণকে সকালের নাস্তা পরিবেশন করেন।ক্যালগেরির এবিএম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ড. বাতেন বলেন, ক্যালগেরি স্ট্যাম্পিডের মাধ্যমে সবাই তাদের নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার সুযোগ পায়।বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু বলেন, ক্যালগেরি স্ট্যাম্পিডে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণের ধারা অব্যাহত থাকবে, এটাই আমার বিশ্বাস।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.