post
বাংলাদেশ

'যুক্তরাষ্ট্রে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় ঢাকায় মানববন্ধন সরকার সমর্থন করেনা'

যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি সৈয়দ ফয়সাল আরিফ হত্যার প্রতিবাদে হওয়া মানববন্ধন সম্পর্কে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের সামনে এ ধরনের মানববন্ধন সরকার সমর্থন করে না বলেও জানান তিনি।সোমবার (৯ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছে সতেচন নাগরিক সমাজ।মানববন্ধন শেষে নিজ দপ্তরে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। তিনি বলেন, আমেরিকায় বিচার ব্যবস্থা ভালো। বাংলাদেশি মৃত্যুর বিষয়ে তারা তদন্ত করবে।মানববন্ধনের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবগত কিনা- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমি তো জানি না। এ ধরনের মানববন্ধনকে আমরা উৎসাহ বা সমর্থন করি না।পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পর মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। মানববন্ধন সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানববন্ধন কারা করেছেন পুরো বিষয়টা আমি জানি না। যারা করেছেন তারা এটা আমাদের চিঠি দিয়ে জানাতে পারতেন।যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা রিয়ার অ্যাডমিরাল এইলেন লবাখ ও একটি প্রতিনিধি দল বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছে। আজ মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে তার। মার্কিন অ্যাডমিরালের মন্ত্রণালয়ে আসা কেন্দ্র করে এ মানববন্ধন কিনা- জানতে চাইলে শাহরিয়ার আলম বলেন, কাজের চাপের কারণে আমি মানববন্ধনটা ডিটেইলে দেখতে পারিনি।বাংলাদেশির নিহতের ঘটনায় ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন ঢাকাকে আশ্বস্ত করেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের রাষ্ট্রদূত তার কাউন্টারপার্টের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র সরকার আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, ন্যায়বিচার হবে।তিনি বলেন, যে পুলিশ কর্মকর্তার গুলিতে বাংলাদেশি মারা গেছে, তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে বা দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে; একটা তথ্য আমরা ইতোমধ্যে পেয়েছি। আমরা আশা করি, বাংলাদেশি নাগরিক সুবিচার পাবেন।মানববন্ধনকে কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা- প্রশ্নের জবাবে শাহরিয়ার আলম বলেন, আমার মনে হয় না। অবস্থাটা এমন হয়েছে যে, বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এবং ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসে একটা পাতা নড়লেও অন্যকিছু ভাবে। এটাতে ওভার উৎসাহের কিছু দেখছি না। এটা কোনো হাইলি সেনসেটিভ ইস্যুও না।

post
বাংলাদেশ

'চলতি বছর ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন বাংলাদেশি হজ যাত্রী হজে যাবেন'

২০২৩ সালে দেশের সম্ভাব্য হজযাত্রীর কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।রোববার (৮ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এম আব্দুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই প্রশ্নোত্তর পর্ব হয়।ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন, যা ২০১৯ সালে বেড়ে হয় ১ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২২ সালে হজ যাত্রীর সংখ্যা কমে দাড়ায় ৬০ হাজার ১৪৬ জনে।তিনি জানান, চলতি ২০২৩ সালে হজযাত্রীর সম্ভাব্য কোটা বেড়ে হচ্ছে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। যা ২০০৯ এর তুলনায় ১৪৮ শতাংশ বেড়েছে, যা সরকারের সাফল্যের একটি মাইল ফলক বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশির ঋণের টাকা পরিশোধে তহবিল সংগ্রহে সিঙ্গাপুরবাসী

আর্থিক সচ্ছলতা, পরিবার-পরিজনের জন্য উন্নত জীবন, বৃদ্ধ মা-বাবার শেষ বয়সে একটু স্বাচ্ছন্দ্যে দিনাতিপাতের নিশ্চয়তার জন্য ২ সপ্তাহ আগে সিঙ্গাপুর পাড়ি দিয়েছিলেন এক বাংলাদেশি যার বয়স মাত্র ২০ বছর। কিন্তু সেখানে গিয়ে তার যক্ষ্মা ধরা পড়ার কারণে ফেরত চলে যেতে হবে ওই বাংলাদেশীকে।যে স্বপ্ন নিয়ে সিঙ্গাপুর গেলেন তার সেই স্বপ্নটা অধরাই থেকে গেল। এখন আরেকটি বাড়তি চিন্তা মাথায় যোগ হলো আর সেটি হলো, ধার-দেনা করে যে টাকা দিয়ে তিনি সিঙ্গাপুর এসেছেন সেই টাকা তিনি কিভাবে পরিশোধ করবেন।এমন সময় তার প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন ‘ইটস রেইনিং রেইনকোটস’ নামের স্থানীয় এনজিওর একদল সদস্য। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।সেখানে বলা হয়, সংগঠনটির একজন স্বেচ্ছাসেবক যিনি নিয়মিত অসহায় অভিবাসী শ্রমিকদের কাজে জড়িত থাকেন, তিনি দুইদিন আগে ওই বাংলাদেশীর সম্পর্কে তথ্য পান। সবকিছু শোনার পর এনজিও’র পক্ষ থেকে ওই বাংলাদেশীর ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য তারা একটি অনলাইন তহবিল সংগ্রহ গঠন করেন এবং মাত্র দুই ঘণ্টার ভেতর সংগঠনটি দ্রুত তহবিল সংগ্রহ করেন এবং বৃহস্পতিবার বাংলাদেশগামী তার ফ্লাইটের কয়েকমিনিট আগেও একজন স্থানীয় নাগরিক ট্যাক্সি যোগে চাঙ্গি বিমানবন্দরে ছুটে গিয়ে তাকে আরও কিছু নগদ অর্থ তার হাতে তুলে দেন। যা দিয়ে তার ধার-দেনা পরিশোধযোগ্য হবে বলে মনে করছেন ওই বাংলাদেশি।এরপর এয়ারপোর্টের সমস্ত কাজ শেষে তার হাতে নগদ এই অর্থ তুলে দেন সংগঠনের সদস্যরা। এসময় উপস্থিত সবাইকে এবং যারা এই অল্প অসময়ের মধ্যে তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানান ওই বাংলাদেশি। এরপর হাসিমুখে তাকে বিদায় দেন স্থানীয় এনজিও’র সদস্যরা।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালেশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসীসহ ৫৪৪ জন আটক

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৫৪৪ জন অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। শনিবার (৭ জানুয়ারি) ভোরের দিকে রাজধানী কুয়ালালামপুরের জালান ইম্বিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।এ সময় দেশটিতে ভ্রমণের কাগজপত্র না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ ভ্রমণ নথি এবং সামাজিক ভ্রমণ পাসের অপব্যবহারের জন্য বাংলাদেশিসহ ৫৪৪ জনকে আটক হয়েছে। তবে এর মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছে সেই তথ্য এখনো জানায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।এছাড়া অভিযানের সময় মিয়ানমারের চীন জাতিগত গোষ্ঠীকে শরণার্থী কার্ড দেওয়ার একটি অনিবন্ধিত সংস্থার কার্যকলাপ উদঘাটন করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ।অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক খায়রুল যাইমি দাউদের নেতৃতে দেশটির জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগসহ অন্যান্য বিভাগের ৪৩ জন কর্মীর সহায়তায় ১১৫ জন অভিবাসন পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করেন।আটক বিদেশিদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। আটকদের সবার বয়স ১ থেকে ৬৮ বছরের মধ্যে।তাদের মধ্যে প্রথমে ১ হাজার ৫১ জনের নথিপত্র পরীক্ষা করা হয় এবং দেশটিতে থাকার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ৫৪৪ জনকে আটক করা হয়। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তাদের সবাইকে বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। আটকদের মধ্যে চীন জাতি গোষ্ঠীর ১ থেকে ১০ বছর বয়সী ৩০ জন শিশু রয়েছে।মহাপরিচালক বলেন, অনিবন্ধিত সংস্থাটি ২০০৯ সালে থেকে ওই এলাকার একটি ফ্ল্যাটে এই কার্যকলাপ করে আসছিল। সংগঠনটির অফিসে তাদের নিজস্ব মেশিন ব্যবহার করে সরকার কর্তৃক স্বীকৃত নয় এমন কার্ড জারি করে জনপ্রতি ৫০০ রিঙ্গিত সদস্য ফি এবং অন্যান্য বিভিন্ন ফি বাবদ চার্জ করত।জব্দকৃত অর্থ দেওয়া রসিদের ওপর ভিত্তি করে অনুমান করা হয়েছে যে চীন জাতিগত গোষ্ঠীর ১ হাজার শরণার্থী এই সংস্থার সদস্য হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে অনেকে ইউরোপসহ অন্যান্য দেশে যাওয়ার অনুমতির জন্য অপেক্ষা করছে।

post
বাংলাদেশ

জরুরি পণ্য আমদানিতে ১০০ টাকায় ডলার বিক্রি করছে বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশে ডলার সংকট চরমে। এ সংকট দূর করতে জরুরি পণ্য আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত (রিজার্ভ) থেকে ডলার সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতেই টান পড়ছে রিজার্ভে। রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করা হলেও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে না। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে প্রতিনিয়ত।এদিকে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি ডলার ১০০ টাকায় বিক্রি করেছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। জরুরি পণ্য আমদানির জন্য মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) এ দামেই দেশের ব্যাংকগুলোর কাছে ৭৮ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।রিজার্ভের পরিমাণও কিছুটা কমেছে। মঙ্গলবার রিজার্ভ থেকে ৭৮ মিলিয়ন ডলার বিক্রির ফলে রিজার্ভ এখন দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারে। গত বছর এ সময়ে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে দেশের রিজার্ভ কমেছে ১২০০ কোটি বা ১২ বিলিয়ন ডলার।এর আগে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার সংগ্রহ করে আসছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে হঠাৎ ডলার সংকটে পড়তে হয় দেশকে। এতে আমদানিতে সংকট তৈরি হয়। আর আমদানি পরিশোধের সুবিধার্থে গত ২ বছর ধরে বাজারে ডলার বিক্রি করছে।এতেও সংকট কাটছিল না। একের পর এক ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যায়। অস্থির বিশ্ববাজারে ডলারের বিপরীতে টাকার মান ধরে রাখার চেষ্টাও করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সবশেষ গত ৩০ মে থেকে উন্মুক্ত অর্থনীতির নিয়মে বাজারই ওপরই মুদ্রা বিনিময় হার ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ব্যাংকগুলো যে কোনো দরে ডলার নির্ধারণ করে বিক্রি করতে পারছে।সে সময় বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছিল, ওপেন মার্কেট অনুযায়ী ডলারের দাম ঠিক হবে, ব্যাংকগুলো ঠিক করবে দর। এটা না হলে রেমিট্যান্স কমে যাবার শঙ্কা ছিল। তাই বাজারের ওপর ছেড়ে দিলেও বাংলাদেশ মনিটরিং করে আসছে।মূলত কোভিড পরিস্থিতি পর থেকে বিশ্বজুড়ে চাহিদা বাড়ায় পণ্যের দামও বাড়তে থাকে। এর মধ্যে ইউক্রেইন-রাশিয়া যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এতে বৈশ্বিক পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় খরচও বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এসব কারণে মার্কিন ডলারের চাহিদা বাড়তে থাকে। এ কারণে অঅন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের মুদ্রাও ডলারের বিপরীতে দর 

post
এনআরবি সাফল্য

আমিরাতে ১০৫ কোটি টাকা লটারি জিতলেন প্রবাসী বাংলাদেশি রায়ফুল

প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদ রায়ফুল সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে ‘দ্য বিগ টিকিট র‌্যাফেল ড্রতে ৩৫ মিলিয়ন দিরহাম (১০৫ কোটি টাকা) জিতেছেন। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) আমিরাতভিত্তিক দৈনিক খালিজ টাইমস এ নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।আমিরাতের আল আইনে বসবাসরত মোহাম্মদ রায়ফুলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়েছেন কর্তৃপক্ষ।আয়োজকরা জানিয়েছেন, নতুন এই কোটিপতির সঙ্গে যোগাযোগ করার আগ পর্যন্ত তারা চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তার টিকিট নম্বর ০৪৩৬৭৮। এছাড়া তার সম্পর্কে আর কিছু জানাতে পারেনি তারা।তবে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন প্রবাসী সাংবাদিকরাও। প্রায় তিন দশক আগে ১৯৯২ সালে আবুধাবি বিমানবন্দর ও শহরের প্রচারের জন্য বিগ টিকিট লটারি চালু করা হয়েছিল। প্রতি মাসে এই লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়।প্রথম স্থানের জন্য পুরস্কারের অর্থের মূল্য প্রতি মাসে পরিবর্তিত হয়। ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে জানুয়ারিতে প্রথম পুরস্কার ছিল ৩৫ কোটি দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০৫ কোটি টাকা)।এই পর্বে দ্বিতীয় পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় নাগরিক উমশাদ উল্লি ভেটিল। তিনি পেয়েছেন ১০ লাখ দিরহাম। আরও তিন ভারতীয় নিরশাদ নজর, রবিন কাদিয়ান ও আব্দুল বুরহান পুথিয়াভেটিল প্রত্যেকে ১ লাখ দিরহাম করে জিতেছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোয় ধীরগতি

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও চাহিদা রয়েছে অনেক। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের পদ্ধতি যেন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মূলে রয়েছে উভয় দেশের সরকার নির্ধারিত পদ্ধতি, আর্থিক খরচের বাইরে কিছু অলিখিত পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া। তাহলে কী বাংলাদেশ সরকার অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় দুই ধরনের নীতি অনুসরণ করছে কি না এমন প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে। সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় প্রাইভেট রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে দেশটিতে যেতে কর্মীকে ধারদেনা করে দিতে হচ্ছে ৪/৫ লাখ টাকা। এটিও সরকারের অধীনেই হচ্ছে। অন্যদিকে সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেলের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যেতে কর্মীকে খরচ করতে হচ্ছে না।কর্মী সরকারি-বেসরকারি যে এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যাক না কেন তাকে অবশ্যই প্রবাসীকল্যাণ বোর্ড, বিএমইটি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়েই যেতে হচ্ছে। প্রত্যেক আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশ যেতে ঋণের জালে আবদ্ধ হওয়া, বিদেশে গিয়ে প্রতারিত হওয়া বিষয়গুলো নিজেই তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট সবাইকে। দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বানও জানান তিনি, কিন্তু বাস্তবে তার কোনো প্রতিফল দেখা যায় না। মালয়েশিয়া শ্রমবাজারের সুবিধা নিতে ব্যর্থতা এবং পারস্পরিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়িতে সর্বনাশ হচ্ছে। আশির দশক থেকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিকর্মী গেলেও দেশটির সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করার আইনি ভিত্তি পায় ২০১৬ সালে। ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের পর মালয়েশিয়া সরকার লেবার সোর্স কান্ট্রি হিসেবে স্বীকৃতি দেয় অর্থাৎ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার পাবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা করবে, হঠাৎ করে শ্রম নিয়োগ বন্ধ করতে পারবে না।আগে যখন তখন কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দিত, ফলে কর্মী প্রেরণকারী সংস্থা, এজেন্ট, সাব এজেন্ট সবাই যেনতেনভাবে ইচ্ছামতো অর্থ নিয়ে কর্মী পাঠায়। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে কোনো কঠোর অবস্থান না থাকায় প্রকৃত এজেন্সি বঞ্চিত হয় এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা রয়ে যায় বলে সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন সময় তুলে ধরে। বাংলাদেশ সরকারের অভিবাসন নীতি, আইন, বিধি, আদেশ, নির্দেশ সবই আছে, এসব বাস্তবায়ন করার জন্য সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, দপ্তর, লোকবল, ম্যাজিস্ট্রেট সবই আছে, আরো আছে একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয়। কর্মীদের দেশে-বিদেশে কল্যাণ দেখবার জন্য মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব লোকবল আছে। রিক্রুটিং এজেন্সির অনুমোদন, নবায়ন, বাতিল, শাস্তি আরোপ এসব মন্ত্রণালয় করে। তবে কর্মী অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার অভাব এবং এ সুযোগে অনিয়ম দাপটের সঙ্গে রয়ে গেছে। কর্মী অভিবাসন এক পক্ষের বিষয় নয় প্রেরক ও গ্রহণকারী উভয় দেশের বিষয় তাই এসব বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে দক্ষ ও অভিজ্ঞ করে না তুললে সমস্যার গভীরে দেখবার কেউই থাকবে না। বাস্তবে তেমনি দেখা যাচ্ছে যে, মিশনে কর্মী নিয়ে যারা কাজ করে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে দেশে এনে মন্ত্রণালয় বিদায় দিয়ে দেয়। এমন কি অনেককে অপমান করে তাড়ানোর নজির রয়েছে। বিপরীতে অনভিজ্ঞদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয় যাদের তৈরি করছে তাদের বাদ দেওয়ার ট্র্যাডিশন এসেছে এজেন্সিগুলোর অপতৎপরতা থেকে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।ধারণা করা হয় কোনো কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি দূতাবাস থেকে অনৈতিক সুবিধা (অ্যাটেস্টেশন) না পেলে এবং বিদেশে কর্মীদের প্রতারিত করতে না পেলে, কর্মীদের জিম্মি করে অর্থ আয় করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ওপর রুষ্ট হয় এবং মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন দপ্তরে বেনামে পত্র দিয়ে থাকে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের কাছে তদবির করে ফলে এদের কথায় গুরুত্ব দেয় এবং এমন অবস্থা গ্রহণ করে যে মন্ত্রণালয় নিজেই ঠকে। দেখা গেছে, বিদেশে কর্মী পাঠানো এজেন্সির হাল হকিকত জানা কর্মকর্তা অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পেলে সে এজেন্সি আর সাহস পায় না। মালয়েশিয়া শ্রমবাজার বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় কিছু বাস্তবতা উন্মোচন করেছে অনেক আগেই। মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতাকে অনুধাবন না করার ফলে সমস্যার আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে, সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো জোর প্রচেষ্টা দেখা যায় না। মালয়েশিয়ায় আশির ও নব্বই দশকের পদ্ধতি থেকে বের হয়েছে এবং বাংলাদেশের জন্য আউট সোর্সিং বন্ধ করেছে। কিন্তু কর্মী প্রেরণে বাংলাদেশি এজেন্সি, তাদের এজেন্ট, সাব এজেন্ট সবই আগের নিয়ম অব্যাহত রাখতে কসরত করে যাচ্ছে।ফলে বাংলাদেশ সরকার মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করলেও পুরনো ঘূর্ণি থেকে বের হতে পারছে না কারণ এজেন্সি কর্মী পাঠাবে। অন্যদিকে জি-টু-জি পদ্ধতিতে সরকার কর্মী প্রেরণ করলে খরচ খুব কম হয় কিন্তু এরই মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারে অর্থ বিনিয়োগকারী এজেন্সিগুলোর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায় এবং ক্ষতির শিকার হয়। ফলে তারা সবসময় সরকারকে এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত কর্মী নিয়ে মালয়েশিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করায় এবং ফলে আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষতির শিকার হওয়ায় মালয়েশিয়া এজেন্ট নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বাংলাদেশকে বললেও কোনো ফল না পাওয়া মালয়েশিয়া নিজেই এজেন্ট নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া চালু করে। এতে আগের অভ্যাসে মালয়েশিয়ায় ভিসা ক্রয় করা বাংলাদেশি এজেন্সি ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এ এজেন্সিগুলোর নানান যুক্তি তুলে ধরে মালয়েশিয়ায় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে তদবির করে এবং অতিষ্ঠ হয়ে মালয়েশিয়ার নতুন সরকার (মাহাথির সরকার) বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করে।

post
বাংলাদেশ

নতুন সম্ভাবনাকে সামনে নিয়ে শুরু হলো নতুন বছর, স্বাগত ২০২৩

মহাকালের আবর্তে বিলীন হয়ে গেল আরেকটি বছর। নতুন স্পন্দন, নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনাকে সামনে নিয়ে শুরু হলো নতুন বছর। স্বাগতম ইংরেজি নববর্ষ ২০২৩। অনেক প্রাপ্তি, হতাশা ও নানা ঘটনা-দুর্ঘটনায় শেষ হলো ২০২২। শনিবারের সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে হতাশা, দুঃখ ও না পাওয়ার বেদনাকে বিসর্জন দিয়ে এবং আনন্দ উল্লাসের মাধ্যমে নতুন আশা আর নতুন সম্ভাবনাকে স্বাগত জানিয়ে শুরু হচ্ছে ইংরেজি নতুন বছর ২০২৩। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বরণ করছে নতুন বছরকে।খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।বাণীতে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খ্রিষ্টীয় নতুন বছর ২০২৩ উপলক্ষে আমি দেশবাসী এবং প্রবাসী বাঙালিসহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। প্রকৃতির নিয়মেই নতুন বছর মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে এবং নব উদ্যমে সুন্দর আগামীর পথচলায় অনুপ্রেরণা যোগায়।’তিনি বলেন, ‘২০২২ বাঙালি জাতির জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আমরা আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানিদের পরাজিত করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করি। ১৯৭২ সালে এশিয়ার প্রায় সবকটি দেশ, রাশিয়া, তৎকালীন সোভিয়েত ব্লকের অন্যান্য দেশ, ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ দেশ, ফ্রান্স, কানাডা, গ্রেট ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অধিকাংশ স্বাধীন রাষ্ট্র নবীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।’দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলেই দেশের উন্নয়ন হয় এবং জনগণের কল্যাণ হয়। কারণ একমাত্র আওয়ামী লীগই স্বাধীনতার সুমহান আদর্শকে ধারণ করে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করে। আসুন আমরা দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি এবং ধর্মীয় উগ্রবাদসহ সন্ত্রাসবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে প্রতিহত করে, অসাম্প্রদায়িক চেতনার ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলি ।এদিকে ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পেরিয়ে ১ জানুয়ারি ১২টা বাজার পরপরই রাজধানীর প্রতিটি এলাকায় নানা আয়োজনের মাধ্যমে শুরু হয় বর্ষবরণ। বিশেষ করে এ সময় চারদিক কাঁপিয়ে বাজি ফোটাতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। আতশবাজির আলোয় মধ্যরাতের আকাশ ঝলমলে হয়ে ওঠে। বাজির শব্দ আর আলো সবাইকে জানিয়ে দেয়, নতুন বছর এসে গেছে।নববর্ষ বরণ ও থার্টি ফার্স্ট উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় নগরবাসীকে থার্টি ফার্স্ট উপলক্ষে কোনো আতশবাজি, পটকা কিংবা ফানুস না ওড়াতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। 

post
বাংলাদেশ

নতুন বছর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খ্রিষ্টীয় নতুন বছর উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ‘নতুন বছরে মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরো জোরদার হোক, সকল সংকট দূরীভূত হোক, সকল সংকীর্ণতা পরাভূত হোক এবং সকলের জীবনে আসুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমন্ধি- এই প্রার্থনা করি।’ খ্রিষ্টীয় নতুন বছর উপলক্ষ্যে আজ শনিবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘খ্রিষ্টীয় নতুন বছর ২০২৩ উপলক্ষ্যে আমি দেশবাসী এবং প্রবাসী বাঙালিসহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। প্রকৃতির নিয়মেই নতুন বছর মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে এবং নব উদ্যোমে সুন্দর আগামীর পথচলায় অনুপ্রেরণা যোগায়।’ তিনি বলেন, ‘২০২২ খ্রিষ্টাব্দ বাঙালি জাতির জীবনে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আমরা আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানিদের পরাজিত করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করি। ১৯৭২ সালে এশিয়ার প্রায় সবক'টি দেশ, রাশিয়া, তৎকালীন সোভিয়েত ব্লকের অন্যান্য দেশ, ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ দেশ, ফ্রান্স, কানাডা, গ্রেট ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অধিকাংশ স্বাধীন রাষ্ট্র নবীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।’ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলেই দেশের উন্নয়ন হয় এবং জনগণের কল্যাণ হয়। কারণ একমাত্র আওয়ামী লীগই স্বাধীনতার সুমহান আদর্শকে ধারণ করে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করে। আসুন, আমরা দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি এবং ধর্মীয় উগ্রবাদসহ সন্ত্রাসবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে প্রতিহত করে, অসাম্প্রদায়িক চেতনার ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলি । প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশগুলো ২০২২ সালে বছরব্যাপী নানা আয়োজনের মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শূন্য হাতে সদ্য স্বাধীন দেশকে যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ থেকে টেনে তুলেছিলেন। তখন ব্যাংকে কোন রিজার্ভ মানি ছিল না, কোন কারেন্সি নোট ছিল না। অবজ্ঞা করে কেউ কেউ বলতো তলা বিহীনঝুড়ি। সেই অবস্থা থেকে মাত্র সাড়ে তিন বছরেই তিনি বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশে উন্নীত করেন এবং জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জন করেন।’ ২০২২ সাল বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নের এক স্বর্ণযুগ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা গত বছর ২৬ জুন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মাসেতু চালু করেছি। ২৮ ডিসেম্বর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার মেট্রোরেল যোগাযোগ চালু করেছি। ২১ ডিসেম্বর দেশের ৫০টি জেলায় উন্নয়নকৃত ১০০টি মহাসড়ক উদ্বোধন করেছি।’ তিনি বলেন,২৬ নভেম্বর দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম চট্টগ্রামে কর্ণফুলি নদীর তলদেশে 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল'-এর দক্ষিণ টিউবের পূর্ত কাজ সম্পন্ন করেছি। ৭ নভেম্বর দেশের ২৫টি জেলায় ১০০টি সেতু নির্মাণ করে উদ্বোধন করেছি। ১৯ অক্টোবর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-২ এর রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল স্থাপন করেছি। ২১ মার্চ পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র (১ম পর্যায়) উদ্বোধন করেছি। আমাদের অন্যান্য মেগা ও মাঝারিসহ সকল অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজও পুরোদমে এগিয়ে যাচ্ছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার সব সময় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করে। আমরা ২০০৮ সালের নির্বাচন হতে পরপর তিন দফা জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে গত ১৪ বছরে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন করেছি। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশের অর্থনীতিও কিছুটা মন্থর হয়েছিল। সেই ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং অর্থনৈতিক অবরোধ ও পাল্টা অবরোধ সারা পৃথিবীতে নিরীহ মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধ চাই না শান্তি চাই। এই দুর্যোগকালীন সময়ে আমরা দেশের প্রায় সকল মানুষকে বিনা মূল্যে চিকিৎসা, করোনা ভ্যাক্সিন এবং বিশেষ ক্ষেত্রে খাদ্যদ্রব্যও সরবরাহ করেছি। আমরা ১ কোটি পরিবারকে টিসিবি কার্ডের মাধ্যমে ৩০ টাকা কেজি দরে চাল ও সাশ্রয়ী মূল্যে ভোজ্য তেল, ডাল ও চিনি ক্রয়ের সুবিধা দিয়েছি। ৫০ লাখ পরিবারকে ১৫ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি চাল এবং আরো ৫০ লাখ অসহায় হতদরিদ্র পরিবারকে ভিজিডি ও ভিজিএফ-এর মাধ্যমে বিনামূল্যে প্রতিমাসে ৩০ কেজি চাল দিচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ৩৫ লাখ মানুষের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসম্মত আবাসনের ব্যবস্থা করেছি। প্রায় ১৮,৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং বিনামূল্যে ৩০ প্রকারের ঔষধ দিচ্ছি। আমাদের ১ কোটি কৃষক ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খুলে সরাসরি সরকারি ভরতুকির টাকা নিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমরা ২ কোটি ৫৩ লাখ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি/উপবৃত্তি দিচ্ছি। ইংরেজি বছরের প্রথম দিন ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিনামূল্যে বই পৌঁছে দেওয়ার কারণে বই উৎসবের সঙ্গে নববর্ষ উদযাপন আজ শিশু-কিশোরদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং অন্যতম সামাজিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা গ্রামাঞ্চলে অর্থ সরবরাহ বৃদ্ধি করেছি। ফলে আমাদের অর্থনীতির ভিত্তি আরো মজবুত হয়েছে, দক্ষ জনসম্পদ সৃষ্টি হচ্ছে, মাথাপিছু আয়সহ অন্যান্য সামাজিক সূচকেও ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছি। ২০২১ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের সময় জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ ঘোষণা করেছে। তিনি বলেন, আমরা ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট’ বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছি। আমরা ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০' বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

post
বিনোদন

রাজ-পরীর সংসারে ভাঙ্গনের সুর!

ঢাকাই সিনেমার রোমান্টিক দম্পতি রাজ-পরী। একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বেশ সুখেই দিন কাটছিল তাদের। তবে বছর শেষে হঠাৎ সংসার ভাঙার খবর জানালেন চিত্রনায়িকা পরীমণি।শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে নায়িকার ব্যক্তিগত আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, হ্যাপি থার্টিফার্স্ট এভরিওয়ান! আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে।পরীমণি আরও লেখেন, জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরী আর কিছুই নেই।এ বিষয়ে সত্যতা যাচাইয়ে রাজ-পরীকে ফোন দেওয়া হলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি। বারবার রিং হলেও ফোনের ওপাশ থেকে কেউ রিসিভ করেননি।এদিকে পরীর এমন স্ট্যাটাসে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন নেটিজেনরা। ঘণ্টা না পেরুতেই প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিক্রিয়া জমা পড়েছে। এছাড়াও পাঁচ শতাধিক নেটিজেন পরীর স্ট্যাটাসটি শেয়ার করেছেন।প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৭ অক্টোবর গোপনে বিয়ে করেন রাজ-পরী। চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি তারা ঘোষণা দেন, তাদের ঘরে সন্তান আসছে। গত ১০ আগস্ট এই দম্পতির ঘর আলো করে এসেছে একমাত্র সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.