post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বিদেশিদের প্রবাসী আয় নেওয়ার পরিমাণ ১০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে

বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিদের বৈধভাবে রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয় নেওয়ার পরিমাণ বছর বছর বাড়ছে। সর্বশেষ ২০২১-২২ অর্থবছরে তা প্রথমবারের মতো ১০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এই অর্থ দেশীয় মুদ্রায় ৮৫০ কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ৬০ পয়সা হিসাবে)। বাংলাদেশে কাজ করে বিদেশিরা যে পরিমাণ রেমিট্যান্স নিয়ে গেছেন, তা দেশের একই বছরের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত দ্য গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (নৌম্যাড) সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। তাদের তথ্যানুযায়ী, ২০২০ সালে ৯ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স নিজেদের দেশে পাঠান বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিরা। সেটি গত বছর ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১০ কোটি ১০ লাখ উঠেছে।নৌম্যাডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিরা ২০১২ সালে মাত্র ১ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স নিজ দেশে নিয়েছিলেন। পরবর্তী এক দশকের মধ্যে এক বছর ছাড়া সংখ্যাটি কেবলই বেড়েছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে বিদেশিদের রেমিট্যান্স নেওয়ার পরিমাণ বেড়ে ৫ কোটি ৭০ লাখে দাঁড়ায়। পরের বছরে ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স নিজেদের দেশে পাঠিয়েছেন বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিরা। অবশ্য নৌম্যাডের পরিসংখ্যানটি আংশিক। এর কারণ ব্যাংকিং মাধ্যম ছাড়াও অবৈধভাবে রেমিট্যান্স নিজ নিজ দেশে পাঠান বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিরা। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতার নামে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ২৬ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। কম করে ধরলেও বাংলাদেশে আড়াই লাখ বিদেশি কর্মী কাজ করেন। এর মধ্যে পর্যটক ভিসায় এসে কাজ করেন ১ লাখ ৬০ হাজার কর্মী। এসব বিদেশি কর্মী প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেন।টিআইবি জানায়, এ দেশে কোনো প্রতিষ্ঠানে বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিতে গেলে জনপ্রতি নিয়মবহির্ভূতভাবে ২৩ হাজার থেকে ৩৪ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। বৈধভাবে বিদেশি কর্মী আনা হলে আটটি ধাপ সম্পন্ন করতে হয়। অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী আনা হলে তিন ধাপেই নিয়োগ চক্র শেষ হয়। সে জন্য বেশির ভাগ পর্যটক ভিসায় এসে এ দেশে কাজ করেন।টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আট ধরনের কাগজপত্র ঠিক করতে এই নিয়মবহির্ভূত আর্থিক লেনদেন করতে হয়। সেগুলো হচ্ছে ভিসার সুপারিশপত্র, বিদেশে বাংলাদেশ মিশন থেকে ভিসা সংগ্রহ, বিদেশি নাগরিক নিবন্ধন, কর্ম অনুমতির জন্য আবেদন, নিরাপত্তা ছাড়পত্র (এসবি পুলিশ), নিরাপত্তা ছাড়পত্র (জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা), নিরাপত্তা ছাড়পত্র (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ও ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ঘুষ দিতে হয়।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বিদ্যুৎচালিত দ্রুতগতির মেট্রোরেল উদ্বোধন কাল

বাংলাদেশ প্রবেশ করতে যাচ্ছে আধুনিকতার নতুন এক অধ্যায়ে। দেশের প্রথম বিদ্যুৎচালিত দ্রুতগতির মেট্রোরেল উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বুধবার (২৮ ডিসেম্বর)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেট্রোরেলের এমআরটি-৬ লাইনের দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁও অংশের উদ্বোধন এবং প্রথম যাত্রী হবেন। তবে সাধারণ যাত্রীরা স্বপ্নের মেট্রোরেলে চড়ার সুযোগ পাবে পরদিন ২৯ ডিসেম্বর থেকে। ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পথের আধুনিক ট্রেনে সবগুলো কোচই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। শুরুর দিকে পুরাপুরি অপারেশনে যাচ্ছে না মহানগরীর নতুন এ গণপরিবহন। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, সেখানে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ চার ঘণ্টা চালানো হবে।মেট্রোরেলের উত্তরা দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশে মোট ৯টি স্টেশন। এগুলো হলো- উত্তরা উত্তর (দিয়াবাড়ী), উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর ১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া ও আগারগাঁও। তবে শুরুতে কোনও স্টেশনে দাঁড়াবে না মেট্রো। দিয়াবাড়ী থেকে শুরু করে আগারগাঁওয়ে শেষ করবে। প্রতি ১০ মিনিট পর পর উভয়প্রান্ত থেকে চলাচল করবে শহরের সবচেয়ে আধুনিক এ বাহন।এদিকে উদ্বোধনের আগে সবগুলো মেট্রো স্টেশন সার্বিক প্রস্তুতি মোটামুটি শেষ হয়েছে। বিশেষ করে আগারগাঁও উত্তরা দিয়াবাড়ী স্টেশন বেশ পরিপাটি করে সাজানো হয়েছে। বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর নিজের প্রথম যাত্রী হয়ে যাবেন উত্তরা দিয়াবাড়ি স্টেশনে।মিরপুরবাসী দীর্ঘভোগান্তি-ত্যাগ শেষে মেট্রোরেলের উদ্বোধন হতে যাওয়ায় বেশ উচ্ছ্বসিত এখানকার বাসিন্দারা। তারা বলছেন, স্বপ্নের এ মেট্রোরেল তাদের প্রতিদিনকার জীবনকে আরও সহজ করে দেবে।এ বিষয়ে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ চার ঘণ্টা চালানো হবে। প্রথমদিকে মেট্রোরেল কোনো স্টেশনে দাঁড়াবে না। উত্তরা থেকে একটি ট্রেন আর একটি ট্রেন আগারগাঁও স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করবে। উভয় দিকে ট্রেনগুলো প্রতি ১০ মিনিট পর পর চলাচল করবে।তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রত্যাশা হলো তিন মাস পরে, সেটি ২৬ মার্চও হতে পারে। আমরা ওইদিন থেকে পূর্ণ অপারেশনে যাব। এই সময়ের মধ্যে মানুষ মেট্রোরেলের চড়ায় অভ্যস্ত হয়ে যাবে এটা আমাদের বিশ্বাস। শুরুতে মেট্রোরেল পূর্ণাঙ্গ অপারেশনে যাচ্ছে না।এমআরটি-৬ লাইনের জন্য ২৪ সেট ট্রেন কেনা হচ্ছে জাপান থেকে। এরই মধ্যে ১৯টি ট্রেন এসেছে। ১৯ ধরনের পরীক্ষা চলছে সেগুলোর। পারফরম্যান্স টেস্ট, ট্রায়াল রান ও ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট শেষ হওয়া ১০টি ট্রেন চলবে দিয়াবাড়ী-আগারগাঁও অংশে। আর দুটি রিজার্ভ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে শুরুতে পাঁচটি ট্রেন চলবে।আগামী মার্চে মেট্রোরেল পুরোপুরি বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যাওয়ার পর স্টেশনে মাত্র ৩০ সেকেন্ড যাত্রাবিরতি করবে। ডিএমটিসিএলের তথ্য মতে, যাত্রীদের অভ্যস্ত হতে শুরুর দিকে বাড়তি সময় দেওয়া হবে। দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁওয়ের ভাড়া ৬০ টাকা, কিলোমিটার প্রতি ভাড়া ৫ টাকা। মেট্রোরেলের সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ২ হাজার ৩০৮ জন হলেও শুরুর দিকে প্রতিটি ট্রেন ১০০ থেকে ৩৫০ যাত্রী নিয়ে চলবে। মেট্রোরেলের ছয় বগির ট্রেনের দুই দিকেই থাকবে ট্রেইলার কোচ। মেট্রোরেলে প্রতিটি ট্রেনে একটি করে বগি নারী যাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তবে নারী যাত্রীরা সাধারণ বগিতেও ভ্রমণ করতে পারবেন। জানা যায়, এমআরটি-৬ প্রকল্প সরকারের অনুমোদন পায় ২০১২ সালে। ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরে মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। পরে তা ধাপে ধাপে বেড়ে হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। এরমধ্যে জাইকা ঋণ দিচ্ছে ১৯ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা। সবশেষ ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বেড়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় ৩ সেক্টরে দ্রুত বিদেশি কর্মী নিয়োগের তাগিদ

মালয়েশিয়ায় তিন সেক্টরে দ্রুত বিদেশি কর্মী নিয়োগে এগোচ্ছে সরকার। কৃষি, পরিষেবা এবং নির্মাণখাতের সেক্টরগুলোতে বিদেশিকর্মী নিয়োগের আবেদন দ্রুত সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে।বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করার পর পেরদানা পুত্রায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তিনটি খাতকে অবশ্যই জোর দিতে হবে কারণ দেরিতে অনুমোদনের ফলে স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের মুখ্য সচিব এবং আমি এটিকে সহজ করব। যেন আবেদনের অনুমোদন দ্রুত করা যায়। তিনি বলেন, উৎপাদক এবং বিনিয়োগকারীরা এসে জিজ্ঞাসা করেছেন। সুতরাং, আমাদের অবশ্যই এটি খতিয়ে দেখে শুরু করতে হবে যেন অনুমোদনের গতি বৃদ্ধি পায় এবং আগের তুলনায় আরও কার্যকর হয়।এদিকে, মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি. শিবকুমার বলেন, মন্ত্রণালয় শ্রম ঘাটতির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং এটি মন্ত্রিসভায় আলোচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রক্রিয়াগুলোকে গতিশীল করতে এবং দ্রুত পর্যাপ্ত শ্রম সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও কাজ করবে।তিনি যোগ করেন, এ পর্যন্ত ৭০ হাজার বিদেশি কর্মীর আবেদন মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় অনুমোদন করেছে। প্রদত্ত অনুমোদনগুলোর মধ্যে নির্মাণ, পরিষেবা এবং কৃষিখাত রয়েছে। কার্যকর হচ্ছে কর্মসংস্থান আইন: কর্মসংস্থান আইন ১৯৫৫ (সংশোধন) ২০২২, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হচ্ছে। ২১ ডিসেম্বর মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি. শিবকুমার বলেছেন, কর্মসংস্থান আইন ১৯৫৫ (সংশোধন) ২০২২ এর সংশোধিত বিধি প্রয়োগ স্থগিত করা হয়েছিল, এখন ১ জানুয়ারি, ২০২৩-এ কার্যকর করা হবে।মন্ত্রী বলেছেন, যদিও স্থগিতকরণের সময়কাল বাড়ানোর জন্য শিল্প মালিকদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছিল, আইনটির সংশোধনী কার্যকর করারও প্রয়োজন ছিলতিনি মনে করেন বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে যাওয়া উচিত কারণ এই আইনটি এরই মধ্যে সংসদে পাস হয়েছে এবং বেশিরভাগ সংশোধনী আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) কনভেনশনের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।গত ২৬ আগস্ট, তৎকালীন মানবসম্পদমন্ত্রী এম. সারাভানান কর্মসংস্থান আইন ১৯৫৫-এর সংশোধনী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত স্থগিত করার ঘোষণা দেন। সংশোধনী অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে কর্মঘণ্টা ৪৮ থেকে ৪৫ ঘণ্টায় কমিয়ে আনার পাশাপাশি, মাতৃত্বকালীন ছুটি ৬০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৯৮ দিন এবং পিতৃত্বকালীন ছুটি তিন দিন থেকে বাড়িয়ে সাত দিন করা হয়েছে। শিবকুমার বলেন, এমপ্লয়মেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৫-এর সংশোধনীর অধীনে, নিয়োগকর্তাদের ৬০ক (৪) ধারা অনুযায়ী বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য অবশ্যই ডিপার্টমেন্ট অব লেবার পেনিনসুলার মালয়েশিয়ার (জেটিকেএসএম) ডিরেক্টর-জেনারেল থেকে অনুমোদন নিতে হবে। তার মতে, মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগকর্তাদের শ্রমের মান নিশ্চিত করতে ধারা ৬০ক (৪) কাজ করবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সৌদি নারীর মৃত্যু, বাংলাদেশ ও ভারতের দুই ব্যক্তিকে জরিমানা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সৌদি নারীর মৃত্যুর ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত বাংলাদেশ ও ভারতের দুই ব্যক্তিকে চার লাখ দিরহাম ক্ষতিপূরণ (ব্লাড মানি) দিতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকার সমান। আবুধাবিভিত্তিক সংবাদপত্র দ্য ন্যাশনাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। গত ৩ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের আল-বারশা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল। দুর্ঘটনায় দুজন নিহত ও চারজন আহত হন। এ ঘটনায় গত সোমবার দুবাইয়ের একটি আদালত বাংলাদেশ ও ভারতের দুই নাগরিককে দোষী সাব্যস্ত করে সাজার রায় ঘোষণা করেন। দুজনই পেশায় গাড়িচালক। তাঁদের নাম প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। তাঁদের বয়স ৪৮ বছর। আদালত বাংলাদেশিকে ১০ হাজার দিরহাম জরিমানা করেছেন। এ ছাড়া ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের পরিবারকে ৩ লাখ ২০ হাজার দিরহাম ক্ষতিপূরণ (ব্লাড মানি) দেওয়ার জন্য তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স তিন মাসের জন্য স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে ভারতীয় ব্যক্তিকে দুই হাজার দিরহাম জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁকে ৮০ হাজার দিরহাম ব্লাড মানি দিতে বলা হয়েছে। দুবাই ট্রাফিক কোর্টের নথি অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্ত হওয়া উভয় ব্যক্তি ঘটনার দিন বেপরোয়াভাবে তাঁদের গাড়ি চালিয়েছিলেন। দুর্ঘটনাটি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশি ব্যক্তি প্রধান সড়কের মাঝখানে তাঁর গাড়ি থামিয়ে উল্টো দিকে যেতে শুরু করেন। ভারতীয় ব্যক্তি অপর একটি গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তিনি বাংলাদেশি চালকের গাড়িটি দেখতে পাননি। এ সময় দুই গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে দুটি গাড়িই তৃতীয় একটি গাড়িকে ধাক্কা দেয়। তৃতীয় গাড়িতে সৌদি আরবের একটি পরিবার ছিল, যারা দুর্ঘটনায় হতাহত হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় দুই সৌদি নারী গুরুতরভাবে আহত হন। ঘটনার পরপরই তাঁরা মারা যান। পরিবারটির অপর চার সদস্য আহত হন। আসামিরা আহত হয়েছিলেন কি না, তা জানা যায়নি। আদালতে দুই আসামি তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তাঁরা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চান। কিন্তু বিচারে তাঁরা দোষী সাব্যস্ত হন।

post
এনআরবি বিশ্ব

থাকব ভালো, রাখব ভালো দেশ; বৈধপথে প্রবাসী আয়-গড়ব বাংলাদেশ

‘থাকব ভালো, রাখব ভালো দেশ; বৈধ পথে প্রবাসী আয়-গড়ব বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে মিশরের রাজধানী কায়রোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস।সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির পর শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিটে মনিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।ঢাকা থেকে পাঠানো রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানোর পর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন, মিশরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও প্রধান অতিথি (সদ্য অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব) খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের উপস্থিতিতে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের ওপর বক্তব্য দেন দূতালয় প্রধান ও শ্রম কল্যাণ উইংয়ের কাউন্সিলর (শ্রম) মুহাম্মদ ইসমাইল হুসাইন।মিশরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শক প্রবাসী বাংলাদেশি কাজী নূরে আলম বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও দক্ষ হয়ে বিদেশ যেতে হবে। বাংলাদেশ থেকে যারা বিদেশ গমন করেন তাদের ঠিকমত বেতন-ভাতা দেওয়া হয় না, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা কাজ করানোর পরও অতিরিক্ত সময় কাজ করান, বিনিময়ে অর্থ পরিশোধ করেন না। বাংলাদেশি কর্মীরা অনেক অবহেলার শিকার হন। বাংলাদেশিদের বিদেশযাত্রার আগে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, গমনকৃত দেশের ভাষা, কাজের ক্ষেত্র এবং বেতন-ভাতা সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা প্রয়োজন মর্মে উল্লেখ করেন।কাউন্সেলর (শ্রম) মুহাম্মদ ইসমাইল হুসাইন আগত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, সরকার রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের কল্যাণে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রবাসী কর্মীকে গন্তব্য দেশের উন্নয়ন, নিজেদের দেশের পরিবার উন্নয়ন তথা জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।তিনি উপস্থিত প্রবাসী কর্মীদের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্যপদের সুবিধাসমূহ অনিবন্ধিতদের নিবন্ধিত হওয়ার অনুরোধ করে পদ্ধতি সহজীকরণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

post
বাংলাদেশ

'বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেতে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদের প্রয়োজন নেই'

এখন থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেতে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদের প্রয়োজন নেই। ১৮ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পরে প্রবাসীদের অবগত করাতে বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডন একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন থেকে যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশি নাগরিকসহ দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্ম পর্যন্ত বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বহাল থাকবে বিধায় তাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেতে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদের প্রয়োজন নেই। দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিকরা শুধুমাত্র জন্মনিবন্ধন সনদ এবং পিতা/মাতার বাংলাদেশি পাসপোর্টের ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিতে পারবেন। এর আগে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর ব্রিটিশ-বাংলাদেশি দ্বৈত নাগরিকদের সন্তানদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রাপ্তির ক্ষেত্রে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদ বাধ্যতামূলক ছিল। পরে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে চিঠি চালাচালি চলে। যোগাযোগও অব্যাহত রাখা হয় দুই দেশের উচ্চ পর্যায় থেকে।

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় রেমিট্যান্সে অবদান রাখায় সম্মাননা পদক পেলেন ৯ প্রবাসী বাংলাদেশি

মালয়েশিয়া থেকে দেশে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠিয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ প্রবাসী বাংলাদেশি পেলেন সম্মাননা পদক। বৈধ চ্যানেলে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠাতে উদ্বুদ্ধ করতে তাদেরকে এই সম্মাননা দিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন— মো. মকবুল হোসাইন মুকুল, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. ফয়সাল আহমেদ, আহমেদ সাদী ইয়ামিন, মো. হাবিব, জামান মোহাম্মদ বাহাদুর খাঁন, মো. আমিনুর রহমান, আলি আহমেদ এবং মো. আব্দুছ ছাবুর। গত রোববার মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং-এ একটি হোটেলে আয়োজিত আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সম্মাননা পদক ও সনদ তুলে দেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার। অনুষ্ঠানে হাইকমিশন কর্মকর্তা, মালয়েশিয়া সরকারের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও অভিবাসী কর্মী নিয়োগ কর্তা এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি নেতাসহ ৩ শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, 'মেধা, শ্রম ও দক্ষতার জন্য মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের বেশ সুনাম রয়েছে। পাশাপাশি তারা রেমিট্যান্সের মাধ্যমে দেশের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। গত বছর প্রায় ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়ে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেন মালয়েশিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিরা।' তিনি জানান, রিহিয়ারিং প্রোগ্রামের আওতায় বৈধতাপ্রাপ্তদের জন্য ৬ নং ভিসা দ্রুত দেওয়ার জন্য কূটনৈতিক যোগাযোগে মালয়েশিয়া সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ বছর মালয়েশিয়াতে ৭২৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৬৬০ জনের মরদেহ বাংলাদেশ হাইকমিশন ও তাদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দেশে পরিবারের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং করোনা আক্রান্ত হওয়ায় বাকি ৬৪ জনকে মালয়েশিয়াতে সমাধিস্থ করা হয়েছে। আরও জানানো হয়, বাংলাদেশি কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে দেশটির সোশ্যাল সিকিউরিটি অর্গানাইজেশনের মাধ্যমে ৬ হাজার ৪০৮ জন কর্মী ও তাদের পরিবারকে ২ কোটি ২৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ এবং অন্য সুবিধাদি দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়ার শ্রম অধিদপ্তর থেকে ক্ষতিপূরণ বাবদ পাওয়া ৬০ লাখ রিঙ্গিত বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। পোস্ট অফিসের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ১ লাখ ১৫ হাজার পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া, মালয়েশিয়া থেকে দ্রুত দেশে পাঠাতে অনিয়মিত ৩ হাজার ৫০ জন এবং জেল ও ক্যাম্পে থাকা ১ হাজার ৩০৬ জন বাংলাদেশিকে হাইকমিশন থেকে ট্রাভেল পারমিট প্রদান করা হয়েছে।

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো পোস্ট গ্রাজুয়েশন অন নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশনের অরিয়েন্টেশন ক্লাশ

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এর তত্ত্বাবধানে পোষ্ট গ্রাজুয়েশন অন নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশন এর ৬ষ্ট ব্যাচের অরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।২০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাজধানীর পান্থপথ গুডলাক সেন্টারের পিপলএনটেক ক্লাসরুমে এ অরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়।কোর্সটি পরিচালনা করবেন ইন্ডাস্ট্রিতে নেটওয়ার্কিং সেক্টর নিয়ে দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞ মেন্টর কাজী মাহমুদুল হক। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির তত্ত্বাবধায়নে ১ বছর মেয়াদী পোষ্ট গ্রাজুয়েশন অন নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশন কোর্সটির অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে এ উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন, চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ, সহকারী ব্যবস্থাপক (অপারেশন) শেখ আহমেদ ও পিপলএনটেকের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় শেষে কোর্সের খুঁটিনাটি বিষয়ে এবং ক্যারিয়ার ডেভলপমেন্ট বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হয়।কোর্সটির রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ https://forms.gle/mXuR1FkRp8Xp6iSS8বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন –01799 44665501611 446699১৫১/৭, গুডলাক সেন্টার(৭ম ও ৮ম তলা), পান্থপথ সিগন্যাল, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২০৫ভিজিট করুনঃ https://www.peoplentech.com.bdনিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুনঃ- YouTube: youtube.com/channel/UCFsCGU6vp4LApX1wzf0dpUQ- Facebook Page: https://facebook.com/peoplentech/

post
বাংলাদেশ

‘আমাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খুব ভালো’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো। সম্পর্ক ভালো থাকার কারণে বাংলাদেশকে পরামর্শ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে (বিআইআইএসএস-বিস) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ মন্তব্য করেন। তিনি এদিন বিস আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহীনবাগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে একদল লোক ঘিরে ধরেছিলেন। ওই ঘটনাকে ঘিরে নিরাপত্তার উদ্বেগ জানাতে রাষ্ট্রদূত সরাসরি অনুষ্ঠানস্থল থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে যান। ১৫ ডিসেম্বর এ নিয়ে উদ্বেগ জানাতে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরানে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে ডাকা হয়েছিল। পিটার হাসকে ঘিরে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে সম্পর্কে টানাপোড়েন কিংবা নতুন নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা আছে কি না, জানতে চাইলে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমাদের আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। আমেরিকা যাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে চায় তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। মনে আছে মোদির ওপর তারা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। সুতরাং আমেরিকা হাজার হাজার নিষেধাজ্ঞা দেয়। বড় লোকেরা হাজার হাজার নিষেধাজ্ঞা দেয়। এগুলো এক দিকে আসে, আরেক দিক দিয়ে যায়। তাই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আমরা মোটেও আতঙ্কিত নই।’ সঙ্গে সাম্প্রতিক সম্পর্কের ব্যাপকতা বোঝাতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের সঙ্গে আমেরিকার খুব ভালো সম্পর্ক। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক যুক্ততা আমাদের। এ বছর দুই দেশের মধ্যে সব মিলিয়ে অন্তত ১৬টা বৈঠক হয়েছে। আমাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালো বলেই আমাদের পরামর্শ দেয়। এটা ভালো। এতে আতঙ্কের আর আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস তাদের ভ্রমণ সতর্ক বার্তা হালনাগাদ করেছে। এ নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘সেটা (ভ্রমণ সতর্ক বার্তা) ওদের দায়দায়িত্ব এড়ানোর জন্য। তাদের লোকজন এখানে এসে যদি আহত হয় তাহলে যাতে দূতাবাসের দায়িত্ব নিতে না হয়। এটাতে দোষের কিছু নেই। আর বিষয়টি আপনারা বরং তাদেরই জিজ্ঞাসা করেন। আপনি (সাংবাদিক) কি দেশে কোন আতঙ্ক দেখেন? তাহলে আপনি এটা নিয়ে এত আতঙ্কিত কেন?’

post
খেলা

এমবাপ্পেদের ‘জাতীয় বীর’ হিসাবে বরণ করল ফরাসিরা

বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে গেলেও নিজ দেশে বীরের সম্মান পাচ্ছেন এমবাপ্পেরা। তাদের এ হারকে ‘বীরত্বপূর্ণ পরাজয়’ আখ্যা দিচ্ছেন ফরাসিরা। তাই তো তাদেরকে বীরের বেশেই বরণ করে নিয়েছে তারা।ফ্রান্স ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছে— জাতীয় বীরদের বরণ করছি। ২০১৮ সালে এই মঞ্চে তাদের সঙ্গে ছিল বিশ্বকাপের ট্রফি, এবার নেই। তাতে কষ্ট থাকলেও নেই আক্ষেপ। কারণ মাঠে নিজেদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিয়েছেন ফরাসি ফুটবলাররা। আর তাদের প্রচেষ্টা মন ছুঁয়েছে ফ্রান্সবাসীর। এজন্য বীরদের ঠিক বীরের বেশেই বরণ করে নিয়েছে ফ্রান্স। সঙ্গে প্যারিসের রাস্তায় ছিল ৫০ হাজার সমর্থক। সোমবার রাতে ফ্রান্সে পা রাখেন দিদিয়ের দেশম, হুগো লরিসরা। তখন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচণ্ড শীতেও সমর্থকদের ছিল বাঁধভাঙা উল্লাস। প্যারিসের ডি লা কনকর্ডে খেলোয়াড়দের সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। যেখানে উষ্ণ ভালোবাসায় সিক্ত হন এমবাপ্পেরা। গ্রিজম্যান, কোম্যান, কামাভিঙ্গেসহ প্রায় সব খেলোয়াড়ের মুখেই হাসি ছিল। সমর্থকদের ভালোবাসায় হয়তো ভুলে গিয়েছিলেন বিশ্বকাপের মুকুটের কথা। হাত নেড়ে ভালোবাসা ফিরিয়ে দেন তারাও। কিন্তু এখানেও বিমর্ষ ছিলেন এমবাপ্পে। মুখে এক চিলতে হাসি ছিল না। গোল্ডেন বুট পেলেও এমবাপ্পের নজরে ছিল টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। ২৩ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড সেভাবেই পারফর্ম করেছিলেন। কিন্তু ভাগ্য সহায় না থাকায় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পাওয়া হয়নি তরুণ সুপারস্টারের। হাত নেড়ে, চুমু উড়িয়ে সমর্থকদের ভালোবাসার জবাব দিলেও তাকে এক মুহূর্তের জন্যও হাসিমুখে দেখা যায়নি। শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার কষ্টটা এখনো রয়ে গেছে এমবাপ্পের মনে। উল্লেখ্য, রোববার রাতে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় ফ্রান্সের। নির্ধারিত সময়ের খেলা ২-২ গোলে ড্র থাকায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। পরবর্তী ৩০ মিনিটেও খেলা ৩-৩ গোলে সমতায় শেষ হয়। এর পর টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হেরে যায় ফ্রান্স। সূত্র: বিবিসি

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.