post
খেলা

বিশ্বকাপ শেষ সাকিবের

বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটিতে আঙুলে চোট পেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। জানা গেছে, সেই চোটে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয়ে গেছে। এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ের সময় বাঁ-হাতের আঙুলে চোট পান সাকিব। এরপরও নিজের বোলিং কোটা পূরণ করেন, তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ ২টি উইকেট। এরপর ব্যাট হাতে খেলেন ৮২ রানের দারুণ এক ইনিংস। ম্যাচ শেষে পাওয়া এক্স-রে রিপোর্ট বলছে তার আঙুলে চিড় ধরেছে। তিনি পরের ম্যাচ খেলতে পারবেন না। ফলে এবারের বিশ্বকাপ তার জন্য এখানেই শেষ হয়ে গেল। আজ মঙ্গলবার দেশে ফিরে আসছেন তিনি। সাকিবের ইনজুরি নিয়ে জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজীদুল ইসলাম বলেন, ‘ইনিংসের শুরুতে সাকিব তার বাঁ হাতের তর্জনীতে আঘাত পান। পরে হাতে টেপ পেঁচিয়ে ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে তিনি ব্যাটিং চালিয়ে যান।’ বিশ্বকাপ চলাকালে এর আগেও একবার ইনজুরিতে পড়েছিলেন সাকিব। মিস করেন ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ। ‘ম্যাচ শেষে দিল্লিতে তার হাতে জরুরি এক্স-রে করা হয়। সেখানে দেখা যায় তার বাঁ হাতের পিপ জয়েন্টে চিড় ধরেছে। সুস্থ হতে সাকিবের তিন থেকে চার সপ্তাহ লাগবে। আজকেই পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে দেশে ফিরে যাচ্ছেন সাকিব’, যোগ করেন বিসিবির ফিজিও। সাকিবের ইনজুরির ফলে বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে নিয়মিত অধিনায়ককে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। আগামী ১১ নভেম্বর টাইগাররা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলবে। টুর্নামেন্টজুড়ে বড় ইনিংস খেলতে না পারা সাকিব গতকালই প্রথম ফিফটি পেয়েছিলেন। অলরাউন্ড নৈপুণ্যের কারণে ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপের শুরুতেও একবার চোটে পড়েছিলেন সাকিব। ফুটবল নিয়ে দলের অনুশীলন চলাকালে তিনি পায়ে ব্যথা পান। যদিও প্রস্তুতি ম্যাচে না থাকা বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার বিশ্বকাপের শুরুর তিন ম্যাচ খেলেছেন। পরে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ম্যাচে আবারও চোট পান সাকিব। এরপর ভারতের সঙ্গে ম্যাচটিতে তিনি একাদশে ছিলেন না। বিশ্বকাপ চলাকালে এর আগে ২৫ অক্টোবর ঢাকায় এসেছিলেন সাকিব। তার সেই সফর নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। পরে জানা যায়, রানখরায় ভোগায় শৈশবের কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিমের সঙ্গে ব্যাটিং নিয়ে কাজ করতে তিনি পা রাখেন ঢাকায়। তিনি ফাহিমের অধীনে দুদিন মিরপুুরে অনুশীলনও করেন। পরে তিন দিনের ছুটি সংক্ষিপ্ত করে দ্বিতীয় দিন সন্ধ্যায় কলকাতায় দলের সঙ্গে যোগ দেন টাইগার অধিনায়ক।

post
সংবাদ

স্বাস্থ্যখাতে জনবলের সংকট : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়নে জনবলের সংকট সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ, তবে এরপরও স্বাস্থ্যসেবা দেশের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে- বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।সোমবার সকালে সচিবালয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে সায়মা ওয়াজেদের বিজয়লাভ ও বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম কালাজ্বর ও ফাইলেরিয়া মুক্ত হওয়া উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সবধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে স্বাস্থ্যখাত এগিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

post
শিক্ষা

উন্নয়নের ছোঁয়ায় সিরাজগঞ্জের স্মার্ট ক্লাসরুমে চলছে পাঠদান

সরকারের নেয়া উন্নয়ন কর্মসূচিতে বদলে গেছে সিরাজগঞ্জের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিত্র। জরাজীর্ণ শ্রেণীকক্ষ আর টিনশেড ভবনের পরিবর্তে তৈরী করা হয়েছে অত্যাধুনিক ভবন। নানা সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি স্মার্ট ক্লাস রুম আর আধুনিক শিক্ষা সরঞ্জামে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে দারুন এক শিক্ষার পরিবেশ। ফলে বিদ্যালয়গুলোতে বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। সিরাজগঞ্জ শহরের যমুনা নদীর বেড়িবাঁধ এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মল্লিকা ছানাউল্লাহ আনছারী উচ্চ বিদ্যালয়। রামগাতি গ্রামে ৪ টি টিনের ঘর নিয়ে শুরু হওয়া এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীও ছিল কম।তবে সময়ের ব্যাবধানে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিতে নবনির্মিত বিদ্যালয় ভবন বদলে দিয়েছে এর চেহারা। স্মার্ট ক্লাসরুমসহ দেয়া হয়েছে আধুনিক সব শিক্ষা সরঞ্জামও। এদিকে, শিয়ালকোল ইউনিয়নের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার পরিবেশও এখন উন্নত হয়েছে, বেড়েছে শিক্ষার্থী সংখ্যা। শুধু এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, জেলার প্রায়সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিসিটিভির আওতায় নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এছাড়ারাও বহুতল ভবনে ডিজিটাল ল্যাব, কিশোরীক্লাব নিশ্চিত করছেন জেলা শিক্ষা প্রশাসন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমানের তথ্যমতে,বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদে ৩৭৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণ কাজ শেষে হস্তান্তর করা হয়েছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নে শিক্ষা ব্যবস্থাই পরিবর্তন হয়ে বলে জানান,সিরাজগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না।জেলার ৯টি উপজেলায় মোট ৭২৯টি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়,মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ ও নানা আধুনিক সুযোগ সুবিধা ।

post
বাংলাদেশ

মেট্রোরেলে যাতায়াতে বাড়বে কাজের গতি, ত্বরান্বিত হবে অর্থনীতি

বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার একটি মর্যাদার প্রতীক ‘মেট্রোরেল’। রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থার আশীর্বাদ হয়ে আসা মেট্রোরেলের ফলে, কর্মস্থলগামী যাত্রীদের রাস্তায় দীর্ঘসময় আটকে থেকে শ্রমঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে না। যার প্রভাবে বাড়বে কাজের গতি, ত্বরান্বিত হবে সামগ্রিক অর্থনীতি। সেইসাথে পরিবেশবান্ধব এই গণপরিবহন সেবায়, যানজটের নগরীতে রাজধানীবাসী পাচ্ছে স্বস্তিময় যাত্রায় নতুন রূপ। রাজধানী ঢাকার নাগরিক জীবনে সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় হয়ে যায় যানজটে আটকে। নগরবাসীকে সেই ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিয়েছে আধুনিক যুগের গণপরিবহন সেবা মেট্রেরেল। যার ফল এরইমধ্যে পাচ্ছেন যাত্রীরা, সেইসাথে সম্প্রতি মেট্রোরেল পূর্ণ সক্ষমতা নিয়ে পৌঁছেছে বাণিজ্যিক কেন্দ্র মতিঝিল পর্যন্ত।এমআরটি লাইন-৬ সম্পূর্ণ অংশ চালু হওয়ার পর দৈনিক যাত্রা সময় ব্যয় বাবদ প্রায় ৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং যানবাহন পরিচালন ব্যয় বাবদ প্রায় ১ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা সাশ্রয় হবে। যা বছরের হিসেবে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া সড়কে যানজটে যে পরিমাণ জ্বালানির অপচয় হতো, তাও হ্রাস পাবে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিদিন প্রায় লাখো মানুষ মেট্রোরেলে যাতায়াত করছেন। রাজধানীর উত্তরা ও মিরপুরের আবাসিক এলাকা থেকে কর্মস্থল অভিমুখে মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় বাসে করে যেতে যেখানে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লাগে, সেখানে মেট্রোরেলে তা সম্ভব হচ্ছে সর্বোচ্চ আধাঘন্টায়। এতে করে যাতায়াতকারী পাচ্ছেন অতিরিক্ত কর্মসময়। প্রতিদিন সর্বমোট প্রায় ৩ লাখ ঘণ্টা যোগ হচ্ছে কর্মস্থলে। যা শক্তিশালী করবে সামগ্রিক অর্থনীতিকে। পরিবেশবিদ অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার মনে করেন, মেট্রোরেলের ফলে নিচের সড়কেও যানবাহনের চাপ কমানো সম্ভব হবে । এছাড়া মেট্রোরেলে নেই শব্দ দুষণ এবং বায়ু দূষণ। তাই পরিবেশবান্ধব এই যাত্রীসেবা রাজধানীকে রাখছে সুরক্ষিত এমনটাও মনে করেন এই পরিবেশবিদ। মেট্রোরেলে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত যেতে ভাড়া ১০০ টাকা। আর স্বল্প দূরত্বে যেতে স্টেশন-টু-স্টেশন ন্যূনতম ভাড়া ২০ টাকা।##

post
বাংলাদেশ

বিএনপি-জামায়াতের অবরোধে সোমবারেও ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ

বিএনপি-জামায়াতের অবরোধে আজও দেশের বিভিন্নস্থানে ভাংচুর-অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।বরিশাল নগরীর ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্রদলের কর্মীরা। এদিকে, গাজীপুরে অবরোধ চলাকালে পৃথকস্থানে ৩টি পরিবহনে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার ভোরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুরে একটি বাসে,পরে বিলাশপুর এলাকায় একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে ঈশ্বরদী রেলগেটে পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরণ,রেললাইনে অগ্নিসংযোগ ও একটি ট্রাকের গ্লাস ভাংচুর করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এছাড়াও, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার জেলখানা মোড়ে রাস্তা অবরোধ করে টায়ার জ্বালানো হয়। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ও মদনপুর এলাকায় পেট্রোল দিয়ে অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা।

post
সংবাদ

বিএনপির হামলা ঠেকাতে নেতাকর্মীদের সতর্ক পাহারার নির্দেশ :ওবায়দুল কাদের

সিলেটে প্রথম জনসভার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারনা শুরু করবে আওয়ামী লীগ। এমনটা জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। যারা নির্বাচনের মাঠে থাকবে তাদের সঙ্গেই লড়াই হবে বলেও জানান তিনি। সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি সিলেটের বালাগঞ্জে নির্মাণাধীন ভাঙ্গাপুর সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন,অবরোধের নামে চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে সরকার হটাতে চায় বিএনপি। তাই দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক পাহারায় থাকতে হবে। নির্বাচন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ চলবে বলেও জানান আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক।

post
খেলা

‘টাইম আউট’ হয়ে বাজে নজির গড়লেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ‘টাইম আউট’ হয়ে বাজে নজির গড়লেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। শ্রীলংকার সাবেক এই অধিনায়ক কোনো বল খেলার আগেই টাইম আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন। ম্যাথিউস যে হেলমেট নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন, তাতে পুরো নিরাপদ বোধ করেননি। পরে তার জন্য আরেকটি হেলমেট নিয়ে আসা হয়। কিন্তু সেটিও উপযুক্ত মনে করেননি ম্যাথিউস। নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যাটসম্যান আউট হয়ে যাওয়ার পর পরবর্তী ব্যাটসম্যানকে ৩ মিনিটের মধ্যে খেলার জন্য প্রস্তুত হতে হয়। কিন্তু ম্যাথিউস তিন মিনিটের মধ্য প্রস্তুত হতে পারেননি। যে কারণে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ম্যাথিউসকে টাইম আউট দিয়েছেন আম্পায়ার। তার বিদায়ে ২৪.২ ওভারে দলীয় ১৩৫ রানে ফেরেন ম্যাথিউস। 

post
লাইফ স্টাইল

জেনে নিন স্ট্রোকের অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো

আমাদের সারা শরীরে যেমন রক্তনালী আছে তেমনি রয়েছে মস্তিষ্কেও। রক্তনালীর মাধ্যমেই মস্তিষ্কে পৌঁছে। মস্তিষ্কের কোষ অত্যন্ত সংবেদনশীল। কোনো কারণে মস্তিষ্কের রক্ত চলাচলে বাধার সৃষ্টি হলে দেখা দেয় সমস্যা। হঠাৎই কার্যকারিতা হারায় মস্তিষ্কের একাংশ। অক্সিজেন ও শর্করা সরবরাহে একটু হেরফের হলেই কোষগুলো মারা যেতে শুরু করে। নালীতে প্লাক (ফ্যাট বা কোলেস্টেরল) জমায় এ সমস্যা দেখা যায়। প্লাক রক্তনালীকে করে দেয় সরু। ফলে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল হয় না এবং স্ট্রোকের ঘটনা ঘটে। স্ট্রোকের সাধারণ কিছু লক্ষণ আছে যা মানুষ সহজেই বুঝতে পারে। তবে কিছু অস্বাভাবিক লক্ষণ আছে যা বোঝা যায় না। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্রোক আপনার মস্তিষ্কের একটি অংশে রক্ত সরবরাহ বন্ধ করে দেয় বা মস্তিষ্কের রক্তনালী ফেটে যায়। এতে মস্তিষ্কের ক্ষতি, দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতা বা এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। স্ট্রোকে আক্রান্ত বেশিরভাগ লোকের বয়স ৬০-এর বেশি। স্ট্রোকের কিছু স্বাভাবিক এবং অস্বাভাবিক লক্ষণ রয়েছে। যদি আপনি বা আপনার আশপাশের কেউ স্ট্রোক করেন তবে অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি। স্ট্রোকের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে- মুখের দুর্বলতা। স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবে হাসতে অক্ষম। হাতের দুর্বলতা সাধারণ উপসর্গের মধ্যে পড়ে। রোগীরা তাদের উভয় বাহু তুলতে পারেন না। তৃতীয় সাধারণ লক্ষণ হলো আক্রান্ত ব্যক্তি স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারেন না। কথা বলতে বা বক্তৃতায় ভুল শব্দ ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি এই লক্ষণগুলোর মধ্যে কোনোটি দেখতে পান তবে অবিলম্বে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। এ সাধারণ লক্ষণগুলো ছাড়াও কিছু অস্বাভাবিক লক্ষণও রয়েছে। স্ট্রোকের অস্বাভাবিক লক্ষণগুলোর মধ্যে শরীরের একপাশে অসাড়তা, ঝাঁকুনি বা সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে। কারও মধ্যে অস্থির চলাফেরা দেখা দিতে পারে অথবা মাথা ঘোরা অনুভব করতে পারেন। কিছু লোক হঠাৎ বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। এ লক্ষণগুলো সরাসরি স্ট্রোকের কারণ হিসেবে নির্দেশ করে না। তবে এড়িয়ে না গিয়ে ওই বিষয় সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য আপনাকে ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করা ভালো।

post
নারী ও শিশু

শীতে চোখের রোগ ও প্রতিকার

শীতে বাতাসে আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা কমে যায় এবং বায়ু দূষণের কারণে চোখ শুকিয়ে যেতে পারে। একে ‘ড্রাই আই’ বলে। চোখের পানির তিনটি অংশ- লিপিড বা চর্বি, অ্যাকুয়াস বা পানি ও মিউসিন বা পিচ্ছিলকারক। শীতে বায়ুমণ্ডল শুষ্ক থাকার জন্য অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস যাকে সাধারণভাবে চোখ ওঠা বলে তাও হতে পারে। এ সময় কিছু ভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় তা চোখকেও সংক্রমণ করে ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস করে। এর ঠিকমতো চিকিৎসা না হলে চোখের কর্নিয়া বা মণিতে গর্ত বা ঘা হতে পারে।একে কর্নিয়াল কেরাটাইসিস বলে। শীতে ঠান্ডা সর্দি হতে দেখা যায়, ফলে নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে। চোখের পানি চোখে তৈরি হয়ে নাক ও নেত্রনালি দিয়ে গলায় চলে যায়। নাক বন্ধ থাকলে চোখ দিয়ে পানি বের হয় এবং চোখে ইরিটেশন করে। শীতকালে দেখা যায়, আমাদের দেশে বাণিজ্যিকভাবে ফল ও ফুলের চাষ হয়। কৃষিকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির কারণে কর্নিয়া আঘাতপ্রাপ্ত হয়। তাই এ কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিরা সতর্ক থাকবেন এবং চোখের যে কোনো ট্রমা বা আঘাতে অতি শিগ্গির নিকটবর্তী চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন। চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়া ও কেতুর জমা চোখের নেত্রনালির মুখ বন্ধ হওয়া যাকে পাংটাল বা অকলুশন বলে, তার ফলে এ সমস্যা হয়। নেত্রনালি বন্ধ হয়ে যাওয়া যাকে ক্রনিক ডেক্রায়োসিস্টাইটিস বলে। ফলে চোখের পানি বাইরে যেতে পারে না এবং চোখ দিয়ে ময়লা বের হয়। অ্যালার্জির কারণেও চোখ দিয়ে পানি পড়ে। এ জন্য সেক প্যাটেনসি টেস্ট কার হয়। এতে পাংটাল বড় করে একটি সিরিঞ্জ দিয়ে ওয়াশ করা হয়, গলা দিয়ে ওষুধ এলে আশা করা যায় চোখ দিয়ে পানি পড়া কমে যাবে। গলা দিয়ে পানি যদি না যায় সে ক্ষেত্রে ‘ডিসিআর’ নামক অপারেশন করা হয়। চিকিৎকরা অনেক ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক আই ড্রপ এবং ন্যাপ্রোসিন আই ওয়েনমেন্ট দিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। চোখ দিয়ে পানি পড়া লাক্রিমেশন বা চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং ইপিফোরা অর্থাৎ চোখ দিয়ে পানি ও কেতুর বের হওয়ার সমস্যা তখনই হয় যখন নেত্রনালি বন্ধ হয়ে যায়। চোখে নিউমোকক্কাস জীবাণুর সংক্রমণ হয় এবং পুঁজ জমে ও কেতুর আসে। চোখ ফুলে অ্যাবসেস বা ফোড়া হয়। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা সার্জারি করার পরামর্শ দেন। সার্জারির ৪-৬ মাস পর রোগী আরোগ্য লাভ করে। চোখ ওঠা চোখ ওঠা রোগকে কনজাংটিভাইটিস বলে। এক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়াল হলে চোখের ড্রপ ও অয়েনমেন্ট দেওয়া হয়। ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত জটিলতা এড়ানোর জন্য অ্যান্টিবায়োটিক আই ড্রপ ও আর্টিফিসিয়াল আই ড্রপ দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসা সময় মতো নিলে চোখ লাল হওয়া কমে যাবে। চোখ লাল হওয়া চোখ লাল হওয়া কোনো রোগ নয় বরং কোনো রোগের কারণে চোখ লাল হয়। কনজিংটিভাইটিস, অ্যালার্জি, কর্নিয়া বা মণিতে ঘা এবং গ্লুকোমা রোগ, ইউভাইটিস থেকে চোখ লাল হয়। কর্নিয়াতে ঘা হলে চোখের মণিতে সাদা অংশ দেখা যায়। এমনটি হলে চোখে ব্যথা করবে ও দৃষ্টিশক্তি কমে যাবে। কিন্তু কনজাংটিভাইটিস হলে দৃষ্টিতে কোনো সমস্যা কিংবা ব্যথা হবে না। এক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কোনোভাবেই ফার্মেসি থেকে স্টেরয়েড ড্রপ নেওয়া যাবে না। এমনটি করলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জীবাণুর প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়ে কর্নিয়া ফুটো হয়ে দৃষ্টিশক্তি নষ্ট যাওয়ার আশংকা থাকে। লেখক : চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন, ভাইস প্রিন্সিপাল, এনাম মেডিকেল কলেজ, সাভার, ঢাকা

post
বাংলাদেশ

সারা দেশে ২২৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিএনপির ডাকা দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের দ্বিতীয় দিনে আধা সামরিক বাহিনীর এই সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হলো। আজ সোমবার সকালে বিজিবি সদরদপ্তরের গণসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়াও, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীতে র‍্যাবের ১৬০টি টহল দলসহ সারা দেশে ৪৬০টি টইল দল মোতায়েন আছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.