post
আন্তর্জাতিক

রেকর্ড পরিমাণ শিক্ষার্থী অ্যাডমিশন নিলো ডব্লিউইউএসটির ফল-২০২৩ কোয়ার্টারে

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডব্লিউইউএসটি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ফল কোয়ার্টারে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন হয়ে গেলো গত ২৭ সেপ্টেম্বর। এতে অংশ নিয়েছেন প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী। বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করছেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে। তাদের মধ্যে নতুন সেমিস্টারে যোগ দিয়েছেন ২১৬ জন শিক্ষার্থী। ২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ২০২৩ এর ফল কোয়ার্টারের ক্লাস। ইনপার্সন ও অনলাইন মিলিয়ে হওয়া এবারের ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের জন্য ছিলো নানা আয়োজন। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় র্কতৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের সামনে ডব্লিউইউএসটির সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের ধারনা দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান থেকে শুরু করে নানা সুযোগ সুবিধা ও নিয়ম নীতির বিষয়ে। নতুন ছাত্রছাত্রীদের সামনে তুলে ধরা হয় ডব্লিউইউএসটি কেন অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তুলনায় ব্যাতিক্রম। ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে পাশে থাকবে সে সব বিষয়ে আলোকপাত করেন ডব্লিউইউএসটির স্কুল অব বিজনেস এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মার্ক এল রবিনসন। শিক্ষার্থীদের সামনে তাদের পড়াশোনার নানা ধরন পরীক্ষার মান বন্টনের বিষয়গুলো বিস্তারিত তুলে ধরেন ড. অ্যাপোসটোলস পল। এই আয়োজনে আরও বক্তব্য রাখেন ডব্লিউইউএসটির মার্কেটিং ডিরেক্টর হোসে ওর্তেগা, স্টুডেন্ট সাকসেস এন্ড ক্যারিয়ার সার্ভিস ম্যানেজার রিচেল রোজ, আইটি ম্যানেজার কাজী বারী, স্টুডেন্ট গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট সেলিন ইয়েগিত। ওরিয়েন্টেশনে নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য ছিলো মজার কুইজের আয়োজন। বিজয়ীদের মাঝে দেয়া হয় পুরস্কার।ওরিয়েন্টেশন শেষে ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাস বিল্ডিংয়ের সামনে নতুন স্টুডেন্টদের সাথে গ্রুপ ফটোসেশন অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্মকর্তা। নতুন সহপাঠীরা একে অপরের সাথে পরিচয় পর্ব সেড়ে গল্পে মেতে উঠেন একেকজন। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০২১ সাল থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও এমবিএ-বিবিএ কোর্সে বর্তমানে বিশ্বের ১২১ দেশের ১৫ শ'র বেশি শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে।

post
বিনোদন

সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গনের সৃষ্টিশীলদের নৃত্য সন্ধ্যা ও সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠান

২৪ সেপ্টেম্বর রবিবার বৃষ্টিমুখর সন্ধ্যায় দর্শক মুগ্ধ করেছে সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গনের একঝাঁক ক্ষুদে নৃত্যশিল্পী। ভরতনাট্যম, মনিপুরী,লোকগাঁথা সব মিলিয়ে অন্যবদ্য পরিবেশনায় আবিষ্ট করেছে সবাইকে। মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের সিলভার স্প্রিং শহরের একটি স্কুল অডিটোরিয়ামে সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গনের শিল্পীরা পরিবেশন করে নাচের নানান মুদ্রার কারিশমা। সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গনের পরিচালক, খ্যাতিসম্পন্ন নৃত্য শিল্পী রোজ মেরী মিতু রিবেরু'র কোরিওগ্রাফি ও পরিচালনায় 'ঝংকার' নৃত্যানুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৃত্যগুরু লায়লা হাসান, কবি আনিস আহমেদ, ড আরিফুল ইসলাম,সাংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব শামীম চৌধুরী, প্রজ্ঞা আহমেদ,কণ্ঠশিল্পী অণিমা মুক্তি গমেজ,রিমি বোসসহ সাংস্কৃতি প্রেমীরা। অনুষ্ঠানে শিশু শিল্পীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করেন লায়লা হাসান। অনুষ্ঠানের শুরুতে আমেরিকা ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। 'ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা' গানের তালে উদ্বোধনী নৃত্য পরিবেশন করেন রোজ মেরী মিতু রিবেরু ও খ্রিস্টিন রোজারিও। শুভেচ্ছা বক্তব্যে রোজ মেরি মিতু সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গনের ইতিকথা তুলে ধরেন। মনিপুরী নৃত্যে অংশগ্রহণ করেন খ্রিস্টিন,লাবিবা, নায়সা ও মিতু। কোরিওগ্রাফি জি এ মান্নান ও পরিচালনায় রোজ মেরী মিতু। খ্রিস্টিন রোজারিও'র কোরিওগ্রাফিতে 'দোল দোল দোলানি নৃত্যে অংশগ্রহন করে ইকরা, অবনতি,ক্লেয়ার,রিসা,রোদেলা ও মৃত্তিকা। চা বাগানের নৃত্য অংশ নেয়- মেঘা, এঞ্জেলিনা, এমিলি ও রিধা। 'বাহাহাল করিয়া' নৃত্যে- মৌমিতা,এভেলিন,অনামিকা,সামান্তা ও দ্রোহী'র পরিবেশনা ছিল অনবদ্ধ। 'হুড়মুড় হুড়মুড় করে মেঘা' নৃত্যে অংশ নেয়- ইকরা, অবনতি,ক্লেয়ার ও রেসা। একক নৃত্য লাবিবা ও নাইসা মোস্তফার পরিবেশনা ছিল চমৎকার। খ্রিস্টিন রোজারিও'র রচনা ও কোরিওগ্রাফিতে নৃত্যনাট্যে অংশ নেয়-এমা,ছোটন,আনিকা,দ্রোহী ও সামান্তা। 'বাইদার ঘরের মেয়েগো আমি' গানের তালে মেঘা পিউরিফিকেশন দর্শকদের চোখ চাপিয়ে দেয় বেদে কন্যার জীবন গাঁথা। নৃত্যের এক ফাঁকে নাচের মুদ্রা ও তাল কি এবং কেমন অভিনয়ের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন ক্ষুদে শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে শেষের দিকে সৃষ্টি নৃত্যাঙ্গনের সকল শিক্ষার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিরতণ করেন নৃত্যগুরু লায়লা হাসান, সহযোগিতায় রোজ মেরী মিতু রিবেরু। ধন্যবাদ ও সমাপনী বক্তব্য রাখেন খ্রিস্টিন রোজারিও।

post
আন্তর্জাতিক

দাবানল ঠেকাতে ছাগল ব্যবহার করছে আমেরিকা

দাবানল মোকাবিলায় ব্যতিক্রমী একটি পথ খুঁজে পেয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া কর্তৃপক্ষ। দাবানল ছড়িয়ে পড়ার বড় কারণ যে ঝোপঝাড়, সেগুলো পরিষ্কার করতে ছাগলের পাল কাজে লাগাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যটি। একপাল ছাগল একদিনে প্রায় এক একর জমি সাফ করে দিতে পারে। তাই দাবানল ছড়িয়ে পড়া কমাতে দারুণ কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব উপায় এটি। বিগত বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ভয়াবহতম দাবানলের যে সব ঘটনা ঘটেছে তা হলো ক্যালিফোর্নিয়ায়। এ প্রসঙ্গে ছাগল পালনকারী মাইকেল চোই বলেন, তার পালে প্রায় ৭০০ ছাগল রয়েছে। সেগুলো দমকল বিভাগ, স্কুলসহ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়। তিনি জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ছাগলের সংখ্যা বাড়াতে হয়েছে তাকে। চোই মনে করেন, এই ধারণা এবং পরিবেশগত প্রভাব সম্পর্কে মানুষ আরও সচেতন হলে তারা আগাছা পরিষ্কার ও ভূমিকে আগুন থেকে রক্ষার জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে, সে সম্পর্কে আরও সচেতন হয়ে উঠবে। চোই আরও যোগ করেন, এই কাজে অতিরিক্ত কোনো পরিশ্রমের দরকার নেই। ছাগলদের কেবল পানি দিলেই চলে। তারা ঘাসযুক্ত সমতল ভূমি কিংবা খাড়া ঢাল, যেকোনো জায়গায় চরতে পারে। ছাগলগুলোকে পাহারা দেওয়ার জন্য একটি প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করেন মাইকেল চোই। তিনি বলেন, মাটি থেকে প্রায় তিন ইঞ্চি পর্যন্ত উচু আগাছা বা ঘাসগুলো পরিস্কার দরকার। ছাগলগুলো প্রায় ততটাই খায়। আর এই প্রক্রিয়ার মধ্যে তারা তাদের মলমূত্র ও খুর দিয়ে মাটির উপকারও করে। ২০২১ সালে মারাত্মক দাবানলের মুখোমুখি হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়া। গত বছর তা কিছুটা ‘হালকা’ ছিল এবং এ বছরের আগস্ট মাস ছিল গড়ের তুলনায় শীতল ও আর্দ্র। এরপরও সেখানকার বিশাল বনভূমি দাবানলে পুড়ে গেছে এবং তাতে অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

post
খেলা

বাদ তামিম, আছেন রিয়াদ, বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা

নানা নাটকিয়তার পর সবার শেষে এসে বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। লম্বা সময় ধরে চলা নানা আলোচনা সমালোচনার পর তামিম ইকবলাকে ছাড়াই ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। তবে দলে আছেন সিনিয়র ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। অধিনয়াক আছেন যথারীতি সাকিব আল হাসান। সোশাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ক্রিকেট বোর্ড। যেখানে দেখা যাচ্ছে ১৫ সদস্যের এই দলের প্রত্যেকের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে জার্সি । বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের এই স্কোয়াডে আছেন: অধিনায়ক সাকিব আল হাসান, লিটন দাস, সহ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, তাওহীদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, নাসুম আহমেদ, শেখ মাহেদী হাসান, তানজিম হাসান সাকিব ও তানজিদ হাসান তামিম। সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের জন্য এটি হতে যাচ্ছে পঞ্চম ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুজনের অভিষেক হয়েছিলো ২০০৭ সালে। তারপর একে একে খেলেছেন ২০১১, ২০১৫, ২০১৯ বিশ্বকাপে। দলের আরেক সিনিয়র ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহরও আছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। খেলেছেন ২০১১ বিশ্বকাপ। আর বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বকাপের সেঞ্চুরির অনন্য রেকর্ডটি তার ২০১৫ ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে। সেঞ্চুরি করেছিলেন পরের ম্যাচেও নিউ জিল‌্যান্ডের বিপক্ষে। ২০১৯ বিশ্বকাপেও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ছিলেন দলে। তবে ব্যাট করেছে সাত নম্বরে। এবার তার বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে হয়ে গেছে অনেক কিছূ। তামিম না থাকলেও সাকিব তার বিশ্বকাপ সফরে দলে পাচ্ছেন এই অভিজ্ঞা কান্ডারীকে। এবারের বিশ্বকাপে তামিমের থাকা না থাকা নিয়ে গত তিন মাস জল অনেক ঘোলা হয়েছে। ক্রিকেট ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন অবসরে। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আবারো ফিরে আসেন আর্ন্তজাতিক ক্রিকেটে। কিন্তু দুদিন আগে হঠাৎ তামিম ঘোষণা দেন ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপের সব ম্যাচ হয়তো তার পক্ষে খেলা সম্ভব হবে না। তার এই কথা ধরে, সব বিচার বিশ্লেষণ শেষে দলের অভিজ্ঞ এই ওপেনারকে ছাড়াই ঘোষণা করা হলো বিশ্বকাপ স্কোয়াড। না হলে এটা হতো তামিমেরও পঞ্চম বিশ্বকাপ। বাকিদের মধ্যে ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা আছে ৬ ক্রিকেটারের। তাসকিন আহমেদ এর আগে সবশেষ ২০১৫ বিশ্বকাপ। এছাড়া প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার রোমাঞ্চে পেতে যাচ্ছেন আছেন তানজিম হাসান সাকিব, তানজিদ হাসান তামিম, শেখ মাহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, তাওহীদ হৃদয়, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। সাকিব মুশফিক রিয়াদের সাথে আছে লিটন দাস মোস্তাফিজ ও মিরাজের মতো অভিজ্ঞরা। ফলে অভিজ্ঞতার বিবেচনা অন্য দলের তুলনায় খুব একটি পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। সাকিবের সহ অধিনায়ক হিসেবে আলাদা দায়িত্ব থাকবে শান্তর কাধে। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ হবে ভারতে। যা শুরু হবে ৭ অক্টোবর থেকে। ৬টি ভেন্যূতে আছে বাংলাদেশের ম্যাচ। তার মধ্যে দুটি ম্যাচ খেলবে ধর্মশালা, পুনে ও কলকাতায়। বাকি তিনটি ম্যাচ খেলবে চেন্নায়, মুম্বাই ও দিল্লীতে।  ধর্মশালায় বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। একই মাঠে তিনদিন পর ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এরপর ধারাবাহিকভাবে বিশ্বকাপের বাকি খেলবে সাকিবরা। ধর্মশালা বাদে সব ধরণের কন্ডিশনই প্রায় বাংলাদেশের কাছাকাছি। ধর্মশালায় অক্টোবরের শুরুতে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা থাকবে। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওই কন্ডিশনে বাংলাদেশ একাধিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। 

post
আন্তর্জাতিক

মানবজাতির কল্যাণে সকল যুদ্ধ ও সংঘাতের পথ পরিহারের আহ্বান শেখ হাসিনার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে যোগ দিতে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১০টা ৪২ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পৌঁছান। ১৬ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে সাধারণ অধিবেশন শুরু হলেও মূল অধিবেশন শুরু হয় ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে। ২২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে সপ্তদশ বারের মতো ইউএনজিএ অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, সরকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং অন্যান্য বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বিষয় তুলে ধরেন।এর আগে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও সাইড ইভেন্টে অংশ নেন। ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশ, কানাডা, গাম্বিয়া, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ‘তারা কি আমাদের ভুলে গেছে?’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের এক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের কাছে চারটি প্রস্তাব তুলে ধরেন। রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের প্রস্তাব বাস্তবায়নের পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান তিনি। একই দিনে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মার্কিন আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়া বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশে আসন্ন দ্বাদশ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ, মানবাধিকার ইস্যু নিয়ে কথা বলেন। এ ছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালকের সঙ্গে বৈঠককালে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে নানা অগ্রগতির তথ্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যবিষয়ক জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য জাতিসংঘের কাছে পাঁচটি প্রস্তাব করেন তিনি। জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।সেইসঙ্গে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রতিনিধি ডাইনিং রুমে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে ইউএনজিএ প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডারদের বার্ষিক সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি জাতিসংঘে নারী মহাসচিব নিয়োগের মাধ্যমে লিঙ্গ সমতা আনার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা দুঃখজনক যে, জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে এখন পর্যন্ত কোনো নারীকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। সময় এসেছে, আমরা শিগগিরই একজনকে পাব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধ ও সংঘাতের পথ পরিহার করে মানবজাতির কল্যাণ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য সকলকে একযোগে কাজ করার জন্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। ২০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।প্রথম সাত দিন হয়েছে উচ্চপর্যায়ের বক্তৃতা, বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৯৩টি দেশের নেতারা এতে অংশগ্রহণ করেন। মূল অধিবেশনে ভাষণের বাইরে আরও অনেক বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। যদিও এই সম্মেলনে জাতিসংঘের ৫টি প্রভাবশালী রাষ্ট্রের মধ্যে ৩টি দেশই অনুপস্থিত ছিল। সবার আগ্রহ ছিলো দেড় বছরের বেশি সময় ধরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসান নিয়ে এবারে ৭৮ তম জাতিসংঘ অধিবেশনে কী আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়। যুদ্ধের এমন পরিস্থিতিতে এবার সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে উপস্থিত হয়ে জেলেনস্কি আবারও বিশ্বকে পাশে চাইলেন। বেশ কিছূ গুরুত্বপূর্ন বৈঠক ও কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দশ দিনব্যাপী জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটন ডিসিতে চলে আসেন ২৩ সেপ্টেম্বর। তার আগে নিউইয়র্কে এক নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির ভাষণে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করবেন এবং ৩ অক্টোবর পর্যন্ত লন্ডনে অবস্থান করবেন। ৪ অক্টোবর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

post
আন্তর্জাতিক

কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবায় বৈশ্বিক সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

কমিউনিটিভিত্তিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা অর্জনের চাবিকাঠি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা বহুপাক্ষিক অর্থায়ন সংস্থাসহ উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতি উন্নয়নশীল বিশ্বে কমিউনিটি-ক্লিনিক স্বাস্থ্য সেবায় তাদের সহায়তার হাত প্রসারিত করার আহ্বান জানাচ্ছি। ১৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে ইউএনজিএ’র ৭৮তম অধিবেশনের সাইডলাইনে ‘শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ অব কমিউনিটি ক্লিনিক: ইনোভেটিভ অ্যাপ্রোচ অ্যাচিভিং ইউনিভার্সেল হেলথ কভারেজ ইনক্লুসিভ অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ডিজঅ্যাবিলিটি’ শীর্ষক উচ্চ-স্তরের সাইড-ইভেন্টের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন ও সর্বজনীন স্বাস্থ্যের বিষয়ে আমাদের সম্মিলিত কাজকে ত্বরান্বিত করার জন্য এই বছর শপথ নেওয়ার সময় আপনাদের উপস্থিতিতে উৎসাহিত বোধ করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘গ্লোবাল সাউথের উদীয়মান কণ্ঠস্বর হিসেবে হিসেবে বাংলাদেশ অর্থপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের সম্ভাব্য উপায় হিসেবে ইস্যুটি চ্যাম্পিয়ন হবে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আগ্রহীদের সঙ্গে উপলব্ধি ও দক্ষতা বিনিময়ে প্রস্তুত আছে। সকল সুখের মূলে রয়েছে স্বাস্থ্য। আমরা কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে চারদিকে আনন্দ ছড়িয়ে দিতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন ‘আমরা আশা করি যে, এই সাইড-ইভেন্ট স্বাস্থ্য ও আমাদের জনগণ ও কমিউনিটির কল্যাণে অভিন্ন অঙ্গীকারের আরেকটি নিদর্শন হয়ে থাকবে।’ শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘২০১৮ সালে পার্লামেন্ট কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ সাপোর্ট ট্রাস্ট অ্যাক্ট পাস হয়েছে। যাতে এর কার্যক্রম ও ফান্ডিং পদ্ধতি আরও সহজ করা যায়।’ স্বাস্থ্যসেবা তৃণমূলে পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি অগ্রাধিকারের কথা ভাবেন। অবশিষ্ট দুটি হলো- মানসিক স্বাস্থ্য ও স্নায়ুবিক ব্যাধির জন্য স্ক্রিনিং ও চিকিৎসা সেবা উন্নত করা, যাতে আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারকে সেবা দেওয়া যায়। এ ছাড়া একটি শক্তিশালী ডাটা-চালিত স্বাস্থ্য ও পুষ্টি কার্যক্রমের জন্য প্রাথমিক বিল্ডিং ব্লক হিসেবে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো ব্যবহার করা যায়। এ সময় ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) বিষয়ভিত্তিক রাষ্ট্রদূত সায়মা ওয়াজেদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. এ কে আবদুল মোমেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, সিনিয়র পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার উপস্থিত ছিলেন।

post
আন্তর্জাতিক

তিন দশকে অনূর্ধ্ব-৫০ বয়সীদের ক্যান্সার বেড়েছে ৮০ শতাংশ: গবেষণা

গত তিন দশকে বিশ্বে ৫০ বছরের নিচে ক্যানসার আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ শতাংশ বেড়েছে। সম্প্রতি এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান।বিএমজে অনকোলজিতে প্রকাশিত ‘১৯৯০ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রারম্ভিক ক্যানসারের ঘটনা, মৃত্যু, চাপ এবং ঝুঁকির কারণের বৈশ্বিক প্রবণতা’ শীর্ষক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৯০ সালে ১৮ লাখ ২০ হাজার মানুষের ক্যানসার শনাক্ত হয়। ২০১৯ সাল এ সংখ্যা বেড়ে ৩২ লাখ ৬০ হাজারে ছাড়িয়েছে। এ সময় ৪০-৩০ বা তার কম বয়সী প্রাপ্তবয়ষ্কদের ক্যানসারে মৃত্যুর হার ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।বিএমজে অনকোলজিতে প্রকাশিত এ গবেষণার লেখকরা ক্যানসারের হার বাড়ার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করেননি। বলা হয়েছে এ বিষয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে খারাপ খাদ্যাভ্যাস, অ্যালকোহল ও তামাক সেবন, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও স্থূলতার প্রভাবকে ক্যানসারের জন্য দায়ী করেছেন তারা।প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ক্যানসার ও এতে মৃত্যু বিশ্বব্যাপী উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, তামাক ও অ্যালকোহল সেবন সীমিতকরণ এবং শারীরিক পরিশ্রমসহ স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যানসারের লাগাম টানতে পারে।

post
এনআরবি লাইফ

ডিএমভির প্রবাসী বাঙ্গালীদের সুরের তালে মাতিয়ে গেলেন ইমরান-কনা ও মিতালী মুখার্জী

ডিএমভির প্রবাসী বাংলাদেশীদের আরও একটি চমৎকার লাইভ কনসার্ট উপহার দিলো একাত্তর ফাউন্ডেশন। সূরের ঝলকে যেখানে দর্শকদের বিমোহিত করেছেন বাংলাদেশ জনপ্রিয় সঙ্গীত শিলাপী ইমরান ও কনা আর দুই বাংলা জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী মিতালী মুখাজী। সেই সাথে মঞ্চ মাতিয়েছেন স্থানীয় শিল্পিরাও। ৯ সেপ্টেম্বর শনিবার ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স হাই স্কুলের থিয়েটার বসেছিলো এই লাইভ কনসার্ট অনুষ্ঠান। বুষ্টির কারণে কিছুটা দেড়ি করে শুরু হলেও ভার্জিনিয়ায় প্রথমবারের মতো ইমরান-কনার পারফরম্যান্স দেখতে অডিটোরিযাম প্রায় পূর্ণ ছিলো দর্শকে। দর্শক সাড়িতে এদিন উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ও ডব্লিউইউএসটির সিএফএ ফারহানা হানিপ। আয়োজক একাত্তর ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শুরুতে দর্শকদের স্বাগত জানান পারভীন পাটোযারী ও কবির পাটোয়ারী। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে পর্দা উঠে অনুষ্ঠানের। এরপরই শুরু হয় লাইভ কনর্সার্ট। পারফর্ম করেন ওয়াশিংটন-ডিসি-মেরিল্যান্ড-ভার্জিনিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশী শিল্পীরা। চমৎকার পারফরম্যান্স করেন শোয়েব রহমান, রকস্টার জনি, মাহিন সুজন ও রিয়েলিটি শো আরটিভির ইয়ংস্টার অর্ণব। এরপর মঞ্চে এসে, সূরের মূর্ছনা ছড়িয় দেন 'এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নাই' খ্যাত শিল্পী মিতালী মুখার্জী। দুই বাংলার জনপ্রিয় এই শিল্পী একে একে গেয়ে শোনান তার কালজয়ী গান 'কেন আশা বেধে রাখি, জীবন নামের রেলগাড়িটা, আমার চন্দনা মরে গেছে কবে। এরপর পারফর্ম করতে আসেন এ প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী কনা। তিনি একে একে গেয়েছেন ধিম তানা বাজে ধিম তানা, ডানা কাটা পরি, রেশমী চুরীসহ আরও কিছু জনপ্রিয় গান। এরপরই মঞ্চে প্রবেশ করেন বাংলাদেশের বর্তমান সময়ে হার্টথ্রুব প্লে-ব্যাক সিঙ্গার ও কম্পোজার ইমরান মাহমুদুল। মুহুর্তের মধ্যেই মাতিয়ে তুলেন দর্শকদের। 'তুই কি আমার হবি রে' শুরু করতেই চেয়ার ছেড়ে দর্শকরা মঞ্চের সামনে জড়ো হতে থাকেন। ইমরানের সবচেয়ে জনপ্রিয় গান 'বলতে গিয়ে মনে হয়' দর্শকেরা তার সঙ্গে গেয়েছেন গলা ছেড়ে চিৎকার করে। সেই থেকে শুরু অনুষ্ঠানের বাকিটা সময় দর্শকরা গেয়েছেন তার সাথে সাথে। অসাধারণ গায়কির সাথে মঞ্চ মাতাতে জুড়ি নেই ইমরানের। তার এই বিশেষণের সাক্ষী হলেন এদিন ভার্জিনিয়ার দর্শকেরা। ইমরানকে দারুন এক সারপ্রাইজ দিয়েছেন আয়োজক পারভীন পাটোয়ারী। প্রথম বারের মতো ভাইয়ের সাথে পারফর্ম করতে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানান, ইমরানের বড় বোন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী রোখসানা পারভীনকে। দুই ভাইবোন মিলে গেয়েছেন 'ও আমার বন্ধু গো, চির সাথী পথ চলার' গানটি। ইমনার-কনার ডুয়েটের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দর্শক মাতানো এই লাইভ কনসার্ট। রিয়েলটর লিটু চৌথুরীর সৌজন্যে একাত্তর ফাইন্ডেশনের পক্ষ থেকে মিতালী মুখার্জী ইমরান ও কনা এই তিন শিল্পীর হাতে তুলে দেয়া হয় বিশেষ সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড। থিয়েটার হলের বাইরেও বসেছিলো বেশ কিছু খাবারের ও কাপড়ের দোকান। কেনাকাটা আর নানা পদের মজাদার খাবার খেয়ে পুরো অনুষ্ঠান দারুন উপভোগ করেছেন দর্শকরা। অনুষ্ঠান শেষে দর্শকদের হাসিমুখ দেখে খুশি পারফরমার থেকে আয়োজক সকলে। জনপ্রিয় শিল্পীদের লাইভ কনসার্ট, দেশীয় এতিহ্যবাহী খাবার, কেনাকাটা, আড্ডা সব মিলিয়ে দারুন একটি ছুটির দিন কাটালো ভার্জিনা, মেরিল্যান্ড ও ডিসিবাসী।

post
এনআরবি সাফল্য

আইএওটিপি- ২০২৩ সালের শীর্ষ অ্যাটর্নি হিসেবে টাইম স্কয়ারে ভেসে উঠলো মোহাইমিনা হকের ছবি

দুর্দান্ত আইনি সাফল্যের জন্য ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব টপ প্রফেশনালস’ (আইএওটিপি) দ্বারা ২০২৩ সালের শীর্ষ অ্যাটর্নি হিসেবে এ বছরের মার্চ মাসে নির্বাচিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাইমিনা হক। ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘দ্য ল অফিস অব মোহাইমিনা হক-পিএলএলসি’র প্রতিষ্ঠাতা তিনি। শীর্ষ অ্যার্টনি হিসেবে স্বীকৃতি পাবার পর এবার মিললো আরেক সম্মাননা। ৮ সেপ্টেম্বর টাইম স্কয়ারের বিশাল স্ক্রিনে ভেসে উঠলো মোমাইমিনার ছবি। অসাধারণ এই মুহুর্তুটির সময় মোহাইমিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মোহাইমিনা ছাড়াও আইএওটিপির সেরা প্রফেশনাল নির্বাচিত সবাই এদিনে উপস্থিত হয়েছিলেন টাইম স্কয়ারে। প্রতিবছরই বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিশেষ কৃতিত্বের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করে থাকে আইএওটিপি। পেশাগত, একাডেমিক কৃতিত্ব ও নেতৃত্বের ক্ষমতাসহ অনুষঙ্গ এবং তাদের সম্প্রদায়ের অবদানের ওপর ভিত্তি করে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। মোহাইমিনা হক একজন দক্ষ উকিল এবং একজন প্রতিভাধর সমস্যা সমাধানকারী। তিনি পরামর্শ থেকে শুরু করে আদালতের প্রতিনিধিত্ব করা পর্যন্ত ব্যাপক সহায়তা প্রদান করে থাকেন। করপোরেট আইন, অভিবাসন আইন, টর্ট আইন (ব্যক্তিগত আঘাত এবং পণ্যের দায়সহ) এবং আরও অনেক ক্ষেত্রেই কাজ করেন তিনি। টনি রোমাস নামক একটি গ্লোবাল রেস্তোরাঁর ফ্র্যাঞ্চাইজির জেনারেল কাউন্সেল হিসেবে কাজ করেন তিনি। সেখানে কোম্পানির আইনগত এবং সম্মতিমূলক কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান করেন এবং কৌশল ও করপোরেট বৃদ্ধির বিষয়ে বোর্ডের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে থাকেন। মোহাইমিনা ‘ওয়াশিংটন কলেজ অব ল’ থেকে মর্যাদাপূর্ণ কাম লাউড ডিস্ট্রিঙ্কশনে স্নাতক অর্জন করেছেন। তিনি পূর্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির অফিসে নির্বাচকদের জন্য অভিবাসন মামলায় কাজ করেছেন। এছাড়াও ওবামা প্রশাসনের সময় হোয়াইট হাউজে ইন্টার্নশিপের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেসময় মোহাইমিনা হক মার্কিন রাষ্ট্রপতির কার্যনির্বাহী অফিসে ডোমেস্টিক পলিসি কাউন্সিলে দায়িত্ব পালন করেন।

post
আন্তর্জাতিক

আত্মবিশ্বাস থাকলে বিবৃতি ভিক্ষা করে বেড়াতেন না: ড. ইউনূসকে প্রধানমন্ত্রী

মঙ্গলবার গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, "অপরাধ করেননি, আত্মবিশ্বাস থাকলে ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিবৃতি ভিক্ষা করে বেড়াতেন না।" সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। প্রধামন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয় শতাধিক নোবেল বিজয়ীসহ বিশ্বের ১৬০ জন বিশিষ্ট নেতা খোলা চিঠিতে যে ড. ইউনূসের বিচার স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সে বিষয়টিকে তিনি কোন গুরুত্ব দিচ্ছেন কিনা। তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং চলমান মামলার বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার কোন ক্ষমতা তার নেই। তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূসের পক্ষে বিবৃতি না দিয়ে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ  পাঠানো হোক, তারা সব খতিয়ে দেখুক।ড. ইউনূসের মামলা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, মামলা তো তার দল বা সরকার করেনি। কর ফাঁকির জন্য মামলা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যদি কেউ কর ফাঁকি দেয় তাকে তো কর দিতে হবে। আর তিনি তো ফাঁকি দেওয়া কর দিচ্ছেনও। বিশ্বনেতাদের পাঠানো চিঠিতে আরেকটি বিষয় ছিলো বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়। সেই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "যে নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারে সেটাই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। বিগত কয়েকটি নির্বাচনে জনগণ ভালো পরিবেশে ভোট দিয়েছে, আগামীতেও ভালোভাবে ভোট দিতে পারবে। জনগণ যাকে ভোট দেবে তারাই ক্ষমতায় আসবে, এটাই বিশ্বাস করি।"পাঁচ দেশের জোট ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে গত সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শুরুতে প্রধানমন্ত্রী লিখিত বক্তব্য পড়েন। এরপর শুরু হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.